চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারের পর বন্দুকযুদ্ধে হত্যা মামলার আসামি নিহত
৯এপ্রিল,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগর বাকলিয়া থানার কল্পলোক আবাসিক এলাকায় মঙ্গলবার ভোর ৪টায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক হত্যা মামলার প্রধান আসামির নিহতের কথা জানিয়েছে পুলিশ। নিহত মো. সাইফুল (২৮) বাকলিয়া থানার সবুজবাগ আবাসিক এলাকার রফিক আহমদের ছেলে। সে বাকলিয়া এলাকায় সংগঠিত লোকমান হত্যা মামলার প্রধান আসামি। পুলিশ জানায়, স্থানীয় কিশোরদের কাছে বড়ভাই হিসেবে পরিচিত ছিল সাইফুল। গত ৬ এপ্রিল শনিবার নগরীর বাকলিয়া ও গোলপাহাড় এলাকার কিশোরদের দুই পক্ষের মধ্যে প্রেম সংক্রান্ত বিরোধ মেটাতে গিয়ে গভীর রাতে বাকলিয়ার খালপাড় এলাকায় গুলিতে নিহত হন এইচ এম লোকমান হোসেন। বাকলিয়া থানার ওসি প্রনব চৌধুরীর ভাষ্য, সোমবার ফটিকছড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে সম্প্রতি নিহত লোকমান হোসেন জনি হত্যার মামলার প্রধান আসামি সাইফুল ও জিয়া উদ্দিন বাবলুকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সাইফুলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাতে নগরীর কল্পলোক আবাসিক এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারে গেলে তাদের সহযোগীরা পুলিশের ওপর গুলি চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ পাল্টা গুলি চালিয়ে সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করে। বন্দুকযুদ্ধে সাইফুল গুলিবিদ্ধ হলে তাকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন, বলেন তিনি। ওসি বলেন, হত্যাকাণ্ডের শিকার লোকমান গোলপাহাড় এলাকার কিশোরদের কথিত বড় ভাই হিসেবে পরিচিত ছিল। অন্যদিকে বাকলিয়া এলাকার কিশোরদের কাছে বড় ভাই হিসেবে পরিচিত নিহত মো. সাইফুল।-ইউএনবি
অংকুর সোসাইটি গার্লস হাইস্কুলে পুরস্কার বিতরণী
৯এপ্রিল,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিস্থ অংকুর সোসাইটি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গত রোববার সকালে স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অংকুর সোসাইটি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক উপ পর্ষদের আহবায়ক সৈয়দ রফিকুল আনোয়ার। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর শাহেদা ইসলাম ও বিএফইউজের সহ সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দি চিটাগাং কো. অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লি. এর সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান, বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক উপ পর্ষদের সদস্য মো. আলমগীর পারভেজ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিটির সদস্য সচিব ও প্রধান শিক্ষক লিলি বড়য়া। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অংকুর সোসাইটির ব্যবস্থাপনা কমিটির সহ সভাপতি মো. ইদ্রিস, সদস্য নুরুল ইসলাম মিনু, আলাউদ্দীন আলম, রাশেদুল আমিন, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের অভিভাবক সদস্য সৈয়দ শাহারিয়া পারভেজ, মো. শাহ আলম, শিপ্তী মহাজন, সাবেক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সাবেক পরিচালক মো. সাজ্জাদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যথাক্রমে সহকারি শিক্ষক শ্বেতা বড়ূয়া চৌধুরী ও কাজি সুলতানা ইয়াছমিন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে মনোনিবেশ করতে হবে। কারণ মেধা মননের পূর্ণ বিকাশে সহশিক্ষা কার্যক্রমেরও গুরুত্ব রয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
সেবার মনোবৃত্তি নিয়ে লায়ন সদস্যদের কাজ করতে হবে
৮এপ্রিল,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং কর্ণফুলীর ৫৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা গভর্নর লায়ন নাছির উদ্দিন চৌং সেবা কার্যক্রম সকলের কাছে পৌছে দিতে লায়ন সদস্যদের আরও বেশী কাজ করার আহবান জানান।তিনি বলেন ৫৯ বছর ধরে টিকে থাকা লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং কর্ণফুলীর সেবার জগতে সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। যার অংশীদার আমরা সৌভাগ্যবান লায়ন সদস্যরা। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে সদ্য প্রাক্তন জেলা গভর্নর লায়ন মঞ্জুর আলম মঞ্জু এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে নির্বাচিত জেলা গভর্ণর লায়ন কামরুন মালেক ও নির্বাচিত ১ম ভাইস জেলা গভর্ণর লায়ন ডাঃ সুকান্ত ভট্টাচায উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন। বক্তরা কর্ণফুলীর গৌরবোজ্জ্বল অতীতকে ধারন করে ভবিষৎতে সেবার জগৎকে আরও প্রসারিত করার অহবান জনান। অতিথিগণ তাদেঁর বক্ত্যব্যে কর্ণফুলীর ক্লাবের বিভিন্ন সেবামুলক কর্মকান্ডের প্রসংশা করেন। প্রক্তন জেলা গভর্ণরদের মধ্যে থেকে আজাদি সম্পাদক এম.এ মালেক অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন লায়ন্স ক্লব অব চিটাগাং কর্ণফুলি ৫৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকিতে যোগদান করতে পেরে আমরা নিজেকে খুবই সৌভাগ্যবান মনে করছি।ক্লাবের প্্্ক্ষ থেকে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন যথাক্রমে পিডিজি লায়ন রূপম কিশোর বডুয়া ও পিডিজি লায়ন এস.এম. শামসুদ্দীন। গত ৫ এপ্রিল শনিবার আন্তর্জাতিক সেবা সংগঠণ লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং কর্ণফুলির ৫৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি চট্টগ্রাম ক্লাব লিঃ এর মিলনায়তনে ক্লাব প্রেসিডেন্ট লায়ন মোঃ আবদুর রহিম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রক্তন জেলা গভর্ণরদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লায়ন সফিউর রহমান, লায়ন শামসুল হক, লায়ন রফিক আহমদ, লায়ন নাজমুল হক চৌং, লায়ন শাহ এম হাসান, কবির উদ্দিন ভূইয়া, ডা. শ্রী প্রকাশ বিশ্বাস, সিরাজুল হক আনসারি, মোহাম্মদ মোস্তাক হোসাইন, শাহ আলম বাবুল, লেডি পিডিজিগণ, কেবিনেট সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী ও কেবিনেট ট্রেজারার মোসলেহ উদ্দিন খান। অনুষ্টান কমিটির চেয়ারম্যন মোসলেহ উদ্দিন আহমদ অপু স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এর পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মোঃ কামরুজ্জামান লিটন, শোক প্রস্তাব উত্তাপণ করেন শওকত হাসান খান এবং ক্লাবের কর্মকান্ডের উপর প্রতিবেদন পেশ করেন ক্লাব সেক্রেটারি মোহাম্মদ মুছা। অনুষ্ঠানে লায়ন্স জেলা ৩১৫ বি৪ এর প্রাক্তন জেলা গভর্নর, কর্ণফুলি ক্লাবের প্রাক্তন প্রেসিডেন্টদের এবং লিও জেলার প্রাক্তন প্রেসিডেন্টদের সম্মাননা জানানো হয়। সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় শিল্পিরা নৃত্য ও হারানো দিনের গান দিয়ে সুরের মুর্ছনায় সবাইকে মুগ্ধ করে রাখেন। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকির কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি উদযাপন করা হয় এবং এউপলক্ষে একটি স্মরনিকা প্রকাশ করা হয়।এই আনন্দঘন মুহূর্তটি উপভোগ করেন ডিজি, আইপিডিজি, ভিডিজি, পিডিজি, লায়ন ও লিও সদস্যগন। সেবা কর্মকান্ডের অংশ হিসাবে লায়ন্স স্কলারশিপ ট্রাস্টে এক লাখ ২০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান, পাচঁটি হুইল চেয়ার বিতরণ ও হিমোফেলিয়া রুগীদের জন্য ৩০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়। সমগ্র অনুষ্টানটি সঞ্চালনায় ছিলেন লায়ন মনির আহমদ চৌধুরী। আরও উপস্থিত ছিলেন লায়ন আসেদা জালাল, লায়ন জহির উদ্দিন আহমদ, রোকেয়া হক, একরামুল হক ভুইয়া, আলাউদ্দিন আহমদ চৌধুরী, শুভানাজ জিনিয়া, এম.এন. ছাফা, লোকপ্রিয় বড়-য়াসহ প্রমুখ লয়ন এবং লিও সদস্যগণ।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
অটিজম আক্রান্তদের জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ
৪এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রেরণা অটিজম স্কুলের উদ্যেগে ১২ তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়। গত ২ এপ্রিল বেলা তিনটায় প্রেরণা অটিজম স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের, অভিভাবক অতিথিবৃন্দের, অংশগ্রহণে র;্যলী হালিশহর, বড়পুলসসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিন এর মাধ্যমে প্রোগ্রামের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। এবারের অটিজম দিবসের প্রতিপাদ্য হলো সহায়ক প্রযুক্তির ব্যবহার, অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তির অধিকার। প্রতিপাদ্যটির তাৎপর্য তুলে ধরে প্রধান অতিথি সাবেক মন্ত্রী গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি বলেন,বর্তমান যুগ প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে গেছে। প্রযুক্তিগত উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন সুদৃঢ় অবস্থানে দাঁড়িয়ে গেছে। বর্তমান সরকার অটিজম আক্রান্ত যারা রয়েছে তারাও যে মানুষ তার বাস্তব রুপ দিতে বদ্ধপরিকর। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমি স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়ে যে অর্থ পেয়েছি তার সাথে আরো যুক্ত করে ১০ টি অটিজম স্কুলকে এক লক্ষ টাকা কওে মোট ১০ লক্ষ টাকা অনুদান দেয়ার ঘোষণা দেন। প্রেরণা অটিজম স্কুলের প্রিন্সিপাল মীর মেশকাতুর নুরের উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে ও শুরুতে কোরআন তেলোওয়াত করেন প্রেরণা অটিজম স্কুলের ছাত্র সৈয়দ এস কে ফাহাদ অর্জন। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের শিক্ষা বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি নাজমুল হক ডিউক, বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নারী নেত্রী আল;ামা ফয়জুল;াহ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিসেস রিজিয়া রেজা নদভী, বিভাগীয় সমাজসেবা অফিসের উপ- পরিচালক জনাব হাসান মাসুদ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক আবু ছালেহ, স্ট্যান্ডার্ড হোমস্ এর ডিরেক্টর মোয়াজ্জেম হোসেন,শামসুল হুদা, প্রেরণা অটিজমের পৃষ্ঠপোষক আবু তাহের ও দেওদীঘি কে এম উচ্চ বিদ্যালয় এক্স স্টুডেন্ট ফোরামের নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষে প্রেরণা অটিজমের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রোগ্রামে আগত অতিথিবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। বিজ্ঞপ্তি
উচ্চ শিক্ষায় কাজ করবে দুই সংস্থা
৪এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: উচ্চতর শিক্ষায় যৌথভাবে কাজ করবে ভারতের ডন বসকো স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট ও চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। সম্প্রতি ভারতের হায়দ্রাবাদে অনুষ্ঠিত এশিয়ান আরব অ্যাওয়ার্ড অ্যান্ড কনফারেন্সে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবিদা মোস্তফা ও ডন বসকো স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট ব্যাঙ্গালোরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পি বি নাথ স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। সমঝোতা স্বারকের আওতায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা ফ্যাশন ম্যানেজমেন্টের ওপর এমবিএ কোর্সে ১ম দুই সেমিস্টার ভারতে এবং পরবর্তী দুই সেমিস্টার ইতালির রোমে শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ পাবে। এছাড়া পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন ম্যানেজমেন্ট ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন মাস্টার্স কোর্সে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট ড. মনোয়ারা হাকিম আলী, ইন্ডিয়ান ইকোনমিক ট্রেড অর্গানাইজেশনের প্রেসিডেন্ট ড. আসিফ ইকবাল, ডন বসকো স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের কর্পোরেট রিলেশন ডিরেক্টর নোয়েল মাস্টার্স, ট্রাস্টি ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. অরুণ মুধল এবং চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারে সদস্য বেবী হাসান, রোকসানা বেগম, ফাতেমা বেগম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটসের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি গঠন
৪এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এন্ড জার্নলিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি গঠন কল্পে এক আলোচনা সভা সংগঠনের কার্যালয়ে জেলার চেয়ারম্যান মোঃ লোকমান আলীর সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ফজলুল ইসলাম ভূইয়াঁর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী,বক্তব্য রাখেন-জেলার উপদেষ্টা ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব আজমল হক,সিঃ ভাইস চেয়ারম্যান শেখ জয়নাল আবেদীন,ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল আনোয়ার দুলাল,আইন বিষয়ক সচিব এড.আশিষ কুমার শিল,সদস্য নারগীছ আক্তার।এতে আরো উপস্থিত ছিলেন- এম.এ নুরুন্নবী চৌধুরী,ইদ্্রীস মোহাম্মদ নুরুল হুদা, তছলিম কাদের চৌধুরী,মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম,মোঃ মঈনুল হোসেন তুহিন,শিরিন আক্তার,মাহমুদা বেগম শিলা,শারমিন আক্তার,মোঃ সুমন,মোঃ সোহেল,আবুল কাশেম প্রমূখ।সভায় নুরুল হুদাকে সিঃ ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ তছলিম কাদের চৌধুরী মহাসচিব,মোঃ শরিফুল হোসেন বাবুলকে, সিঃ যুগ্ন মহাসচিব,মোঃ নুরুল ইসলামকে যুগ্ন মহাসচিব,মঈনুল হোসেন চৌধুরী তুহিন কে সাংগঠনিক সচিব,মোছাম্মদ শিরিন আক্তারকে মহিলা বিষয়ক সচিব, মোঃ আরিফ হোসেন চৌধুরী সুমনকে দপ্তর সচিব মনোনিত করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট মহানগর কমিটি অনুমোদন করা হয়।সভায় সংগঠনের সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন সড়কে অবরোধ করে বিক্ষোভ
২এপ্রিল,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরী ও জেলার রাষ্ট্রায়ত্ত ১০টি পাটকলের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পাটকলের শ্রমিক-কর্মচারীরা। এতে বিভিন্ন সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) ভোর থেকে সড়কে নেমেছেন পাটকল শ্রমিকরা। সকালে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামির আমিন জুট মিলের সামনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে সড়কের উপর শুয়ে-বসে, বিভিন্ন ধরনের যানবাহন আড়াআড়িভাবে রেখে বিক্ষোভ করছেন শ্রমিকরা। সড়কের ওপর টায়ারেও আগুন দেওয়া হয়েছে।বিক্ষোভের কারণে আমিন জুট মিলের সামনের সড়ক দিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। তবে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বহনকারী গাড়ি ছেড়ে দিতে দেখা যায় শ্রমিকদের। ঘটনাস্থলে পুলিশ থাকলেও তারা নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করছেন। শ্রমিকরা রাস্তায় আছে। তাদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে জানিয়ে নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) বিজয় কুমার বসাক বলেন, যানবাহন চলাচলে কোনো বাধা তারা দেবে না। তবে সকাল থেকে আমিন জুটমিল এলাকা দিয়ে গাড়ি চলতে দেওয়া হচ্ছে না। আমরা তাদের রাস্তা থেকে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। বকেয়া বেতন, মজুরি কমিশন বাস্তবায়নসহ নয় দফা দাবিতে গত ২ মার্চ থেকে এই আন্দোলন চলছে।
বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ৯৭ ভাগ বহুতল ভবন আগুনের ঝুঁকিতে
৩১মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ৯৩ শতাংশ বহুতল ভবনের কোন রকম অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা নেই। আইন থাকা সত্ত্বেও ৯৭ শতাংশ ভবন ফায়ার সার্ভিসের বসবাসের উপযোগী ছাড়পত্র নেয়নি। আর ৪১টি বিপণী বিতান এবং ১২টি বস্তি রয়েছে চরম অগ্নি-ঝুঁকির মধ্যে। ফায়ার সার্ভিসের এক বছরের জরিপে উঠে এসেছে নগরীর এ ভয়ঙ্কর তথ্য। আর চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) বলছে, প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না। গত এক বছর ধরে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডকে আটটি জোনে ভাগ করে নানামুখি জরিপ চালিয়ে আসছে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স। জরিপের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, নগরীতে ২০ হাজারের বেশি বহুতল ভবন থাকলেও তার অধিকাংশের কোনো অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা নেই। বিএমডিসি কোড অনুযায়ী বসবাসের ছাড়পত্র নিয়েছে মাত্র ৩ শতাংশ বহুতল ভবনের মালিক। নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি আশিক ইমরান বলেন, অনেক বড় ভবন এখন চট্টগ্রামে নির্মাণাধীন রয়েছে। এবং ব্যবহারও হচ্ছে। যেগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই বললে চলে। এদিকে বহুতল ভবনের পাশাপাশি নগরীর ৪১টি বিপনী বিতান এবং ১২টি বস্তিকে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলে, ৩ শতাংশ লোক অগ্নিনির্বাপণের জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে। অন্যদিকে ৯৭ শতাংশ লোক এখনো অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে। সিডিএ বলছে, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্তে জনবল সংকট ও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, আমরা একটা তালিকা করি, সেটা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে দেই। সিটি কর্পোরেশন তারা চুয়েটকে না বুয়েটকে দিবে। না বিশেষজ্ঞ দল নিয়ে এসে দেখবে এই ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ কি-না। সবশেষ গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী চাক্তাই বস্তিতে আগুনে পুড়ে এক শিশুসহ আটজনের মৃত্যু হয়। আর ২০০৪ সালে কালুরঘাট এলাকায় একটি গার্মেন্টেসে আগুনে অন্তত ৬০ জনের মৃত্যু হয়।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর