কর্ণফুলী ইপিজেডে কারখানায় অগ্নিকাণ্ড
২৭নভেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ইপিজেডে একটি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসকেডি ইনোভেশন নামে ওই কারখানার আগুন ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিটের প্রচেষ্টায় প্রায় তিন ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আজ বুধবার ভোর পৌনে ছয়টার দিকে কারখানার সেক্টর-১ আউটডোরে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে। কর্ণফুলী ইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শামসুল আলম ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ফায়ার সার্ভিসের দুটি স্টেশনের পাঁচটি গাড়ি প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা যায়নি বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
চট্টগ্রাম ওয়াসায় দুদকের দল
২৭নভেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তিন সদস্যের একটি দল। দুর্নীতি দমন কমিশন, চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক জাফর আহমদের নেতৃত্বে উপ সহকারী পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম এবং কনস্টেবল ফিরোজ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। দুদকের সহকারী পরিচালক জাফর আহমদ চট্টগ্রাম ওয়াসা পরিদর্শনের বিষয়টি স্বীকার করলেও, কি কারণে এ পরিদর্শন তা জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম ওয়াসায় ওভার টাইম বাবদ প্রতি বছর ৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা খরচ, একাধিক কর্মচারীর দৈনিক ২৯ ঘণ্টার ভুতুড়ে ওভারটাইমসহ নানা অনিয়মের তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে দেশব্যাপী আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এসব আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই দুদকের দল ওয়াসা ভবন পরিদর্শনে এলো।
এমজেএফ এর উদ্দ্যেগে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন
২৬নভেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মানবাধিকার সংস্থা মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির উদ্দ্যেগে সংস্থার কার্যালয়ে ২৫ নভেম্বর মহানগর কমিটির চেয়ারম্যান এম.এ নুরুন্নবী চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মোহাম্মদ তছলিম কদের চৌধুরীর সঞ্চালনায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন উপলক্ষে খতমে গাউছিয়া ও মিলাদুন্নবীর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।দেশ ও জাতীর কল্যান কামনায় অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে খতমে গাউছিয়া শেষে মিলাদ কিয়াম ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সংস্থার মহাসচিব মোহাম্মদ তছলিম কাদের চৌধুরী। মোনাজাত শেষে আগত দুইশ জন অতিথিদের মধ্যে তবারক বিতরন করা হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতা করেন আলহাজ্ব ইদ্রিস মোঃ নুরুল হুদা,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সজিদ মুরাদ.এতে আরো উপস্থিত ছিলেন,মহানগর এর যুগ্ন মহাসচিব শরিফুল ইসলাম,নুরুল ইসলাম,মোঃ ইরফান চৌধুরী,সহ সাংগঠনিক সচিব জাহিদুল ইসলাম রবিন,দপ্তর সচিব মোঃ সুমন চৌধুরী,প্রচার ও প্রকাশনা সচিব মহিউদ্দিন কিরণ,ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সচিব জসিম হাওলাদার,কার্যকরী সদস্য মোঃ মিলন,মোঃ জহির,মোঃ আবুল কাসেম,মোঃ জামাল প্রমুখ।
পোর্ট সিটি ইউনিভার্সিটি বিবিএ শিক্ষার্থীদের বন্দর পরিদর্শন
২৪নভেম্বর,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ প্রোগ্রামের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছে। এ সময় প্রশিক্ষণ ম্যানেজার হালিমা বেগম বন্দরের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ৯২ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে হয়; যা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। এই বন্দরের কারণে চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী বলা হয়। ইউনিভার্সিটির বিভাগীয় প্রধান ড. রাজীব চক্রবর্তী, শিক্ষকবৃন্দের মধ্যে রিপন চ্যাটার্জী, ফারজানা রশিদ এবং নাফিসা তাসনীম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম আদালতে এনআইডি সংশোধন কারীদের ভিড়
২৩নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় পরিচয় পত্রে কোন তথ্য ও বানান ভুল থাকা মানেই নাগরিকদের দীর্ঘ বহুমুখী হয়রানির চক্করে পড়তে হচ্ছে। এই ভোগান্তির রূপ বিচিত্র হয় ধাপে ধাপে।কোন ভুলের দায় কার, সমাধান কিভাবে এবং কতোদিনে? সে সব নিয়ে ভুক্তভোগী নাগরিকদের সামনে কোন স্বচ্ছ তথ্য নেই। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ভান্ডার ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতার জন্য ভুল না করেও ভুলের জরিমানা গুনতে হচ্ছে, সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানিতে পড়তে হচ্ছে নাগরিকদের এবং তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান গুলোকেও।২০০৭ সালে ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়ন থেকে নাগরিক পরিচয়পত্রের প্রচলন। শুরুতে প্লাস্টিকে মোড়ানো সাদা কাগজের পরিচয় পত্র হাতে পেয়ে বহু মানুষ দেখেন তাদের দেয়া তথ্য ও নামের বানান ভুল। ভুলসহ স্মার্ট কার্ডও দেয়া হচ্ছে। এই ভুলের শিকার লক্ষ লক্ষ নাগরিক। ভোগান্তি দূর করতে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয় জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তির সেবা কার্যক্রম। ভোটার জাতীয় পরিচয়পত্রের সংশোধন, হারানো কার্ড উত্তোলন এবং নতুন কার্ড মুদ্রণে মাঠের উপজেলা অফিস, জেলা অফিস, আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অণুবিভাগের (এনআইডি) কার কী ক্ষমতা তা-ও নির্ধারিত করা হয় প্রজ্ঞাপনে। তারপরও বিড়ম্বনা কমছেই না।বর্তমানে দেশে ভোটার সাড়ে ১০ কোটি। এই ভোটারদের কমপক্ষে অর্ধেক বা ৫ কোটির মতো অশিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত, কোনো সনদধারী নন। এ অশিক্ষিত ভোটারদের এনআইডিতে কোনো ধরনের ত্রুটি থাকলে সংশোধনে চরম বিপাকে পড়তে হয়। কেননা সাধারণ নিয়মানুযায়ী প্রতিটি এনআইডি সংশোধন আবেদন সংশ্লিষ্ট স্থানীয় নির্বাচন অফিসের মাধ্যমে করতে হয়। সংশোধনের কাজটি সম্পর্ণ করা হয় ঢাকা থেকে। কোনো ধরনের তদবির বা যোগাযোগ না থাকলে বছরের পর বছর সেই আবেদন পড়ে থাকে। ফলে সেবা পাওয়া তো দূরের কথা সংশোধনের সঙ্গে সংযুক্ত মূল এনআইডিও ফেরত পান না ভুক্তভোগীরা। জানা গেছে, ভোটার তালিকা হালনাগাদে প্রতিবারই তথ্য সংগ্রহের সময় উভয় পক্ষের গাফিলতির কারণে তথ্যের গরমিল থাকছে। এসব ক্ষেত্রে নামের বানান, ঠিকানা, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নামের বানান নির্ভুল করা যায়নি। মাঠপর্যায়ের অনিয়ম পর্যবেক্ষণ করে ভোটার তথ্য সংগ্রহ ফরমে পিতা-মাতার নাম ও বর্তমান ঠিকানা ভুল করা এবং আইডি নম্বরের ঘর খালি রাখা, শনাক্তকারীর স্বাক্ষর না থাকা, সুপারভাইজার ও যাচাইকারীর নাম ও স্বাক্ষর না থাকা, এইচএসসি পাস হওয়া সত্ত্বেও স্বাক্ষর না নিয়ে শুধু টিপসই নেওয়া, আঙগুলের অস্পষ্ট ছাপ, ইংরেজি ও বাংলা বানানে অসামঞ্জস্যসহ ২১টি সমস্যা চিহ্নিত করা হয়।জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) তে নামের বানান, জন্ম তারিখ ও সাল ভুল,নামের পরিবর্তন সহ যে কোনো তথ্য সংশোধনের জন্য প্রথমে আদালতে হলফনামা প্রধান করিতে হয় এবং এই হলফনামায় সংশোধনটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করে তা নির্বাচন অফিসে জমা প্রধান করতে হয়।প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় বসবাসরত ব্যক্তিদের চট্টগ্রাম চিফ মেট্টোপলিটন মেজিষ্ট্রেটের নিকট হলফনামা প্রদান করিতে হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে সিএমএম আদালতে গিয়ে দেখাযায়, প্রত্যেক কার্যদিবসে উক্ত আদালতে ভিড় জমান এনআইডি সংশোধন কারীরা।তাদের মধ্যে যাদের শিক্ষাগত সনদ নেই বা যাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মুল কপি নেই তাদের ভুগান্তি চরমে।ভুক্তভোগী অনেকেই আক্ষেপ করে বলেন, অনুপ্রবেশ কারী রোহিঙ্গাদের কারণে আমরা এই বিপদের সম্মুখীন হয়েছি।সরকার যদি এই রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় না দিত তা হলে আমরা যারা বাংলাদেশের নাগরীক তারা এই সমস্যায় পরতাম না। একই চিত্র চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতেও। উক্ত বিষয়ে চট্টগ্রাম চিফ মেট্টোপলিটন আদালতের নাজের মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, এনআইডি সংশোধনের জন্য হলফনামা আমাদের এখান থেকে শুধুমাত্র যারা শহরের বসবাস কারী বা ভোটার তাদের গুলো নেয়া হচ্ছে।যাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে তাদের সমস্যা হচ্ছে না, যাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই তাদের হলফনামা আমরা নিচ্ছি না, কারণ আমার বিজ্ঞ বিচারক চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ ওসমান গনির নির্দ্দেশ এনআইডি সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মূল কপি প্রদর্শনে ব্যর্থ হলে হলফনামা জমা না নেয়ার জন্য।উনি একজন অভিজ্ঞ ও ন্যায় বিচারক,উনি সিএমএম হিসেবে দায়ীত্ব গ্রহনের পর থেকে এই আদালতের কার্যত্রুম ও শৃঙ্খলায় অনেক পরিবর্তন এনেছেন। বর্তমানে আমাদের চট্টগ্রাম আদালতে জনবলের সংকট রয়েছে,নিয়মিত আদালতের কার্যত্রুমের পাশাপাশি আমাদেরকে আরো অনেক কাজ করতে হয়, তারপরও চট্টগ্রাম আদালতের বর্তমান বিচার কাজে দায়িত্বরত বিজ্ঞ বিচারকগন ও আদালতের কর্মকর্তা কর্মচারীগন নিরলসভাবে সততা দক্ষতা ও নিষ্টার সাথে দায়ীত্ব পালন করে যাচ্ছেন।উক্ত বিষয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগী ও সুশিল সমাজের প্রতিনিধিগন বলেন, এনআইডি সংশোধনে হলফনামা জমাদানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ক্ষেত্রে কিছুটা শিতিলতা প্রয়োজন,তা হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটা কমে আসবে।
বিভ্রান্তি ছড়ালে সার্ভিস প্রোভাইডারের জরিমানা: তথ্যমন্ত্রী
২২নভেম্বর,শুক্রবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ালে সার্ভিস প্রোভাইডারের বিরুদ্ধে জরিমানার বিধিমালা তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়াও বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র আগামী মাস থেকে ১২ ঘন্টা সম্প্রচারে যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র শুধু ক্যাবল টেলিভিশন হিসেবে সারাদেশে ও বিদেশে দেখা যায়। কিন্তু আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এটিকে টেরিস্টেরিয়াল চ্যানেল হিসেবেও উন্নীত করা হবে। হাছান মাহমুদ শুক্রবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব টেলিভিশন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র, চট্টগ্রাম টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন ও টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে এ বৈঠকের আয়োজন করে। বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের মহাব্যবস্থাপক নিতাই কুমার ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপ-মহাপরিচালক (বার্তা) অনুপ কুমার খাস্তগীর। বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি, চরিত্রহনন ও গুজব ছড়ানো এখন বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্প্রচার নীতিমালা ইতিমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। সম্প্রচার আইনও পাস হবে। সেটি হলে সম্প্রচার মাধ্যমের সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে। মন্ত্রী বলেন, যেহেতু সম্প্রচার নীতিমালা বিদ্যমান আছে, এই নীতিমালার আলোকে কিভাবে আইনি সুরক্ষা দেয়া যায়, সেটি নিয়েও আমরা চিন্তা-ভাবনা করছি। টেলিভিশন যেন ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক স্বার্থে ব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে হাছান মাহমুদ বলেন, শিশু-কিশোরসহ আমাদের পুরো জনগোষ্ঠীর ওপর টেলিভিশনের প্রভাব ব্যাপক। যে মাধ্যমের এতবড় প্রভাব, সেটিকে আমরা জাতিগঠনের বিশাল কাজে লাগাতে পারি। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের মনন তৈরি এবং একইসাথে ভবিষ্যতের স্বপ্নের ঠিকানায় দেশকে পৌঁছানোর জন্য মেধা, মূল্যবোধ ও দেশাত্মবোধসম্পন্ন জনগোষ্ঠী তৈরির সক্ষমতা আমাদের টেলিভিশনের রয়েছে। ক্যাবল অপারেটরদের জন্য টিভিগুলোর সিরিয়াল করে দেয়া হয়েছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ছয় দশকে ভারতে কখনো আমাদের টেলিভিশন দেখা যেত না। প্রধানমন্ত্রী আমাকে দায়িত্ব দেয়ার ছয় মাসের মধ্যে এ কাজটি সম্পন্ন করেছি। টিভি বাড়ায় বিজ্ঞাপন ভাগ হয়ে যাচ্ছে। আগে ৪০০-৫০০ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন বিদেশে চলে যেত, যা বন্ধ করা হয়েছে। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, এখন টিভির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশি। আগামী দিনের টিভি চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে এখনই ভাবতে হবে। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সংবাদ পরিবেশন করা উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাহলে দর্শকের আস্থা বাড়বে। মো. আবদুল মান্নান বলেন, মিডিয়া মুক্তিযুদ্ধের সরকারের অনুকূলে কাজ করছে। যেসব তরুণ টিভিতে কাজ করছে তাদের উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে হবে। তাদের ঝুঁকি বেশি। তাদের ব্যাপারে সরকারের দিক থেকে অনেক কিছু করার আছে। ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান অনুপম শীলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন বিএফইউজের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, বাসসের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান কলিম সরওয়ার, একুশে পত্রিকার সম্পাদক আজাদ তালুকদার, চট্টগ্রাম টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাসির উদ্দিন তোতা, সাধারণ সম্পাদক লতিফা আনসারী রানা ও টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শফিক আহমেদ সাজিব।
চার কোটি টাকার ৮ কেজি স্বর্ণ বিমানবন্দরের টয়লেটে
২২নভেম্বর,শুক্রবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রায় ৪ কোটি টাকা মূল্যের ৮ কেজি ১৭০ গ্রাম ওজনের ৭০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়েছে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টয়লেট থেকে। আজ শুক্রবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে ওমানের মাসকাট থেকে সালাম এয়ারের যাত্রীরা নামার পর পরিত্যক্ত অবস্থায় স্বর্ণগুলো উদ্ধার করা হয়। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার সারওয়ার-ই-জামান বলেন,জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের কর্মকর্তারা স্বর্ণগুলো খুঁজে পান। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টয়লেটে পাওয়া গেছে ৮ কেজি স্বর্ণএর আগে গোপন সংবাদ থাকায় ওই ফ্লাইটের যাত্রীদের ওপর কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে সংশ্লিষ্ট পাচারকারী স্বর্ণের বারসহ পলিথিনটি টয়লেটে ফেলে যায়। এ ব্যাপারে কাস্টম আইন অনুযায়ী জব্দসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান এ কর্মকর্তা। তিনি বলেন,শাহ আমানতের আন্তর্জাতিক আগমন বিভাগের টয়লেটে স্বর্ণগুলো পাওয়া গেছে। ঠিক কোন প্লেনে কিংবা কোন দেশ থেকে পাচারকারী চক্র এসব স্বর্ণ এনেছে বলা মুশকিল।
বাংলাদেশ পুলিশ চট্টগ্রাম রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
২১নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,মো:ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ পুলিশ চট্টগ্রাম রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা গতকাল বুধবার হালিশহরস্থ জেলা পুলিশ লাইন্সের সিভিক সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে অপরাধ পর্যালোচনা সভার শুরুতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের স্মরণিকা অগ্রযাত্রার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। সভায় গত অক্টোবর মাসে জঙ্গিবাদ, অস্ত্র, মাদক নির্মূল, ওয়ারেন্ট তামিল, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দক্ষতা, মামলার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার, পরোয়ানা তামিল ও কোর্টে প্রসিকিউশন পক্ষের মামলা পরিচালনাসহ সার্বিক বিবেচনায় ভালো কাজের জন্য ১৭ ক্যাটাগরিতে রেঞ্জের ২৯ জন অফিসার-ফোর্সকে পুরস্কৃত করা হয়। এতে শ্রেষ্ঠ জেলার পুরস্কার নিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা। এ ছাড়াও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন, কাজী মো. আবদুর রহিম, সালাহউদ্দিন আল মাহমুদ, মো. কামাল উদ্দিন, আলাউদ্দিন, মো. নবীর হোসেন, মো. জাকির হোসেন, কামাল হোসেন, মো. গোলাম মোস্তফা, মো. সাঈদ মিয়া, মো. ইকবাল হোসেন, মো. সহিদার রহমান, নন্দন চন্দ্র সরকার, মো. খালেকুজ্জামান, মো. শাহাবুর আলম, মো. সাইদুর রহমান, এনামুল হক, আমিনুল ইসলাম, সাব্বির আহমদ, মো. মজিবুর রহমান, মো. সাদ্দাম হোসেন, আল-আমিন, আরাফাত বিন ইউসুফ, সাইফুল ইসলাম, ইসমাঈল হোসেন ও সৈয়দ এহতেশাম হায়দার বাপ্পী। অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তাদের প্রত্যেকের হাতে পুরস্কার তুলে দেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন এন্ড ক্রাইম) মোহাম্মদ আবুল ফয়েজ, জেলা পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা (চট্টগ্রাম), মো. মাহাবুবর রহমান (চাঁদপুর), এবিএম মাসুদ হোসেন (কক্সবাজার), মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার (বান্দরবান), মোহা. আহমার উজ্জামান (খাগড়াছড়ি), মো. আলমগীর কবীর (রাঙ্গামাটি), মো. আলমগীর হোসেন (নোয়াখালী), ড. এএইচএম কামরুজ্জামান (লক্ষীপুর), খোন্দকার নুরুন্নবী (ফেনী), সৈয়দ নুরুল ইসলাম (কুমিল্লা), মোহাম্মদ আনিসুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন এন্ড ক্রাইম) মাহমুদা বেগম, সহকারী পুলিশ সুপার মান্না দে, সহকারী পুলিশ সুপারগণ ও থানাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ পরিদর্শকগণ।
ধর্মঘটে সড়কে নৈরাজ্য
২১নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন সড়ক আইন বাতিলের দাবিতে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান পণ্য পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে গতকাল চট্টগ্রামসহ সারাদেশে সড়কে নৈরাজ্য ছিল পরিবহন শ্রমিকদের। ধর্মঘটের কারণে সকল ধরনের ট্রাক, লরি ও ট্রেইলর চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে বন্দর থেকে পণ্যবাহী কোনো যানবাহন বের হয়নি। তবে অন্যান্য পরিবহন এই ধর্মঘটের আওতায় না থাকলেও পণ্য পরিবহন শ্রমিকরা যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচলে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি যাত্রীদের নামিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলেও তারা বাধা দিয়েছেন নগরীর বিভিন্নস্থানে। তাদের বাধার মুখে চট্টগ্রাম থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচলও বন্ধ ছিল। তবে পরিবহন শ্রমিকদের বৃহত্তর সংগঠন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মো. মুছা বলেন,আমরা কোনো ধর্মঘট ডাকিনি। সকাল থেকে বাসও চলেছে। তবে পণ্য পরিবহন শ্রমিকরা ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের বিভিন্ন স্থানে বাধা দেওয়ায় বাস চলতে পারেনি বলে আমরা খবর পেয়েছি। আমরা দাবি করেছি এ আইনটি ধীরে ধীরে কার্যকর করতে এবং প্রথমদিকে পুলিশকে সহনশীল থাকতে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ঢাকায় আমাদের ফেডারেশনের অন্তর্ভূক্ত ২১৫টি সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের বর্ধিত সভা রয়েছে। সেখানে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত হবে। নতুন সড়ক পরিবহন আইনের কয়েকটি ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে মঙ্গলবার থেকে ধর্মঘটের ডাক দেয় ট্রাক ও পণ্য পরিবহন শ্রমিকরা। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও এই ধর্মঘটের সাথে একাত্ম হয়ে বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে চালকরা, যাতে চট্টগ্রাম থেকে দূর পাল্লার বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মালিক-শ্রমিকদের স্বেচ্ছা কর্মবিরতির কারণ প্রসঙ্গে বাস মালিকরা বলছেন, আইন নিয়ে ভীতি এবং আন্দোলনরত শ্রমিকরা বিভিন্ন জায়গায় বাধা দেওয়ায় বাসসহ অন্যান্য পরিবহন চলাচল ব্যহত হয়েছে। জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখায় অলংকার মোড় থেকে ওই রুটের সকল যান চলাচল বন্ধ ছিল। নগরীর হালিশহর, বড়পোল, ঈদগাঁও, নিমতলা, আগ্রাবাদ এঙেস রোড, মনসুরাবাদ, পোর্ট কানেক্টিং রোড এলাকায় শ্রমিকরা প্রাইভেট কার, টেম্পো, সিএনজি টেঙি, জরুরি পণ্য পরিবহনের ছোট ভ্যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেন। এসময় চালক-যাত্রী ও শ্রমিকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। যাত্রীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও জোর করে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। গাড়ি না পেয়ে হেঁটে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে যেতে দেখা গেছে যাত্রীদের। সিটি সার্ভিস বাস চালক মনসুর অলঙ্কার মোড়ে বলেন, সকালে বাস নিয়ে বের হওয়ার কিছুক্ষণ পর কয়েকজন এসে বাস চালানো যাবে না বলে ঘোষণা করে। এসময় বাসে থাকা যাত্রীদেরও নামিয়ে দেয় তারা এবং বাস না চালাতে আমাদেরকে বাধ্য করছে। না হয় অবস্থা খুব খারাপ হবে বলে হুমকি দিয়ে যায়। বাসের যাত্রী আবুল কালাম আগ্রাবাদ এলাকায় বলেন, আজ শুধুমাত্র পণ্য পরিবহণ শ্রমিকদের ধর্মঘট থাকলেও তারা গণপরিবহণগুলোও বন্ধ করে দিচ্ছে। যাত্রীদের বাস থেকেও নামিয়ে দিচ্ছে। তাই সঠিক সময়ে অফিসে যেতে পারবো না। তিনি কোতোয়ালী মোড় থেকে আগ্রাবাদ তাঁর কর্মস্থলে আসতে গিয়ে পলোগ্রাউন্ড এলাকায় বাধার সম্মুখে পড়েন বলে জানান। এদিকে ট্রাক-কাভার্ড ভ্যানের পাশাপাশি পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এমনকি মহাসড়কে নগরীর আশপাশের উপজেলায় যাতায়াতকারী গণপরিবহনও সকালে চলাচল করেনি। বুধবার সকালে নগরীর বিভিন্ন প্রবেশপথ অলঙ্কার মোড়, অঙিজেন মোড়, শাহ আমানত সেতু এলাকায় শত শত মানুষকে গণপরিবহনের অপেক্ষায় দুর্ভোগ পোহাতে দেখা গেছে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা অভিমুখে কোনো বাস সকাল থেকে ছেড়ে যায়নি। সেন্টমার্টিন পরিবহনের দামপাড়াস্থ কাউন্টার ব্যবস্থাপক নাজির আহমেদ জানান, সকালে তাদের কয়েকটি বাস ছেড়ে গেলেও সাড়ে আটটা থেকে কোনো বাস ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়নি। এ কে খান এলাকায় ঈগল পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার কামাল হোসেনও জানিয়েছেন, সকাল থেকে তাদের বাস ছাড়া হয়নি। যারা আগাম টিকিট নিয়েছিলেন তাদের টাকাও ফেরত দেওয়া হচ্ছে। গতকাল ধর্মঘট চলাকালীন নগরীতে মাঝে মাঝে দুয়েকটি ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান দেখা গেলেও বন্দর অভিমুখী পণ্য বহনকারী কোনো যান দেখা যায়নি। তবে বেসরকারি কনটেনার ডিপোগুলোতে কিছু কিছু লং ভেহিক্যাল ঢুকেছে। প্রতিদিনের মতো বুধবার বন্দরের জেটিগুলোতে আমদানি পণ্যের কন্টেনার নামানোর কাজ স্বাভাবিকভাবে চললেও পণ্য নিতে সকাল থেকে কোনো ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান বন্দরে ঢোকেনি। সকাল থেকে চট্টগ্রাম বন্দর সংলগ্ন বিমানবন্দর সড়কের বিভিন্নস্থানে ও আশপাশের এলাকায় বন্ধ ট্রাক-কাভার্ড ভ্যানের সারি দেখা গেছে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর