শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
মুনির উল্লাহ তরিকতের নামে চাদাঁবাজি ও জুলমবাজি করত
২১জুলাই২০১৯,রবিবার,স্টাফ রিপোর্টার,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাউজান উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ বলেন, মুনির উল্লাহ তরিকতের নামে প্রতিদিন তরিক্বতপন্থিদের কাছ থেকে নুন্যতম ৫টা হারে চাঁদা আদায় করত। তাই তিনি একজন চাঁদাবাজ, জুলমবাজ। সেই তরিকতের নামে ইসলামকে কলঙ্কিত করেছে। তার এসব অপকর্মের কারণে তাকে রাউজানে আর ঢুকতে দেওয়া হবে না। এতে রাউজানের প্রবেশদ্বার উরকিরচর ইউনিয়ন থেকেই তাকে প্রতিহত করা হবে। তিনি গতকাল শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম কাপ্তাই সড়কের রাউজান উপজেলা উরকিরচরে সর্বস্তরের জনসাধবরণের ব্যবস্থাপনায় ভন্ড তরিকত সংগঠন মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটির সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ ও এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা কারী, কিশোর শহীদ নঈম উদ্দীন ও বিভিন্ন সময় আলেম ওলামা, মুক্তিযোদ্ধা,ও সাধারণ জনগণের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারপর্বক শাস্তি ও ফাঁসি সহ অসংখ্য নিরীহ জনতার উপর আরোপিত মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমার তরিকতের বিরুদ্ধে কথা বলব তা স্বপ্নেও ভাবেনি। কিন্তু মুনির উল্লাহ মুনিরীয়া তরিকতের নামে হামলা, মামলা থেকে আলেম ওলামা, রাজনৈতিক ব্যক্তি থেকে কেউ রক্ষা পায়নি। এমনকি শহীদ নঈমুদ্দিনকে তারা নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। তাদের অপকর্ম প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এমনকি স্থানীয় পত্রিকার বিরুদ্ধেও এখন কথা বলছে। আমি বলব এদের এত সাহস কোথায়। সাংবাদিকরা জাতির বিবেক।
ভাটিয়ারীর বানুরবাজারে কারের ধাক্কায় যুবক নিহত
২১জুলাই২০১৯,রবিবার,স্টাফ রিপোর্টার,নিউজ একাত্তর ডট কম: সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে কারের ধাক্কায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (২০ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার মহাসড়কের ভাটিয়ারী বানুরবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম মোহাম্মদ শফি (৪০)। তিনি কর্ণফুলী থানার চরলক্ষ্যা গ্রামের মোঃ আব্দুল হামিদের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাটিয়ারীর বানুরবাজার এলাকার রং মিস্ত্রি শফি প্রতিদিনের মত শনিবার রাত আনুমানিক ১২টার দিকে কাজ শেষে বের হয়ে হোটেলে ভাত খেতে যাবার উদ্দেশ্যে মহাসড়ক পারপারের চেষ্টাকালে চট্টগ্রামমুখী একটি প্রাইভেট কার (ঢাকা মেট্টো য়-০০-০৫৮৮) তাকে সজোরে ধাক্কা দিলে তিনি ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার এস.আই মোঃ দেলোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার ও কারটি আটক করেন।
আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের ৩৯তম বার্ষিক সভা
২১জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম, চট্টগ্রামের ৩৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা গতকাল শনিবার সংস্থার সভাপতি ও সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমানের সভাপতিত্বে দামপাড়াস্থ পুলিশ লাইন সিএমপির সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে প্রয়াত সদস্য ও বেওয়ারিশ মৃত্যুবরণকারীদের জন্য দোয়া কামনা করে মোনাজাত করা হয় এব শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়। এরপর সভাপতিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। স্বাগত বক্তব্য দেন সহ-সভাপতি শামসুল আলম শামীম। বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজেট উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক চৌধুরী এবং বার্ষিক হিসাব বিবরণী উপস্থাপন করেন কোষাধ্যক্ষ মোরশেদুল আলম কাদেরী। বার্ষিক প্রতিবেদন, বাজেট ও হিসাব বিবরণী সভায় সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়। এরপর সভাপতি ২০১৯-২০২৩ মেয়াদে নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটির সভাপতি হলেন মো. মাহাবুবর রহমান, সহ-সভাপতিরা হলেন- এম এ মালেক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আমেনা বেগম, মো. ইউসুফ সর্দার, শামসুল আলম শামীম, অধ্যাপক কাজী শাহাদাৎ হোসাইন, প্রফেসর ডা. মাহমুদ এ চৌধুরী (আরজু), অধ্যাপক মো. এম কামাল উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ মোরশেদুল আলম কাদেরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. আশেকে এলাহী, নির্বাহী সদস্য উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) শ্যামল কুমার নাথ, সদস্যরা হলেন- মকসুদ আহমেদ সর্দার, হাজী জাহানারা বেগম (লুনা), মোহাম্মদ শাহজাহান, অছিউর রহমান, আফতাব রহিম চৌধুরী (ফেরদৌস), প্রকৌশলী মোহাম্মদ আসাদ উল্লাহ্ মো. হরমুজ শাহ বেলাল, সৈয়দ মোহাম্মদ ফজলুল করিম, মোহাম্মদ ওসমান গণি ও নিজাম উদ্দিন মাহমুদ হোসাইন। আজীবন সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, মীর ফজলে আকবর শাহাজাহান, সেতারা গাফ্&;ফার, আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ। সভায় নির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক কাজী শাহাদাৎ হোসাইন, প্রফেসর ডা. মাহমুদ এ চৌধুরী (আরজু), সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. আশেকে এলাহী এবং নির্বাহী সদস্য ও উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) শ্যামল কুমার নাথ, মকসুদ আহমেদ সর্দার, মোহাম্মদ শাহজাহান, হাজী জাহানারা বেগম (লুনা) , প্রফেসর এম ডি এম কামাল উদ্দিন চৌধুরী, অছিউর রহমান, প্রকৌশলী মোহাম্মদ আসাদ উল্লাহ্;, আফতাব রহিম চৌধুরী (ফেরদৌস), মোহাম্মদ ওসমান গণি প্রমুখ। সিএমপির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (সদর), মো. হাছান চৌধুরী। সমাপনী বক্তব্যে সংস্থার সভাপতি সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান বলেন, মানব সেবা বড় সেবা। তিনি সংস্থার ২৪ তলা ভবন নির্মাণে এগিয়ে আসার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান এবং নিজেও সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
পটিয়ায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্যুরে পোর্ট সিটি ভার্সিটির শিক্ষার্থীরা
২০জুলাই২০১৯,শনিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: পটিয়ার চরকানাইয়ে অবস্থিত আম্বিয়া নিটিং অ্যান্ড ডাইং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড পরিদর্শন করেছেন পোর্ট সিটি ইউনিভার্সিটির টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। গত বুধ ও বৃহস্পতিবার দুইদিন তারা এই কারখানা পরিদর্শন করে ব্যবহারিক শিক্ষা অর্জন করেন। শিক্ষার্থীরা কারখানার নিটিং বিভাগ, ডাইং বিভাগ, প্রিন্টিং বিভাগ, ফিনিশিং বিভাগ, ল্যাবরেটরিসহ সকল বিভাগ পরিদর্শন করেন। এসময় বিভাগীয় সভাপতি শেখ শাহ আলম, প্রভাষক মো. রেজাউল করিম, আসিফ সাকিব, মো. নাজমুল হুদা শুভ, মো. নাযিফ হাসান চৌধুরী ছাড়াও ছাত্রছাত্রীদের সর্বাত্মক সহায়তা করেন ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষ। বিশেষত ফ্যাক্টরির ডেপুটি জিএম মো. শাহীনুল আলমের আন্তরিক সহায়তায় ছাত্রছাত্রীরা আধুনিক ডাটাকালার মেশিনের কর্মপ্রক্রিয়া দেখার সুযোগ লাভ করে। এছাড়া প্রতিটি বিভাগেই কাপড় উৎপাদন থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রক্রিয়া পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে শেখার সুযোগ লাভ করে তারা। ফ্যাক্টরি পরিদর্শন শেষে শিক্ষার্থীরা জানায়, এ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্যুর থেকে তারা যথেষ্ট উপকৃত হয়েছেন। বস্ত্র প্রক্রিয়াজাতকরণ সামনাসামনি দেখে তাদের ব্যবহারিক জ্ঞান সমৃদ্ধ হয়েছে। এটা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত হতে মানসিকভাবে সহায়তা করবে। আম্বিয়া নিটিং অ্যান্ড ডাইং ইন্ডাস্ট্রিজের ডেপুটি জিএম মো. শাহীনুল আলম বলেন, পোর্ট সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের সর্বাত্মক সহায়তা করতে তিনি সবসময় প্রস্তুত। ইতোপূর্বে তিনি বেশ কিছু ছাত্রছাত্রীর ইন্টার্নশিপের ব্যবস্থা করেছেন এবং এই সুযোগ ভবিষ্যতে আরো বাড়বে বলে আশ্বাস প্রদান করেন। বিভাগীয় সভাপতি শেখ শাহ আলম বলেন, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার অন্যতম অংশ হলো ফ্যাক্টরি পরিদর্শন। এটা শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক জ্ঞান সমৃদ্ধ করে যা পেশাগত জীবনে তাদের প্রভূত সহায়তা করে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
সাংবাদিক কন্যা রুপা চৌধুরীকে অভিনন্দন
১৭জুলাই২০১৯,বুধবার,মোঃ সোহেল,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম অফিস:সাংবাদিক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরীর বড় মেয়ে রুপা চৌধুরী চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ মহিলা কলেজ থেকে এইচ.এস.সি ২০১৯ এর ফাইনাল পরিক্ষায় গ্রেড-এ পাওয়ায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে অভিনন্দন জানান। তার পিতা সাংবাদিক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী দির্ঘদিন যাবত সততা,নিরপেক্ষতা ও দক্ষতার সহিত দেশের সুনামধন্য বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন। তিনি বর্তমানে ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক সবুজ নিশান পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভিাগীয় প্রধান,দৈনিক সংবাদের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিউজ একাত্তর ডট কম এর সম্পাদক হিসেবে কর্মরত আছেন। কলামিস্ট,প্রাবন্ধীক,সংগঠক ও সাংবাদিক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরীর দুই মেয়ে এক ছেলের মধ্যে রুপা চৌধুরী সকলের বড়। সাংবাদিক কন্যা রুপা চৌধুরী এইচ.এস.সি ২০১৯ ইং পরিক্ষায় গ্রেড- এ পাওয়ায় জাতীয় দৈনিক সবুজ নিশান,দৈনিক সংবাদের কাগজ ও নিউজ একাত্তর ডট কম পত্রিকা পরিবারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়।
নির্লোভী, সৎ, নিষ্টাবান এডভোকেট চট্টগ্রামের রতন চন্দ্র দাশ
১৬জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,সুজন আচার্য্য,আদালত প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:আইন পেশা প্রাচীন পেশাগুলোর মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশে এ পেশার ইতিহাস পুরনো। ঐতিহাসিকরা মনে করেন, আমাদের এই ভূখন্ডে প্রাচীনকালে আইন পেশার প্রচলন থাকলেও তা আধুনিককালের মতো সুসংগঠিত ছিল না। মুসলিম শাসনামলে বাংলায় আইনচর্চা মহৎ পেশা হিসেবে স্বীকৃত ছিল। মুসলিম যুগে বিচারক (কাজী) এবং আইনজীবী (মুফতি), উভয়ই ইসলামি শরিয়াহ আইনের বিশেষজ্ঞ ছিলেন। মুফতিরা আদালতে আইনজীবীর ভূমিকা পালন করতেন এবং একই ভূমিকা পালন করতেন হিন্দু পন্ডিতরাও। ঐ সময়ে আইনজীবীরা উকিল হিসেবে পরিচিত ছিলেন।আধুনিক ধারার আইন পেশার শুরু তদানিস্তন বাংলায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে। গর্ভনর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস কোম্পানির বিচার কাজের সুবিধার্থে ১৭৯৩ সালে আইনের মাধ্যমে ইংরেজ আদলে আইন পেশার সূচনা করেন।ইংরেজদের আইনে অভিজ্ঞদেরই আইন পেশায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়া হয়। তবে ইংরেজ আইনজীবীরা সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। পরবর্তীকালে স্থানীয়দেরও নিম্ন আদালতে বিচারকাজে আইনজীবী হিসেবে ভূমিকা রাখার সুযোগ দেয়া হয়। কালক্রমে আইন পেশা একটি মহৎ ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রেই আইন পেশার প্রভাব লক্ষণীয়। একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ ও জ্ঞানী আইনজীবী সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারেন এবং হতে পারেন নতুন সমাজ নির্মাণের কারিগর। এ জন্য আইনজীবীকে সমাজ নির্মাণের কারিগর হিসেবে অভিহিত করা হয়। সমাজ সংস্কারের ক্ষেত্রে এবং জাতির সঙ্কটময় মুহূর্তে আইন পেশার ভূমিকা ইতিহাস পাঠে জানা যায়। আসলে সমাজসেবার মহান ব্রতই আইন পেশার মূলমন্ত্র। আইনজীবীর জীবন কঠিন সংগ্রামের জীবন। তাকে জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সংগ্রাম করতে হয়। সংগ্রামের ওপরই তার সফলতা নির্ভর করে। সামাজিক স্বীকৃতির সঙ্গে তিনি অর্জন করেন সম্মান, যশ, অর্থবিত্ত এবং ক্ষমতা-প্রতিপত্তি। সমাজে দ্বিতীয় কোনো পেশা নেই যার মাধ্যমে সম্মান, সম্পদ ও ক্ষমতা একই সাথে লাভ করা যায়। একজন সফল ব্যবসায়ী অর্থসম্পদের মালিক হতে পারেন, রাজনীতিবিদ ক্ষমতা ভোগ করতে পারেন এবং সমাজসেবক সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী হতে পারেন, কিন্তু একজন আইনজীবী এর সবই অর্জন করতে সক্ষম। এ দিক থেকে আইন পেশা স্বতন্ত্র মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। অনেক সমাজবিজ্ঞানী আইন পেশাকে সর্বশ্রেষ্ঠ পেশা হিসেবে অভিহিত করেছেন।আইনজীবী একজন পেশাদার ব্যক্তি। স্বভাবতই তাকে পেশার উৎকর্ষ সাধনে সব সময় সজাগ ও সচেষ্ট থাকতে হয়। আইন পেশা জীবনভিত্তিক। এই মহৎ ও মর্যাদাপূর্ণ পেশার সদস্য হতে হলে একজন আইনজীবীকে অবশ্যই বিশেষ গুণাবলির অধিকারী হতে হয়। সর্বাবস্থায় তাকে মক্কেলের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিতে হয়। আইনজীবীর পেশাদারিত্ব নির্ভর করে তার জ্ঞান, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও চরিত্রের ওপর।ন্যায়বিচার প্রদানই হচ্ছে আদালতের প্রথম ও প্রধান উদ্দেশ্য। আইনজীবী মামলা-মোকদ্দমায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বিচারককে সাহায্য প্রদান করে থাকেন। বিচারের নীতি হলো- প্রয়োজনে প্রতি ১০ জন অপরাধীর ৯ জনই ছাড়া পেয়ে যাবে তবুও যেন ১ জন নিরাপরাধ ব্যক্তির ভুলবশতঃ হলেও সাজা হয়ে না যায়। কেননা, প্রকৃত অপরাধীকে শাস্তি দিতে গিয়ে যদি কোন নিরপরাধ ব্যক্তিকে শাস্তি কিংবা কারাভোগ করতে হয় তার চেয়ে বড় কোন অপরাধ হতে পারে না। এতে করে মানবাধিকার হয় ভূলুণ্ঠিত এবং সমাজে প্রতিশোধের জিঘাংসা ও অপরাধ-প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। এ ক্ষেত্রে বিচারকের দৃষ্টিতে যে সব সূক্ষ্ম ও ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র তথ্য ও তত্ত্ব ধরা পড়ে না আইনজীবীগণ নিজ নিজ পক্ষে জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করার মাধ্যমে বিচারকগণকে সত্য উদঘাটনে প্রচন্ডতম সহযোগিতা প্রদান করে মানবাধিকার সংরক্ষণে ভূমিকা রাখছেন। ফলে বিচারকগণ নিখুঁত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন। ওকালতি ব্যবসা নয়, সেবা ।আইন নিয়ে জীবিকা একটি মহান পেশা। তবে সেবার মনোভাব নিয়ে আইন পেশায় কাজ করতে হবে। এই পেশা একটি মহৎ পেশা। এর মাধ্যমে মানুষের অধিকার প্রাপ্তির বিষয়ে সহায়তা করা যায়। গরিবের পাশে গরিবের বন্ধু হয়ে আইনপেশায় নিয়োজিতদের দাঁড়াতে হবে।চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানাধীন দক্ষিণ কাট্টলীর বাসিন্দা মৃত মরন চন্দ্র দাশের প্রথম পুত্র এডভোকেট রতন চন্দ্র দাশ গত ২০০৮ সালে চট্টগ্রাম আইন কলেজ থেকে এল.এল.বি পাশ করার পরে চট্টগ্রাম আদালতের সুনামধন্য সিনিয়র এডভোকেট মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের সহকারী হিসেবে আইনী পেশার পথ চলা শুরু করেন। এডভোকেট রতন চন্দ্র দাশ ২০১৪ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য মনোনীত হন এবং একই বছর চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবি বার এসোসিয়েশনের সদস্য পদ লাভ করেন। নির্লোভী, সৎ, নিষ্টাবান ও আইন পেশায় যুক্ত হয়ে চট্টগ্রাম আদালতে প্রতিদিন অসংখ্য অসহায় ব্যক্তিদেরকে আইনী সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বর্তমানে দেশের সুনামখ্যাত মানবাধিকার সংস্থা মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এন্ড জার্নালিষ্ট ফাউন্ডেশন(এমজেএফ) চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আইন বিষয়ক সচিব হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছেন। উক্ত সংস্থায় দায়ীত্ব পালন কালে তিনি ইতি মধ্যে সংস্থার অনেক অসহায় গরিবদেরকে আইনী সেবা দিয়েছেন বলে জানা যায়।এডভোকেট রতন চন্দ্র দাশ তার মতপ্রকাশে বলেন, সৃষ্টি জগতে ধনী গরিব সকলে মানুষ,মানুষের কল্যাণে যে কাজ তাকে মানব সেবা বলে,আইনী পেশাও একটি মানবসেবা মূলক পেশা,তাই আমি চেষ্টা করছি মানুষের সেবা করার জন্য,কতটুকু পেরেছি বা সফল হয়েছি তা আপনারাই ভালো বলতে পারেন। চট্টগ্রাম আদালতে অনেক সিনিয়র এডভোকেট আছেন, তাদের তুলনায় আমি এখনো শিক্ষার্থী।আমি সকলের নিকট আশির্বাদ কামনা করছি ,আমি যেন সিনিয়রদের মতো এই পেশায় থেকে মানুষের সেবা করে যেতে পারি।
নির্লোভী, সৎ, নিষ্টাবান এডভোকেট চট্টগ্রামের রতন চন্দ্র দাশ
১৬জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,সুজন আচার্য্য,আদালত প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:আইন পেশা প্রাচীন পেশাগুলোর মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশে এ পেশার ইতিহাস পুরনো। ঐতিহাসিকরা মনে করেন, আমাদের এই ভূখন্ডে প্রাচীনকালে আইন পেশার প্রচলন থাকলেও তা আধুনিককালের মতো সুসংগঠিত ছিল না। মুসলিম শাসনামলে বাংলায় আইনচর্চা মহৎ পেশা হিসেবে স্বীকৃত ছিল। মুসলিম যুগে বিচারক (কাজী) এবং আইনজীবী (মুফতি), উভয়ই ইসলামি শরিয়াহ আইনের বিশেষজ্ঞ ছিলেন। মুফতিরা আদালতে আইনজীবীর ভূমিকা পালন করতেন এবং একই ভূমিকা পালন করতেন হিন্দু পন্ডিতরাও। ঐ সময়ে আইনজীবীরা উকিল হিসেবে পরিচিত ছিলেন।আধুনিক ধারার আইন পেশার শুরু তদানিস্তন বাংলায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে। গর্ভনর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস কোম্পানির বিচার কাজের সুবিধার্থে ১৭৯৩ সালে আইনের মাধ্যমে ইংরেজ আদলে আইন পেশার সূচনা করেন।ইংরেজদের আইনে অভিজ্ঞদেরই আইন পেশায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়া হয়। তবে ইংরেজ আইনজীবীরা সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। পরবর্তীকালে স্থানীয়দেরও নিম্ন আদালতে বিচারকাজে আইনজীবী হিসেবে ভূমিকা রাখার সুযোগ দেয়া হয়। কালক্রমে আইন পেশা একটি মহৎ ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রেই আইন পেশার প্রভাব লক্ষণীয়। একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ ও জ্ঞানী আইনজীবী সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারেন এবং হতে পারেন নতুন সমাজ নির্মাণের কারিগর। এ জন্য আইনজীবীকে সমাজ নির্মাণের কারিগর হিসেবে অভিহিত করা হয়। সমাজ সংস্কারের ক্ষেত্রে এবং জাতির সঙ্কটময় মুহূর্তে আইন পেশার ভূমিকা ইতিহাস পাঠে জানা যায়। আসলে সমাজসেবার মহান ব্রতই আইন পেশার মূলমন্ত্র। আইনজীবীর জীবন কঠিন সংগ্রামের জীবন। তাকে জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সংগ্রাম করতে হয়। সংগ্রামের ওপরই তার সফলতা নির্ভর করে। সামাজিক স্বীকৃতির সঙ্গে তিনি অর্জন করেন সম্মান, যশ, অর্থবিত্ত এবং ক্ষমতা-প্রতিপত্তি। সমাজে দ্বিতীয় কোনো পেশা নেই যার মাধ্যমে সম্মান, সম্পদ ও ক্ষমতা একই সাথে লাভ করা যায়। একজন সফল ব্যবসায়ী অর্থসম্পদের মালিক হতে পারেন, রাজনীতিবিদ ক্ষমতা ভোগ করতে পারেন এবং সমাজসেবক সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী হতে পারেন, কিন্তু একজন আইনজীবী এর সবই অর্জন করতে সক্ষম। এ দিক থেকে আইন পেশা স্বতন্ত্র মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। অনেক সমাজবিজ্ঞানী আইন পেশাকে সর্বশ্রেষ্ঠ পেশা হিসেবে অভিহিত করেছেন।আইনজীবী একজন পেশাদার ব্যক্তি। স্বভাবতই তাকে পেশার উৎকর্ষ সাধনে সব সময় সজাগ ও সচেষ্ট থাকতে হয়। আইন পেশা জীবনভিত্তিক। এই মহৎ ও মর্যাদাপূর্ণ পেশার সদস্য হতে হলে একজন আইনজীবীকে অবশ্যই বিশেষ গুণাবলির অধিকারী হতে হয়। সর্বাবস্থায় তাকে মক্কেলের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দিতে হয়। আইনজীবীর পেশাদারিত্ব নির্ভর করে তার জ্ঞান, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও চরিত্রের ওপর।ন্যায়বিচার প্রদানই হচ্ছে আদালতের প্রথম ও প্রধান উদ্দেশ্য। আইনজীবী মামলা-মোকদ্দমায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বিচারককে সাহায্য প্রদান করে থাকেন। বিচারের নীতি হলো- প্রয়োজনে প্রতি ১০ জন অপরাধীর ৯ জনই ছাড়া পেয়ে যাবে তবুও যেন ১ জন নিরাপরাধ ব্যক্তির ভুলবশতঃ হলেও সাজা হয়ে না যায়। কেননা, প্রকৃত অপরাধীকে শাস্তি দিতে গিয়ে যদি কোন নিরপরাধ ব্যক্তিকে শাস্তি কিংবা কারাভোগ করতে হয় তার চেয়ে বড় কোন অপরাধ হতে পারে না। এতে করে মানবাধিকার হয় ভূলুণ্ঠিত এবং সমাজে প্রতিশোধের জিঘাংসা ও অপরাধ-প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। এ ক্ষেত্রে বিচারকের দৃষ্টিতে যে সব সূক্ষ্ম ও ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র তথ্য ও তত্ত্ব ধরা পড়ে না আইনজীবীগণ নিজ নিজ পক্ষে জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করার মাধ্যমে বিচারকগণকে সত্য উদঘাটনে প্রচন্ডতম সহযোগিতা প্রদান করে মানবাধিকার সংরক্ষণে ভূমিকা রাখছেন। ফলে বিচারকগণ নিখুঁত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন। ওকালতি ব্যবসা নয়, সেবা ।আইন নিয়ে জীবিকা একটি মহান পেশা। তবে সেবার মনোভাব নিয়ে আইন পেশায় কাজ করতে হবে। এই পেশা একটি মহৎ পেশা। এর মাধ্যমে মানুষের অধিকার প্রাপ্তির বিষয়ে সহায়তা করা যায়। গরিবের পাশে গরিবের বন্ধু হয়ে আইনপেশায় নিয়োজিতদের দাঁড়াতে হবে।চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানাধীন দক্ষিণ কাট্টলীর বাসিন্দা মৃত মরন চন্দ্র দাশের প্রথম পুত্র এডভোকেট রতন চন্দ্র দাশ গত ২০০৮ সালে চট্টগ্রাম আইন কলেজ থেকে এল.এল.বি পাশ করার পরে চট্টগ্রাম আদালতের সুনামধন্য সিনিয়র এডভোকেট মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের সহকারী হিসেবে আইনী পেশার পথ চলা শুরু করেন। এডভোকেট রতন চন্দ্র দাশ ২০১৪ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য মনোনীত হন এবং একই বছর চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবি বার এসোসিয়েশনের সদস্য পদ লাভ করেন। নির্লোভী, সৎ, নিষ্টাবান ও আইন পেশায় যুক্ত হয়ে চট্টগ্রাম আদালতে প্রতিদিন অসংখ্য অসহায় ব্যক্তিদেরকে আইনী সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বর্তমানে দেশের সুনামখ্যাত মানবাধিকার সংস্থা মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এন্ড জার্নালিষ্ট ফাউন্ডেশন(এমজেএফ) চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আইন বিষয়ক সচিব হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছেন। উক্ত সংস্থায় দায়ীত্ব পালন কালে তিনি ইতি মধ্যে সংস্থার অনেক অসহায় গরিবদেরকে আইনী সেবা দিয়েছেন বলে জানা যায়।এডভোকেট রতন চন্দ্র দাশ তার মতপ্রকাশে বলেন, সৃষ্টি জগতে ধনী গরিব সকলে মানুষ,মানুষের কল্যাণে যে কাজ তাকে মানব সেবা বলে,আইনী পেশাও একটি মানবসেবা মূলক পেশা,তাই আমি চেষ্টা করছি মানুষের সেবা করার জন্য,কতটুকু পেরেছি বা সফল হয়েছি তা আপনারাই ভালো বলতে পারেন। চট্টগ্রাম আদালতে অনেক সিনিয়র এডভোকেট আছেন, তাদের তুলনায় আমি এখনো শিক্ষার্থী।আমি সকলের নিকট আশির্বাদ কামনা করছি ,আমি যেন সিনিয়রদের মতো এই পেশায় থেকে মানুষের সেবা করে যেতে পারি।
২৩ বছরে এটিএন বাংলা নানা আয়োজনে পালন
১৬জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: নানা শ্রেণি পেশার মানুষের ফুলেল শুভেচ্ছা আর ভালোবাসায় গতকাল সোমবার ২৩ বছরে পদার্পণ করলো দেশের প্রথম স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল এটিএন বাংলা। এ উপলক্ষে চট্টগ্রামে আয়োজন করা হয় কোরানখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। এটিএন বাংলার চট্টগ্রাম স্টুডিওতে কেক কেটে বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের সুচনা করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, সিডিএর চেয়ারম্যান মো. জহিরুল আলম দোভাষ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. নূরুল আলম নিজামী। প্রেসক্লাব ভবনে এটিএন বাংলার চট্টগ্রাম অফিসে অতিথিদের স্বাগত জানান চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান আলী আব্বাস। এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার আবুল হাসনাতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দক্ষিণ জেলা বিএনপি সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, বিএফইউজে সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, সিইউজে সভাপতি নাজিমুদ্দীন শ্যামল, সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, স্থপতি আশিক ইমরান, বিএফইউজের সাবেক সহ সভাপতি শহীদ উল আলম, সাংবাদিক এম নাসিরুল হক, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি ও ইত্তেফাকের বুরো প্রধান সালাহউদ্দিন মো. রেজা, বৈশাখী টিভির ব্যুরো প্রধান মহসিন চৌধুরী, পূর্বকোণের সিনিয়র সহ সম্পাদক মোরশেদ আলম, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড সভাপতি মোজাফ্ফর আহমদ, ব্য্;সায়ী নেতা মোহাম্মদ শাহাবউদ্দিন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সহ সভাপতি ও এটিএন বাংলার ডেপুটি প্রধান মনজুর কাদের মঞ্জু, সিইউজের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলী, চট্টগ্রাম রিপোর্টাস ফোরামের সভাপতি কাজী আবুল মনছুর, সাধারণ সম্পাদক আলিউর রহমান, টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি নাসির উদ্দিন তোতা, সাধারণ সম্পাদক লতিফা আনসারী রুনা, গাজী টিভি ব্যুরা প্রধান অনিন্দ্য টিটো, টিভি জার্নালিস্টস এসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক মাসুদুল হক, জয় নিউজের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্লব পার্থ সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দিনভর বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে এটিএন বাংলাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এর আগে এটিএন বাংলা, দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা সদরুদ্দিন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে মুক্তি ভবন এর চাবি তুলে দিলেন মেয়র
১৫জুলাই২০১৯,সোমবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: উত্তর কাট্টলীর মাওলানা তমিজুর রহমান বাড়ির প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইলিয়াছের পরিবারের নিকট নবনির্মিত ঘরের চাবি হস্তান্তর করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। চসিকের অর্থায়নে এ ঘর নির্মিত হয়। এ উপলক্ষে গতকাল রোববার দুপুরে সিটি করপোরেশনের কনফারেন্স রুমে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাণের মেলা বসে। অনুষ্ঠানে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইলিয়াছের স্ত্রী মিসেস খোরশেদা বেগমের নিকট মুক্তি ভবন এর চাবি হন্তান্তর করেন মেয়র। করপোরেশন ২০১৭ সালে নগরের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বসতভিটায় পাকা বাড়ি তৈরি করার বিশেষ উদ্যোগ নেয়। নগরীর ৫০ জন অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধার গৃহ নির্মাণের ব্যয় ধরা হয় ১৫ কোটি টাকা। এরই ধারাবাহিকতায় ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইলিয়াছ, ৪১ নম্বর দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডের মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন, ২৫ নম্বর রামপুর ওয়ার্ডের মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, ৩০ নম্বর পূর্ব মাদারবাড়ী ওয়ার্ডের মুক্তিযোদ্ধা নুর আহম্মদ এবং ৪ নম্বর চান্দগাঁও ওয়ার্ডের মুক্তিযোদ্ধা কুতুব উদ্দিনের গৃহ নির্মাণের কাজ শুরু করে চসিক। ইতোমধ্যে মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইলিয়াছের গৃহ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সাড়ে ৯শ বর্গফুট বিশিষ্ট এ মুক্তি ভবন নির্মাণ করতে চসিকের ব্যয় হয়েছে ২৬ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। এটাই চট্টগ্রাম শহরের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রথম মুক্তি ভবন। এতে থাকছে ২টি বেডরুম, ১টি কিচেন, ১টি ডাইনিং, ২টি টয়লেট এবং ১টি ড্রইনিং রুম। বাকি মুক্তিযোদ্ধাদের গৃহ নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তারা দেশ স্বাধীনতার জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন। তাদের কারণেই আজ আমরা স্বাধীনভাবে চলার ও বলার অধিকার লাভ করেছি। জাতিকে সেই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ঋণ অবশ্যই শোধ করতে হবে। তাই অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের গৃহ নির্মাণ করে দিয়ে তাদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ দেখার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে চসিক। অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মহানগর ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন। মেয়রের কাছ থেকে মুক্তি ভবনের চাবি পেয়ে যারপরনাই খুশি প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইলিয়াছের পরিবার। মরহুমের পুত্র হুমায়ুন মোহাম্মদ বাবর বলেন, ৪ বছর আগে আমার পিতা মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি ২ গণ্ডার চেয়ে কম বসত ভিটে রেখে যেতে পেরেছেন। এই ভিটার উপর একটি বেড়ার ঘর ছিল। সেখানে আমি, মা ও বোন কষ্টে দিন কাটাচ্ছিলাম। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রস্তাবে সিটি করপোরেশন এই মুক্তি ভবন নির্মাণ করে দিয়েছে। এজন্য চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের নিকট আমাদের পরিবার কৃতজ্ঞ। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চসিক প্যানেল মেয়র ড. নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, কাউন্সিলর সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু, মো. জহুরুল আলম জসিম, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, সচিব আবু সাহেদ চৌধুরী, ডেপুটি কমান্ডার শহীদুল হক সৈয়দ, সহকারী কমান্ডার সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, খোরশেদ আলম (যুদ্ধাহত), এফ এফ আকবর খান, কোতোয়ালী থানা কমান্ডার সৌরিন্দ্রনাথ সেন, আকবরশাহ থানা কমান্ডার মো. সেলিমউল্লাহ, পাহাড়তলী থানা কমান্ডার হাজী জাফর আহামদ, খুলশী থানা কমান্ডার মো. ইউসুফ, বন্দর থানা কমান্ডার কামরুল আলম, বাকলিয়া থানা কমান্ডার মো. আলী হোসেন, সদরঘাট থানা কমান্ডার মো. জাহাঙ্গীর আলম, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাক্ষী কাজী নুরুল আবছার প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর