এসএসসি ১৯৯৮, এইচএসসি ২০০০ চট্টগ্রাম লোগো উম্মোচন
০৪সেপ্টেম্বর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিভাগের এস.এস.সি-৯৮, এইচএসসি-২০০০ ব্যাচের লোগো উম্মোচন অনুষ্ঠান সকাল ১১টায় নগরীর একটি রেষ্টুরেন্টে সতীর্থ কাজী জাবেদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে লোগো উম্মোচন করেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি, রুপালী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক মো. আবু সুফিয়ান। সর্তীথদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলমগীর হোসেন আকাশ, এইচ.এম. জুয়েল, জয়নাল আবেদীন জয়, কে এম জাহেদ, মুসাররাত রাহী মুমু, সজীব বড়ুয়া, শাহেদ মাহমুদ, আফরোজা নীরু, হামিদ হাসান নোমানী, হাসনাইন চৌধুরী, কানিজ ফাতেমা, মো. খোরশেদ আলী, কামরুল ইসলাম, মোমিনুল ইসলাম, সায়মন শাহাদাত চৌধুরী, শাখাওয়াত শিবলী, রাজীব দাশ, সুস্মিতা দে, সুদর্শন দেবাশীষ দাশ, উজ্জ্বল দাশ, শাহ আলম ইমন, জেনিফার করিম প্রমুখ। প্রধান অতিথি আবু সুফিয়ান লোগো উম্মোচনের পরে তার বক্তব্যে বলেন, সারা চট্টগ্রাম বিভাগের হাজার হাজার প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ভাল উদ্যোগ সবসময় সমাজ বিনির্মানে ও দেশের অগ্রগামীতে ভূমিকা রাখে। পৃথিবীর সকল মানুষের চেতনা শক্তি এক নয়। বিভিন্ন মানসিকতার লোক সমাজে বাস করে। কিন্তু বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দর্শন থাকতে পারে না। বন্ধু বন্ধুই। যে সম্পর্কের সাথে অন্য কোন সম্পর্কের তুলনা করা যায় না। প্রকৃত বন্ধুত্বের সম্পর্ক কখনই নষ্ট হয় না। তাই নেতিবাচক মানসিকতা পরিহার করে নতুন প্রজম্মকে এগিয়ে যেতে হবে। তোমাদের এই ঐক্য সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে অনেক ভূমিকা রাখবে। ফেসবুক ভিত্তিক প্রায় হাজার হাজার সদস্য এই গ্রপের এডমিন, মডেরেটর ও এডভাইজার প্যানেলের সদস্য খোরশেদ আলী বলেন, মুলত: চট্টগ্রাম বিভাগের ১৯৯৮ সালের এস.এস.সি ও ২০০০ এইচ.এস.সি ব্যাচের সকল বন্ধুদের একত্রিত করাই গ্রপের মূল উদ্দেশ্য। এই Group পর্যায়ক্রমে সকল বন্ধুদের একি ছাদের নিচে এনে পরস্পরের মধ্যে সৌহার্দ্য, বন্ধন ও সম্প্রতীর মাধ্যমে যে কোন বন্ধুর বিপদে পাশে থাকাসহ সমাজ ও দেশের যে কোন উন্নয়ন মূলক কাজে অংশগ্রহণ থাকাই মূল উদ্দেশ্য। আগামী ২৫ অক্টোবর স্মরণিকা কমিউনিটি সেন্টারে দিনব্যাপী এস.এস.সি ৯৮, এইচ.এস.সি ২০০০ চট্টগ্রামের উদ্যোগে বন্ধু সম্মিলন অনুষ্ঠিত হবে। যারা এখনো রেজিষ্ট্রেশন ভুক্ত হননি, তাদেরকে ০১৮১৭৭১৭৪৩৯, ০১৭১১৩১৬৬৩৪, ০১৭০১৭৩২৭৮৬ নাম্বারে যোগাযোগ করে অনুরোধ করা যাচ্ছে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
লায়ন্স ক্লাব চিটাগাং পারিজাত এলিটের দায়িত্ব হস্তান্তর
০৪সেপ্টেম্বর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং পারিজাত এলিটর দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান নগরীর ওয়েল পার্ক রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লায়ন জেলা ৩১৫-বি৪ এর গভর্নর লায়ন কামরুন মালেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা সদ্য প্রাক্তন গভর্নর লায়ন নাছির উদ্দীন চৌধুরী, দ্বিতীয় ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন আল সাদাত দোভাষ, প্রাক্তন জেলা গভর্নর লায়ন মোস্তাক হোসেন, প্রাক্তন জেলা গভর্নর লায়ন মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু। অনুষ্ঠানে পারিজাত এলিট লায়ন্স ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি লায়ন এম এ মালেকের কাছ থেকে ২০১৯-২০২০ সেবা বর্ষের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন লায়ন পারভিন মাহমুদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, লায়ন জেলা ৩১৫ বি-৪ এর কেবিনেট সেক্রেটারী লায়ন জি.কে লালা, কেবিনেট ট্রেজারার লায়ন আশরাফুল আলম আরজু, রিজিয়ন চেয়ারপার্সন রাজীব সিনহা, জয়েন্ট ট্রেজারার লায়ন মনিরুল কবির, পারিজাত এলিট লায়ন্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি লায়ন জাহানারা বেগম, প্রাক্তন সভাপতি লায়ন হুমায়রা কবির চৌধুরী, সহসভাপতি লায়ন জামাল উদ্দিন, লিও ক্লাব এডভাইাজার লায়ন আসিফ চৌধুরী লিমন, ক্লাব সদস্য লায়ন কামাল হোসেন, লিও জেলা ৩১৫ বি-৪ এর সভাপতি লিও শাহরিয়ার ইকবাল, সহ সভাপতি লিও এইচ এম হাকিম, সেক্রেটারী লিও আফিফা ইসলাম, পারিজাত এলিট লিও ক্লাবের সভাপতি লিও সিজারুল ইসলাম, সদ্য প্রাক্তন সভাপতি লিও রাসেল চৌধুরী, ক্লাব সেক্রেটারী লিও রেজাউল করিম ইফতি, ক্লাব ট্রেজারার মরিয়ম কোরাইশী প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
ভালো কাজের সাথে রোটারিয়ানরা থাকবেন
০৪সেপ্টেম্বর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রোটারী গভর্নর আতাউর রহমান পীর বলেছেন, রোটারিয়ানরা শুধু স্বপ্ন দেখেন না। স্বপ্ন পূরনের কাজও নিজেরা তৈরি করেন। রোটারিয়ানরা সবসময় ভালো কাজের সাথে থাকেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। তিনি আরো বলেন ,এরই ধারবাহিকতায় চট্টগ্রামে খুব শিঘ্রই একটি রোটাির ক্যান্সার হাসপাতাল, একটি রোটারি সেন্টার, একটি বৃদ্ধাশ্রম তৈরির কাজ শুরু হবে। গত ৩০ আগস্ট রোটারী ক্লাব অব চিটাগাং সেন্ট্রালের ৬ষ্ঠ চাটার এ্যানিভারচারী ও ৭ম অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। এতে শহীদ জায়া বেগম মুশতারি শফি ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশন, চট্টগ্রাম বিভাগের প্রধান মো: ইকবালকে সম্মাননা জানানো হয়। রোটারিয়ান মো: এস এ সাহেদ ও ক্লাব সভাপতি রোটারিয়ান নাদিরা বেগম শিল্পীর সভাপতিত্বে ও অনুষ্ঠিত সভায় জেলা ফাস্ট লেডি বেগম ফিরোজা, সদ্য অতীত জেলা গভর্নর দিল নাসিন মহসিন, সাবেক জেলা গভর্নর এম.এ আউয়াল, জেলা গভর্নর নমিনি মো: আবু ফয়েজ খান চৌধুরী চাটার সভাপতি মীর নাজমুল আহসান রবিন, সহ-সভাপতি মো: শিমুল, এম মাসুদুর রহমান মজুমদার, ক্লাব সচিব জোবায়দুর রশিদ রনি, কোষাধ্যক্ষ এড. আবু বকর ছিদ্দিক, মেম্বারশীপ চেয়ার নাছির উদ্দিন, ক্লাব এ্যাডমিনিষ্ট্রেশন চেয়ার মো: আরশাদ চৌধুরী, ক্লাব পাবলিক রিলেশন চেয়ার জাহাঙ্গীর আলম জীম এতে উপস্থিত ছিলেন । প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ডাকস স্কুলে মশক নিধন অভিযান
০৩সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাঁচলাইশস্থ ন্যাশনাল ও ক্যামব্রিজ ক্যারিকুলাম ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল দি ডাকস -এর উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান গত ২৯ আগস্ট সকল ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষিকার অংশগ্রহণে স্কুল অধ্যক্ষ আসাদ আদিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অভিযানে প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম মেট্রাপলিটন পুলিশের (উত্তর জোন) উপ-সহকারী পুলিশ কমিশনার পরিত্রান তালুকদার, বিশেষ অতিথি ছিলেন, স্কুল পরিচালনা কমিটির চেয়্যারম্যান মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ও সাব ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ হোসেন। শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কো-অর্ডিনেটর জামাল উদ্দীন সুমন, সিনিয়র শিক্ষকএইচ এম মহিউদ্দীন, শামিমা নাসরিন, ইসমত জাহান, রাবেয়া সুলতানা প্রমুখ। স্কুল আঙিনা ও আশেপাশের আবাসিক এলাকায় এবং সিএমপির (উত্তর জোন) উপ-সহকারী পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ের চারপাশে অভিযান পরিচালিত হয়। এ ধরনের আয়োজন করার জন্য প্রধান অতিথি স্কুল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এবং চেয়্যারম্যান ডাকস স্কুলের পক্ষ থেকে এ ধরনের জনসচেতনামূলক আয়োজন ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। মশক নিধনকারী ঔষধ স্প্রে করার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
সিটি মেয়রের সাথে বিএলএফ নেতৃবৃদের মতবিনিময়
০৩সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শ্রেণী পেশার শ্রমিক কর্মচারীদের ন্যার্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গত ২৬ আগস্ট রোজ সোমবার বাদ মাগরিব বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন বিএলএফ এর চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কমিটির সাথে নগর পিতা আ.জ.ম নাছির উদ্দিনের সাথে সিটি কর্পোরেশন মিলনায়তনে মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়। উক্ত মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএলএফের সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ মিঞা, সিটি মেয়র জননেতা আ.জ.ম নাছির উদ্দিন তার অবস্থান থেকে শ্রমিক কর্মচারীদের অধিকার আদায়ের পক্ষে সকল প্রকার সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন। সভায় বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন বিএলএফ জেলা কমিটির সভাপতি সৈয়দ রবিউল হক শিমুল, মহানগর বিএলএফ এর সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, জেলা কমিটির সহ সভাপতি বেলায়েত হোসেন ফরাজী, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম, মুক্তিযোদ্ধা মনসুর, সাধারণ সম্পাদক মো. মাঈন উদ্দিন, মহানগর সহ সভাপতি শাহ আলম হাওলাদার, সহ সভাপতি ইয়াছিন মিয়াজি, তোফায়েল আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক মো. সেলিম খান, জেলা কমিটি যুগ্ম সম্পাদক মো. ইলিয়াছ, সহ সাধারণ সম্পাদক মো. মিজান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু ফয়েজ, মো. নুরুল হুদা, গিয়াস উদ্দিন, মো. সাহাব উদ্দিন, হাফেজ মো. জসিম উদ্দিন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. ইউসুফ, আলী আক্কাছ, ছিদ্দিক মোস্তফা প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কৈবল্যধাম বঙ্গবন্ধু হাইস্কুলে ভবন নির্মাণকাজ উদ্বোধন
০৩সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও কৈবল্যধাম হাউজিং এস্টেট বঙ্গবন্ধু উচ্চবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. জহুরুল আলম জসিম বলেন, আগামী ২০২০ সাল হতে এই স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে। কৈবল্যধাম হাউজিং এস্টেট বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এআহ্বান জানান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ওমর ফারুক সুমনের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে সুচিত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সমাজ সেবক মোঃ জসিম উদ্দিন, বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের অভিভাবক সদস্য ইলিয়াস খান, যাচমা বেগম, জি ব্লক সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি সাইদুর রহমান আরমান, সি ব্লক সমাজ উন্নয়ন কমিটির সভাপতি হাজী মোঃ এমরান হোসেন, সাধারন সম্পাদক শামীম আহমেদ সুমন, বি ব্লক সমাজ উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন, উত্তর পাহড়তলী ওয়ার্ড বি-ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নয়ন, এ-ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি হেকিম খন্দকার মো. হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে নির্মাণ কাজের সফলতা কামনা দোয়া মুনাজাত পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাওলানা আরিফ বিল্যাহ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
জনকল্যাণকর গবেষণা ও প্রায়োগিক শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে
০২সেপ্টেম্বর,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরিসীম অবদান রয়েছে। আমাদের দেশ এখন কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে উৎপাদনশীল অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সনাতনী চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় শুধু পুঁথিগত শিক্ষাদানের মাধ্যম নয়। তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি গবেষণা ও ইন্ডাস্ট্রির সাথে সম্পর্ক বাড়াতে হবে। নতুন-নতুন আইডিয়া জেনারেট করতে হবে। সেজন্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের চেয়ে জনকল্যাণকর গবেষণা ও প্রায়োগিক শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের টেকসই উন্নয়নে এটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গতকাল রোববার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ১৭তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, রাজধানী কেন্দ্রিক নির্ভরতা কমিয়ে এনে সুষম ব্যবস্থার দিকে যেতে হবে। প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে ভাবতে হবে। রাজধানীকে বাঁচাতে হলে দেশের অন্যান্য স্থানেও প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। কারিগরি ও প্রযুক্তিক পরামর্শ সেবার ক্ষেত্রে বৈষম্য তৈরি হচ্ছে। গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠানভিত্তিক নির্ভরতা বেড়ে গেছে। সেটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অবস্থানগত কারণে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে চুয়েটের কাজ করার দারুণ সুযোগ রয়েছে। এখানকার শিল্পকারখানা ও উপকূলীয় অঞ্চলের সুবিধা কাজে লাগাতে হবে। সারাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অঞ্চলভিত্তিক অবদান রাখতে হবে। শিক্ষা উপমন্ত্রী আরো বলেন, বিশ্ব এখন তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষতায় ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এখন ডিজিটাল বাংলাদেশের পথেই হাঁটছি। ৪র্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদান সবচেয়ে বেশি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাজ করে যেতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রফেশনালিজম নিয়ে ভাবতে হবে। চুয়েটের ছাত্ররা দেশে-বিদেশে অবদান রাখছে। চুয়েটকে এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তবে কিছুতেই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। কারণ এতে শিক্ষার্থীরাই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি ও স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. রনজিৎ কুমার সূত্রধর, পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো রবিউল আলম, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী এবং ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক। চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম ১৭তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে চুয়েট পরিবারের সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ১৯৬৮ সাল থেকে চুয়েট দীর্ঘ পরিক্রমায় প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষা-গবেষণায় দেশে একটা অবস্থান করে নিয়েছে। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যথার্থতার পরিচয় ঘটে মুক্তবুদ্ধি চর্চার মাধ্যমে। পাশাপাশি গবেষণা ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টির মাধ্যমে এগিয়ে যায়। যেহেতু চুয়েট একটি বিশেষায়িত ও টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়। তাই দেশের বর্তমান উন্নয়নযজ্ঞের অবকাঠামো ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় চুয়েটের গ্র্যাজুয়েটরা অবদান রাখতে পারে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তাই চুয়েট বিশ্বমানের গ্র্যাজুয়েট তৈরিতে মনযোগ দিচ্ছে। এতে বক্তব্য রাখেন চুয়েট শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফিন, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম, কর্মচারী সমিতির সভাপতি মোঃ জামাল উদ্দীন, ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে হুমায়রা জান্নাত মীম এবং একেএম সাজিদ উদ্দিন আহমেদ জয় বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আয়শা আক্তার, ইটিই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আজাদ হোসাইন, মানবিক বিভাগের শিক্ষক নাহিদা সুলতানা। এর আগে আনন্দ Raily বের করা হয়। পরে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন এবং শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্ত করার মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রামে নতুন ঠিকানায় সাওল হার্ট সেন্টার
০২সেপ্টেম্বর,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিনা রিং, বিনা অপারেশনে হৃদরোগের স্থায়ী চিকিৎসায় আগ্রহী রোগীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সাওল হার্ট সেন্টার, চট্টগ্রাম শাখা বড় পরিসরে যাত্রা শুরু করেছে। ১০৫৪ রহিম ম্যানশন (নিচতলা), সুবর্ণা আবাসিক এলাকা, গোলপাহাড় মোড়, ও আর নিজাম রোডে গতকাল রোববার পূর্ণাঙ্গ পরিসরে সাওল হার্ট সেন্টার উদ্বোধন করা হয়। সেন্টারের চেয়ারম্যান কবি মোহন রায়হান এবং বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতাল চট্টগ্রামের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. বদিউল আলম বাদল যৌথভাবে নতুন সেন্টার উদ্বোধন করেন। কবি মোহন রায়হান বলেন, অজানা কারণে হার্ট ব্লকের চিকিৎসায় এতদিন মানুষ কষ্টকর, ঝুঁকিপূর্ণ, কাটাছেঁড়ার প্রচলিত রিং বা বাইপাস অপারেশন নির্ভর ছিল। সাওলের বিনা রিং, বিনা অপারেশনের ঝুঁকিমুক্ত, নিরাপদ, স্থায়ী হার্টের চিকিৎসা সাওল পদ্ধতি সম্পর্কে জানার পর দিন দিন মানুষের আগ্রহ বেড়েই চলেছে। গোলপাহাড় মোড়ের পুরাতন ঠিকানায় স্থান সংকুলান না হওয়ায় বাধ্য হয়ে নতুন ঠিকানায় বড় পরিসরে পূর্ণাঙ্গভাবে প্যাথলজি, ইইসিপি, কার্ডিয়াক ডিটঙ ট্রিটমেন্ট, খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগ, ইয়োগা মেডিটেশন, ফ্রি হার্ট সেমিনারসহ নানা আয়োজনে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করলো সাওল হার্ট সেন্টার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
বর্ণিল আয়োজনে চট্টগ্রাম এলিট ক্লাবের লোগো উন্মোচিত
০২সেপ্টেম্বর,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিত হলো চট্টগ্রাম এলিট ক্লাব লিমিটেড (সিএসিএল) এর লোগো উন্মোচন উৎসব। ৩০ আগস্ট নগরীর রুমঘাটার মনজুর মহলে কথামালা আর সঙ্গীতের মূর্চ্ছনায় উজ্জ্বল্ল হয় এ অনুষ্ঠান। উল্লেখ্য, ৬০ লাখ মানুষের নগরী চট্টগ্রামে মননশীল সামাজিক ক্লাবের শূন্যতা পূরণের প্রচেষ্টাসহ বন্ধুত্ব সুদৃঢ়করণ, সমাজের প্রতি দায়িত্বশীলতা বিনির্মাণ, পরিবারের অপরিহার্য বিনোদন সৃষ্টি ও নিজেদের মান-মর্যাদা সুরক্ষার প্ল্যাটফরম প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে সমমনা পেশাজীবীদের সমন্বয়ে সম্প্রতি গঠিত হয় চট্টগ্রাম এলিট ক্লাব লিমিটেড (সিএসিএল)। সিএসিএল এর লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে সমাগত সুধীজনদের সঙ্গে ক্লাবের সদ্য ঘোষিত নির্বাহী কমিটিকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। সিএসিএল এর কার্যনির্বাহী পরিষদ ২০১৯-২০২০ কার্যমেয়াদের প্রেসিডেন্ট হলেন ব্যবসায়ী আমানুল্লাহ আল সগির ছুট্টু। কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তা সরোয়ার আলম, ব্যবসায়ী খন্দকার ইবনে বোরহান ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর মাছুম আহমেদ। কমিটির জেনারেল সেক্রেটারি হলেন ব্যবসায়ী ও সংগঠক নওশাদ চৌধূরী মিটু এবং জয়েন্ট সেক্রেটারি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর এ জি এম নিয়াজ উদ্দিন। কমিটির নির্বাহী সদস্যরা হলেন উদ্যোক্তা সাহেলা আবেদীন, ব্যবসায়ী এইচ এম ইলিয়াস, টিংকু আবদুর রহমান, আহাম্মেদ নূর ফয়সাল ও সিব্বির আহামেদ ভূঁইয়া। এতে বক্তব্য রাখেন জেনারেল সেক্রেটারি নওশাদ চৌধূরী মিটু, ভাইস প্রেসিডেন্ট মাছুম আহমেদ এবং নির্বাহী সদস্য সাহেলা আবেদীন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সিনিয়রস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ডা. সেলিম আকতার এবং চিটাগং ক্লাবের নির্বাহী কমিটির জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি সালাউদ্দিন আহমেদ। তাঁরা এলিট ক্লাবের অগ্রযাত্রায় সর্বদা পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। লোগো উন্মোচন শেষে ক্লাবের প্রেসিডেন্ট আমানুল্লাহ আল সগির ছুট্টু তাঁর সমাপনী বক্তব্যে ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন এবং এক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি একটি আদর্শ ও অনুকরণীয় ক্লাব প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে দৃঢ় অভিমত ব্যক্ত করেন। স্মিতা চৌধুরীর উপস্থাপনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর