মহান একুশ বাঙালির আত্মজাগরণের হাতিয়ার
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের উদ্যোগে অমর একুশ ও আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস স্মরণে বায়ান্ন অনুরণিত একাত্তর ভাষা আর মুক্তিযুদ্ধ, বাঙ্গালি হৃদয়ে চির ভাস্বর শীর্ষক এক আলোচনা সভা গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সংগঠনের সভাপতি বাবুল কান্তি দাশের সভাপতিত্বে কদমমোবারক এম ওয়াই উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ। প্রধান বক্তা ছিলেন কবি আশীষ সেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবালের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন নাট্যজন সজল চৌধুরী, মিঠুল দাশ গুপ্ত, অধ্যক্ষ রতন দাশ গুপ্ত, ডাঃ ডি কে ঘোষ, জসিম উদ্দীন চৌধুরী, বিজয় শংকর চৌধুরী, কবি স্বপন বড়ুয়া, সৈয়দা শাহানা আরা বেগম, এস এম জে রহমান, অচিন্ত্য কুমার দাশ, সেলিম উদ্দীন, সোহেল তাজ, মঞ্জুরুল আলম, মোঃ নাছির উদ্দীন, মোঃ জাবেদ প্রমুখ। সভায় প্রধান অতিথি বলেন একুশ বাঙ্গালির আত্নজাগরণের হাতিয়ার। একুশের সিড়ি বেয়ে আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। তিনি বলেন ৫২ এর ভাষা আন্দোলনের যে আত্নত্যাগ তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। সভার শুরুতে সকল ভাষা শহীদদের স্মরনে নিরবতা পালন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ফেসবুকের পরিচয়ে প্রেম,তারপর বিয়ে এবং খুন
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে বগুড়ার আশা আক্তারের সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মো. শামীমের প্রেম, তারপর বিয়ে। বিয়ের চার মাসের মাথায় গলাকেটে শামীমকে খুন করেন আশা আক্তার। শামীম খুন হওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে আশা আক্তারকে বগুড়া থেকে গ্রেফতার করে চট্টগ্রাম নিয়ে আসার পর এমন তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। আজ বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) কুসুম দেওয়ান বলেন, এক বছর আগে ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে চার মাস আগে বিয়ে হয় শামীম ও আশা আক্তারের। বিয়ের পর আশা আক্তার জানতে পারেন, শামীম আগেও বিয়ে করেছেন এবং তার দুইটি বাচ্চা আছে। সেই ক্ষোভ থেকে শামীমকে খুনের পরিকল্পনা করে আশা আক্তার। ডিআইজি কুসুম দেওয়ান বলেন, আশা আক্তার আগে কখনও চট্টগ্রাম আসেননি। ১৬ ফেব্রুয়ারি শামীমের সঙ্গে প্রথম এসেছিলেন। সেদিনই শামীমকে ঘুমের মধ্যে খুন করে বগুড়া পালিয়ে যান। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা ছুরিটি বগুড়া থেকে কিনে নিয়ে এসেছিলেন আশা আক্তার। তিনি বলেন, শামীমকে বগুড়াতে স্যাটেল (স্থায়ী) করার জন্য এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে একটি ইজিবাইক কিনে দিয়েছিলেন আশা আক্তার। কিন্তু শামীম আশা আক্তারকে না বলে চট্টগ্রাম চলে আসায় ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়। এর পরই খুনের পরিকল্পনা করে আশা। শামীম ফোনে আশা আক্তারকে চট্টগ্রাম চলে আসার জন্য বললে তিনি রাজি হয়ে যান। পরে শামীম গিয়ে আশা আক্তারকে নিয়ে আসেন এবং ভাড়া বাসায় উঠেন। কুসুম দেওয়ান বলেন, শামীমকে একাই খুন করেছে বলে পুলিশকে জানিয়েছে আশা আক্তার। সংবাদ সম্মেলনে সিএমপির উপ-কমিশনার (পশ্চিম) ফারুক উল হক, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার কামরুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (পাহাড়তলী জোন) পংকজ বড়ুয়া, পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সদীপ কুমার দাশ উপস্থিত ছিলেন। যেভাবে শনাক্ত ভিকটিম ও খুনী: স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে খুন হওয়ার পর পাহাড়তলী থানাধীন আবদুল আলী নগর থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর তদন্তের দায়িত্ব পান পাহাড়তলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অর্ণব বড়ুয়া। একটি ফোন কলের সূত্র ধরে প্রথমে ভিকটিম শামীমের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ। পরে শামীমের সঙ্গে কথোপকথনের সূত্র ধরে শনাক্ত করা হয় আশা আক্তারকে। শামীমের পরিবারের কেউ আশা আক্তারকে চিনতেন না, কখনও দেখেননি। না চিনলেও শামীমের সঙ্গে এক মেয়ের মোবাইল ফোনে কথা হয় এমন তথ্য পুলিশকে দেন শামীমের পরিবার। আশা আক্তারের পরিচয় পেয়ে পুলিশ দুইদিন বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। এসআই অর্ণব বড়ুয়া বলেন, বাসা ভাড়া নেয়ার জন্য বাড়ির মালিকের মেয়ের মোবাইল নম্বরে কল দিয়েছিলেন শামীম। সেই নম্বরের সূত্র ধরে শামীম ও আশা আক্তারের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সদীপ কুমার দাশ বলেন, বুধবার দুপুরে আশা আক্তারকে আদালতে তোলা হয়েছে।
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় জনপ্রতিনিধিদের তৎপর হওয়ার আহ্বান
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন জন প্রতিনিধি হিসেবে কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলা ও পরিবেশ রক্ষায় তৎপর হওয়ার আহবান জানিয়েছেন। নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে নগরে জনসংখ্যার চাপ বেড়েছে। একদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অতি বৃষ্টি-অনাবৃষ্টি , বন্যা-খরা, পাহাড় ধসে জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এ ব্যাপারে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। তিনি গতকাল মঙ্গলবার কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে জলবায়ু পরিবর্তনে দুঃস্থতা সমীক্ষা বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সামসুদ্দোহার সভাপতিত্বে ও এলইউপিসির সিটি ম্যানেজার ড. সোহেল ইকবালের সঞ্চালনায় কর্মশালার মতামত ও মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, মো.মোবারক আলী, ছালেহ আহমদ চৌধুরী, মো. শফিউল আলম, মনোয়ারা বেগম মনি, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কোডেকের প্রধান নির্বাহী কমল সেন গুপ্ত। কর্মশালায় জলবায়ু পরিবর্তনের দুঃস্থতা সমীক্ষা বিষয়ে উপস্থাপনা করেন এশিয়ান ডিজস্টার প্রিপেয়ার্ডন্সে সেন্টার (এডিপিসি)র ফিজিক্যাল ভালনারেবল কো- অর্ডিনেটর মো. সাখাওয়াত হোসেন। কর্মশালায় জলবায়ু পরিবর্তনের ( ভৌত ও আর্থ সামাজিক) বিপদাপন্নতা মূল্যায়ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় আপদ, বিপদাপন্নতা মূল্যায়নে এক্সপোজার, সেন্সিটিভিটি এডাপ্টিভ ক্যাপাসিটি নিয়ে আলোচনা হয়। এতে আপদকালীন সময়ে আক্রান্ত স্থানকে এক্সপোজ করা, মানব সৃষ্ট কারনে কোন স্থান বা সম্প্রদায়ে জলবায়ূ পরিবর্তনের প্রভাবকে বেশি বিপদাপন্ন করলে কিভাবে তা মোকাবেলা করা যায় এ বিষয়গুলো আলোচনায় উঠে আসে। অনুষ্ঠানে মানুষ, সম্পদ ও পরিবেশের ক্ষতি সাধন করতে পারে এরূপ সম্ভাব্য ঘটনাকে আপদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আপদ গুলো হলো- বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, জ্বলোচ্ছাস, নদী ভাঙ্গন, খাবার পানির সংকট ও ভূমি ধস। সম্ভাব্য এই আপদগুলোর কারনে যে সকল অবকাঠামো ও স্থান আক্রান্ত হতে পারে। এ গুলোর মধ্যে অবকাঠামো অর্থাৎ সকল প্রকার আবাসিক ভবন, রাস্তাঘাট ব্রিজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভবন, হাসপাতাল, সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সমূহ,বিদ্যুৎ, গ্যাস,পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা রয়েছে। কর্মশালায় কাউন্সিলরগন নগরীর যে সকল স্থানে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ লাগানো যায় কিনা, সৌর্ন্দযবর্ধিত করন, ইউএনডিপির সহযোগিতা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সচেতনতা মূলক নাটক প্রর্দশন, খাল, নদী, সমুদ্রের ভাঙনের বিষয়কে বিবেচনায় আনা, সুপেয় পানির অভাব, পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, জলবায়ূ পরিবর্তনে দুঃস্থতা সমীক্ষা বিষয়ে ওয়ার্ড ভিত্তিক নিখুঁত প্রতিবেদন প্রস্তুতে আগামী সাত দিনের মধ্যে সকল কাউন্সিলরদের কাছে পত্র প্রেরনের মাধ্যমে মতামত নেয়া হবে। এজন্য তিনি সকল কাউন্সিলরদের জলবায়ু পরিবর্তনজনীত সম্ভাব্য ঝুঁকি ও আপদগুলো নির্ণয়ের অনুরোধ জানান। জলবায়ু পরিবর্তনজনীত পরিবেশের সম্ভাব্য ভারসাম্যহীনতার বিষয় সম্পর্কে ইউএনডিপির দুজন প্রতিনিধি আজ বুধবার চসিকের সাধারন সভায় কাউন্সিলদের অবহিত করবেন। পরবর্তীতে তারা ওয়ার্ড পর্যায়েও কাজ করবেন। উল্লেখ্য, প্রাথমিক পর্যায়ে এই প্রতিনিধিদল নগরীর ১০ ওয়ার্ডে তাদের সমীক্ষার কার্যক্রম চলাবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সিআইইউতে প্রোগ্রামিং কনটেস্টে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: লড়াই করে জেতার ভেতর আছে অন্যরকম অনুভূতি। আছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। আর সেই লড়াইটা যদি হয় প্রোগ্রামিং কনটেস্ট নিয়ে তাহলে তো কথাই নেই! চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউর) স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো জমজমাট আন্তঃস্কুল প্রোগ্রামিং কনটেস্ট প্রতিযোগিতা। সম্প্রতি নগরের জামালখানের সিআইইউ ক্যাম্পাস এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে প্রতিযোগিতায়। এতে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের ১৪টি দল অংশগ্রহণ করে। যার মধ্যে তিনটি দলকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঘোষণা করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল হক খান বলেন, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ের শিক্ষার্থীরা সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা প্রোগ্রামিংয়ে তাদের পেশা গড়তে চায়। এই ধরনের আয়োজন তাদের ভবিষ্যতে ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের প্রধান সহকারী অধ্যাপক আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহযোগী অধ্যাপক ড. আসিফ ইকবাল, সহকারি অধ্যাপক রাইসুল ইসলাম রাসেল, প্রভাষক হাবিবুর রহমান, ইরতিজা চৌধুরী প্রমুখ। জানতে চাইলে প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক ও সহকারী অধ্যাপক রাইসুল ইসলাম রাসেল বলেন, প্রোগ্রামিং কনটেস্টের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তুলতে এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আমরা মনে করি এখানে অংশ গ্রহনের ফলে তাদের মানসিক দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যবহারিক কোডিং দক্ষতা ও এলগরিদমিক চিন্তাভাবনা বেড়ে যাবে। আয়োজকরা জানান, তিন ঘন্টাব্যাপী প্রতিযোগিতায় আটটি সমস্যার মধ্যে চারটির সমাধান করে চ্যাম্পিয়ন হয় সিআইইউ অ্যাভেন্‌জার্স গ্রুপ। এই দলের সদস্যরা হলেন: সাদমান সাইফ, পার্থ চক্রবর্তী, অমিত ঘোষ ও রাফিয়া রহমান। অপর দুই রানার্স আপ দল হলো সিআইইউ ইগ্নিটার্স ও ইনকুইসিটিভ। এরা প্রত্যেকে দুটি করে সমস্যার সমাধান করেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের বিষয়ে বিজয়ী দলের সদস্য সাদমান সাইফ বলেন, প্রোগ্রামিং নির্দেশনাগুলো যত বেশি নিখুঁত হবে, সমস্যা সমাধান ততবেশি সহজ হয়। রাজীব হাসান নামের রানার্স আপ দলের একজন প্রতিযোগী বলেন, বর্তমান যুগে প্রায় সব রকম জটিল ও কঠিন সমস্যার সমাধান করা যায় কম্পিউটার সফটওয়ারের মাধ্যমে। তাই এমন প্রতিযোগিতা অনেক বেশি হওয়া উচিত। অপর সদস্য শিক্ষার্থী মাহমুদা তাসনিম বলেন, প্রথমে সমস্যাগুলো নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছিলাম। পরে বন্ধুরা মিলে দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করেছি। যদিও রানার্স আপ হয়েছি। তবে বিজয়ী হলে আরও ভালো লাগতো। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ভুয়া ডাক্তার ও ভেজাল ওষুধের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলবে
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারো ক্ষমতায় আসার পর দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখাসহ দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদক রোধের পাশাপাশি ভেজালমুক্ত খাবার ও স্বাস্থ্য সেবার প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে আমাদের সকলকে এসব বিষয়ে আন্তরিক ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ভেজাল খাবার খেয়ে মানুষ ঘাতক ব্যাধি ক্যান্সারসহ জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এখানে ভুয়া ডাক্তারের দৌরাত্ম্য ও ভুয়া-ভেজাল ওষুধের ব্যবসাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ভুয়া ডাক্তাররা ছোট-বড় ফার্মেসিতে বসে প্র্যাকটিসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। এখন থেকে ভুয়া ডাক্তার, নকল ও ভুয়া ওষুধসহ ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নিয়মিত অভিযান চলবে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকগণকে এসবের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করতে হবে। সমাজ থেকে ভুয়া ডাক্তার, ভেজাল ওষুধ, ভেজাল খাবার, দুর্নীতি, মাদক, চোরাচালান, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স থাকবে। কোন ধরনের ছাড় নেই ও এর কোন ব্যত্যয় ঘটবে না। গতকাল সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পৃথকভাবে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক টাস্কফোর্সের সভা, বিভাগীয় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা, জেলা প্রশাসক সমন্বয় সভা ও বিভাগীয় রাজস্ব সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার অফিস পৃথক সভাগুলোর আয়োজন করেন। তিনি বলেন, কক্সবাজারে শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণের পর সড়ক পথে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক পাচার হ্রাস পেতে পারে। সড়ক পথ বাদ দিয়ে নৌপথে মাদক পাচার হতে পারে। আবার কোন কোন চক্র মাদক পাচারে নতুন রুট ব্যবহার করতে পারে। এ ব্যাপারে বিজিবি, কোস্টগার্ড ও পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। একই সাথে খুন, ছিনতাই, দস্যুতা, ইভটিজিং, রাহাজানি, অপহরণ ও অন্যান্য অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে তৎপর থাকতে হবে। সামাজিক অস্থিরতার কারণে আত্মহত্যা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা যাতে বৃদ্ধি না পায় সে বিষয়ে সচেতনতার বিকল্প নেই। দুর্ঘটনারোধে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনীসহ অন্যান্য জেলা মহাসড়কে বিদ্যুৎ খেকো ও ব্যাটারিচালিত রিক্সাসহ থ্রি-হুইলারগুলোর ব্যবহার রোধ করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশ দেন তিনি। বিভাগীয় কমিশনার আরো বলেন, সীমান্তবর্তী জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে চোরাচালান নিরোধ কমিটির সভা ফলপ্রসূ হওয়ার ব্যাপারে জেলা প্রশাসকগণেরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সরকার ভর্তুকি দিয়ে বিদেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করছে। পেট্রোল পাম্প থেকে ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানি তেল যাতে পাচার না হয় সে বিষয়ে সীমান্তবর্তী জেলা প্রশাসকগণকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। ফিলিং স্টেশনের মালিকদের সাথে এ ব্যাপারে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে। পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, মাদক রোধে পুলিশের পক্ষ থেকে থাকবে জিরো টলারেন্স। অস্ত্র উদ্ধার, চোরাচালানরোধ, জঙ্গি-সন্ত্রাসী ও চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইদানিং সড়ক দুর্ঘটনা সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ জন্য গাড়ির চালক-হেলপার এককভাবে দায়ী নয়। সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করবে। এজন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। কোন ট্রাফিক পুলিশ রাস্তায় চাঁদাবাজি করার চিত্র চোখে পড়লে কিংবা সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধরা পড়লে তা উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) আমেনা বেগম বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামুটি ভাল। অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারসহ অপরাধীদের গ্রেফতারে মেট্রোপলিটন পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। দুর্ঘটনা রোধ, যানজট নিরসনে ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন চালক ও অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে পৃথক সভাগুলোতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, বিভাগীয় পরিচালক (স্থানীয় সরকার) দীপক চক্রবর্তী, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, বিজিবির চট্টগ্রামের রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আমিরুল ইসলাম সিকদার, সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) আমেনা বেগম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মো. নুরুল আলম নিজামী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন (চট্টগ্রাম), তন্ময় দাস (নোয়াখালী), মো. মাজেদুর রহমান খান (চাঁদপুর), আবুল ফজল মীর (কুমিল্লা), মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম (বান্দরবান), অঞ্জন চন্দ্র পাল (লক্ষ্মীপুর), একেএম মামুনুর রশিদ (রাঙামাটি), মো. কামাল হোসেন (কক্সবাজার), মো. শহিদুল ইসলাম (খাগড়াছড়ি), হায়াত উদ-দৌলা খান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মো. ওয়াহিদুজ্জামান (ফেনী), চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু শাহেদ চৌধুরী (উপ-সচিব) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. মজিবুর রহমান পাটোয়ারী, হাইওয়ে পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ, চট্টগ্রাম জেলা পিপি অ্যাডভোকেট একেএম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পূর্বাঞ্চলের সভাপতি মৃণাল চৌধুরী, বৃহত্তর চট্টগ্রাম পণ্য পরিবহন ফেডারেশনের সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক অঞ্জনা ভট্টাচার্য্য, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-পরিচালক ড. গাজী গোলাম মাওলা। বিগত সভার সিদ্ধান্ত ও অগ্রগতি তুলে ধরেন বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ জুবায়ের ও মোহাম্মদ জাকারিয়া। পৃথক সভাগুলোতে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
যারা রাজপথে থাকবেন নেতৃত্বে আসবেন তারাই
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, পরীক্ষিত রাজপথের দুঃসময়ের নেতাকর্মীরাই নেতৃত্বে আসবেন। এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে কোন বিভাজন নেই। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ বিরোধী অবস্থান। এ সত্যটিকে উপলব্ধি করে স্থানীয় নেতৃত্বকে শক্তিশালী করতে হবে। তিনি গতকাল ১৪নং লালখান বাজার ওয়ার্ডে মহানগর আওয়ামী লীগ ঘোষিত ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে সদস্য নবায়ন ও সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্যে একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, দলের আদর্শিক ও সাংগঠনিক গুরুত্বকে ধারণ করে যারা রাজপথে সক্রিয় থাকবেন তারাই পদমর্যাদার অধিকারী হবেন। এক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সদস্য সংগ্রহ অভিযান বা নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তিতে দল, স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি আনুগত্যকারী ব্যক্তিজনকেই দলের সদস্যপদ প্রদান করতে হবে। এ ব্যাপারে যাচাই বাছাই করার জন্য যারা দায়িত্বে আছেন তাদের সচেতন হওয়ার গুরুত্বারোপ করেন তিনি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, দলের দুঃসময়ে যারা দলের সাথে থাকেন এবং রাজপথে থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অগ্রযাত্রায় নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী কাজ করার আত্মপ্রত্যয়ী তারাই নেতৃত্বে আসবেন। আমরা সবাই মিলে সকলের সহযোগে সংগঠনকে শুধু দলীয় নয়, জাতীয় স্বার্থে এদেশকে সামনের দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাব। লালখান বাজার ওয়ার্ডস্থ শহীদনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব ছিদ্দিক আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুমের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার সরকার। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদস্য নবায়ন কার্যক্রমের সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ফারুক। বক্তব্য রাখেন খুলশী থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোমিনুল হক, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ এফ কবির আহমদ মানিক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আফছার উদ্দিন সেলিম, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ হাসান পিকু, মতিঝর্ণা ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম, বাগঘোনা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক আলী আহমেদ, ডেবারপাড় ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক শেখ রহমতুল্লাহ বাবু, যুবলীগের মো. মাঈনুদ্দিন হানিফ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের মো. ওয়াসিম উদ্দিন, ছাত্রলীগের মো. জাবেদ। প্রধান অতিথি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ও উদ্বোধক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন লালখান বাজার ওয়ার্ডের সভাপতি আলহাজ্ব ছিদ্দিক আহমেদ সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুম, মো. মোমিনুল হক। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
টেকসই উন্নয়নের জন্য গুণগত শিক্ষার বিকল্প নেই
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি (সিআইইউ) সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফজুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, গুণগত শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষক, শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নগরের জামালখানের সিআইইউ ক্যাম্পাসের কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপাচার্য। এই সময় বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, ডিন, অধ্যাপক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফজুল হক চৌধুরী বলেন, সিআইইউ সময়ের আগে এগিয়ে যেতে চায়। তাই শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে আরও কিছু সার্টিফিকেট কোর্স ও প্রোগ্রাম চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয়কে মডেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছি। শিক্ষার্থী, দক্ষ শিক্ষকমণ্ডলী, পাঠ্যক্রম, পাঠ্যসূচি, ল্যাব সুবিধা, প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা, উপযুক্ত মূল্যায়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর দিকে অধিক মনোযোগ দিয়েছি। উপাচার্য বলেন, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সর্বাগ্রে দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষকের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছি আমরা। মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতার উৎকর্ষ ও মেধার বিকাশ ঘটানোর মাধ্যমে শিক্ষাকে সবার কাছে পৌঁছে দিতে তিনি নানামুখী উদ্যোগের কথা বৈঠকে তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক, সাফিয়া রহমান, লুৎফে এম আইয়ুব, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মাহমুদুল হক, অধ্যাপক ড. এম আইয়ুব ইসলাম, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য সচিব ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আনুজুমান বানু লিমা প্রমুখ। বৈঠকে ২০১৯ সালের অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুমোদন, টিউশন ফি, সিলেবাস আপডেট, মাঠ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, স্কলারস ডে, ক্রিয়েটিভ রাইটারস ক্লাব গঠনসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক বলেন, চট্টগ্রামে গুণগত মান নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা হাতে গোনা। সিআইইউ তার অন্যতম। তাই অভিভাবকদের আস্থা ধরে রাখতে আগামিতে নিজেদের সেরা শিক্ষাটা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। সাফিয়া রহমান বলেন, কর্মমুখী সিলেবাসের কার্যক্রম হিসেবে ক্লাস রুমের বাইরে অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। তবেই মেধার বিকাশ ঘটবে শিক্ষার্থীদের। লুৎফে এম আইয়ুব বলেন, আমরা এখন দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিকমানের শিক্ষার দিকে ধাবিত হচ্ছি। বিষয়টি নিঃসন্দেহে আনন্দের, গৌরবের। সিআইইউ এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে এমনটা চাওয়া আমার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ত্রাণ
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গতকাল ১৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার চাক্তাই ভেড়া মার্কেট বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রি বিতরণ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ত্রাণ বিতরণ করেন ফাউন্ডেশন’র নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম। ত্রাণ বিতরণকালে মনজুর আলম বলেন, মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন সব সময় মানব সেবায় নিয়োজিত। এভাবে আর্তমানবতার সেবা ও অসহায়-ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য-সহযোগিতা করা সমাজের সকল বিত্তবানদের দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতায় সমাজের সকলে এগিয়ে এলে এই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলোর দুঃখ-দুর্দশা কিছুটা লাঘব হতে পারে। এ সময় মনজুর আলম ক্ষতিগ্রস্ত পুরা এলাকা ঘুরে দেখেন ও এই ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের কবলে পড়া অসহায় পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং তাদেরকে সান্ত্বনা দেন। এতে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর হাজী মোহাম্মদ নুরুল হক, কাউন্সিলর লুৎফুন্নেছা দোভাস, সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ জামাল আহাম্মদ, বঙিরহাট আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল আলম, জাহাঙ্গির আলম, লিটন রায় চৌধুরী, মামুনুর রশিদ, শান্ত দাস গুপ্ত, আক্তার হোসেন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কাভার্ড ভ্যান- সিএনজিচালিত অটোরিকসার মুখোমুখি সংঘর্ষে,নিহত 2
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালীতে কাভার্ড ভ্যানের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজিচালিত অটোরিকসার আরোহী খালা ও ভাগনি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরের দিকে সাধনপুর ইউনিয়নের বাণীগ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- বাহারচড়া ইউনিয়নের ইলশা গ্রামের মারুফ হোসেনের স্ত্রী রহিমা বেগম (৪৮) এবং একই এলাকার জমির হোসেনের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (১৩)। স্থানীয়রা জানান, কাভার্ড ভ্যানটি চট্টগ্রাম শহরে যাওয়ার পথে অটোরিকসাটির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুজন ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান। গুরুতর আহত হন অটোরিকসার চালকসহ দুজন। বাঁশখালী থানার ওসি কামাল হোসেন জানান, কাভার্ড ভ্যানটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে গেছেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর