বুধবার, নভেম্বর ১৩, ২০১৯
উপমহাদেশের সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ছিলেন মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী
২৬অক্টোবর,শনিবার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:উপমহাদেশের মহান বিপ্লবী স্বাধীনতা সংগ্রামী সাংবাদপত্রের সম্পাদক ও সাংবাদিকতার পথিকৃৎ, সাহিত্যিক, দার্শনিক, লেখক, গবেষক, রাজনীতিবিদ ও চিন্তাবিদ মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী। জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে অবিস্মরণীয় ভূমিকায় অবতীর্ণ হন তিনি। সাহিত্য, রাজনীতি, সাংবাদিকতা ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে যিনি অপরিসীম অবদান রেখেছেন, তাকে ভূলে যাওয়া মানে ইতিহাসের একটি অধ্যায়কে ভুলে যাওয়া। বক্তারা আরো বলেন মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী চট্টল গৌরব, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা, বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য, সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক। তিনি সাহিত্যে সাধনা ও সমাজসেবা করে গিয়েছেন আমৃত্যু। তাঁর শেষ কাজ ছিল চট্টগ্রামে একটি এতিমখানা স্থাপন। তিনি আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য দেয়াং পাহাড়ের বিতৃত জমিও সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁর আজীবন স্বপ্ন ছিল দেয়াং পাহাড়ে একটি জাতীয় আরবী বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা। তিনি আরব বিশ্বের বিখ্যাত ফারসি ভাষার পত্রিকা হাবলুল মতিন এর বাংলা সংস্করণ সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন। ২৫ অক্টোবর শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকায় অনলাইন নিউজ পোর্টাল পরিস্থিতি২৪ডটকম এর ৭ম বর্ষ পূর্তিতে পরিস্থিতি সমাজ উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর ৬৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা নগরীর হোটেল এশিয়ান এস.আর. এর ব্যান্কুইট হলে অনুষ্ঠিত হয়। পরিবেশবিদ ও পরিস্থিতি২৪ডকটমর সম্পাদক এ. কে. এম. আবু ইউসুফের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য সমাজবিজ্ঞানী-শিক্ষাবিদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ ও পরিবেশবিদ লায়ন অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকার দুলাল কান্তি বড়য়া, চট্টগ্রাম গণ-অধিকার ফোরামের মহাসচিব এম এ হাশেম রাজু, ফুলকলি ফুড প্রোডাক্টসর জিএম এম এ সবুর, টিআই (অ্যাডমিন) বন্দর বিভাগ এস এম শওকত হোসেন, নাট্যজন সজল চৌধুরী। সংগঠক ও সাংবাদিক স ম জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনবি গ্রপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, বাপউসর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, সাংবাদিক-প্রাবন্ধিক নুর মোহাম্মদ রানা, বাউপসর সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন চৌধুরী মোর্শেদ, শিক্ষাবিদ বাবু মিন্টু কুমার দাশ, মনসুরুল হাসান জিয়া, লাবিব মার্কেটিং কোম্পানির ডাইরেক্টর এরশাদ হোছাইন, শিক্ষাবিদ শওকতুল ইসলাম। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন আলোকচিত্রী ওচমান জাহাঙ্গীর, লায়ন ডা. বরুণ কুমার আচার্য বলাই, প্রাবন্ধিক আবদুল্লাহ মজুমদার, রোটারিয়ান ডা. মনির আজাদ, আবদুল্লাহ আল মুরাদ, সাংবাদিক রাজীব চক্রবর্তী, এস ডি জীবন, আবদুর রাজ্জাক, অনুতোষ দত্ত বাবু, কবি নাছির বিন ইব্রাহিম, সাংবাদিক তৌহিদুর রহমান, ইউসুফ জালাল, রোকন উদ্দিন আহমদ, ডা. অনিল কান্তি বড়য়া, ডা. মিলন বারিকদার, সুরেশ দাশ, সমীর দাশ, সমীরন পাল, এহছান উল্লাহ, বাপ্পী, সাথী কামাল, রিদুয়ানুল হক জিদান প্রমুখ। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা আরো বলেন, ইন্টারনেট প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনে এবং এর প্রভাবে অনলাইন গণমাধ্যমগুলোর বিকাশের পথ সুগম হয়েছে। যার ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ আরো সহজ ও গতিশীল হয়েছে। অনলাইন গণমাধ্যমগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় এনে সুনির্দিষ্ট নীতিমালায় পরিচালিত করা এখন সময়ের দাবি।
কর্ণফুলীতে ভিবিডি চট্টগ্রামের পরিস্কার অভিযান সম্পন্ন
২৬অক্টোবর,শনিবার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:পরিবেশ দূষণের বিরূপ প্রভাব থেকে নদীকে রক্ষা করতে এবং জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ের ফিশারিঘাট এলাকাটিতে পরিস্কার অভিযান সম্পন্ন করেছে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ চট্টগ্রাম জেলা। প্রবাহমান কর্নফুলী, সমৃদ্ধশালী চট্টগ্রাম নামে ভিবিডি চট্টগ্রাম জেলার এই সচেতনতামূলক পরিচ্ছন্নতা অভিযানে আজ ২৫শে অক্টোবর (শুক্রবার) নগরীর বিভিন্ন সরকারী এবং বেসরকারী স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩০০ ভলান্টিয়ার অংশগ্রহণ করেন। পাঁচটি দলে ভলান্টিয়াররা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীত গাওয়ার মাধ্যমে ইভেন্টের শুভারম্ভ করা হয়। এরপরই ভলান্টিয়াররা তাদের চারপাশ যথাসম্ভব পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রেখে সর্বোপরি একটি সুন্দর ও দূষণমুক্ত দেশ গঠনে নিজ নিজ জায়গা থেকে ভূমিকা রাখবেন এই মর্মে শপথবাক্য পাঠ করেন। এরপরই দলবদ্ধভাবে ভলান্টিয়াররা কর্ণফুলী নদীর ফিশারীঘাট সংলগ্ন পুরো এলাকা পরিস্কার অভিযানে নামেন এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণদের নদী বাঁচাতে এগিয়ে আসতে সচেতন করেন। ভিবিডি চট্টগ্রামের বৃহৎ এই ইভেন্টের সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন ৩৩নং, ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব হাসান মুরাদ বিপ্লব, জহুর লাল হাজারী, চট্টল অধিকার ফোরামের মো: কায়সার আলী চৌধুরী, ভিবিডি ন্যাশনাল বোর্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক সোমেন বড়ুয়া পান্ডু, ভিবিডি চট্টগ্রাম বিভাগের সহ-সভাপতি রাশেদ হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আরাফাত, গত বিভাগীয় বোর্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত সামির ও মো: ফারুক রেডিও পার্টনার হিসেবে ছিলেন রেডিও ফুর্তি ৮৮এফএম, সার্বিক সহযোগিতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। বৃহৎ এই ইভেন্টের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন ভিবিডি চট্টগ্রাম জেলা বোর্ডের সভাপতি জিয়াউল হক সোহেল, সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান জিয়াদ, সাধারণ সম্পাদক কাউসার হোসাইন, মানবসম্পদ কর্মকর্তা সৌরভ বড়ুয়া, কোষাধ্যক্ষ রেবেকা খানম এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা সুকান্ত মিত্র। কমিটি মেম্বার নাবেদ নেওয়াজ, আসিফ খান, মো: মামুন, মো: রাবি, প্রজেক্ট লিডার হিসেবে মোঃ আকিবুর রহমান এবং কো-লিডার হিসেবে ছিলেন উৎস দাশ শুভ্র, টিম লিডার তাসনিয়া মজুমদার দ্যুতি, সামিয়া হক, সুজয় বড়য়া, মো: শাহরিয়ার, পারমিতা পদ্ম।
মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণের অগ্রদূত
২৬অক্টোবর,শনিবার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:জগৎবিখ্যাত রাজনীতিবিদ,ভারতীয় উপমহা দেশের সাধীনতা সংগ্রামী, মাওলানা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর ৬৯ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ২৫ অক্টোবর শুক্রবার বিকেলে নগরীর চেরাগী পাহাড়স্থ সুপ্রভাত স্টুডিও হলে চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্র ও মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী গবেষণা পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, প্রাচীন চট্টগ্রামে আজ পর্যন্ত বহু জ্ঞানী-গুণী সমাজকর্মী দেশপ্রেমিকের কারণে চট্টগ্রামের ইতিহাস বিশ্বদরবারে পরিচিত। সে রকম ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ দের শ্রদ্ধা ও সম্মানের সহিত স্মরণ করা আমাদের কর্তব্য। গুনী মানুষকে সম্মান ও গুণী মানুষের ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কালজয়ী সোনার মানুষ গুলোর মধ্যে মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী অন্যতম। জীবন ও কর্ম, রাজনীতিক, সমাজসংস্কার,সাংবাদিকতা, সাহিত্যি চর্চা, গ্রন্থ প্রণেতা, মানবতাবাদী মানুষ হিসেবে ইসলামাবাদীর অবদান অনস্বীকার্য। চট্টগ্রাম শহরে ঐতিহাসিক কদম মোবারক মুসলিম এতিমখানা তাঁর অবদানের একটি উদাহরণ। তিনি চেয়েছিলেন দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারার দেয়াং পাহাড়ে জাতীয় আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে। সেই ক্ষেত্রে তিনি ঐ পাহাড়ে তৎকালীন সময়ের বঙ্গ সরকার থেকে ৬০০ বিঘা জমি লিজ গ্রহণ করেছিলেন এবং ওই এলাকার জমিদার আন্নার আলী খান থেকে ৫০০ কানি ভুমি দান মুলে ইসলামাবাদীকে প্রদান করেছিলেন। এই জমির উপর তিনি চেয়েছিলেন জাতীয় আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে শিক্ষায় অনগ্রসর জাতিকে সুশিক্ষিত করে বিশ্বদরবারে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করবেন। বয়সের কারণে সেটি সম্ভব হয়নি ইসলামাবাদীর। সভায় বক্তারা আরো বলেছেন, এই প্রজন্মের সকলের কাছে আমাদের অনুরোধ আসুন আমরা সোনার মানুষ - বিপ্লবী মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর জীবন ও কর্ম চর্চার মাধ্যমে আলোকিত হই, দেশকে সৎপথে, সুন্দর পথে, পরিচালনার জন্য যোগ্য উত্তরাধিকার হিসেবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করি।অনুষ্ঠানে বক্তারা আরো বলেছেন, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের কিংবদন্তী নায়ক, প্রখ্যাত দার্শনিক, মুসলিম সাংবাদিকতার পথিকৃৎ, রাজনীতিক, সমাজসংস্কারক, শিক্ষাবিদ এবং অসাম্প্রদায়িক লেখক হিসেবে বাঙালি মুসলমানের গনজাগরণের জন্য যিনি বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। হিন্দু-মুসলমানের ঐক্যে বিশ্বাসী এবং উদার মানসিকতার অধিকারী ছিলেন বলেই তাঁর কাছে ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সবাই ছিল সমান। তিনি মানুষের হৃদয় জয় করেছিলেন ভালোবাসা দিয়ে। অসাম্প্রদায়িক মনোবলই তাকে মহৎ করেছিলেন। তাঁর লেখনী ছিল সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে। সিএইচ আর সির সভাপতি সোহেল মোঃ ফখরুদ্দিন এর সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রাক্তন উপসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আসহাব উদ্দিন, প্রধান আলোচক চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক এড. নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, উদ্ভোধক ছিলেন প্রিমিয়ার হাসপাতাল লিঃ এর পরিচালক প্রশাসন মোঃ আবু বক্কর। ইসলামাবাদীর জীবন কর্মেও উপর প্রবন্ধ পাঠ করেন অধ্যাপক আবু তালেব বেলাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন নজরুল গবেষক এম এ সবুর, রাজনীতিবিদ এম এ হাশেম রাজু, ফরিদুল আলম চৌধুরী, অমর কান্তি দত্ত, সি এস কে ছিদ্দিকী, অধ্যক্ষ মুক্তাদেও আজাদ খান, অধ্যাপক আবু তালেব বেলাল, মাষ্টার আবুল হোসেন, সাফাত বিন সানাউল্লাহ, মো: নজরুল ইসলাম, ম্ওালানা আবুল কাশেম, মো: সাইফুদ্দিন, এম নুরুল হুদা, প্রকৌশলী সৌমেন বড়–য়া, নোমান উল্লাহ বাহার, বোরহান উদ্দিন গিফারী, অধ্যাপক সামসাদ ছাত্তার, এড. সিরাজুল হক চৌধুরী, ইমরান সোহেল, হাজী নূর মোহাম্মদ, আব্দুল্লাহ মজুমদার, এস এম ্ওচমান, মো: খালেদ, সিরাজুল ইসলাম প্রমূখ।
আ'লা হযরতের দর্শনে সুন্নীয়তের সঠিক দিক নির্দেশনা রয়েছে
২৬অক্টোবর,শনিবার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া ট্রাস্ট কেন্দ্রীয় পরিষদের উদ্যোগে আজিজিয়া হাশেমীয়া নূরীয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আজ ২৫ অক্টোবর শুক্রবার বাদে যোহর হতে ইমামে আহলে সুন্নাত, মুজাদ্দেদে দ্বীনও মিল্লাত ইমাম আহমদ রেযা খাঁন ফাযেলে ব্রেলী (রহ.) এর ১০১ তম ওরছে পাক উপলক্ষে আলা হযরত কন্ফারেন্সে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া ট্রাস্টের চেয়ারম্যান পীরে তরিক্বত হযরতুলহাজ্ব আল্লামা মুহাম্মদ আবুল কাশেম নূরী (মু.জি.আ)। প্রধান অতিথি ছিলেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার অধ্যক্ষ হযরতুলহাজ আল্লামা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান আলকাদেরী। প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান আল্লামা ড. আতাউর রহমান মিয়াজী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মুফতি মুহাম্মদ ইব্রাহীম কাদেরী, ছিফাতলী জামেউল উলুম বহুমুখী কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আল্লামা আবুল ফরাহ মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন, মুফাস্সির আল্লামা শফিউল আলম নেজামী, মুফাস্সির আল্লামা কাজী মুহাম্মদ ইউনুচ রজভী, আল্লামা ওসমান গনী জালালী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আল্লামা আবুল হাসান মুহাম্মদ ওমাইর রজভী, আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া ট্রাস্ট সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ দৌলতী, আন্জুমানে রজভীয়া নুরীয়া কাতার শাখার সভাপতি আলহাজ কাজী মুহাম্মদ ফোরকান রেজা, উত্তর জেলা সভাপতি আলহাজ মুহাম্মদ আবুল হাসান। মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মহি উদ্দিন এবং সহ-সুপার মাওলানা জোবাইর হোসেন এর যৌথ সঞ্চালনায় কন্ফারেন্সে বক্তব্য রাখেন আজিজিয়া হাশেমীয়া নূরীয়া মাদ্রাসার সহসভাপতি আলহাজ আবু আহমদ সওদাগর, সেক্রেটারী মাওলানা ইসমাঈল আলকাদেরী, হাফেজ মুন্জুরুল আনোয়ার, ড. মুহাম্মদ খোরশেদ, মাস্টার মুহাম্মদ জাফর, আলহাজ মুহাম্মদ তৌহিদ সওদাগর, মুহাম্মদ মানিক সওদাগর, হাজ মুহাম্মদ তোতা মিয়া, হাজ মুহাম্মদ লাল মিয়া, মাওলানা মুহাম্মদ লোকমান চিশতি, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন জালালী, মওলানা ওমর ফারুক আজমী, মাওলানা আবু তৈয়ব মুহাম্মদ মুজিবুল হক, মাওলানা আব্দুল কাদের রজভী, মাওলানা সিরাজুল মোস্তফা নূরী, মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ রজভী, রজভীয়া নূরীয়া ইসলামী সাংস্কুতিক ফোরামের সভাপতি মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী, মাওলানা মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন কাদেরী, মওলানা আবুন ন্রূ মুহাম্মদ হাস্সান নূরী, মাওলানা মুহাম্মদ ছালামত রেযা কাদেরী, মুহাম্মদ মাহফুজ ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন আবু ছালেহ আঙ্গুর, মুহাম্মদ রাহাত, মুহাম্মদ ফরিদুল আলম, এস.এম ইকবাল বাহার চৌধুরী, মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মুহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন সিদ্দিকী, মুহাম্মদ আরাফাত হোসেন, মুহাম্মদ ওসমান গনী, মুহাম্মদ জাহেদুল আলম, মুহাম্মদ ছাফওয়ান নূরী। কন্ফারেন্সে বক্তারা বলেন, আলা হযরত ইমাম আহমদ রেযা (রাঃ) ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের পথিকৃত ছিলেন। তাঁর রচিত দেড় সহ গ্রন্থের মধ্যে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের দিক নির্দেশনা মূলক সতন্ত্র গ্রন্থটি এক্ষেত্রে অনন্য ভুমিকা পালন করে। আলা হযরত শুধু ইসলামের একজন মহান সংস্কারক নয়, তিনি ছিলেন জ্ঞানের চলন্ত এক বিশ্বকোষ। বক্তারা আরো বলেন, আ'লা হযরতের দর্শনে সুন্নীয়তের সঠিক দিক নির্দেশনা রয়েছে।
প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ
২৬অক্টোবর,শনিবার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব, প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর ৬৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ ২৪ অক্টোবর রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় কদম মোবারকস্থ মরহুমের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করা হয়। বিকেল ৩ ঘটিকার সময় গণ-অধিকার ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে সংগঠনের চকবাজারস্থ কার্যালয়ে আলোচনা সভা গণ-অধিকার ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি আলহাজ্ব আবু মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গণ-অধিকার ফোরামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব এম.এ হাশেম রাজু বলেন, মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর জীবনে বড় স্বপ্ন ছিল এদেশে জাতীয় আরবী বিশ্ববিদ্যারয় প্রতিষ্ঠা করা। সেজন্য দেয়াং পাহাড়ে এগারশত কানি জায়গা লীজ ও দান মূলে খতিয়ানভুক্ত করেন। তাঁর মৃত্যুর কারণে ঐ এলাকায় আজও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়নি। ইসলামাবাদী আমাদের মাতৃভাষা বাংলা রক্ষার জন্য সর্ব প্রথম সাহসের সহিত কলম ধরেন। ইসলামাবাদী রাজনীতিবিদ হিসেবে মজলুম জননেতা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর গুরু ছিলেন। তিনি আরো বলেন, এই মানুষটি বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের জন্য বহুবার কারা নির্যাতিত হয়েছেন। তিনি আরো বলেন, আজ চট্টগ্রামে এই মহান নেতার জন্মভুমি হওয়ায়, এই দেশের প্রতিটি সরকার তাঁর প্রতি অবিচার ও অবহেলা করেছে যা মেনে নেওয়া যায় না। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার দেশের বড় বড় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। আমরা দাবী জানায় মরহুমের স্বপ্ন আরবী বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করলে তাঁর আত্মা শান্তি পাবে। বক্তারা আরো বলেন, কালুরঘাট বহুমুখী সেতুটি মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর নামে নামকরণ করা হোক। ১৯৩০ সালে তিনি কৃষক প্রজা পার্টির চট্টগ্রাম দক্ষিণ থেকে বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য ছিলেন। এই সময় দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পার্লামেন্টে ভূমিকা রেখেছেন। তিনি চট্টগ্রাম থেকে বার্মা আকিয়াব শহর পর্যন্ত রেল লাইনের জন্য কাজ করেছেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন গণ-অধিকার ফোরামের ভাইস-চেয়ারম্যান নুরুল হাকিম লোকমান, বিশিষ্ট ইতিহাস গবেষক সোহেল মুহাম্মদ ফখরুদ-দীন, নাগরিক ঐক্যের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক আবদুল মাবুদ, ফোরামের যুগ্ম মহাসচিব জাফর আহমদ, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব নওশা মিয়া, সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ, ইসলামী গবেষক মোঃ আলমগীর বদি প্রমূখ।
নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যানদের নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে ড. আবু রেজা নদভীর সাক্ষাত
২৬অক্টোবর,শনিবার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী ২৩ অক্টোবর ২০১৯ইং বেলা ১টায় সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাচনে নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সালাহ উদ্দিন হাসান চৌধুরী ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদিকা আঞ্জুমান আরাকে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাত করেন। সাথে ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি এম. আবু সাঈদ, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক গোলাম ফারুক ডলার, সদস্য মাহবুবুর রহমান মেরু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি মাষ্টার ফরিদুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য জসিম উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আবু সালেহ, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও মাদার্শা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আ.ন.ম সেলিম চৌধুরী। সাক্ষাতকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এলাকার উন্নয়নের পাশাপাশি তৃণমুল পর্যায়ে সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত করার উপর গুরুত্বারূপ করেন।
সম্মিলিত উচ্চারণ,যতদিন আছি বন্ধুর পাশে থাকব
২৬অক্টোবর,শনিবার,মো:ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: অনেক নাম, অনেক চেহারা, অনেক চঞ্চলতা, অনেক সৌরভ ভিড় করেছিল বন্ধু সম্মীলনে। তাদের বয়সের তারতম্য নেই; রং, চেহারা, চরিত্রে আছে হয়তো ভিন্নতা। কিন্তু তাদের সবার চোখের উজ্জ্বলতা ও চিত্তের শুদ্ধতা ছিল একইরকম দীপ্তিময়। তাদের সম্মিলিত উচ্চারণ, যতদিন আছি বন্ধুর পাশে থাকব। ছাড়াছাড়ি করে কার সাধ্য? ছাড়তে যে চায় না কেউ কাউকে। বন্ধু বন্ধুই। যে সম্পর্কের সঙ্গে অন্য কোনো সম্পর্কের তুলনা করা যায় না। প্রকৃত বন্ধুত্বের সম্পর্ক কখনই নষ্ট হয় না। গতকাল শুক্রবার তারই ঝলক দেখালো চট্টগ্রাম এসএসসি-১৯৯৮, এইচএসসি-২০০০ ব্যাচ। নগরীর স্মরণিকা কমিউনিটি সেন্টারে দিনব্যাপী আয়োজিত এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (রুটিন দায়িত্বে) প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার। আমরা চট্টগ্রামের, চট্টগ্রাম আমাদের- এ বিশ্বাসকে বুকে ধারণ করে চট্টগ্রাম বিভাগের এসএসসি ১৯৯৮, এইচএসসি ২০০০ ব্যাচের সকল শিক্ষার্থীকে এক ছাদের নিচে সমবেত করতে মাস ছয়েক আগে ফেসবুকে একটি পেইজ খুলেছিলেন খোরশেদ আলী নামে এক তরুণ। অবিশ্বাস্য সাড়া মিলে দেশে ও দেশের বাইরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ব্যাচমেটদের। মূলত চট্টগ্রাম বিভাগের ১৯৯৮ সালের এসএসসি ও ২০০০ সালের এইচএসসি ব্যাচের সকল বন্ধুদের একত্রিত করাই ছিল গ্রুপের মূল উদ্দেশ্য। এই গ্রুপ পর্যায়ক্রমে সকল বন্ধুদের একই ছাদের নিচে এনে পরস্পরের মধ্যে সৌহার্দ্য, বন্ধন ও সম্প্রীতির মাধ্যমে যেকোনো বন্ধুর বিপদে পাশে থাকাসহ সমাজ ও দেশের যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করবে-এই বিশ্বাস উপস্থিত প্রতিটি বন্ধুর মাঝে। দিনব্যাপী এ আয়োজনে ছিল বর্ণাঢ্য Railly, কেক কেটে উদ্বোধন, ১৯৯৮ থেকে ২০০০ ব্যাচের বন্ধুদের স্মৃতিচারণ, ব্যাচের বন্ধুদের নিয়ে গঠিত ব্যান্ড ৯৮-রিবর্ন এর আত্মপ্রকাশ এবং ফাঁকে ফাঁকে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান শেষে একে একে বিদায় নিচ্ছে বন্ধুরা; কাজী জাবেদুল আলম, খোরশেদ আলী, জয়নুল আবেদীন জয়, সাইমুল শাহাদাত চৌধুরী, শাহআলম ইমন, বোরহানউদ্দিন শাহেদ, হামিদ হাসান নোমানী, আফরোজা নিরু, কানিজ ফাতেমা, জেনিফার করিমসহ অনেকেই। অশ্রুসিক্ত চোখে পরস্পরকে বিদায় জানাচ্ছে যখন, তখনো হৃদয়ের উষ্ণতা রোদের ভেতর রোদ হয়ে ওম দিয়ে চলেছে নিশ্চয় বুকের ভিটায়। এ উষ্ণতায় ভেদাভেদ নেই, আছে মিলনপিয়াসী সুখ-সুখ অনুভূতি। সামাজিক বৈষম্য, জাত, ধর্ম, বর্ণ কিছুই তাতে ব্যারিকেড দিতে পারেনি, পারবেও না।
নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ
২৪অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,মো:ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত মি. হেরি ভারুইজ। গতকাল বুধবার দুপুরে টাইগারপাসে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ভারুইজ। এ সময় উভয় দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় ছাড়াও নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন, বিনিয়োগ এবং ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় নগরীর ভৌগলিক অবস্থান ও সিটি কর্পোরেশনের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম এবং জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে চলমান কাজ সম্পর্কে ডেপুটি টিম লিডার মেজর জেড জিয়া স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তথ্য চিত্র উপস্থাপন করেন। বৈঠকে সিটি মেয়র বলেন, নগরীর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, আলোকায়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৬০টি দাতব্য চিকিৎসালয়, ৪টি মাতৃসদন, হোমিও দাতব্য চিকিৎসালয়, হেলথ টেকনোলজি ও মিডওয়াইফ ইনস্টিটিউট পরিচালনা করছে চসিক। এছাড়া শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড, জাহাজ তৈরি, বৃহৎ শিল্প কারখানা ও পোষাক শিল্প কারখানা, স্টিল মিলসের স্থাপনা ও বিশেষ শিল্পাঞ্চল স্থাপন এবং নগরকে একটি বাসযোগ্য, নিরাপদ, পরিবেশ বান্ধব করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা উল্লেখ করে নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বলেন, সাগর, নদী ও পাহাড় ঘেরা এই শহর যে কোনো অতিথিকে মুগ্ধ করে। চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে আমিও মুগ্ধ। পানি ব্যবস্থাপনায় নেদারল্যান্ড পৃথিবীর অন্যতম একটি দেশ জানিয়ে তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা কীভাবে লাঘব করা যায়, সে বিষয়ে নেদারল্যান্ডের অভিজ্ঞতা রয়েছে। চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে নেদারল্যান্ড সহযোগিতা করতে চায় বলে আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমদ, সচিব মো. আবু শাহেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ সিরাজদৌল্লাহ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী কাদের নেওয়াজ, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাশেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
২৪ অক্টোবর চুনতির শাহ ছাহেব কেবলার ওফাত দিবসের দোয়া মাহফিল
২৩অক্টোবর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী লোহাগাড়া উপজেলার চুনতির ঐতিহাসিক ১৯ দিনব্যাপী সীরতুন্নবী (সা:) মাহফিলের প্রবর্তক, অলিকুলের শিরমনি হযরত মাওলানা শাহ হাফেজ আহমদ (প্রকাশ শাহ ছাহেব কেবলা) (রহ.) এর ৩৭তম ওফাত বার্ষিকী উপলক্ষে আজ (২৪ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার বাদে আসর হতে ঐতিহাসিক সীরত ময়দানে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে দেশ-বরেণ্য ইসলামী চিন্তাবিদ, ওলামা মাশায়েখ, লেখক-গবেষক সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন। এতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের উপস্থিতি কামনা করেছেন শাহ ছাহেব কেবলা (রহ.) এর দৌহিত্র ও মাহফিল মোতোওয়াল্লী কমিটির সভাপতি মাওলানা হাফিজুল ইসলাম আবুল কালাম আজাদ ও মাওলানা আব্দুল মালেক ইবনে দিনার নাজাত।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর