মঙ্গলবার, মে ২৬, ২০২০
কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ কতৃক দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন
০৫মার্চ,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ। কমিটিতে সাহিত্য বিষয়ক উপ-সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে ইফতেকারুল আলম সিয়াম এবং সহ-সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে মোঃমিনহাজুল আবেদিন। বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য এ কমিটির অনুমোদন দেন। ইফতেকারুল আলম সিয়াম বেসরকারী একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত।এবং মিনহাজুল আবেদিন চট্টগ্রাম ওমরগনি এমইএস কলেজে মেধাবী ছাত্র। দক্ষিন চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার এই দুই কৃতি সন্তান ইফতেকারুল আলম সিয়াম ও মিনহাজুল আবেদীন দক্ষিন জেলা শাখার উপ সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ও সহ-সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে।তারা উভয়ে বিভিন্ন সামাজিক এবং ক্রীড়া সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন।এছাড়া রাজনীতির মাঠেও তাদের কর্মকান্ড সকলের নিকট প্রশংসনীয়।এরআগে মিনহাজুল আবেদিন সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
সুফিয়া আকতার আখি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দক্ষিণ জেলা শাখার সহ-সম্পাদিকা নির্বাচিত
০৫মার্চ,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সরকারী সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের মেধাবী ছাত্রী, দক্ষিণ চট্টগ্রামে প্রাণকেন্দ্র কর্নফুলীস্থ মোঃ শফিকুল ইসলাম এবং আয়শা বেগমের কন্যা সুফিয়া আকতার আখিঁ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দক্ষিণ জেলা শাখার সহ-সম্পাদিকা নির্বাচিত হয়েছে।তিনি বিভিন্ন সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।এছাড়া রাজনীতির মাঠেও এই তরুন নেত্রীর কর্মকান্ড সকলের নিকট প্রশংসনীয়।সিটি কলেজ ছাত্রীদের সাথে নিয়ে দলীয় বিভিন্ন মিছিল, মিটিং সামনে সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই নেত্রী। দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগে স্থান পাওয়ায় ছাত্রলীগ,যুবলীগ,আওয়ামীলীগ সহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দগন শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন।
প্রতিটি মুহূর্ত কাজে লাগাতে হবে জ্ঞান আহরণে
০৫মার্চ,বৃহস্পতিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার বলেছেন, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার উপযুক্ত সময় হচ্ছে ছাত্রজীবন। তাই পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ববোধ জাগ্রত রেখে শিক্ষার্থীদের সৎ, যোগ্য ও আলোকিত জনশক্তিতে রূপান্তর হওয়ার মানসে ছাত্রজীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে জ্ঞান আহরণের কাজে লাগাতে হবে। গতকাল বুধবার চবি কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত অনুষদের অন্তর্গত বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মহীবুল আজীজ। উপাচার্য নবীন শিক্ষার্থীদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ-নির্মল ক্যাম্পাসে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সম্পূর্ণ অটোমেশন পদ্ধতিতে গৃহীত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ মেধাবী শিক্ষার্থীরাই দেশের অন্যতম উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। হেলায় সময় নষ্ট না করে তাদের মেধাকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে সচেষ্ট হবে এটাই প্রত্যাশিত। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে কাজ করার জন্য তিনি দেশের মেধাবী তরুণ সমাজের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বশির আহাম্মদ, প্রফেসর ড. মোঃ সেকান্দর চৌধুরী, প্রফেসর সিরাজ উদ দৌল্লাহ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রফেসর মাইনুল হাসান চৌধুরী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাছুম আহমেদ। এতে বরণ বার্তা পাঠ করেন শিক্ষার্থী ফাহমিদা আক্তার এবং নবীনদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন উম্মে হাবিবা রিতা। অনুষ্ঠানে চবি কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের সভাপতি ও পরিচালকবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চসিক নির্বাচন,আমরা সতর্ক আছি RAB-7
০৪মার্চ,বুধবার,কমল চক্রবর্তী, বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা অবনতির সুযোগ নেই বলে মনে করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে তারা সংঘাতের আশংখাকে উড়িয়ে দিচ্ছেন না। চসিক নির্বাচনে্র আগে সন্ত্রাসী এবং চাঁদাবাজদের দমনই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষ করে ভোটের মাঠের আধিপত্য বজায় রাখতে ক্ষমতাসীন দলের কাউন্সিলর প্রার্থী এবং তাদের অনুসারীরাই এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে উঠবে সেই সাথে ক্ষমতাসীন দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা কেন্দ্রের কঠোর অবস্থানের পরও তারা নির্বাচন করার ব্যপারে অনড় অনস্থানে আছে। ফলে সংঘাতের আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। এদিকে তফশিল ঘোষণার পর নির্বাচনের প্রস্তুতির পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্রধারীদের দ্রুত আইনের আওতায় বৈধ অস্ত্র জমা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে RAB-7এর চাঁদগাও ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মোঃ শামিম সরকার জানান, চসিক নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা অবনতির কোন সুযোগ নেই। আমরা ইতিমধ্যে আমাদের পরিকল্পনা গ্রহন করেছি। শান্তি পূর্ণ ভাবে ভোট গ্রহনের ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট আছি। পাশাপাশি সাংবাদিক ভাইদের কাছে সহযোগিতার জন্য আহব্বান জানান। RAB-7 এর সহকারী পরিচালক এএসপি কাজি মোঃ তারেক আজিজ জানান, ইতি মধ্যে আমাদের টিম সাদা পোশাকে মাঠে কাজ শুরু করেছে, চসিকের ৪১ টি ওয়ার্ডে আমাদের দুটি করে মোট ৮২ টি টহল দল কাজ করবে। আমরা বিভিন্ন ব্যারেক থেকে RAB সদস্যদের আমাদের টিমে যুক্ত করেছি। আশা করি নির্বাচন শান্তি পূর্ণ ভাবে হবে। আমরা সতর্ক আছি। ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে আসতে পারবে এবং তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। নগর গোয়েন্দা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে সংঘাতের বিষয়টিকে কোন ভাবে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। আমরা কঠোর নজর দারি চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের টিম মাঠে কাজ করছে। শান্তি পূর্ণ ভাবে ভোট গ্রহনের ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট আছি। চট্টগ্রাম সনাক সভাপতি অ্যাডভোকেট আকতার কবীর চৌধুরী বলেন, একে তো ভোটার উপস্থিতি কম হচ্ছে, এটা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের জন্য একটা অশনি সংকেত, তারওপর যদি কোন সংঘাতের আশংখা থাকে তাহলে নির্বাচন কতটুকু শান্তিপূর্ণু হবে সেটা নিয়ে আতঙ্কে আছি। সিএমপি-র উপ কমিশনার ফারুক উল হক বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে নগরীতে কিছু স্পর্শকাতর স্থান রয়েছে যেখানে আমাদের নজরদারি অব্যাহত আছে। একইসাথে ব্যক্তি বিশেষের ওপরও নজরদারি অব্যাহত আছে। এদিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ হাসানুজ্জামান। রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, যাদের অবৈধ অস্ত্র আছে এবং লাইসেন্সধারীদেরও একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়া হবে, সে সময়ের মধ্যে সেগুলো থানায় জমা দিতে হবে। তবে সিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুবর রহমানের দাবি, নির্বাচনী লড়াই জমে ওঠার আগেই নগরীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজ এবং অস্ত্রধারীদের প্রতিরোধে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। তিনি বলেন, কারো বিরুদ্ধে যদি মামলা থাকে বা ওয়ারেন্ট থাকে তাকে আমরা নির্বাচনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করব। সম্প্রতি এক সংবাদ সন্মেলনে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. আলমগীর বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা রোজা বিবেচনায় নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন ২৯শে মার্চ ধার্য করা হয়েছে। আগামী ১লা এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষাসহ এই পরীক্ষা শেষ হবে ৫ই মে। এছাড়া পবিত্র রমজান মাস রয়েছে। এগুলো বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে ২৯শে মার্চ এই নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ইভিএমে ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে সহায়তাকারী হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এজেন্টরা গোপন কক্ষে অবস্থান করেছে, এটা প্রতিরোধে এবার কী ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে জবাবে ইসি সচিব বলেন, এ ধরনের কাজ করার সুযোগ নেই। নির্বাচন করা একক কারো দায়িত্ব নয়। এটার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের (ইসি), যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন সেসব প্রার্থীর, তাদের সমর্থকদের, ভোটারের এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। সবাই যদি যার যার দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে এই ধরনের ঘটনা ঘটার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে সব দলই অংশ নেবেন বলে আমরা আশাবাদী। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু ভোট করার জন্য যা যা দরকার কমিশন তা করবে। সকল ভোটারকে বলব- নির্ভয়ে, নিশ্চিতে আপনার যে অধিকার রয়েছে তা প্রয়োগ করবেন। এদিকে নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৮ই মার্চ, প্রতীক বরাদ্দ হবে ৯ই মার্চ। আর ভোটগ্রহণ হবে ২৯শে মার্চ।এদিন ভোটগ্রহণ হবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। উল্লেখ্য, বিগত ২০১৫ সালের ২৮শে এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ভোটগ্রহণের পর মে মাসেই মেয়র ও কাউন্সিলরেরা দায়িত্ব গ্রহন করেন। কিন্তু মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ও ৪১ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরেরা দায়িত্ব নিয়ে প্রথম সভা করেছেন ২০১৫ সালের ৬ই আগস্ট। স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনে বলা আছে, নির্বাচিত পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সভার পাঁচ বছর মেয়াদ পূরণের দিন থেকে ১৮০ দিন আগে পর্যন্ত যে কোনও দিন নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে হিসেবে ২০২০ সালের ৫ই আগস্টের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা ছিল। এই হিসাবে পরীক্ষা রোজার মাস সব কিছু বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশন ২৯শে মার্চ ভোট গ্রহনের দিন ধার্য করে। বিশিষ্টজনরা মনে করেন, নির্বাচন কতটুকু শান্তিপূর্ণ হবে তা অনেকটা নির্ভর করে সরকার নিজ দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে কি ব্যবস্থা নেন। সেই সাথে নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহনের ব্যাপারে কতটুকু আন্তরিক। যদি বিদ্রোহী প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচনে অংশ নেয় তাহলে মনোনীত প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে সংঘাতের সম্ভাবনা থেকেই যায়। নগরবাসীর মধ্যে একটাই জল্পনা কল্পনা নির্বাচন কতটুকু শান্তিপূর্ণ হবে। বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে সরকার কি ব্যবস্থা নিচ্ছে।
চট্টগ্রামে বৃহস্পতিবার থেকে বাণিজ্য মেলা শুরু
০৩মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) চট্টগ্রাম চেম্বার আয়োজিত ২৮তম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (সিআইটিএফ) ২০২০ শুরু হচ্ছে। এবারও মেলার পার্টনার কান্ট্রি থাইল্যান্ড। ওই দিন বিকেল সাড়ে ৩টায় মাসব্যাপী মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বিশেষ অতিথি থাকবেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সংসদ সদস্য এমএ লতিফ, এফবিসিসিআইর সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম ও সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের মানুষ এ মেলার জন্য অপেক্ষা করে। আমাদের উদ্দেশ্য এ জনপদে উৎপাদিত পণ্যের প্রচার ও প্রসার। ঢাকার পরে এত বড় বাণিজ্য মেলা দেশের কোথাও হয় না। এ মেলা ব্যবসায়ীদের স্বার্থে। চেম্বার সভাপতি বলেন, অলটারনেট এক্সপোর্ট বাস্কেট খুঁজতে হবে। নন ট্রেডিশনাল প্রোডাক্ট এক্সপোর্টের বিকল্প নেই। ২০২১ সালে ৬০ বিলিয়ন রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করতে কি করা যায় সে ব্যাপারে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনকে চিঠি দেওয়া হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে মেলায় ২ হাজার ৩৪০ বর্গফুটের বঙ্গবন্ধু কর্নার থাকবে। যেখানে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বিপুল সংখ্যক বই, তথ্যচিত্র, আলোকচিত্র প্রদর্শনের জন্য থিয়েটার রুম, প্রকাশনা প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে। প্রতি শুক্রবারে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ১০০ শিক্ষার্থীর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুর জীবন, স্বাধীনতা সংগ্রাম, আদর্শ ও চেতনা সম্পর্কে ধারণা পাবে। মেলার লে আউট নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। যাতে অতিরিক্ত ভিড় না হয়। আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চেম্বারের পরিচালক ও মেলা কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ জামাল আহমেদ, কো-চেয়ারম্যান একেএম আকতার হোসেন, মো. জহুরুল আলম, অঞ্জন শেখর দাশ, চেম্বার পরিচালক আবদুল মান্নান সোহেল প্রমুখ। লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ জামাল আহমেদ বলেন, ৪ লাখ বর্গফুটের মেলায় ২০টি প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন, ৩৩টি প্রিমিয়ার স্টল, ১১৫টি গোল্ড স্টল, ২৮টি মেগা স্টল, ৮টি ফুড স্টল, থাই জোনসহ ৫টি আলাদা জোন নিয়ে ৪৭০টি স্টলে ৪ শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে। জনপ্রতি প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ টাকা। প্লে থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ৫ লাখ টিকিট বিনামূল্যে দেওয়া হবে।
যুবলীগের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার আহ্বান পরশের
০২মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নানা ঘটনায় বিতর্কিত যুবলীগের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে সামস পরশ। তিনি বলেন, আমার বাবা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা। যুবলীগের ঐতিহ্য রয়েছে। নানা কারণে যুবলীগের ইমেজ ক্রাইসিস তৈরি হয়েছিল। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা কাজ করছি যুবলীগকে একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন হিসেবে তৈরি করতে।সোমবার (২ মার্চ) দুপুর ১২টায় রিমা কমিউনিটি সেন্টারে বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও যুবলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে যুবলীগ চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা আয়োজন করা হয়। যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, যুবলীগের পেছনে অনেকের ত্যাগ রয়েছে। অনেকের কষ্টে গড়ে তোলা এ সংগঠনের কথা আমরা ভুলে যাই। আমাদের শত্রু এখন বিরোধী সংগঠন নয়, নিজেরা নিজেদের শত্রু। যুবলীগের কর্মীদের প্রতি অনুরোধ- আপনারা আপনাদের ভাইকে শত্রু বানাবেন না, ভাইদের শত্রু ভাববেন না। আপনারা যুবলীগের মান রক্ষা করবেন। আপনাদের কারণে যেন শেখ ফজলুল হক মণির হাতে গড়া যুবলীগের মাথা হেট না হয়। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীর পক্ষে যুবলীগ নেতাকর্মীদের কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। নির্বাচন পরিচালনার জন্য যুবলীগের পক্ষ থেকে কমিটি করে দেওয়া হবে বলেও জানান পরশ। যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে সামস পরশের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান খান নিখিলের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীসহ যুবলীগের কেন্দ্রীয়, চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কমিটির নেতারা। বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় ১৫টি সাংগঠনিক জেলা ও তার আওতাধীন বিভিন্ন ইউনিটের প্রায় ৫০০ প্রতিনিধি উপস্থিত রয়েছেন।
কর্তব্যরত অবস্থায় মারা যাওয়া পুলিশ সদস্যদের স্মরণ
০২মার্চ,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্স সিভিক সেন্টারে কর্তব্যরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী অকুতোভয় পুলিশ সদস্যদের অকৃত্রিম দেশপ্রেম ও মহান আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২০ গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত হয়। সম্মাননা প্রদান ও স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান, পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা ইউনিট কমান্ডার সাহাব উদ্দিন, মহানগর ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক। কর্মসূচির শুরুতে সশস্ত্র অভিবাদনসহ মৃত্যুবরণকারী পুলিশ সদস্যদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। আলোচনা সভার শুরুতে মৃত্যুবরণকারী পুলিশ সদস্যদের স্মরণে এক মিনিটি নীরবতা ও আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত করা হয়। এসময় চট্টগ্রাম পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট যথাক্রমে সিএমপি, চট্টগ্রাম রেঞ্জ, আরআরএফ, এপিবিএন, শিল্প, হাইওয়ে, রেলওয়ে, পিবিআই, Rab, ট্যুরিস্ট এবং নৌ-পুলিশের ইউনিট প্রধানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চসিক নির্বাচন : মেয়র পদে সাতজনের মনোনয়নপত্র বৈধ, ২ জনের বাতিল
০১মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীসহ মেয়র পদে সাতজনের মেয়রপ্রার্থী মনোনয়ন বৈধ এবং দুইজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। আজ রোববার (১ মার্চ) সকালে নগরীর চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে চসিক নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়। যাচাই বাছাই শেষে চসিক নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান সাতজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ও দুইজনের বাতিল ঘোষণা করেন। আওয়ামী লীগের এম রেজাউল করিম চৌধুরী, বিএনপির ডা. শাহাদাত হোসেন, জাতীয় পার্টির সোলায়মান আলম শেঠ, ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী আল্লামা এমএ মতিন, ইসলামিক ফ্রন্টের অহেদ মুরাদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জান্নাতুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। খোকন চৌধুরী ও মো. তানজির আবেদীন নামে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভোটারদের স্বাক্ষরসহ মনোনয়নপত্র জমা দিতে হয়। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এ বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দেয়ায় তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এদিকে নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আওয়ামী লীগেরে প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী । আর বিএনপি প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ ঠিক আছে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের মাঠে থাকবে বিএনপি। এছাড়া নির্বাচন দুই দিন পিছিয়ে দেয়ার দাবি জানান তিনি। অন্যদিকে জাতীয় পার্টি প্রার্থী নির্বাচনের দিন গাড়ি চলাচলের অনুমতি দাবি করেছেন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৮ মার্চ প্রার্থিতা প্রত্যাহার, পরদিন ৯ মার্চ প্রতীক বরাদ্দ এবং ২৯ মার্চ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
সাধ্য অনুযায়ী রোগীদের সেবাদানের মানসিকতা প্রয়োজন : মেয়র
০১মার্চ,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চিকিৎসা একটি সেবামূলক পেশা। একজন ভালো চিকিৎসক হলে সাধ্য অনুযায়ী রোগীদের সেবাদানের মানসিকতা থাকা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করলেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। গতকাল শনিবার আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল ইন্টার্নি ডাক্তারদের বিদায় অনুষ্ঠানে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। ইন্টার্নি ডাক্তার এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. ইকতেদার হক খানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএমএ চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি প্রফেসর ডা. মজিবুল হক খান, মা ও শিশু হাসপাতাল কার্যনির্বাহী পর্যদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. এম এ তাহের খান, কার্যনির্বাহী পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. আঞ্জুমান ইসলাম, মা ও শিশু হাসপাতালের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. এস. এ মোস্তাক আহমদ, উপাধক্ষ্য ডা. অসীম কুমার বড়ুয়া, প্রফেসর ডাক্তার খন্দকার মো. বোরহান উদ্দিন, ডাক্তার আরিফুল আমিন, পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক ডা. নুরুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সুরাইজা আকবর চৌধুরী, মা ও শিশু হাসপাতাল পরিচালনা পর্ষদের সহ-সভাপতি ডা. এস এম মোরশেদ হোসেন প্রমুখ। মেয়র বলেন, এমবিবিএস সনদটি ডাক্তারি পাশের সূচনা মাত্র। তাই অধিকাংশ এমবিবিএস ডাক্তার চিকিৎসা বিজ্ঞানের যে কোনো বিশেষ দিকের উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে থাকেন। কারণ আজকের রোগীরা এমবিবিএস সনদের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ সার্টিফিকেট যাচাই বাছাই করে থাকে। তাই প্রত্যেক চিকিৎসককে চিকিৎসা জ্ঞানের পাশাপাশি আলাদা কিছু দক্ষতা, ডিগ্রি অর্জন করার উপর পরামর্শ দেন সিটি মেয়র। এ প্রসঙ্গে সিটি মেয়র বলেন, একজন দক্ষ ডাক্তার হতে হলে হাসপাতালে আয়োজিত বিভিন্ন সেমিনার, কর্মশালা ও প্রশিক্ষণেও অংশ নিতে হবে। সভা শেষে সিটি মেয়র ইন্টার্নি ডাক্তারদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর