নিছক বিনোদন নয়, নতুনভাবে বাঁচারও পথ দেখায় সাহিত্য
৪ ফেব্রুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউতে) বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হামিদ রেজা খানের বেলা অবেলার গল্প উপন্যাসের মোড়ক উন্মোচন হয়েছে। সামাজিক প্রেক্ষাপট, পাওয়া না পাওয়ার হিসেব নিকেষ আর আশপাশে ঘটে যাওয়া সমাজের প্রিয় মুখগুলির জীবন কাহিনীর মতোই চমৎকার কিছু সুঃখ-দুঃখ সুনিপুন হাতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই উপন্যাসে। গতকাল রোববার বিকেলে নগরের জামালখানের সিআইইউ ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে চট্টগ্রামের কবি, সাহিত্যিক, ছড়াকার, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ উঠতি লেখক ও পড়ুয়ারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিআইইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী বলেন, প্রবাসী লেখক হামিদ রেজা খান তার বেলা অবেলার গল্পে যে চরিত্রগুলোর কথা তুলে এনেছেন সেগুলো নিঃসন্দেহে আমাদের সমাজের মানুষের কারও কারও জীবনের গল্প। লেখকের কাহিনী সামসময়িক। তিনি আরও বলেন, সাহিত্য কেবল নিছক বিনোদনের খোরাক-ই জোগায় না, জীবনকে নতুনভাবে বেঁচে থাকারও পথ দেখায়। ভবিষ্যতে তার হাত ধরে আরও জীবনমুখী রচনা উঠে আসবে এমনটা প্রত্যাশা আমার। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার বলেন, লেখকের চিন্তা-চেতনা, অনুভূতি, কল্পনার সৌন্দর্য্য ও শিল্পের অবয়ব-এক কথায় অসাধারণ। তিনি চরিত্রগুলো ফুটিয়ে তোলার আগে নিজে সেগুলোর ভেতর বসবাস করেছেন। আর সেই কারণে এতো জীবনঘনিষ্ঠ লেখা আমাদের উপহার দিয়েছেন। সিআইইউর ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক বলেন, লেখক হামিদ রেজা খান প্রবাসী হলেও তিনি একজন সাহিত্যপ্রাণ মানুষ। বই ছাড়া কিছুই বোঝেন না। ভালো গল্প লিখে সমাজ পরিবর্তনের তাড়না তাকে সবসময় তাড়া করে বেড়ায়। লেখক হামিদ রেজা খান বলেন, আমি সবসময় বাস্তবতার প্রেক্ষাপট থেকে লিখতে ভালোবাসি। যে কাহিনী কিংবা গল্পগুলো হয়তো আমাদের প্রত্যেকের জীবনের সঙ্গে মিল রয়েছে, বেলা অবেলার গল্প ঠিক সেই ধরণের একটি উপন্যাস। যেখানে রবি পাটোয়ারি নামের একটি চরিত্রের বর্ণণা দিতে গিয়ে অনেকগুলো মানুষের কথা তুলে ধরা হয়েছে। সভাপতির বক্তব্যে স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক কাজী মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, ভাষা যেমন নিজের ভাব অন্যের কাছে তুলে ধরে, তেমনি সাহিত্যের বিশালতাও আকাশের বিশালতাকে হার মানায়। ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক উন্মেহানি পিংকির উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন কবি ও প্রাবন্ধিক আবুল মোমেন, ফেরদৌস আরা আলীম, অধ্যাপক ভূঁইয়া ইকবাল, অধ্যাপক ওবায়দুল করিম, কথা সাহিত্যিক বাদল সৈয়দ, চবির বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শেখ সাদী, সিআইইউর সহকারী অধ্যাপক মো. সাইফুর রহমান, ইডিইউর ডিক্টের জেনারেল সৈয়দ শফিক উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
পোর্ট সিটি ভার্সিটিতে বিগ ডাটা শীর্ষক সেমিনার
৪ ফেব্রুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে গত ৩ ফেব্রুয়ারি বিগ ডাটা : হোয়াট, হয়ার, হোয়াই এন্ড হাউ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামসুল আরেফিন। প্রধান বক্তা বলেন, আমাদের ল্যাবরেটরিগুলোতে বিগ ডাটার ব্যবহার প্রতিনিয়ত প্রসারিত হচ্ছে। আইটি সেক্টর, ব্যাংক, কমার্শিয়াল ড্রোন ইন এ্যাগ্রিকালচার এসব ক্ষেত্রে বিগ ডাটার চাহিদা বাড়ছে। শিক্ষার্থীদের গবেষণার ক্ষেত্রে এই ধরনের ডাটা টনিক হিসাবে কাজ করবেও বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বিভাগের সভাপতি সৌমিত্র দাশের সভাপতিত্বে সেমিনারের প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নূরল আনোয়ার, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মফজল আহমদ। উল্লেখ্য, সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান সহ বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু
৪ ফেব্রুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমানের নেতৃত্বে নগরীর সদরঘাট এলাকা থেকে এ অভিযান শুরু হয়। এতে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে সিটি কর্পোরেশন, বিআইডব্লিউটিএ ও ফায়ার সার্ভিসসহ ১০টি সংস্থা এ উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নেয়। তিনটি জোনে ভাগ করে নগরীতে এ অভিযান চালানো হবে। প্রথমে নগরীর সদরঘাট থেকে বারেক বিল্ডিংয়ের মোড় পর্যন্ত দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা ও পরবর্তীতে পতেঙ্গা এবং তৃতীয় মোহরা এলাকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। উচ্ছেদ চলাকালে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ ও Rab সহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবলীগ কর্মী নিহত
২ ফেব্রুয়ারী শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবরশাহ থানার বেলতলীস্থ আবিউল প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় শুক্রবার রাতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এক যুবলীগ কর্মী নিহত হয়েছেন। নিহত মোহাম্মদ মাসুদ প্রকাশ ওরফে পানি মাসুদ মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার আবুর হাট ঘোড়াতলী গ্রামের আবুল বশরের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম জানান, আকবরশাহ এলাকা থেকে ছুরিকাঘাতে আহত মাসুদ নামে এক যুবককে রাত সাড়ে ৮টায় হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয়রা জানায়, যুবলীগের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের যুবকরা পানি মাসুদকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে। নিহতের মামা জানান, মাসুদ আকবরশাহ এলাকায় বসবাস করতো। সন্ধ্যার দিকে তার দলের কয়েকজন তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। রাতে আকবর শাহ রেলওয়ে হাউজিং সোসাইটির পাশে বেলতলি ঘোনা ফারুক চৌধুরী মাঠের পাশে দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। এদিকে মাসুদ হত্যার প্রতিবাদে রাতে আকবরশাহ এলাকায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধে করে যুবলীগ-ছাত্রলীগের একাংশ। পরে পুলিশ গিয়ে অবরোধ তুলে দিলেও মধ্যরাত পর্যন্ত দুই পক্ষের মধ্যে মারধর, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও বিক্ষোভ হয়।-ইউএনবি
দারিদ্র্য থেকে মুক্তির একমাত্র মাধ্যম হলো শিক্ষা : মেয়র
১ ফেব্রুয়ারী ,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকার গরীব বান্ধব সরকার। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে দেশের অস্বচ্ছল মানুষের মুখে হাসি ফোটে। দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এমনকি ১৭ কোটি মানুষের অন্ন যোগান দিয়ে সরকার বিদেশেও রফতানি করছে খাদ্য। দারিদ্র্যতা থেকে মুক্তির একমাত্র মাধ্যম হলো শিক্ষা। এই শিক্ষার জন্য মা-বাবাকে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। সন্তানদের সঠিকভাবে শিক্ষার জন্য স্কুলে পাঠান, তারা যেন আলোকিত মানুষ হয়ে দেশ জাতির মঙ্গল করতে পারে। গতকাল নগরীর দেওয়ান বাজার ও চান্দগাঁ ওয়ার্ডে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মেয়র অভিভাবকদের উদ্দেশ্য বলেন, দারিদ্র্যতার জন্য যারা ছেলে-মেয়ের লেখা পড়া করাতে পারছেন না তারা সরকারের গৃহীত সমাজিক সুরক্ষা নীতি গ্রহণ করুন। এতে পঞ্চম শ্রেণী থেকে কলেজ পর্যন্ত উপবৃত্তি চালু রয়েছে। এই উপবৃত্তির টাকা দিয়ে লেখা পড়া শেষ করতে পারবে। সরকারে উদ্যোগ সফল হলে দেশের আর কোনো দরিদ্র থাকবে না। গতকাল সকালে প্যারাগন কনভেনশন হল এবং বিকেলে চান্দগাঁ হামেদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ কম্বল বিতরণ করেন মেয়র। চসিক প্যানেল মেয়র কাউন্সিলর চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনীর সভাপতিত্বে দেওয়ান বাজার ওয়ার্ড আয়োজিত সভায় সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনজুমান আরা বেগম, সাবেক কাউন্সিলর আবু বকর সিদ্দিকী, রতন দাশ, আমিনুল হক ও মোহাম্মদ ইকবাল বক্তব্য রাখেন। অপর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন খালেদ সাইফু। এতে বক্তব্য রাখেন দৈনিক বীর চট্টগ্রাম মঞ্চের সম্পাদক সৈয়দ ওমর ফারুক, মোহাম্মদ ইসা ও হুমায়ুন কবির প্রমুখ। বার্মা কলোনী জামে মসজিদ: এদিকে চান্দগাঁ যাওয়ার প্রাক্কালে মেয়র হামজার বাগ হিলভিউ সোসাইটি সংলগ্ন বার্মা কলোনী জামে মসজিদের সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধন করেন। এই সম্প্রসারণ কাজে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা। স্থানীয় জনসাধারণ ও নগরীর বিত্তশালীদের আর্থিক সহায়তায় এই মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
যানজট নিরসনে সুজনের প্রস্তাব
১ ফেব্রুয়ারী ,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন গত বুধবার সিএমপির পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমানের সাথে তার কার্যালয়ে মতবিনিময় করেছেন। নগরীকে যানজট ও অপরাধমুক্ত বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে খোরশেদ আলম সুজন কিছু প্রস্তাব পেশ করেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, নগরীর মোড়ে মোড়ে গাড়ি থামানো বা পার্কিং করা কঠোরভাবে বন্ধ রাখতে হবে, বাধ্যতামূলকভাবে সরকারি-বেসরকারি বড় স্কুল ও কলেজসমূহে বাস সার্ভিস ও নগরীর মার্কেটগুলোতে পে-পার্কিং চালু এবং নির্দিষ্ট স্থানের বাইরে পার্কিং বন্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ। এছাড়া শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাতায়াত পথে গড়ে ওঠা বৈধ অবৈধ কন্টেনার টার্মিনালের কারণে যাত্রীদের বিমানবন্দর ব্যহার করা প্রায় দুঃসাধ্য হয়ে উঠছে। লম্বা ট্রেইলার, কাভার্ড ভ্যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ সময়ের দাবি। যদিও এ বিষয় পুরোপুরি সমাধান পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি বর্তমান ট্রাক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সল্টগোলা ক্রসিং থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত চালু করার অনুরোধ জানান। নগরীর গণপরিবহনসমূহ ব্যবহার অনুপযোগী। ভাঙা সিট যাত্রী সাধারণের ব্যবহার অনুপযোগী। বিশৃংখল চলাচল যানজটের অন্যতম কারণ। তিনি গণপরিবহনকে সুশৃংখল চলাচলে বাধ্য করা, ব্যবহার উপযোগী করে চলাচলের ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টির অনুরোধ জানান। ব্যাটারি রিকশা এখন নগরীর বাস্তবতা। বর্তমান বড় চাকার রিকশাগুলোর দুর্ঘটনার হার খুবই কম। অনেক শহরেই এখন রিকশাগুলো আইনসম্মতভাবে চলছে। চট্টগ্রাম নগরীতে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও প্রায় ওয়ার্ডে অভ্যন্তরীণ বাহন হিসেবে রিকশাগুলো চলছে। নিষেধাজ্ঞার সুযোগে বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক মাস্তান গ্রুপ তাদের কাছ থেকে দৈনিক ১০০ থেকে ২০০ টাকা চাঁদা আদায় করছে। যদি তাদের মেট্রোপলিটন পুলিশের নিরাপত্তা নির্দেশনার মধ্যে আইনসম্মতভাবে চলাচলের সুযোগ দেওয়া হয়, একদিকে সাধারণ মধ্যবিত্ত শ্রেণির অভ্যন্তরীণ যাতায়াত সহজ হবে, অন্যদিকে সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে তারা মুক্তি পাবে। সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম সত্যিকার অর্থেই একটি বাণিজ্যিক নগরী। এ নগরীর বিপুল সংখ্যক জনসাধারণের নিরাপত্তাসহ আনুসঙ্গিক বিষয়গুলো স্বাভাবিকভাবেই পুলিশ কমিশনারের ওপর বর্তায়। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা প্রদান, মাদক কারবারি এবং মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে নতুন নতুন আইন প্রণয়ন করছে। পুলিশ প্রশাসনও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা প্রদানে আন্তরিকতার সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিএমপির এডিশনাল পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) আমেনা বেগম, উপপুলিশ কমিশনার (বন্দর) হামিদুল আলম, সাবেক ছাত্রনেতা নিজাম উদ্দিন, রাজনীতিবিদ শওকত হোসাইন, নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী হোসেন, আব্দুল আজিম, সাহেদ বশর প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামে দুদিন ব্যাপী হেফাজতের মহা সম্মেলন
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ১লা মার্চ রোজ বৃহস্পতি ও জুমাবার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফির আহবানে চট্টগ্রাম জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে দুদিন ব্যাপী ইসলামি মহা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ২৯ জানুয়ারি রোজ মঙ্গলবার বাদে মাগরিব হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আমীরে হেফাজত শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী দা.বা. এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এবং নির্ধারিত তারিখে হেফাজতের দুদিন ব্যাপী ইসলামি মহা সম্মেলন সফল করতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা জোনাইদ বাবুনগরীকে আহবায়ক, মাওলানা সলিমুল্লাহকে সদস্য সচিব ও মাওলানা মঈনুদ্দিন রুহীকে যুগ্ম সচিব করে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর জেলা ও দক্ষিণ জেলার নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে একটি সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয়। বৈঠকে রাজধানী ঢাকার শাহবাগস্থ বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জোনাইদ বাবুনগরীর সার্বিক দেখবাল ও উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া ইত্যাদি সংক্রান্ত বিষয়ে হেফাজতের পক্ষ থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত বৈঠকে আল্লামা শাহ আহমদ শফি বলেন, কিছু লোক এই দেশে আছে যারা মহান আল্লাহকে না দেখার অজুহাতে অস্বীকার করে। আমরা তাদেরকে নাস্তিক বলি। এসব নাস্তিক মুসলিম ঘরে জন্ম নিয়ে আল্লাহকে অস্বীকার করে যাচ্ছে। এসব নাস্তিকদের ঠাঁই মুসলমানদের দেশ বাংলাদেশে হবেনা। এসব নাস্তিকদের বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলামের আন্দোলন চলতে থাকবে ইনশাআল্লাহ। তিনি আরো বলেন, অনেকে বলে হেফাজতে শেষ হয়ে গেছে, হেফাজত মাঠে নামছে না কেন? আমি তাদেরকে বলবো, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ শেষ হয়নি বরং আগের চেয়ে আরো শক্তিশালী হয়েছে। আমারা এদেশে ইসলাম ও মুসলমানদের পক্ষে নাস্তিকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি, ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও করবো। এদেশে যতদিন নাস্তিক থাকবে ততদিন হেফাজতও থাকবে ইনশাআল্লাহ। আমীরে হেফাজত আরো বলেন, অনেকে আমাদের কে অমুক দল তমুক দলের হয়ে গোছি বলে মিথ্যাচার করে, আমি তাদের বলবো আমরা কোন দলের না, আমাদের কাছে সব দলের লোকজন আসে, সবার সাথে আমাদের ভালো সম্পর্ক আছে। তিনি বলেন, হেফাজত একটি অরাজনৈতিক সংগঠন, ঈমান আকিদা রক্ষার সংগঠন। সকল মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাট ফরম, এখানে সব দলের লোক আছে। সবাই হেফাজত করে। আমরা রাজনীতি করিনা, আমরা দেশের পক্ষে, ইসলামের পক্ষে, দেশের মানুষের পক্ষে কথা বলি সংগ্রাম করি, যা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমিরে হেফাজত বলেন, আমাদের প্রতি বৎসরের ন্যায় এবৎসরেও সফলতার সাথে ইসলামি মহাসম্মেলন সফল করতে হবে। তিনি সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে মহাসম্মেলন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যেতে আহবান জানান। উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় যুগ্ন মহাসচিব, আল্লামা লোকমান হাকিম, মুফতি জসিম উদ্দিন, মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী, মাওলানা সলিমুল্লাহ, মাওলানা মঈনুদ্দিন রুহী, মাওলানা নুরুল ইসলাম জদীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, অর্থ সম্পাদক মাওলানা হাজী মোজাম্মেল হক, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা শফিউল আলম, মাওলানা ফয়সাল তাজ মহানগর প্রচার সম্পাদক মাওলানা আ.ন.ম আহমদ উল্লাহ প্রমুখ। বৈঠকে আল্লামা জোনায়েদ বাবুনগরীর পাসপোর্ট ফেরত দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এবং অসুস্থ হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জোনাইদ বাবুনগরীসহ সকলের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন বৈঠকে উপস্থিত আমীরে হেফাজতসহ হেফাজত নেতৃবৃন্দ।
স্ত্রীর পরকীয়া নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাসের পর চিকিৎসকের আত্মহত্যা
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও এলাকা থেকে মোস্তফা মোরশেদ প্রকাশ আকাশ নামের এক চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্বজনদের দাবি স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার দুই নম্বর সড়কের ২০ নম্বর বাড়িতে নিজ বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত নায়েক মোহাম্মদ হামিদ বলেন, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ডা. আকাশকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আকাশ ইনজেকশন পুশ করে নাকি ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। তিনি আরও বলেন, স্বজনরা জানিয়েছেন রাতে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে আকাশ আত্মহত্যা করেছে। আকাশের ফেসবুক প্রোফাইলে গিয়ে দেখা যায়, ভোর ৪টার দিকে স্ত্রীর অনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়া হয়েছিল তার অ্যাকাউন্ট থেকে। বিয়ের আগে থেকেই আকাশের স্ত্রী অন্য পুরুষদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন বলে সেখানে উল্লেখ করা হয়। নিজের স্ত্রীর এমন কর্মকাণ্ড থামাতে তার পরিবারকে উদ্যোগ নেয়ার জন্য আকাশ একাধিকবার অনুরোধ করেছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয় ওই স্ট্যাটাসে। অন্য পুরুষের সঙ্গে নিজের স্ত্রীর একাধিক ছবিসহ পোস্ট করা ওই স্ট্যাটাসের পরপরই আরেকটি স্ট্যাটাস দেয়া হয় আকাশের প্রোফাইল থেকে। শেষের স্ট্যাটাসে লেখা হয়, ভালো থেকো আমার ভালোবাসা, তোমার প্রেমিকদের নিয়ে। উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বাংলাবাজার বরকল এলাকার মৃত আব্দুস সবুরের ছেলে আকাশ এমবিবিএস শেষ করে এফসিপিএস পড়ছিলেন।
পিপিএম-বিপিএম পদক পাচ্ছেন বৃহত্তর চট্টগ্রামের ৩০ Rab-পুলিশ কর্মকর্তা
৩১ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৃহত্তর চট্টগ্রামে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সব প্রধানসহ ৩০ জন কর্মকর্তা পুলিশের সর্বোচ্চ পদক পিপিএম-বিপিএম পাচ্ছেন। পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার এবং Rab-7 অধিনায়ক এ তালিকায় রয়েছেন। গত বছর কর্মক্ষেত্রে সাহসিকতা, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণসহ নানা ক্ষেত্রে অবদান রাখায় এ বছর তাদের এ পদক দেয়া হচ্ছে। গত ২৯ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপ-সচিব ফারজানা জেসমিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানা যায়। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশ সেবা সপ্তাহ-২০১৯ উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে এ পদক দেয়া হবে।খবর আজাদী । প্রজ্ঞাপনে থাকা তালিকা অনুযায়ী, অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) পাচ্ছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মাহাবুবুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা, নগর পুলিশের দক্ষিণ জোনের উপ পুলিশ কমিশনার এস এম মেহেদী হাসান, Rab-7 চট্টগ্রামের মেজর মেহেদী হাসান, উপ অধিনায়ক শাফায়াত জামিল ফাহিম, ল্যান্স কর্পোরেল মো. শহীদুল ইসলাম ও সৈনিক আরিফুল ইসলাম, কোতোয়ালী থানার পুলিশ কনস্টেবল রাসেল মিয়া। এছাড়া কঙবাজার জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) এবিএম মাসুদ হোসেনও বিপিএম পদক পাচ্ছেন। এ তালিকায় আরো রয়েছেন সন্দীপ থানার ওসি মো. শাহজাহান, টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও শিল্প পুলিশ-৩ এর কনস্টেবল মমিনুল ইসলাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) পাচ্ছেন Rab-7 এর অধিনায়ক ও Rab 15 এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমদ, Rab-7 এর টেকনাফ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মির্জা শাহেদ মাহতাব, কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম, রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার আলমগীর কবীর, খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপার মো. আহমার উজ্জামান, বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উত্তর জোনের উপ পুলিশ কমিশনার বিজয় বসাক, পশ্চিম জোনের উপ পুলিশ কমিশনার ফারুক উল হক, বন্দর জোনের উপ পুলিশ কমিশনার হামিদুল আলম, বন্দর জোনের গোয়েন্দা বিভাগের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (এডিসি) ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের ইনচার্জ এএএম হুমায়ন কবির, সদরঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন, পাহাড়তলী থানার ওসি সুদীপ কুমার দাশ, পাঁচলাইশ মডেল থানার সহকারী উপ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) আব্দুল মালেক, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সীতাকুণ্ড সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শম্পা রাণি সাহা, কঙবাজার জেলার টেকনাফ মডেল থানার এসআই (নিরস্ত্র) শরিফুল ইসলাম এবং খাগড়াছড়ি জেলার এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারের সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর