আজ রাত ১০ টা থেকে ব্যক্তি ও যানবাহন চলাচলের উপর নিয়ন্ত্রনের নির্দেশ সিএমপি
0৬এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এতদ্বারা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে নগরবাসীর বৃহৎ স্বার্থে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার রোধে এখন থেকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় জরুরী সেবা, চিকিৎসা, ভোগ্যপণ্য ও রপ্তানী পণ্য পরিবহন কার্যে নিয়োজিত ব্যক্তি ও যানবাহন ব্যতিরেকে সকল ধরনের ব্যক্তি ও যানবাহন চলাচলের উপর নিয়ন্ত্রনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। উপরোল্লিখিত দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি, ছাড়া কোন ব্যক্তি বা পরিবহন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা থেকে বের হতে পারবে না এবং অন্য এলাকা থেকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না।আজ রাত ১০ টা থেকে এটি কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে। বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরীর সকল প্রবেশ পথে এবং মহানগরীর অভ্যন্তরে বিভিন্ন পয়েন্টে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। উল্লিখিত নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিজের টাকায় প্রতিবেশীদের ত্রাণ দিলেন ভিক্ষুক রেজাউল
0৬এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শারীরিক প্রতিবন্ধী মো. রেজাউল হক (৪০) পেশায় একজন ভিক্ষুক। দুর্ঘটনায় নিজের একটি পা হারানোর পর চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন স্থানে ভিক্ষাবৃত্তি করেই চলে তার সংসার। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে থাকেন নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন হিলভিউ রংপুর কলোনীতে। চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাসের কারণে অঘোষিত লকডাউন শুরু হলে বাসা থেকে আর বের হতে পারেননি রেজাউল। থেমে যায় রোজগার। যে কলোনীতে তিনি থাকেন সেখানকার সবাই পেশায় হয়ত রিকশাচালক, নয়ত দিনমজুর। সব বন্ধ থাকায় তাদেরও উপার্জন বন্ধ। এদিকে, তারা পাননি কোন ত্রান কিংবা সাহায্য। ফলে অনাহারে, অর্ধাহারে জীবন কাটছে তাদের। প্রতিবেশীর এ কষ্ট সহ্য হয়নি রেজাউলের। গত কয়েক মাসে ভিক্ষা করে জমিয়েছিলেন ১২ হাজার টাকা। সিদ্ধান্ত নিলেন সে টাকা দিয়েই প্রতিবেশিদের করবেন সাহায্য। অন্য কারো ত্রানের আশায় বসে না থেকে নিজের এ জমানো টাকা দিয়েই ৬০ জন প্রতিবেশিকে দিলেন চাল, আলু আর সাবান। গতকাল শনিবার (৪ এপ্রিল) রংপুর কলোনীর সামনে ৬০ জনের কাছে রেজাউল নিজ হাতে তুলে দেন এসব ত্রান। ত্রানের মধ্যে ছিল ৪ কেজি চাল, ১ কেজি আলু ও একটি সাবান। ত্রান পেয়ে খুশি পুরো কলোনীর মানুষ। একজন ভিক্ষুক হয়ে প্রতিবেশীদের ত্রাণ বিতরণে এলাকায়ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, রেজাউলের গ্রামের বাড়ি রংপুরের লালমনিরহাট জেলায়। ৯ বছর আগে চট্টগ্রামে এসেছিলেন ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে। তবে কোন কাজ না জোটায় ভিক্ষা করেই চালাচ্ছেন নিজের পরিবার। তবে অর্থের দিক দিয়ে দরিদ্র হলেও রেজাউলের মনটা যে অনেক বড় তা প্রমাণ করলেন দুঃসময়ে প্রতিবেশীদের পাশে থেকে। জানতে চাইলে রেজাউল বলেন, আমি ভিক্ষা করে সংসার চালাই। আমার প্রতিবেশীরাও দিন এনে দিন খায়। ভাইরাসের কারণে সবার উপার্জন বন্ধ। আমাদের এখানে কেউ কোন ত্রাণও দেয়নি। আমার হাতে কিছু জমানো টাকা ছিল। তাই ভাবলাম, প্রতিবেশীদের সাহায্য করি। আমি একা খাবো, আর প্রতিবেশীরা উপোস থাকবে বিষয়টা ভাবতে পারছিলাম না। আজকে তাদের আমি সাহায্য করলাম, হয়ত একদিন তারাও আমার বিপদে এগিয়ে আসবে। সবাই মিলে এ যুদ্ধে জয়ী হতে হবে। ত্রাণ পাওয়া রিকশাচালক মো. নাজির হোসাইন বলেন, রেজাউল আমাদের যে সাহায্য করল সেটা সারাজীবন মনে থাকবে। এ খাবারগুলো দিয়ে অন্তত এক সপ্তাহ আমাদের চলে যাবে। রেজাউলের মত বিত্তবানরা যদি আমাদের কথা একটু ভাবত তাহলে আমাদের আর না খেয়ে থাকতে হত না। হয়ত রেজাউলের সামর্থ্য কম, ত্রাণের পরিমাণও বেশি নয়। কিন্তু একজন ভিক্ষুক হয়ে যে মহানুভবতা তিনি দেখালেন তা অবশ্যই বিরল। এ কঠিন সময়ে সরকারের পাশাপাশি এলাকার বিত্তবানরা যদি তাদের দরিদ্র প্রতিবেশীদের একটু খোঁজ নিতেন তাহলে ক্ষুধার জ্বালা নিয়ে কাউকে হয়ত রাত কাটাতে হত না।বিজনেস বাংলাদেশ ডটকম।
সরকারি র্নিদেশনা না মানায় বিভিন্ন প্রতিষ্টানকে জরিমানা ভ্রাম্যমান আদালতের
0৬এপ্রিল,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ,বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয় নগরীর বিভিন্ন স্থানে। এ সময় বিভিন্ন প্রতিষ্টানকে সরকারি র্নিদেশ না মানায় জরিমানা করা হয়। আজ সোমবার ৬ র্মাচ নগরীর বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। নগরীর চান্দগাও, বাকলিয়া, পাচলাইশ, খুলশি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন জনাব আব্দুস সামাদ শিকদার। অভিযানে মোট 11টি মামলায় 16000 টাকা জরিমানা করা হয় । বিনা প্রয়োজনে বাইরে আসা, যে সকল দোকান খোলার অনুমতি নেই তা খোলা রাখা ও লাইসেন্স বিহীন গাড়ি চালানোর জন্য মামলাগুলো করা হয়। চকবাজার, বায়েজিদ, কোতোয়ালি ও সদরঘাট এলাকায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ,বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জনাব মাসুদ রানা। অভিযানকালে এসব এলাকার কাঁচা বাজার পরিদর্শন ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে নগরবাসীকে ব্যাপকভাবে সচেতন করা হয়। এ সময়ে নগরীর বায়েজিদ এলাকায় ১টি সেলুন খোলা রাখায় ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। কয়েকটি অস্থায়ী দোকান উচ্ছেদ করা হয়। যৌক্তিক কারন ব্যাতীত যাত্রীদের রিক্সাসহ বিভিন্ন যানবাহনে চলাচলে নিষেধ করা হয়। তাছাড়া বিভিন্ন এলাকার বেশ কিছু দোকানের সামনে জনসাধারণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করণে সচেতন করে দেওয়া হয়। বিকাল ৫ টার পর ফার্মেসী ব্যাতীত অন্যান্য দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। বন্দর, ডবলমুরিং, ও ইপিজেড এলাকায় সকাল ৯টা থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন জনাব সুজন চন্দ্র রায়। এসময় ওয়ালটনের একটি ডিলার সহ মোট ৫ টি প্রতিষ্ঠান কে বিভিন্ন আইনে মোট ৬৩০০০ তষট্রি হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া নগরীর বিভিন্ন স্থানে মাইকিং সহ জনগনকে সচেতন করা হয়। আকবর শাহ,হালিশহর ও পাহাড় তলী এলাকায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ,বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জনাব মিজানুর রহমান। অভিযানকালে এসব এলাকার কাঁচা বাজার পরিদর্শন ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকল্পে নগরবাসীকে ব্যাপকভাবে সচেতন করা হয়। এ সময়ে নগরীর আকবার শাহ এলাকায় দুইটি স্টেশনারি দোকান খোলা রাখায় ৫০০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। পাহাড়তলীতে একটি টিনের দোকানকে ২০০০ টাকা ও কয়েকটি ভাসমান দোকানকে ২০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। যৌক্তিক কারন ছাড়া পথেঘাটে ঘুরাঘুরির কারণে কয়েকজন পথচারীকে ২০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। তাছাড়া বিভিন্ন এলাকার বেশ কিছু দোকানের সামনে জনসাধারণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করণে সচেতন করে দেওয়া হয়। বিকাল ৫ টার পর ফার্মেসী ব্যাতীত অন্যান্য দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।এছাড়া আকবার শাহ থানা এলাকায় ইউকে ফেরত দুইজন ব্যক্তির হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিত করা হয় এবং হালিশহর এলাকায় ওএমএস পদ্ধতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিক্রির সময় সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। মোট মামলা ১৪ টি।জরিমানা অাদায় ১৫৪০০ টাকা। এখনো ৬ টি মোবাইল কোর্টের অভিযান মহানগরে চলমান রয়েছে বলে জানান জেলা জনসংযোগ কর্মকর্তা।
সিএমপির উদ্যোগে চালু হলো ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস
0৬এপ্রিল,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিস (বিআইটিআইডি), চট্টগ্রামে কর্মরত ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে মারছা ট্রান্সপোর্ট লিমিটেড এর সহযোগিতায় চালু হলো ফ্রি বাস সার্ভিস। দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে উক্ত কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান, বিপিএম, পিপিএম । ফ্রি বাস সার্ভিসের আওতায় প্রতিদিন দুইটি বাস সকাল ০৭.০০ ঘটিকা ও দুপুর ২.৩০ ঘটিকা হতে নগরীর কোতোয়ালী, আন্দরকিল্লা, চকবাজার, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ২নং গেইট, জিইসি, আগ্রাবাদ, টাইগার পাস, অলংকার, কর্ণেলহাট, বিআইটিআইডি-সলিমপুর ইত্যাদি রুটে যাতায়াত করবে। বিআইটিআইডি, চট্টগ্রামে কর্মরত ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীগণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বাস ড্রাইভার ও হেলপারের সাথে যোগাযোগ করে এই সেবা গ্রহণ করবেন। এছাড়াও সেবা গ্রহীতাদের চাহিদা অনুসারে দূরত্ব ভেদে বাড়তি সেবাও প্রদান করা হবে। এর ফলে চলমান পরিস্থিতিতে গণপরিবহন চলাচল নিষিদ্ধ হলেও বিআইটিআইডি, চট্টগ্রামে কর্মরত ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের যাতায়াতে কোন অসুবিধা হবে না। এসময় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম, বিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস. এম. মোস্তাক আহমেদ খান বিপিএম, পিপিএম (বার), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) শ্যামল কুমার নাথ, বিআইটিআইডি, চট্টগ্রামের পরিচালক ডাঃ এম এ হাসান চৌধুরী, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), চট্টগ্রাম ডাঃ হাসান শাহরিয়ার কবির, মারছা ট্রান্সপোর্ট লিমিটেড পরিচালক আব্দুল আওয়াল মর্তুজা, মারছা ট্রান্সপোর্ট লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মর্তুজা সিদ্দিক সহ পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী সাড়াশি অভিযান ৬৩ মামলায় তিন লক্ষ টাকা জরিমানা আদায়
0৬এপ্রিল,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ও জনগণের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন এবং সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ৬৩ টি মামলায় তিন লক্ষাধিক টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। জনসমাগম ঠেকাতে ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য প্রশাসন কিছুটা কঠোর অবস্থানে। এর প্রেক্ষিতে প্রতিদিন দুটি শিফটে অভিযান পরিচালনা করছে ভ্রাম্যমান আদালত। গতকাল ৫ এপ্রিল সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯ পযর্ন্ত করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন ও সেনা বাহিনীর যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন দুই শিফটে ১০ টি টিম। প্রথম শিফট সকাল ৯ থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত। দ্বিতীয় শিফটে দুপুর ৩টা- রাত ৯ টা পর্যন্ত। প্রথম শিফটের চারটি ম্যাজিস্ট্রেসি টিম অভিযান পরিচালনা করেনঃ চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ, খুলশী, বাকলিয়া এলাকায় অভিযান চালান র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হাসান। র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন অভিযান চালায় ডবলমুরিং, বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা এলাকায়। র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা আফরোজ চকবাজার, বায়েজিদ, সদরঘাট, কোতোয়ালী এলাকায়। র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক অভিযান চালায় হালিশহর, পাহাড়তলী, আকবরশাহ এলাকায়। দ্বিতীয় শিফটে জেলা প্রশাসন ও সেনা বাহিনীর যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন নিম্নোক্ত ছয়টি ম্যাজিস্ট্রেসি টিমঃ র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামনূন আহমেদ অনিক অভিযান পরিচালনা করেন চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ, খুলশী এলাকায়। র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদ অভিযান চালায় বাকলিয়া , ডবলমুরিং এলাকায়। র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী অভিযান চালায় সদরঘাট, কোতোয়ালী এলাকায়। র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আশরাফুল আলম অভিযান চালায় বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা এলাকায়। র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার অভিযান চালায় হালিশহর ,পাহাড়তলী, আকবরশাহ এলাকায়। র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলী হাসান অভিযান চালায় চকবাজার, বায়েজিদ এলাকায়। সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় জেলা প্রশাসন, সেনা বাহিনী ও পুলিশ কঠোরভাবে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণে, জনগণের অযথা ঘরের বাইরে ঘুরাঘুরি নিয়ন্ত্রণে, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরবাইক নিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রণে, যত্রতত্র বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থা কর্তৃক বিশৃঙ্খলভাবে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে, বাজার মনিটরিং এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছেন । বিকাল ৩ টায় দ্বিতীয় শিফটে যৌথ অভিযান শুরু হওয়ার পর হালিশহর এলাকায় বিভিন্ন দোকান ও প্রতিষ্ঠানকে নিষেধ করা সত্ত্বেও রাত ৮ঃ৩০ টায় হালিশহরের স্বপ্ন সুপার স্টোর খোলা পাওয়া যায়। এজন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরিন আক্তার হালিশহরের স্বপ্ন সুপার শপকে দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৬৯,২৭০ ধারায় ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন। র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদ বাকলিয়া এলাকার দেওয়ান বাজারে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে ২১,২০০ (একুশ হাজার দুই শত টাকা) টাকা জরিমানা আদায় করেন। আজকের অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা খুলশী, চান্দগাও, বায়েজিদ, পাচলাইশ, চকবাজার, পাহাড়তলি, আকবর শাহ, পতেঙ্গা, লালখান বাজার মোড়, জিইসি মোড়, বন্দর এলাকা, হালিশহর এলাকায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গণ সেনাবাহিনী ও পুলিশ সহযোগে চেকপোস্ট বসিয়ে জনগণের অবাধ চলাফেরা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছে। এমনকি অলিগলিতে অভিযান হয়েছে আড্ডাবাজি থামাতে। বিনা কারণে অহেতুক যারা ঘরের বাইরে বের হয়েছেন তাদেরকে জরিমানা করা হয়েছে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে। জেলা প্রশাসন চট্টগ্রাম সেনাবাহিনী ও সিএমপি সদস্যগণ এর সহযোগে চট্টগ্রাম মহানগরী ব্যাপী আজকে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেন। আজকের এ অভিযানের ফলে চট্টগ্রাম মহানগরীতে আজকে ঘরের বাইরে লোকজনের যাতায়াতের প্রবণতা কমেছে। সরকারি আদেশ অমান্য করে বিনা কারণে ঘরের বাইরে ঘুরাঘুরি করার দায়ে, সরকারি আদেশ অমান্য করে জরুরি সেবা ও পণ্য ব্যতীত অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলা রাখার কারণ, অলিগলিতে বিভিন্ন স্থানে আড্ডাবাজি বসানোর দায়ে, বিনা প্রয়োজনে গাড়ি, মোটরবাইকে যাতায়াত করায় উপরোক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মোট ৬৩ টি মামলায় ৬৩ জন ব্যক্তি/ দোকান/প্রতিষ্ঠানকে সরকারি আদেশ ও রাষ্ট্রীয় আইন ভঙ্গ করেছেন তাদের সামর্থ্য বিবেচনায় রেখে আজকের যৌথ অভিযানে মোট ৩১৪,৮০০/- (তিন লক্ষ চৌদ্দ হাজার আটশত) টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
নগরীর দেওয়ান বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ২১ হাজার দুইশত টাকা জরিমানা আদায়
0৫এপ্রিল,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা রোধে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিতকরণ, বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত।এদিকে নগরীর দেওয়ান বাজারে দ্রব্যমূল্য প্রদর্শন না করা, উচ্চ মুল্যে পন্য বিক্রি ও ক্রেতার সাথে অসধারন আচরনের জন্য এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার পরিবেশন, অপ্রয়োজনে বাইরে মোটর সাইকেল চালানো ও কাগজ পত্র প্রদর্শন না করা দায়ে কয়েকজনকে ২১ হাজার দুইশত টাকা জরিমানা করা হয়। আজ রবিবার (৫ মার্চ) সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ৮ টা পর্যন্ত নগরীর নগরীর দেওয়ান বাজার এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চালানো হয়। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ম্যাজিস্ট্রেট এহসান মুরাদ নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় দেওয়ান বাজারে অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালে করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিতকরণ ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার জন্য মাইকিং করা হয়।বাজার মনিটরিং কালে বিভিন্ন অপরাধে ৭ টি মামলায় মোট ২১ হাজার দুইশত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। নিউ সাতকানিয়া স্টোরকে মুল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, উচ্চ মুল্যে পন্য বিক্রির দায়ে ২৬৯ ধারায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে সেই সাথে তিন দিন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন । পলাশ ডিপারট্মেন্টাল স্টোরকে মুল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, উচ্চ মুল্যে পন্য বিক্রি ও ক্রেতার সাথে দুর্ব্যবহার করার দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দেওয়ান বাজার ব্রিজ সংলগ্ন একটি চা দোকান কে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার পরিবেশনের জন্য ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় সেই সাথে পরিবেশ পরিছন্ন করারা জন্য তিন দিন বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করেন। এসময় এক মাছ দোকানদারকে রাস্তা দখল করে মাছ বিক্রির দায়ে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অকারনে রাস্তায় ঘুরাফিরা, হেলমেট ব্যবহার না ও মোট সাইকেলের কাগজ পত্র দেখাতে না পারার দায়ে মো; ইমতিয়াজকে ৮৯/১ ধারায় ৫ শত টাকা , মোঃ ইয়াসিনকে ৯২/২ ধারায় ২ শত টাকা ও মোঃ রাজিউল ইসলাম কে ৯২/১ ধারায় ৫ শত টাকা জরিমানা করা হয়। তাছাড়া অকারনে গলিতে আড্ডা দেওয়ার অপরাধে ৪/৫ জন যুবককে আটক করা হয়। পরে অভিবাবকের অনুরোধে এবং সতর্ক করে ছেড়ে দেয়া হয়। সেনা বাহিনী মাইকযোগে সবাইকে সতর্ক করেন । অকারনে বাইরে বের না হওয়ার আহ্বান জানান এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার অনুরোধ করেন।
জেলা ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত
0৫এপ্রিল,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নানা কর্মপরিকল্পনা র্নিধারনে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে জেলা ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ডাক্তার ও অন্যান্য সেবা কর্মীদের জন্য করোনা রোগীর চিকিৎসা শেষে আবাসনের লক্ষ্যে নির্ধারিত রেস্ট হাউজ পরিদর্শন করা হয়। রবিবার 5 র্মাচ বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে জেলা ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন। উপস্থিত ছিলেন মাননীয় শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, এমপি, চট্টগ্রাম -৮ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিন এমপি, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সামসুদ্দোহা, সিভিল সার্জন, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি, পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, এনএসআই প্রতিনিধি, ডিজিএফআই প্রতিনিধি, সিটিএসবি, জেলার অন্যান্য দপ্তরের প্রধানগণ, ফায়ায় সার্ভিস, জেলা আনসার এ্যাডজুটেন্ট এবং কাউন্সিলরবৃন্দ। সভা শেষে ডাক্তার ও অন্যান্য সেবা কর্মীদের জন্য করোনা রোগীর চিকিৎসা শেষে আবাসনের লক্ষ্যে নির্ধারিত রেস্ট হাউজ পরিদর্শন করা হয়। চট্টগ্রামের প্রত্যেক উপজেলা ও মহানগরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন এসব রেস্ট হাউজ প্রস্তুত করা হচ্ছে। মহানগরে আঞ্চলিক লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ২০টি কক্ষ, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি হোস্টেলে ৬০টি কক্ষ এবং কাস্টমস ট্রেনিং হাউজে ১৫ টি কক্ষ রিকুইজিশন করেছে জেলা প্রশাসন।
চট্টগ্রামের গলিপথগুলোতে উদ্বিগ্ন মানুষের সমাগম
0৫এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার সংক্রমন ঠেকাতে, সাধারণ ছুটির কারণে দরিদ্র মানুষদের ঘরে খাদ্য পৌছে দেয়ার ঘোষণা থাকলেও বাস্তবতা ভিন্ন। চট্টগ্রামের অধিকাংশ এলাকায় এখনো পৌছেনি কোন সাহায্য সামগ্রী। তবে মাঝে মধ্যে বন্দর নগরীর মোড়ে মোড়ে সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠন ত্রাণ বিতরণের উদ্যোগ নিলেও সেখানে তৈরী হয় চরম বিশৃঙ্খলা। জেলা প্রশাসক বলছেন, ত্রাণ বিতরণে শৃঙ্খলা ফেরাতে সচেষ্ট তারা। চট্টগ্রামের গলিপথগুলোতে উদ্বিগ্ন মানুষের সমাগম। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা কিংবা হোম কোয়ারেন্টাইন কোন কিছুই বোঝেন না অভাবী দিনমজুর মানুষেরা। শুধু জানেন, অঘোষিত লকডাউনে কর্মসংস্থান সংকুচিত হয়েছে। পেটে দানাপানি দিতে বেরোতে হবে কাজের খোঁজে।ফোন করলে ঘরে ত্রাণ পৌছে দেবে জেলা প্রশাসন কিংবা সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন সংগঠন। এমন খবর গণমাধ্যমে পেলেও বাস্তবে তার দেখা পাননি চট্টগ্রামের অধিকাংশ এলাকার বাসিন্দারা।পথে ঘাটে মাঝে মধ্যে ত্রাণ দেয়ার চেষ্টা করছেন অনেকে। কিন্তু সেখানে ঘটছে চরম বিশৃঙ্খলা।সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার বালাই তো নেইই, বরং ত্রাণের সন্ধানে সহিংসতায় জড়াতেও প্রস্তুত ছিন্নমুল মানুষ। অবশ্য জেলা প্রশাসকের দাবি, শৃঙ্খলার সাথে ত্রাণ বিতরণের পদক্ষেপ নিয়েছেন তারা।আর বিশ্লেষকরা বলছেন, সুষম বন্টনের পাশাপাশি বিতরণে শৃঙ্খলা ফেরাতে না পারলে, ঘটতে পারে করোনার সংক্রমণ। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতা আর সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে সরকার চেষ্টা করছে। কিন্তু দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারলে, কোন চেষ্টাই কাজে আসবে না বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা
0৫এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা রোধে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিতকরণ, বাজার মনিটরিং ও সেনা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে নগরীতে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। আজ রবিবার (৫ মার্চ) সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন এর নেতৃত্বে আজ সকাল ৯ টা থেকে নগরীর ডবলমুরিং, বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গার বিভিন্ন আবাসিক এলাকা ও বাজারে অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালে করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিতকরণ, বাজার মনিটরিং ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা হয়। তবে এসকল এলাকায় আজ কোন জরিমানা বা মামলা করা হয়নি। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা আফরোজ এর নেতৃত্বে কোতোয়ালি, সদরঘাট, চকবাজার, বায়েজিদ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দন্ডবিধি ২৬৯ ধারা ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বায়েজিদ এলাকায় ২ প্রবাসীর হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিত করণ মনিটরিং করা হয়। এদিকে ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক এর নেতৃত্বে পাহাড়তলী, হালিশাহ ও আকবরশাহ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বিদেশ ফেরত প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টেন নিশ্চিত করা হয়। বাংলাদেশ কোরিয়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কলোনীতে আসা একজন তাবলিগের মুসল্লিকে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্যে অনুরোধ করা হয়। এছাড়াও ম্যাজিস্ট্রে আশরাফুল হাসানের নেতৃত্বে চান্দগাও, পাঁচলাইশ, খুলশি, বাকলিয়া এলাকার অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বিদেশ ফেরত প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হয়। এসময় ফয়েজ লেক এলাকায় একটি সেলুন খোলা রাখায় এবং সেলুনের ভেতর একসাথে অনেক লোকের ভীড় পাওয়ায় সেলুনের মালিককে ৫০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। জেলা প্রশাসকের স্টাফ অফিসার ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদুর রহমান এ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর থেকে জানানো হয়, গত ১০ মার্চ থেকে চট্টগ্রামে হোম কোয়ারেন্টাইন করেছেন ১৫ হাজার ১ শত ৬২, হোম কোয়ারেন্টাইন হতে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯ শত ৬৩ জন, বিভিন্ন হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনরত আছে ৪২ জন, হাসপাতাল কোয়ারেন্টাইন হতে ছাড়পত্র প্রাপ্ত ২৮ জন, আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন ২০ জন, আইসোলেশন হতে ছাড়পত্র প্রাপ্ত ১৩ জন। আজ চট্টগ্রামে করোনায় কোন রোগী মারা যায়নি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর