বৃহস্পতিবার, মার্চ ৪, ২০২১
করোনা: ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে আক্রান্ত ১৬৫ জন
০৪,জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ২৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৫ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ৩০ হাজার ৭৯৩ জন। এসময়ে চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যুবরণ করেনি কেউ। সোমবার (৪ জানুয়ারি) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এইদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামে ৮টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৪৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৩ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ৪৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ২৩ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৩১৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪৬ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৫৭টি নমুনা পরীক্ষা হয়। এতে পজেটিভ আসে ৩ জনের। এছাড়া ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৯৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ২১ জন, শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৩৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৭ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৩০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ২৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ১০টি নমুনা পজেটিভ আসে। অন্যদিকে কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ৯২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ১৬৫ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এইদিন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১ হাজার ২৬৮টি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ১৩৮ জন এবং উপজেলায় ২৭ জন।
চট্টগ্রামে মৃত্যুশূন্য আরও একদিনে ৬৭ জনের করোনা শনাক্ত
০৩,জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ১৩২টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ৩০ হাজার ৬২৮ জন। এসময়ে চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যুবরণ করেনি কেউ। রোববার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এইদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামে ৫টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ৫৮৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ৭ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৪৭২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। এছাড়া শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ২৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৪ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ৩১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ১০টি নমুনা পজেটিভ আসে। অন্যদিকে কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের একটি নমুনা পরীক্ষা করে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেনি। এদিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাব, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাব, ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ৬৭ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এইদিন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১ হাজার ১৩২টি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৬৩ জন এবং উপজেলায় ৪ জন।
চট্টগ্রাম বন্দর না থাকলে বাংলাদেশ এতো ভাগ্যবান হতো না: তাজুল ইসলাম
০২,জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের উন্নয়ন করতে হলে চট্টগ্রামকে গুরুত্ব দিতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দর না থাকলে বাংলাদেশ এতো ভাগ্যবান হতো না। অনেক দেশ আছে যাদের বন্দর থাকলেও আমাদের দেশের মতো তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। শনিবার (০২ জানুয়ারি) দুপুরে নগরের রেডিসন ব্রু বে-ভিউতে চীন সরকারের অনুদান হিসেবে পাওয়া এলইডি বাল্ব বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ার স্বপ্ন দেখেছেন। সে স্বপ্ন এখন বাস্তবায়ন করছেন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্যসহ সব সেক্টরে উন্নতি হয়েছে। এ ধারা অব্যাহত রেখে ৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলবো। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের নালা-নর্দমা, খাল-বিল পরিষ্কার রাখতে হবে, ওয়াকওয়ে পরিষ্কার থাকবে। তাহলে মানুষ প্রাণ ভরে শ্বাস নিতে পারবে। বাংলাদেশকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নাই। মিরসরাই ইকোনমিক জোন হবে, ৩০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। উন্নয়নের ব্যাপারে ভ্রান্ত ধারণার কারণে অনেক সময় উন্নয়ন ব্যাহত হয় মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, এর দায় সবাইকে বহন করতে হবে। বিলিয়ন ডলার ইনকাম করার সুযোগ আছে চট্টগ্রাম থেকে, তার জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। আমরা পারস্পরিক যোগাযোগে তা করতে পারবো। রামপাল পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে অনেক ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে৷ এটা এখন বাস্তবায়ন হয়েছে, ভবিষ্যতে জ্বালানি সংকট থাকবে না। তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সমুদ্রসীমা নিয়ে কাজ করেছে, এরপর কোনো সরকার কাজ করেনি। আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় এলে তদবির করে। শেখ হাসিনার সরকার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার কারণে আমাদের সমুদ্রসীমা জয় হয়েছে। আমাদের ভৌগোলিক সীমানা নিয়ে অনেক সমস্যা ছিল, ছিটমহল সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। ভারত থেকে আমরা ১০ গুণ বেশি জায়গা পেয়েছি ছিটমহলে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হবে, তার জন্য কাজ করতে হবে। সব মানুষ একসাথে ভালো কাজ করলে, ভালো চিন্তা করলে দেশ এগিয়ে যাবে। স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সচিব শাকিলা ফারজানার সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুস সালাম, স্থানীয় সরকার চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠান শেষে চীন থেকে পাওয়া ১৩ লাখ এলইডি বাল্ব চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে হস্তান্তর করেন মন্ত্রী। পর্যায়ক্রমে এসব বাল্ব সারাদেশে বিতরণ করা হবে।
আবারও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নেতৃত্বে আব্বাস-ফরিদ
০১,জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির ২০২১-২২ মেয়াদের নির্বাচনে সভাপতি পদে আলী আব্বাস ও সাধারণ সম্পাদক পদে ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত সোয়া ৮টায় এ ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার সাংবাদিক ওমর কায়সার। এর আগে এদিন সকাল ১০টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এবারের নির্বাচনে ১৫টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৩১ জন প্রার্থী। ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে সিনিয়র সাংবাদিক আলী আব্বাস ১৬৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াজ হায়দার চৌধুরী পেয়েছেন ৭০ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী সর্বোচ্চ ১৮০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহসিন কাজী পেয়েছেন ৫৯ ভোট। সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে সালাহউদ্দিন রেজা ১৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, সহ-সভাপতি পদে ১০৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন স ম ইব্রাহিম। এছাড়া, যুগ্ম সম্পাদক পদে ১০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন নজরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক পদে ১৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন রাশেদ মাহমুদ, ১১৫ ভোট পেয়ে সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন নাসির উদ্দিন হায়দার, ১৩৯ ভোট পেয়ে ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দেবাশীষ বড়ুয়া। গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে মিন্টু চৌধুরী, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক পদে আইয়ুব আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে আলীউর রহমান জয়ী হয়েছেন। কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, মোয়াজ্জেমুল হক, দেবদুলাল ভৌমিক, মনজুর কাদের মনজু। এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও বিকেলে দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়।
কালুরঘাট শিল্প এলাকায় আগুন
০১,জানুয়ারী,শুক্রবার,সিনিয়র সংবাদদাতা,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় কাদের ট্রেডিং কোম্পানি নামে একটি প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ১১টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা সাড়ে চার ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে। ফায়ার সার্ভিসের আগ্রাবাদ কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে কালুরঘাট শিল্প এলাকার কাদের ট্রেডিং কোম্পানির প্রতিষ্ঠানে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে তিনটি ইউনিটের মোট নয়টি গাড়ি গিয়ে শুক্রবার ভোর ৩টা ১৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
রাজনীতিতে হতাশ হয়ে বিএনপি-জামায়াত প্রলাপ বকছে: আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন
৩০ডিসেম্বর,বুধবার,মো.মহিউদ্দিন চৌধুরী,চট্টগ্রাম,ঢাকা,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজনীতিতে হতাশ হয়ে বিএনপি-জামায়াত আবোল তাবোল বকছে। ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করে, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের দোসররা যে ষড়যন্ত্রের অপচেষ্টা চালিয়েছে সরকার তা নস্যাৎ করে দিয়েছে। এখন তারা বলছে দেশে বাকসাধীনতা নেই। ক্ষমতায় থাকাকালে গণতন্ত্রের কথা বলে বিএনপি-জামায়াত গণতন্ত্র হত্যার মহোৎসবে মেতে উঠেছিল। দেশের জনগণ আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করে গণতন্ত্রের পুনর্জন্ম দিয়েছে। আর তারা বলছে দেশে গণতন্ত্র জিম্মি হয়ে আছে। রাজনীতিতে হতাশ হয়ে তারা এখন প্রলাপ বকছে। গণতন্ত্রের বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ ৩০ ডিসেম্বর বিকালে লালদিঘীর পাড়স্থ চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ ভবনের সামনে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। সভায় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এসব কথা বলেন। সভায় তিনি আরো বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য আওয়ামীলীগ সরকার যখন বিশ্বব্যাংক থেকে অর্থঋণ সহযোগিতা চেয়েছিল। এই বিএনপি-জামায়াত বিশ্বব্যাংককে সেতু নির্মাণে দুর্নীতি হবে বলে ভুল বুঝিয়েছিল। তাদের কানকথায় বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেদিন অনমনীয় দৃঢ়তায় বলেছিলেন- দেশের জনগণের টাকা দিয়েই এই সেতু নির্মাণ করা হবে। আজ পদ্মা সেতু দৃশ্যমান বাস্তবতা। একে একে সেতুটির ৪১টি স্প্যান বসানো হয়েছে। এই সেতু চালু হলে উত্তর বঙ্গে নতুন শিল্প সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। লাখ লাখ কর্মসংস্থান হবে। মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, আলতাফ হোসেন বাচ্চু, মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা শফর আলী, আইন বিষয়ক সম্পাদক শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী প্রমুখ।
মানসম্পন্ন রেফারি হতে হলে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই: আ জ ম নাছির উদ্দীন
৩০ডিসেম্বর,বুধবার,মো.ইলিয়াছ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন,মানসম্পন্ন রেফারি হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নিয়মিত প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই । সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে খেলা পরিচালনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে| তবে ফুটবল খেলা পরিচালনার মূল দায়িত্ব একজন রেফারির। তিনিই খেলার নিয়ন্ত্রক। তার সিদ্ধান্তের উপর একটি দলের জয় পরাজয় অনেকটা নির্ভর করে। আবার নিজের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে একজন রেফারি হয়ে উঠতে পারেন আলোচিত এবং সমালোচিত। একজন প্রান্তিক পর্যায়ের রেফারি থেকে হয়ে উঠতে পারেন আন্তর্জাতিক মানের রেফারি। সুতরাং সবকিছুর মূলে রয়েছে নিজের একাগ্রতা ,পরিশ্রম আর কাজের প্রতি নিষ্ঠা। ডিসেম্বর দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা ( সিজেকেএস) সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম জেলা ফুটবল রেফারিজ এসোশিয়েন উদ্যোগে কৃতি রেফারিদেরকে সংবর্ধনা ও নতুন রেফারিজ প্রশিক্ষণ কোর্স উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কে এম এজেন্সির চেয়ারম্যান মশিউল আলম স্বপন, রূপালী আইস এন্ড কোল্ড স্টোরেজ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো নুরুজ্জামান|চট্টগ্রাম জেলা ফুটবল রেফারিজ এসোসিয়েশন সহসভাপতি সাংবাদিক দেবাশীষ বড়ুয়া দেবুর সভাপতিত্ব ও হেলাল উদ্দিন টিপুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন সভাপতি শহীদুল ইসলাম, সিজেকেএস সহসভাপতি লায়ন দিদারুল আলম চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম জেলা ফুটবল রেফারিজ এসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক আবদুল হান্নান মিরন, প্রশিক্ষক তৈয়ব হাসান শামসুজ্জামান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে ৩০ জন ব্যক্তিকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ কর্মসূচী তে ১২০ জন রেফারি অংশগ্রহণ করেছেন।
গঠনমূলক সমালোচনা হচ্ছে- বিউটি অব ডেমোক্রেসি: তথ্যমন্ত্রী
২৯ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, টেলিভিশনের টক-শোগুলো শুনুন, সেখানে সরকারকে কি ভাষায় সমালোচনা করা হয়। আমরা মনে করি, এই সমালোচনা থাকতে হবে। সমালোচনা না থাকলে গণতন্ত্র নষ্ট হয়, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য নষ্ট হয়। গঠনমূলক সমালোচনা হচ্ছে- বিউটি অব ডেমোক্রেসি এবং সেই সমালোচনাকে সমাদৃত করার মানসিকতা থাকতে হয়। তিনি বলেন, এখন দেখবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সকাল বেলা কড়া ভাষায় সরকারের সমালোচনা করেন, আবার সেটার সাথে প্রতিযোগিতা করে দুপুরে রিজভী আহমেদ আরেকটি সংবাদ সম্মেলন করে আরও কড়া ভাষায় সরকারের সমালোচনা করেন। পাশাপাশি প্রেস ক্লাবে গিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় কিংবা অন্য কেউ আরেকবার বক্তৃতা দিয়ে বলেন, আমাদের কথা বলার কোনো অধিকার নাই। বিএনপি নেতারা সারাদিন সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন আর সন্ধ্যায় বলেন আমাদের কথা বলার অধিকার নেই। মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাসের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান ও কলিম সরওয়ার, সহ-সভাপতি সালাউদ্দিন মো. রেজা, বিএফইউজের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী প্রমুখ। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সমালোচনাকে সমাদৃত করার সংস্কৃতি লালন করেন। আমি যখন পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলাম, তখন যেই পত্রিকা ব্যঙ্গ করে আমার কার্টুন ছাপিয়েছিল প্রথম পাতায়, সেই পত্রিকাকে জাতীয় পরিবেশ পদক দেয়ার জন্য আমি নিজেই নাম প্রস্তাব করেছিলাম এবং তারা পেয়েছিল। কারণ আমরা মনে করি দায়িত্বে থাকলে সমালোচনা হবে এবং সেই সমালোচনা সহ্য করার মানসিকতা দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের থাকতে হয়। না হয় বহুমাত্রিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে না। তিনি বলেন, অনেক সমালোচনা হচ্ছে, রাত বারটার পরে যদি টক-শো শোনেন, সবগুলো টক-শো নিয়ে যদি উপসংহারে আসা হয়, তাহলে মনে হবে দেশে কোনো কিছুই হচ্ছে না। কিন্তু বাস্তবতাটা হচ্ছে ব্লুমবার্গ করোনা নিয়ে যেই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সেখানে বলছে করোনা মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় সবগুলো দেশের উপরে বাংলাদেশের অবস্থান এবং পুরো পৃথিবীতে বাংলাদেশের অবস্থান ২০তম। জনবহুল বাংলাদেশে মানুষের ঘনত্ব পৃথিবীতে সর্বোচ্চ, মাথাপিছু কৃষি জমির পরিমাণ পৃথিবীতে সর্বনিম্ন। যখন ভালো কাজের প্রশংসা হয় না অহেতুক সমালোচনা হয়, তখন কিন্তু যারা ভালো কাজ করেন তারা হতাশ হন। তখন মানুষ ভালো কাজ করার জন্য উৎসাহিত হন না। অবশ্যই সমালোচনা হবে, সমালোচনা থাকবে, এটির পাশাপাশি ভালো কাজের প্রশংসাও দরকার। না হয় রাষ্ট্র সমাজ এগুবে না- বলেন তথ্যমন্ত্রী। তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতপক্ষে গণমাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। রাষ্ট্রের যদি কোন একটি স্তম্ভ সঠিকভাবে কাজ না করে তাহলে রাষ্ট্রের ভিত নষ্ট হয়ে যায়। এটি মাথায় রেখে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের সাথে যুক্তরা যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন এবং স্বাচ্ছন্দে জীবন-যাপন করতে পারেন সেক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন। তিনি বলেন, করোনাকালে সবকিছু যখন বন্ধ হয়ে গেছে তখন সাংবাদিকদের কলম বন্ধ হয়নি। আমরা লক্ষ্য করেছি দেশে কিংবা পৃথিবীতে যখন কোন সঙ্কটময় পরিস্থিতি তৈরি হয় তখন একটি মহল সেটিকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে সমাজের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি করা যায়, ভয়ভীতির সঞ্চার করা যায়, গুজব রটিয়ে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে সমাজে অস্থিরতা তৈরি করা যায় সেজন্য ওঁৎ পেতে থাকে। এই করোনাকালের শুরুতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। কিন্তু যাতে গুজব রটাতে না পারে ও মিথ্যা সংবাদের মাধ্যমে সমাজে অস্থিরতা তৈরি না হয়, সে ব্যাপারে মূলধারার গণমাধ্যমগুলো অত্যন্ত যত্নশীল ছিল এবং কঠোরভাবে কাজ করেছে। এ কারণে এই করোনাকালে গুজব কিংবা মিথ্যা সংবাদ খুব বেশি কাজে আসেনি। এজন্য গণমাধ্যমের সাথে যুক্তদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। হাছান মাহমুদ বলেন, যুক্তরাজ্যের একটি গবেষণা সংস্থার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। তারা বলেছে, ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর ২৮ তম অর্থনীতির দেশ, ২০৩৫ সাল নাগাদ বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর ২৫ তম অর্থনীতির দেশ। পৃথিবীর মাত্র ২২টি দেশ করোনাকালে পজিটিভ জিডিপি গ্রোথ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের অবস্থান উপরের দিকে। এই পরিসংখ্যানগুলো জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। কারণ আশাহীন জাতি এগুতে পারে না। কোনো জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে সেই জাতির মধ্যে আশা থাকতে হয়। জাতিকে আশান্বিত করা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব। দেশ সম্পর্কে ভালো রিপোর্টিং হয়, পৃথিবীতে পরিবেশিত হয়। সেগুলো জনগণকে জানানো আমাদের দায়িত্ব। তিনি বলেন, দেশকে যদি এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার এবং সেই সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাংবাদিকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। স্বাধিকার আদায়, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশ গঠনে ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা যেভাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। করোনা মোকাবেলার ক্ষেত্রেও সাংবাদিকরা বলিষ্ঠ ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ২০৪১ সাল নাগাদ দেশকে যদি আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ রচনা করতে চাই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখানেও সাংবাদিকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সব মানুষের কল্যাণেই চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সব দলমতের মানুষের প্রয়োজনে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে, এটি থাকা বাঞ্চনীয়। প্রত্যেক মানুষের মধ্যে রাজনীতি থাকতে পারে, কিন্তু রাজনৈতিক দলাদলির ছোঁয়া চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে লাগেনি। এজন্য আমি প্রেস ক্লাবের সকলকে ধন্যবাদ জানাই। সব জায়গায় রাজনীতিকে এনে সেখানে নিজেদের মধ্যে প্রকট বিভাজন তৈরি করাও সমীচিন নয়। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে আমার বহু দিনের জানাশোনা এবং হৃদয়ের সম্পর্ক। আমার হৃদয়ে আপনাদের স্থান সবসময় ছিল এবং থাকবে, আমি আশা করবো আপনাদের হৃদয়েও আমাকে স্থান দেবেন, সেই আবেদনটুকু রাখলাম- বলেন তথ্যমন্ত্রী।
চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি প্রত্যাখ্যান, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
২৯ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিশিরাতে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের পকেট কমিটি দেয়ার মাধ্যমে সংগঠনকে কলংকিত করা হয়েছে। গত ২৩ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে ঘোষিত চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে মহানগরীর পদবঞ্চিত নেতারা। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশ উপেক্ষা করে মাঠের নেতাদের বাদ দিয়ে রাতের আধারে একটি বিশেষ অঞ্চলকে প্রাধান্য দিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের পকেট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে অভিযোগ করে পদবঞ্চিত নেতারা বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় টিম এবং ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের কাছে তারুণ্যের অহংকার দেশনায়ক তারেক রহমান এর নির্দেশ ছিল যেন বিগত এক যুগেরও অধিকতর সময় ধরে মামলা-হামলার শিকার হয়েও ধারাবাহিক আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ছিল সেই সাহসী সংগঠক, ত্যাগী ও সংগঠনের নিবেদিতদের সমন্বয়ে যেন একটি আন্দোলনমুখী ও শক্তিশালী কমিটি গঠন করে। কিন্তু ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ অর্থের মোহে প্রিয় নেতার নির্দেশ উপেক্ষা করে এবং ওনাকে ভুল তথ্য দিয়ে ব্যাপক অর্থের বিনিময়ে রাতের আধারে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের একটি বিতর্কিত পকেট কমিটি ঘোষণা দিয়ে দেয়। যা চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের তৃণমূল নেতাদের যেমন করেছে হতাশ, তেমনি হতবাক। আমাদের অভিভাবক দেশনায়ক তারেক রহমানের প্রতি আমাদের আকুল আবেদন অনতিবিলম্বে এই ওয়ান ম্যানদের বাণিজ্যিক কমিটি বাতিল করে আমাদের একটা সুন্দর ও শক্তিশালী কমিটি উপহার দিন। উক্ত বিক্ষোভ মিছিলোত্তর সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মহানগর ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সহসভাপতি খোরশেদ আলম টিটু, যুগ্ন সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরিফ, কাইয়ুমের রশিদ বাবু, ইমতিয়াজ উদ্দিন অপু, অনিক ওয়াহিদ, মোহাম্মদ জনি, সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফ, শাহাব উদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মদ হানিফ, মোহাম্মদ মাহির, গিয়াস উদ্দিন সারজিল, মোহাম্মদ রাসেল উদ্দিন প্রমুখ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর