শনিবার, জুলাই ২০, ২০১৯
রোটাবর্ষের প্রথম সভায় দায়িত্ব হস্তান্তর
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:রোটারী ক্লাব অব চট্টগ্রাম রেইনবোর রোটা-বর্ষ ২০১৯-২০ এর প্রথম সাপ্তাহিক মিটিং ও প্রেসিডেন্ট কলার হ্যান্ড ওভার অনুস্টান গত ৫ই জুলাই-২০১৯ স্থানীয় একটি হোটেলে বর্তমান প্রেসিডেন্ট রোটা. খায়ের আহমেদ পিএইচএফ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন জেলা ৩২৮২র কর্ণফুলী জোনের লেঃ-গভর্নর রোটাঃ মাহফুজুল হক, এডিঃ লেঃ-গভর্নর রোটাঃ মোহাম্মদ শাহজাহান, ডেপুটি গভর্নর রোটাঃ আকবর হোসাইন, ক্লাব এডভাইজার রোটাঃ লতিফ আনোয়ার চৌধুরী, রোটাঃ আমিন সোহেল, রোটাঃ আবু আজমল পাটান, রোটাঃ রোহেলা খাঁন চৌং, চার্টারড প্রেসিডেন্ট রোটাঃ জাহেদা আকতার মিতা, আই পি পি রোটাঃ আবদুল মামুন বাহার, এসিস্টেন্ট গভর্নর এমদাদুল আজিজ চৌং ও রোটাঃ রকিউদ্দীন রিপন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রেসিডেন্ট রোটা. মুর্তুজা, প্রেসিডেন্ট রোটা. শায়লা মাহমুদ, প্রেসিডেন্ট রোটা. দেবদুলাল ভৌমিক, প্রেসিডেন্ট রোটা. ডা. সুমন রহমান, প্রেসিডেন্ট রোটা. শাহ আলম, প্রেসিডেন্ট রোটা. নুর আলম সিদ্দিকী, রোটা. আশেক ই এলাহী ও রোটাঃ আরিফ শাহরিয়ার। উক্ত সভায় ডিস্ট্রিক ৩২৮২র অগ্রাধিকার গোল এর আওতায় একজন এসএসসি পাশ করা গরীব ছাত্রীর ৩ বছর শিক্ষার যাবতীয় দায়িত্ব ক্লাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট রোটাঃ খায়ের আহমেদ ক্লাবের সকল রোটারিয়ানদেরকে রোটঃ বর্ষ ২০১৯-২০২০ রোটারী মেল-বন্ধন বিশ্বজুড়ে থিম সম্বলিত রোটারী পিন সরবরাহ করে স্মাগত জানান।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ ও মাস্টার নজির আহমদ-এর স্মরণেদোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:গত ৮জুলাই১৯খ্রি. সোমবার, বাদে মাগরিব তালীমুল কুরআন কমপ্লেক্স চট্টগ্রাম-এর উদ্যোগে কমপ্লেক্স-এর চেয়ারম্যান আলহাজ মাওলানা হাফেজ মুহাম্মদ তৈয়ব সাহেবের সভাপতিত্বে মাওলানা নিজামুদ্দিন আল হোসাইনীর সঞ্চালনায় সেগুনবাগান তালীমুল কুরআন মাদরাসা মিলনায়তনে স্বাধীন বাংলার প্রথম সংবাদপত্র দৈনিক আজাদীর সাবেক সম্পাদক, বাংলাদেশের সংবিধান প্রনয়ণ কমিটির অন্যতম সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধের সফল সংগঠক মাননীয় সাবেক এমপি অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ-এর ৯৭তম জন্মবার্ষিকী ও বিশিষ্ট বরেণ্য শিক্ষাবিদ, মানুষ তৈরীর কারিগর, চট্টগ্রামের বহুল প্রচারিত দৈনিক পূর্বদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ মাস্টার নজির আহমদ-এর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় ভারপ্রাপ্ত মেয়র জনাব আলহাজ চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর শ্রমিকলীগের সহ সভাপতি ও তালীমুল কুরআন কমপ্লেক্স-এর উপদেষ্টা জনাব কামাল উদ্দিন চৌধুরী ও অন্যতম উপদেষ্টা হায়দার হোসেন বাদল। প্রধান অতিথি মাননীয় ভারপ্রাপ্ত মেয়রকে বার আউলিয়া আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যাণ সমিতির সদস্যবৃন্দ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত মেয়র মহোদয়কে আবুল খায়ের কোম্পানীর সাথে তাদের বার আউলিয়া সমিতির জায়গা সংক্রান্ত যে বিরোধ রয়েছে সে বিষয়ে আলোচনা করলে তিনি তাদেরকে মীমাংসা করে দিবেন বলে আশ^াস্ত করেন। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, অধ্যাপক খালেদ ও মাস্টার নজির আহমদ উভয়জন আমাদের জন্য আদর্শ। তাঁরা তাদের ভেতর লালিত মানবিকতাকে শিল্পে রূপ দিয়েছেন। তাঁরা তাদের জ্ঞান-গুণ ও কর্মময় জীবনের কারণে আমাদের মাঝে অমর হয়ে রয়েছেন। ফলে তাঁরা জাতির সূর্য সন্তান হিসেবে পরিগণিত হয়েছেন। বিশেষ অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, সমাজ সংস্কারে অধ্যাপক খালেদ ও মাস্টার নজির আহমদ যে কীর্তি দেখিয়েছেন তা কখনো ভুলার নয়। পরিশেষে সভাপতি মহোদয় তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উভয় গুণীজনের বিভিন্ন গুণ ও ত্যাগের কথা উল্লেখ করে তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং দেশ-জাতির সার্বিক সফলতা কামনা, অধ্যাপক খালেদ ও মাস্টার নজির আহমদ এর আত্মার মাগফিরাত কমনা করে দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন মুফতি নুর মোহাম্মদ, মাওলানা সামশুল হক, হাফেজ নাজিম উদ্দিন, কারী ফজলুল করিম, খায়রুজ্জামান লিটন, মাওলানা নুরুল ইসলাম, হাফেজ নাছির উদ্দিন টেকনাফী, হাফেজ আজিজুল্লাহ, মাও. বেলাল, হাফেজ আলমগীর সহ তালীমুল কুরআন কমপ্লেক্স চট্টগ্রাম-এর শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শহীদ আব্দুল মোস্তফা হালিমের ৩৫তম শাহাদাত বার্ষিকী অনুষ্ঠিত
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কোতোয়ালী থানা শাখার ব্যবস্থাপনায় আজ ১০ জুলাই১৯ বুধবার বিকাল ৪ ঘটিকায় চেরাগী পাহাড়স্থ কার্যালয়ে শহীদ আব্দুল মোস্তফা হালিম'র ৩৫ তম শাহাদত বার্ষিকী আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল সংগঠনের সহ-সভাপতি মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা সাঈদুল হক সাঈদ কাজেমী। উদ্ধোদক ছিলেন যুবসেনা মহানগর দক্ষিণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক খোরশেদুল আলম সুমন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ইনলামী ফ্রন্ট দক্ষিণ জেলার সেক্রেটারি, মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন, প্রধান বক্তা ছিলেন ছাত্রসেনা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ আতিকুর রহমান। মুহাম্মদদ মঈন উদ্দিন মোর্শেদ এর পরিচালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ নুর রায়হান চৌধুরী, আতাউল মোস্তফা জামশেদ, রাসেল আত্তারী, আব্দুল্লাহ ফারুক আবিদ, মুহাম্মদ আসিফ, হাফেয নাছির, হাফেয দদিদারুল ইসলাম রহমাতুল্লাহ, মালেক প্রমূখ। বক্তারা বক্তব্যে বলেন সাম্প্রতিক সময়ে শিশু অপহরণ ও হত্যার প্রতিরোধ করুন সামাজিক অবক্ষয় বৃদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধে ধস নামায় শিশুহত্যা বেড়ে গেছে। বিচারহীনতা কিংবা বিচারে ধীরগতির সংস্কৃতিও অপরাধীদের বেপরোয়া করে দিচ্ছে। এ ছাড়া আকাশ সংস্কৃতি, ইন্টারনেটের প্রসার ও মাদক অনেককে অমানুষ করে তুলছে। তাই অপরাধের শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি একজন মানুষের অপরাধী হয়ে ওঠাও ঠেকাতে হবে। আদর্শ শিক্ষাদান, পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় ও রুচিশীল বিনোদন নিশ্চিত করতে হবে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ভূজপুর থানা পূজা পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাত
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফটিকছড়ি মো: সাইদুল আরেফিন মহোদয়ের সহিত ভূজপুর থানা পূজা পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাত। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: জানে আলম, উত্তর জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ এর সভাপতি শ্রী নটু ঘোষ, সাবেক সভাপতি শ্রী পরিতোষ কান্তি পাল, উত্তর জেলার পূজা পরিষদ এর সহ সভাপতি ও ফটিকছড়ি উপজেলার সাবেক সভাপতি শ্রী সমির কান্তি পাল, উত্তর জেলার যুগ্ন সাঃ সম্পাদক লায়ন রূপক কান্তি দেব অপু, ভূজপুর থানা পূজা পরিষদ এর সহ সভাপতি দিলীপ কুমার দে (মেম্বার), কিশোর সাহা, রনজিত দে, জয়পদ চন্দ, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় ধর, যুগ্ন সাঃ সম্পাদক সিকু উরাং, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব দে, সমীরণ কর্মকার, অর্থ সম্পাদক পলাশ ঘোষ, সহ-প্রচার সম্পাদক সুখেন প্রান্তিতা, সৈকত কুর্মী রুবেল, মিলন সরকার, ডাঃ বিকাশ চক্রবর্তী, রোকেন প্রান্তিতা, সুজিত দে এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কর্মদক্ষতা বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম গতিশীল করে: ড. শিরীণ আখতার
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারের সাথে চবি কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দ গতকাল ১০ জুলাই উপাচার্যের অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে এম নুর আহমদ, সহকারী প্রক্টর মরিয়ম ইসলাম, কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি মো. জহিরুল হক, সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুল ইসলাম (শহীদ), সহকারী সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল আলম, কোষাধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. সরোয়ার হোসেন (খোকন), প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ ওসমান গণি এবং সদস্য নেয়ামত হোসেন, মজিবুর রহমান, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. দুলাল উদ্দিন, মোহাং ইলিয়াছ এবং মো. খায়ের হোসেন উপস্থিত ছিলেন। প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার বলেন, কর্মচারীবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে যেভাবে ভূমিকা রাখছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, একজন দক্ষ কর্মচারী একদিকে দক্ষতার সাথে তার দায়িত্ব পালন করেন অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম পরিচালনায় গতিশীলতা সৃষ্টি করেন। ড. শিরীণ আখতার বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনায় আরও গতিশীল করতে ৩য় শ্রেণি কর্মচারীদের অধিকতর সততা-স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা এবং দক্ষতার সাথে স্ব স্ব দায়িত্ব পালনের নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি সমিতির নেতৃবৃন্দের উত্থাপিত বিভিন্ন দাবি-দাওয়াসমূহ মনোযোগ সহকারে শুনেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়ম-কানুনের মধ্যে থেকে যথাসম্ভব পূরণের আশ্বাস প্রদান করেন। উপস্থিত কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দ উপাচার্যকে (রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত) আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং সততা ও নিষ্ঠার সাথে স্ব স্ব দায়িত্বপালনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সেবাবর্ষে লায়ন্স ক্লাব বাকলিয়ার রেইনকোট বিতরণ
১০জুলাই২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: লায়ন্স সেবাবর্ষের প্রথম দিনে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং বাকলিয়া ৩০ জন রিকশা চালককে রেইনকোট বিতরণ করে। কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মহসিন বি পি এম এর সার্বিক সহযোগিতায় কোতোয়ালি থানা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, লায়ন্স জেলা ৩১৫-বি-৪ এর নব-নির্বাচিত জেলা গভর্নর লায়ন কামরুন মালেক। এতে উপস্থিত ছিলেন, ২য় ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন আল সাদাত দোভাষ, নবনির্বাচিত কেবিনেট সেক্রেটারী লায়ন গোপাল কৃষ্ণ লালা, কেবিনেট ট্রেজারার লায়ন আশরাফুল আলম আরজু, সিনিয়র গভর্ণর এ্যাডভাইজার লায়ন এ.কে.এম শফিউল্ল্যা, রিজিয়ন চেয়ারপারসন লায়ন প্রদীপ কুমার দেব, লায়ন মোঃ হুমায়ুন কবির, জোন চেয়ারপারসন লায়ন এ.কে.এম সালাউদ্দীন, ক্লাব সভাপতি লায়ন মোঃ মমতাজুল ইসলাম, সেক্রেটারী লায়ন হুমায়ুন কবির হিমু, ট্রেজারার লায়ন হাফেজ মোঃ ইসমাইল, লায়ন জসিম উদ্দীন, লায়ন মহিউদ্দীন আহমেদ, লায়ন সেলিম উদ্দীন শিকদার, লায়ন আবুল মনসুর, লায়ন কামরুল হাসান, লায়ন ইমরুল চৌধুরী, লায়ন ডা: প্রণব রঞ্জন বিশ্বাস, লায়ন শাহাদাৎ হোসাইন, লায়ন ইঞ্জিনিয়ার তাপস বিশ্বাস। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।
জলাবদ্ধতায় অচল হয়ে পড়েছে বাণিজ্যনগরী চট্টগ্রাম
৯জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,জেসমিন,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:দুচোখ যেদিকে যায় সেদিকে পানি আর পানি। দালান ছাড়া কোনো চিহ্নই যেন মিলছে না। কোথাও গলা, কোথাও কোমর, আবার কোথাও হাঁটু সমান পানিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম। যানবাহন তো চলছেই না। দোকানপাটও বন্ধ। মিলছে না হাটবাজারও।গতকাল সোমবার সকাল থেকে এমনি অচল হয়ে পড়ে দেশের ব্যস্ততম বাণিজ্যনগরী চট্টগ্রাম। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে মাত্র এক রাতের মাঝারি বৃষ্টিতে এমন অবস্থা এই বাণিজ্যনগরী চট্টগ্রামের। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় বৃষ্টির পানিতে থই থই করছে বলে স্বীকার করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুদ্দোহা। তিনি জানান, চট্টগ্রাম মহানগরীতে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে নগরজুড়ে সড়ক-মহাসড়ক খোঁড়াখুঁড়ি করছে ওয়াসা। এ কারণে নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। ফলে সিটি করপোরেশন জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করলেও তা কাজে আসেনি। অন্যদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার ৩টি মেগা প্রকল্প তিন বছর ধরে হাতে নিয়ে বসে আছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে কোনো কাজ করেনি তারা। ফলে নগরবাসীকে প্রতি বছরের মতো এবারও জলাবদ্ধতার শিকার হতে হলো। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চউক চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ বলেন, প্রকল্প হাতে নিয়ে বসে নেই চউক। গত বছর বর্ষা থেকে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। সেই থেকে ১১ খালের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন কাজ করেছে চউক। প্রকল্প কাজ অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। চট্টগ্রাম ওয়াসার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রশাসন) গোলাম হোসেন বলেন, নগরীর কথা বলব কী? ওয়াসা ভবনের নিচতলায়ও পানি ওঠে গেছে। ফলে ব্যাংকসহ সব অফিসের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পামপ বসিয়ে পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে।সূত্র জানায়, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গত শনিবার দুপুর থেকে চট্টগ্রাম মহানগরীতে টিপটিপ বৃষ্টি শুরু হয়। যা রোববার দিনভর চলে। কিন্তু রোববার রাত থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতে নগরীর নিচু এলাকা ডুবে এখন সড়ক-মহাসড়কও খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে নগরীতে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ। অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত নগরীর ৫টি ফ্লাইওভারেও পানি জমে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। এতে অফিস-আদালত ও গার্মেন্ট কারখানাসহ বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যাওয়া-আসায় অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।জানাযায়, বৃষ্টিপাতের ফলে নগরীর বহদ্দারহাট, চকবাজার, মুরাদপুর, কাপাসগোলা, চন্দনপুরা, কোতোয়ালি, অক্সিজেন, ষোলশহর ২নং গেট, ওয়াসা মোড়, হামজারবাগ, মোহাম্মদপুর, শুলকবহর, হালিশহর, আগ্রাবাদ,হালিশহর, প্রবর্তক, বাকলিয়া, মোহরা, পতেঙ্গা, অলঙ্কার, পাহাড়তলিসহ নগরীর দুই তৃতীয়াংশ এলাকা বৃষ্টির পানিতে থই থই করছে। এসব এলাকার কোথাও গলা, কোথাও কোমর, কোথাও হাঁটু পানি জমে রয়েছে। সড়ক থেকে হাটবাজার, স্কুল কলেজ, সরকারি অফিস, দোকানপাট, মার্কেট, বসতঘর ও বস্তিগুলো ডুবে রয়েছে। দালান ছাড়া কোনো চিহ্নই এখন মিলছে না। ফলে যাতায়াতে মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ প্রদীপ কান্তি নাথ জানান, গতকাল সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৩৬ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আরো বৃষ্টিপাত হতে পারে। সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।তিনি জানান, বিকালের দিকে বঙ্গোপসাগরে প্রবল জোয়ার সৃষ্টি হতে পারে। এতে চট্টগ্রাম মহানগরীর আরো নতুন এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে। ফলে ওইসব এলাকায় পানির উচ্চতা আরো বাড়তে পারে। এতে যানবাহন ও মানুষের চলাচলে সাবধানতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া পাহাড় ধসের সতর্কবার্তার কথাও বলেন তিনি।এদিকে, পাহাড় ধস ঠেকাতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি সরিয়ে নিতে মাইকিং করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের আশপাশে ৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন।তিনি বলেন, বর্ষণে পাহাড় ধসের শঙ্কায় জেলা প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিচ্ছে। রেড ক্রিসেন্ট নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে। মেডিকেল টিম গঠন করেছে জেলা সিভিল সার্জন অফিস। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হলেও দেশের চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়মত জাহাজ জেটিতে নোঙর করছে। পণ্য ওাঠানামা সচল রয়েছে।
চট্টগ্রাম জুড়ে গুজব, আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ পুলিশের
৯জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:গত কয়েকদিন ধরে চট্টগ্রাম জুড়ে ছেলেধরা আতঙ্কে শিশুদের স্কুলে পর্যন্ত যেতে দিচ্ছে না মা-বাবারা।এটিকে গুজব বলছে প্রশাসন। চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো.কামরুজ্জামান এ প্রসঙ্গে বলেন, এটি নিছক একটি গুজব। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল কৌশলে এ ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে।তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কারণ চট্টগ্রাম মহানগর থেকে জেলার কোথাও এ ধরনের অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা ঘটেনি।গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের ফেসবুক আইডির প্রতি বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। গুজব ছড়ানোয় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কয়েকটি আইডি থেকে গত কয়েকদিন ধরে ছেলে অপহরণ বা নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে বিশেষ সাবধান বাণী প্রচার করে স্ট্যাটাস দেয়া হচ্ছে। যেখানে ছেলে ধরার কোনো কথা উল্লেখ করা না হলেও শিশু অপহরণের বিষয়ে শুনেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। ফলে, ছেলে ধরার বিষয়টি মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ছে। তবে ছেলে ধরার বিষয়ে এক মুঠোফোন থেকে আরেক মুঠোফোনে সরাসরি মেসেজ দেয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে। এতে পদ্মা সেতু তৈরি করতে এক লাখ শিশুর মাথা লাগবে। এ জন্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু শিশু নিখোঁজ রয়েছে। কাজেই আপনার বাচ্চাকে ঘর থেকে বের হতে দেবেন না। স্কুল, মাদ্রাসা, খেলার মাঠ কোথাও না। ছেলেধরা চক্র এলাকায় ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং শিশুদের অপহরণ করে নিয়ে হত্যা করে মাথা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এমন কথা লেখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে আপনি মুসলমান হলে মেসেজটি আরো ১০ জনের কাছে পাঠিয়ে দেয়ার অনুরোধও করা হচ্ছে।এমন বিচিত্র কিছু ক্ষুদে বার্তায় চট্টগ্রাম মহানগর থেকে জেলা- উপজেলাসমূহের বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামের শিশু ও অভিভাবকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।তবে নগরীর ১৬ থানার কয়েকটি থানায় এ বিষয়ে জানতে চেয়েও কোনো সত্যতা মেলেনি। থানার কর্তব্যরত ডিউটি অফিসাররা বলছেন, শিশু অপহরণ, নিখোঁজ বা হারানোর অস্বাভাবিক কোনো তথ্য তাদের হাতে নেই। এ ধরনের কোনো অভিযোগ বা জিডি করার জন্যও থানায় কেউ আসেনি। অসাধু কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেলেধরা বলে গুজব ছড়াচ্ছে। এতে কোনো রকম আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানান চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ।
মেট্রোপলিটন লিও ক্লাবের ইয়ার লঞ্চিং প্রোগ্রাম
৯জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর সিএলএফ প্রাঙ্গণে লিও ক্লাব অব চিটাগং মেট্রোপলিটনের ইয়ার লঞ্চিং প্রোগ্রাম গত ১ জুলাই ক্লাব প্রেসিডেন্ট লিও ইসমাইল বিন আজিজ আলভির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রোগ্রামে একজন পঙ্গু রোগীর জন্য হুইল চেয়ার হস্তান্তর করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন লায়ন্স জেলা গভর্নর কামরুন মালেক, আই পি ডি জি লায়ন নাসিরউদ্দিন চৌধুরী, পি ডি জি লায়ন মঞ্জুর আলম মঞ্জু, কেবিনেট ট্রেজারার লায়ন আসরাফুল আলম আরজু, লিও ক্লাবস চেয়ারম্যান লায়ন মেজবাউদ্দিন তুহিন, ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ লায়ন নূর মো. বাবু, মেট্রোপলিটন লায়ন্স ক্লাবের কাজি ইমাম হোসেন আবিদ, লিও জেলা সভাপতি শাহরিয়ার ইকবাল, আই পি পি লিও আনোয়ারুল ইসলাম, পাস্ট প্রেসিডেন্ট লিও সাইফুল করিম আরিফ, জেলা সহসভাপতি লিও এইচ এম হাকিম, জেলা সচিব আফিফা ইসলাম,জেলার ট্রেজারার লিও মো. আবসার, সেক্রেটারি লিও হালিমা খাতুন আখি, জয়েন্ট সেক্রেটারি লিও এম এস সাজু, জয়েন্ট ট্রেজারার-১ ফারজানা মিতু, জয়েন্ট ট্রেজারার-২ লিও মো. রনি, লিও শিপন, লিও সাবরিনা শিমুল, লিও মনির, লিও নাসরিফা মিতু, লিও ইফতেখার ইনান, লিও শারমিন শাকি ও কেম্ব্রিয়ান লিও ক্লাবের রাহুল প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর