হাটহাজারীতে ৪দোকানিকে গুনতে হল জরিমানা
০১মে,শুক্রবার,হাটহাজারী প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা সংক্রমন ঠেকাতে ও রমাজান মাসে বাজার নিয়ন্ত্রন রাখতে কঠোর হয়েছে উপজেলা প্রশাসন। হাটহাজারী পৌর সদরে মুদি দোকানগুলো যখন অভিযানে কিছুটা নিয়ন্ত্রনে রয়েছে তার বিপরীত সদরের বাইরে কিছু বাজার।এমন সংবাদ পেয়ে শুক্রবার(১ মে) সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল অামিন ছুটে গেল নিয়ন্ত্রনহীন সেই বাজারে।অভিযোগের সত্যাতা পেয়ে গুনতে হল মুদি বাজারের ৪দোকানিকে। অভিযান সুত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মদুনাঘাট ও নজুমিয়া হাট বাজারে ৪টি মুদি দোকানদার নিত্যপন্য জিনিস চড়ামুল্যে নিচ্ছে ক্রেতাদের কাছে।তারমধ্যে প্রয়োজনীয় পন্য অাদা।প্রশাসনের নির্দেশে মূল্য তালিকা রাখলেও সে অনুযায়ী ক্রেতাদের থেকে নিচ্ছেনা।বরং তার দ্বিগুন গুনতে হচ্ছে ।তালিকায় অাদার মূল্য রেখেছ১৬০ টাকা,কিন্তু দোকানদার কিনেছে ১৬০টাকা।ভ্রাম্যমান অাদালত ভাউচার চাইলে সেখানে দেখেন ২২০টাকা অাদার মূল্য,কিন্তু ক্রেতার কাছে জিজ্ঞাসা করলে সে বলল অাদা কিনেছে ৩২০টাকা দিয়ে।ভ্রাম্যমান অাদালতকে আদার আসল দাম বা বিক্রির দাম দোকানী লিখতেই আগ্রহী নন।এমনাবস্থায় সত্যতা যাচাইয়ে গরমিলের প্রমান মিললে ৪দোকানদারকে জরিমানা করা হল ২২ হাজার টাকা। এ বিষয়ে গনমাধ্যমকর্মীদের ইউএনও রুহুল অমিন বলেন, করোনা সংক্রমন ঠেকাতে ও মাহে রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রন রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।সদর পেরিয়ে যখন বিভিন্ন বাজারে ক্রেতাদের জিম্মি হিসেবে অতিরিক্ত দামে পন্য বিক্রয় করতেছে অভিযোগ পেয়ে ভ্রাম্যমান অাদালত ৪দোকানদারকে জরিমানা করা হয়েছে।এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভাসমান রোজাদারদের হাতে ইফতার তুলে দিলো মানবিক সংগঠন মুসাফির
০১মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভাসমান, অসহায় ও ভবঘুরে রোজাদারদের হাতে ইফতার তুলে দিলেন আত্মমানবতা মূলক সামাজিক সংগঠন মুসাফির। শুক্রবার বিকেলে নগরির চকবাজার এলাকার ধনিয়ারপুলে ২ শতাধিক ভাসমান, অসহায় ও ভবঘুরে রোজাদারদের হাতে এ ইফতার তুলে দেন চকবাজার থানার ওসি (তদন্ত) রিয়াজ চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক সাংবাদিক মুহাম্মদ মহরম হোসাইন, চাকবাজার থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ নাজিমউদ্দীন, তরুণ রাজনীতিবিদ শরফুদ্দীন আহমেদ রাজু, সংগঠনের সদস্য আকলিমা আকতার মনি, মো. জনি, মো. আলম, মো. মাইনুদ্দীন ও মহানগর ছাত্রলীগ নেতা নয়ন মজুমদার, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রলীগের গ্রন্তনা ও প্রকাশনা সম্পাদক বন্ধন সেন প্রমুখ। ইফতার বিতরণকালে চকবাজার থানার ওসি তদন্ত রিয়াজ চৌধুরী বলেন, আসুন আমরা মানবিক হই। ভালো কাজে অংশ গ্রহণকরি। তিনি আরো বলেন, মুসাফির সংগঠনটি করোনার এ মহামারীতে পথে পথে, মোড়ে মোড়ে থাকা ভাসমান, অসহায় ভবঘুরে রোজাদার মানুষের হাতে ইফতার তুলে দিয়ে যে মহৎ কাজ করছে তা সত্যি প্রংশসার দাবিদার। আমিও এ কাজে শরীক হতে পেরে আনন্দিত। প্রসঙ্গত মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য এ মর্ম বুকে ধারণ করে করোনার দূযোগ মুর্হুতে সংগঠনটি অসহায়, ভাসমান ও ভবঘুরে মানুষদের মুখে রান্না করা খাবার তুলে দিতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।
বেশি দামে পন্য বিক্রি ও মুল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় ১৩ মামলায় ২৩ হাজার টাকা জরিমানা
০১মে,শুক্রবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং এর লক্ষ্যে নিয়িমিত অভিযানের অংশ হিসাবে দেওয়ান বাজার ও কাজির দেউরি কাঁচা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ১৩ টি মামলায় মোট ২৩,৩০০(তেইশ হাজার তিনশত) টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক কোতোয়ালি, চকবাজার, সদরঘাট,বাকলিয়া এলাকায় আজ শুক্রুবার ১ মে দুপুর ২ঃ০০ টা হতে বিকাল ৫ঃ৩০ পর্যন্ত সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের নিয়ে এলাকাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে অনুরোধ করা হয়। এছাড়া বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে চকবাজার থানার দেওয়ান বাজার ও কাজির দেউরি কাঁচা বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজার মূল্য তালিকা পর্যবেক্ষণ করে বাজার অস্থিতিশীল না করতে বাজার মুল্য তালিকায় ক্র‍য় মুল্য ও বিক্রয় মুল্য প্রদশর্নের ব্যাবস্থাসহ সকল ব্যাবসায়িক কর্যক্রমের কাগজপত্র সংরক্ষণ করার আহবান জানানো হয়। এর পাশাপাশি বাজার মুল্য তালিকা না থাকা ও অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রয়ের কারনে শাহ আমানত স্টোরকে ৫,০০০( পাঁচ হাজার) টাকা, মারুফ স্টোরকে ৩,০০০(তিন হাজার) টাকা, নিহান স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা,জয়ীতা স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা, স্মৃতি স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা, লাভলী স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা,বাহাদুর স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা,জয়বাবা লোকনাথ স্টোরকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা, সোহাগ স্টোরকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা, বি.এস সবজী ভান্ডারকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা, বায়োজনীর স্টোরকে ৮০০(আটশত) টাকা, কাদের ইলেক্ট্রনিকসকে ৫০০( পাঁশত) টাকা জরিমানা করা হয়।এছাড়াও কাজির দেউরির একটি সবজি দোকানকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা অর্থদন্ড করা হয়। অভিযানে ১৩ টি মামলায় মোট ২৩,৩০০(তেইশ হাজার তিনশত) টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক বলেন, আজকে চকবাজার থানার দেওয়ান বাজার ও কাজির দেউরি কাঁচা বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজার মূল্য তালিকা পর্যবেক্ষণ করে বাজার অস্থিতিশীল না করতে বাজার মুল্য তালিকায় ক্র‍য় মুল্য ও বিক্রয় মুল্য প্রদশর্নের ব্যাবস্থাসহ সকল ব্যাবসায়িক কর্যক্রমের কাগজপত্র সংরক্ষণ করার আহবান জানানো হয়। এর পাশাপাশি বাজার মুল্য তালিকা না থাকা ও অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রয়ের কারনে ১৩ টি মামলা করা হয় এবং বেশ কয়েকজনকে জরিমানা করা হয়। তিনি আরও বলেন, জরিমানা করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। মানুষকে সচেতন করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা চাই মানুষ আইন মেনে চলুক এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোক। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সবজির দোকানিরা বেশি দামে কাঁচা মাল বিক্রি করছে। তাই মুদি দোকানের পাশাপাশি সবজির বাজার ও তদারকি করতে হবে। প্রত্যেক দোকানেই মুল্য তালিকা প্রদর্শন করতে হবে এবং পন্য ক্রয়ের রসিদ সংরক্ষন করতে হবে। পেপারলেস ব্যাবসা চলবে না বলেও তিনি জানান।
সরকারি নির্দেশনা মেনে কল কারখানা সচল রাখতে হবে: মে দিবসে আ.জ.ম. নাছির
০১মে,শুক্রবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন বলেছেন, শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আজকের এই মে দিবসের পেছনে রয়েছে অনেক রক্তঝরা ইতিহাস। কর্মক্ষেত্রে বঞ্চনার বিরুদ্ধে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের অনন্য সংগ্রামের স্বাক্ষী এদিন। এবারের দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য- শ্রমিক-মালিক ঐক্য গড়ি, সোনার বাংলা গড়ে তুলি। এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশে আজ পালিত হচ্ছে মহান মে দিবস। তবে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সরকারি স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে এ বছর সব আনুষ্ঠানিকতা বাতিল করা হয়েছে। করোনায় কল কারখানা বন্ধ থাকার ফলে গভীর সংকটে পড়েছে শিল্প-প্রতিষ্ঠানসহ দেশের শ্রমজীবী মেহনতি মানুষ। এ পরিস্থিতিতে সরকার জনগণের পাশে থেকে ত্রাণকাজ পরিচালনাসহ সর্বাত্মক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। করোনা ভাইরাসের প্রতিঘাত মোকাবিলায় দেশের রপ্তানি খাতের শ্রমিকদের বেতন দিতে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে। তিনি বলেন, মহান মে দিবস শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের চরম আত্মত্যাগে ন্যায্য অধিকার আদায়ের এক অবিস্মরণীয় দিন। বৈশ্বিক এ মহামারির মধ্যে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক মালিকরা প্রয়োজনে কারখানা খোলা রাখবে। তবে অবশ্যই কঠোরভাবে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করতে হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দফতর, সংস্থা যেমন-শিল্প পুলিশ, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা নিতে হবে। মেয়র সবাইকে সঙ্গে নিয়ে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে এ যুদ্ধে সরকার অবশ্যই সফল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আজ সকালে কাজির দেউরী বাজার সংলগ্ন চত্বরে বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন(বিএলএফ) চট্টগ্রাম মহানগর শাখার ৩ শত ৫০জন শ্রমিক কর্মচারীদের মাঝে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ইফতার ও সেহেরী সামগ্রী উাপহার দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন। মেয়র আরো বলেন, বিভিন্ন দেশ পুরোপুরি কিংবা আংশিক অবরুদ্ধ। যার ফলে সারা বিশের শ্রমশক্তির ৮১ শতাংশই এখন কর্মহীন। বাংলাদেশে প্রায় দেড়মাস ধরে কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে শিল্প কলকারখানার। তিনি নগরীর খেটে খাওয়া মানুষ যারা দিন এনে দিন খায় তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন। এসময় বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সহ সভাপতি শাহ আলম হাওলাদার, নুরুল আবচার তৌহিদ, ইয়াছিন সিরাজ, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোলায়মান, বহদ্দারহাট মাইক্রোচালক সমিতির মোহাম্মদ ইলিয়াছ, ইউএসটিসি শ্রমিক ইউনিয়নের মোহাম্মদ মানিক মিয়া, বাবুর্চি সমিতির সভাপতি আহমদ উল্লা, অটোরিকশা চালক সমিতির মোহাম্মদ নাছির, নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. গিয়াস উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
আকবরশাহ্ থানাধীন নতুন মনছুরাবাদে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ
০১মে,শুক্রবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর আকবরশাহ্ থানাধীন নতুন মনছুরাবাদ এলাকায় বসবাসকারীদের মধ্যে প্রায় ৩০০ জনকে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু। তিনি বলেন, এই দুর্যোগে দেশের জণগণ যাহাতে কষ্ঠ না হয় সেজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী খাদ্য সামগ্রী উপহার হিসেবে বিতরণ করে যাচ্ছেন। আপনারা সরকারের দেওয়া নির্দেশনাবলী মেনে চলুন। আমি ইতি মধ্যে স্বচ্ছতার জন্য আপনাদের অত্র এলাকার কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তির মাধ্যমে কমিটি করে তালিকা করেছি, সেই তালিকা অনুযায়ী এই উপহার সামগ্রী প্রদান করছি। সেই ক্ষেত্রে যদি কোন ব্যক্তি তালিকা থেকে বাদ পড়ে যান তারা আমার সাথে যোগাযোগ করবেন আমি চেষ্টা করবো আপনাদেরকে সহায়তা করার জন্য। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যাতে আপনাদের সেবা করতে পারি। এই সময় চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদস্য আফতাব উদ্দিন রুবেল, আবুল কালাম আবু, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা পিন্টু, নতুন মনছুরাবাদ সমাজ কল্যান পরিষদের হায়দার আলী, মো.আলমগীর এবং আকবরশাহ্ থানা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিগন উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে করোনা ভাইরাসের কারণে গত ২৬ শে মার্চ থেকে সরকার সারাদেশে সাধারন ছুটি ঘোষনার কারণে দেশের সকল নাগরীকদের জন্য সারাদেশের জনপ্রধিনিধীদের মাধ্যমে এই প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী প্রদান করছেন। সরকারী এই উপহার সামগ্রী ছাড়াও উক্ত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু নিজ অর্থায়নে ও উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদেরকে খাদ্য সামগ্রী ও ইফতার সামগ্রী প্রদান করেছেন। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে উক্ত এলাকায় উপহার সামগ্রী প্রদানের জন্য গঠিত কমিটির স্ব:জনপ্রিতির কারণে অনেকে এই উপহার সামগ্রী পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা, নিরাপদ কর্ম পরিবেশ সৃষ্টির দাবি সিইউজের
০১মে,শুক্রবার,মুহাম্মদ মহরম হোসাইন,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার এই মহাদুর্যোগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে পর্যাপ্ত সুরক্ষা, নিরাপদ কর্ম পরিবেশের ব্যবস্থা না করা এবং যথাসময়ে বেতন-ভাতা পরিশোধ না করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) নেতৃবৃন্দ। তাঁরা অবিলম্বে গণমাধ্যমকর্মীদের ন্যায্য পাওনা, অধিকার, সুরক্ষা ও নিরাপদ কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য গণমাধ্যম মালিকদের প্রতি দাবি জানিয়েছেন। মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে দেয়া এক বিবৃতিতে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম বলেন, বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের গৌরবময় দিন আজ। এবার এমন এক সময় মহান মে দিবস এসেছে, যখন মরণঘাতী ভাইরাস কোভিড-১৯ এর ভয়াল থাবায় পর্যুদস্ত সারা বিশ্ব। নিজেদের জীবন রক্ষায় দেশের মানুষকে ঘরে অবস্থানের নির্দেশনা দিয়ে এক মাসের বেশি সময় ধরে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এর মধ্যেও মৃত্যুঝুঁকি মাথায় নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। দেশের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাংবাদিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ঢাকায় একজন সাংবাদিক করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, এখনো পর্যন্ত অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান স্ব স্ব কর্মীদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের ব্যবস্থা না করে তাঁদের জীবনকে অনিশ্চয়তার পথে ঠেলে দিচ্ছে। কোন কোন প্রতিষ্ঠান করোনার এই মহাদুর্যোগেও কর্মরত সাংবাদিক কর্মচারীদের বেতন ভাতা যথাসময়ে পরিশোধ করছেনা। উল্টো তাঁদের উপর নানা ধারণের মানসিক নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রায় দেড় বছর আগে নবম মজুরি বোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণা করা হলেও নানা অসঙ্গতি ও জটিলতার কারণে এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে সংবাদকর্মীরা ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ জটিলতার দ্রুত নিরসন হওয়া প্রয়োজন। সিইউজে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে নবম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে জটিলতা নিরসন, গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার, সুরক্ষা ও নিরাপদ কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি আগামী ঈদের আগে উৎসব বোনাস ও মে মাসের বেতনসহ সকল বকেয়া পরিশোধের দাবি জানান।
কেউ মানছেনা নির্দেশনা; দিনভর ভাম্যমান আদালতের অভিযান
৩০এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং এর লক্ষ্যে র‍্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহায়তায় মাঠে নিরলস কাজ করছে জেলা প্রশাসন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন জনগন মানছেনা সামাজিক দূরত্ব। অন্যদিকে মানছেনা সরকারী নির্দেশনা। পাশাপাশি রমযানকে সামনে রেখে দ্রব্য মুল্যের বাজারও ঊর্ধ্বগতি। অসাধু ব্যবাসায়ী ও সিন্ডিকেট মিলে বাড়াচ্ছে পন্যের দাম। ফলে কার্যত রীতিমত ঘাম ঝরছে প্রশাসনের। বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ঃ৩০ পর্যন্ত ৭টি টিমে ৮জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চট্টগ্রাম মহানগরজুড়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ । নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশিক - উর- রহমান চকবাজার, বাকলিয়া,সদরঘাট এবং কোতোয়ালি এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখার দায়ে ও ভোগ্যপন্যে মূল্যতালিকার চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রয়ের অপরাধে দন্ডবিধি ১৮৬০ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর বিভিন্ন ধারায় বিভিন্ন দোকানে মামলা দায়ের করেন। তিনি ৩টি মামলায় ১,৭৫০(এক হাজার সাতশত পঞ্চাশ) টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এসময় অননুমোদিতভাবে দোকান খোলা রাখায় সুমন Best Buy কে ১০,০০০ (ইপিজেড ),পান্জাবি টেইলার্স এন্ড ফেব্রিকসকে ৫০০(পতেঙ্গা), মোঃ মাসুদ, সাব কন্ট্রাক্টরকে বেআইনিভাবে নির্মাণ কাজ চলমান রাখার জন্য ২,০০০(পশ্চিম মুসলিমাবাদ,পতেঙ্গা) টাকা জরিমানা করেন। তিনি ৩ টি মামলায় ১২,৫০০(বার হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা এলাকায় দুপুর ২টা হতে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৯টি মামালায় ৮,৩০০(আট হাজার তিনশত) টাকা জরিমানা করেন। তিনি মহানগরীর বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সিএমপি পুলিশের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খালা রাখায় বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানার বিভিন্ন জায়গায় ১টি সেলুনকে ৫০০(পাঁচশত টাকা), ৪টি কাপড়ের দোকানকে মোট ২০০০(দুই হাজার টাকা), ১টি কম্পিউটার এক্সেসরিজের দোকানকে ৫০০(পাঁচশত টাকা) ও ১টি লন্ড্রি দোকানকে ৩০০(তিনশত টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। বাজার মনিটরিং এর অংশ হিসেবে ইপিজেড থানাধীন চৌধুরী হাট কাঁচা বাজারের জিলানী স্টোরকে ৩০০০ (তিন হাজার টাকা) ও ইউসুফ চৌধুরী কাঁচা বাজারের মেসার্স নিহাদ ডিপার্টমেন্টাল স্টোরকে ২০০০(দুই হাজার টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া বাজারসহ অন্যান্য স্থান যেখানে লোক সমাগম সাধারণত বেশী সেসব স্থান মনিটরিং ও মাইকিং করে জনসাধারণকে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার ব্যাপারে সচেতন করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: তৌহিদুল ইসলাম যৌথ ভাবে অভিযান চালায় হালিশহর, পাহাড়তলি, ডবলমুরিং, আকবরশাহ এলাকায়। এসময় তারা ব্যবসায়ী ও পাহাড়তলি বনিক সমিতির সাথে বিশেষ আলোচনা করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলার বিষয়ে সচেতন করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম. আলমগীর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৫টি ভিন্ন ভিন্ন মামলায় ১১,৩০০(এগার হাজার তিনশত) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তাহমিনা সারমিন চকবাজার, বাকলিয়া, সদরঘাট, ও কোতোয়ালী এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩ টি মামলায় ৩০০০(তিন হাজার) টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন বায়েজিদ,খুলশি,পাঁচলাইশ ও চাঁন্দগাও এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩ টি মামলায় ৭,০০০(সাত হাজার ) টাকা জরিমানা করেন। পুরো রমযান মাস জুড়ে বাজার মনিটরিং ও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কালীন সময়ে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রয়োগে জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান জেলা প্রশাসনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান।
চিকিৎসকরা আক্রান্ত হলে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে: মেয়র নাছির
৩০এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, করোনা ভাইরাস একটি ছোঁয়াছে রোগ। তাই কোনো ধরনের আলামত দেখা গেলে তা গোপন না করে চিকিৎসককে খোলামেলা ভাবে জানিয়ে দিতে হবে। অন্যথায় আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসে চিকিৎসক নিজেই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। মনে রাখতে হবে চিকিৎসকরা আক্রান্ত হলে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে। তাই কারো এ ধরনের রোগের উপসর্গ দেখা দিলে লুকোচুরি করবেন না। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনা টেস্টিং ইউনিট পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসজনিত সংক্রমণ এড়াতে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে, কারণ এ রোগের প্রতিকার পেতে হলে মানুষে-মানুষে সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় দেখা যাচ্ছে আমরা কেউ কেউ এই ছুটিকে উপভোগ্য করে তুলেছি, যা কাম্য নয়। এই ছুটি উপভোগের জন্য নয়, ঘরে থেকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করাই এ রোগের প্রধান প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা। বস্তুতপক্ষে আমরা সবাই এখন এই মহামারী জয়ের যুদ্ধে শামিল, আমরা যুদ্ধ করছি করোনাকে সামনে রেখেই। তাই প্রত্যেকের উচিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে জনসমাগম এড়িয়ে, বার বার হাত ধুয়ে সচেতন থাকা ও অন্যজনকে সচেতন করা। এতেই আমাদের মুক্তি। মেয়র বলেন, আমাদের এই দুুঃসময়ে জীবন ও জীবিকা দুটোকেই প্রাধান্য দিতে হচ্ছে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ কোনোভাবেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারছে না। তাদের জন্য সরকারি সহযোগিতার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে। মেয়র চমেকের ল্যাব পরিদর্শনে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, অত্র অঞ্চলে দ্রুত করোনা রিপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে এ ল্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি নগরবাসীকে ধৈর্য সহকারে চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিতদের সহযোগিতার আহ্বান জানান। চমেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. শামীম হাসান জানান, করোনা ল্যাব এখন চট্টগ্রামবাসীর সেবা দিতে পুরোদমে প্রস্তুত। কয়েকদিনের মধ্যে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। ফলে দৈনিক ৯০ জন লোক এখানে করোনা পরীক্ষা করাতে সক্ষম হবেন। পরিদর্শনকলে কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, বিএমএ চট্টগ্রামের সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক খান, সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, ডা. রিদোয়ান, ডা. পীযূষ দত্ত, ডা. এহসানুল হক কাজল, ডা. অমিত ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।
অসহায় মানুষদের উপহার সামগ্রী দিলো- চট্টগ্রাম মহানগরী সমাজ কল্যাণ সংস্থা
৩০এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় ঘরবন্দী অসহায়, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে সমাজসেবা অধিদপ্তরের রেজিষ্ট্রেশন ভূক্ত সংগঠন 'চট্টগ্রাম মহানগরী সমাজ কল্যাণ সংস্থা। বুধবার বিকেলে সংগঠনটির উদ্যেগে নগরির আগ্রাবাদ হাজীপাড়া এলাকায় ৩০০টি পরিবারের মাঝে এ উপহার সামগ্রী তুলে দেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নিবার্হী সদস্য মুহাম্মদ মহরম হোসাইন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি, এডভোকেট মোঃ ওমর ইউসুফ খান, সহ-সভাপতি মোঃ মিনহাজুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিসুল হক, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল খায়ের, সদস্য বাদল কান্তি নাথ, মোঃ নেজাম উদ্দিন, মোঃ ইব্রাহীম, মোঃ সবুজ, মোঃ ওমর ফারুক, মোঃ তারেক, মোঃ মুনজু, সাকিব, সাগর প্রমুখ। ত্রাণ বিতরণকালে সাংবাদিক মুহাম্মদ মহরম হোসাইন বলেন, রমজানে করোনায় ঘরবন্দী অসহায়, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষদের মাঝে উপহার সামগ্রী প্রধান করে মানবিক দায়িত্ব পালন করেছে। সমাজের সকল মানুষ যার যার অবস্থান থেকে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো দরকার। তিনি অসহায় মানুষদের পাশে থাকার জন্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দের ধন্যবাদও জানান।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর