মঙ্গলবার, মার্চ ২, ২০২১
অধ্যাপক খালেদ ছিলেন জাতির বিবেক: ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ
২৭ডিসেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অধ্যাপক খালেদ ছিলেন জাতির বিবেক। মুক্তিযুদ্ধের সময় অধ্যাপক খালেদ একদিকে সাংবাদিকতা করতেন, অন্যদিকে মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করতেন। তিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতাদের অন্যতম ছিলেন। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের আবদুল খালেক ইঞ্জিনিয়ার হলে দৈনিক আজাদীর প্রাক্তন সম্পাদক অধ্যাপক খালেদ এর ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভায় এ মন্তব্য করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদানের জন্য শেখ হাসিনা সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা পদক দিয়েছে। তার সাথে একইদিনে আমিও স্বাধীনতা পদক পেয়েছিলাম। অধ্যাপক খালেদের সাথে একত্রে স্বাধীনতা পদক পাওয়া আমার জন্যেও গৌরবের। উনি আমৃত্যু আওয়ামী লীগের একজন আদর্শবান নেতা ছিলেন এবং বঙ্গবন্ধুর সত্যিকারের অনুসারী ছিলেন। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ বলেন, আমার রাজনৈতিক জীবনে অধ্যাপক খালেদের সাথে অনেকবার কথা হয়েছে। বিপদে যেমন হয়েছে, সুসময়েও কথা হয়েছে। খালেদ সাহেব ছিলেন আমার পথপ্রদর্শক। আমি যখনই কোনো সমস্যায় পড়তাম, তখন খালেদ সাহেবের সাথে দেখা করতে যেতাম। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এমপি হোস্টেলে আমরা একই হলে ছিলাম। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার কথা শোনার পর আমি কাঁদতে কাঁদতে অধ্যাপক খালেদের রুমে গিয়েছিলাম। দেশের ক্রান্তিলগ্নে উনি আমাকে ধৈর্য ধারণ করতে বলেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে দলের দুঃসময়ে পার্টিকে পুনর্গঠনের সময় আমি উনার কাছ থেকে অনেক সহযোগিতা পেয়েছি। অনেক উপদেশ, পরামর্শ পেয়েছি। অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ স্মরণসভা পরিষদ আয়োজিত স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান। সংগঠনের সদস্য সচিব হেলাল উদ্দিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন সাবেক চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি আলী আব্বাস, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগরের কমান্ডার মোজাফফর আহমদ, সাপ্তাহিক স্লোগান পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক ওয়েল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম কমু, সিনিয়র সাংবাদিক মঈনুদ্দিন কাদেরী শওকত, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, অধ্যাপক খালেদের সন্তান ও স্লোগান পত্রিকার সম্পাদক মো. জহির। সভায় সাবেক চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ১৯২২ সালের ৬ জুলাই বিহারের রাজধানী পাটনায় জন্মগ্রহণ করেন অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ। উনার বাবা ছিলেন বিহার সরকারের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। যে কারণে শৈশবে নান্দনিক পরিবেশে বড় হয়েছিলেন। কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্যে এসেছিলেন অধ্যাপক খালেদ। ১৯৬২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেকের ইন্তেকালের পর তিনি আজাদী পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব নেন। সেই থেকে ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর মৃত্যু পর্যন্ত তিনি আজাদী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। উনি খুবই অমায়িক ও ভদ্র মানুষ ছিলেন। যেকোন মানুষকে নিজের মতো করে নিতেন অধ্যাপক খালেদ। চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম বলেন, অধ্যাপক খালেদ বঙ্গবন্ধুর স্নেহভাজন ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে হাটহাজারী-রাউজান সংসদীয় আসনে জয়ী হয়েছিলেন। ওই সময়ে মীরসরাইয়ে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। অধ্যাপক খালেদ সিধেসাদা চলাফেরা করতেন, কিন্তু চিন্তা চেতনা ছিলো অনেক উন্নত। উনি অনেক বিরাট বিষয়কে অল্পকথায় গুছিয়ে তুলে ধরতে পারতেন। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি আলী আব্বাস বলেন, অধ্যাপক খালেদ সর্বগুণে গুণান্বিত একজন মানুষ ছিলেন। উনি চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আমি যখন বাংলার বাণীতে ছিলাম, আমি খেলাপ্রিয় ছিলাম। তখন আমি আজাদীতে রিপোর্ট করার আগ্রহের কথা বলেছিলাম অধ্যাপক খালেদকে। উনি আমাকে সুযোগ দিয়েছিলেন। তাঁর বিশাল মন ছিল। সুন্দর ব্যবহারের অধিকারী ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমদ বলেন, অধ্যাপক খালেদ চট্টগ্রামের বিজয় মেলার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। বিএনপি ছাত্রদলের বাধার মুখেও বিজয় মেলায় যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজমের সাথে পাকিস্তানের জেনারেলের গোপন মিটিংয়ের ছবি আমরা ম্যুরালে এঁকেছিলাম। বিজয় মেলার কারণে বাংলাদেশের তরুণ যুব সমাজ আবার জেগে উঠেছিল। এর পেছনেও অধ্যাপক খালেদের অবদান রয়েছে। সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম কমু বলেন, আমি অধ্যাপক খালেদের বক্তব্য শোনার জন্য যেতাম। উনার শুদ্ধ বাংলার বক্তৃতা আমাকে মুগ্ধ করতো। ২০০২ সালে উনাকে শেষবারের দেখায় আমি প্রশ্ন করেছিলাম, আমাদের রাজনৈতিক মুক্তি কোন পথে? উনি বললেন, বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথ, এটা যে নামে আসুক। বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরা যতদিন সুনির্দিষ্ট প্রত্যয় নিয়ে রাজনীতি ও দেশের উন্নয়নে কাজ করবে না, ততদিন দেশের মুক্তি আসবে না। সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, অধ্যাপক খালেদ আদর্শবান, নীতিবান ও সাহসী একজন সম্পাদক ছিলেন। উনি রাজনীতিবিদ ছিলেন, সমাজসেবক ছিলেন, জনপ্রিয় মানুষ ছিলেন। প্রেসক্লাবের সভাপতি থাকাকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমরা চিঠি দিয়েছিলাম চট্টগ্রাম থেকে প্রফেসর খালেদ সাহেবকে সম্মাননা দেওয়া জন্য। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা অধ্যাপক খালেদকে স্বাধীনতা পদক দিয়েছেন।
করোনা: চট্টগ্রামে মৃত্যুশূন্য দিনে আক্রান্ত ১০৭ জন
২৭ডিসেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ১০৭ জনের। এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৯ হাজার ৭২৫ জন। এসময়ে চট্টগ্রামে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। রোববার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের ৫টি ল্যাবে ১ হাজার ৫০০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৮৩৩টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৪৬২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বিআইটিআইডি ল্যাবে ১৭ জন, চমেক ল্যাবে ২৬ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া, বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১৬৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪৯ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ২০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ২২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭টি পজেটিভ শনাক্ত হয়। এইদিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাব, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাব, শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে এবং কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ১০৭ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৯৮ জন এবং উপজেলায় ৯ জন।
ছদ্মবেশে ম্যাজিস্ট্রেট, ধরা খেলো- ইভটিজার
২৬ডিসেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাধারণ পাবলিক সেজে খুলশী থানার ডেভার পাড়, কুসুমবাগ আবাসিক এলাকায় পর্যবেক্ষণে নামেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ অভিযানে ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ পাবলিকের ছদ্মবেশে ইভটিজিং করা অবস্থায় মো. রাসেল নামে এক ইভটিজারকে আটক করে। তাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার দিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক এ অভিযান পরিচালনা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, স্কুল-কলেজ বা কর্মক্ষেত্রে যাওয়া আসার সময় অনেক মেয়ে ইভটিজিংয়ের শিকার হওয়ার অভিযোগ শুনা যায়। এরই প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, ইভটিজার ভিকটিমকে তার কর্মক্ষেত্রে যাওয়া আসার সময় প্রতিনিয়ত কয়েকজনকে সাথে নিয়ে ইভটিজিং করে আসছিল। কাছাকাছি থেকে পর্যবেক্ষণ করি এবং ইভটিজিং করা অবস্থায় ইভটিজারকে হাতেনাতে ধরে ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এলাকার সকল পেশার মানুষকে ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করতে অনুরোধ জানানো হয় যাতে সমাজ থেকে এ ব্যাধি দূর হয়।
লাভলেইনে নির্মাণাধীন দেয়াল ধসে ২ শ্রমিকের মৃত্যু
২৬ডিসেম্বর,শনিবার,সিনিয়র সংবাদদাতা,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর কোতোয়ালী থানার লাভলেইনে নির্বাচন কমিশন অফিসের সামনে নির্মাণাধীন দেয়াল ধসে মো. সালাউদ্দিন (১৭) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যুর পর একই দুর্ঘটনায় আহত মো. শুক্কুর (২২) নামে আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল হক ভুইঁয়া। তিন বলেন, নির্বাচন কমিশন অফিসের সামনের একটি জায়গায় দেয়াল নির্মাণের কাজ করতে গিয়ে দেয়াল ধসের ঘটনায় একজন ঘটনাস্থলে মারা গেছে এবং শুক্কুর নামের অন্য একজন শ্রমিককে গুরুতর আহতাবস্থায় চমেক হাসপাতালে ভর্তি করালে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আগে দুপুর ১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানার লাভলেইনে নির্বাচন কমিশন অফিসের সামনে নির্মাণাধীন দেয়াল ধসে মো. সালাউদ্দিন (১৭) নামের ওই শ্রমিকের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত মো. শুক্কুরকে (২২) গুরুতর আহতাবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হুইপ সামশুল হক করোনা আক্রান্ত
২৬ডিসেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় সংসদের হুইপ ও চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া উপজেলার স্থানীয় সাংসদ সামশুল হক চৌধুরী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হুইপপুত্র চট্টগ্রাম চেম্বার পরিচালক নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, করোনা পজিটিভ আসলেও তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন এবং চট্টগ্রাম শহরের নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন। গত ২০ ডিসেম্বর বন্দর উপদেষ্টা কমিটির ১৪তম বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণের পর তিনি শারীরিক অসুস্থতা বোধ করেন। ২৩ ডিসেম্বর রাতে করোনা পরীক্ষায় তার পজিটিভ আসে।
চট্টগ্রামের নতুন জিওসি মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীন
২৬ডিসেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও চট্টগ্রামের এরিয়া কমান্ডার হিসেবে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীন। তিন বছর প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহা-পরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালনের পর গত ফেব্রুয়ারিতে নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসির দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি। কয়েক মাসের মাথায় এবার তাকে পাঠানো হল চট্টগ্রামের এরিয়া কমান্ডার করে। একইসঙ্গে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসির দায়িত্ব পালন করে আসা মেজর জেনারেল এস এম মতিউর রহমানকে করা হয়েছে অ্যার্টডকের নতুন জিওসি। সেই সঙ্গে তিনি পদোন্নতি পেয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল হচ্ছেন, যা কার্যকর হবে তার নতুন দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে। এ দুইজনসহ সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ে রদবদলে দশ জন জেনারেলের কর্মস্থল বদলে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন পদোন্নতি পেয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল এবং চারজন মেজর জেনারেল হয়েছেন। বৃহস্পতিবার এসব পদোন্নতি ও বদলির আদেশ জারি হয়।
চট্টগ্রামে আরও ১৪১ জনের করোনা শনাক্ত, ৩ জনের মৃত্যু
২৬ডিসেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ৩৪৫টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১১৪ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ২৯ হাজার ৬১৮ জন। এসময়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ৩ জন। শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এইদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামে ৬টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৫০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩১ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ৬২৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ১২ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৩৭৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৭০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে পজেটিভ আসে ২৪ জনের। এছাড়া, ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৮৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ২০ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এইদিন জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) এবং শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা হয়নি। অন্যদিকে কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ২০টি নমুনা পরীক্ষা করে কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ১১৪ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৮৯ জন এবং উপজেলায় ২৫ জন।
করোনা: চট্টগ্রামে নতুন আক্রান্ত ১২২ জন
২৫ডিসেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ৪৩২টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১২২ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ২৯ হাজার ৪৮৪ জন। এসময়ে চট্টগ্রামে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামের ৭টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ৭৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৮ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ৭৩৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ১১ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ২৭৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৬৯টি নমুনা পরীক্ষা হয়। এতে পজেটিভ আসে ১১ জনের। এছাড়া শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ১০৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৩ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ২৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ১৩টি নমুনা পজেটিভ আসে। অন্যদিকে কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ১২০টি নমুনা পরীক্ষা করে একজনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ১২২ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এইদিন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১ হাজার ৪৩২টি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ১১০ জন এবং উপজেলায় ১২ জন।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান চির অম্লান হয়ে থাকবে : জেলা প্রশাসক
২৪ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমরা স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পেছনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান অবিস্মরণীয়। এ দেশ স্বাধীন না হলে আমারা আজ ডিসি, বিভাগীয় কমিশনার ও সচিব হতে পারতাম না, কেরানী হিসেবে থাকতে হতো। বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা ইউনিট কমান্ড কর্তৃক জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান চির অম্লান হয়ে থাকবে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে সংবর্ধনা গ্রহণ করার বিষয়টি সারাজীবনের জন্য অনন্য উজ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এ সম্মান সর্বোচ্চ সম্মান। যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখার পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অন্তরের অন্তস্থলে ধারণ করবো। অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর, জেলা-উপজেলা কমান্ডের কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ক্রেস্ট, সম্মাননা স্মারক ও ফুল দিয়ে জেলা প্রশাসককে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করেন। ডিসি বলেন, চট্টগ্রামে কর্মকালীন সময়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কষ্ট লাঘবে চেষ্টা অব্যাহত ছিল। সরকারের যে কোন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধারা মহানুভবতা দিয়ে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। তিনি বলেন, যেখানেই থাকি চট্টগ্রামের সঠিক মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়নে সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় ও জামুকাকে অবহিত করা হবে। কোন পিস কমিটির সন্তান যাতে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় স্থান না পায় সে ব্যাপারে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে সজাগ থাকতে হবে। চট্টগ্রামে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর ও নগরীর চান্দগাঁওয়ের কালুরঘাট সংলগ্ন কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী খালি জায়গায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স গড়ার বিষয়ে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর