শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
চট্টগ্রামে দুই ঘণ্টার ব্যবধানে ৩১ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার
৪মার্চ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে দুই ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুটি ঘটনায় ৭শ স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এসব স্বর্ণের বাজার দর ৩১ কোটি টাকা। এ ঘটনায় মোট চারজনকে আটক করা রয়েছে। তবে বারগুলো কোন জায়গা থেকে নিয়ে আসা হয়েছে বা কারা এনেছে, সেই ব্যাপারে আসামিদের সন্দেহজনক বক্তব্যের কারণে পুলিশ এখনো সুনির্দিষ্ট কিছু বলতে পারছে না। আটককৃতরা হলেন, নারায়ণগঞ্জ সদরের নিতাইগঞ্জ গ্রামের মৃত পরেশ চন্দ্র সাহার ছেলে প্রলয় কুমার সাহা (৫৯), শরীয়তপুর জেলার ডামুডা থানার ছোট শিদলপুরা গ্রামের হাশেম সওদাগরের ছেলে বিলাল হোসেন প্রকাশ কাদের, চুয়াডাঙা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌরসভার আজমপুর গ্রামের মৃত শহীদুল ইসলামের ছেলে রাকিব (৩৪) এবং একই এলাকার মোবারক পাড়া গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে করিম খান কালু (৩৪)। গতকাল বেলা ১১টায় নগরীর সিআরবি এলাকায় একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালিয়ে ১শ পিস স্বর্ণের বারসহ দুইজনকে আটক করে ডিবি পুলিশ। এ স্বর্ণ উদ্ধারের দুই ঘণ্টার মাথায় দুপুর ১ টা নাগাদ মীরসরাইয়ে জোরারগঞ্জ থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনাপাহাড় এলাকায় একটি পাজেরো গাড়ি থেকে আরও ৬শ পিস সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এ সময় দুইজনকে আটক করা রয়েছে। এ ব্যাপারে চট্টগ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মো. মশিউদ্দৌলা রেজা জানান, গোপন খবরের ভিত্তিতে ঢাকামুখী একটি পাজেরো মিতসুবিসি (চট্টমেট্টো-ঘ-১৮-২১৪৪) গাড়ি আটক করা হয়। পরে ওই গাড়ি তল্লাশি চালিয়ে তেলের ট্যাংকির পাশে বিশেষ ব্যবস্থায় লুকানো ৬০টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতি প্যাকেটে ১০টি করে মোট ৬শ টি স্বর্ণের বার পাওয়া গেছে। এ সব স্বর্ণের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২৬ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। এ সময় তাদের কাজ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। পরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণমাধ্যমকর্মীদের সোনা উদ্ধারের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান জোরারগঞ্জ থানার ওসি ইফতেখার হোসেন। স্বর্ণের এ বারগুলো রেলস্টেশনের সামনে থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত ব্যক্তিরা জানায় বলেন ওসি। ওসি বলেন, স্টেশনের কোন জায়গা থেকে আনা হয়েছিল, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। তারা জানাতে চাচ্ছে না। জিজ্ঞাসাবাদ এখনো চলছে, বিস্তারিত বেরিয়ে আসবে। এক প্রশ্নের জবাবে জোরারগঞ্জ ওসি বলেন, আটক দুই ব্যক্তি নিজেদের ড্রাইভার ও ক্যারিয়ার (বহনকারী) হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে। তাদের কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হয়েছে। আসলে তারা ব্যবসায়ী। এছাড়া চুয়াডাঙাতে খবর নিয়ে জেনেছি যে ফরিদ নামে তাদের একজনের নামে এর আগেও একটি চোরাচালানের মামলা রয়েছে। এছাড়া ওই অঞ্চলটিতে প্রায় সময়ই সোনা উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। এদিকে এ ঘটনার আগে বেলা ১১ টায় নগরীর সিআরবি এলাকা থেকে একটি প্রাইভেট কার তল্লাশি চালিয়ে আরও ১শ পিস স্বর্ণের বার উদ্ধারের পাশাপাশি দু জনকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। মীরসরাইয়ে উদ্ধারকৃত সোনার বারের ব্যাপারে আসামিরা পুলিশকে জানায়- তারা রেলস্টেশনের সামনে থেকে বারগুলো এনেছে। তবে সিআরবিতে উদ্ধারকৃত সোনার বারগুলো বদরশাহ মাজার এলাকা থেকে নিয়ে আসা হয়েছে বলে ওই ঘটনায় আটককৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানান। এ দুটি উদ্ধার ঘটনার সাথে কোনো যোগসাজস রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে আজাদীকে জানান নগর গোয়েন্দা পুলিশের বন্দর জোনের উপ কমিশনার এস এম মোস্তাইন হোসেন। এর আগে উদ্ধার কার্যক্রমের বিষয়ে লালদীঘিতে ডিবি পুলিশের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী থানাধীন সিআরবি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০০ পিস স্বর্ণের বার, ১টি প্রাইভেটকার সহ দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা (বন্দর) বিভাগ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম থেকে সোনার বার নারায়াণগঞ্জ এলাকায় পাচার করে বলে পুলিশের কাছে জানায়। উদ্ধারকৃত সোনার বারের ওজন ১১ কেজি ৬৬২ গ্রাম। এর বাজার মূল্য ৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। ডিসি এসএম মোস্তাইন বলেন, দু জনের মধ্যে একজন চালক, অন্যজন বহনকারী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে। বদরশাহ মাজার এলাকা থেকে একজন লোক এ সোনার বারগুলো তাদেরকে নারায়ণগঞ্জে পৌঁছে দিতে বলেছিল। বিনিময়ে তারা কিছু টাকা পাবে বলে জানায় আসামিরা। তাদের দেওয়া তথ্য কতটা সঠিক, সেগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান গোয়েন্দা পুলিশের এ কর্মকর্তা শীঘ্রই এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান তিনি। তবে বিমান ও স্থল পথের যেকোন একটি দিয়ে এসব সোনা চট্টগ্রামে এসেছে বলে ধারণা করছেন তারা। পতেঙ্গা থানার ওসি উৎপল বড়ুয়া বলেন, গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রামে দুইটি স্বর্ণের চালান উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে।
এয়ারবেলের মাসব্যাপী স্বপ্ন পূরণের সুযোগ
৩মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: এয়ারবেল স্বপ্নছায়া প্রকল্পসহ এয়ারবেলের চলমান সবকটি প্রকল্পে একসাথে শুরু হল মাসব্যাপী স্বপ্ন পূরণের আবাসন মেলা। গতকাল শনিবার এয়ারবেলের কর্পোরেট অফিসে মাসব্যাপী স্বপ্ন পূরণের সুযোগ আবাসন মেলার উদ্বোধন করা হয়। মার্চজুড়ে চলমান থাকবে এই আবাসন মেলাটি। আসন্ন রিহ্যাব মেলা, চট্টগ্রাম-২০১৯ যা ১৪ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত চলবে এবং সেখানেও এয়ারবেলের স্টলে এই আবাসন মেলার সমস্ত সুযোগ সুবিধা ক্রেতাদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মাসব্যাপী এই আবাসন মেলায় এয়ারবেল শর্ত সাপেক্ষে এককভাবে ও দলবদ্ধভাবে ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা নগদ ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে। এয়ারবেলের বিভিন্ন আধুনিক ও আকর্ষণীয় প্রকল্পসমূহে নগদ ছাড়ের সাথে রয়েছে সম্পূর্ণ রেডি ফ্ল্যাট ক্রয়ের সুযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদী ঋণগ্রহণের সুবিধা। গুণগত মানসম্পন্ন ভবন এবং সাধ্যের মধ্যে ফ্ল্যাটের মালিক হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দেবার জন্য এই মেলায় মহৎ আয়োজন করা হয়েছে বলে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল কৈয়ূম চৌধুরী। মেলার উদ্বোধন করেন এয়ারবেল ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল কৈয়ূম চৌধুরী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির কর্পোরেট মহাব্যবস্থাপক অরবিন্দু চৌধুরী, মার্কেটিং মহাব্যবস্থাপক আবু তসলিম, প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল মামুন ও বিক্রয় বিভাগের মোঃ নেজামুল হক, মোঃ মাসুদ আলম, কাস্টমার কেয়ারের শাহিদুর রহমান, এডমিন শিল্পী রায়, কোম্পানির প্রকৌশল বিভাগ, প্রশাসন বিভাগ, হিসাব বিভাগসহ অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ। এই আবাসন মেলা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলবে এবং প্রতিদিন সকাল ১০টা হতে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। মেলা চলাকালীন ফ্ল্যাট ক্রেতাগণের জন্য পরিবার সহ যে কোন প্রকল্প পরিদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
প্রফেসর ড. খান তৌহিদ ওসমান প্রাজ্ঞ ও আলোকিত মানুষ
২মার্চ,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. খান তৌহিদ ওসমানের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার এবং জীব বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুর রহমান। উপাচার্য বলেন, বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি হিসেবে ড. খান তৌহিদ ওসমান একদিকে প্রশাসনিকভাবে ছিলেন অত্যন্ত দক্ষ ও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন। অন্যদিকে একাডেমিক বিষয়ে ছিলেন জ্ঞান-গবেষণায় সমৃদ্ধ অত্যন্ত প্রাজ্ঞ ও আলোকিত মানুষ। তাঁর বিপুল সংখ্যক গবেষণামূলক প্রবন্ধ দেশে বিদেশে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে; যা বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞান-গবেষণায় যুক্ত করেছে অনন্য মাত্রা। উপাচার্য বলেন, এ প্রাজ্ঞ শিক্ষক জ্ঞানের প্রজ্জ্বলন ঘটিয়ে শুধু জ্ঞান সৃজন ও জ্ঞান উৎপাদনই করেননি জ্ঞান-গবেষণার পন্থাও দেখিয়ে দিয়েছেন। চবি মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি ড. মো. শফীকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সহকারী অধ্যাপক মো. ইমাম হোসাইনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক ডিভিশনাল অফিসার এ টি এম এমদাত হোসাইন এবং বিদায় সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ন ও বিভাগের প্রফেসর ড. মো. গোলাম কিবরিয়া। অনুষ্ঠানে মানপত্র পাঠ করেন প্রফেসর ড. নাসরীন চৌধুরী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
ফ্রান্সের শিল্পীদের সাথে ভায়োলিনিস্টস চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক বিনিময়
১মার্চ,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভায়োলিনিস্টস চট্টগ্রামের শিল্পীদের সাথে ফ্রান্সের শিল্পীদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দুদিনব্যাপী পারস্পরিক সাংস্কৃতিক বিনিময় হয়েছে। নগরীর আশকার দীঘি এলাকায় অনুষ্ঠিত আয়োজনে ভায়োলিনিস্টস চট্টগ্রামের শিল্পীরা বেহালায় সমবেত রবীন্দ্র, রাগ সংগীত ও লোকগান পরিবেশন করেন। অন্যদিকে ফ্রান্সের শিল্পীরা পাশ্চাত্য যন্ত্র ভায়োলা, সেলো ও বেহালা বাজানোর কৌশল দেখানোসহ বেশ কিছু পাশ্চাত্য কম্পোজিশন বেহালায় উপস্থাপন করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশে ফরাসি দূতাবাসের সাংস্কৃতিক শাখা অলিয়ঁস ফ্রঁসেজ চট্টগ্রামের পরিচালক ড. সেলভাম থোরেজ, সহকারী পরিচালক গুরুপদ চক্রবর্তী, ভায়োলিনিস্টস চট্টগ্রামের সভাপতি ডা. তন্ময় সরকার, সাধারণ সম্পাদক প্রিয়তোষ বড়য়া, এলিট পেইন্টের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার সুব্রত দেব, সাংবাদিক প্রণবেশ চক্রবর্তী, সংস্কৃতিকর্মী সাবিনা ফেরদৌস ও ফাতেমা নিগার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
আঞ্চলিক গণিত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান
২৭ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: এলোহা ৬ষ্ঠ আঞ্চলিক গণিত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান গত শনিবার রাতে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে অতিথি ছিলেন রাউজান পৌরসভার মেয়র দেবাশীষ পালিত, ডা. সরফরাজ খান, কবি নাঈমা খানম। সভাপতিত্ব করেন এলোহার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী হায়দার চৌধুরী। অনুষ্ঠানে এলোহার কৃতী শিক্ষার্থী আহমেদ যাওয়াদ চৌধুরীকে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে স্বর্ণপদক জয়ের জন্য বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এলোহা চট্টগ্রামের পরিচালক আসাদ উজ্জ্বল। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
সিআইইউতে বিপণন বিষয়ক কর্মশালা
২৭ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে ক্রেতাদের রুচিও। ১০ বছর আগে যে পণ্যটির চাকচিক্য দেখে হাতে টেনে নেওয়া হতো, সেই পণ্যটি-ই এখন ব্যাগে ভর্তি করার আগে হাজার রকমের প্রশ্নে জর্জরিত। মানে ক্রেতারা এখন পন্য ক্রয়ের বিষয়ে অনেক সচেতন। চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউতে) অনুষ্ঠিত হলো বিপণন, বিজ্ঞাপন ও বিক্রয় ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ডু নট সেল, ইন্সপায়ার শীর্ষক জমজমাট দিনব্যাপী কর্মশালা। সম্প্রতি নগরের জামালখানের সিআইইউ ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে মার্কেটিং বিভাগ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে বিপণনের নানা কৌশল ও ধাপ নিয়ে আলোচনা করেন রেডিও ফুর্তি চট্টগ্রামের স্টেশন চিফ মুনতাসির হোসাইন। উপস্থিত ছিলেন সিআইইউর মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সভাপতি ড. মোসলেহ উদ্দিন চৌধুরী খালেদ, বিজনেস স্কুলের প্রভাষক সায়ীদ হাসান, নাজমা কবির, তামান্না জামান, রেডিও ফুর্তি চট্টগ্রামের নির্বাহী কর্মকর্তা (সেলস) এহসান উল্লাহ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে পন্যের বর্তমান বাজারজাতকরণ ও ক্রেতাদের আস্থা অর্জনের বিষয়ে শিক্ষার্থীরা নানা প্রশ্ন করেন। অনেকে বিজ্ঞাপনের ভাষা নিয়ে তুলে ধরেন তাদের মতামত। সবার কথপোকথন আর প্রাণোচ্ছল আড্ডায় জমে ওঠে পুরো কর্মশালা। রেডিও ফুর্তি চট্টগ্রামের স্টেশন চিফ মুনতাসির হোসাইন বলেন, বিজ্ঞাপন হচ্ছে একটি গল্প। যা মানুষের অবচেতন মনকে পণ্য ক্রয়ের জন্য প্রলুব্ধ করে। তবে এই গল্প এমনভাবে ফুটিয়ে তুলতে হবে যেন মনে হয় সেখানে আপনার-আমার পরিবারের কথাই বলা হচ্ছে। এই বিষয়ে তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞাপনের ট্যাগ লাইন বা মনে রাখার শব্দগুলো হতে হবে হৃদয়গ্রাহী। যেমন: ক্লোজআপের এখন ট্যাগ লাইন হচ্ছে কাছে আসার গল্প, রবি বলছে জ্বলে উঠুন আপন শক্তিতে। এই ধরনের লাইনগুলো ক্রেতাদের অনেক বেশি পন্যের প্রতি আকৃষ্ট করে। তবে শুধু পণ্যের গুণাগুণ থাকলে ক্রেতা তা ক্রয় করবেন এ কথা ঠিক নয়। অনেক সময় ভালো পণ্যটি তাদের হাতে তুলে দিতে উপস্থাপনের দিকে নজর দিতে হয়। এর ফলে গুণাগুণ জানার পাশাপাশি ক্রেতার মনে আস্থার জায়গাও সৃষ্টি হয় বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন মুনতাসির হোসাইন। মার্কেটিং বিভাগের সভাপতি ড. রোবাকা শামসের বলেন, উচ্চশিক্ষার পাঠ শেষ করে শিক্ষার্থীরা একদিন তরুণ উদ্যোক্তা হয়ে কাজ করবে। তাই এই কর্মশালার মাধ্যমে পণ্যের ক্রয়-বিক্রয়, পণ্য সংরক্ষণ, মোড়কীকরন, পরিবহন ও বিক্রয়োত্তর সেবা বিষয়ে তাদের ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে মুনতাসির হোসাইনের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
গুণীজনকে মর্যাদা দিলে অন্যরাও ভালো কাজে উৎসাহিত হন
২৫ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামস্থ বৃহত্তর ঢাকা সমিতির বার্ষিক প্রীতি সম্মিলন গত ২৩ ফেব্রুয়ারি হোটেল আগ্রাবাদের ইছামতি হলে অনুষ্ঠিত হয়। প্রীতি সম্মেলন উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন পিলুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মীর নাজমুল আহসান রবিনের সঞ্চালনায় মিলনমেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত ডি.আই.জি মোহাম্মদ মোসলেম ও বৃহত্তর ঢাকা সমিতি, চট্টগ্রাম-এর সাধারণ সম্পাদক মো: হাবিবুর রহমান। বৃহত্তর ঢাকার অধিবাসী যারা চট্টগ্রামে স্ব-স্ব কর্মক্ষেত্রে সাফল্য রেখেছেন তাদের সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় । এরা হলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহসেন উদ্দিন আহম্মদ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সামসুদ্দোহা, পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (পি.বি.আই) চট্টগ্রাম বিভাগের স্পেশাল পুলিশ সুপার মো: ইকবাল, চট্টগ্রাম-এর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক পরিচালক (প্রশাসন), সমিতির জীবন সদস্য সাদেকা বেগম, চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিন্যাল ম্যানেজার, সমিতির জীবন সদস্য গোলাম মো: সারওয়ারুল ইসলাম, শিল্পপতি জিপিএইচ ইস্পাতের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সমিতির জীবন সদস্য মোহাম্মদ আলমাস শিমুল, সমিতির জীবন সদস্য এ.কে.এম. জামান। এছাড়াও বিগত বছর সমিতির কার্যক্রমকে গতিশীল রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় সহ-সভাপতি চক্ষু চিকিৎসক ডা: মোজাম্মেল হক শরিফী, বদিউজ্জামান খান ননী ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো: সালাহ উদ্দিন রোমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন তাঁর বক্তব্যে ফ্রি ক্লিনিক পরিচালনার মাধ্যমে গত এক বছরে ১৩০০ রোগীকে চিকিৎসা সেবা এবং ৭২ জন রোগীকে বিনামূল্যে ছানি অপারেশন করায় বৃহত্তর ঢাকা সমিতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। মেয়র বলেন, গুণীজনকে যথাযথ মর্যাদা দিলে অন্যরাও ভালো কাজে উৎসাহিত হন। তিনি যে কোন ভালো কাজে বৃহত্তর ঢাকা সমিতির পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে ঢাকার চকবাজারে ভয়াবহ আগুনে মৃত্যুবরণকারীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা, আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা এবং বৃহত্তর ঢাকা সমিতি, চট্টগ্রামের সভাপতি এ.এইচ.এম. করম আলীর আশু রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া পরিচালনা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
জ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর সমাজ বিনির্মাণে মাতৃভাষাকেও গুরুত্ব দিতে হবে
২৫ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. প্রকৌশলী মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেছেন, একটি জ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর সমাজ বিনির্মাণে মাতৃভাষায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। কিন্তু বাস্তবতা হলো উন্নত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চার ক্ষেত্রে মাতৃভাষা উপেক্ষিত হওয়ায় সাধারণ বাঙালির ঘরে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তানরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চায় এগিয়ে আসতে পারছে না। গত শনিবার নগর ভবন চত্বরে একুশ মেলা পরিষদ আয়োজিত ভাষা ও সংস্কৃতি উৎসবের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ৫২র ভাষা আন্দোলন বাঙালির আত্মজাগরণে মাইলফলক। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাঙালি জাতিসত্ত্বা নির্মাণের যাত্রা শুরু হয়। এই যাত্রা পথে আমাদের মাতৃভাষা ও নিজস্ব সংস্কৃতি ছিল সবচেয়ে বড় অনুুপ্রেরণা। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে এসে উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারে বিদেশী ভাষা ও আগ্রাসনী সংস্কৃতির প্রভাব পড়ায় আমাদের নিজস্ব ভাষা সংস্কৃতির বিকাশ রুদ্ধ হয়েছে। এটা অপ্রিয় হলেও সত্য যে, আমাদের দেশে ত্রিমুখী শিক্ষা ব্যবস্থায় সামাজিক বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে এবং শ্রেণী বিভাজন সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে আমরা দীর্ঘদিন পিছিয়ে ছিলাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সত্যটিকে উপলব্ধি করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ সকল ক্ষেত্রে মাতৃভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভৌত বিজ্ঞানী প্রয়াত প্রফেসর ড. জামান নজরুল ইসলাম জীবনের দীর্ঘসময় ইউরোপ আমেরিকায় কাটিয়ে নিজ ভূমে ফিরে এসে বলতেন আমাদের সন্তানদের শিক্ষা দীক্ষার ক্ষেত্রে বাংলা ভাষাকেই প্রাধান্য দিতে হবে। তা না হলে নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশ প্রেমের বীজ বপিত হবে না। আমি এই মনীষীর সহজ সরল উক্তিটিকে অন্তর দিয়ে ধারণ করে বলতে চাই আমরা স্বাধীন হলেও মানসিকভাবে এখনো ঔপনিবেশিক মনোবৃত্তি সম্পন্ন। এই মনোবৃত্তি পরিহার করে মাতৃভাষার সম্মান ধারণ ও এর বিকাশের ক্ষেত্রে সকল বাধা অপসারণ করতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শহীদ সরওয়ার্দ্দী মেডিকেল কলেজের পরিচালক অধ্যাপক ডা: উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, মানুষের পাঁচটি মৌলিক অধিকার অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, এই পাঁচটি মৌলিক চাহিদা পূরনের মধ্য দিয়ে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। ঔপনিবেশিক আমলে বাঙালিরা পাঁচটি মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল বলেই ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই একাত্তরে একটি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিণতিতে স্বাধীন বাঙালি জাতি সত্ত্বা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সভাপতির ভাষণে ভাষা ও সংস্কৃতি উৎসব উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ভাষা ও সংস্কৃতি উৎসবের আনন্দময় চারটি দিনে ভাষা সংস্কৃতি নিয়ে বক্তাদের অনেক মূল্যবান বক্তব্য এসেছে। একটা বিষয় সুস্পষ্ট যে, ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে আমাদের রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে এখনো অনেক কাজ করার বাকি রয়েছে। এ কাজটি পূর্ব শর্ত হচ্ছে আত্মকেন্দ্রিকতা মুক্ত নিখাদ দেশ প্রেম। এই দেশপ্রেম বোধ নিয়ে বাঙালির ভাষা সংস্কৃতির বিকাশের মাধ্যমে একটি জ্ঞানভিত্তিক প্রযুক্তি নির্ভর সমাজ বিনির্মাণ হলেই এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক মুক্তির সঠিক ঠিকানা পাবে। শেষে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবায় ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়ার হাতে একুশে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া ভাষা ও সংস্কৃতি উৎসবের প্রণোদনা ও পৃষ্ঠপোষকতার জন্য প্রকৌশলী রাজীব বড়ুয়াকে একুশে স্বীকৃতি সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। ভাষা ও সংস্কৃতি উৎসব উদযাপন পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব নজরুল ইসলাম মোস্তাফিজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য জাহেদুর রহমান সোহেল। শেষে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন, চারুতা নৃত্যকলা একাডেমী, পরিচালনায় ফজল আমিন শাওন। সংগীত পরিবেশন করেন বেতার ও টেলিভিশন শিল্পী প্রিয়া ভৌমিক, রুপি চৌধুরী, শানু মার্মা, সঞ্চিতা দে প্রমুখ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারে বসন্ত মেলা শুরু
২৫ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র উদ্যোগে গতকাল ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী বসন্ত মেলা-১৪২৫। বেলা ১১ টায় চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সেমিনার হলে মেলার উদ্বোধন করেন দৈনিক আজাদীর পরিচালনা সম্পাদক ওয়াহিদ মালেক। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র ভাইস- প্রেসিডেন্ট আবিদা মোস্তফা, ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেসমিন আক্তার, ডা. মুনাল মাহবুব, মেলা কমিটির চেয়ারম্যান ও পরিচালক রেবেকা নাসরিন, পরিচালক নিশাত ইমরান, নূজহাত নূয়েরী কৃষ্টি, রোজিনা আক্তার লিপি, মোস্তারী মোর্শেদ স্মৃতি, ফেরদৌস ইয়ামসিন খানম, প্রাক্তন পরিচালক নূর আক্তার জাহান-সহ সিডব্লিওসিসিআইয়ের সদস্যবৃন্দ এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মেলায় বিভিন্ন ধরনের ছোট-বড় তৈরি পোশাক, কসমেটিকস্ পিঠা-পায়েস, আচার, শাড়ি, থ্রি-পিস, সালোয়ার-কামিজ এবং দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সকল ধরনের পণ্যের সমাহার রয়েছে। মেলা চলবে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর