বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২০
পাটের উৎপাদন বৃদ্ধিও পাশাপাশি পাটজাত দ্রব্যের ব্যবহার বাড়াতে হবে:জেলা প্রশাসক
০৬মার্চ,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন বলেছেন, পাট হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র সোনালী আঁশ। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাটের গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের দেশে যে পরিমাণ পাট উৎপাদন হয় তা গবেষণা করে কাজে লাগাতে পারলে দেশের উন্নয়ন আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা পাটজাত মোড়কের প্রতি আকৃষ্ট না হয়ে প্লাস্টিকের বস্তা, থলে ও পলি ব্যাগ ব্যবহার করছে। এতে করে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। পরিবেশবান্ধব দেশ গঠনে পাটজাত দ্রব্যের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। এজন্য পাটের উৎপাদন বৃদ্ধিও পাশাপাশি পাটজাত দ্রব্যের ব্যবহার বাড়াতে হবে। আজ ৬ মার্চ ২০২০ ইং শুক্রবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন, পাট অধিদপ্তর, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় পাট দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে- সোনালী আঁশের সোনার দেশ,মুজিব বর্ষে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতার আসার পর পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ প্রণয়ন করে যেকোন পরিমাণ ধান, চাল, গম, ভূট্টা, চিনি, আটা, পেঁয়াজ, রসুন, ডাল ও সারসহ ১৭টি পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী কোন ব্যক্তি নির্ধারিত পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করলে তার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি এক বছর কারাদন্ড বা ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় প্রকার দণ্ডের বিধান রয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা তা মানছে না। পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার আইন বাস্তবায়ন করতে হলে প্লাস্টিক ও পলিব্যাগ ভুলে গিয়ে সর্বত্র পাটজাত মোড়কের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিকতা ও দেশপ্রেম দরকার। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় পাট দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন পাট অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, বিজেএমসির লিয়াজো কর্মকর্তা মোহাম্মদ মঈনুদ্দিন ও আমিন জুট মিলের প্রকল্প প্রধান কামরুল ইসলাম। আলোচনা সভার পূর্বে জাতীয় পাট দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সামনে থেকে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য RALLY বের করা হয়। RALLYটি চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়াম ঘুরে পুনঃরায় সার্কিট হাউসে এসে শেষ হয়। RALLYতে পাট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, সরকারি-বেসরকারি জুট মিলের কর্মকর্তা, বিজেএমসির কর্মকর্তা, রাইস মিল মালিক সমিতির প্রতিনিধি ও বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
সুশান্ত চক্রবর্তীর শুভ অন্নপ্রাশন সম্পন্ন
০৬মার্চ,শুক্রবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া থানাধীন ব্রাহ্মণপাড়া গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ওমান প্রবাসী সুমন চক্রবর্তীর প্রথম পুত্র শ্রীমান সুশান্ত চক্রবর্তীর শুভ অন্নপ্রাশন নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ৫ই মার্চ সুমন চক্রবর্তীর ব্রাহ্মণপাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অন্নপ্রাশন উপলক্ষে সকল নিকট আত্মীয় ও পাড়া প্রতিবেশীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। নানা মাঙ্গলিক ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। অন্নপ্রাশন শেষে এক ভোজ সভার আয়োজন করা হয়। পাড়া প্রতিবেশী ও আত্মীয় স্বজনসহ বিভিন্ন লোকজন উক্ত ভোজ সভায় অংশগ্রহন করে। উল্লেখ্য, সুশান্ত চক্রবর্তী গত বছরের অক্টোবর মাসে জন্ম গ্রহন করে। এদিকে সুশান্ত চক্রবর্তীর বাবা সুমন চক্রবর্তী তার ছেলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সুস্বাস্থ্য কামনায় সকলের আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন । স্বপ্ন গুলো সত্যি হোক সকল আশা পূরণ হোক। দু:খ গুলো দূরে যাক সুখে জীবনটা ভরে যাক। জীবনটা হোক ধন্য শুভ কামনা তোমার জন্য।
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আন্তজার্তিক চোরাচালান চক্রের ১১ সদস্যকে আটক করেছে RAB
০৫মার্চ,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের প্রধান গেটের বাইরে থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত হতে বাংলাদেশ বিমান এর একটি ফ্লাইটে আসা সংঘবদ্ধ আন্তজার্তিক চোরাচালান চক্রের ১১ সদস্যকে আটক করেছে RAB-7। এসময় স্বর্ণের বার, বিপুল পরিমাণে বিদেশি সিগারেট ও অন্যান্য চোরাচালানকৃত মালামাল উদ্ধার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ সকাল ৭:৩০ মনিটের সময় RAB-7 এর একটি টহল দল চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের প্রধান গেটের বাইরে পাকা রাস্তার উপর একটি চেকপোস্ট বসিয়ে চোরাচালান চক্রের ১১ জন সদস্যকে আটক ও ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান RAB-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন। গ্রেফতারকৃত ১১ আসামীরা হলেন, মোঃ রাশিদুল করিম (২২) পিতা- মোঃ নুরুল আলম, গ্রাম- উত্তর রোসাংগিরি (কাবিলা বাড়ি), ৪নং ওয়ার্ড, পোস্ট- উত্তর রোসাংগিরি, থানা- ফটিকছড়ি, জেলা-চট্টগ্রাম।মোঃ সাজ্জাদ নুহাশ (২৭) পিতা- বেলায়েত হোসেন, গ্রাম- বাঁশপাড়া (পাটোয়ারী বাড়ি), ৬নং ওয়ার্ড, পোস্ট- ছাগলনাইয়া, থানা- ছাগলনাইয়া, জেলা- ফেনী। মোঃ আলী হোসেন (৪২) পিতা- মমতাজুল হক,গ্রাম- ছাগলনাইয়া (মুন্সি বাড়ি), ৫নং ওয়ার্ড, পোস্ট- ছাগলনাইয়া, থানা- ছাগলনাইয়া, জেলা- ফেনী।আব্দুল আজিম (২৬)পিতা- আব্দুল মতিন, গ্রাম- পূর্ব হরিপুর (আমির হোসেন মৌলভী বাড়ি), ৫নং ওয়ার্ড, পোস্ট- বাংলাবাজার, থানা- ছাগলনাইয়া, জেলা- ফেনী। আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৫) পিতা- মৃত আবুল খায়ের,গ্রাম- বাথানিয়া, ৬নং ওয়ার্ড, পোস্ট- পূর্ব শিলুয়া, থানা- ছাগলনাইয়া, জেলা- ফেনী। সৈয়দ নাজিম উদ্দিন (৩৫) পিতা- মৃত সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন, গ্রাম- দরবারপুর (সৈয়দ বাড়ি), ৩নং ওয়ার্ড, পোস্ট- মুন্সিরহাট, থানা- ফুলগাজী, জেলা- ফেনী।সাহাবুদ্দিন (২৮) পিতা- দেলোয়ার হোসেন, গ্রাম- উত্তর বাথানিয়া (নজু মুন্সি বাড়ি), ৬নং ওয়ার্ড, পোস্ট- দক্ষিণ শিলুয়া, থানা- ছাগলনাইয়া, জেলা- ফেনী।আবুল কালাম (৪২) পিতা- আব্দুর রাজ্জাক, গ্রাম- দক্ষিণ তারাপুর (হাজী ভোলা মিয়া বাড়ি), ৯নং ওয়ার্ড, পোস্ট- আমজাদ হাট, থানা- ফুলগাজী, জেলা- ফেনী।মোঃ হারুন (৩৫) পিতা- শাহ আলম, গ্রাম- ঘরদুয়ারা (জীবন তালুকদারের বাড়ি), ৪নং ওয়ার্ড, পোস্ট- হাটহাজারী, থানা- হাটহাজারী, জেলা- চট্টগ্রাম। বাহক -মঞ্জুরুল আলম (২৪), পিতা- আবুল কালাম, হামজারবাগ, পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম। বাহক -মোঃ লিটন (২৭), পিতা- মোঃ নুরুল আলম, গ্রাম- উত্তর রোসাংগিরি (কাবিলা বাড়ি), ৪নং ওয়ার্ড, পোস্ট- উত্তর রোসাংগিরি, থানা- ফটিকছড়ি, জেলা- চট্টগ্রাম। RAB-7 এর সহকারী পরিচালক (অপারেশন) এ এস পি মাশকুর রহমান জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পা্রি যে,একটি সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্র আরব আমিরাত হতে বাংলাদেশ বিমান এর একটি ফ্লাইটে করে শুল্ক ফাঁকিদিয়ে স্বর্ণের বার, বিদেশী সিগারেট, বিদেশী জামা কাপড়সহ আরো অনেক ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী বাংলাদেশে নিয়ে এসে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন গাড়িযোগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দিকে রওনা করেছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের প্রধান গেটের বাইরে পাকা রাস্তার উপর একটি চেকপোস্ট বসিয়ে চোরাচালান চক্রের ১১ জন সদস্যকে আটক করেছে RAB। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামীদের নিজস্ব ট্রাভেলস ব্যাগ ও বিভিন্ন ধরণের কার্টুন তল্লাশী করে বিপুল পরিমাণ শুল্ক ফাঁকি দেওয়া চোরাচালানকৃত মালামাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত চোরাচালানকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে স্বর্ণের বার- ০৩ টি (৩৪৯.৫ গ্রাম),বিভিন্ন ধরনের সোনার গহনা-৭৮১ গ্রাম, হোয়াইট গোল্ড- ৩৮.৫ গ্রামসহ সর্বমোট স্বর্ণালঙ্কার- ১.১৬৯ কেজি, বিদেশী সিগারেট- ২,৭৭,১৪০ পিস, ল্যাপটপ- ২৮ টি, মোবাইল- ৪৪ টি, ডিজিটাল ক্যামেরা- ১৪ টি, ভিডিও ক্যামেরা- ০১ টি, ক্যামেরা লেন্স ১৫ টি, টুথপেস্ট ১৪টি, বিদেশি জুতা ১৩ জোড়া, ল্যাপটপ ও মোবাইলের চার্জার ৩০টি, গেইমস ডিক্স- ১০ টি, ড্রোন- ০৪ টি, জিপিএস- ০৪ টি এবং থ্রি পিচ- ২৩১ টি। উদ্ধারকৃত চোরাচালান মালামালের আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা । তিনি আরো জানান, চোরাচালান চক্রের অন্যান্য সদস্য, পৃষ্ঠপোষক, অর্থযোগানদাতা সহ উক্ত চোরাচালানের সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত আসামী,উদ্ধারকৃত মালামাল সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। গ্রেফতারকৃত আসামীদের পাসপোর্ট পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় যে, তারা নিয়মিতভাবে বিভিন্ন দেশে অসংখ্যবার যাতায়ত করেছে। যাতায়তের কারণ জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীরা জানায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন কৌশলে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বিদেশ থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে বিভিন্ন মালামাল বাংলাদেশে নিয়ে এসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে আসছে।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ কতৃক দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন
০৫মার্চ,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ। কমিটিতে সাহিত্য বিষয়ক উপ-সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে ইফতেকারুল আলম সিয়াম এবং সহ-সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে মোঃমিনহাজুল আবেদিন। বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য এ কমিটির অনুমোদন দেন। ইফতেকারুল আলম সিয়াম বেসরকারী একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত।এবং মিনহাজুল আবেদিন চট্টগ্রাম ওমরগনি এমইএস কলেজে মেধাবী ছাত্র। দক্ষিন চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার এই দুই কৃতি সন্তান ইফতেকারুল আলম সিয়াম ও মিনহাজুল আবেদীন দক্ষিন জেলা শাখার উপ সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ও সহ-সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে।তারা উভয়ে বিভিন্ন সামাজিক এবং ক্রীড়া সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন।এছাড়া রাজনীতির মাঠেও তাদের কর্মকান্ড সকলের নিকট প্রশংসনীয়।এরআগে মিনহাজুল আবেদিন সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
সুফিয়া আকতার আখি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দক্ষিণ জেলা শাখার সহ-সম্পাদিকা নির্বাচিত
০৫মার্চ,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সরকারী সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের মেধাবী ছাত্রী, দক্ষিণ চট্টগ্রামে প্রাণকেন্দ্র কর্নফুলীস্থ মোঃ শফিকুল ইসলাম এবং আয়শা বেগমের কন্যা সুফিয়া আকতার আখিঁ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দক্ষিণ জেলা শাখার সহ-সম্পাদিকা নির্বাচিত হয়েছে।তিনি বিভিন্ন সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।এছাড়া রাজনীতির মাঠেও এই তরুন নেত্রীর কর্মকান্ড সকলের নিকট প্রশংসনীয়।সিটি কলেজ ছাত্রীদের সাথে নিয়ে দলীয় বিভিন্ন মিছিল, মিটিং সামনে সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই নেত্রী। দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগে স্থান পাওয়ায় ছাত্রলীগ,যুবলীগ,আওয়ামীলীগ সহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দগন শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন।
প্রতিটি মুহূর্ত কাজে লাগাতে হবে জ্ঞান আহরণে
০৫মার্চ,বৃহস্পতিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার বলেছেন, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার উপযুক্ত সময় হচ্ছে ছাত্রজীবন। তাই পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ববোধ জাগ্রত রেখে শিক্ষার্থীদের সৎ, যোগ্য ও আলোকিত জনশক্তিতে রূপান্তর হওয়ার মানসে ছাত্রজীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে জ্ঞান আহরণের কাজে লাগাতে হবে। গতকাল বুধবার চবি কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত অনুষদের অন্তর্গত বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মহীবুল আজীজ। উপাচার্য নবীন শিক্ষার্থীদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ-নির্মল ক্যাম্পাসে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সম্পূর্ণ অটোমেশন পদ্ধতিতে গৃহীত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ মেধাবী শিক্ষার্থীরাই দেশের অন্যতম উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। হেলায় সময় নষ্ট না করে তাদের মেধাকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে সচেষ্ট হবে এটাই প্রত্যাশিত। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে কাজ করার জন্য তিনি দেশের মেধাবী তরুণ সমাজের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বশির আহাম্মদ, প্রফেসর ড. মোঃ সেকান্দর চৌধুরী, প্রফেসর সিরাজ উদ দৌল্লাহ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রফেসর মাইনুল হাসান চৌধুরী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাছুম আহমেদ। এতে বরণ বার্তা পাঠ করেন শিক্ষার্থী ফাহমিদা আক্তার এবং নবীনদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন উম্মে হাবিবা রিতা। অনুষ্ঠানে চবি কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের সভাপতি ও পরিচালকবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চসিক নির্বাচন,আমরা সতর্ক আছি RAB-7
০৪মার্চ,বুধবার,কমল চক্রবর্তী, বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা অবনতির সুযোগ নেই বলে মনে করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে তারা সংঘাতের আশংখাকে উড়িয়ে দিচ্ছেন না। চসিক নির্বাচনে্র আগে সন্ত্রাসী এবং চাঁদাবাজদের দমনই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষ করে ভোটের মাঠের আধিপত্য বজায় রাখতে ক্ষমতাসীন দলের কাউন্সিলর প্রার্থী এবং তাদের অনুসারীরাই এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে উঠবে সেই সাথে ক্ষমতাসীন দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা কেন্দ্রের কঠোর অবস্থানের পরও তারা নির্বাচন করার ব্যপারে অনড় অনস্থানে আছে। ফলে সংঘাতের আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। এদিকে তফশিল ঘোষণার পর নির্বাচনের প্রস্তুতির পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্রধারীদের দ্রুত আইনের আওতায় বৈধ অস্ত্র জমা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে RAB-7এর চাঁদগাও ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মোঃ শামিম সরকার জানান, চসিক নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা অবনতির কোন সুযোগ নেই। আমরা ইতিমধ্যে আমাদের পরিকল্পনা গ্রহন করেছি। শান্তি পূর্ণ ভাবে ভোট গ্রহনের ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট আছি। পাশাপাশি সাংবাদিক ভাইদের কাছে সহযোগিতার জন্য আহব্বান জানান। RAB-7 এর সহকারী পরিচালক এএসপি কাজি মোঃ তারেক আজিজ জানান, ইতি মধ্যে আমাদের টিম সাদা পোশাকে মাঠে কাজ শুরু করেছে, চসিকের ৪১ টি ওয়ার্ডে আমাদের দুটি করে মোট ৮২ টি টহল দল কাজ করবে। আমরা বিভিন্ন ব্যারেক থেকে RAB সদস্যদের আমাদের টিমে যুক্ত করেছি। আশা করি নির্বাচন শান্তি পূর্ণ ভাবে হবে। আমরা সতর্ক আছি। ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে আসতে পারবে এবং তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। নগর গোয়েন্দা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে সংঘাতের বিষয়টিকে কোন ভাবে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। আমরা কঠোর নজর দারি চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের টিম মাঠে কাজ করছে। শান্তি পূর্ণ ভাবে ভোট গ্রহনের ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট আছি। চট্টগ্রাম সনাক সভাপতি অ্যাডভোকেট আকতার কবীর চৌধুরী বলেন, একে তো ভোটার উপস্থিতি কম হচ্ছে, এটা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের জন্য একটা অশনি সংকেত, তারওপর যদি কোন সংঘাতের আশংখা থাকে তাহলে নির্বাচন কতটুকু শান্তিপূর্ণু হবে সেটা নিয়ে আতঙ্কে আছি। সিএমপি-র উপ কমিশনার ফারুক উল হক বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে নগরীতে কিছু স্পর্শকাতর স্থান রয়েছে যেখানে আমাদের নজরদারি অব্যাহত আছে। একইসাথে ব্যক্তি বিশেষের ওপরও নজরদারি অব্যাহত আছে। এদিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ হাসানুজ্জামান। রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, যাদের অবৈধ অস্ত্র আছে এবং লাইসেন্সধারীদেরও একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়া হবে, সে সময়ের মধ্যে সেগুলো থানায় জমা দিতে হবে। তবে সিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুবর রহমানের দাবি, নির্বাচনী লড়াই জমে ওঠার আগেই নগরীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজ এবং অস্ত্রধারীদের প্রতিরোধে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। তিনি বলেন, কারো বিরুদ্ধে যদি মামলা থাকে বা ওয়ারেন্ট থাকে তাকে আমরা নির্বাচনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করব। সম্প্রতি এক সংবাদ সন্মেলনে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. আলমগীর বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা রোজা বিবেচনায় নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন ২৯শে মার্চ ধার্য করা হয়েছে। আগামী ১লা এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষাসহ এই পরীক্ষা শেষ হবে ৫ই মে। এছাড়া পবিত্র রমজান মাস রয়েছে। এগুলো বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে ২৯শে মার্চ এই নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ইভিএমে ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে সহায়তাকারী হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এজেন্টরা গোপন কক্ষে অবস্থান করেছে, এটা প্রতিরোধে এবার কী ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে জবাবে ইসি সচিব বলেন, এ ধরনের কাজ করার সুযোগ নেই। নির্বাচন করা একক কারো দায়িত্ব নয়। এটার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের (ইসি), যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন সেসব প্রার্থীর, তাদের সমর্থকদের, ভোটারের এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। সবাই যদি যার যার দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে এই ধরনের ঘটনা ঘটার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে সব দলই অংশ নেবেন বলে আমরা আশাবাদী। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু ভোট করার জন্য যা যা দরকার কমিশন তা করবে। সকল ভোটারকে বলব- নির্ভয়ে, নিশ্চিতে আপনার যে অধিকার রয়েছে তা প্রয়োগ করবেন। এদিকে নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৮ই মার্চ, প্রতীক বরাদ্দ হবে ৯ই মার্চ। আর ভোটগ্রহণ হবে ২৯শে মার্চ।এদিন ভোটগ্রহণ হবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। উল্লেখ্য, বিগত ২০১৫ সালের ২৮শে এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ভোটগ্রহণের পর মে মাসেই মেয়র ও কাউন্সিলরেরা দায়িত্ব গ্রহন করেন। কিন্তু মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ও ৪১ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরেরা দায়িত্ব নিয়ে প্রথম সভা করেছেন ২০১৫ সালের ৬ই আগস্ট। স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনে বলা আছে, নির্বাচিত পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সভার পাঁচ বছর মেয়াদ পূরণের দিন থেকে ১৮০ দিন আগে পর্যন্ত যে কোনও দিন নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে হিসেবে ২০২০ সালের ৫ই আগস্টের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা ছিল। এই হিসাবে পরীক্ষা রোজার মাস সব কিছু বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশন ২৯শে মার্চ ভোট গ্রহনের দিন ধার্য করে। বিশিষ্টজনরা মনে করেন, নির্বাচন কতটুকু শান্তিপূর্ণ হবে তা অনেকটা নির্ভর করে সরকার নিজ দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে কি ব্যবস্থা নেন। সেই সাথে নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহনের ব্যাপারে কতটুকু আন্তরিক। যদি বিদ্রোহী প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচনে অংশ নেয় তাহলে মনোনীত প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে সংঘাতের সম্ভাবনা থেকেই যায়। নগরবাসীর মধ্যে একটাই জল্পনা কল্পনা নির্বাচন কতটুকু শান্তিপূর্ণ হবে। বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে সরকার কি ব্যবস্থা নিচ্ছে।
চট্টগ্রামে বৃহস্পতিবার থেকে বাণিজ্য মেলা শুরু
০৩মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) চট্টগ্রাম চেম্বার আয়োজিত ২৮তম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (সিআইটিএফ) ২০২০ শুরু হচ্ছে। এবারও মেলার পার্টনার কান্ট্রি থাইল্যান্ড। ওই দিন বিকেল সাড়ে ৩টায় মাসব্যাপী মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বিশেষ অতিথি থাকবেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সংসদ সদস্য এমএ লতিফ, এফবিসিসিআইর সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম ও সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের মানুষ এ মেলার জন্য অপেক্ষা করে। আমাদের উদ্দেশ্য এ জনপদে উৎপাদিত পণ্যের প্রচার ও প্রসার। ঢাকার পরে এত বড় বাণিজ্য মেলা দেশের কোথাও হয় না। এ মেলা ব্যবসায়ীদের স্বার্থে। চেম্বার সভাপতি বলেন, অলটারনেট এক্সপোর্ট বাস্কেট খুঁজতে হবে। নন ট্রেডিশনাল প্রোডাক্ট এক্সপোর্টের বিকল্প নেই। ২০২১ সালে ৬০ বিলিয়ন রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করতে কি করা যায় সে ব্যাপারে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনকে চিঠি দেওয়া হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে মেলায় ২ হাজার ৩৪০ বর্গফুটের বঙ্গবন্ধু কর্নার থাকবে। যেখানে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বিপুল সংখ্যক বই, তথ্যচিত্র, আলোকচিত্র প্রদর্শনের জন্য থিয়েটার রুম, প্রকাশনা প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে। প্রতি শুক্রবারে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ১০০ শিক্ষার্থীর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুর জীবন, স্বাধীনতা সংগ্রাম, আদর্শ ও চেতনা সম্পর্কে ধারণা পাবে। মেলার লে আউট নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। যাতে অতিরিক্ত ভিড় না হয়। আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চেম্বারের পরিচালক ও মেলা কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ জামাল আহমেদ, কো-চেয়ারম্যান একেএম আকতার হোসেন, মো. জহুরুল আলম, অঞ্জন শেখর দাশ, চেম্বার পরিচালক আবদুল মান্নান সোহেল প্রমুখ। লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ জামাল আহমেদ বলেন, ৪ লাখ বর্গফুটের মেলায় ২০টি প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন, ৩৩টি প্রিমিয়ার স্টল, ১১৫টি গোল্ড স্টল, ২৮টি মেগা স্টল, ৮টি ফুড স্টল, থাই জোনসহ ৫টি আলাদা জোন নিয়ে ৪৭০টি স্টলে ৪ শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে। জনপ্রতি প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ টাকা। প্লে থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ৫ লাখ টিকিট বিনামূল্যে দেওয়া হবে।
যুবলীগের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার আহ্বান পরশের
০২মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নানা ঘটনায় বিতর্কিত যুবলীগের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে সামস পরশ। তিনি বলেন, আমার বাবা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা। যুবলীগের ঐতিহ্য রয়েছে। নানা কারণে যুবলীগের ইমেজ ক্রাইসিস তৈরি হয়েছিল। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা কাজ করছি যুবলীগকে একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন হিসেবে তৈরি করতে।সোমবার (২ মার্চ) দুপুর ১২টায় রিমা কমিউনিটি সেন্টারে বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও যুবলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে যুবলীগ চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা আয়োজন করা হয়। যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, যুবলীগের পেছনে অনেকের ত্যাগ রয়েছে। অনেকের কষ্টে গড়ে তোলা এ সংগঠনের কথা আমরা ভুলে যাই। আমাদের শত্রু এখন বিরোধী সংগঠন নয়, নিজেরা নিজেদের শত্রু। যুবলীগের কর্মীদের প্রতি অনুরোধ- আপনারা আপনাদের ভাইকে শত্রু বানাবেন না, ভাইদের শত্রু ভাববেন না। আপনারা যুবলীগের মান রক্ষা করবেন। আপনাদের কারণে যেন শেখ ফজলুল হক মণির হাতে গড়া যুবলীগের মাথা হেট না হয়। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীর পক্ষে যুবলীগ নেতাকর্মীদের কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। নির্বাচন পরিচালনার জন্য যুবলীগের পক্ষ থেকে কমিটি করে দেওয়া হবে বলেও জানান পরশ। যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে সামস পরশের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান খান নিখিলের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীসহ যুবলীগের কেন্দ্রীয়, চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কমিটির নেতারা। বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় ১৫টি সাংগঠনিক জেলা ও তার আওতাধীন বিভিন্ন ইউনিটের প্রায় ৫০০ প্রতিনিধি উপস্থিত রয়েছেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর