প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ
২৬অক্টোবর,শনিবার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব, প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর ৬৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ ২৪ অক্টোবর রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় কদম মোবারকস্থ মরহুমের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করা হয়। বিকেল ৩ ঘটিকার সময় গণ-অধিকার ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে সংগঠনের চকবাজারস্থ কার্যালয়ে আলোচনা সভা গণ-অধিকার ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি আলহাজ্ব আবু মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গণ-অধিকার ফোরামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব এম.এ হাশেম রাজু বলেন, মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর জীবনে বড় স্বপ্ন ছিল এদেশে জাতীয় আরবী বিশ্ববিদ্যারয় প্রতিষ্ঠা করা। সেজন্য দেয়াং পাহাড়ে এগারশত কানি জায়গা লীজ ও দান মূলে খতিয়ানভুক্ত করেন। তাঁর মৃত্যুর কারণে ঐ এলাকায় আজও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়নি। ইসলামাবাদী আমাদের মাতৃভাষা বাংলা রক্ষার জন্য সর্ব প্রথম সাহসের সহিত কলম ধরেন। ইসলামাবাদী রাজনীতিবিদ হিসেবে মজলুম জননেতা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর গুরু ছিলেন। তিনি আরো বলেন, এই মানুষটি বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের জন্য বহুবার কারা নির্যাতিত হয়েছেন। তিনি আরো বলেন, আজ চট্টগ্রামে এই মহান নেতার জন্মভুমি হওয়ায়, এই দেশের প্রতিটি সরকার তাঁর প্রতি অবিচার ও অবহেলা করেছে যা মেনে নেওয়া যায় না। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার দেশের বড় বড় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। আমরা দাবী জানায় মরহুমের স্বপ্ন আরবী বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করলে তাঁর আত্মা শান্তি পাবে। বক্তারা আরো বলেন, কালুরঘাট বহুমুখী সেতুটি মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর নামে নামকরণ করা হোক। ১৯৩০ সালে তিনি কৃষক প্রজা পার্টির চট্টগ্রাম দক্ষিণ থেকে বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য ছিলেন। এই সময় দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পার্লামেন্টে ভূমিকা রেখেছেন। তিনি চট্টগ্রাম থেকে বার্মা আকিয়াব শহর পর্যন্ত রেল লাইনের জন্য কাজ করেছেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন গণ-অধিকার ফোরামের ভাইস-চেয়ারম্যান নুরুল হাকিম লোকমান, বিশিষ্ট ইতিহাস গবেষক সোহেল মুহাম্মদ ফখরুদ-দীন, নাগরিক ঐক্যের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক আবদুল মাবুদ, ফোরামের যুগ্ম মহাসচিব জাফর আহমদ, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব নওশা মিয়া, সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ, ইসলামী গবেষক মোঃ আলমগীর বদি প্রমূখ।
নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যানদের নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে ড. আবু রেজা নদভীর সাক্ষাত
২৬অক্টোবর,শনিবার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী ২৩ অক্টোবর ২০১৯ইং বেলা ১টায় সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাচনে নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সালাহ উদ্দিন হাসান চৌধুরী ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদিকা আঞ্জুমান আরাকে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাত করেন। সাথে ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি এম. আবু সাঈদ, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক গোলাম ফারুক ডলার, সদস্য মাহবুবুর রহমান মেরু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি মাষ্টার ফরিদুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য জসিম উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আবু সালেহ, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও মাদার্শা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আ.ন.ম সেলিম চৌধুরী। সাক্ষাতকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এলাকার উন্নয়নের পাশাপাশি তৃণমুল পর্যায়ে সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত করার উপর গুরুত্বারূপ করেন।
সম্মিলিত উচ্চারণ,যতদিন আছি বন্ধুর পাশে থাকব
২৬অক্টোবর,শনিবার,মো:ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: অনেক নাম, অনেক চেহারা, অনেক চঞ্চলতা, অনেক সৌরভ ভিড় করেছিল বন্ধু সম্মীলনে। তাদের বয়সের তারতম্য নেই; রং, চেহারা, চরিত্রে আছে হয়তো ভিন্নতা। কিন্তু তাদের সবার চোখের উজ্জ্বলতা ও চিত্তের শুদ্ধতা ছিল একইরকম দীপ্তিময়। তাদের সম্মিলিত উচ্চারণ, যতদিন আছি বন্ধুর পাশে থাকব। ছাড়াছাড়ি করে কার সাধ্য? ছাড়তে যে চায় না কেউ কাউকে। বন্ধু বন্ধুই। যে সম্পর্কের সঙ্গে অন্য কোনো সম্পর্কের তুলনা করা যায় না। প্রকৃত বন্ধুত্বের সম্পর্ক কখনই নষ্ট হয় না। গতকাল শুক্রবার তারই ঝলক দেখালো চট্টগ্রাম এসএসসি-১৯৯৮, এইচএসসি-২০০০ ব্যাচ। নগরীর স্মরণিকা কমিউনিটি সেন্টারে দিনব্যাপী আয়োজিত এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (রুটিন দায়িত্বে) প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার। আমরা চট্টগ্রামের, চট্টগ্রাম আমাদের- এ বিশ্বাসকে বুকে ধারণ করে চট্টগ্রাম বিভাগের এসএসসি ১৯৯৮, এইচএসসি ২০০০ ব্যাচের সকল শিক্ষার্থীকে এক ছাদের নিচে সমবেত করতে মাস ছয়েক আগে ফেসবুকে একটি পেইজ খুলেছিলেন খোরশেদ আলী নামে এক তরুণ। অবিশ্বাস্য সাড়া মিলে দেশে ও দেশের বাইরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ব্যাচমেটদের। মূলত চট্টগ্রাম বিভাগের ১৯৯৮ সালের এসএসসি ও ২০০০ সালের এইচএসসি ব্যাচের সকল বন্ধুদের একত্রিত করাই ছিল গ্রুপের মূল উদ্দেশ্য। এই গ্রুপ পর্যায়ক্রমে সকল বন্ধুদের একই ছাদের নিচে এনে পরস্পরের মধ্যে সৌহার্দ্য, বন্ধন ও সম্প্রীতির মাধ্যমে যেকোনো বন্ধুর বিপদে পাশে থাকাসহ সমাজ ও দেশের যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করবে-এই বিশ্বাস উপস্থিত প্রতিটি বন্ধুর মাঝে। দিনব্যাপী এ আয়োজনে ছিল বর্ণাঢ্য Railly, কেক কেটে উদ্বোধন, ১৯৯৮ থেকে ২০০০ ব্যাচের বন্ধুদের স্মৃতিচারণ, ব্যাচের বন্ধুদের নিয়ে গঠিত ব্যান্ড ৯৮-রিবর্ন এর আত্মপ্রকাশ এবং ফাঁকে ফাঁকে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান শেষে একে একে বিদায় নিচ্ছে বন্ধুরা; কাজী জাবেদুল আলম, খোরশেদ আলী, জয়নুল আবেদীন জয়, সাইমুল শাহাদাত চৌধুরী, শাহআলম ইমন, বোরহানউদ্দিন শাহেদ, হামিদ হাসান নোমানী, আফরোজা নিরু, কানিজ ফাতেমা, জেনিফার করিমসহ অনেকেই। অশ্রুসিক্ত চোখে পরস্পরকে বিদায় জানাচ্ছে যখন, তখনো হৃদয়ের উষ্ণতা রোদের ভেতর রোদ হয়ে ওম দিয়ে চলেছে নিশ্চয় বুকের ভিটায়। এ উষ্ণতায় ভেদাভেদ নেই, আছে মিলনপিয়াসী সুখ-সুখ অনুভূতি। সামাজিক বৈষম্য, জাত, ধর্ম, বর্ণ কিছুই তাতে ব্যারিকেড দিতে পারেনি, পারবেও না।
নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ
২৪অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,মো:ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত মি. হেরি ভারুইজ। গতকাল বুধবার দুপুরে টাইগারপাসে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ভারুইজ। এ সময় উভয় দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় ছাড়াও নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন, বিনিয়োগ এবং ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় নগরীর ভৌগলিক অবস্থান ও সিটি কর্পোরেশনের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম এবং জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে চলমান কাজ সম্পর্কে ডেপুটি টিম লিডার মেজর জেড জিয়া স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তথ্য চিত্র উপস্থাপন করেন। বৈঠকে সিটি মেয়র বলেন, নগরীর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, আলোকায়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৬০টি দাতব্য চিকিৎসালয়, ৪টি মাতৃসদন, হোমিও দাতব্য চিকিৎসালয়, হেলথ টেকনোলজি ও মিডওয়াইফ ইনস্টিটিউট পরিচালনা করছে চসিক। এছাড়া শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড, জাহাজ তৈরি, বৃহৎ শিল্প কারখানা ও পোষাক শিল্প কারখানা, স্টিল মিলসের স্থাপনা ও বিশেষ শিল্পাঞ্চল স্থাপন এবং নগরকে একটি বাসযোগ্য, নিরাপদ, পরিবেশ বান্ধব করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা উল্লেখ করে নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বলেন, সাগর, নদী ও পাহাড় ঘেরা এই শহর যে কোনো অতিথিকে মুগ্ধ করে। চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে আমিও মুগ্ধ। পানি ব্যবস্থাপনায় নেদারল্যান্ড পৃথিবীর অন্যতম একটি দেশ জানিয়ে তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা কীভাবে লাঘব করা যায়, সে বিষয়ে নেদারল্যান্ডের অভিজ্ঞতা রয়েছে। চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে নেদারল্যান্ড সহযোগিতা করতে চায় বলে আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। এ সময় চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমদ, সচিব মো. আবু শাহেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ সিরাজদৌল্লাহ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী কাদের নেওয়াজ, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাশেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
২৪ অক্টোবর চুনতির শাহ ছাহেব কেবলার ওফাত দিবসের দোয়া মাহফিল
২৩অক্টোবর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী লোহাগাড়া উপজেলার চুনতির ঐতিহাসিক ১৯ দিনব্যাপী সীরতুন্নবী (সা:) মাহফিলের প্রবর্তক, অলিকুলের শিরমনি হযরত মাওলানা শাহ হাফেজ আহমদ (প্রকাশ শাহ ছাহেব কেবলা) (রহ.) এর ৩৭তম ওফাত বার্ষিকী উপলক্ষে আজ (২৪ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার বাদে আসর হতে ঐতিহাসিক সীরত ময়দানে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে দেশ-বরেণ্য ইসলামী চিন্তাবিদ, ওলামা মাশায়েখ, লেখক-গবেষক সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন। এতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের উপস্থিতি কামনা করেছেন শাহ ছাহেব কেবলা (রহ.) এর দৌহিত্র ও মাহফিল মোতোওয়াল্লী কমিটির সভাপতি মাওলানা হাফিজুল ইসলাম আবুল কালাম আজাদ ও মাওলানা আব্দুল মালেক ইবনে দিনার নাজাত।
২৪ অক্টোবর মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর ৬৯তম মৃত্যুবার্ষিকী
২৩অক্টোবর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:অবিভক্ত ভারতীয় উপমহাদেশের বহুমাত্রিক প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্রপথিক, প্রখ্যাত সাহিত্যিক, মুসলিম বাংলা সাংবাদিকতার পথিকৃৎ, সমাজ সংস্কারক, নিঃস্বার্থ রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও কদম মোবারক মুসলিম এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর ৬৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ২৪ অক্টোবর। চট্টগ্রামের বরেণ্য মনীষী মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর ৬৯তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে কদম মোবারক মুসলিম এতিমখানা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নেয়া হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি। আজ ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় নগরীর মোমিন রোডস্থ কদম মোবারক মুসলিম এতিমখানা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন। অতিথি আলোচক হিসেবে বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন। আলোচনা সভায় আগ্রহীদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধায়ক আবুল কাশেম উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়াও কর্মসূচিতে রয়েছে বাদে ফজর খতমে কোরআন, দোয়া মাহফিল, পুস্পস্তবক অর্পনসহ বিভিন্ন আরও বিভিন্ন কর্মসূচি।
চরপাথরঘাটা মুক্ত বিহঙ্গ ক্লাবের ফুটবল কমিটি গঠিত
২৩অক্টোবর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:চরপাথরঘাটা মুক্ত বিহঙ্গ ক্লাবের গভর্নিং বোর্ডের সভা গত ১৮ অক্টোবর সংগঠনের কার্যালয়ে মোহাম্মদ সেলিম হক এর সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সদস্য সেলিম খাঁন, খোরশেদ আলম বিপ্লব, সাইফুদ্দিন সাইফ, মোহাম্মদ ইয়াসিন, সাবেক সভাপতি শাহ জাহান রাজু, প্রতিষ্ঠাতা জাহাঙ্গীর আলম, মোরশেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ, সাবেক সভাপতি মামুনুর রশিদ, মো: আজাদ, আরফাত হোসেন, সাইফুল ইসলাম, আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন রিয়াদ, কমিটির সদস্য মো: মুন্না, আরফাদুল ইসলাম, রাসেল রায়ান, কোরবান আলী, সোহেল হায়দার প্রমুখ। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বয়সভিত্তিক ফুটবল প্রশিক্ষণ একাডেমির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং আগামী এক বছরের জন্য আনোয়ার সাদাত মোবারককে চেয়ারম্যান, আলাউদ্দিন মিয়া, কো-চেয়ারম্যান, মাহমুদুল হক সুমনকে সদস্য সচিব করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- জাফর ইকবাল, সাইফুদ্দিন সাইফ, মো: ইয়াসিন, শামসুল আলম সবুজ, মো: বাহার, রাশেদ রানা, হাসান আলী বাহাদুর, নাছির উদ্দিন নাহিদ, রহিম আলী ও মো: সাহাব উদ্দিন শিহাব।
কেজিডিসিএল ঠিকাদার-গ্রাহক ঐক্য পরিষদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
২৩অক্টোবর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২৩ অক্টোবর বুধবার, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব আবদুল খালেক মিলনায়তনে কেজিডিসিএল ঠিকাদার-গ্রাহক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে চট্টগ্রামে কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানী কর্তৃক গ্রাহকদের নিকট থেকে কোটি কোটি টাকা গ্রহণ করে গত ৫ বছর যাবৎ প্রায় ২৫ হাজার গ্রাহকের আবাসিক সংযোগ প্রদান না করার প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে এই আবাসিক সংযোগ প্রদানের দাবিতে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কেজিডিসিএল ঠিকাদার-গ্রাহক ঐক্য পরিষদের সংগ্রামী আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. রেজাউল করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানী কোটি কোটি টাকা গ্রহণ পূর্বক গ্রাহকদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে ১৮ কর্মদিবসের মধ্যে আবাসিক গ্যাস সংযোগ্য প্রদান করা হবে এবং গ্যাস কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন দপ্তরকে চিঠি দিয়ে রাস্তা খননের জন্য হাজার হাজার টাকা গ্রাহকের নিকট থেকে পরিষদ করিয়েছে এবং ঠিকাদারকে ওয়ার্ক অর্ডার দিয়ে কাজও সম্পন্ন করিয়েছে। আজ আমাদের প্রশ্ন গ্যাস কর্তৃপক্ষ চুক্তি করার পরও কেনো সংযোগ প্রদান করছে না? বর্তমান সরকারের পলিসি অনুযায়ী পাইপ লাইনের মাধ্যমে আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দেয়া না হলেও এতে আমাদের কিছু বলার নেই, যেহেতু এটা সরকারের পলিসি তা আমরা মেনে নিয়েছি। টাকা নিয়েও কেজিডিসিএল সংযোগ বন্ধ রেখেছে, এতে গ্রাহকের দোষ কোথায়? এখনে তারা সরকারের দোহাই দিয়ে এবং গভীর ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে চট্টগ্রামের গ্রাহকদের চরম হয়রানি করছে। শুধু জামানতের টাকা দেয়া হয়েছে তা নয়, টেবিলে টেবিলে বকশিসের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা গ্রাহক ও ঠিকাদারদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে। কিছু কিছু সাবেক কর্মকর্তা এবং বর্তমান কর্মকর্তাদের একটি অংশের ষড়যন্ত্রের কারণে আজকে এই ২৫ হাজার গ্যাস সংযোগ আটকে গেছে। তারা আসল বিষয়টি সরকারের কাছে প্রকাশ না করে শুধু নতুন গ্যাস সংযোগ দেয়া হবে না বলে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা কিন্তু নতুন গ্যাস সংযোগ চাইতে আসিনি এবং সরকারের বিরুদ্ধেও কিছু বলতে আসিনি। আজকের সভা থেকে কেজিডিসিএল এর কিছু কিছু দূর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বিষয় তদন্ত করতে দুদককে গণশুনানি করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের প্রশ্ন কর্মকর্তারা কত টাকা বেতন পায়, কিভাবে তারা বিলাসবহুল জীবনযাপন করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক দূর্নীতিকে জিরো টলারেন্স এবং দূর্নীতিকে না বলার নীতি সফল করার জন্য এই দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারিদের তদন্ত এবং দুদকের গণশুনানির খুবই প্রয়োজন। আমাদের পরিস্কার কথা আবাসিক গ্যাস লাইনের অনুমোদন কেজিডিসিএল দিয়েছে, জামানতের অর্থ নিয়েছে কেজিডিসিএল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়ে টাকা পরিশোধ করিয়েছে কেজিডিসিএল। অতএব, কেজিডিসিএলকেই এই অপেক্ষমান ২৫ হাজার আবাসিক সংযোগ প্রদান করতে হবে এর কোনো বিকল্প নেই। সংযোগ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে এবং রীট করার জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। বর্তমান কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানীর এমডি গ্যাস মন্ত্রণালয় সচিবের কাছে কথা বলতে গেলে তার পা কাঁপে। এমডি সাহেব এই ২৫ হাজার গ্রাহকের বিষয় সরকারকে অভিহিত করার সাহস পাচ্ছে না। এ ধরণের অথর্ব এমডিকে কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানী থেকে বিদায় করা হোক। একজন সৎ ও যোগ্য এমডিকে নিয়োগ প্রদান করতে অনুরোধ জানাচ্ছি। প্রধান বক্তা বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় স্ট্যাডিং কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা ইন্দুনন্দন দত্ত বলেন, কর্ণফুলী অফিসে কিছু অসৎ প্রকৃতির কর্মকর্তা বর্তমান এই জনপ্রিয় সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য অর্থ পরিশোধকৃত এবং সিদ্ধান্ত হয়ে যাওয়া প্রায় ২৫ হাজার গ্রাহকের আবাসিক সংযোগ বন্ধ রেখেছে। এমনকি জনগণের সঙ্গে সরকারকে মুখোমুখী করার পাঁয়তারাও করছে। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আহ্বায়ন জানাই, ২৫ হাজার আবাসিক সংযোগ প্রদানের ব্যবস্থা করে গ্রাহকদের দূর্ভোগ লাঘব করুন। কেজিডিসিএল ঠিকাদার-গ্রাহক ঐক্য পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলী নাওয়াজের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেলা সিপিবির সাধারণ সম্পাদক অশোক সাহা, ন্যাপের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিটুল দাশগুপ্ত, চট্টগ্রাম জেলা গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক তাজুল মুল্লুক, জাসদ চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেলিম চৌধুরী, জাসদ চট্টগ্রাম মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল আলম খান। সূচনা বক্তব্য রাখেন কেজিডিসিএল ঠিকাদার-গ্রাহক ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব এ.কে.এম অলিউল্লাহ হক। আরো বক্তব্য রাখেন ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি ইকরাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক নজমুল হোসেন চৌধুরী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহজাহান সুফী, ঐক্য পরিষদ নেতা মানিক হাওলাদার, প্রশান্ত বড়য়া, নবী চৌধুরী, আবদুল মালেক, শওকত হাওলাদার, খোরশেদ আলম প্রমুখ।
প্রাতিষ্ঠানিক আচরণে চাই কাজের মৌলিকতা
২৩অক্টোবর,বুধবার,মো:ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: কর্মক্ষেত্রে সমস্যার মুখোমুখি হননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। কখনও নিজে সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে, আবার কখনও প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে মোকাবিলা করতে হয়েছে হাজার চ্যালেঞ্জ। কর্মক্ষেত্রে দ্বিধা-দ্বন্দ্বের এই বলয় থেকে একটি প্রতিষ্ঠান কিংবা অফিসের কর্মকর্তাদের উত্তোরণের নানান কৌশল নিয়ে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো দিনব্যাপী ক্যারিয়ার বিষয়ক সেমিনার। সিআইইউর এইচআরএম সোসাইটি সম্প্রতি নগরের জামাল খানের নিজস্ব ক্যাম্পাসে অর্গানাইজেশনাল বিহেভিয়ার বা প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ শিরোনামে এই সেমিনারের আয়োজন করে। এতে বিজনেস স্কুলের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের শিক্ষকরাও অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা বিএসআরএমের প্রশাসনিক ইনচার্জ কাজী সাইফুর রহমান বলেন, কর্মক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা আসবে। তবে সব বাধা পেরিয়ে নিজের দক্ষতা প্রমাণের জন্য চাই আত্মবিশ্বাস। তাই কাজের মৌলিকতা ধরে রেখে গুণগত সেবা দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। সিআইইউ বিজনেস স্কুলের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন চৌধুরী খালেদ পেশাগত মান উন্নয়নে মানবসম্পদ শাখার গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। সিআইইউর এইচআরএম সোসাইটির ফ্যাকাল্টি ইনচার্জ তামান্না বিনতে জামান বলেন, এই ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা কর্মক্ষেত্রে মতনৈক্য সৃষ্টি, পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি ও মানবসম্পদ উন্নয়নের বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আরও চৌকষ করে গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। এইচআরএম সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ও শিক্ষার্থী শারমীন আক্তার সংগঠনের নতুন কমিটির সদস্যদের নিয়ে এগিয়ে যেতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। সেমিনারে অংশ নেওয়া ফায়িকা ফারহা শাহরীন নামের একজন ছাত্রী বলেন, বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানেই কর্মীদের আচার-আচরণ, বিশ্বাস স্থাপন, নেতৃত্ব দেওয়ার মানসিকতাসহ নানান বিষয়গুলো সামনে চলে আসে। এই ধরনের আয়োজন আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে অনেক বেশি সহায়তা করবে। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন শিক্ষার্থী শাহরিয়ার ইমন ও যাইনা্হ জাবীন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর