সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২০
পোর্ট সিটি ইউনিভার্সিটি বিবিএ শিক্ষার্থীদের বন্দর পরিদর্শন
২৪নভেম্বর,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ প্রোগ্রামের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছে। এ সময় প্রশিক্ষণ ম্যানেজার হালিমা বেগম বন্দরের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ৯২ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে হয়; যা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। এই বন্দরের কারণে চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী বলা হয়। ইউনিভার্সিটির বিভাগীয় প্রধান ড. রাজীব চক্রবর্তী, শিক্ষকবৃন্দের মধ্যে রিপন চ্যাটার্জী, ফারজানা রশিদ এবং নাফিসা তাসনীম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম আদালতে এনআইডি সংশোধন কারীদের ভিড়
২৩নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় পরিচয় পত্রে কোন তথ্য ও বানান ভুল থাকা মানেই নাগরিকদের দীর্ঘ বহুমুখী হয়রানির চক্করে পড়তে হচ্ছে। এই ভোগান্তির রূপ বিচিত্র হয় ধাপে ধাপে।কোন ভুলের দায় কার, সমাধান কিভাবে এবং কতোদিনে? সে সব নিয়ে ভুক্তভোগী নাগরিকদের সামনে কোন স্বচ্ছ তথ্য নেই। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ভান্ডার ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতার জন্য ভুল না করেও ভুলের জরিমানা গুনতে হচ্ছে, সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানিতে পড়তে হচ্ছে নাগরিকদের এবং তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান গুলোকেও।২০০৭ সালে ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়ন থেকে নাগরিক পরিচয়পত্রের প্রচলন। শুরুতে প্লাস্টিকে মোড়ানো সাদা কাগজের পরিচয় পত্র হাতে পেয়ে বহু মানুষ দেখেন তাদের দেয়া তথ্য ও নামের বানান ভুল। ভুলসহ স্মার্ট কার্ডও দেয়া হচ্ছে। এই ভুলের শিকার লক্ষ লক্ষ নাগরিক। ভোগান্তি দূর করতে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয় জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তির সেবা কার্যক্রম। ভোটার জাতীয় পরিচয়পত্রের সংশোধন, হারানো কার্ড উত্তোলন এবং নতুন কার্ড মুদ্রণে মাঠের উপজেলা অফিস, জেলা অফিস, আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অণুবিভাগের (এনআইডি) কার কী ক্ষমতা তা-ও নির্ধারিত করা হয় প্রজ্ঞাপনে। তারপরও বিড়ম্বনা কমছেই না।বর্তমানে দেশে ভোটার সাড়ে ১০ কোটি। এই ভোটারদের কমপক্ষে অর্ধেক বা ৫ কোটির মতো অশিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত, কোনো সনদধারী নন। এ অশিক্ষিত ভোটারদের এনআইডিতে কোনো ধরনের ত্রুটি থাকলে সংশোধনে চরম বিপাকে পড়তে হয়। কেননা সাধারণ নিয়মানুযায়ী প্রতিটি এনআইডি সংশোধন আবেদন সংশ্লিষ্ট স্থানীয় নির্বাচন অফিসের মাধ্যমে করতে হয়। সংশোধনের কাজটি সম্পর্ণ করা হয় ঢাকা থেকে। কোনো ধরনের তদবির বা যোগাযোগ না থাকলে বছরের পর বছর সেই আবেদন পড়ে থাকে। ফলে সেবা পাওয়া তো দূরের কথা সংশোধনের সঙ্গে সংযুক্ত মূল এনআইডিও ফেরত পান না ভুক্তভোগীরা। জানা গেছে, ভোটার তালিকা হালনাগাদে প্রতিবারই তথ্য সংগ্রহের সময় উভয় পক্ষের গাফিলতির কারণে তথ্যের গরমিল থাকছে। এসব ক্ষেত্রে নামের বানান, ঠিকানা, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নামের বানান নির্ভুল করা যায়নি। মাঠপর্যায়ের অনিয়ম পর্যবেক্ষণ করে ভোটার তথ্য সংগ্রহ ফরমে পিতা-মাতার নাম ও বর্তমান ঠিকানা ভুল করা এবং আইডি নম্বরের ঘর খালি রাখা, শনাক্তকারীর স্বাক্ষর না থাকা, সুপারভাইজার ও যাচাইকারীর নাম ও স্বাক্ষর না থাকা, এইচএসসি পাস হওয়া সত্ত্বেও স্বাক্ষর না নিয়ে শুধু টিপসই নেওয়া, আঙগুলের অস্পষ্ট ছাপ, ইংরেজি ও বাংলা বানানে অসামঞ্জস্যসহ ২১টি সমস্যা চিহ্নিত করা হয়।জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) তে নামের বানান, জন্ম তারিখ ও সাল ভুল,নামের পরিবর্তন সহ যে কোনো তথ্য সংশোধনের জন্য প্রথমে আদালতে হলফনামা প্রধান করিতে হয় এবং এই হলফনামায় সংশোধনটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করে তা নির্বাচন অফিসে জমা প্রধান করতে হয়।প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় বসবাসরত ব্যক্তিদের চট্টগ্রাম চিফ মেট্টোপলিটন মেজিষ্ট্রেটের নিকট হলফনামা প্রদান করিতে হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে সিএমএম আদালতে গিয়ে দেখাযায়, প্রত্যেক কার্যদিবসে উক্ত আদালতে ভিড় জমান এনআইডি সংশোধন কারীরা।তাদের মধ্যে যাদের শিক্ষাগত সনদ নেই বা যাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মুল কপি নেই তাদের ভুগান্তি চরমে।ভুক্তভোগী অনেকেই আক্ষেপ করে বলেন, অনুপ্রবেশ কারী রোহিঙ্গাদের কারণে আমরা এই বিপদের সম্মুখীন হয়েছি।সরকার যদি এই রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় না দিত তা হলে আমরা যারা বাংলাদেশের নাগরীক তারা এই সমস্যায় পরতাম না। একই চিত্র চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতেও। উক্ত বিষয়ে চট্টগ্রাম চিফ মেট্টোপলিটন আদালতের নাজের মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, এনআইডি সংশোধনের জন্য হলফনামা আমাদের এখান থেকে শুধুমাত্র যারা শহরের বসবাস কারী বা ভোটার তাদের গুলো নেয়া হচ্ছে।যাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে তাদের সমস্যা হচ্ছে না, যাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই তাদের হলফনামা আমরা নিচ্ছি না, কারণ আমার বিজ্ঞ বিচারক চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ ওসমান গনির নির্দ্দেশ এনআইডি সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মূল কপি প্রদর্শনে ব্যর্থ হলে হলফনামা জমা না নেয়ার জন্য।উনি একজন অভিজ্ঞ ও ন্যায় বিচারক,উনি সিএমএম হিসেবে দায়ীত্ব গ্রহনের পর থেকে এই আদালতের কার্যত্রুম ও শৃঙ্খলায় অনেক পরিবর্তন এনেছেন। বর্তমানে আমাদের চট্টগ্রাম আদালতে জনবলের সংকট রয়েছে,নিয়মিত আদালতের কার্যত্রুমের পাশাপাশি আমাদেরকে আরো অনেক কাজ করতে হয়, তারপরও চট্টগ্রাম আদালতের বর্তমান বিচার কাজে দায়িত্বরত বিজ্ঞ বিচারকগন ও আদালতের কর্মকর্তা কর্মচারীগন নিরলসভাবে সততা দক্ষতা ও নিষ্টার সাথে দায়ীত্ব পালন করে যাচ্ছেন।উক্ত বিষয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগী ও সুশিল সমাজের প্রতিনিধিগন বলেন, এনআইডি সংশোধনে হলফনামা জমাদানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ক্ষেত্রে কিছুটা শিতিলতা প্রয়োজন,তা হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটা কমে আসবে।
বিভ্রান্তি ছড়ালে সার্ভিস প্রোভাইডারের জরিমানা: তথ্যমন্ত্রী
২২নভেম্বর,শুক্রবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ালে সার্ভিস প্রোভাইডারের বিরুদ্ধে জরিমানার বিধিমালা তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়াও বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র আগামী মাস থেকে ১২ ঘন্টা সম্প্রচারে যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র শুধু ক্যাবল টেলিভিশন হিসেবে সারাদেশে ও বিদেশে দেখা যায়। কিন্তু আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এটিকে টেরিস্টেরিয়াল চ্যানেল হিসেবেও উন্নীত করা হবে। হাছান মাহমুদ শুক্রবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব টেলিভিশন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র, চট্টগ্রাম টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন ও টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে এ বৈঠকের আয়োজন করে। বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের মহাব্যবস্থাপক নিতাই কুমার ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপ-মহাপরিচালক (বার্তা) অনুপ কুমার খাস্তগীর। বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি, চরিত্রহনন ও গুজব ছড়ানো এখন বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্প্রচার নীতিমালা ইতিমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। সম্প্রচার আইনও পাস হবে। সেটি হলে সম্প্রচার মাধ্যমের সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে। মন্ত্রী বলেন, যেহেতু সম্প্রচার নীতিমালা বিদ্যমান আছে, এই নীতিমালার আলোকে কিভাবে আইনি সুরক্ষা দেয়া যায়, সেটি নিয়েও আমরা চিন্তা-ভাবনা করছি। টেলিভিশন যেন ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক স্বার্থে ব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে হাছান মাহমুদ বলেন, শিশু-কিশোরসহ আমাদের পুরো জনগোষ্ঠীর ওপর টেলিভিশনের প্রভাব ব্যাপক। যে মাধ্যমের এতবড় প্রভাব, সেটিকে আমরা জাতিগঠনের বিশাল কাজে লাগাতে পারি। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের মনন তৈরি এবং একইসাথে ভবিষ্যতের স্বপ্নের ঠিকানায় দেশকে পৌঁছানোর জন্য মেধা, মূল্যবোধ ও দেশাত্মবোধসম্পন্ন জনগোষ্ঠী তৈরির সক্ষমতা আমাদের টেলিভিশনের রয়েছে। ক্যাবল অপারেটরদের জন্য টিভিগুলোর সিরিয়াল করে দেয়া হয়েছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ছয় দশকে ভারতে কখনো আমাদের টেলিভিশন দেখা যেত না। প্রধানমন্ত্রী আমাকে দায়িত্ব দেয়ার ছয় মাসের মধ্যে এ কাজটি সম্পন্ন করেছি। টিভি বাড়ায় বিজ্ঞাপন ভাগ হয়ে যাচ্ছে। আগে ৪০০-৫০০ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন বিদেশে চলে যেত, যা বন্ধ করা হয়েছে। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, এখন টিভির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশি। আগামী দিনের টিভি চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে এখনই ভাবতে হবে। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সংবাদ পরিবেশন করা উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাহলে দর্শকের আস্থা বাড়বে। মো. আবদুল মান্নান বলেন, মিডিয়া মুক্তিযুদ্ধের সরকারের অনুকূলে কাজ করছে। যেসব তরুণ টিভিতে কাজ করছে তাদের উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে হবে। তাদের ঝুঁকি বেশি। তাদের ব্যাপারে সরকারের দিক থেকে অনেক কিছু করার আছে। ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান অনুপম শীলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন বিএফইউজের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, বাসসের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান কলিম সরওয়ার, একুশে পত্রিকার সম্পাদক আজাদ তালুকদার, চট্টগ্রাম টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাসির উদ্দিন তোতা, সাধারণ সম্পাদক লতিফা আনসারী রানা ও টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শফিক আহমেদ সাজিব।
চার কোটি টাকার ৮ কেজি স্বর্ণ বিমানবন্দরের টয়লেটে
২২নভেম্বর,শুক্রবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রায় ৪ কোটি টাকা মূল্যের ৮ কেজি ১৭০ গ্রাম ওজনের ৭০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়েছে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টয়লেট থেকে। আজ শুক্রবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে ওমানের মাসকাট থেকে সালাম এয়ারের যাত্রীরা নামার পর পরিত্যক্ত অবস্থায় স্বর্ণগুলো উদ্ধার করা হয়। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার সারওয়ার-ই-জামান বলেন,জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের কর্মকর্তারা স্বর্ণগুলো খুঁজে পান। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টয়লেটে পাওয়া গেছে ৮ কেজি স্বর্ণএর আগে গোপন সংবাদ থাকায় ওই ফ্লাইটের যাত্রীদের ওপর কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে সংশ্লিষ্ট পাচারকারী স্বর্ণের বারসহ পলিথিনটি টয়লেটে ফেলে যায়। এ ব্যাপারে কাস্টম আইন অনুযায়ী জব্দসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান এ কর্মকর্তা। তিনি বলেন,শাহ আমানতের আন্তর্জাতিক আগমন বিভাগের টয়লেটে স্বর্ণগুলো পাওয়া গেছে। ঠিক কোন প্লেনে কিংবা কোন দেশ থেকে পাচারকারী চক্র এসব স্বর্ণ এনেছে বলা মুশকিল।
বাংলাদেশ পুলিশ চট্টগ্রাম রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
২১নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,মো:ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ পুলিশ চট্টগ্রাম রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা গতকাল বুধবার হালিশহরস্থ জেলা পুলিশ লাইন্সের সিভিক সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে অপরাধ পর্যালোচনা সভার শুরুতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের স্মরণিকা অগ্রযাত্রার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। সভায় গত অক্টোবর মাসে জঙ্গিবাদ, অস্ত্র, মাদক নির্মূল, ওয়ারেন্ট তামিল, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দক্ষতা, মামলার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার, পরোয়ানা তামিল ও কোর্টে প্রসিকিউশন পক্ষের মামলা পরিচালনাসহ সার্বিক বিবেচনায় ভালো কাজের জন্য ১৭ ক্যাটাগরিতে রেঞ্জের ২৯ জন অফিসার-ফোর্সকে পুরস্কৃত করা হয়। এতে শ্রেষ্ঠ জেলার পুরস্কার নিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা। এ ছাড়াও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন, কাজী মো. আবদুর রহিম, সালাহউদ্দিন আল মাহমুদ, মো. কামাল উদ্দিন, আলাউদ্দিন, মো. নবীর হোসেন, মো. জাকির হোসেন, কামাল হোসেন, মো. গোলাম মোস্তফা, মো. সাঈদ মিয়া, মো. ইকবাল হোসেন, মো. সহিদার রহমান, নন্দন চন্দ্র সরকার, মো. খালেকুজ্জামান, মো. শাহাবুর আলম, মো. সাইদুর রহমান, এনামুল হক, আমিনুল ইসলাম, সাব্বির আহমদ, মো. মজিবুর রহমান, মো. সাদ্দাম হোসেন, আল-আমিন, আরাফাত বিন ইউসুফ, সাইফুল ইসলাম, ইসমাঈল হোসেন ও সৈয়দ এহতেশাম হায়দার বাপ্পী। অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তাদের প্রত্যেকের হাতে পুরস্কার তুলে দেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন এন্ড ক্রাইম) মোহাম্মদ আবুল ফয়েজ, জেলা পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা (চট্টগ্রাম), মো. মাহাবুবর রহমান (চাঁদপুর), এবিএম মাসুদ হোসেন (কক্সবাজার), মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার (বান্দরবান), মোহা. আহমার উজ্জামান (খাগড়াছড়ি), মো. আলমগীর কবীর (রাঙ্গামাটি), মো. আলমগীর হোসেন (নোয়াখালী), ড. এএইচএম কামরুজ্জামান (লক্ষীপুর), খোন্দকার নুরুন্নবী (ফেনী), সৈয়দ নুরুল ইসলাম (কুমিল্লা), মোহাম্মদ আনিসুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন এন্ড ক্রাইম) মাহমুদা বেগম, সহকারী পুলিশ সুপার মান্না দে, সহকারী পুলিশ সুপারগণ ও থানাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ পরিদর্শকগণ।
ধর্মঘটে সড়কে নৈরাজ্য
২১নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন সড়ক আইন বাতিলের দাবিতে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান পণ্য পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে গতকাল চট্টগ্রামসহ সারাদেশে সড়কে নৈরাজ্য ছিল পরিবহন শ্রমিকদের। ধর্মঘটের কারণে সকল ধরনের ট্রাক, লরি ও ট্রেইলর চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে বন্দর থেকে পণ্যবাহী কোনো যানবাহন বের হয়নি। তবে অন্যান্য পরিবহন এই ধর্মঘটের আওতায় না থাকলেও পণ্য পরিবহন শ্রমিকরা যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচলে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি যাত্রীদের নামিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলেও তারা বাধা দিয়েছেন নগরীর বিভিন্নস্থানে। তাদের বাধার মুখে চট্টগ্রাম থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচলও বন্ধ ছিল। তবে পরিবহন শ্রমিকদের বৃহত্তর সংগঠন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মো. মুছা বলেন,আমরা কোনো ধর্মঘট ডাকিনি। সকাল থেকে বাসও চলেছে। তবে পণ্য পরিবহন শ্রমিকরা ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের বিভিন্ন স্থানে বাধা দেওয়ায় বাস চলতে পারেনি বলে আমরা খবর পেয়েছি। আমরা দাবি করেছি এ আইনটি ধীরে ধীরে কার্যকর করতে এবং প্রথমদিকে পুলিশকে সহনশীল থাকতে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ঢাকায় আমাদের ফেডারেশনের অন্তর্ভূক্ত ২১৫টি সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের বর্ধিত সভা রয়েছে। সেখানে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত হবে। নতুন সড়ক পরিবহন আইনের কয়েকটি ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে মঙ্গলবার থেকে ধর্মঘটের ডাক দেয় ট্রাক ও পণ্য পরিবহন শ্রমিকরা। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও এই ধর্মঘটের সাথে একাত্ম হয়ে বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে চালকরা, যাতে চট্টগ্রাম থেকে দূর পাল্লার বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মালিক-শ্রমিকদের স্বেচ্ছা কর্মবিরতির কারণ প্রসঙ্গে বাস মালিকরা বলছেন, আইন নিয়ে ভীতি এবং আন্দোলনরত শ্রমিকরা বিভিন্ন জায়গায় বাধা দেওয়ায় বাসসহ অন্যান্য পরিবহন চলাচল ব্যহত হয়েছে। জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখায় অলংকার মোড় থেকে ওই রুটের সকল যান চলাচল বন্ধ ছিল। নগরীর হালিশহর, বড়পোল, ঈদগাঁও, নিমতলা, আগ্রাবাদ এঙেস রোড, মনসুরাবাদ, পোর্ট কানেক্টিং রোড এলাকায় শ্রমিকরা প্রাইভেট কার, টেম্পো, সিএনজি টেঙি, জরুরি পণ্য পরিবহনের ছোট ভ্যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেন। এসময় চালক-যাত্রী ও শ্রমিকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। যাত্রীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও জোর করে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। গাড়ি না পেয়ে হেঁটে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে যেতে দেখা গেছে যাত্রীদের। সিটি সার্ভিস বাস চালক মনসুর অলঙ্কার মোড়ে বলেন, সকালে বাস নিয়ে বের হওয়ার কিছুক্ষণ পর কয়েকজন এসে বাস চালানো যাবে না বলে ঘোষণা করে। এসময় বাসে থাকা যাত্রীদেরও নামিয়ে দেয় তারা এবং বাস না চালাতে আমাদেরকে বাধ্য করছে। না হয় অবস্থা খুব খারাপ হবে বলে হুমকি দিয়ে যায়। বাসের যাত্রী আবুল কালাম আগ্রাবাদ এলাকায় বলেন, আজ শুধুমাত্র পণ্য পরিবহণ শ্রমিকদের ধর্মঘট থাকলেও তারা গণপরিবহণগুলোও বন্ধ করে দিচ্ছে। যাত্রীদের বাস থেকেও নামিয়ে দিচ্ছে। তাই সঠিক সময়ে অফিসে যেতে পারবো না। তিনি কোতোয়ালী মোড় থেকে আগ্রাবাদ তাঁর কর্মস্থলে আসতে গিয়ে পলোগ্রাউন্ড এলাকায় বাধার সম্মুখে পড়েন বলে জানান। এদিকে ট্রাক-কাভার্ড ভ্যানের পাশাপাশি পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এমনকি মহাসড়কে নগরীর আশপাশের উপজেলায় যাতায়াতকারী গণপরিবহনও সকালে চলাচল করেনি। বুধবার সকালে নগরীর বিভিন্ন প্রবেশপথ অলঙ্কার মোড়, অঙিজেন মোড়, শাহ আমানত সেতু এলাকায় শত শত মানুষকে গণপরিবহনের অপেক্ষায় দুর্ভোগ পোহাতে দেখা গেছে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা অভিমুখে কোনো বাস সকাল থেকে ছেড়ে যায়নি। সেন্টমার্টিন পরিবহনের দামপাড়াস্থ কাউন্টার ব্যবস্থাপক নাজির আহমেদ জানান, সকালে তাদের কয়েকটি বাস ছেড়ে গেলেও সাড়ে আটটা থেকে কোনো বাস ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়নি। এ কে খান এলাকায় ঈগল পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার কামাল হোসেনও জানিয়েছেন, সকাল থেকে তাদের বাস ছাড়া হয়নি। যারা আগাম টিকিট নিয়েছিলেন তাদের টাকাও ফেরত দেওয়া হচ্ছে। গতকাল ধর্মঘট চলাকালীন নগরীতে মাঝে মাঝে দুয়েকটি ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান দেখা গেলেও বন্দর অভিমুখী পণ্য বহনকারী কোনো যান দেখা যায়নি। তবে বেসরকারি কনটেনার ডিপোগুলোতে কিছু কিছু লং ভেহিক্যাল ঢুকেছে। প্রতিদিনের মতো বুধবার বন্দরের জেটিগুলোতে আমদানি পণ্যের কন্টেনার নামানোর কাজ স্বাভাবিকভাবে চললেও পণ্য নিতে সকাল থেকে কোনো ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান বন্দরে ঢোকেনি। সকাল থেকে চট্টগ্রাম বন্দর সংলগ্ন বিমানবন্দর সড়কের বিভিন্নস্থানে ও আশপাশের এলাকায় বন্ধ ট্রাক-কাভার্ড ভ্যানের সারি দেখা গেছে।
এসএমই ব্যাংকিং ম্যাচমেকিং মেলা উদ্বোধন
২০নভেম্বর,বুধবার,মো:ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ড মাঠে ৬ষ্ঠ এসএমই ব্যাংকিং ম্যাচমেকিং ফেয়ার-২০১৯ উদ্বোধন করা হয়েছে। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সাংসদ খাদিজাতুল আনোয়ার সনি এই ফেয়ারের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ সাবিহা নাহার বেগম ও বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রামের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম মহিউদ্দিন আজাদ। চিটাগাং উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে আয়োজিত ১৩তম আন্তর্জাতিক মহিলা এসএমই বাণিজ্য মেলার অভ্যন্তরে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতায় এই ম্যাচমেকিং ফেয়ারের আয়োজন করা হয়। ১২টি ব্যাংক এই ম্যাচমেকিং ফেয়ারে অংশ নিয়েছে। নারী উদ্যোক্তাদের জন্য এসএমই ঋণের সুযোগ ও সম্ভাবনা সম্পর্কে অবগত করতে এই ব্যাংকিং ম্যাচমেকিং ফেয়ারের আয়োজন করা হয়। এ ব্যাপারে চিটাগাং উইমেন চেম্বারের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ১৩ তম আন্তর্জাতিক মহিলা এসএমই বাণিজ্য মেলার চেয়ারপর্সন ডা. মুনাল মাহবুব বলেন, এই ফেয়ার নারী উদ্যোক্তা ও ব্যাংকগুলোর মাঝে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, চিটাগাং উইমেন চেম্বারের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবিদা মোস্তফা, ভাইস প্রেসিডেন্ট রেখা আলম চৌধুরী, নিশাত ইমরান, প্রাক্তন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট খালেদা আমান প্রমুখ।
দুবাই-আবুধাবি যাচ্ছে ইডিইউর শিক্ষার্থীরা
২০নভেম্বর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট লিডারশিপ এক্সপেরিয়েন্স (আইজিএলই) কোর্সের অধীনে ৮ দিনের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই-আবুধাবীতে যাচ্ছে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির (ইডিইউ) ২০ জন শিক্ষার্থী। এ সময় বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে শিক্ষার্থীরা কয়েকটি সেশনে অংশ নেবে। এতে শিক্ষার্থীদের সাথে অংশ নিচ্ছেন ৪ জন ফ্যাকাল্টি মেম্বার ও ২ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তা। আগামী ২৩ নভেম্বর তারা দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনা দেবেন। ইডিইউর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিনিধিত্ব করতে হলে গ্লোবাল এক্সপেরিয়েন্স প্রয়োজন। শুধু ক্লাস লেকচার আর পাঠ্যপুস্তক নির্ভর পড়াশোনায় সবকিছু সম্ভব নয়। ইডিইউ শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষক ও উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে। ইডিইউর স্কুল অব বিজনেসের সহযোগী ডিন ড. মুহাম্মদ রকিবুল কবির বলেন, এই কোর্সে শিক্ষার্থীরা রিসার্চ আন্ডারস্ট্যান্ডিং, সাসটেইনেবল লিডারশিপ, ডিজিটাল লিডারশিপ, মোরাল এন্ড এথিকাল লিডারশিপ, ইনোভেটিভ লিডারশিপ এবং সফট স্কিল ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করবে। দুবাই-আবুধাবির কালচারাল হেরিটেজ সাইট, গ্লোবাল ভিলেজ, শেখ যায়েদ ইউনিভার্সিটি, ফ্রি জোন ও নলেজ পার্কে নিয়ে যাওয়া হবে শিক্ষার্থীদের। এছাড়া লেবার ক্যাম্পে শ্রমিকদের জীবনযাপনও দেখানো হবে। এসব অভিজ্ঞতা তাদের গভীর জীবনবোধের শিক্ষা দেবে।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পেঁয়াজ-চালের মূল্য নিয়ন্ত্রণ না হলে এবার হার্ড লাইনে
২০নভেম্বর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. মো. আবদুল মান্নান বলেছেন, দুএক দিনের মধ্যে কার্গোতে করে দেশে পেঁয়াজ আসবে। নতুন পেঁয়াজ ও শীঘ্রই বাজারে আসবে। এসব পণ্যের মুল্য নিয়ন্ত্রণে না আসলে আমরা হার্ড লাইনে যাবো। অভিযুক্ত আড়তদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অসাধু আড়তদারদের রক্ষা নেই। পেঁয়াজ ও চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসকগণের নেতৃত্বে সদরের পাইকারী ও খুচরা বাজারে এবং উপজেলা গুলোতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। প্রয়োজনে সাড়াঁশী অভিযান পরিচালনা করতে হবে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম আঞ্চলিক টাস্কফোর্স সভা, বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাগনের সাথে সমন্বয় সভা, জেলা প্রশাসকগনের সাথে সমন্বয় সভা, এসডিজি বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সম্পর্কিত বিভাগীয় কমিটির সভা, কারাগারে আটক শিশু-কিশোরদের অবস্থার উন্নয়ন বিষয়ক সভা, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সংক্রান্ত সভা ও বিভাগীয় রাজস্ব সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার অফিস পৃথক সভাগুলোর আয়োজন করেন। বিগত সভার সিদ্ধান্ত ও অগ্রগতি তুলে ধরেন বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইনামুল হাসান ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সাবরিনা আফরিন মুস্তফা। বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারের প্রত্যেকটি প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে কি না তা তদারকি করা হবে। দুর্নীতিতে জড়ানো যাবেনা। আমরা সকলে সততা, আন্তরিকতা ও দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করলে দেশ আরো অনেকদুর এগিয়ে যাবে। পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ দমন, চরি-ডাকাতি রোধ ও অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পৃথক সভাগুলোতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, বিজিবির রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিঃ জেনারেল আমিরুল ইসলাম সিকদার, বিভাগীয় স্থানীয় সরকার পরিচালক দীপক চক্রবর্তী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোঃ নুরুল আলম নিজামী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী মোঃ সামসুদ্দোহা, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন (চট্টগ্রাম), আবুল ফজল মীর (কুমিল্লা), তন্ময় দাস (নোয়াখালী), একেএম মামুনুর রশীদ (রাঙ্গামাটি), মো. মাজেদুর রহমান খান (চাঁদপুর), মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম (বান্দরবান), অঞ্জন চন্দ্র পাল (লক্ষীপুর), প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস (খাগড়াছড়ি), মো. ওয়াহিদুজ্জামান (ফেনী), হায়াত-উদ-দৌলা (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া), বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-মহাপরিচালক মোঃ সামছুল আলম, ওয়াসার সচিব ড. পীযুষ দত্ত, ডিসি-ডিবি(বন্দর)এসএম মোস্তাইন হোসেন,Rab-7 এর অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ মশিউর, এনএসআইর অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ ইউসুফ আলী হাওলাদার, আনসার-ভিডিপির উপ-মহাপরিচালক মোঃ সামছুল আলম, ডিআইজি (প্রিজন) একেএম ফজলুল হক, বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক মোঃ আবু সাইদ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ মুজিবুর রহমান পাটওয়ারী প্রমুখ। পৃথক সভাগুলোতে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মরত পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর