চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে অগ্রগতি শুন্যের কৌটায়: ক্যাব
মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর বিশেষ আনুকূল্যে চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিসরনে ৫ হাজার ৬শত ১৬ কোটি টাকার মেঘা প্রকল্প নেয়া হলেও প্রকল্প শুরুর ৩ বছরের মাথায় ২দিনের বৃষ্ঠিতে পুরো নগর জলমগ্ন হয়ে অতি সামান্য বৃষ্ঠিতে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী, বানিজ্যিক রাজধানী খ্যাত চট্টগ্রাম পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে, ব্যবসা বানিজ্য, অফিস আদালত, বাসা বাড়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প কলকারখানা, নগরীর প্রধান সড়কগুলি তলিয়ে জনজীবন পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে যাচ্ছে।অথচ সরকার চট্টগ্রামবাসী এ যন্ত্রনা লাগবে বিপুল বরাদ্ধ প্রদান করলেও প্রকৃতপক্ষে জলাবদ্ধতা নিরসনে কিছু রাজনৈতিক বুলি, কিছু সভা সমাবেশ ও বিলবোর্ড, ফেস্টুন ছাড়া অর্জন হয়নি। আর এ জন্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাঝে সমন্বয়হীনতা যেরকম ছিলো, তেমনি অর্থ বরাদ্ধ দেবার পরও প্রকল্পের অগ্রগতি না হওয়াকে প্রশাসনের ভেতরে জবাবদিহিতার অনুপস্থিতিকে দায়ী করছেনদেশের ক্রেতা-ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষনকারী প্রতিষ্ঠান কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম বিভাগ ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়নে নিয়োজিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদার ও এ সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।চট্টগ্রামে বৃষ্ঠিতে জলমগ্ন হওয়ায় প্রশাসনের নির্লিপ্ততায় এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল লোকজন ও স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অক্ষমতার কারনে বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত হত্যার মূল আসামি নয়ন ভন্ড ও রিফাত ফরায়েজীদের ধরনতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে নির্দেশ দিতে হচ্ছে। চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে মেগা প্রকল্প নেয়া হলেও অগ্রগতি শুন্যের কৌটায়। যদিও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে সাবেক চেয়ারম্যান জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ৫ হাজার ৬শত ১৬ কোটি টাকার প্রকল্পের কথা বলে পুরো নগরীতে বিলবোর্ড ও ফেস্টেুনে ছড়িয়ে দেবার পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়েও ওঠান বৈঠকসহ নানা সমাবেশ করে নিজের ডাকঢোল পিঠালেও জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রকৃত কোন অর্জন হয়নি। যার কারনে একটুখানি বৃষ্ঠি হলেওই নগরী তলিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে নগরবাসীর জীবনযাত্রা ও নরগ যন্ত্রনা লাগবের দায়িত্ব নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন দায় এড়ানোর যে বক্তব্য দিচ্ছে তা কোন ভাবেই গ্রহনযোগ্য নয়। কারন চট্টগ্রাম সিটিকর্পোরেশন জনগনের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি দ্বারা পরিচালিত। সিডিএ বা ওয়াসা জলাবদ্ধতার জন্য দায়ী বলে পার পাবার কোন সুযোগ নেই। নগরীর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসাবে সিটিকর্পোরেশনকে জনগনের যাবতীয় সুখ ও দুঃখের অংশীদার হতে হবে।বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন সরকারের সংস্লিষ্ঠ দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, এমপি ও জনপ্রতিনিধিরা জলমগ্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে নিজেরা জলাবদ্ধতা তাদের আওতা বর্হিভুত দাবি করে নিজেরা দায় এড়ানোর চেষ্ঠা ও জলমগ্ন মানুষগুলিকে উদ্ধার করে দ্রুত চট্টগ্রাম নগরীকে জলাবদ্ধতা থেকে বাঁচানো তাৎক্ষনিক উদ্যোগ না নিয়ে এবং পানিতে তলিয়ে যাওয়া রোধে করনীয় নিয়ে সীমাহীন দায়িত্বহীনতার পরিচয় প্রদানের কারনে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা ও পাহাড় ধ্বস এর মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারনে শিল্প, ব্যবসা বানিজ্য, অফিস আদালতের কর্মঘন্টা, শিক্ষা ও জীবন জীবিকায় কোটি কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতি হচ্ছে যা জাতীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্ঠি করছে। জলাবদ্ধতার কারনে রাস্তাঘাট যেভাবে চলাপচলের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে, সেভাবেই এর ক্ষয়ক্ষতির পরিমানও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ধীরে ধীরে চট্টগ্রাম নগরী ব্যবসা, বানিজ্য ও বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে নতুন নতুন প্রকল্পের আশ্বাস ছাড়া নগরবাসীর নরক যন্ত্রনা লাগবে তাৎক্ষনিক প্রতিকারে কোন কার্যকর উদ্যোগ নেয়া না হলে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পর্কে জনগনের মনে নেতিবাচক ধারনা তৈরী হবে। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন ক্যাবসহ বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন নালা নর্দমা ও খালগুলি দ্রুত সংস্কার করে জলাবদ্ধতা নিরসণের দাবি জানালেও প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষ সেখানে কর্নপাত না করার কারনে বর্তমানে চাক্তাই খালের উপরের অংশে প্রশস্ততা ৩৫ফিট হলেও নীচের অংশে গিয়ে ১৫ফিটে দাঁড়িয়েছে, ফলে বৃষ্ঠি হলেই পানি নিষ্কাষনের পরিবর্তে নগরী জলমগ্ন হয়ে উঠে। নগরীর পানি নিস্কাষনের ড্রেন, নালা, নর্দমা ও খাল গুলি ভরাট হয়ে গেছে, অনেকগুলি স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের দখলে গিয়ে দালান বিল্ডিং নির্মিত হয়ে নগরীর পানি নিষ্কাষনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্ঠি করছে, এ চক্রটি চাক্তাইখাল খননে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করছে, ফলে নগরীতে একটু বৃষ্ঠি হলেই নীচু এলাকা তলিয়ে যাচ্ছে। সিটিকর্পোরেশন ও সিডিএ নগরীর খাল ও নালাগুলি সংস্কারের নামে বিপুল অংকের অর্থ খরচ দাবি করলেও অদ্যবদি দখলে যাওয়া খাল ও ভরাট হয়ে যাওয়া খাল-নালাগুলি দখলমুক্ত ও যথাযথ সংস্কার করেনি। সামান্য বৃষ্ঠি ও জোয়ারের পানিতে নগরীর বহদ্দারহাট, চান্দগাঁও, মুরাদপুর, খাতুনগঞ্জ, ২নং গেট, চকবাজার, সাবানঘাটা, মোহরা, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, বন্দর, হালিশহর, নিউ মুরিং, মাইজপাড়া, পতেঙ্গাসহ অনেক এলাকা জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত হয়ে যাচ্ছে। চাক্তাই খালের দুধারে ওর্য়াকওয়ে নির্মান ও অবৈদখলমুক্ত করার সিদ্ধান্ত রহস্যজনক কারনে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না এবং এপর্যন্ত একটি অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা হয়নি, অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে সিডিএ, সিটিকর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে একটি মামলাও করা হয়নি।বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ সরকারের অর্থে গৃহিত প্রকল্পগুলির গা ছাড়া ভাব, যে যার ইচ্ছামতো অর্থ প্রকল্পের নামে ব্যয় না করে বিদেশ ভ্রমন, শিক্ষা সফর, কয়লা প্রকল্পের ন্যায় বালিশ কিনতে ও তুলতে বিপুল অপচয়ের মতো নয়-ছয় করা হলে জনগনের করের টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত না হলে জনগন কর প্রদানে বিরূপ হবে। আর বিভিন্ন প্রকল্পে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে নাগরিক পরীবিক্ষন যেমন দরকার তেমনি প্রশাসনের সত্যিকারের জববাদিহিতা নিশ্চিতে সর্বস্তরে নাগরিক সমাজের সত্যিকারের অংশগ্রহন ও মতামত নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যদি এটা না হয় তাহলে জবাবদিহিতার নামে প্রতিবেদন তৈরী হবে, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হবে না।বিবৃতিতে যারা স্বাক্ষর করেছেন তারা হলেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, যুগ্ন সম্পাদক আবু মোশারফ রাসেল, মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, যুগ্ন সম্পাদক এএম তৌহিদুল ইসলাম, দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় নগরবাসীর দুর্ভোগ :আবু সুফিয়ান
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিঃ সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেছেন, সরকারের ব্যর্থতায় চট্টগ্রামবাসী এখন পানি বন্দি। বিগত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিপাতে জনজীবন অচল হয়ে পড়েছে।নিচু এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় নগরবাসীর দুর্ভোগের শেষ নেই। সরকারী সংস্থাগুলোর ব্যর্থতায় পাহাড়ধসে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেই চলেছে। পাহাড়ের পাদদেশে মৃত্যু ঝুকি নিয়ে বসবাস করা বিশাল এই জনগোষ্ঠিকে পূনর্বাসন করতে সরকারের কোন উদ্যোগ নেই। বর্ষামৌসুমে টানা বর্ষণে এই বিষয়ে সরকারের নির্লিপ্ততায় মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনবে। তাই অবিলম্বে পাহাড়ে ঝুকিপূর্ণ বসবাসরতদের বিষয়ে স্থায়ী সমাধানকল্পে যথাযত পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী। তিনি আজ ১০ জুলাই বুধবার বিকালে চান্দগাঁও আবাসিকস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে চট্টগ্রামস্থ উখিয়া-টেকনাফ জাতীয়তাবাদী ছাত্র ফোরামের ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। এতে তিনি আরো বলেন, সরকার অযৌক্তিকভাবে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে নাগরীক জীবন বিপর্যস্ত করে তুলেছে। চট্টগ্রামের কর্ণফুলি গ্যাস ডিস্টিবিউশন কোম্পানী গ্রাহকের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা নিয়েও নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদান করছে না।এতে চট্টগ্রামের ব্যবসা বাণিজ্য ও গৃহস্থালী কাজে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। টাকা নিয়ে গ্যাস সংযোগ না দেয়া চট্টগ্রামবাসীর প্রতি অমানবিক ও বিমাতাসূলভ আচরণ। এটা গ্রাহকদের সাথে প্রতারণার সামিল। তিনি অবিলম্বে চট্টগ্রামে নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদান করে পাহাড়ে বসবাসরত হতদরিদ্র মানুষগুলোকে পুনর্বাসন করার আহবান জানান। সংগঠনের সভাপতি শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অথিতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লিপু ও বায়েজিদ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের জসিম। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ হোসেনের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নগর ছাত্রদল নেতা মোঃ সাহাবুদ্দীন শিহাব, চবি ছাত্রদলের সহ সভাপতি আলাউদ্দীন মহসিন, ছাত্র ফোরামের সিঃ যুগ্ম সম্পাদক মোঃ ফয়সাল উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উল্লাহ, মিনহাজ উদ্দিন, মোঃ ফোরকান প্রমূখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রোটাবর্ষের প্রথম সভায় দায়িত্ব হস্তান্তর
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:রোটারী ক্লাব অব চট্টগ্রাম রেইনবোর রোটা-বর্ষ ২০১৯-২০ এর প্রথম সাপ্তাহিক মিটিং ও প্রেসিডেন্ট কলার হ্যান্ড ওভার অনুস্টান গত ৫ই জুলাই-২০১৯ স্থানীয় একটি হোটেলে বর্তমান প্রেসিডেন্ট রোটা. খায়ের আহমেদ পিএইচএফ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন জেলা ৩২৮২র কর্ণফুলী জোনের লেঃ-গভর্নর রোটাঃ মাহফুজুল হক, এডিঃ লেঃ-গভর্নর রোটাঃ মোহাম্মদ শাহজাহান, ডেপুটি গভর্নর রোটাঃ আকবর হোসাইন, ক্লাব এডভাইজার রোটাঃ লতিফ আনোয়ার চৌধুরী, রোটাঃ আমিন সোহেল, রোটাঃ আবু আজমল পাটান, রোটাঃ রোহেলা খাঁন চৌং, চার্টারড প্রেসিডেন্ট রোটাঃ জাহেদা আকতার মিতা, আই পি পি রোটাঃ আবদুল মামুন বাহার, এসিস্টেন্ট গভর্নর এমদাদুল আজিজ চৌং ও রোটাঃ রকিউদ্দীন রিপন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রেসিডেন্ট রোটা. মুর্তুজা, প্রেসিডেন্ট রোটা. শায়লা মাহমুদ, প্রেসিডেন্ট রোটা. দেবদুলাল ভৌমিক, প্রেসিডেন্ট রোটা. ডা. সুমন রহমান, প্রেসিডেন্ট রোটা. শাহ আলম, প্রেসিডেন্ট রোটা. নুর আলম সিদ্দিকী, রোটা. আশেক ই এলাহী ও রোটাঃ আরিফ শাহরিয়ার। উক্ত সভায় ডিস্ট্রিক ৩২৮২র অগ্রাধিকার গোল এর আওতায় একজন এসএসসি পাশ করা গরীব ছাত্রীর ৩ বছর শিক্ষার যাবতীয় দায়িত্ব ক্লাব কর্তৃক গ্রহণ করা হয়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট রোটাঃ খায়ের আহমেদ ক্লাবের সকল রোটারিয়ানদেরকে রোটঃ বর্ষ ২০১৯-২০২০ রোটারী মেল-বন্ধন বিশ্বজুড়ে থিম সম্বলিত রোটারী পিন সরবরাহ করে স্মাগত জানান।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ ও মাস্টার নজির আহমদ-এর স্মরণেদোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:গত ৮জুলাই১৯খ্রি. সোমবার, বাদে মাগরিব তালীমুল কুরআন কমপ্লেক্স চট্টগ্রাম-এর উদ্যোগে কমপ্লেক্স-এর চেয়ারম্যান আলহাজ মাওলানা হাফেজ মুহাম্মদ তৈয়ব সাহেবের সভাপতিত্বে মাওলানা নিজামুদ্দিন আল হোসাইনীর সঞ্চালনায় সেগুনবাগান তালীমুল কুরআন মাদরাসা মিলনায়তনে স্বাধীন বাংলার প্রথম সংবাদপত্র দৈনিক আজাদীর সাবেক সম্পাদক, বাংলাদেশের সংবিধান প্রনয়ণ কমিটির অন্যতম সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধের সফল সংগঠক মাননীয় সাবেক এমপি অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ-এর ৯৭তম জন্মবার্ষিকী ও বিশিষ্ট বরেণ্য শিক্ষাবিদ, মানুষ তৈরীর কারিগর, চট্টগ্রামের বহুল প্রচারিত দৈনিক পূর্বদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ মাস্টার নজির আহমদ-এর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় ভারপ্রাপ্ত মেয়র জনাব আলহাজ চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর শ্রমিকলীগের সহ সভাপতি ও তালীমুল কুরআন কমপ্লেক্স-এর উপদেষ্টা জনাব কামাল উদ্দিন চৌধুরী ও অন্যতম উপদেষ্টা হায়দার হোসেন বাদল। প্রধান অতিথি মাননীয় ভারপ্রাপ্ত মেয়রকে বার আউলিয়া আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যাণ সমিতির সদস্যবৃন্দ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত মেয়র মহোদয়কে আবুল খায়ের কোম্পানীর সাথে তাদের বার আউলিয়া সমিতির জায়গা সংক্রান্ত যে বিরোধ রয়েছে সে বিষয়ে আলোচনা করলে তিনি তাদেরকে মীমাংসা করে দিবেন বলে আশ^াস্ত করেন। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, অধ্যাপক খালেদ ও মাস্টার নজির আহমদ উভয়জন আমাদের জন্য আদর্শ। তাঁরা তাদের ভেতর লালিত মানবিকতাকে শিল্পে রূপ দিয়েছেন। তাঁরা তাদের জ্ঞান-গুণ ও কর্মময় জীবনের কারণে আমাদের মাঝে অমর হয়ে রয়েছেন। ফলে তাঁরা জাতির সূর্য সন্তান হিসেবে পরিগণিত হয়েছেন। বিশেষ অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, সমাজ সংস্কারে অধ্যাপক খালেদ ও মাস্টার নজির আহমদ যে কীর্তি দেখিয়েছেন তা কখনো ভুলার নয়। পরিশেষে সভাপতি মহোদয় তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উভয় গুণীজনের বিভিন্ন গুণ ও ত্যাগের কথা উল্লেখ করে তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং দেশ-জাতির সার্বিক সফলতা কামনা, অধ্যাপক খালেদ ও মাস্টার নজির আহমদ এর আত্মার মাগফিরাত কমনা করে দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন মুফতি নুর মোহাম্মদ, মাওলানা সামশুল হক, হাফেজ নাজিম উদ্দিন, কারী ফজলুল করিম, খায়রুজ্জামান লিটন, মাওলানা নুরুল ইসলাম, হাফেজ নাছির উদ্দিন টেকনাফী, হাফেজ আজিজুল্লাহ, মাও. বেলাল, হাফেজ আলমগীর সহ তালীমুল কুরআন কমপ্লেক্স চট্টগ্রাম-এর শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শহীদ আব্দুল মোস্তফা হালিমের ৩৫তম শাহাদাত বার্ষিকী অনুষ্ঠিত
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কোতোয়ালী থানা শাখার ব্যবস্থাপনায় আজ ১০ জুলাই১৯ বুধবার বিকাল ৪ ঘটিকায় চেরাগী পাহাড়স্থ কার্যালয়ে শহীদ আব্দুল মোস্তফা হালিম'র ৩৫ তম শাহাদত বার্ষিকী আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল সংগঠনের সহ-সভাপতি মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা সাঈদুল হক সাঈদ কাজেমী। উদ্ধোদক ছিলেন যুবসেনা মহানগর দক্ষিণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক খোরশেদুল আলম সুমন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ইনলামী ফ্রন্ট দক্ষিণ জেলার সেক্রেটারি, মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন, প্রধান বক্তা ছিলেন ছাত্রসেনা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ আতিকুর রহমান। মুহাম্মদদ মঈন উদ্দিন মোর্শেদ এর পরিচালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ নুর রায়হান চৌধুরী, আতাউল মোস্তফা জামশেদ, রাসেল আত্তারী, আব্দুল্লাহ ফারুক আবিদ, মুহাম্মদ আসিফ, হাফেয নাছির, হাফেয দদিদারুল ইসলাম রহমাতুল্লাহ, মালেক প্রমূখ। বক্তারা বক্তব্যে বলেন সাম্প্রতিক সময়ে শিশু অপহরণ ও হত্যার প্রতিরোধ করুন সামাজিক অবক্ষয় বৃদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধে ধস নামায় শিশুহত্যা বেড়ে গেছে। বিচারহীনতা কিংবা বিচারে ধীরগতির সংস্কৃতিও অপরাধীদের বেপরোয়া করে দিচ্ছে। এ ছাড়া আকাশ সংস্কৃতি, ইন্টারনেটের প্রসার ও মাদক অনেককে অমানুষ করে তুলছে। তাই অপরাধের শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি একজন মানুষের অপরাধী হয়ে ওঠাও ঠেকাতে হবে। আদর্শ শিক্ষাদান, পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় ও রুচিশীল বিনোদন নিশ্চিত করতে হবে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ভূজপুর থানা পূজা পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাত
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফটিকছড়ি মো: সাইদুল আরেফিন মহোদয়ের সহিত ভূজপুর থানা পূজা পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাত। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: জানে আলম, উত্তর জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ এর সভাপতি শ্রী নটু ঘোষ, সাবেক সভাপতি শ্রী পরিতোষ কান্তি পাল, উত্তর জেলার পূজা পরিষদ এর সহ সভাপতি ও ফটিকছড়ি উপজেলার সাবেক সভাপতি শ্রী সমির কান্তি পাল, উত্তর জেলার যুগ্ন সাঃ সম্পাদক লায়ন রূপক কান্তি দেব অপু, ভূজপুর থানা পূজা পরিষদ এর সহ সভাপতি দিলীপ কুমার দে (মেম্বার), কিশোর সাহা, রনজিত দে, জয়পদ চন্দ, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় ধর, যুগ্ন সাঃ সম্পাদক সিকু উরাং, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব দে, সমীরণ কর্মকার, অর্থ সম্পাদক পলাশ ঘোষ, সহ-প্রচার সম্পাদক সুখেন প্রান্তিতা, সৈকত কুর্মী রুবেল, মিলন সরকার, ডাঃ বিকাশ চক্রবর্তী, রোকেন প্রান্তিতা, সুজিত দে এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
কর্মদক্ষতা বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম গতিশীল করে: ড. শিরীণ আখতার
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারের সাথে চবি কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দ গতকাল ১০ জুলাই উপাচার্যের অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে এম নুর আহমদ, সহকারী প্রক্টর মরিয়ম ইসলাম, কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি মো. জহিরুল হক, সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুল ইসলাম (শহীদ), সহকারী সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল আলম, কোষাধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. সরোয়ার হোসেন (খোকন), প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ ওসমান গণি এবং সদস্য নেয়ামত হোসেন, মজিবুর রহমান, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. দুলাল উদ্দিন, মোহাং ইলিয়াছ এবং মো. খায়ের হোসেন উপস্থিত ছিলেন। প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার বলেন, কর্মচারীবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে যেভাবে ভূমিকা রাখছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, একজন দক্ষ কর্মচারী একদিকে দক্ষতার সাথে তার দায়িত্ব পালন করেন অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম পরিচালনায় গতিশীলতা সৃষ্টি করেন। ড. শিরীণ আখতার বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনায় আরও গতিশীল করতে ৩য় শ্রেণি কর্মচারীদের অধিকতর সততা-স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা এবং দক্ষতার সাথে স্ব স্ব দায়িত্ব পালনের নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি সমিতির নেতৃবৃন্দের উত্থাপিত বিভিন্ন দাবি-দাওয়াসমূহ মনোযোগ সহকারে শুনেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়ম-কানুনের মধ্যে থেকে যথাসম্ভব পূরণের আশ্বাস প্রদান করেন। উপস্থিত কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দ উপাচার্যকে (রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত) আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং সততা ও নিষ্ঠার সাথে স্ব স্ব দায়িত্বপালনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সেবাবর্ষে লায়ন্স ক্লাব বাকলিয়ার রেইনকোট বিতরণ
১০জুলাই২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: লায়ন্স সেবাবর্ষের প্রথম দিনে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং বাকলিয়া ৩০ জন রিকশা চালককে রেইনকোট বিতরণ করে। কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মহসিন বি পি এম এর সার্বিক সহযোগিতায় কোতোয়ালি থানা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, লায়ন্স জেলা ৩১৫-বি-৪ এর নব-নির্বাচিত জেলা গভর্নর লায়ন কামরুন মালেক। এতে উপস্থিত ছিলেন, ২য় ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন আল সাদাত দোভাষ, নবনির্বাচিত কেবিনেট সেক্রেটারী লায়ন গোপাল কৃষ্ণ লালা, কেবিনেট ট্রেজারার লায়ন আশরাফুল আলম আরজু, সিনিয়র গভর্ণর এ্যাডভাইজার লায়ন এ.কে.এম শফিউল্ল্যা, রিজিয়ন চেয়ারপারসন লায়ন প্রদীপ কুমার দেব, লায়ন মোঃ হুমায়ুন কবির, জোন চেয়ারপারসন লায়ন এ.কে.এম সালাউদ্দীন, ক্লাব সভাপতি লায়ন মোঃ মমতাজুল ইসলাম, সেক্রেটারী লায়ন হুমায়ুন কবির হিমু, ট্রেজারার লায়ন হাফেজ মোঃ ইসমাইল, লায়ন জসিম উদ্দীন, লায়ন মহিউদ্দীন আহমেদ, লায়ন সেলিম উদ্দীন শিকদার, লায়ন আবুল মনসুর, লায়ন কামরুল হাসান, লায়ন ইমরুল চৌধুরী, লায়ন ডা: প্রণব রঞ্জন বিশ্বাস, লায়ন শাহাদাৎ হোসাইন, লায়ন ইঞ্জিনিয়ার তাপস বিশ্বাস। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।
জলাবদ্ধতায় অচল হয়ে পড়েছে বাণিজ্যনগরী চট্টগ্রাম
৯জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,জেসমিন,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:দুচোখ যেদিকে যায় সেদিকে পানি আর পানি। দালান ছাড়া কোনো চিহ্নই যেন মিলছে না। কোথাও গলা, কোথাও কোমর, আবার কোথাও হাঁটু সমান পানিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রাম। যানবাহন তো চলছেই না। দোকানপাটও বন্ধ। মিলছে না হাটবাজারও।গতকাল সোমবার সকাল থেকে এমনি অচল হয়ে পড়ে দেশের ব্যস্ততম বাণিজ্যনগরী চট্টগ্রাম। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে মাত্র এক রাতের মাঝারি বৃষ্টিতে এমন অবস্থা এই বাণিজ্যনগরী চট্টগ্রামের। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় বৃষ্টির পানিতে থই থই করছে বলে স্বীকার করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুদ্দোহা। তিনি জানান, চট্টগ্রাম মহানগরীতে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে নগরজুড়ে সড়ক-মহাসড়ক খোঁড়াখুঁড়ি করছে ওয়াসা। এ কারণে নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। ফলে সিটি করপোরেশন জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করলেও তা কাজে আসেনি। অন্যদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার ৩টি মেগা প্রকল্প তিন বছর ধরে হাতে নিয়ে বসে আছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে কোনো কাজ করেনি তারা। ফলে নগরবাসীকে প্রতি বছরের মতো এবারও জলাবদ্ধতার শিকার হতে হলো। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চউক চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ বলেন, প্রকল্প হাতে নিয়ে বসে নেই চউক। গত বছর বর্ষা থেকে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। সেই থেকে ১১ খালের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন কাজ করেছে চউক। প্রকল্প কাজ অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। চট্টগ্রাম ওয়াসার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রশাসন) গোলাম হোসেন বলেন, নগরীর কথা বলব কী? ওয়াসা ভবনের নিচতলায়ও পানি ওঠে গেছে। ফলে ব্যাংকসহ সব অফিসের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পামপ বসিয়ে পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে।সূত্র জানায়, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গত শনিবার দুপুর থেকে চট্টগ্রাম মহানগরীতে টিপটিপ বৃষ্টি শুরু হয়। যা রোববার দিনভর চলে। কিন্তু রোববার রাত থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতে নগরীর নিচু এলাকা ডুবে এখন সড়ক-মহাসড়কও খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে নগরীতে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ। অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত নগরীর ৫টি ফ্লাইওভারেও পানি জমে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। এতে অফিস-আদালত ও গার্মেন্ট কারখানাসহ বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যাওয়া-আসায় অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।জানাযায়, বৃষ্টিপাতের ফলে নগরীর বহদ্দারহাট, চকবাজার, মুরাদপুর, কাপাসগোলা, চন্দনপুরা, কোতোয়ালি, অক্সিজেন, ষোলশহর ২নং গেট, ওয়াসা মোড়, হামজারবাগ, মোহাম্মদপুর, শুলকবহর, হালিশহর, আগ্রাবাদ,হালিশহর, প্রবর্তক, বাকলিয়া, মোহরা, পতেঙ্গা, অলঙ্কার, পাহাড়তলিসহ নগরীর দুই তৃতীয়াংশ এলাকা বৃষ্টির পানিতে থই থই করছে। এসব এলাকার কোথাও গলা, কোথাও কোমর, কোথাও হাঁটু পানি জমে রয়েছে। সড়ক থেকে হাটবাজার, স্কুল কলেজ, সরকারি অফিস, দোকানপাট, মার্কেট, বসতঘর ও বস্তিগুলো ডুবে রয়েছে। দালান ছাড়া কোনো চিহ্নই এখন মিলছে না। ফলে যাতায়াতে মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ প্রদীপ কান্তি নাথ জানান, গতকাল সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৩৬ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আরো বৃষ্টিপাত হতে পারে। সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।তিনি জানান, বিকালের দিকে বঙ্গোপসাগরে প্রবল জোয়ার সৃষ্টি হতে পারে। এতে চট্টগ্রাম মহানগরীর আরো নতুন এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে। ফলে ওইসব এলাকায় পানির উচ্চতা আরো বাড়তে পারে। এতে যানবাহন ও মানুষের চলাচলে সাবধানতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া পাহাড় ধসের সতর্কবার্তার কথাও বলেন তিনি।এদিকে, পাহাড় ধস ঠেকাতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি সরিয়ে নিতে মাইকিং করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের আশপাশে ৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলার কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন।তিনি বলেন, বর্ষণে পাহাড় ধসের শঙ্কায় জেলা প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিচ্ছে। রেড ক্রিসেন্ট নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে। মেডিকেল টিম গঠন করেছে জেলা সিভিল সার্জন অফিস। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হলেও দেশের চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়মত জাহাজ জেটিতে নোঙর করছে। পণ্য ওাঠানামা সচল রয়েছে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর