বৃহস্পতিবার, মার্চ ৪, ২০২১
সিএমপিকে ২৫ হাজার মাস্ক দিল কানেক্ট দ্যা ডটস
১০ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চ্যারিটি প্রতিষ্ঠান কানেক্ট দ্যা ডটস ফাউন্ডেশন বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে মাস্ক ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে ১ লাখ মাস্ক বিনামূল্যে বিতরণের ঘোষণা দেয় বিশ্ব স্বেচ্ছাসেবী দিবসে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ সদস্যদের জন্য ২৫ হাজার মাস্ক হস্তান্তর করল দাতব্য সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে কমিশনার সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীরের কাছে ২৫ হাজর সার্জিক্যাল মাস্ক হস্তান্তর করেন কানেক্ট দ্যা ডটস এর প্রতিষ্ঠাতা কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব তানভীর শাহরিয়ার রিমন। এ সময় সিএমপির উপ কমিশনার (উত্তর) বিজয় বসাক এবং কানেক্ট দ্যা ডটস এর ট্রাস্টি মেম্বার দিনার সাজ্জাদ, আফফান বিন আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন। কানেক্ট দ্যা ডটস চট্টগ্রামে কোভিড পরিস্থিতির শুরু থেকেই অক্সিজেন ব্যাংক তৈরি করে বিনামূল্যে অক্সিজেন সিলিন্ডার দেয়া, স্কুলের বেতন দিতে না পারা মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য দীর্ঘ মেয়াদী বৃত্তি চালু করা, চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল এবং মা ও শিশু হাসপাতালে মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট সহায়তা প্রদান, পিপিই বিতরণ, বন্যায় ৩২টি জেলায় ত্রাণ পৌঁছে দেয়ার কাজসহ নানা রকম সামাজিক কাজ করে আসছে। সিএমপি কমিশনার সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর বলেন, কানেক্ট দ্যা ডটস এর কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয়। মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে কল্যাণের কাজে তারা যেভাবে এগিয়ে এসেছে তাতে করে বহু মানুষ উপকৃত হচ্ছে। সিএমপি সদস্যদের জন্য মাস্ক দেয়ায় তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রীর কারণেই পদ্মা সেতু
১০ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে পদ্মসেতুর অগ্রযাত্রা জাতিকে অর্থনৈতিক মুক্তির ঠিকানায় পৌঁছে দেবে বলে মন্তব্য করেছে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা। বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন এ মন্তব্য করেন। তারা বলেন, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল ও বিশ্ব ব্যাংকের ভ্রুকুটি উড়িয়ে দিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি সাহসী উদ্যোগ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য রক্তের উত্তরাধিকার হিসেবে তিনি এই চট্টগ্রামসহ সারা বাংলাদেশে অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। এতে দারিদ্র মুক্তিসহ তার মিশন ভিশন অনুযায়ী বাংলাদেশকে একদিন উন্নত বিশ্বে পরিণত করবে। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন ষড়যন্ত্র করেছিলো, এমনকি পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে অর্থ বিনিয়োগেও বাধা সৃষ্টি করেছিল তারা। তারা আরো বলেন, এই সাফল্য অর্জনের বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। তাহলে আর কোন অপশক্তি আমাদের ঠেকাতে পারবে না। পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও মৈত্রীর সেতুবন্ধন রচিত হলো।
নগরের ৪১ ওয়ার্ডের ৯ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সাড়ে ৭ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেবে চসিক
১০ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভাইরাসজনিত মারাত্মক সংক্রমণ রোগ হাম-রুবেলা প্রতিরোধে ৭ লাখ ৫২ হাজার ৫৬৪ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ব্যবস্থাপনায়। আগামী ১২ ডিসেম্বর ২০২০ থেকে ২৪ জানুয়ারি ২০২১ মধ্যে নগরের ৪১ ওয়ার্ডের ৯ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী ৩ লাখ ১ হাজার ২৬ জন এবং ৫ বছর থেকে ১০ বছরের ৪ লাখ ৫১ হাজার ৫৩৮ শিশুকে ১ ডোজ করে টিকা দেওয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) সকালে চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে চসিকের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলী, ডা. সানোয়ার আলম, ডা. আশরাফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভাগীয় কো অর্ডিনেটর ডা. ইমং প্রু চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট বয়সের কোনো শিশু আগে হাম-রুবেলা টিকা পেলেও ক্যাম্পেইন চলাকালে ১ ডোজ টিকা অতিরিক্ত হিসেবে নিতে হবে। টিকাদান কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখা ও মুখে মাস্ক রাখতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় হাম সাধারণত আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসা অন্যদের মধ্যে হাঁচি কাশির মাধ্যমে ছড়ায়। শিশু ছাড়াও যেকোনো বয়সে হাম হতে পারে। রুবেলা রোগের জীবাণু প্রধানত বাতাসের সাহায্যে শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে সুস্থ শরীরে প্রবেশ করে এবং লক্ষণ দেখা দেয়। ডা. সেলিম আকতার আরো জানিয়েছেন, গর্ভবতী মায়েরা গর্ভের ৩ মাসের সময় রুবেলা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে মা থেকে গর্ভের শিশু আক্রান্ত হতে পারে। সেক্ষেত্রে গর্ভপাত এমনকি গর্ভের শিশুর মৃত্যুও হতে পারে। শিশু জন্মগত বিভিন্ন জটিলতা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে যা কনজেনিটাল রুবেলা সিনড্রোম (সিআরএস) নামে পরিচিত। কোনো শিশু এমআর টিকা না পেলে অন্যরাও তার মতো হাম রুবেলা রোগের ঝুঁকিতে থাকে। ক্যাম্পেইন চলাকালে চসিক জেনারেল হাসপাতালে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (নম্বর ০৩১-৬৩৪৫৮৪, ০৩১-৬১৬৫৫৫) খোলা থাকবে।
করোনা: চট্টগ্রামে একদিনেই আক্রান্ত ১৮৫ জন
১০ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ৭৭৭টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৮৫ জন। এ নিয়ে মোট করোনা আক্রান্ত ২৭ হাজার ২৩৩ জন। এইদিন চট্টগ্রামে করোনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এইদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামে ৮টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৩১টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৩ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ৭৮৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ৩২ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৪৯৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫৮ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৮৪টি নমুনা পরীক্ষা হয়। এতে পজেটিভ আসে ৫ জনের। এছাড়া ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৭৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩২ জন, শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৫৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ১০ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ২১টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ১৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ৮ জনের পজেটিভ শনাক্ত হয়। কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ১১০টি নমুনা পরীক্ষা করে কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ১৮৫ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এইদিন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১ হাজার ৭৭৭টি। আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ১৫৯ জন এবং উপজেলায় ২৬ জন।
ভাস্কর্য ভাংচুর করে জাতির জনককে এই জাতির মণিকোঠা থেকে সরানো যাবে না: আ জ ম নাছির
০৯ডিসেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনকের ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে হেফাজত ইসলামসহ মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক শক্তিকে সম্মিলিত ভাবে চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়িত করার ডাক দেয়া হয়েছে। আজ ৯ ডিসেম্বর বিকালে নগরীর আন্দরকিল্লা মোড় চত্বরে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ এই ডাক দেন। সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ যখন উন্নয়নের কাঙ্খিত মাইলস্টোন স্পর্শ করতে যাচ্ছে। ঠিক তখনই পাকিস্তানি প্রেতাত্মা বিএনপি-জামায়াতের মদদপুষ্ট হেফাজত ইসলামের নেতা মামুনুল হক জাতির জনকের ভাস্কর্য নিয়ে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে বিভ্রান্তির অপরাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে। ইসলামের ফতোয়া দিয়ে দেশে অনৈসলামিক অপতৎপরতা সৃষ্টি করছে। তাদের ইন্ধনেই কুষ্টিয়ায় জাতির জনকের ভাস্কর্য ভাংচুর করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় মেজর জিয়ার ভাস্কর্য রয়েছে। কিন্তু সেই ভাস্কর্য নিয়ে হেফাজত ইসলামের কোন মাথাব্যথা নেই। শুধু বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য,শহীদ মিনার,স্মৃতিসৌধ নিয়েই তাদের যত রাজনীতি। জাতির জনককে নিয়ে আর যদি কোন বক্তব্য দেয়া হয়, আর যদি ধর্মপ্রাণ মানুষকে ধর্মের দোহাই দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়-তাহলে আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ শক্তিকে হেফাজত ইসলাম ও তাদের দোসরদের চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়িত করা হবে। সমাবেশে বক্তারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির হৃদয়ে মিশে আছেন। ভাস্কর্য ভাংচুর করে জাতির জনককে এই জাতির মণিকোঠা থেকে সরানো যাবে না। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে, ভাস্কর্য ভাংচুর করে এই দেশে টিকে থাকা যাবে না। সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতে সরকারের কাছে দাবী জানান। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্ব ও প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নঈম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, এড.ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল,জহিরুল আলম দোভাষ,আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু,শফিক আদনান,চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী,মসিউর রহমান,চন্দন ধর,এড.ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী,শফিকুল ইসলাম ফারুক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশ শেষে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল আন্দরকিল্লা থেকে জামালখান হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সমাবেশে সকল ২৬টি ওয়ার্ড থেকে আওয়ামী লীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ,শেচ্ছাসেবকলীগসহ অঙ্গসহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
সকল থানা ও মহানগর গোয়েন্দা বিভাগকে যৌথভাবে কাজ করার পরামর্শ সি এম পি কমিশনারের
০৯ডিসেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দামপাড়াস্থ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স সদর দপ্তরের কনফারেন্স হলে সিএমপির নভেম্বর-২০২০ মাসের মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, পিপিএম। সভায় সিএমপি কমিশনার তার বক্তব্যে নগরীর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার জন্য সকল থানা ও মহানগর গোয়েন্দা বিভাগকে যৌথভাবে কাজ করার পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি সকল জোনের ডিসিদের স্ব স্ব জোনে মাদক ও ছিনতাই প্রতিরোধে অধিকতর তৎপর হতে বলেন। রুজুকৃত মামলা ও অভিযোগ সমূহের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে বলেন। এছাড়াও করোনার প্রাদুর্ভাবকালীন সময়ে সবাইকে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেন। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম, বিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) এস. এম. মোস্তাক আহমেদ খান বিপিএম, পিপিএম (বার), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) শ্যামল কুমার নাথ, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ আমির জাফর সহ পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামে ৪ প্রতিষ্ঠান পেল সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতার সম্মান
০৯ডিসেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পণ্য সেবা ও ব্যবসায় সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা হিসেবে এবার চট্টগ্রামে চার প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা স্মারক দেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এছাড়া জাতীয় পর্যায়ে ৯ জন, জেলা পর্যায়ে ১৫০ জনকে সম্মাননা স্মারক ও সনদ দেওয়া হবে। জাতীয় ভ্যাট দিবস বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর)। চট্টগ্রাম বিভাগে এক্সক্লুসিভ ক্যান লিমিটেড, ইনসাইড মিউচ্যুয়াল জুট স্পিনার্স মিলস, ভেনাস রিসোর্ট এন্ড কফি হাউস এবং মেসার্স ফোর স্টার এন্টারপ্রাইজকে সম্মাননা স্মারক ও সনদ দেবেন কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার। ১০-১৫ ডিসেম্বর ভ্যাট সপ্তাহ দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে। সারা দেশের মতো চট্টগ্রামেও জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ১০-১৫ ডিসেম্বর ভ্যাট সপ্তাহ উপলক্ষে চলছে নানা আয়োজন। তবে করোনা মহামারীর কারণে এবারের আয়োজন একটু ভিন্ন ধরনের। প্রতিবারে Railly ও আলোচনাসভার আয়োজন করা হলেও এবার জাতীয় ভ্যাট দিবস উপলক্ষে নগরের রিকশাওয়ালাদের টি-শার্ট দেওয়া হয়েছে। চাঁটগাইয়া আঞ্চলিক ভাষায় বিভিন্ন জনবহুল স্থানে প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হবে। টিভি টক-শো, ভ্যাট দিবসের গুরুত্ব বিবেচনায় সচেতনতামূলক মাইকিং করা হবে বলে জানিয়েছেন কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাটের অতিরিক্ত কমিশনার মো. কামরুজ্জামান। এ ছাড়াও ব্যবসায়ী, চেম্বার নেতৃবৃন্দ ও সরকারি কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় জুম অ্যাপে আলোচনা সভা হবে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় মুজিববর্ষের অঙ্গীকার ইএফডিতে এনবিআর। এ প্রতিপাদ্য বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গৃহীত বিভিন্ন যুগান্তকারী উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ জোগান দেওয়ার জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক গঠিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সদা তৎপর। রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার জন্য ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের মাধ্যমে অনলাইনভিত্তিক কর ব্যবস্থা প্রস্তুত করা হচ্ছে।
চট্টগ্রামে নতুন করোনা আক্রান্ত ১৯২ জন
০৯ডিসেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৯২ জনের। এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৭ হাজার ৪৮ জন। মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামের ৮টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ১হাজার ৩৯৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এরমধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ১৩১টি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৩৫৮টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৪৭০টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৬১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে চবি ল্যাবে ৩০ জন, বিআইটিআইডি ল্যাবে ২০ জন, চমেক ল্যাবে ৬৬ জন, সিভাসু ল্যাবে ৮ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া, বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১০৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৫ জন, শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ১৫২টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৫ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৩২টি নমুনা পরীক্ষা করে ১১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ১৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭টি পজেটিভ শনাক্ত হয়। কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি। এইদিন কোনো মৃত্যুর তথ্য দেয়নি চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ১৯২ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ১৭৬ জন এবং উপজেলায় ১৬ জন।
সামুদ্রিক মৎস্য আইনকে বাস্তবধর্মী করার বিকল্প নেই
০৮ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,সিনিয়র সংবাদদাতা,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন সামুদ্রিক মৎস্য আইনের বিভিন্ন ধারা, উপধারা, পরস্পর বিরোধী এবং সাংঘর্ষিক বিষয়গুলো সংশোধনের দাবি জানিয়েছে মেরিন হোয়াইট ফিস ট্রলার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানানো হয়। এ সময় অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ সভাপতি সৈয়দ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মো. তাজউদ্দিন তাজু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূর নবী, সহ সভাপতি দিদারুল আলম চৌধুরী, সদস্য সাইফুল ইসলাম বুলবুল, জসিম উদ্দিন হায়দার, মাসুদ আকতার চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মনোয়ার হোসেন, মোবারক, আবদুল মান্নান, মো. কামাল, নাজমুল, আলাউদ্দিন, রাশেদ, নাছির, সাজু, রুবেল, হেলাল আহমেদ চৌধুরী, আবদুল মজিদ, নাছির উদ্দীন, রাসেল রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বর্তমান সরকার সামুদ্রিক মৎস্য অর্ডিনেন্স ১৯৮৩ বাতিল করে গত ১৬ নভেম্বর জাতীয় সংসদে সামুদ্রিক মৎস্য আইন ২০২০ প্রণয়ন করে। যা গত ২৬ নভেম্বর গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে। সময়ের চাহিদার প্রতিফলনে নতুন আইন বাস্তবতা বিবর্জিত, সাংঘর্ষিক ও জনগণের মৌলিক অধিকার পরিপন্থী। এ আইন প্রণয়নের সময় সামুদ্রিক মৎস্যজীবী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে কোনো আলোচনা কিংবা মতামত নেওয়া হয়নি। যার ফলে অরাজক পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। নতুন আইনের ধারাগুলো এমনভাবে রাখা হয়েছে যা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের স্পিড মানি গ্রহণ এবং অসৎ পন্থা অবলম্বনের সুযোগ সৃষ্টির সহায়ক হয়েছে। নতুন আইনে লঘু অপরাধের জন্য গুরুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অনেক ধারা দেশের প্রচলিত ফৌজদারী আইন কানুনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। অধিকাংশ ধারা, উপধারাগুলো ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যবসাবান্ধব নয় বরং বিনিয়োগকারীদের ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে স্টিল ও কাঠের বডির ২৫৮টি বড় ফিশিং ট্রলার আছে। এককটি ট্রলারে ৩০ জনের বেশি স্কিপার, ইঞ্জিনিয়ার, নাবিক ও কর্মকর্তা আছেন। নতুন আইনের কঠোরতার কারণে সামুদ্রিক মৎস্য ট্রলারে কর্মরত স্কিপার, ইঞ্জিনিয়ার, সেইলর, কর্মকর্তা এবং সব বিনিয়োগকারী স্টেক হোল্ডারসহ সংশ্লিষ্ট সবাই শঙ্কিত হয়ে গত ৫ ডিসেম্বর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ বন্ধ করে বন্দরে ফেরত আসেন। ট্রলার মালিকরা একদিকে ট্রলারের চলমান খরচ জোগান দিতে হচ্ছে অপর দিকে বৈশ্বিক করোনা মহামারি ও ব্যাংক লোনের কিস্তি পরিশোধের ঝুঁকি সামাল দিতে হচ্ছে যা মোকাবেলা অত্যন্ত কঠিন হবে। নতুন আইনটি সংশ্লিষ্ট শ্রেণি, পেশা ও সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবধর্মী ও সর্বজনীন করার কোনো বিকল্প নেই।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর