বাঙালি জাতির প্রেরণার প্রতীক একুশে ফেব্রুয়ারি:মোছলেম উদ্দিন আহমদ এম.পি
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেন, বাঙালি জাতির প্রেরণার প্রতীক একুশে ফেব্রুয়ারি। স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরুটা হয়েছিল মূলত একুশে ফেব্রুয়ারি। এরই ধারাবাহিকাতায় আমরা নিজস্ব মাতৃভাষা পেয়েছি, একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র পেয়েছি। তিনি ২১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল ৯টায় সংগঠনের আন্দকিল্লাস্থ কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন হতে শুরু করে ৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে, ৭৫ এর ১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর ও স্বৈরাচার এবং সাম্প্রদায়িক বিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেশ ও জনগণের জন্য নাম জানা-অজানা শহীদদের জীবন দানের মধ্য দিয়ে রচিত বিশাল অহংকারের উত্তরাধিকার আমরা বহন করে চলেছি। তাই আমাদের জাতীয় কর্তব্যকে কখনোই অবহেলা করা যাবেনা। একুশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়ায় আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির সম্মান বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে আমাদের ভাষা সংস্কৃতি তথা স্বাধীনতার বিরোধী অপশক্তিই বিশ্ব সমাজ কর্তৃক ধীকৃত হয়েছে। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, এ ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে অনেকেই। শেখ হাসিনা সরকার বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার মর্যাদায় উন্নীত করেছে। সাম্প্রদায়িক জঙ্গীবাদ অপশক্তির বিরুদ্ধে একুশ আমাদের পথ দেখায় প্রেরণা যোগায়। এই অফুরন্ত জাগরনী শক্তির কারনেই আমরা বার বার জয়ী হই, জয়ী হবো। আজ আমরা স্মরণ করি ভাষা আন্দোলনের সব শহীদকে। সভায় বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি আবুল কালাম চৌধুরী, এম আবু সাঈদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাজাদা মহিউদ্দিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড: মির্জা কছির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এড: জহির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ দাশ, শ্রম সম্পাদক খোরশেদ আলম, দপ্তর সম্পাদক আলহাজ্ব আবু জাফর, শিক্ষা সম্পাদক বোরহান উদ্দিন এমরান, ধর্ম সম্পাদক আবদুল হান্নান চৌধুরী মঞ্জু, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা: তিমির বরণ চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এড: কামরুন নাহার, প্রচার সম্পাদক নুরুল আবছার চৌধুরী, কৃষি সম্পাদক এড: আবদুর রশিদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আবদুল মতিন চৌধুরী, বন বিষয়ক সম্পাদক এড: মুজিবুল হক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য দেবব্রত দাশ, মোস্তাক আহমদ আঙ্গুর, সৈয়দুল মোস্তফা চৌধুরী রাজু, এম ছিদ্দিক আহমদ বি.কম, মাহবুবুর রহমান শিবলী, আওয়ামী লীগ নেতা মৌলভী নুর হোসেন, মাহফুজুর রহমান মেরু, শামসুল ইসলাম, নাছির উদ্দিন, চৌধুরী আবুল কালাম প্রমুখ। সভার পূর্বে ভোর ৭টায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে একুশের ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানান চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।
চট্টগ্রাম সাংস্কৃতিক জোট এর উদ্যোগে অমর শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অন
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:অমর শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সাংস্কৃতিক জোট এর উদ্যোগে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কদম মোবারক এম.ওয়াই উচ্চ বালক-বালিকা বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম সাংস্কৃতিক জোট এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সজল দাশ এর সঞ্চালনায় এবং সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, ভানু রঞ্জন চক্রবর্ত্তী। প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও কবি আশীষ সেন। বিশেষ আলোচক ছিলেন বঙ্গবন্ধু সাহিত্য একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো: জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা এম.এ. সালাম, ডিজিটাল পাবলিসিটি কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক স.ম. জিয়াউর রহমান, সাংবাদিক ওচমান জাহাঙ্গীর, সংগঠক সালাউদ্দিন লিটন, কবি আসিফ ইকবাল, সংগঠক মো: ছবির আহমদ, শিল্পী অচিন্ত্য কুমার দাশ, সুজন মজুমদার, গণসংগীত শিল্পী হানিফুল ইসলাম চৌধুরী, শিল্পী নারায়ণ দাশ, সংগঠক দিলীপ সেনগুপ্ত, সংগঠক কে.এইচ.এম তারেক, সংস্কৃতিকর্মী নিলয় দে, সংগঠক সুরেশ দাশ, শিল্পী হারাধন নাহা বাসু, সাংবাদিক ইমরান সোহেল। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক দুলাল বড়–য়া, মুক্তিযোদ্ধা শাহ্ নুরুল আলম, মো: মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, প্রিয়াংকা মন্ডল, মো: হাবিব ও মো: জাফর আলম প্রমুখ। প্রধান অতিথি ভানু রঞ্জন চক্রবর্ত্তী বলেন, একুশ মানে মাথা নত না করা, একুশ প্রতিবাদের ভাষা। ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিতে বাংলাভাষার দাবীতে ঢাকায় ছাত্র-জনতার মিছিলের উপর তৎকালিন শাসক গোষ্ঠীর পুলিশ বাহিনীর গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউরসহ নাম না জানা অনেকে শহীদ হন। পরে তা অমর শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হয়। ১৯৯৯ সালের বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে তা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্বীকৃতি লাভ করে। অপ্রিয় হলেও সত্যি যে, আজও সর্বত্র বাংলাভাষার প্রচলন হয়নি, এটা জাতির জন্য খুবই লজ্জাষ্পদ ব্যাপার। আজকের এই দিনে আমরা ভাষা দিবসের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। প্রধান আলোচক কবি আশীষ সেন বলেন, আমাদের বাংলা ভাষা রক্তের বিনিময়ে অর্জিত। পৃথিবীতে কোনো দেশের ভাষার জন্য রক্ত দিতে হয়নি। আমাদের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে হবে, ভাষাসৈনিকরা বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে মাতৃভাষার সোপান রচনা করে গেছেন। চট্টগ্রাম সাংস্কৃতিক জোট এর পক্ষ থেকে ভাষা দিবসে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভার আয়োজন করার জন্য সংগঠনের কর্মকর্তাদের তিনি সাধুবাদ জানান। সভার সভাপতি সজল দাশ বলেন, আমরা প্রতিবছর ভাষা দিবসে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকি। আমরা বায়ান্নের ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি এবং সাথে সাথে যারা কষ্ট করে অনুষ্ঠানে এসে অনুষ্ঠানকে সফল করেছেন তাদের সকলের প্রতি শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
বাঙালির আত্মপরিচয়ের সাহসী ঠিকানা একুশে
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: একুশে পদকপ্রাপ্ত সমাজ বিজ্ঞানী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ড. অনুপম সেন বলেছেন, বায়ান্নের মহান একুশ বাঙালির আত্মপরিচয়ের সাহসী ঠিকানা। একুশের পথ ধরেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর অসম সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে স্বাধিকার-স্বাধীনতা আন্দোলন সর্বোপরি মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জাতির বিজয় অর্জিত হয়েছে। বিশ্বে বাঙালি একমাত্র জাতি যারা মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার রক্ষায় জীবন দিয়েছে। তিনি বলেন, একটি জাতির অগ্রগতিতে তার ভাষা, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মুক্ত চর্চা করতে হবে। এসবের অন্তরায় হচ্ছে ধর্মীয় বিভাজন ও সাম্প্রদায়িকতা। তাই একুশের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক শোষণহীন সমাজ ব্যবস্থা তথা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নতুন প্রজন্মর জাগরণ গড়ে তুলতে হবে। অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর শাখা আয়োজিত আলোচনা সভা ও ভাষা শহীদদের স্মরণে প্রদীপ প্রজ্বলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। সংগঠনের জেলা সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম মন্টুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন আসন্ন চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাড. ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এএইচ এম জিয়াউদ্দিন, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার, সিভাসুর অধ্যাপক ড. রাশেদুল আলম। আলোচনায় অংশ নেন অ্যাড. বি কে বিশ্বাস, সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, ফজল আহমেদ, গৌরি শংকর চৌধুরী, বাদশা মিয়া, নুরুল আমিন, ফোরকান উদ্দিন আহমেদ, অ্যাড. ইফতেখার রাসেল, আব্দুল মালেক খান প্রমুখ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মোবাইল নয়, সন্তানের হাতে তুলে দিতে হবে বই
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর কাট্টলী নূরুল হক চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুইদিন ব্যাপী কাট্টলী বইমেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্র্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, বর্তমান ছেলেমেয়েরা বই পড়তে আগ্রহী নয়। তারা বেশি সময় কাটায় মোবাইল নিয়ে। এদের বইমুখী করতে এ ধরনের মেলা ভূমিকা রাখবে। অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মোবাইল নয়, সন্তানের হাতে বই তুলে দিন। উদ্বোধনী বক্তব্যে ড. অনুপম সেন বলেন, পৃথিবীতে যে জাতি যত বেশি জ্ঞান অর্জন করেছে তারা তত বেশি উন্নত ও সমৃদ্ধ হয়েছে। ইউরোপের বহু ছোট ছোট দেশ শুধু জ্ঞান বিজ্ঞানের কারণে অন্যদের থেকে যোজন যোজন এগিয়ে গেছে। জ্ঞান অর্জনেই মানুষের পরিবর্তন এসেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেন। কাট্টলী বইমেলা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক আলাউদ্দীন আহমদ চৌধুরীর সভাপত্বিতে ও তাসলিমা আক্তার বৃষ্টির উপস্থাপনায় এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বইমেলার উদ্যোক্তা টুনটু দাশ বিজয়। অন্যদের মধ্যে মহিলা কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, ডা. মুকেশ কুমার দত্ত, সাইফুদ্দিন আহমেদ সাকী, শাহাদাত হোসেন শাহেদ, জুয়েল শীল, চৌধুরী আব্বাস উদ্দীন, রোকেয়া হক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চমেক হাসপাতালে কার্ডিওলজী ক্যাথল্যাব উদ্বোধন করেছেন মেয়র নাছির
২০ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে কার্ডিলজী ক্যাথল্যাবের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে কার্ডিলজী বিভাগে ফলক উম্মোচন করে কার্ডিলজী ক্যাথল্যাব-১ও ২ উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন। এই ক্যাথল্যাব উদ্বোধনের ফলে বৃহত্তর চট্টগ্রামের মানুষ হ্নদরোগের চিকিৎসা সুবিধা পাবে। এই চিকিৎসা সুবিধার মধ্যে থাকছে এনজিও গ্রাম,এনজিও প্লাষ্টিক (রিং পরানো),স্থায়ী ও অস্থায়ী পেকমেকার স্থাপন। এই উপলক্ষে আয়োজিত কার্ডিলজী বিভাগ কনফারেন্স হলে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন শহরমুখি জনতার চাপ নগরে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তেমনি বৃহত্তর চট্টগ্রামের এই হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমতাবস্থায় চমেক হাসপাতালকে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে সিটি মেয়র বলেন এই প্রতিষ্ঠানটি ৫শ বেডে একটি হাসপাতাল। পরবর্তীতে ৫শ থেকে ১৩১৩ শয্যা বিশিষ্ট চট্গ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নীত করা হয়। কিন্তু জনবল বৃদ্ধি করা হয়নি। ৫শ বেডের জনবল দিয়ে আজো ধুকেধুকে চলছে চমেক হাসপাতাল। তিনি আরো বলেন এই জনবল দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ৭হাজার রোগীকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে চমেক। এছাড়া রোগী হিসেবে প্রত্যন্তাঞ্চল থেকে আসা প্রতিদিন আউট ডোরে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার রোগী। বলতে গেলে চমেক হাসপাতালে নিয়োজিত ডাক্তাররা সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রেখে অসাধারণ কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন কার্ডিলজী ক্যাথল্যাবে গত বছরের এদিন পর্যন্ত ১২হাজার রোগীকে এনজিও গ্রাম চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। ক্যাথল্যাব উদ্বোধনের মাধ্যমে কার্ডিলজী সংক্রান্ত সকল সুযোগ সুবিধা এতদাঞ্চলের মানুষ আরো বেশী চিকিৎসা সেবা ভোগ করতে পারবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন। চমেক হাসপাতালের মূল ভবনের দ্বিতীয় তলার হৃদরোগ বিভাগে স্থাপিত কার্ডিলজী এ ক্যাথল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রি:জেনারেল মোহসেন উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কার্ডিলজী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাক্তার প্রবীর কুমার দাশ স্বাগত বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিএমএ চট্টগ্রামের সভাপতি প্রফেসর ডাক্তার মুজিবুল হক খান,সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী, চমেক হাসপাতালের উপাধ্যক্ষ ডাক্তার নাসির উদ্দিন মাহমুদ,ডাক্তার রিজোয়ান রেহান, ডাক্তার আবুল হোসেন শহীনসহ অন্যান্য বিভাগীয় প্রধান ও চিকিৎসক গন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চলনায় ছিলেন ডাক্তার ল²ক্ষীপদ দাশ।
নগরীর হালিশহর এলাকায় RAB-7 এর ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান। ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা
২০ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানাধীন টোল রোডের পাশে আব্দুর রহমান ডিপো এলাকায় RAB-7 কর্তৃক পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে কাস্টমস কর্তৃক ইতোপূর্বে ধ্বংসকৃত পশুখাদ্য ও মৎস্যখাদ্য উত্তোলন করে বিক্রি করায় ৩ জনকে ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা। আজ বৃহস্পতিবার ২০শে ফেব্রুয়ারি সকাল ১১ থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত RAB-7 চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার এর সহায়তায় চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানাধীন টোল রোডের পাশে আব্দুর রহমান ডিপো এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কাস্টমস কর্তৃক ইতোপূর্বে ধ্বংসকৃত পশুখাদ্য ও মৎস্যখাদ্য উত্তোলন করে বিক্রি করায় ৩ জনকে ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান, RAB-7 এর সহকারী পরিচালক(মিডিয়া) এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন। RAB-7 এর সহকারী পরিচালক(অপারেশন) এএসপি মাশকুর রহমান জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের ঘটনাস্থলে আটক তিন জনকে সর্বমোট ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। হালিশহর থানাধীন উত্তর মধ্যম গ্রামের এম এম সাইফুল হক এর ছেলে এম এম ফয়সাল কে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। হালিশহর থানাধীন উত্তর হালিশহর গ্রামের মোঃ নাছির এর ছেলে মোঃ ইয়াছিন (নয়ন) কে ১ লক্ষ টাকা এবং হালিশহর থানাধীন উত্তর হালিশহর (বড়পোল) গ্রামের মৃত আবদুস সালাম এর ছেলে মোঃ জাহেদ কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। RAB-7 এর সহকারী পরিচালক এএসপি কাজী মোঃ তারেক আজিজ জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে আমরা জানতে পা্রি যে, চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃক ধ্বংসকৃত মেয়াদ উত্তীর্ণ পশু ও মৎস্যখাদ্য উত্তোলন করে বিক্রি করছে একটি চোরাকারবারী চক্র। এমন তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার এর সহায়তায় চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানাধীন টোল রোডের পাশে আব্দুর রহমান ডিপো এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আটক তিন জনকে সর্বমোট ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় আনুমানিক ২০ হাজার কেজি মেয়াদ উত্তীর্ণ পশু ও মৎস্যখাদ্য জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত আলামত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এর উপস্থিতিতে ধ্বংস করেছে RAB-7। তিনি আরও জানান, আদায়কৃত জরিমানার সর্বমোট ৩ লক্ষ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে । উল্লেখ্য যে, ২০১৯ সালের ১৯শে ডিসেম্বর তারিখে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃক সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ১৯৪ কন্টেইনার মেয়াদে উত্তীর্ণ পণ্য মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে যার মধ্যে আনুমানিক ২,৮০০ টন পোল্ট্রি ও মাছের খাবার।
দলের প্রার্থীর জন্য আমাদেরকে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করতে হবে:মেয়র নাছির
২০ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম চৌধুরীকে বিজয়ী করতে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের আওতাধীন সকল ওয়ার্ড, থানা, ইউনিটসহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠন ঐক্যবদ্ধ ভাবে মাঠে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। বৃহস্পতিবার মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীকে নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ প্রয়াত নেতৃবৃন্দের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জেয়ারত কর্মসূচি পালন করেন। এসময় গণমাধ্যম কর্মীদের প্রশ্নের জবাবে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, দলের প্রার্থীর জন্য আমাদেরকে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করতে হবে। নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ নানামুখী পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে। ইতোমধ্যে আমরা জরুরী বৈঠক সম্পন্ন করেছি। নির্বাচনের ব্যাপারে কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা রয়েছে। বিগত সময়ের মত মহানগর আওয়ামী লীগ সম্মিলিত ভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুনিপুণ নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় আমরা কাজ করছি। মেয়র আরও বলেন, মনোনয়ন ইস্যু নিয়ে ফেসবুকে নানা উস্কানিমূলক স্ট্যাটাসে বিভ্রান্ত না হয়ে দলের বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করতে হবে। সবকিছুকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে দেখতে হবে। এসময় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী গণমাধ্যম কর্মীদেরকে নির্বাচন কালীন সময়ে স্ব স্ব অবস্থান থেকে সামাজিক দায়িত্ব পালনের আহবান জানান। প্রয়াত নেতৃবৃন্দের কবরে জেয়ারতে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সকল নেতৃবৃন্দ, ওয়ার্ড, থানা, ইউনিটসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মনোনীত ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর- ড.আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু
২০ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এর ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশ নিতে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন, বর্তমান কাউন্সিলর চ,সি,ক প্যানেল মেয়র ড.আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু । (১৯ ফেব্রুয়ারি) বুধবার ঘোষনা করা হয় মনোনয়ন প্রার্থী কাউন্সিলরদের তালিকা। চট্টগ্রাম নগরীর ১০ নং ওয়ার্ডের অবহেলিত সমাজ ব্যবস্হা সহ সর্বস্তরের উন্নয়নের স্বার্থে দলমত নির্বিশেষে এলাকাবাসীর দোয়া চান। কাউন্সিলর প্রার্থী ড.আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু । তিনি আরো বলেন আমি অতীতেও আমি এলাকাবাসীর পাশে ছিলাম, তাদের সকল সমস্যার সমাধান দিয়ে এসেছি, ইনশাআল্লাহ মহান আল্লাহ যদি আমাকে সফলতাদান করেন তাহলে আমি ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তুলবো।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আ.লীগের কাউন্সিলর প্রার্থীর নাম ঘোষণা
২০ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় মেয়রের পর এবার কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়েছে। দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিল মোট ৪০৯ জন। তাদের মধ্যে ৫৫ জনকে (সাধারণ ওয়ার্ডের ৪১ জন এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ১৪জন) গতকাল দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়। বুধবার বিকেল ৫টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের এক সভায় এই মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়। বর্তমান সিটি কর্পোরেশনের ৪১ ওয়ার্ড কাউন্সিলরের মধ্যে ৩৫ জন আওয়ামী লীগের দলীয় কাউন্সিলর। বাকি ৬ জন বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত। আওয়ামী লীগের বর্তমান ৩৫ কাউন্সিলরের মধ্যে ২১ জন পুনরায় দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। ১৪ জন মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন। অপরদিকে সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মধ্যে ৬ জন আবারো দলীয় মনোনয়ন পেলেন, আর নতুন এলেন ৮ জন। মনোনয়ন পাওয়া ৪১ সাধারণ ওয়ার্ডে ৪১ জন এবং ১৪ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১৪জন মহিলা কাউন্সিলররা হলেন, ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি গাজী মোহাম্মদ শফিউল আজিম, ২ নম্বর জালালাবাদ ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদস্য মোহাম্মদ ইব্রাহিম, ৩ নম্বর পাঁচলাইশ ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর কফিল উদ্দিন খান, ৪ নম্বর চান্দগাঁও ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর মো: সাইফুদ্দিন খালেদ, ৫ নম্বর মোহরা ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোহাম্মদ কাজী নুরুল আমিন, ৬ নম্বর পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর এম আশরাফুল আলম, ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর মো. মোবারক আলী, ৮ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর মো. মোরশেদ আলম, ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন পাহাড়তলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আবছার মিয়া, ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ, ১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইসমাইল, ১২ নম্বর সরাইপাড়া ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মো. নুরুল আমিন, ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন মহানগর যুবলীগের সদস্য মো. ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, ১৪ নম্বর লালখান বাজার ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য আবুল হাসনাত মোহাম্মদ বেলাল, ১৫ নম্বর বাগমনিরাম ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, ১৬ নম্বর চকবাজার ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু, ১৭ নম্বর পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ শহীদুল আলম, ১৮ নম্বর পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ, ১৯ নম্বর দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মো. নুরুল আলম, ২০ নম্বর দেওয়ান বাজার ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, ২১ নম্বর জামালখান ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, ২২ নম্বর এনায়েত বাজার ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ ছলিম উল্লাহ, ২৩ নম্বর উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ জাবেদ, ২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর নাজমুল হক, ২৫ নম্বর রামপুর ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক কাউন্সিলর আব্দুস সবুর লিটন, ২৬ নম্বর উত্তর হালিশহর ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন, ২৭ নম্বর দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শেখ জাফরুল হায়দার চৌধুরী, ২৮ নম্বর পাঠানটুলী ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাহাদুর, ২৯ নম্বর পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের, ৩০ নম্বর পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউল্লাহ চৌধুরী, ৩১ নম্বর আলকরণ ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য মো. আব্দুস সালাম, ৩২ নম্বর আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর জহুর লাল হাজারী, ৩৩ নম্বর ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য পুলক খাস্তগীর, ৩৫ নম্বর বঙির হাট ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হাজী নুরুল হক, ৩৬ নম্বর গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর হাজী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ৩৭ নম্বর উত্তর মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. হোসেন মুরাদ, ৩৮ নম্বর দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, ৩৯ নম্বর দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমন, ৪০ নম্বর উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল বারেক, ৪১ নম্বর দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ড থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ চৌধুরী। এদিকে ১৪ সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড থেকে যারা আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন-সংরক্ষিত ১ নম্বর (ওয়ার্ড নম্বর ১, ২ ও ৩) থেকে বর্তমান কাউন্সিলর সৈয়দা কাশপিয়া নাহরিন, সংরক্ষিত ওয়ার্ড-২ (ওয়ার্ড নম্বর ৪, ৫ ও ৬) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিল জোবাইরা নার্গিস খান, সংরক্ষিত ওয়ার্ড-৩ (ওয়ার্ড নম্বর ৭ ও ৮) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ৪২ নম্বর সাংগঠনিক ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জোহরা বেগম। সংরক্ষিত ওয়ার্ড-৪ (ওয়ার্ড নম্বর ৯, ১০ ও ১৩) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য তছলিমা বেগম নূরজাহান, সংরক্ষিত ওয়ার্ড-৫ (ওয়ার্ড নম্বর ১৪, ১৫ ও ২১) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ২১ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা লীগের সদস্য শিউলি দে, সংরক্ষিত ওয়ার্ড-৬ (ওয়ার্ড নম্বর ১৭, ১৮, ১৯) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ১৯ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহিন আকতার রোজী, সংরক্ষিত ওয়ার্ড-৭ (ওয়ার্ড নম্বর ১৬, ২০, ৩২) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ৩২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা রুমকি সেনগুপ্ত। সংরক্ষিত ওয়ার্ড-৮ (ওয়ার্ড নম্বর ২২, ৩০, ৩১) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর নীলু নাগ, সংরক্ষিত ওয়ার্ড-৯ (ওয়ার্ড নম্বর ১২, ২৩ ও ২৪) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ২৪ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য নুর আকতার প্রমা, সংরক্ষিত ওয়ার্ড-১০ (ওয়ার্ড নম্বর ১১, ২৫, ২৬) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক হুরে আরা বেগম, সংরক্ষিত ওয়ার্ড-১১(ওয়ার্ড নম্বর ২৮, ২৯, ৩৬) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের ৩ নম্বর ইউনিট আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা জিন্নাত আরা বেগম, সংরক্ষিত ওয়ার্ড-১২ (ওয়ার্ড নম্বর ২৭, ৩৭, ৩৮) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর আফরোজা কালাম, সংরক্ষিত ওয়ার্ড-১৩ (ওয়ার্ড নম্বর ৩৩, ৩৪, ৩৫) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর বেগম লুৎফুন্নেছা দোভাষ বেবী, সংরক্ষিত ওয়ার্ড-১৪ (ওয়ার্ড নম্বর ৩৯, ৪০, ৪১) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর শাহানুর বেগম। এদিকে বর্তমান কাউন্সিলরদের মধ্যে বাদ পড়েছেন, ১ নম্বর ওয়ার্ডে তৌফিক আহমদ চৌধুরী, ২ নং জালালাবাদ ওয়ার্ডে সাহেদ ইকবাল (বাবু), ৯ নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে জহুরুল আলম জসিম, ১১ নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডে মোরশেদ আকতার চৌধুরী, ১২ নং সরাইপাড়া ওয়ার্ডে সাবের আহম্মেদ, ১৩ নং পাহাড়তলী ওয়াডে মোহাম্মদ হোসেন হিরণ, ১৪ নং লালখান বাজার ওয়ার্ডে আবুল ফজল কবির আহমদ (মানিক), ২৫ নং রামপুর ওয়ার্ডে এস এম এরশাদ উল্লাহ, ২৭ নং দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ডে এইচ এম সোহেল, ২৮ নং পাঠানটুলি ওয়ার্ডে আবদুল কাদের, ৩০ নং পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডে মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, ৩১ নং আলকরণ ওয়ার্ডে তারেক সোলেমান সেলিম, ৩৩ নং পিরিঙ্গি বাজার ওয়ার্ডে হাসান মুরাদ বিপ্লব, ৪০ নং উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডে হাজী জয়নাল আবেদিন। আর সংরক্ষিত ১৪টি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর আছেন ১১ জন। এর মধ্যে ৬ জন আবারো মনোনয়ন পেয়েছেন। বাদ পড়েছেন ৫ জন। তারা হলেন, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে জেসমিন পারভীন জেসি, ৯, ১০, ১৩ নং ওয়ার্ডে আবিদা আজাদ, ১৬,২০, ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে আনজুমান আরা, ১২, ২৩, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ফারহানা জাবেদ এবং ২৮, ২৯, ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে ফেরদৌসী আকবর।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর