আমারও বিচার হবে দুর্নীতি করলে: ভূমিমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন,ভূমি মন্ত্রণালয়ের কোনো কর্মকর্তা ও কর্মচারী যদি দুর্নীতি করে থাকে, তাহলে তাদের বিচার ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি আমিও দুর্নীতি করি, আমারো বিচার হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সাভারের খাগান এলাকায় ব্র্যাক সিডিএমে ইউসিবি ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলনে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সাইফুজ্জামান চৌধুরী। এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, আমার মন্ত্রণালয় স্বচ্ছ থাকবে। কেউ দুর্নীতি করতে পারবে না। এমনকি আমিও যদি দুর্নীতি করে থাকি আমারো বিচার হবে। আমি মন্ত্রী হওয়ার পরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি। তাই মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছ থেকে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পদের হিসাব চেয়েছি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে ভূমিমন্ত্রী বলেন, এই নির্বাচন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল। নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করেছিল। তারা নির্বাচনে জিততে পারেনি, সেই দায়ভার জাতি নেবে না। বিএনপির যে কয়জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের সংসদে এসে কথা বলা উচিত। তারা তাদের কথা বলুক, সেই ফ্রিডম তো সংসদে আছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তো কথা বলার আর কিছু নেই। সাভার ও আশুলিয়াসহ সারা দেশে যারা নদী-নালা ও খালবিল দখল করেছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করা হবে বলে জানান ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান। এ ছাড়া ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে ইউসিবি ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান চৌধুরী, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত জামিলসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
যুব সমাজকে যুব শক্তিতে পরিণত করতে হবে : নওফেল
যুব সমাজকে যুব শক্তিতে পরিণত করে দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে হবে। দেশে যে চলমান অর্থনৈতিক জোন হচ্ছে সেগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশের বৃহৎ যুব গোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। যুব সমাজ তখন দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। তখনই দেশ নির্দিষ্ট সময়ের আগে আগে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ ১০০ বছরে ডেল্টাপ্ল্যানের স্বপ্ন দেখছে। আগামী তিন প্রজন্মের জন্য নেতৃত্ব বাছাইয়ের কাজ চলছে শুধু সংগঠনের নেতৃত্বে নয় দেশকে এগিয়ে নেবার জন্যও তরুণ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন। সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে যুবলীগের নেতাকর্মীদের নিরলস পরিশ্রমে নৌকার বিজয় আরো বেগবান হয়েছে। যুবলীগের নেতাকর্মীরা ধন্যাবাদ পেতেই পারে। বিশেষ করে যুবলীগের নেতাকর্মীদের দিয়ে কেন্দ্র ভিত্তিক কমিটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি গতকাল চশমা হিলস্থ নিজ বাসভবনে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মো: মহিউদ্দিন বাচ্চুর সভাপতিত্বে যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদ, দিদারুল আলম দিদার, মাহবুবুল হক সুমন। উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদস্য এড. আনোয়ার হোসেন আজাদ, এড. আরশাদ হোসেন, সাইফুল ইসলাম, একরাম হোসেন, আঞ্জুমান আরা আঞ্জু, মাহাবুব আলম আজাদ, সাখাওয়াত হোসেন স্বপন, মাসুদ রেজা, আবু সাঈদ জন, হেলাল উদ্দিন, হাবিব উল্ল্যাহ নাহিদ, নুরুল আনোয়ার, আব্দুর রাজ্জাক দুলাল, সাবের আহম্মদ, আহসাব রসুল জাহেদ, প্রবীর দাশ তপু, মঈনুল ইসলাম রাজু, খোকন চন্দ্র তাঁতী, আবু বক্কর চৌধুরী, রতন মল্লিক, শেখ নাছির আহাম্মদ, নাজমুল হাসান সাইফুল, সনত বড়ুয়া, আবু বক্কর ছিদ্দিক, দেলোয়ার হোসেন দেলু, আজিজ উদ্দিন চৌধুরী, আলী হোসেন, সাহেদুল ইসলাম সাহেদ, আব্দুল হাই, কাজল প্রিয় বড়ুয়া, আফতাব উদ্দিন রুবেল, আলাউদ্দিন আলো, হোসেন সরোয়ার্দী সরোয়ার, সাখাওয়াত হোসেন সাকু, নঈম উদ্দিন খান, আসিফ মাহমুদ, ওয়ার্ড সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে দেলোয়ার হোসেন বাবুল, তারেক ইমতিয়াজ ইমতু, মানিক বিশ্বাস, মঈনুলি ইসলাম, নজরুল ইসলাম, সালাউদ্দিন, সাজু বিশ্বাস, শওকত আলী প্রমুখ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।
সম্পত্তির হিসাব দিতে হবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
অনলাইন ডেস্ক: ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্পত্তির হিসাব দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। আজ শনিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এ কথা বলেন ভূমিমন্ত্রী। ভূমিমন্ত্রী বলেন, সমস্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্পত্তির হিসাব ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দাখিল করতে হবে। এটা আমি এখানে বসে সিদ্ধান্ত নিলাম। মন্ত্রণালয়ে গিয়ে রিটেন দিব। মৌখিক সিদ্ধান্ত এখানে বসে দিলাম। সারাদেশে ভূমি অফিসগুলোতে জনগণকে নানাভাবে হয়রানি করা হয়, জনগণের এমন অভিযোগের কথা তুলে ধরে সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ধাপে ধাপে (ভূমি মন্ত্রণালয়কে) সব রকম ও হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত মন্ত্রণালয়ে পরিণত করা হবে। ভূমিসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কর্মচারীকদের আগামী ফেব্রিয়ারি মাসের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে নিজ নিজ সম্পদের হিসাব জমা দিতে হবে। ভূমি মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতি মুক্ত করার উদ্দেশে দেশব্যাপী ভূমি অফিসগুলোকে সিসিটিভি ক্যামরার আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও জানান ভূমিমন্ত্রী।
চট্টগ্রামের চার মন্ত্রীর সংবর্ধনা ২৫ জানুয়ারি
অনলাইন ডেস্ক :বৃহত্তর চট্টগ্রামের চার মন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেয়া হবে ২৫ জানুয়ারি। শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।লালদীঘি মাঠে ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে।বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি,নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন,মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. আফছারুল আমীন এমপি অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী।সঞ্চালনায় ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক। বর্ধিত সভায় মেয়র বলেন, অনেকে পদ-পদবী নিয়ে বছরের পর বছর বহাল তবিয়তে থেকেও বিনা কারণে, বিনা নোটিশে সভায় আসেন না। এখন থেকে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নিয়মিত কার্যকরী কমিটির সভা করতে হবে। বিনা কারণে, বিনা নোটিশে কমিটির কেউ পরপর তিনবার অনুপস্থিত থাকলে তার পরিবর্তে অন্য আরেকজনকে কো-অপ্ট করেন। তাহলে দৃষ্টান্ত স্থাপন হবে। কেউ আর পদ-পদবী নিয়ে সভায় অনুপস্থিত থাকবে না। ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ী শক্তি। এ শক্তির বিনাশ নাই। তবে আমাদের কিছু সাংগঠনিক দুর্বলতা আছে। এগুলো কাটিয়ে উঠতে হবে। নওফেল এমপি বলেন, সমন্বয় এবং ঐক্য দল, দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে। এ সমন্বয় হবে স্থানীয়ভিত্তিক মতামতের ভিত্তিতে। এ মতামত নিয়েই আমি স্থানীয় সমস্যাগুলোর সমাধানে সংসদে কথা বলব। নিউজ একাত্তর ডট কম,চট্টগ্রাম।
মহিউদ্দিন সোহেলের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন
আওয়ামী লীগ নেতা মো. মহিউদ্দিন সোহেলের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে সম্মিলিত মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত তথ্য অনুসন্ধান এবং দোষীদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ফাউন্ডেশন, বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মেলাসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় নেতা শওকত বাঙালি। মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা শেখ মোঃ ইসহাক, আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, সদস্য সাইফুদ্দীন খালেদ বাহার, যুবলীগ নেতা হেলাল উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আনোয়ারুল ইসলাম বাপ্পী, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ সাজ্জাত হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল বাপ্পী, মাহবুবুর রহমান, শ্রমিক লীগ নেতা কামাল উদ্দিন, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা আকতার হোসেন সৌরভ, জেলা নির্মূল কমিটি নেতা মাউসুফ উদ্দিন মাসুম, অসিত বরণ বিশ্বাস, কর্ণফুলী থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জীবন মনজু, লোহাগাড়া থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তাজউদ্দীন, পটিয়া কলেজ ছাত্রলীগ নেতা নয়ন শর্মা, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান, বাঁশখালী থানা ছাত্রলীগ নেতা মোমিনুল হক মিঠু, সাতকানিয়া ছাত্রলীগ নেতা ইরফান বিন ইসহাক প্রমুখ। এছাড়া নিহত মহিউদ্দিন সোহেলের অনুজ শাকেরুল ইসলাম শিশির ও শিশুপুত্র মাশরিক মানববন্ধনে অংশ নেন। সভায় বক্তারা বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে নেই। একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা এখনো অব্যাহত আছে। বক্তারা মুজিব আদর্শে বিশ্বাসী প্রজন্মকে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে এবং চিহ্নিত খুনিদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
একটি বাস টার্মিনাল ৬০ লাখ লোকের!
অনলাইন ডেস্ক: বন্দর নগরী হলেও চট্টগ্রামে আছে মাত্র একটি বাস টার্মিনাল। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের ৬৪টি রুট এবং দক্ষিণ ও উত্তর চট্টগ্রামের রোডে যাতায়াতকারী দুই লাখ যাত্রীকে রাস্তার ওপর গাড়িতে ওঠানামা করতে হয়। এতে নগরীতে বিভিন্ন পয়েন্টে সৃষ্টি হয় অসহনীয় যানজট। সরকারি নানা সংস্থার গড়িমসি আর সমন্বয়হীনতার কারণে দীর্ঘদিনেও গড়ে ওঠেনি আধুনিক বাস টার্মিনাল। ১৯৯৫ সালে নগরীর বহদ্দারহাটে নির্মাণ করা হয় একটি টার্মিনাল। পরে নগরীর কদমতলীতে রেলওয়ে থেকে ইজারা নিয়ে সীমিত পরিসরে গড়ে ওঠে আরেকটি টার্মিনাল। এরপর আর কোন টার্মিনাল গড়ে ওঠেনি । অথচ নগরীর ৬০ লাখ লোকের ৪০ লাখের বেশি অন্যান্য অঞ্চলের বাসিন্দা। প্রতিদিন অন্তত দেড় থেকে দু'লাখ মানুষ চট্টগ্রামে আসা-যাওয়া করে ৩০ হাজারের বেশি যানবাহনে। বাস টার্মিনালের অভাবে নানা সমস্যা আর ভোগান্তিতে পড়তে হয় পরিবহণ শ্রমিক ও যাত্রীদের। স্থায়ী কোন বাস টার্মিনাল না থাকায় দক্ষিণের গুরুত্বপূর্ণ এই শাহ আমানত সেতুর গোলচত্বরকে অঘোষিত টার্মিনাল বানিয়ে রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে ওঠানামা করানো হচ্ছে যাত্রীদের। নগরীতে এরকম অন্তত ২০টির বেশি অস্থায়ী বাস টার্মিনাল রয়েছে। এতে সৃষ্টি হচ্ছে নগরজুড়ে তীব্র যানজট। আন্তরিকতা ও সরকারি সংস্থাগুলো একমত হতে না পারাকে এর জন্য দুষলেন পরিবহন নেতারা। পূর্বাঞ্চল বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সভাপতি মৃণাল চৌধুরী বলেন, তাদের মধ্যেও নানা দ্বন্দ্ব আছে। কখনও বলে সিটি করবে, কখন বলে সিটি কর্পোরেশন করবে।' তবে আশার আলো নগরীর বালুছড়া আর বন্দরের টোল প্লাজা এলাকায় দুটি টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনার হাতে নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন।
চোর চক্রের ১০ সদস্য গ্রেফতার
অনলাইন ডেস্ক: নগর ও জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে কাভার্ডভ্যান থেকে আমদানি ও রফতানি পণ্য চোর চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া সদস্যদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খাতুনগঞ্জের একটি গোডাউন থেকে চুরি হওয়া ১৫৫ বস্তা রেজিন (দানাদার রাসায়নিক পদার্থ) উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৫ জানুয়ারি) ও রোববার (৬ জানুয়ারি) একটানা দুইদিন অভিযান তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে জানান নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পশ্চিম) এএএম হুমায়ুন কবির। গ্রেফতার হওয়া ১০ জন হলেন- মো. সালাউদ্দিন (২২), মো. আব্দুল মান্নান (৩৪), মো. রাশেদ (৩৬), সেন্টু হাওলাদার (২৭), মো. নজরুল ইসলাম (২৯), মো. আবু সুফিয়ান রুবেল (২৬), মো. ফারুক (৩৫), মো. আলমগীর লিটন (৩৫), পংকজ দাশ (৫১) এবং সজল দেব(৪১)। নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতার হওয়া ১০ জন কাভার্ডভ্যান থেকে আমদানি ও রফতানি পণ্য চোর চক্রের সদস্য। ভিন্ন ভিন্ন পেশার আড়ালে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে এ চুরির কাজ করে। তিনি বলেন, মেসার্স গুডলাক ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড ট্রেডিং এজেন্সি নামক একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর প্রথমে গাড়িচালক সালাহউদ্দিন ও আব্দুল মান্নানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন কৌশলে বাকি আট জনকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার হওয়া পণ্য। পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম বলেন, এই চোর সিন্ডিকেটের কাছ থেকে নির্দিষ্ট ক্রেতারাই সাধারণত এসব পণ্য কিনে থাকেন। তাদের কাছে ছাড়া অন্যদের চোরাই পণ্য বিক্রি করেন না তারা। নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ৫ জানুয়ারি খাতুনগঞ্জের মেসার্স গুডলাক ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড ট্রেডিং এজেন্সির ম্যানেজার বাদি হয়ে পতেঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। নগর গোয়েন্দা পুলিশ টানা দুইদিন অভিযান চালিয়ে এ চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেফতার ও চুরি হওয়া ১৫৫ বস্তা রেজিন উদ্ধার করে। তিনি জানান, মামলায় অভিযোগ করা হয়-১ জানুয়ারি রাফি ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের আমদানি করা ৩ হাজার ৫৯৪ ব্যাগ সিবিসি রেজিন তাইওয়ান হোয়াইট ৭টি কাভার্ড ভ্যানে করে ভারটেক্স ডিপো থেকে আমদানিকারকের কারখানায় পাঠানো হয়েছিল। পরে ২টি কভার্ড ভ্যানে ৭৫ ব্যাগ ও ৮০ ব্যাগ পণ্য কম পাওয়া যায়।
চট্টগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ ১০৩২ কেন্দ্র
অনলাইন ডেস্ক :আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলা ও নগরের এক হাজার ৮৯৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে এক হাজার ৩২টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ ও দ্বীপাঞ্চলের ৭৯টি কেন্দ্রকে বিশেষ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে জেলার জামায়াত অধ্যুষিত সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও সীতাকুণ্ডের কেন্দ্রগুলোকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। অতীতের সংঘাত, ব্যালটবাক্স ছিনতাই, কেন্দ্রে প্রার্থীদের প্রভাব ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ তালিকা করেছে পুলিশ। অবশ্য পুলিশ ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র না বলে এসব কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মহানগরী বাদে চট্টগ্রাম জেলায় ভোটকেন্দ্র এক হাজার ৩০২টি। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ (পুলিশের ভাষায় গুরুত্বপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ৮৩২টি। দ্বীপাঞ্চলের ৭৯টি কেন্দ্রকে বিশেষ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া ৩৯১টি কেন্দ্রকে সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সাতকানিয়া থানা এলাকায় ৮৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৬৬টি ও সাধারণ ২২টি, লোহাগাড়া থানায় ৫৯টি কেন্দ্রের সবগুলোই ঝুঁকিপূর্ণ, বাঁশখালী উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র আছে ১১০টি। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৭৮টি ও সাধারণ ৩২টি কেন্দ্র আছে। সীতাকুণ্ডে ভোটকেন্দ্র আছে ৮০টি। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৬৩টি ও সাধারণ ১৭টি কেন্দ্র আছে। মিরসরাই থানায় ৩৪টি গুরুত্বপূর্ণ ও ১৫টি সাধারণ, জোরারগঞ্জ থানায় ৫২টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৩টি সাধারণ, ফটিকছড়ি থানায় ৭৮টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৯টি সাধারণ, ভুজপুর থানায় ৪৪টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৫টি সাধারণ, সন্দ্বীপ থানায় ২৯টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৫০টি সাধারণ, হাটহাজারী থানায় ৭৩টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৩৩টি সাধারণ, রাউজান থানায় ২১টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৬৩টি সাধারণ, রাঙ্গুনিয়া থানায় ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ ও ২৮টি সাধারণ, বোয়ালখালী থানায় ৪১টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৩৬টি সাধারণ, পটিয়া থানায় ৪২টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৬৯টি সাধারণ, আনোয়ারা থানায় ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৩৪টি সাধারণ, চন্দনাইশ থানায় ৫৮টি গুরুত্বপূর্ণ ও ১০টি সাধারণ এবং আসন হিসেবে চন্দনাইশের সঙ্গে সংযুক্ত সাতকানিয়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৩৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৬টিকে গুরুত্বপূর্ণ ও ১০টিকে সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর