সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২০
শিশুদেরকে আনন্দময় শৈশব উপহার হতে হবে
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নৈতিক স্কুল ও লিবারেল ফোরামের যৌথ উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধিজীবী আলী করিম স্মৃতি মেধাবৃত্তি এবং চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গত ১৮ ফেব্রূয়ারি বিকেল ৫টায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একামেডী মিলনাতয়নে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. গাজী সালেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের খ্যাতিমান শিশু সাহিত্যিক লেখক, গবেষক, বিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল। মূখ্য আলোচক ছিলেন চারুকলা ইন্সটিটিউট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইফুল বারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, চবি সমাজতত্ত বিভাগের অধ্যাপক মো: লিয়াকত আলী, আইন বিভাগের অধ্যাপক নির্মল কুমার, কবি ও সাহিত্যিক বাদল সৈয়দ, আসিফ ইকবাল। আবৃত্তি শিল্পী রুনা চৌধুরী ও লিপি তালুকদার পরিচালনায় এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেধাবৃত্তি ও প্রতিযোগিতার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শ্যামল বৈদ্য সবুজ, শিক্ষক মো: মহসিন, তানভীর এহসান, রফিকুল জামান তৌহিদ, বিপ্লব। অনুষ্ঠানের শুরুতে নৈতিক স্কুলের শিক্ষার্থীরা নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি, নাটক ও বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশনা করেন। প্রধান অতিথি ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল বলেন শিশুদেরকে আনন্দময় শৈশব নিশ্চিত করতে আমাদের অভিভাবকদের জিপিএ-৫ পাওয়ার প্রতিযোগিতা থেকে সরে আসতে হবে। শিক্ষার্থীদেরকে নানান রকম বইয়ের জগতে প্রবেশ করাতে হবে। লেখা-পড়াকে আরো বেশি গতিশীল করতে সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে ছেলে-মেয়েদের মনোযোগ বাড়াতে হবে। তিনি বলেন সব মানুুষের মনের ভিতরে একটা বাটি থাকতে হয়। যেখানে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা, সংস্কৃতিসহ সকল সৃষ্টিশীল কাজ জমা হয়। যার মনের ভিতর উক্ত বাটি না থাকে তার লেখাপড়া সহ কোন কিছু জমা হয়না। তিনি বলেন বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত একজন শ্রোতা কখনোই একটানা ২০ মিনিটের বেশি অভ্যস্ত নয়। আগে আমি জিপিএ-৫ যারা পেত খুশি হতাম। কিন্তু এখন খুশি হইনা এ কারণে ঐ সমস্ত শিক্ষার্থীদের কষ্ট যেমন রাত জেগে পড়ালেখা করা, কোচিং গাইডের উপর নির্ভরশীলতা, খেলাধূলা, সাহিত্য, সংস্কৃতির সাথে তাদের দূরত্ব সৃষ্টি হওয়া। নানামূখী চাপে তারা স্বাভাবিক জীবন থেকে অনেকটাই দূরে। যার কারণে তাদের মধ্যে সৃষ্টিশীলতা কমে যাচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদেরকে সহশিক্ষা কার্যক্রমেও অধিক মননশীল হওয়ার আহব্বান জানান। নৈতিক স্কুলে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা আমাকে মুগ্ধ করেছে। পথ শিশুদের মেধা বিকাশে এই স্কুল সত্যিই প্রশংনীয় কাজ করে যাচ্ছে। আমি এ সমস্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে অসাধারণ প্রতিভার চাপ দেখতে পাচ্ছি। তাদের সুন্দর আলোকিত জীবন কামনা করছি। সভার সভাপতি বলেন নৈতিক স্কুল প্রতিষ্ঠার পিছনে রয়েছে আমরা বর্তমানে একটি বড় সমস্যায় রয়েছি। তা হচ্ছে আমাদের মাঝে নৈতিকতার অভাব। আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে এদেশকে স্বাধীন করেছি। এদেশের সকল শ্রেণি পেশার মানুষ নৈতিকতা সম্পন্ন হয়ে শোষণহীণ আলোকিত সমাজ উপহার দেওয়ার জন্য। সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষ রাষ্ট্রের সকল সুযোগ সুবিধা সমানভাবে পাবে। তিনি নৈতিক স্কুলের পরিচালনা এবং অর্থায়ন সম্পন্ন ব্যক্তিগত বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। সভা শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবী আলী করিম স্মৃতি মেধাবৃত্তি ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল সহ অতিথিবৃন্দ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে: জেলা প্রশাসক
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাঙালি সারাবিশ্বের মাঝে মাছে-ভাতে বাঙালি হিসেবে পরিচিত। হাজার বছরের এই পরিচিতি ক্রমবর্ধমান উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় ঐতিহ্যের মাছে-ভাতে বাঙালীর পরিচয় হারাতে বসেছে। বর্তমান সরকার ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করছেন বাঙালির এই ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে। সরকারের একার পক্ষে এই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। বাঙালীর হাজার বছরের ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের মৎস্য ভান্ডারের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে মৎস্যজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মৎস্যজীবী লীগের কমিটির অনুমোদন পত্র গ্রহণকালে একথা বলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবীলীগের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ গত ১৯ ফেব্রূয়ারি বিকেল ৩টায় কোর্ট হিলস্থ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেনের নিকট সংগঠনের অনুমোদন পত্র হস্তান্তর করেন। এসময় সংগঠনের যুগ্ম আহব্বায়ক সুরেশ দাশের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আহব্বায়ক কমিটির সদস্য মাসুমা কামাল আখি, হানিফুল ইসলাম, সঞ্জয় সরকার, মোহাম্মদ গোলাম রহমান, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শাখার আহব্বায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা এস.এম.লেয়াকত হোসেন ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক স.ম.জিয়াউর রহমান। অনুমোদনপত্র গ্রহণকালে জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন বলেন, মৎস্যজীবী বিষয়ে এবং মৎস্য ভান্ডার নিয়ে কোন চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব প্রশাসন সহ্য করবে না। বাংলাদেশের চিরায়িত ঐতিহ্য মৎস্য ভান্ডারের অস্তিত্ব রক্ষায় মৎস্যজীবীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে কাজ করতে হবে। জেলা প্রশাসক আরো বলেন, পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রাম মৎস্যভান্ডারের বিশাল খাত রয়েছে। একে কাজে লাগিয়ে মৎস্যজীবীদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে। জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন নবগঠিত কমিটির কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানান।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মুত্যু
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে দৌড়ে ট্রেনে উঠতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে তাহেরা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ৯ নম্বর প্লাটফর্মে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা যায় নিহত তাহেরা বেগম বোয়ালখালীর ৫ নম্বর সারোয়াতলী ইউনিয়নের বেঙ্গুরা খাজা নগর গ্রামের বাসিন্দা। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তাবাহিনীর (আরএনবি) সহকারী উপ-পরিদর্শক মো. শওকত হোসেন সজল বলেন, দোহাজারী থেকে আসা ট্রেনটিতে দৌড়ে উঠতে গিয়ে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মৃত্যু হয় ওই বৃদ্ধার।
মাছ ধরতে শ্রীলঙ্কা থেকে বাংলাদেশে,আটক ২৪
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ সীমানায় চারটি মাছ ধরার নৌকাসহ ২৪ শ্রীলঙ্কান নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে নৌবাহিনী। ১৮ই ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার মধ্যরাতে আটকের পর শুক্রবার ২১শে ফেব্রুয়ারি এ ঘটনায় নগরের পতেঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেছেন নৌবাহিনীর কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম। এই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পতেঙ্গা থানা সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ বানৌজা ওমর ফারুক বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ অংশে টহল দিচ্ছিল। এ সময় অচোনা, সানজু পুঠা, সি হর্স ও ডেনান মেরিন আচোনা নামে চারটি মাছ ধরার নৌকাকে আটক করা হয়। এতে ছিলেন শ্রীলঙ্কার ২৮ জন জেলে, বোটচালক ও কর্মী। যারা সে সময় বাংলাদেশ অংশের সাগরে মাছ ধরছিলেন। তবে ওই জেলেদের দাবি, স্রোতের টানে বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে পড়েছিলেন তারা।
তরুণ প্রজন্মের মাঝে একুশের চেতনা জাগ্রত করতে হবে : চুয়েট ভিসি
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযু্িক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেছেন, একুশ আমাদের চেতনা, আমাদের অহংকার। সেই চেতনার উপর ভর করেই আমরা চূড়ান্ত স্বাধীনতা পেয়েছি। কিন্তু ভাষা আন্দোলনের সুদীর্ঘ পরিক্রমায় আজো সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন সম্ভব হয় নি। মাতৃভাষায় কথা বলার জন্য রক্তদান পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। একুশের সেই মহান চেতনাকে তরুণ প্রজন্মের বুকে ধারণ করতে হবে। বাংলা ভাষার ব্যবহারের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের চেতনাবোধ জাগ্রত করতে হবে। তবেই ভাষার প্রতি ও ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হবে। তিনি অদ্য ২১ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার), ২০২০ খ্রি. চুয়েট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২০ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। চুয়েটে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি এবং পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. রবিউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন আহম্মদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী এবং ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় প্রধানগণের পক্ষে পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সুদীপ কুমার পাল, প্রভোস্টগণের পক্ষে শহীদ মোহাম্মদ শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. রনজিৎ কুমার সূত্রধর, শিক্ষক সমিতির পক্ষে সাধারণ সম্পাদক ড. মো. সানাউল রাব্বী, কর্মকর্তা সমিতির পক্ষে সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম, কর্মচারী সমিতির পক্ষে সভাপতি জনাব মো. জামাল উদ্দিন এবং শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ‘১৫ ব্যাচের ফাহিম শাকিল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সানাউল রাব্বী, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এটিএম শাহজাহান, মানবিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব নাহিদা সুলতানা ও সহকারী রেজিস্ট্রার (সমন্বয়) জনাব মোহাম্মদ ফজলুর রহমান। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বিভিন্ন বিভাগের বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। এর আগে দিবসটি উপলক্ষ্যে দিনের প্রথম প্রহরে সকাল সাড়ে ৭টায় ক্যাম্পাসের উত্তর গোল চত্ত্বর হতে প্রভাতফেরীর মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচীর শুরু হয়। এতে নেতৃত্ব দেন মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। এরপর চুয়েট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। পরে একে একে চুয়েটের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান ভাষা শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। উল্লেখ্য, মুজিববর্ষ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকারী পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আকিব। এছাড়া দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা মধ্যে ছিল- রচনা প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গান প্রভৃতি।
তরুণ প্রজন্মের মাঝে একুশের চেতনা জাগ্রত করতে হবে : চুয়েট ভিসি
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযু্িক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেছেন, একুশ আমাদের চেতনা, আমাদের অহংকার। সেই চেতনার উপর ভর করেই আমরা চূড়ান্ত স্বাধীনতা পেয়েছি। কিন্তু ভাষা আন্দোলনের সুদীর্ঘ পরিক্রমায় আজো সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন সম্ভব হয় নি। মাতৃভাষায় কথা বলার জন্য রক্তদান পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। একুশের সেই মহান চেতনাকে তরুণ প্রজন্মের বুকে ধারণ করতে হবে। বাংলা ভাষার ব্যবহারের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের চেতনাবোধ জাগ্রত করতে হবে। তবেই ভাষার প্রতি ও ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হবে। তিনি অদ্য ২১ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার), ২০২০ খ্রি. চুয়েট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২০ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। চুয়েটে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি এবং পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. রবিউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন আহম্মদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী এবং ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় প্রধানগণের পক্ষে পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সুদীপ কুমার পাল, প্রভোস্টগণের পক্ষে শহীদ মোহাম্মদ শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. রনজিৎ কুমার সূত্রধর, শিক্ষক সমিতির পক্ষে সাধারণ সম্পাদক ড. মো. সানাউল রাব্বী, কর্মকর্তা সমিতির পক্ষে সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম, কর্মচারী সমিতির পক্ষে সভাপতি জনাব মো. জামাল উদ্দিন এবং শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ‘১৫ ব্যাচের ফাহিম শাকিল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সানাউল রাব্বী, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এটিএম শাহজাহান, মানবিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব নাহিদা সুলতানা ও সহকারী রেজিস্ট্রার (সমন্বয়) জনাব মোহাম্মদ ফজলুর রহমান। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বিভিন্ন বিভাগের বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। এর আগে দিবসটি উপলক্ষ্যে দিনের প্রথম প্রহরে সকাল সাড়ে ৭টায় ক্যাম্পাসের উত্তর গোল চত্ত্বর হতে প্রভাতফেরীর মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচীর শুরু হয়। এতে নেতৃত্ব দেন মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। এরপর চুয়েট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। পরে একে একে চুয়েটের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান ভাষা শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। উল্লেখ্য, মুজিববর্ষ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকারী পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আকিব। এছাড়া দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা মধ্যে ছিল- রচনা প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গান প্রভৃতি।
ভাষাশহীদদের প্রতি সাবেক মেয়র মনজুর আলমের শ্রদ্ধাঞ্জলী
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে উত্তর কাট্টলী আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের আয়োজনে ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম এর উদ্যোগে ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টায় নগরির আকবরশাহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও উত্তর কাট্টলী আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এম মনজুর আলম। অনুষ্ঠানে মনজুর আলম বলেন, আজ মহান শহীদ দিবস। এটা শুধু বাংলাদেশের জন্য বিশেষ দিন নয়, এটা এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। জাতিসংঘ অধিভুক্ত পৃথিবীর সব দেশেই এখন এই দিবসটি পালন করা হয়। পৃথিবীর ইতিহাসে নিজের মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করা এটাই প্রথম। ভাষা আন্দোলনের আজ ৬৮ বছর পূর্ণ হলো। আমাদের জন্য এটা একটি বেদনার দিন। এই দিন আমরা হারিয়েছি ভাষাশহীদ রফিক, জব্বার, সালাম ও নাম না জানা আরো অনেককে। অন্যদিকে এটি একটি ঐতিহাসিক স্মরণীয় দিন। এই দিবসে ভাষাশহীদদের ত্যাগের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে রাষ্ট্র ভাষা বাংলা। আজ আমরা সকল ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, উত্তর কাট্টলী আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীর, উপাধ্যক্ষ মাহফুজুল হক চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক মো. আবু ছগির, কাজী মাহবুবুর রহমান, অসীম চক্রবর্তী, আকবরশাহ থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি লোকমান আলী, সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।
বাঙালি জাতির প্রেরণার প্রতীক একুশে ফেব্রুয়ারি:মোছলেম উদ্দিন আহমদ এম.পি
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেন, বাঙালি জাতির প্রেরণার প্রতীক একুশে ফেব্রুয়ারি। স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরুটা হয়েছিল মূলত একুশে ফেব্রুয়ারি। এরই ধারাবাহিকাতায় আমরা নিজস্ব মাতৃভাষা পেয়েছি, একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র পেয়েছি। তিনি ২১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল ৯টায় সংগঠনের আন্দকিল্লাস্থ কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন হতে শুরু করে ৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে, ৭৫ এর ১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর ও স্বৈরাচার এবং সাম্প্রদায়িক বিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেশ ও জনগণের জন্য নাম জানা-অজানা শহীদদের জীবন দানের মধ্য দিয়ে রচিত বিশাল অহংকারের উত্তরাধিকার আমরা বহন করে চলেছি। তাই আমাদের জাতীয় কর্তব্যকে কখনোই অবহেলা করা যাবেনা। একুশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়ায় আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির সম্মান বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে আমাদের ভাষা সংস্কৃতি তথা স্বাধীনতার বিরোধী অপশক্তিই বিশ্ব সমাজ কর্তৃক ধীকৃত হয়েছে। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, এ ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে অনেকেই। শেখ হাসিনা সরকার বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার মর্যাদায় উন্নীত করেছে। সাম্প্রদায়িক জঙ্গীবাদ অপশক্তির বিরুদ্ধে একুশ আমাদের পথ দেখায় প্রেরণা যোগায়। এই অফুরন্ত জাগরনী শক্তির কারনেই আমরা বার বার জয়ী হই, জয়ী হবো। আজ আমরা স্মরণ করি ভাষা আন্দোলনের সব শহীদকে। সভায় বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি আবুল কালাম চৌধুরী, এম আবু সাঈদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাজাদা মহিউদ্দিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড: মির্জা কছির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এড: জহির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ দাশ, শ্রম সম্পাদক খোরশেদ আলম, দপ্তর সম্পাদক আলহাজ্ব আবু জাফর, শিক্ষা সম্পাদক বোরহান উদ্দিন এমরান, ধর্ম সম্পাদক আবদুল হান্নান চৌধুরী মঞ্জু, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা: তিমির বরণ চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এড: কামরুন নাহার, প্রচার সম্পাদক নুরুল আবছার চৌধুরী, কৃষি সম্পাদক এড: আবদুর রশিদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আবদুল মতিন চৌধুরী, বন বিষয়ক সম্পাদক এড: মুজিবুল হক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য দেবব্রত দাশ, মোস্তাক আহমদ আঙ্গুর, সৈয়দুল মোস্তফা চৌধুরী রাজু, এম ছিদ্দিক আহমদ বি.কম, মাহবুবুর রহমান শিবলী, আওয়ামী লীগ নেতা মৌলভী নুর হোসেন, মাহফুজুর রহমান মেরু, শামসুল ইসলাম, নাছির উদ্দিন, চৌধুরী আবুল কালাম প্রমুখ। সভার পূর্বে ভোর ৭টায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে একুশের ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানান চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর