সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২০
গাজী আবদুর রহমান ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদ: খোরশেদ আলম সুজন
১৯নভেম্বর,মঙ্গলবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম গাজী আবদুর রহমান দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। তিনি গত ১৫ নভেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় সিডিএ আবাসিক এলাকা প্রভাতি উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে গাজী আবদুর রহমান স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে এবং কাট্টলী সংসদের সহযোগিতায় মরহুম গাজী আবদুর রহমানের স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত মন্তব্য করেন। এ সময় সুজন বলেন গাজী আব্দুর রহমানের মতো হাজারো নিবেদিত প্রাণ দলের নেতাকর্মী বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। যারা সবসময় দলের জন্য নীরবে নিভৃতে কাজ করে। তাদের কোন চাওয়া পাওয়া নেই। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই হচ্ছে তাদের আস্থার একমাত্র ঠিকানা। দলে অনুপ্রবেশকারীদের উত্থানে সে সকল নিবেদিত প্রাণ নেতা কর্মী যারা এতোদিন নীরব ছিলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষনায় তারা আবারো প্রাণ ফিরে পেয়েছে। তারা দলের কর্মকান্ডে সরব হতে শুরু করেছে এটা দলের জন্য সুসংবাদ। তিনি আরো বলেন জিয়াউর রহমানের আমল থেকে শুরু করে স্বৈরাচারী এরশাদ এবং খালেদা জিয়ার দুঃশাসনের মতো কঠিন সময়েও বিভিন্ন নির্বাচনে দলের নেতা কর্মীদের উজ্জীবিত করতেন মরহুম গাজী আবদুর রহমান। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে শত অত্যাচার নির্যাতন সত্বেও এ প্রবীণ নেতা সবসময় রাজপথে থাকতেন এবং দলের পক্ষে কাজ করতেন। তার এ আদর্শ রাজনীতির জন্য অনুকরনীয়। বর্তমান প্রজন্মকে মরহুম গাজী আবদুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে কাজ করার আহবান জানিয়ে জনাব সুজন বলেন কি পেলাম, কি পেলাম না সেটার নাম রাজনীতি নয়। রাজনীতি করে সমাজ কিংবা রাষ্ট্রকে আমি কি দিতে পেরেছি সেটাই হচ্ছে বড়ো বিষয়। স্মরণ সভা শেষে জনাব সুজন মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত করেন। সিডিএ আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যান পরিষদের সভাপতি ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা এ এইচ এম আবুল খায়েরের সভাপতিত্বে এবং যুবনেতা আসরাফ উদ্দিন হাসনাতের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আনোয়ারুল কবির চৌধুরী, জহির উদ্দিন মোঃ বাবর, হাবিবুর রহমান হাবিব, এমদাদুল হাসান বাবু, মোঃ হারুন উর রশীদ এম.এ, ডাঃ মোজাম্মেল হক, ফেরদৌস মাহমুদ আলমগীর, মোঃ আলমগীর, মাহফুজ রহমান, ইরফান আলম তানিম, আনন্দ আর্চায্য প্রমূখ। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য নুরুল কবির, সহিদুল ইসলাম দুলদুল, আবুল হাসনাত সৈকত, শিবলু বিশ্বাস শিবু, ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, মিজানুর রহমান মিঝু, তাজউদ্দীন চৌধুরী রিপন, মোহাম্মদ ইসহাক, মিঠুন সরকার, ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান চৌধুরী জনি, এস এম সাফায়েত হৃদয়, রায়হান সাব্বির, তুসার আহমেদ, অসিত দেব, সানিম, অভি রাজ প্রমুখ।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সাত্তার চৌধুরীর অবদান অসামান্য: ড. মাহবুবুল হক
১৯নভেম্বর,মঙ্গলবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক ড. মাহবুবুল হক বলেছেন, পুঁথি ও লোকসাহিত্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে আবদুস সাত্তার চৌধুরীর অবদান অসামান্য। আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের লালন ও তার পুনরুদ্ধারে আবদুস সাত্তার চৌধুরীর শ্রম ও সাধনা সার্থক হয়েছে। আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ ও আশুতোষ চৌধুরীর পরে তিনি উল্লেখযোগ্য কাজ সম্পাদন করেছেন। ড. মাহবুবুল হক গত ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম একাডেমির উদ্যোগে পুঁথি গবেষক ও সংগ্রাহক আবদুস সাত্তার চৌধুরীর জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন। সাহিত্যিক ও সাংবাদিক রাশেদ রউফ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ড. মাহবুবুল হক আরো বলেন, তাঁর সংগৃহীত পুঁথি ও লোকসাহিত্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার সমৃদ্ধ হয়েছে। তাঁর সংগৃহীত পুঁথির তালিকা নিয়ে একটা দীর্ঘ রচনা আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের পান্ডুলিপি পত্রিকায় প্রকাশ করেছিলাম। সেটি জন্ম শতবর্ষকে উপলক্ষ করে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করা গেলে এ প্রজম্মের পাঠক একটা ধারণা পেতে পারেন। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে ছিলেন আগ্রাবাদ মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. আনোয়ারা আলম, সরকারি মহসিন কলেজের অধ্যাপক ড. ইলু ইলিয়াস, শিল্পশৈলী সম্পাদক নেছার আহমদ, মরহুমের পুত্র পুঁথি গবেষক মুহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী, অধ্যাপক অজিত কুমার মিত্র, ব্যাংকার ফারুক খান চৌধুরী প্রমুখ। একাডেমির মহাপরিচালক অরুণ শীলের সঞ্চালনায় সাত্তার চৌধুরীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান সাবেক মহাপরিচালক কবি জিন্নাহ চৌধুরী, পরিচালক গল্পকার দীপক বড়ুয়া, গল্পকার সাংবাদিক বিপুল বড়ুয়া, সংগঠক মো. জাহাঙ্গীর মিঞা, লেখক এসএম আবদুল আজিজ, অধ্যাপক সুপ্রতিম বড়ুয়া, গল্পকার মিলন বনিক, কবি আবুল কালাম বেলাল প্রমুখ। অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে দীপক বড়ুয়ার সম্পাদনায় শ্রদ্ধাঞ্জলি শীর্ষক একটি সংকলন প্রকাশিত হয়।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নগরীর কোতোয়ালী থানা এলাকায় জেলা প্রশাসনের মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১১
১৮নভেম্বর,সোমবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন লালদিঘীর পাড়, টেরিবাজার ও পুরাতন রেলস্টেশন এলাকায় ভবঘুরে মাদকসেবীদের দৌরাত্য দিন দিন বেড়েই চলছিলো। প্রকাশ্য মাদকসেবনের পাশাপাশি এই সব এলাকায় বেড়ে গেছে নানান অপরাধ কার্যক্রম৷ বিশেষ করে নিউ মার্কেট এলাকায় যানবাহনের যাত্রীদের কাছ থেকে মোবাইল সহ মূল্যবান জিনিস ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা হরহামেসা ঘটছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে এসব মাদকসেবীরা নেশার টাকা জোগাড় করতে ছিনতাই ও চুরির মতন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে৷ অবশেষ আজ লালদিঘীর পাড়, টেরিবাজার ও পুরাতন রেলস্টেশন এলাকায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। এসময় এসব এলাকা থেকে ১১ জন মাদকসেবীকে আটক করে জেল জরিমানা করেন অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী। মাদকবিরোধী অভিযানে লালদিঘীর পাড় থেকে মোট ৬জন মাদকসেবীকে গাঁজা সেবনরত অবস্থান আটক করে। প্রত্যেককে ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। তারা হলেন মোঃ শাকিল (২০), মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩২), মোঃ জামাল (৪০), মোঃ নবী হোসেন (২৬), মোঃ রশিদ (২৪) এবং মোঃ আরমান (২৫)। পুরাতন রেলস্টেশনের নিউ বিরতি হোটেলের সামনে থেকে মোঃ রাসেল (৩০) এবং মোঃ জয়নাল আবেদীন (৩০) কে গাঁজা সেবনের অপরাধে প্রত্যেককে ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। অপরদিকে, টেরিবাজারে জগদ্ধাত্রী মন্দিরের পাশ থেকে মিজানুল হক রাসেল (৩৫), মাঈনউদ্দীন হোসেন (৩৫) এবং মোঃ মাসুদ আব্দুর রহমান (৩৭) কে ইয়াবা সেবনের সময় আটক করে অপরাধ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে প্রত্যেককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের নির্দেশনায় জেলায় মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
বাংলাদেশ হেভি মেশিনারী এন্ড ইকুইপমেন্ট ইম্পোটারর্স এসোসিয়েশন-চট্টগ্রামের মতবিনিময় সভা সম্পন
১৭নভেম্বর,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:বাংলাদেশ হেভি মেশিনারী এন্ড ইকুইপমেন্ট ইম্পোটারর্স এসোসিয়েশন-চট্টগ্রামের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা গতকাল ১৭ নভেম্বর বিকাল ৪ টায় এসোসিয়েশনের সভাপতি চসিক প্যানেল মেয়র প্রফেসর ড. নিছার উদ্দিন মঞ্জুর সভাপতিত্বে নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম কাস্টামস্ এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট কমিশনারেটর যুগ্ম কমিশনার মোঃ তাফসির উদ্দিন ভূইয়া। এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হেভি মেশিনারী এন্ড ইকুইপমেন্ট ইম্পোটারর্স এসোসিয়েশন-চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক নাজির আহমেদ রাজু, সহ-সভাপতি মোঃ কামাল উদ্দিন, মোঃ সেলিম উদ্দিন, মোঃ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী সহ আরও অনেকে। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, প্রত্যেক ব্যবসায়ী ও নাগরিককে ভ্যাট প্রদান করা নাগরিক দায়িত্ব, কেননা রাজস্ব আহরণের মাধ্যমে সরকারের যাবতীয় কর্মকা- পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রের উন্নয়নে রাজস্ব বৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই। তিনি এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দদের ভ্যাট সংক্রান্ত আইন ও বিধি বিধানসহ নানান বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন।
স্থপতি তসলিম উদ্দীন চৌধুরী চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবসময় আন্তরিক ছিলেন
১৭নভেম্বর,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের উদ্যোগে দৈনিক পুর্বকোণের সাবেক সম্পাদক, বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান স্থপতি তসলিম উদ্দীনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে এক স্মরণ আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবালের সভাপতিত্বে গতকাল বিকাল ৫ টায় সুপ্রভাত স্টুডিও মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, রাজনীতিবিদ আবু সুফিয়ান। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা অমর দত্ত, সংগঠক নোমান উল্লাহ বাজার, আবৃত্তিশিল্পী সোমা মুৎসুদ্দী, শবনম ফেরদৌসী, ছাত্রনেতা বোরহান উদ্দীন গিফারী, সাইফুল আরাফাত বাপ্পা। দোয়া ও মোনাজাত করেন মোঃ মিনহাজ উদ্দীন। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন স্থপতি তসলিম উদ্দীন চৌধুরী একজন দেশপ্রেমিক ও চট্টলদরদী মানুষ ছিলেন। তিনি সবসময় চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবসময় আন্তরিক ছিলেন। স্থপতি তসলিম উদ্দীন চৌধুরী ছিলেন আধুনিক মননের কীর্তিমান মানুষ। পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলার প্রয়াস ছিল তার চিন্তায়। স্পষ্টভাষী ও নীতির প্রশ্নে অটুট তসলিম উদ্দীন চৌধুরীর জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়। তিনি বলেন চট্টগ্রামের আধুনিক সংবাদপত্রের বিকাশে ও উন্নয়নে স্থপতি তসলিম উদ্দীন চৌধুরীর ভুমিকা অনস্বীকার্য। তিনি সবসময় সংবাদপত্রের আধুনিক প্রচার, প্রচারের নৃত্য নতুন চিন্তা ধারা কাজে লাগাতে চেষ্ঠা করতেন। তিনি একাধারে সম্পাদক ও সংগঠক হিসেবে সফল। তিনি বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন।
তরুণ সমাজকে ইসলামের সুন্নীয়তের সুনাম মর্যাদা রক্ষা করতে হবে
১৭নভেম্বর,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:মহান রবিউল আউয়াল বিশ্ব নবী রহমতাল্লিন আলামীন (দ.) নিখিল বিশ্বে শুভাগমন উপলক্ষ্যে আমীনে মিল্লাত, কুতুবে ওয়াক্ত, ফকিহে বাঙাল, পীরে কামেল, মুফতি আল্লামা শাহ্ ছুফী আলহাজ্ব কাযী মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম হাশেমী (রহ:) প্রতিষ্ঠিত হযরত বায়েজীদ বোস্তামী দরগাহ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ৫ দিন ব্যাপী ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (স.) সমাবেশ-২০১৯ এর সমাপনী দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন- অশান্ত পৃথিবীতে শান্তির দূত হয়ে হযরত মুহাম্মদ (স.) শুভাগমন মুসলিম জাহানের জন্য নেয়ামত স্বরুপ। ইসলামের মধ্যে মুনাফেকদের মাধ্যমে সৃষ্টি মতবাদকে বাতিল করে তরুণ সমাজকে ইসলামের সুন্নীয়তের সুনাম মর্যাদা রক্ষার্থে সকলকে যার যার অবস্থান থেকে ঈমানী দায়িত্ব পালন করতে হবে। এতে সভাপতিত্ব করেন জানশীনে আমিনে মিল্লাত, খলিফায়ে দরবারে আলা হযরত, পীরে ত্বরিকত হযরতুলহাজ্ব, আঞ্জুমানে আশেকানে মোস্তফা (দ.) বাংলাদেশের সভাপতি ও কুলগাঁওস্থ আল আমিন হাশেমী দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন আল্লামা শাহসূফী কাযী মুহাম্মদ ছাদেকুর রহমান হাশেমী (ম.জি.আ.)। কাযী সাজেদুর রহমান হাশেমীর পরিচালনায় বেলাদতে মোস্তফা (দ.) এর উপর অলৌকিক ঘটনাবলির বর্ণনাসমূহের নির্ভরযোগ্যতা এবং ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (দ.)র পালনের উপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন-জানশীনে ফকিহে বাঙাল, খলিফায়ে তাজুশ শরীয়াহ্ পীরে তরীকত হযরতুলহাজ্ব আল্লামা মুফতি কাযী মুহাম্মদ শাহেদুর রহমান হাশেমী (মা.জি.আ.)। নামাজ ও মাজহাব মানার গুরুত্ব এবং হানাফী মাজহাবের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে আলোচনা করেন-লালিয়ারহাট কাজীপাড়া জামে মসজিদের খতিব হযরতুলহাজ্ব মাওলানা সৈয়দ নুর মুহাম্মদ আল কাদেরী। মদিনা সনদ ও আদর্শ ইসলামী রাষ্ট্রের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন-শেরশাহ কলোনী বায়তুল মোর্কারাম জামে মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ আমিনী। এসময় উপস্থিত ছিলেন- মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক খোরশেদ আলম মোত্তাওয়াল্লী, সদস্য সচিব আলহাজ্ব সৈয়দ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান খাদেম, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান সওদাগর, ফজলুর রহমান সওদাগর, আঞ্জুমানে আশেকানে মোস্তফা (দ.) বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী আলহাজ্ব ফরিদ আহমদ চৌধুরী, সদস্য সচিব আলহাজ্ব এম.এ আউয়াল সওদাগর, মাওলানা মুহাম্মদ মোখতার, মাওলানা নুরুল আমিন, মাওলানা আবুল হোসেন, হযরতুলহাজ্ব মাওলানা বশির আহমদ জেহাদী, মাওলানা হেমায়ত, মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, মাওলানা মঈনুদ্দিন, মাওলানা হাসান, মাওলানা হাবিব এলাহী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে খতমে কোরআন মাজিদ, খতমে শেফা, ছালাতু ছালাম ও মুনাজাত পরিচালনা করেন আল্লামা শাহসূফী কাযী মুহাম্মদ ছাদেকুর রহমান হাশেমী (ম.জি.আ.)।
পড়ালেখার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উৎসাহিত করতে হবে
১৭নভেম্বর,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:খুলশী থানাধীন ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডস্থ ফয়স লেকস্থ বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা বিদ্যালয়ে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ও পরীক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও চসিক কাউন্সিলর মোঃ জহুরুল আলম জসিম বলেন, আজকের শিশুদের আগামী দিনের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পিতা-মাতাসহ শিক্ষকদের যতশীল হতে হবে। পড়ালেখার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাঙালি সংস্কৃতি চর্চা ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস পড়তে উৎসাহিত করতে হবে। তাদেরকে ৫২র ভাষা আন্দোলন, ৭১র মুক্তিযুদ্ধ, ৯০র স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন ও জঙ্গীবাদের উত্থান পতনের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে হবে তবেই তারা আগামী দিনের সোনার বাংলা গঠনের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোস্তফা কামাল বাচ্চুর সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষিকা ফারহানা হোসেনের সঞ্চালনায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সুউপদেশ মূলক বক্তব্য রাখেন, বঙ্গবন্ধুর জীবনের উপর আলোচনা করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের মোঃ মোস্তফা মিয়া, শ্রী খোকন চন্দ্র শীল, শহীদ লেইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: রুহুল আমিন, শিক্ষকদের পক্ষে কানিজ ফাতেমা তানিয়া, উমাশ্রী চক্রবর্ত্তী, সুমী সরকার, নুর নাহার বেগম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
পি.ই.সি পরীক্ষার্থীদের মাঝে আমাদের আলোকিত সমাজের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ
১৭নভেম্বর,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:বান্দরবান পৌরসভাস্থ প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পি.ই.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় দোয়া অনুষ্ঠানে আমাদের আলোকিত সমাজ বান্দরবান শাখার উদ্যোগে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিদ্যালয় পরিচালণা পরিষদ সভাপতি সাবেক পৌর প্যানেল মেয়র মং নই চিং এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রোটারিয়ান মো: কামরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কাউন্সিলর শই এইচিং আলোচনায় অংশ নেন শিক্ষক তিং মোইয়া, আয়শা বেগম, ডনো প্রুরূ, আমাদের আলোকিত সমাজ বান্দরবান আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন, সদস্য সচিব শাহিনুর ইসলাম, নিজাম উদ্দিন বাবু, ইব্রাহিম হোসেন, পারভেজ প্রমুখ।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর