চট্রলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী ঢাকা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত
১৬,ডিসেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বীর চট্রলার সুর্য সন্তান, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, গন মানুষের নেতা, জাতীয় বীর, চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বার বার নির্বাচিত সাবেক মেয়র,চট্রগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি চট্রলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী দোয়া ও মিলাদ মাহাফিল ঢাকা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে বাদে আসর ঢাকাস্থ চট্রগ্রাম আওয়ামী পরিবারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় ওলামা লীগ সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা মাসুম বিল্লাহ নাফায়ী। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম,মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রমিজ উদ্দীন আহমেদ,চট্রগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সদস্য সাইফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী রাজু, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উপকমিটির সাবেক সদস্য বেলাল নুরী, তসলিম উদ্দিন রানা,কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য কায়কোবাদ ওসমানী,আবুল কালাম আজাদ,আওয়ামী লীগ নেতা এম এ মারুফ,জয়নাল আবেদীন,আবসার উদ্দিন মাহামুদ,আব্দুল আজিজ খান, নসরুল কাইয়ুম নিহাদ,সোহাগ চৌধুরী,নাসির উদ্দিন,মাওলানা আসাদ,মাওলানা ইলিয়াস, সেলিম,নয়ন ভান্ডারী, বখতিয়ার উদ্দিন,ছাত্রনেতা রেহান পারভেজ চৌধুরী,আয়েস প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। দোয়া মাহাফিলে চট্রলাবাসীর নন্দিত বর্ষীয়ান জননেতা আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও তার পরিবারের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন।
চট্টগ্রাম হবে সাংহাইয়ের মতো- ওয়ান সিটি টু টাউন: কাদের
১৫,ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কর্ণফুলী টানেলের কাজ সমাপ্ত হলে কক্সবাজার-চট্টগ্রামের সংযোগ সহজ হবে। এতে চট্টগ্রামের চিত্র আমূল পাল্টে যাবে। সাংহাই নগরীর মতো চট্টগ্রাম হবে ওয়ান সিটি টু টাউন| চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে নগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কাজীর দেউড়ির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত সভায় ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতি তাদের জনবিচ্ছিন্ন করে তুলছে। জনগণের ওপর আস্থা না থাকায় বিদেশিদের কাছে নালিশ দিতে যায় তারা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ চট্টগ্রামের নেতৃবৃন্দের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য উন্নয়নের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে সাজিয়ে তুলছেন। কর্ণফুলী টানেলের কাজ সমাপ্ত হলে কক্সবাজার-চট্টগ্রামের সংযোগ সহজ হবে। এতে চট্টগ্রামের চিত্র আমূল পাল্টে যাবে। সাংহাই নগরীর মতো চট্টগ্রাম হবে ওয়ান সিটি টু টাউন| চটগ্রামকে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছে দিতে মেট্রো রেল প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে| নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন। উপস্থিত ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, সহ সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সুনীল সরকার, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, সিডিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল আলম দোভাষ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম প্রমুখ।
চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ
১৫,ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি ২০১৭ সালের ১৫ ডিসেম্বর নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৪৪ সালের ১ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামে জন্ম হয় মহিউদ্দিন চৌধুরীর। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের শীর্ষ পদে ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশ নেন মহিউদ্দিন চৌধুরী। তিনি ডিএলএফ কমান্ডার ছিলেন। ১৯৯৪ সাল থেকে টানা তিনবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। জনপ্রিয় এই সাবেক মেয়রের বাড়ি চট্টগ্রামের ষোলশহরে। তার বাসার গলিটি চট্টগ্রামবাসীর কাছে- মেয়রের গলি হিসেবে পরিচিত। তার ছেলে মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। বর্তমানে শিক্ষা উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
চট্টগ্রামের ত্রাস মিঠু আটক, বেরিয়ে এলো ছিনতাইয়ের কৌশল
১৪,ডিসেম্বর,সোমবার,সিনিয়র সংবাদদাতা,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ১০ বছরে চট্টগ্রাম নগরে সিএনজি অটোরিকশা দিয়ে কয়েক হাজার ছিনতাই হয়েছে। এসব ছিনতাইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন দলের নেতা মোস্তাকিন হোসন মিঠু। অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে মিঠুসহ দলের অন্য সদস্যরা। এ সময় অস্ত্র-গুলি এবং ছোরাসহ তাদের আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে ছিনতাইয়ের কৌশল। দলের নেতা মিঠু জানায়, ছিনতাইয়ের পর ধরা পড়লে আবার কারাগারে বসে আবার নতুন গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। এভাবেই নগরীতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে তাদের অধিপত্য ধরে রাখছিল মিঠু নেতৃত্বাধীন দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী গ্রুপ। সিএমপির কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন জানান, প্রতিদিনই এই গ্রুপের কবলে পড়েন সাধারণ সিএনজি অটোরিকশা আরোহীরা। এমনকি তাদের হাতে হত্যাকাণ্ডের মতো একাধিক ঘটনা ঘটে। সিএমপির (কোতোয়ালি জোন) সহকারী কমিশনার নোবেল চাকমা জানান, ছোট মামলায় জেলে গেলে সেখানেই তাদের ছিনতাইয়ে হাতেখড়ি হয়। এরপর বেরিয়ে এসে সরাসরি ছিনতাইয়ের কাজে নেমে পড়ে তারা। মূলত ছিনতাই করতে গিয়ে আটবারের বেশি আটক হয়ে জেলে যায় দলনেতা মিঠু। আর প্রতিবারই জেল থেকে বের হওয়ার সময় নতুন ছিনতাই গ্রুপ গঠন করে বলে জানান নগর পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। পুলিশ জানায়, দলনেতা মিঠুসহ সবার বিরুদ্ধে ৫ থেকে ১০টি মামলা রয়েছে। এবার নতুন করে আরও দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
করোনাভাইরাসে চট্টগ্রামে ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৩ জন
১৪,ডিসেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে ১হাজার ২৪৫টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৯৩ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ২৭ হাজার ৮২৭ জন। এসময়ে করোনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামে ৭টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৩২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৯ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ৪৩৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ১৪ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৪৭৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৩৯টি নমুনা পরীক্ষা হয়। এতে পজেটিভ আসে ১৩ জনের। এছাড়া ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১২১টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩২ জন ও চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ২০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৯ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। তবে শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে এইদিন কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি। জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ২০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ১৪ জনের পজেটিভ শনাক্ত হয়। কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের একটি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনাটিতে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ১৯৩ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এইদিন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১ হাজার ২৪৫টি। আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ১৫৪ জন এবং উপজেলায় ৩৯ জন।
চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত ৭৮ জন, একজনের মৃত্যু
১৩,ডিসেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭৮ জনের। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৭ হাজার ৬৩৪ জন। এসময়ে মৃত্যু হয়েছে একজনের। শনিবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামের ৫টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৩২৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৬১৫টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৪৪৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে বিআইটিআইডি ল্যাবে ১০ জন, চমেক ল্যাবে ৩১ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ১৭৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ২১ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ২১টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তবে এইদিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাব, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাব এবং বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি। অন্যদিকে জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ২৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৩টি পজেটিভ শনাক্ত হয়। কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ৪২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ৭৮ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৭০ জন এবং উপজেলায় ৮ জন।
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে আঘাত মানেই স্বাধীনতাকে অসম্মান করা: ডিসি
১৩,ডিসেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যে আঘাত করা মানেই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অসম্মান করা বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ- তিনটি একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে আঘাত হানা, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিকে অসম্মান করা মানে দেশ ও সার্বভৌমত্বকে অসম্মান করা। সংবিধানকে অসম্মান করা। শনিবার (১২ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গণে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতিবাদ সমাবেশে ডিসি এসব কথা বলেন। মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন বলেন, গত ৫ ডিসেম্বর কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার যে ঘটনা ঘটেছে, আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে বলতে চাই- যতদিন রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান, ততদিন রবে কীর্তি তোমার, শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর সম্মান, রাখবো মোরা অম্লান। জেলা প্রশাসক বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে আমরা দেশের সব নাগরিককে অনুরোধ জানাচ্ছি। পাশাপাশি যারা হীন স্বার্থে দেশবিরোধী চক্রান্তে জড়িত তাদের বিষয়ে সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। দুষ্কৃতিকারী, চক্রান্তকারীদের ঠাঁয় বাংলার মাটিতে হবে না। সমাবেশে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ, সিএমপি কমিশনার সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহারিয়ার কবির, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক, চট্টগ্রাম বন্দর কর্মচারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. নায়েবুল ইসলাম ফটিকসহ চট্টগ্রাম জেলার সরকারি-আধাসরকারি দফতরের কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।
দেশের নীতি আদর্শকে সম্মান করুন: বিভাগীয় কমিশনার
১২,ডিসেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: একটি অস্তিত্বের দুইটি নাম বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ। জাতির পিতার ওপর আঘাত মানে বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত, সংবিধানের প্রতি আঘাত। উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে বাংলাদেশের পরাজিত শক্তি পাঁয়তারা করছে। তাদের দুঃসাহস না দেখানোর অনুরোধ করছি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে শনিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতিবাদ সমাবেশে বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ভাস্কর্যের ওপরে যে আঘাত, সেটি আসলে আঘাত হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নাই। এটি গভীর ষড়যন্ত্রের একটি নমুনা। পাকিস্তানের পরাজিত শক্তি যারা কখনোই পরাজয় মেনে নিতে পারেনি তারাই সময়ে সময়ে সেই আচরণ করছে। সেই আচরণের বহিঃপ্রকাশ হলো জাতির পিতার ভাস্কর্যের প্রতি আঘাত। এর প্রতিবাদ না করলে এই শক্তি আরও বড় ধরনের অপকর্ম করার সুযোগ পাবে। এসময় বিভাগীয় কমিশনার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাস্তায় নামাবেন না। রাস্তায় নামালে আপনাদের অস্তিত্ব থাকবে না। আমরা চাই না, এই ধরনের ইস্যু নিয়ে দ্বিতীয়বার কোনো প্রতিবাদে হাজির হই। আমাদের কাজ সেবা দেওয়া। সেই কাজটি আমরা করতে চাই। যদি আপনারা সেই কাজটি করতে বাধা দেন, অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন করেন তাহলে সরকারি কর্মচারীরা বসে থাকবে না। যদি এই দেশে থাকতে চান তাহলে এই দেশের নীতি আদর্শকে সম্মান করুন। দেশের অনুভূতিতে আঘাত লাগে এমন কোনো আচরণ থেকে আপনারা বিরত থাকুন। সমাবেশে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন বলেন, যারা প্রতিকৃতি ভেঙে ফেলার পাঁয়তারা করছে তাদের সকলের অতীত খুঁজে দেখেন-তাদের কী ভূমিকা ছিল। এই ঘৃণ্য শত্রুদেরকে বাঙালি জাতি বার বার পরাজিত করেছে, আগামীতেও করবে। স্বাধীনতার ৪৯ বছরে যখন বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন করছি সেই সময়ে পরাজিত শক্তি আবারও সাহস করছে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আঘাত করার। যারা বাংলাদেশ চায়নি, যারা ১৯৭১ সালে পাক হানাদারদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল, আজকেও সেই তারাই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। ডিআইজি আরও বলেন, অতীতে তারা যে ধরনের ভূমিকা পালন করেছে এখনও সেই একই ধরনের কাজ করছে। তাদের ভূমিকা ও মানসিকতার কোনো পরিবর্তন হয়নি। তাদের পূর্বপুরুষরা যে মানসিকতার ছিল, এখন তাদের ছেলে-নাতিরাও সেই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে চট্টগ্রামে বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বক্তব্য দেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর