মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকুন : এমপি লতিফ
২৪ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম-১১ আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আগ্রাবাদস্থ পুরাতন চেম্বার হাউস মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার সভাপতি এম এ লতিফ এমপি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। তিনি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৫২ থেকে ৭১ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিক আন্দোলনের ফল আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিজয়। তিনি বলেন- স্বাধীনতার বিপক্ষের ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় ৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির জনককে সপরিবারে হত্যা হয়। এখন বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে স্বাধীনতা বিরোধীদের সেই ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি দেশ ও নেত্রীর বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পতাকা তলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান। এম.এ.লতিফ এমপি ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রহরে দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি দিবস এর কর্মসূচির সূচনা করেন। উক্ত কর্মসুচির অংশ হিসেবে আগ্রাবাদস্থ পুরাতন চেম্বার হাউস মিলনায়তনে দুপুর ১১ টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ উপদেষ্টা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো.এনামুল হক চৌধুরী সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহাবুবুল হক মিয়া, বন্দর থানা আওয়ামীলীগ সভাপতি নুরুল আলম, ইপিজেড থানা আওয়ামীলীগ আহবায়ক হারুনুর রশিদ, ৩৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগর আহবায়ক এসকান্দর মিয়া, পতেঙ্গা থানা আওয়ামী লীগর যুগ্ম আহবায়ক মো. ইসলাম, ৩৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হোসন মুরাদ, সহ সভাপতি মো: জানে আলম, ৩৯ ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আসলাম, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ-র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুলতান মো: নাছির উদ্দিন,সাধারন সম্পাদক শফিউল আলম, ৪০নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগর সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আকবর ৩০নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ-র সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন ইবনে আহম্মদ,৩৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগর সভাপতি এম.হাসান মুরাদ, সাধারণ সম্পাদক হাজী মো: হাসান, ২৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগর সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্যও দেবাশীষ পাল দেবু বন্দর সিবিএর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নায়েবুল ইসলাম ফটিক, সি এন্ড এজেন্ট কর্মচারী ইউনিয়ন সভাপতি জহুরুল আলম মজুমদার, সভায় উপস্থিত ছিলেন- ৩০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি জহির আহম্মদ ২৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের, ২৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব আলী বঙ, ২৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাফরুল হায়দার সবুজ, বন্দর থানা আওয়ামীলীগর সহ-সভাপতি সৈযদ মাহাবুব আলম, ৩৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগর যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ মো: হোসেন, ৩৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগর যুগ্ম আহবায়ক মো: মোরশেদ আলী ইউনিট সভাপতি মো: মোক্তার, সাধারন সম্পাদক রিফাত আলম, ৪০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগর দপ্তর সম্পাদক সেকান্দর আজম, ইপিজেড থানা আওয়ামী লীগর যুগ্ম-আহবায়ক আবু তাহের, বন্দর থানা বঙ্গবন্ধু পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক ৩০নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি আবদুল মালেক ২৯নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি আফসার উদ্দিন, সহ-সভাপতি রাশেদ যোবায়েরী, সাধারণ সম্পাদক শাহীন সরোয়ার, ৩৮নং ওয়ার্ড যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আক্তার, ৩৯ নং ইউনিট আওয়ামী লীগর সভাপতি মো: আব্দুল রউফ ৪০নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সালাউদ্দিন, ৪১নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি মাইনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন রাজু, স্বাধীনতা নারী শক্তি পরিচালক অধ্যাপিকা বিবি মরিয়ম। সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ সাধারণ সম্পাদক মো: ইকবাল হোসেন, ব্যারিস্টার কলেজ ভিপি জাহেদ হোসেন খোকন মহানগর ছাত্রলীগর ক্রীড়া সম্পাদক আবু তারেক রনি,সহ-সম্পাদক মোঃ আরিফ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, শ্রমিকলীগ নেতৃবৃন্দ এবং স্বাধীনতা নারী শক্তির পরিচালক, সহকারী পরিচালক, ইউনিট নেত্রী ও সদস্যবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রামে ডবলমুরিং থানা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের
২৩ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহানগরীর ডবলমুরিং থানার কদমতলী এলাকায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় মোটর সাইকেল আরোহী বাবা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাত পৌনে ১২টার দিকে কদমতলীর ধনিয়ালাপাড়া মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মো. সগীর (৪২) মনসুরাবাদ এলাকায় মুদি দোকানী ও তার ছেলে মো. জোনায়েদ (১২) আগ্রাবাদ গণপূর্ত বিদ্যা নিকেতনের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। ডবলমুরিং থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জহির হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে ধনিয়ালাপাড়া মসজিদের সামনে দ্রুতগতির একটি কাভার্ড ভ্যান মোটর সাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মোটর সাইকেল আরোহী বাবা ও ছেলে মারা যায়। তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া মোটর সাইকেলটি থানায় এনে রাখা হয়েছে।
একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বের ইতিহাসে অনন্য দিন
২৩ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেন, মাতৃভাষার জন্য বাঙালির আত্মদানের ঘটনা স্বীকৃতি পেয়েছে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে। ১৯৯৯ সালে ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। তারপর থেকে এদিনে বাঙালির সঙ্গে সারা বিশ্বেই দিনটি উদযাপিত হচ্ছে। সুতরাং একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির ইতিহাসে একটি অনন্য দিন হলেও, এখন বিশ্বের ইতিহাসেও অনন্য ও অসাধারণ দিন। গত ২১ ফেব্রুয়ারি জিইসি মোড়স্থ প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করার প্রাক্কালে তিনি এসব কথা বলেন। উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন বাংলা ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিক ইতিহাস বর্ণনা করে বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যে ভাষাভিত্তিক জাতীয় রাষ্ট্র হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এক রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করল, তার বীজ অঙ্কুরিত হয়েছিল ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলনের মহান সংগ্রামে। বস্তুত এই স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাষা আন্দোলনেরই যৌক্তিক পরিণতি। উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করার পরে ইউনিভার্সিটির কর্মকর্তা-কর্মচারী, গণিত বিভাগ, তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগ, ইংরেজি বিভাগ, ব্যবসা-শিক্ষা অনুষদ, আইন বিভাগ, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, স্থাপত্য বিভাগ, অর্থনীতি বিভাগ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি, রোবটিক্স ক্লাব, আইইইই প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি ল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (পুলা), অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার্স পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যবসা-শিক্ষা অনুষদের প্রফেসর অমল ভূষণ নাগ, প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. তৌফিক সাঈদ, ব্যবসা-শিক্ষা অনুষদের সহকারী ডিন মঈনুল হক, প্রক্টর আহমদ রাজীব চৌধুরী, গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইফতেখার মনির, স্থাপত্য বিভাগের চেয়ারম্যান সোহেল এম শাকুর, আইন বিভাগের চেয়ারম্যান তানজিনা আলম চৌধুরী, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান সাদাত জামান খান, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ফারজানা ইয়াসমিন চৌধুরী, তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান টুটন চন্দ্র মল্লিক প্রমুখ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপাচার্যের উপদেষ্টা ও প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু তাহের, রেজিস্ট্রার খুরশিদুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শেখ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, উপ-পরিচালক (হিসাব) হাছানুল ইসলাম চৌধুরী এবং ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান কাউসার আলম প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
আগামীতেও বৃহত্তর পরিসরে বইমেলা আয়োজনে সহযোগিতা চাইলেন মেয়র
২৩ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভাষা সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা, সমাজ সেবক, চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ, সংগীত শিল্পী, পেশাজীবী, সাংবাদিকতাসহ চৌদ্দটি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য চট্টগ্রামের চৌদ্দ গুণী ব্যক্তিকে একুশে স্মারক সম্মাননা পদক ও একুশে সাহিত্য পুরস্কার ২০১৯ দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন । গত বৃহস্পতিবার এমএ আজিজ স্টেডিয়ামস্থ জিমনেসিয়াম চত্বরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত ও সৃজনশীল প্রকাশনা পরিষদের সহযোগিতায় বইমেলা মঞ্চে সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন পদক প্রাপ্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন। অমর একুশে বই মেলা চট্টগ্রাম-২০১৯ এর আহবায়ক কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউকের সভাপতিত্বে সভায় চসিক প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী,চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা ও প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া বক্তব্য রাখেন। সংবর্ধিত ব্যক্তিদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য প্রফেসর ড.শিরিন আখতার, প্রকৌশলী আলী আশরাফ, সাফিয়া গাজী রহমান, মানজুর মুহাম্মদ, মোস্তফা কামাল, মহিউদ্দিন শাহ আলম নিপু, মরহুম আইয়ুব বাচ্চুর পিতা হাজী মোহাম্মদ ইসহাক, দবির আহমদ চৌধুরীর এর পুত্র আবদুর রহমান চৌধুরী অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন। এসময় তারা এ আয়োজনের জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে ধন্যবাদ জানান এবং আগামীতে আরো বৃহত্তর পরিসরে আয়োজনে তাদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বই মেলা মঞ্চে সংবর্ধিত গুণীজন,চসিক কাউন্সিলর,সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন- নগরীর গুণীজনদের সংবর্ধনা প্রদান ও তাদের অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে হাজারো গুণীজন সৃষ্টি হবে। চট্টগ্রামের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে মেয়র বলেন- যেসব দেশের প্রধান ভাষা একাধিক, সেখানে কোনো একটি ভাষাকে দাপ্তরিক ভাষা ঘোষণা করা মানে সেই ভাষায় কথা বলা মানুষকে অন্যদের চেয়ে বেশী সুযোগ প্রদান করা, অন্য ভাষার মানুষের উপর কর্তৃত্ব করাতে রাস্ট্রীয় সমর্থন যোগানো। এর ফলে একাধিক ভাষাভাষির মধ্যে সংঘাত সৃষ্টি হয়। এ প্রসংগে মেয়র বলেন- ভাষা রাজনীতি যে জাতি ও রাষ্ট্রকে বিভক্ত করতে পারে উর্দু নিয়ে তৎকালিন পাকিস্তানী রাজনীতির একটি উজ্জল উদাহরণ। তাই আমাদের উপর উর্র্দূ চাপিয়ে দেয়ার পরিণতি ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা আন্দোলন এবং স্বাধীনতা। বই মেলা আয়োজনের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন অতীতে চট্টগ্রামে বিক্ষিপ্তভাবে একাধিক বই মেলা আয়োজনের কারণে এখানে কোনো বই মেলাই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি। এই বাস্তবতা উপলব্ধি করে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণ ও পাঠক সমাজ দীর্ঘদিন থেকে দাবি জানিয়ে আসছিল চট্টগ্রামে ঢাকার আদলে একক বই মেলার আয়োজন করার। এই বাস্তবতা উপলব্ধি থেকে একটি গ্রহণযোগ্য ও সম্মিলিত বই মেলা আয়োজনের জন্য আমি বিভিন্নভাবে প্রকাশক, নাগরিক সমাজ, লেখক, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, শিক্ষক, গবেষক ও সাহিত্য সংস্কৃতি কর্মীদের সাথে আলোচনা করি। তাই এবারের আয়োজন ভিন্ন আঙ্গিকে হওয়ায় প্রাথমিকভাবে আমরা সফল হয়েছি। জিমনেসিয়ামের সামনের রাস্তাসহ সম্প্রসারণ করে আরো বৃহত্তর পরিসরে, কলবরে আগামী বছরও ১০ ফেব্রুয়ারি এই মঞ্চে ১৯ দিনব্যাপী এই বই মেলা অনুষ্ঠিত হবে। এইজন্য তিনি চট্টগ্রামের সকল নাগরিকের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, ২১ শে ফেব্রুয়ারি মহান মাতৃভাষা দিবস। এই ভাষা আমার মায়ের এবং আমার মুখের ভাষা। এই ভাষাকে সমৃদ্ধ করার দায়িত্ব আমাদের সকলের। আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে সারা বিশ্বে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে এই দিনটি পালিত হচ্ছে। এই ভাষাকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিতি ও সমৃদ্ধ করার জন্য বেশি বেশি লেখনির উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন লেখনির মাধ্যমে এই ভাষা যতই সমৃদ্ধ হবে, ততই দেশ ও জাতি হিসেবে বিশ্বের কাছে অধিকতর সমাদৃত হবে। আমারা সমৃদ্ধ ও মানসম্মত লেখার বই চাই। যে লেখায় পাঠকের মনের চাহিদা পূরণ করবে। তিনি বলেন- ৭১ -এ বঙ্গবন্ধুর আহবানে আমরা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলাম। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে এ দেশ স্বাধীন হয়। অনুরূপভাবে আমরা আমাদের ভাষাকে সমৃদ্ধ করার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করি। এর আগে চট্টগ্রামের ভাষা সৈনিক,মুক্তিযোদ্ধা, সমাজ সেবক, চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ, সংগীত শিল্পী, পেশাজীবীদের সম্মাননা প্রদানের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ১৪জনের নাম ঘোষণা করে। এর মধ্যে একুশে সম্মাননা পদক পেয়েছেন ১০ গুণী ব্যক্তি এবং সাহিত্য ক্ষেত্রে পেয়েছেন ৪জন । এবার চসিক কর্তৃক পদকপ্রাপ্তরা হলেন- ভাষা সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা, সমাজসেবক, চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ, সংগীত শিল্পী, পেশাজীবী, সাংবাদিক, কবি, লেখকও রয়েছেন। এ একুশে স্মারক সম্মাননা পাওয়া চৌদ্দ জনের মধ্যে ভাষা আন্দোলনে দবির আহমদ চৌধুরী(মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধে (মরণোত্তর) মোহাম্মদ ইব্রাহীম, স্বাধীনতা আন্দোলনে শহীদ আবদুর রব (মরণোত্তর), সঙ্গীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর) এর পক্ষে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ক্রেস্ট ও সনদ গ্রহণ করেন । এছাড়া চিকিৎসা বিজ্ঞানে ডা. এস এম কামাল উদ্দীন, ক্রীড়ায় কামাল উদ্দীন আহমেদ, শিক্ষায় প্রফেসর (প্রকৌশলী) আলী আশরাফ, সমাজ সেবায় সাফিয়া গাজী রহমান, সংগঠক হিসেবে মহিউদ্দিন শাহ আলম নিপু, সাংবাদিকতায় মোস্তফা কামাল পাশা, সাহিত্যে গবেষণায় পুরস্কার পেয়েছেন ড.শিরীণ আখতার, কথাসাহিত্যে দেবাশীষ ভট্টচার্য্য, শিশু সাহিত্যে মানজুর মুহাম্মদ ও কবিতায় খালেদ হামিদী। তারা নিজেরাই মেয়রের নিকট থেকে ক্রেস্ট ও সনদ গ্রহণ করেন। মহান একুশে উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম.নাছির উদ্দীনের নেতৃত্বে চসিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বুধবার দিবাগত রাত ১২ টা ১ মিনিটে নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা ১ মিনিটে নগর ভবনস্থ বঙ্গবন্ধু চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র, কাউন্সিলর, সংরক্ষিত কাউন্সিলর, চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামশুদ্দোহা, ভারপ্রাপ্ত সচিব প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়াসহ বিভাগীয় শাখা প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া চসিক শ্রমিক-কর্মচারী লীগ(সিবিএ)এবং ওয়ার্ড সচিব ফোরাম নেতৃবৃন্দ নগর ভবন চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পোর্ট সিটি ভার্সিটির শ্রদ্ধাঞ্জলি
২৩ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় স্মরণ করেছে পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। গত ২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সকালে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রেখে মহান ভাষা আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের স্মৃতিতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়েছে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ নূরল আনোয়ারে নেতৃত্বে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ শহীদ মিনারের মূল বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা করার কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। এছাড়াও তিনি মহান ভাষা শহীদদের আদর্শ ধারণ করার জন্য তরুণদের প্রতি আহ্বান জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার,পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রক্টর ও বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানসহ অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
২৩ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নাছিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে গত ২১ ফেব্রুয়ারি শিশু-কিশোরদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোসাইটি ক্লাবের উদ্যোগে তিন নম্বর সড়ক সংলগ্ন উন্মুক্ত স্থানে অনুষ্ঠিত চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় মোট তিনটি ক্যাটাগরিতে শতাধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। পিএইচপি পরিবারের ভাইস চেয়ারম্যান ও সোসাইটি ক্লাবের সভাপতি মোহম্মদ মহসিন প্রতিযোগীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। এ সময় ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক আসিফ সিরাজ, সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী কফিল উদ্দিন টিস্যু, সাধারণ সম্পাদক আলী ইকরামুল হক রমিসহ ক্লাবের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী শওকত জাহান বিচারক হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ক্লাব প্রেসিডেন্ট মোহম্মদ মহসিন বলেন, চট্টগ্রামে নাছিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির সুনাম রয়েছে। সোসাইটির সকলের সহযোগিতায় একটি আধুনিক মসজিদ নির্মাণ ও মাঠের সংস্কার কাজ করা সম্ভব হয়েছে। এ ছাড়া আমরা সোসাইটিতে বসবাসরত পরিবারের সন্তানদের খেলাধুলাসহ চিত্তবিনোদনের সার্বিক ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ কাজে সোসাইটির বসবাসকারীগণ ও সদস্যবৃন্দ সার্বিকভাবে সহায়তা করছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
সোহেল রানার ৭২তম জন্মদিন পালন
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির অলংকারস্থ হানিমুন টাওয়ারের কার্যালয়ে ২১ শে ফেব্রয়ারী বিকেল ৫ ঘটিকার সময় উক্ত সংগঠনের চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি আনিসুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক শাহাদাত হোসেন স্বপনের পরিচালনায় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুদ পারভেজ সোহেল রানার ৭২ জন্মদিন পালন করা হয়। উক্ত জন্মদিনের অনুষ্ঠানে প্রথমে দেশ,জাতি ও সোহেল রানার সু-সাস্থ এবং কল্যান কামনা করে দোয়া এবং মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রীত অতিতিরা কেক কেটে সোহেল রানার জন্মদিন পালন করেন। উক্ত জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাবুল,রেজাউল আহমেদ,রেজাউল করিম রেজা,ফজলে আজিম দুলাল,হাজী আলী আকবর,পিকাশ শীল সাগর,জসিম উদ্দিন,ডা: মঞ্জুরুল আলম,মোঃ ফয়সাল,রুজি চেধুরী,আরফাতুল মুনির,মহি উদ্দিন বাবু,ওমর সায়েদ,আবু হাসান,আব্দুল কাদের,আব্দুল আজিজ,আসমা আক্তার,অনামিকা বড়য়া,প্রিয়াংকা পাল,মীনা চাকমা,রেহেনা আকতার ফরিদা আকতার, পিয়াল খান,মোঃ আনিস,রিয়ান বাবু,সালাউদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতি আনিসুল ইসলাম চৌধুরী বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধ মাসুদ পারভেজ সোহেল রানার মত ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা এখন সময়ের দাবী। সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন স্বপন বলেন তিনি দলের জন্য অনেক ত্যাগ শিকার ও পরিশ্রম করেছেন। উনাকে যথাযথ ভাবে মূল্যায়ন করার দাবি জানাচ্ছি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রামকে আইটি হাব হিসেবে গড়ে তোলার এখনই সময়
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম চেম্বার ও ই-জেনারেশনের যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রামকে তথ্যপ্রযুক্তির গন্তব্যস্থল এবং বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি কোম্পানির প্রদর্শন শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক গতকাল বুধবার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন অংশীদারদের এই গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম এবং সঞ্চালনা করেন ই-জেনারেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান শামীম আহসান। ই-জেনারেশনের নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান এসএম আশরাফুল ইসলাম বৈঠকে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম স্টক এঙচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. সাইফুর রহমান মজুমদার, চবি সিএসইর প্রফেসর শাহাদাত হোসেন, চেম্বার পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ, চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবিদা মোস্তফা, বিকেএমইএর সাবেক পরিচালক শওকত ওসমান, ওয়েল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম কমু, সোসাইটি অব আইটি প্রফেশনালসের সভাপতি আবদুল্লাহ ফরিদ, এসএপি ইন্ডিয়ার সিনিয়র সলিউশন আর্কিটেক্ট সৌভিক দাশ, কেএসআরএমের আইটি প্রধান হাসান মুরাদ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এসসিও মোঃ ওয়াকার খান, চসিকের আইটি হেড ইকবাল হাসান, বিডি ভেঞ্চারের চেয়ারম্যান এহসানুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত হোসেন, চালডালডটকমর সিইও ওয়াসিম আলিম, বাগডুমর সিইও মিরাজুল হক, বিআইপিসির চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, হ্যান্ডিমামার সিইও শাহ পরান, জেমসক্লিপর প্রতিনিধি আহনাফ মহসিন ও হ্যামার স্ট্রেন্থ ফিটনেসের চেয়ারম্যান সৈয়দ জালাল আহমেদ রুম্মান বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে চেম্বার পরিচালক কামাল মোস্তফা চৌধুরী, মোঃ জহুরুল আলম ও মোঃ আবদুল মান্নান সোহেলসহ বিভিন্ন সেক্টরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, বাণিজ্যিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু চট্টগ্রাম আইটি খাতেরও হাব হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। চট্টগ্রামে অবস্থিত বন্দর, কাস্টম, ইপিজেড, শিপিং, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং, সিএন্ডএফ ইত্যাদি কর্মকাণ্ডে আইটির ব্যবহার ব্যবসায়ীদের সময় ও ব্যয় সাশ্রয় করছে। শিল্পাঞ্চলের মত আইটি ভিলেজ স্থাপনের মাধ্যমে এ অঞ্চলে এ খাতের বিশাল উন্নয়ন করা যাবে। সরকারের পরিকল্পনার সাথে প্রাইভেট খাতের সমন্বয়ের মাধ্যমে এক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি সম্ভব। এ খাতে প্রশিক্ষিত দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলে আউটসোর্সিং এ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, স্বল্প পুঁজিতে স্বনির্ভরভাবে ব্যবসা পরিচালনা করার মাধ্যমে উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব এবং এক্ষেত্রে অবশ্যই আইটিকে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষার অন্তর্ভূক্ত করতে হবে ও ব্যাপক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। চেম্বার সভাপতি শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি আইটি খাতেও চট্টগ্রাম অদূর ভবিষ্যতে দেশকে নেতৃত্ব দিবে বলে প্রত্যাশা করেন। ই-জেনারেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান শামীম আহসান বলেন, চবি, চুয়েট, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনসহ শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্বমানের প্রফেশনাল তৈরি করার পরেও চট্টগ্রামকে সম্ভাবনাময় বাজারের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির পরবর্তী গন্তব্যস্থল হিসেবে তৈরি না করার কোনো কারণ নেই। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
পুরস্কার পেলো পাহাড়তলী থানা
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অল্প সময়ের মধ্যে হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতার করতে সক্ষম হওয়ায় পাহাড়তলী থানা পুলিশকে পুরস্কৃত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান। গতকাল বুধবার বিকেলে পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সদীপ কুমার দাশের হাতে পুরস্কারের অর্থ তুলে দেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) ডিআইজি কুসুম দেওয়ান, উপ-কমিশনার (পশ্চিম) ফারুক উল হক, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পশ্চিম) কামরুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (পাহাড়তলী জোন) পংকজ বড়ুয়া ও অভিযান পরিচালনাকারী টিমের সদস্যরা। উল্লেখ্য, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি পাহাড়তলী থানার আবদুল আলী নগর থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় ভিকটিম ও আসামির পরিচয় শনাক্ত করে বগুড়ায় অভিযান চালিয়ে একমাত্র আসামি আশা আক্তারকে গ্রেফতার করে পাহাড়তলী থানার উপ-পরিদর্শক অর্ণব বড়ুয়ার নেতৃত্বে টিম।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর