শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে মেয়র নাছিরের শোক
১০জুলাই,শুক্রবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সাবেক তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে দেওয়া এক শোক বার্তায় মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন সাহারা খাতুনের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। মেয়র বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, বাংলাদেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সাবেক তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি'র মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি। আল্লাহ যেন সৎ এই মানুষটিকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন সাহারা খাতুন। জ্বর, অ্যালার্জিসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে অসুস্থ অবস্থায় গত ২ জুন সাহারা খাতুন ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। ২৪ জুন চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য সাহারা খাতুনকে বিদেশ নেওয়ার পক্ষে মত দেন। গত সোমবার (৬ জুলাই) এয়ার অ্যাম্বুলেন্স তাকে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই দিন বিকেল ৪টার দিকে তাকে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মহানগর গোয়েন্দা (বন্দর) বিভাগের অভিযানে ৫০০০ পিস ইয়াবা সহ ০২ জন গ্রেফতার
০৯,জুলাই,বৃহস্পতিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহানগর গোয়েন্দা (বন্দর) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এস.এম. মোস্তাইন হোসেন, বিপিএম এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার(ডিবি-বন্দর) মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি-বন্দর) মোঃ গোলাম ছরোয়ার এর তত্ত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম এর নেতৃত্বে ১৮ নং টিম গোপন সংবাদরে ভিত্তিতে ০৯ জুলাই বিকেলে চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানাধীন ঈদগাহ কাঁচা রাস্তা মোড় সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৫০০০ পিস ইয়াবা ও ০১টি পিকআপ সহ মোঃ শরীফ (২৪) এবং মোঃ তসির(৫০) কে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডবলমুরিং থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
কালুরঘাট ব্রিজের সংস্কার, ১০ দিন বন্ধ যান চলাচল
০৯,জুলাই,বৃহস্পতিবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: কালুরঘাট ব্রিজ সংস্কার করার উদ্যোগ নেওয়ায় আগামী ২৩ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত ১০দিন যান চলাচল বন্ধ থাকবে। বিষয়টি নিশ্চিত করে রেলওয়ের চট্টগ্রামের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক সাদেকুর রহমান বলেন, কালুরঘাটের ব্রিজের মেরামতের জন্য টেন্ডার হয়েছে। তাই ওই ১০ দিন কালুরঘাট ব্রিজে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। ৯০ বছর বয়সী মেয়াদোত্তীর্ণ সেতুর ওপর দিয়ে ঝুঁকি ও ভোগান্তি মাথায় নিয়ে দিনে প্রায় ১ লাখ লোক এই সেতু ব্যবহার করছে। বোয়ালখালী ও পটিয়ার তিন ইউনিয়নের প্রায় ২০ লাখ মানুষ এই সেতুর ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। এ ছাড়া দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন রুটের গাড়িও এই সেতু দিয়ে বিভিন্ন সময় চলাচল করে। সেতুর পূর্ব পাড়ে বোয়ালখালী অংশে প্রায় ৫০টি কলকারখানা রয়েছে। সেতু নড়বড়ে হওয়ায় এসব কারখানা পণ্য পরিবহন করতে পারে না। এসব এলাকার মানুষজনের দীর্ঘদিনের দাবি একটি ব্রিজ নির্মাণ।
মিরসরাইয়ে বিএসআরএম কারখানা থেকে গ্রেনেড উদ্ধার
০৯,জুলাই,বৃহস্পতিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস (বিএসআরএম) লিমিটেডের কারখানা থেকে একটি তাজা গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। পরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা গ্রেনেডটি উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করেছে। বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে মিরসরাই উপজেলার মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকায় বিএসআরএম স্টিল মিলস লিমিটেডের কারখানা থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়। জোরারগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন নিউজ একাত্তরকে বলেন, বুধবার বিকেলে বিএসআরএম কারখানা থেকে থানায় একটি বোমা সদৃশ বস্তু পড়ে থাকার খবর জানানো হয়। আমরা গিয়ে দেখতে পাই লোহার রড তৈরির কাঁচামালের মধ্যে একটি গ্রেনেডসদৃশ বস্তু পড়ে আছে। পরে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের বোম্ব ডিজপোজাল ইউনিটকে খবর দিলে তারা এসে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করে। মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, বিএসআরএম কর্তৃপক্ষ আমাদের জানিয়েছে, সম্প্রতি জাপান থেকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আসা ১০ হাজার মেট্রিকটন স্টিল স্ক্র্যাপ তাদের কারখানায় আনা হয়। এই স্ক্র্যাপের ভেতরে গ্রেনেডটি ছিল বলে তাদের ধারণা। বিএসআরএমের পক্ষ থেকে স্ক্র্যাপের ভেতরে করে গ্রেনেডটি আসার কথা বলা হলেও আমরা নিশ্চিত নই। চট্টগ্রাম বন্দরের গেইট দিয়ে বের হওয়ার সময় স্ক্যানিং মেশিনে বিষয়টি অবশ্যই শনাক্ত হওয়ার কথা। বিএসআরএম কারখানার গেইটেও স্ক্যানার আছে। সেখানেও শনাক্ত হয়নি। মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন আরও বলেন, এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। তবে থানায় একটি সাধারণ ডায়রি হয়েছে। সাধারণ ডায়রি মূলে বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি। সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের বোম্ব ডিজপোজাল ইউনিটের ইনচার্জ পরিদর্শক রাজেশ বড়ুয়ার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি টিম গিয়ে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করে। পরিদর্শক রাজেশ বড়ুয়া বলেন, গ্রেনেডটি বাইরে জং ধরা থাকলেও এটি তাজা গ্রেনেড ছিল। বিএসআরএম কারখানার দক্ষিণে একটি খোলা মাঠে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
চসিককে ৩৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা দিলো বন্দর
০৮,জুলাই,বুধবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ ৩৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকার চেক দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক)। বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পৌরকর বাবদ চেকটি বুঝে নিয়ে বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে ৪টায় টাইগারপাসের চসিক কার্যালয়ে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের হাতে তুলে দেন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম ও রাজস্ব সার্কেল-৮ এর কর কর্মকর্তা মো. সারেক উল্লাহ। এ সময় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুদ্দোহা, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক নিউজ একাত্তর কে বলেন, প্রতিবছর চসিককে হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করে আসছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। অনেক সময় অগ্রীমও আদায় করা হয়। এবার ৩৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে।
লকডাউন কার্যকর করতে গিয়ে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়েছে- কাউন্সিলর মঞ্জুর
০৮,জুলাই,বুধবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংক্রমিতের হার কমে আসায় নগরীর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড এখন ইয়েলো জোন ক্যাটাগরিতে চলে এসেছে।এর আগে রেড জোন ঘোষণা করে ওয়ার্ডটিতে লকডাউন কার্যকর করা হয়।গত ১৩ জুন পর্যন্ত চট্টগ্রাম ও ঢাকা শহরে প্রতি লাখ জনগোষ্ঠীর মধ্যে সর্বশেষ ১৪ দিনে ৬০ জন সংক্রমিত হওয়া এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করেছে করোনা প্রতিরোধে সেন্ট্রাল কমিটি। ওই দিন পর্যন্ত সর্বশেষ ১৪ দিনে উত্তর কাট্টলীতে করোনা সংক্রমিত ছিলেন ১০১ জন, যা প্রতি লাখ জনসংখ্যার হিসাবে ১৪৫ দশমিক ৫ শতাংশ। ওয়ার্ডটির মোট জনসংখ্যা ৮০ হাজার ২৯০ জন। লকডাউন কার্যকরের আগে উত্তর কাট্টলীতে সংক্রমিতদের মধ্যে ৯৮ জন সুস্থ হয়েছেন এবং তিনজন মারা গেছেন।গত ১৬ জুন সিভিল সার্জন প্রজ্ঞাপন জারি করে উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডকে রেড জোন ঘোষণা করে। ওইদিন রাত ১২টায় অর্থাৎ ১৭ জুন থেকে কার্যকর করা হয় লকডাউন। সিটি কর্পোরেশন লকডাউনের সার্বিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে। কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্ র উদ্যোগে বন্ধ করা হয় ওয়ার্ডের ১৪টি প্রবেশ পথ। এছাড়া খোলা হয় কন্ট্রোল রুম, যেখানে ফোন করলে স্থানীয়দের প্রত্যাশিত সেবা দেওয়া, ওই এলাকায় ছয় হাজার পরিবারে বিতরণ করা হয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার। কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্ ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রতিদিন দুই হাজার পরিবারে রান্না করা খাবার বিতরণ, দৈনিক ৪ মণ মাছও বিতরণ করেন তিনি। সেখনে দায়িত্ব পালন করেন ২৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক। এর মধ্যে ১৭ জন ছিলেন প্রশিক্ষিত। তারা করোনা শনাক্তদের সংস্পর্শে আসা ৩৮ জনকে চিহ্নিত করে আইসোলেশনে পাঠান। গত ১৭ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত ২০ দিনে ২৪৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এতে ২১ জন পজিটিভ হয়েছে, যা প্রতি লাখ জনগোষ্ঠীর বিপরীতে ৩০ দশমিক ২৫ শতাংশ। এর আগে ৩১ মে থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত চৌদ্দ দিনে ১০১ জন করোনা পজেটিভ শনাক্ত করা হয় ওয়ার্ডটিতে, যা প্রতি লাখ জনগোষ্ঠীর বিপরীতে ১৪৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ। এই তথ্য চট্টগ্রাম সিভিল সার্জনের। এ পরিসংখ্যান প্রমাণ করে, সংক্রমণের হার কমেছে উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে।২০২০ সালের ইপিআই মাইক্রোপ্ল্যান হিসাবে উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের জনসংখ্যা ৬৯ হাজার ৬২১ জন। এদিকে দৃশ্যত লকডাউনের সুফল হিসেবে উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের সংক্রমিতের হার কমে এলেও এর পেছনে কারণ কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্রর তৎপরতা । কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্রর তৎপরতায় মূলত লকডাউনের প্রকৃত সুফল পাওয়া গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।লকডাউন শুরুর দিন থেকে ওয়ার্ডটিতে প্রবেশের পথ বন্ধ ,এরপর টানা ১৭ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত কঠোর নজরদারির মাধ্যমে ওয়ার্ডে কাউকে প্রবেশ এবং বের হতে দেয়া হয়নি, বন্ধ রাখা হয় দোকানপাট, ওয়ার্ডটিতে বিদ্যমান ছয়টি গার্মেন্টসও বন্ধ রাখা হয়। মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন, লকডাউনের উদ্দেশ্য সংক্রমণের বিস্তার রোধ করা ও কমিয়ে আনা। কাট্টলিতে সংক্রমণের হার কমেছে। পরিসংখ্যানগতভাবেও সেটা প্রমাণিত। জনস্বার্থ বিবেচনায় লকডাউন জবরদস্তি নয়, এটি সেবামূলক দায়বদ্ধতা। সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জুর সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে লকডাউন চলাকালে সংশ্লিষ্ট সকলেই সাধারণ মানুষের মন জয় করে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন।এলাকাটি আবাসিক এবং এখানে গার্মেন্টসসহ ছোট-বড় শিল্প-কারখানা রয়েছে। তাই প্রথমদিকে লকডাউন কার্যকর করতে গিয়ে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। তবে দুই-একদিন পর থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ ও আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবকরা এলাকাবাসীর চাহিদার সাথে সম্পৃক্ত হয়ে সেবা দিতে সচেষ্ট হওয়ার পর একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। যারা নিম্ন আয়ের তাদের কাছে আমরা খাবার বিতরণ করেছি। আমাদের কাউন্সিলর মঞ্জু রান্না করা খাবার বিতরণ করেছেন, তাজা মাছও বিতরণ. ছয় হাজার পরিবারকে পাঁচ কেজি করে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তার চাল দিয়েছি। সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, অবশ্যই সুফল পেয়েছি। লকডাউন কার্যকরের আগে সেখানে ১০১ জন সংক্রমিত ছিল। এরমধ্যে তিনজন মারা গেছেন। বাকিরা সুস্থ হয়েছেন। কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু বলেন, লকডাউন সফল হয়েছে। চট্টগ্রামের মধ্যে আক্রান্তের হার কম এমন ছয়টি ওয়ার্ডের মধ্যে অবস্থান করছে উত্তর কাট্টলী। অথচ লকডাউনের আগে সর্বোচ্চ আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় ছিল। এখন আমরা ইয়েলো জোনে চলে এসেছি।তিনি বলেন, একজন সুস্থ মানুষকে ঘরের মধ্যে আবদ্ধ করে রাখা খুবই কঠিন। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা, সিটি মেয়রের নির্দেশনা, এলাকাবাসীর সহযোগিতা ও নিজের মনোবল দিয়ে চেষ্টা করেছি। মানুষকে বুঝিয়েছি। এসময় নিম্ন আয়েরর লোকজনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সহায়তার পাশাপাশি দৈনিক দুই হাজার জনকে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছি। ১০৫টি ভ্যান গাড়ি দিয়ে তরি-তরকারি, শাক-সবজি, মাছ-মাংসের হোম ডেলিভারি সার্ভিস দিয়েছি। যাদের প্রয়োজন হয়েছে বিনামূল্যে অঙিজেন সরবরাহ করেছি। সিটি কর্পোরেশনের একটি এবং আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে আরো অ্যাম্বুলেন্স দিয়েও সার্বক্ষণিক সেবা দিয়েছি।কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু বলেন, সংক্রমণ কমে আসছে-এটা অবশ্যই সুফল। যে উদ্দেশ্যে লকডাউন করা সেটার প্রতিফলন হয়েছে। এটা আমাদের ধরে রাখতে হবে। তবে লকডাউন কার্যকর করতে গিয়ে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়েছে। সব মিলিয়ে কষ্ট হলেও আমরা সফল হয়েছি বলা যায়।তিনি বলেন, এ ওয়ার্ডে আছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন এবং বেশ কয়েকটি গার্মেন্টস। অবশ্য তাদের বুঝিয়ে বন্ধ রাখতে পেরেছি। দোকানপাট সবকিছু বন্ধ ছিল। মানুষকে বুঝিয়েছি ঘরে থাকার জন্য। তারা সহযোগিতা করেছেন। তিনি জানান, ১০৫টি ভ্যানগাড়ি দিয়ে স্থানীয়দের নিত্যপণ্য হোম ডেলিভারি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। যাদের প্রয়োজন হয়েছে বিনামূল্যে অঙিজেন সরবরাহ করেছি। সিটি কর্পোরেশনের দুটি এবং আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি অ্যাম্বুলেন্স দিয়েও সার্বক্ষণিক সেবা দিয়েছি।এদিকে লকডাউনের শেষ দিন গতকাল সকালে উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের সিটি গেট সংলগ্ন একটি কমিউনিটি সেন্টারে খতমে কোরান ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে চসিক। এতে অতিথি ছিলেন মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমদ মঞ্জু, কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলী হাসান, সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আরিফ, পাহাড়তলী থানার ওসি(তদন্ত) রাশেদুল হক, আকবরশাহ থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি সোলতান আহমদ চৌধুরী, আবু সুফিয়ান, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী, সহ সভাপতি লোকমান আলী, সহ সম্পাদক রোকন উদ্দিন চৌধুরী, যুবলীগের আবুল কালাম আবু, মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ ও ১০ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন মসজিদের ইমামগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ১৩ জুন করোনা প্রতিরোধে গঠিত কেন্দ্রীয় টেকনিক্যাল কমিটির দ্বিতীয় সভায় উত্তর কাট্টলীসহ চসিকের ১০টি ওয়ার্ডকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। উত্তর কাট্টলী ছাড়া অন্য ওয়ার্ডগুলো হচ্ছে ১৪ নং লালখান বাজার, ১৬ নং চকবাজার, ২০ নং দেওয়ান বাজার, ২১ নং জামালখান, ২২ নং এনায়েত বাজার, ২৬ নং উত্তর হালিশহর, ৩৭ নং উত্তর মধ্যম হালিশহর, ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ও ৩৯ নং দক্ষিণ হালিশহর। ১০টি ওয়ার্ডের তালিকা চট্টগ্রাম শহরে করোনা প্রতিরোধে গঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে প্রেরণ করে লকডাউন কার্যকর করতে বলা হয়। এর প্রেক্ষিতে ১৪ জুন টাইগারপাসে চসিকের অস্থায়ী কার্যালয়ে বৈঠকে বসে ব্যবস্থাপনা কমিটি। লকডাউন কার্যকরের সিদ্ধান্ত দেন কমিটির সভাপতি সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন।
ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে সক্রিয় জালনোট প্রতারক চক্র
০৮,জুলাই,বুধবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুরহাটকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়েছে জালনোট প্রতারক চক্র। বাজারে জালনোট ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে একাধিক চক্র। পশুরহাটের বেপারীরা এ চক্রের প্রধান টার্গেট। জালনোট প্রতারক চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতারের পর এমন তথ্য জানতে পেরেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নগর গোয়েন্দা পুলিশের বন্দর বিভাগ ডবলমুরিং থানাধীন চৌমুহনী এলাকা থেকে ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকার জালনোটসহ প্রতারক চক্রের সদস্য মো. শাহ আলমকে (৬৫) গ্রেফতার করে। এসব জালনোটের পরিমাণ মোট ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। গ্রেফতার মো. শাহ আলম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা মন্দবাগ এলাকার আলফু মিয়ার ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানাধীন চৌমুহনী সুলতান কলোনিতে থাকেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (বন্দর) মোহাম্মদ আবুবকর সিদ্দিক নিউজ একাত্তরকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌমুহনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকার জালনোটসহ শাহ আলম নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শাহ আলম গত দুই বছর ধরে জালনোট বাজারে ছেড়ে প্রতারণা করে আসছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। মোহাম্মদ আবুবকর সিদ্দিক বলেন, ঈদুল আজহার কোরবানির পশুরহাটকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়েছে জালনোট প্রতারক চক্রটি। তাদের টার্গেট মূলত পশুরহাটের বেপারীরা। বাজারে জালনোট ছড়িয়ে দিতে একাধিক চক্র কাজ করছে বলে তথ্য পেয়েছি। তাদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, পশুরহাটের বেপারী ও অন্যান্য ব্যবসায়ীদের লেনদেনের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। নোট দেখে লেনদেন করতে হবে। সন্দেহজনক কিছু দেখলে পুলিশকে জানাতে অনুরোধ করে অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (বন্দর) মোহাম্মদ আবুবকর সিদ্দিক।
২০ হাজার ইয়াবাসহ Rab-7 এর হাতে আটক ১
০৭জুলাই,মঙ্গলবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের বাকলিয়া থানাধীন শাহ আমানত সেতু সংলগ্ন রাজবাড়ি কমিউনিটি সেন্টারের সামনে অভিযান চালিয়ে মো. নুরুল আফসার (২৭) নামে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rapid Action Battalion (Rab)। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোরে তাকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে মোট ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিউজ একাত্তরকে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন। ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাকও জব্দ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। আটক মো. নুরুল আফসার কক্সবাজার জেলার চকরিয়া ফাসিয়াখালী নতুন পাহাড় এলাকার মো. বাহাদুর আলমের ছেলে। Rab-7 এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাশকুর রহমান নিউজ একাত্তরকে বলেন, চকরিয়া থেকে ট্রাকে ইয়াবা নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে আসছিল নুরুল আফসার। চট্টগ্রামে এসব ইয়াবা আরেকজনের কাছে বিক্রির কথা ছিল তার।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর