শনিবার, জুলাই ৪, ২০২০
চট্টগ্রামে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আরও এক চিকিৎসক
০১মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আবদুল বাসেত (২৯) নামে আরও এক চিকিৎসক। শুক্রবার (০১ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। চিকিৎসক আবদুল বাসেত সাতকানিয়া উপজেলার বাসিন্দা হলেও ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত অবস্থায় করোনায় আক্রান্ত হন। গত ২২ এপ্রিল করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জামাল মোস্তফা জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডা. আবদুল বাসেতের দুই দফা পরীক্ষা করে তার শরীরে করোনা নেগেটিভ আসে। তিনি আরও জানান, আজ দুপুরে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। আগামী ১৪ দিন তাকে বাড়িতে হোম কোরেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে করেনায় আক্রান্ত আরও ৩৭ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন আইসোলেশন ওয়ার্ডে। এই ছাড়া আরও ছয়জন শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জামাল মোস্তফা।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে দিনব্যাপী ভ্রাম্যমান আদালতের সাঁড়াশি অভিযান
০১মে,শুক্রবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং এর লক্ষ্যে RAB, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহায়তায় মাঠে নিরলস কাজ করছে জেলা প্রশাসন। রমযানকে সামনে রেখে দ্রব্য মুল্যের বাজারও ঊর্ধ্বগতি। তাই মুল্য তালিকা প্রদর্শন বাধ্যতামুলক করার পাশাপাশি পন্য ক্রয়ের রসিদ সংরক্ষণের উপর জোড় দেন ভ্রাম্যমান আদালত। সেই সাথে পেপারলেস কোন ব্যবসা চলবে না বলে হুশিয়ার করা হয়। যাতে করে ব্যবসায়ীরা দ্রব্য মুল্য নিয়ে কোন কারসাজি করতে না পারে। আজ শুক্রুবার ১ মে সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ঃ৩০ পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরজুড়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ । নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার পাহাড়তলী, হালিশহর,আকবরশাহ এলাকায় বাজার মনিটরিং করে নগরীর কর্ণেল হাট বাজারে দ্রব্যমূল্যের দাম যাচাই করেন এবং মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় ১টি দোকানকে ৩,০০০(তিন হাজার) টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলী হাসান নগরীর বাকলিয়ার কে বি আমান আলী রোডস্থ খুচরা বাজার,কামাল বাজার,এবং চকবাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন । নগরীর কে.বি. আমান আলী রোডস্থ খুচরা বাজারে সরকারি আদেশ অমান্য করে টেইলার্স ও সেলুন খোলা রাখার অপরাধে ২ টি প্রতিষ্ঠানকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা জরিমানা করেন। বাজার মনিটরিং এর আওতায় কামাল বাজার, বাকলিয়ার কিছু খুচরা বাজার,চকবাজারের মুদি দোকান,ফলের দোকান,গরুর মাংশের দোকান, ব্রয়লারের দোকানগুলিতে মূল্য তালিকা পাওয়া যায় নি। উক্ত অপরাধ আমলে নিয়ে ১২ টি প্রতিষ্ঠানকে ১৯,৫০০(ঊনিশ হাজার পাঁচশত) টাকা অর্থদণ্ড করেন। রাহাত্তারপুলস্থ খুচরা বাজারে খুচরা দোকানে আদা ১৭০-১৮০ টাকা কেজি পরিলক্ষিত হয়। তিনি ১৪টি মামলায় ২১,৫০০ টাকা জরিমানা করেন। এদিকে বাকলিয়া ও চকবাজার থানাধীন এলাকায় টিসিবি পণ্য বিক্রিতে কোন অনিয়ম হচ্ছে কিনা সে বিষয় খতিয়ে দেখেন। আজ শুক্রবার হওয়ায় মসজিদে জুম্মার নামাজে সরকারি নির্দেশনা মানা হচ্ছে কিনা সেই জন্য আওতাধীন এলাকার বেশ কয়েকটি মসজিদের ইমাম/খতিব, মুয়াজ্জিনকে উপর্যুক্ত নির্দেশনা দেন। ডিসি রোড এর একটি বাড়ি থেকে ভাড়াটিয়াদের বের করে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ পেয়ে সেই বাড়ির মালিকের সাথে কথা বলে উভয়ের জন্য যৌক্তিক সমাধান করে দেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: আশরাফুল আলম নগরীর বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। তার নেতৃত্বে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল মূল রাস্তার পাশাপাশি বিভিন্ন অলিতে গলিতে তল্লাশি ও অভিযান পরিচালনা করেন। পাশাপাশি সুশৃঙ্খলভাবে যাতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকে এবং ত্রাণ বিতরণের সময় ত্রাণ দাতা এবং ত্রাণ গ্রহীতা সকলের সামজীক দুরত্ব নিশ্চিত করেন। এছাড়া বাজার মনিটরিং করে ৬ টি মামলার মাধ্যমে ৩,৩০০ টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন খুলশি,পাচলাইশ,বায়েজীদ, চান্দগাও এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। অভিযানে ৪ টি মামলায় ১৪,৫০০ টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশিক - উর -রহমান দুপুর ২টা হতে ৫ টা পর্যন্ত নগরীর আকবরশাহ, হালিশহর, পাহারতলী এবং ডবলমুড়িং এলাকায় করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও বাজার মনিটরিং এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩টি মামলায় ৩,৫০০(তিন হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক কোতোয়ালি, চকবাজার,সদরঘাট, বাকলিয়া এলাকায় দুপুর ২ঃ০০ টা থেকে বিকাল ৫ঃ৩০ টা পর্যন্ত সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের নিয়ে এলাকাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে প্রচারণা চালান। বাজার মনিটরিং করতে গিয়ে চকবাজার থানার দেওয়ান বাজার ও কাজির দেউরি কাঁচা বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন। বাজার মূল্য তালিকা পর্যবেক্ষণ করে বাজার অস্থিতিশীল না করতে বাজার মুল্য তালিকায় ক্রয় মুল্য ও বিক্রয় মুল্য প্রদশর্নের ব্যাবস্থাসহ সকল ব্যাবসায়িক কর্যক্রমের কাগজপত্র সংরক্ষণ করার আহবান জানান। পাশাপাশি বাজার মুল্য তালিকা না থাকা ও অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রয়ের কারনে শাহ আমানত স্টোরকে ৫,০০০(পাঁচ হাজার) টাকা, মারুফ স্টোরকে ৩,০০০(তিন হাজার) টাকা, নিহান স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা,জয়ীতা স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা, স্মৃতি স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা, লাভলী স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা,বাহাদুর স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা,জয়বাবা লোকনাথ স্টোরকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা, সোহাগ স্টোরকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা, বি.এস সবজী ভান্ডার কে ১,০০০(এক হাজার) টাকা, বি.এস সবজী ভান্ডার কে ১,০০০ টাকা, বায়োজনীর স্টোর কে ৮০০(আটশত) টাকা, কাদের ইলেক্ট্রনিকসকে ৫০০(পাচশত) টাকা জরিমানা করা হয়।এছাড়াও কাজির দেউরির একটি সবজি দোকানকে ১,০০০(এক হাজার টাকা) টাকা অর্থদন্ড করেন। তিনি ১৩ টি মামলায় ২৩,৩০০(তেইশ হাজার তিনশত) টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম. আলমগীর ৭টি মামলায় ৫,৭০০টাকা জরিমানা করেন। পুরো রমযান মাস জুড়ে বাজার মনিটরিং ও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কালীন সময়ে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রয়োগে জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান জেলা প্রশাসনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান।
ময়মনসিংহ দিবস উপলক্ষে গরীব ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ
০১মে,শুক্রবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১ মে ময়মনসিংহ দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামস্থ বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত গরীব ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, চট্টগ্রাম এর সভাপতি ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ মাহাবুবর রহমান, বিপিএম, পিপিএম মহোদয়। এ কার্যক্রমের আওতায় চট্টগ্রাম নগরীতে করোনার প্রাদুর্ভাবে দরিদ্র ৫০০ (পাঁচশত) পরিবারকে ০৫ কেজি চাল, ০২ কেজি আলু, ০১ কেজি ডাল, ০.৫ কেজি লবন, ০.৫ লিটার সয়াবিন তৈল সহ সর্বমোট ০৯ কেজি খাদ্য দ্রব্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হবে। এসময় সেখানে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, চট্টগ্রাম, মহাসচিব জনাব মোঃ ওবায়দুল হক আলমগীর, বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, চট্টগ্রাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জনাব দীপক কুমার দত্ত সহ সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্য উপস্থিত ছিলেন
হাটহাজারীতে ৪দোকানিকে গুনতে হল জরিমানা
০১মে,শুক্রবার,হাটহাজারী প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা সংক্রমন ঠেকাতে ও রমাজান মাসে বাজার নিয়ন্ত্রন রাখতে কঠোর হয়েছে উপজেলা প্রশাসন। হাটহাজারী পৌর সদরে মুদি দোকানগুলো যখন অভিযানে কিছুটা নিয়ন্ত্রনে রয়েছে তার বিপরীত সদরের বাইরে কিছু বাজার।এমন সংবাদ পেয়ে শুক্রবার(১ মে) সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল অামিন ছুটে গেল নিয়ন্ত্রনহীন সেই বাজারে।অভিযোগের সত্যাতা পেয়ে গুনতে হল মুদি বাজারের ৪দোকানিকে। অভিযান সুত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মদুনাঘাট ও নজুমিয়া হাট বাজারে ৪টি মুদি দোকানদার নিত্যপন্য জিনিস চড়ামুল্যে নিচ্ছে ক্রেতাদের কাছে।তারমধ্যে প্রয়োজনীয় পন্য অাদা।প্রশাসনের নির্দেশে মূল্য তালিকা রাখলেও সে অনুযায়ী ক্রেতাদের থেকে নিচ্ছেনা।বরং তার দ্বিগুন গুনতে হচ্ছে ।তালিকায় অাদার মূল্য রেখেছ১৬০ টাকা,কিন্তু দোকানদার কিনেছে ১৬০টাকা।ভ্রাম্যমান অাদালত ভাউচার চাইলে সেখানে দেখেন ২২০টাকা অাদার মূল্য,কিন্তু ক্রেতার কাছে জিজ্ঞাসা করলে সে বলল অাদা কিনেছে ৩২০টাকা দিয়ে।ভ্রাম্যমান অাদালতকে আদার আসল দাম বা বিক্রির দাম দোকানী লিখতেই আগ্রহী নন।এমনাবস্থায় সত্যতা যাচাইয়ে গরমিলের প্রমান মিললে ৪দোকানদারকে জরিমানা করা হল ২২ হাজার টাকা। এ বিষয়ে গনমাধ্যমকর্মীদের ইউএনও রুহুল অমিন বলেন, করোনা সংক্রমন ঠেকাতে ও মাহে রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রন রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।সদর পেরিয়ে যখন বিভিন্ন বাজারে ক্রেতাদের জিম্মি হিসেবে অতিরিক্ত দামে পন্য বিক্রয় করতেছে অভিযোগ পেয়ে ভ্রাম্যমান অাদালত ৪দোকানদারকে জরিমানা করা হয়েছে।এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভাসমান রোজাদারদের হাতে ইফতার তুলে দিলো মানবিক সংগঠন মুসাফির
০১মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভাসমান, অসহায় ও ভবঘুরে রোজাদারদের হাতে ইফতার তুলে দিলেন আত্মমানবতা মূলক সামাজিক সংগঠন মুসাফির। শুক্রবার বিকেলে নগরির চকবাজার এলাকার ধনিয়ারপুলে ২ শতাধিক ভাসমান, অসহায় ও ভবঘুরে রোজাদারদের হাতে এ ইফতার তুলে দেন চকবাজার থানার ওসি (তদন্ত) রিয়াজ চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক সাংবাদিক মুহাম্মদ মহরম হোসাইন, চাকবাজার থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ নাজিমউদ্দীন, তরুণ রাজনীতিবিদ শরফুদ্দীন আহমেদ রাজু, সংগঠনের সদস্য আকলিমা আকতার মনি, মো. জনি, মো. আলম, মো. মাইনুদ্দীন ও মহানগর ছাত্রলীগ নেতা নয়ন মজুমদার, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রলীগের গ্রন্তনা ও প্রকাশনা সম্পাদক বন্ধন সেন প্রমুখ। ইফতার বিতরণকালে চকবাজার থানার ওসি তদন্ত রিয়াজ চৌধুরী বলেন, আসুন আমরা মানবিক হই। ভালো কাজে অংশ গ্রহণকরি। তিনি আরো বলেন, মুসাফির সংগঠনটি করোনার এ মহামারীতে পথে পথে, মোড়ে মোড়ে থাকা ভাসমান, অসহায় ভবঘুরে রোজাদার মানুষের হাতে ইফতার তুলে দিয়ে যে মহৎ কাজ করছে তা সত্যি প্রংশসার দাবিদার। আমিও এ কাজে শরীক হতে পেরে আনন্দিত। প্রসঙ্গত মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য এ মর্ম বুকে ধারণ করে করোনার দূযোগ মুর্হুতে সংগঠনটি অসহায়, ভাসমান ও ভবঘুরে মানুষদের মুখে রান্না করা খাবার তুলে দিতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।
বেশি দামে পন্য বিক্রি ও মুল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় ১৩ মামলায় ২৩ হাজার টাকা জরিমানা
০১মে,শুক্রবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং এর লক্ষ্যে নিয়িমিত অভিযানের অংশ হিসাবে দেওয়ান বাজার ও কাজির দেউরি কাঁচা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ১৩ টি মামলায় মোট ২৩,৩০০(তেইশ হাজার তিনশত) টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক কোতোয়ালি, চকবাজার, সদরঘাট,বাকলিয়া এলাকায় আজ শুক্রুবার ১ মে দুপুর ২ঃ০০ টা হতে বিকাল ৫ঃ৩০ পর্যন্ত সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের নিয়ে এলাকাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে অনুরোধ করা হয়। এছাড়া বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে চকবাজার থানার দেওয়ান বাজার ও কাজির দেউরি কাঁচা বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজার মূল্য তালিকা পর্যবেক্ষণ করে বাজার অস্থিতিশীল না করতে বাজার মুল্য তালিকায় ক্র‍য় মুল্য ও বিক্রয় মুল্য প্রদশর্নের ব্যাবস্থাসহ সকল ব্যাবসায়িক কর্যক্রমের কাগজপত্র সংরক্ষণ করার আহবান জানানো হয়। এর পাশাপাশি বাজার মুল্য তালিকা না থাকা ও অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রয়ের কারনে শাহ আমানত স্টোরকে ৫,০০০( পাঁচ হাজার) টাকা, মারুফ স্টোরকে ৩,০০০(তিন হাজার) টাকা, নিহান স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা,জয়ীতা স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা, স্মৃতি স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা, লাভলী স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা,বাহাদুর স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা,জয়বাবা লোকনাথ স্টোরকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা, সোহাগ স্টোরকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা, বি.এস সবজী ভান্ডারকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা, বায়োজনীর স্টোরকে ৮০০(আটশত) টাকা, কাদের ইলেক্ট্রনিকসকে ৫০০( পাঁশত) টাকা জরিমানা করা হয়।এছাড়াও কাজির দেউরির একটি সবজি দোকানকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা অর্থদন্ড করা হয়। অভিযানে ১৩ টি মামলায় মোট ২৩,৩০০(তেইশ হাজার তিনশত) টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক বলেন, আজকে চকবাজার থানার দেওয়ান বাজার ও কাজির দেউরি কাঁচা বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজার মূল্য তালিকা পর্যবেক্ষণ করে বাজার অস্থিতিশীল না করতে বাজার মুল্য তালিকায় ক্র‍য় মুল্য ও বিক্রয় মুল্য প্রদশর্নের ব্যাবস্থাসহ সকল ব্যাবসায়িক কর্যক্রমের কাগজপত্র সংরক্ষণ করার আহবান জানানো হয়। এর পাশাপাশি বাজার মুল্য তালিকা না থাকা ও অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রয়ের কারনে ১৩ টি মামলা করা হয় এবং বেশ কয়েকজনকে জরিমানা করা হয়। তিনি আরও বলেন, জরিমানা করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। মানুষকে সচেতন করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা চাই মানুষ আইন মেনে চলুক এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোক। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সবজির দোকানিরা বেশি দামে কাঁচা মাল বিক্রি করছে। তাই মুদি দোকানের পাশাপাশি সবজির বাজার ও তদারকি করতে হবে। প্রত্যেক দোকানেই মুল্য তালিকা প্রদর্শন করতে হবে এবং পন্য ক্রয়ের রসিদ সংরক্ষন করতে হবে। পেপারলেস ব্যাবসা চলবে না বলেও তিনি জানান।
সরকারি নির্দেশনা মেনে কল কারখানা সচল রাখতে হবে: মে দিবসে আ.জ.ম. নাছির
০১মে,শুক্রবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন বলেছেন, শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আজকের এই মে দিবসের পেছনে রয়েছে অনেক রক্তঝরা ইতিহাস। কর্মক্ষেত্রে বঞ্চনার বিরুদ্ধে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের অনন্য সংগ্রামের স্বাক্ষী এদিন। এবারের দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য- শ্রমিক-মালিক ঐক্য গড়ি, সোনার বাংলা গড়ে তুলি। এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশে আজ পালিত হচ্ছে মহান মে দিবস। তবে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সরকারি স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে এ বছর সব আনুষ্ঠানিকতা বাতিল করা হয়েছে। করোনায় কল কারখানা বন্ধ থাকার ফলে গভীর সংকটে পড়েছে শিল্প-প্রতিষ্ঠানসহ দেশের শ্রমজীবী মেহনতি মানুষ। এ পরিস্থিতিতে সরকার জনগণের পাশে থেকে ত্রাণকাজ পরিচালনাসহ সর্বাত্মক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। করোনা ভাইরাসের প্রতিঘাত মোকাবিলায় দেশের রপ্তানি খাতের শ্রমিকদের বেতন দিতে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে। তিনি বলেন, মহান মে দিবস শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের চরম আত্মত্যাগে ন্যায্য অধিকার আদায়ের এক অবিস্মরণীয় দিন। বৈশ্বিক এ মহামারির মধ্যে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক মালিকরা প্রয়োজনে কারখানা খোলা রাখবে। তবে অবশ্যই কঠোরভাবে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করতে হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দফতর, সংস্থা যেমন-শিল্প পুলিশ, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা নিতে হবে। মেয়র সবাইকে সঙ্গে নিয়ে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে এ যুদ্ধে সরকার অবশ্যই সফল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আজ সকালে কাজির দেউরী বাজার সংলগ্ন চত্বরে বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন(বিএলএফ) চট্টগ্রাম মহানগর শাখার ৩ শত ৫০জন শ্রমিক কর্মচারীদের মাঝে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ইফতার ও সেহেরী সামগ্রী উাপহার দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন। মেয়র আরো বলেন, বিভিন্ন দেশ পুরোপুরি কিংবা আংশিক অবরুদ্ধ। যার ফলে সারা বিশের শ্রমশক্তির ৮১ শতাংশই এখন কর্মহীন। বাংলাদেশে প্রায় দেড়মাস ধরে কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে শিল্প কলকারখানার। তিনি নগরীর খেটে খাওয়া মানুষ যারা দিন এনে দিন খায় তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন। এসময় বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সহ সভাপতি শাহ আলম হাওলাদার, নুরুল আবচার তৌহিদ, ইয়াছিন সিরাজ, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোলায়মান, বহদ্দারহাট মাইক্রোচালক সমিতির মোহাম্মদ ইলিয়াছ, ইউএসটিসি শ্রমিক ইউনিয়নের মোহাম্মদ মানিক মিয়া, বাবুর্চি সমিতির সভাপতি আহমদ উল্লা, অটোরিকশা চালক সমিতির মোহাম্মদ নাছির, নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. গিয়াস উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
আকবরশাহ্ থানাধীন নতুন মনছুরাবাদে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ
০১মে,শুক্রবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর আকবরশাহ্ থানাধীন নতুন মনছুরাবাদ এলাকায় বসবাসকারীদের মধ্যে প্রায় ৩০০ জনকে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু। তিনি বলেন, এই দুর্যোগে দেশের জণগণ যাহাতে কষ্ঠ না হয় সেজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী খাদ্য সামগ্রী উপহার হিসেবে বিতরণ করে যাচ্ছেন। আপনারা সরকারের দেওয়া নির্দেশনাবলী মেনে চলুন। আমি ইতি মধ্যে স্বচ্ছতার জন্য আপনাদের অত্র এলাকার কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তির মাধ্যমে কমিটি করে তালিকা করেছি, সেই তালিকা অনুযায়ী এই উপহার সামগ্রী প্রদান করছি। সেই ক্ষেত্রে যদি কোন ব্যক্তি তালিকা থেকে বাদ পড়ে যান তারা আমার সাথে যোগাযোগ করবেন আমি চেষ্টা করবো আপনাদেরকে সহায়তা করার জন্য। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যাতে আপনাদের সেবা করতে পারি। এই সময় চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদস্য আফতাব উদ্দিন রুবেল, আবুল কালাম আবু, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা পিন্টু, নতুন মনছুরাবাদ সমাজ কল্যান পরিষদের হায়দার আলী, মো.আলমগীর এবং আকবরশাহ্ থানা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিগন উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে করোনা ভাইরাসের কারণে গত ২৬ শে মার্চ থেকে সরকার সারাদেশে সাধারন ছুটি ঘোষনার কারণে দেশের সকল নাগরীকদের জন্য সারাদেশের জনপ্রধিনিধীদের মাধ্যমে এই প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী প্রদান করছেন। সরকারী এই উপহার সামগ্রী ছাড়াও উক্ত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু নিজ অর্থায়নে ও উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদেরকে খাদ্য সামগ্রী ও ইফতার সামগ্রী প্রদান করেছেন। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে উক্ত এলাকায় উপহার সামগ্রী প্রদানের জন্য গঠিত কমিটির স্ব:জনপ্রিতির কারণে অনেকে এই উপহার সামগ্রী পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা, নিরাপদ কর্ম পরিবেশ সৃষ্টির দাবি সিইউজের
০১মে,শুক্রবার,মুহাম্মদ মহরম হোসাইন,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার এই মহাদুর্যোগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে পর্যাপ্ত সুরক্ষা, নিরাপদ কর্ম পরিবেশের ব্যবস্থা না করা এবং যথাসময়ে বেতন-ভাতা পরিশোধ না করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) নেতৃবৃন্দ। তাঁরা অবিলম্বে গণমাধ্যমকর্মীদের ন্যায্য পাওনা, অধিকার, সুরক্ষা ও নিরাপদ কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য গণমাধ্যম মালিকদের প্রতি দাবি জানিয়েছেন। মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে দেয়া এক বিবৃতিতে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম বলেন, বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের গৌরবময় দিন আজ। এবার এমন এক সময় মহান মে দিবস এসেছে, যখন মরণঘাতী ভাইরাস কোভিড-১৯ এর ভয়াল থাবায় পর্যুদস্ত সারা বিশ্ব। নিজেদের জীবন রক্ষায় দেশের মানুষকে ঘরে অবস্থানের নির্দেশনা দিয়ে এক মাসের বেশি সময় ধরে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এর মধ্যেও মৃত্যুঝুঁকি মাথায় নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। দেশের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাংবাদিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ঢাকায় একজন সাংবাদিক করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, এখনো পর্যন্ত অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান স্ব স্ব কর্মীদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের ব্যবস্থা না করে তাঁদের জীবনকে অনিশ্চয়তার পথে ঠেলে দিচ্ছে। কোন কোন প্রতিষ্ঠান করোনার এই মহাদুর্যোগেও কর্মরত সাংবাদিক কর্মচারীদের বেতন ভাতা যথাসময়ে পরিশোধ করছেনা। উল্টো তাঁদের উপর নানা ধারণের মানসিক নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রায় দেড় বছর আগে নবম মজুরি বোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণা করা হলেও নানা অসঙ্গতি ও জটিলতার কারণে এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে সংবাদকর্মীরা ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ জটিলতার দ্রুত নিরসন হওয়া প্রয়োজন। সিইউজে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে নবম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে জটিলতা নিরসন, গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার, সুরক্ষা ও নিরাপদ কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি আগামী ঈদের আগে উৎসব বোনাস ও মে মাসের বেতনসহ সকল বকেয়া পরিশোধের দাবি জানান।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর