চুয়েটে মহান শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ মহান শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস-২০১৮ উপলক্ষ্যে অদ্য ১৩ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার), ২০১৮ খ্রিঃ বিকেলে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত কনফারেন্স হলে আয়োজিত উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম মহোদয়। চুয়েটের জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. রণজিৎ কুমার সূত্রধর, পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহমান ভূইয়াঁ, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কৌশিক দেব, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক। মানবিক বিভাগের প্রভাষক জনাবা নাহিদা সুলতানা এবং সহকারী রেজিস্ট্রার (সমন্বয়) জনাব মোহাম্মদ ফজলুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন হল প্রভোস্টগণের পক্ষে শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ কামরুল হাছান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফীন, কর্মকর্তা সমিতির প্রকৌশলী অচিন্ত কুমার চক্রবর্তী ও কর্মচারী সমিতির পক্ষে সিনিয়র যুগ্ন-সম্পাদক জনাব মোঃ আব্দুল আল হান্নান। অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে নিহতের স্মরণে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, স্বাধীনতা যে কোন জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ। একটি সশস্ত্র ও প্রশিক্ষিত বাহিনীর বিরুদ্ধে জয়লাভ নিরস্ত্র বাঙালির জন্য অবিশ্বাস্য ছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর কারিশম্যাটিক নেতৃত্বে সেটা সম্ভব হয়েছে। এরপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যারা সম্মৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করার সক্ষমতা রাখেন তাদেরকে হত্যার মিশনে নামে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর রক্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর উন্নত বাংলাদেশ গড়ার ভিশন থেকে পিছিয়ে দিতে পারেনি। আজ আমরা উন্নত ও সম্মৃদ্ধশালী বাংলাদেশের পথে হাঁটছি। তাই আমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশ গড়ায় অবদান রাখতে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে উন্নত ও সম্মৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মিশনে তরুণদের অবদান রাখতে হবে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু চট্টগ্রামে
অনলাইন ডেস্ক জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর ও বিভিন্ন উপজেলার ১৬টি আসনের ৩৬ হাজার ২৮৭ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ শুরু আজ বৃহস্পতিবার থেকে। চলবে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত। নির্বাচন কর্মকর্তারা জানান, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে তাদের দায়িত্ব, ক্ষমতার ব্যবহার ও ভোটগ্রহণবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেয়া হবে। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে এক হাজার ৮৯৯টি ভোটকেন্দ্র এবং ১০ হাজার ৮৮৭টি বুথ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি কেন্দ্রে একজন করে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, প্রতি বুথে একজন সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও একজন পোলিং কর্মকর্তা দায়িত্বে থাকবেন। চট্টগ্রামের ১৬ আসনের ৩৬ হাজার ২৮৭ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার মধ্যে ১৩ হাজার ৪২৫ জন প্রিজাইডিং অফিসার ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ২২ হাজার ৮৬২ জন পোলিং অফিসার রয়েছেন। চট্টগ্রাম জেলা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান বলেন, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, ক্ষমতার ব্যবহার, তারা কাকে নির্দেশনা দিতে পারবেন, কাকে পারবেন না, তাদের পূর্বপ্রস্তুতি, প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররা কীভাবে দায়িত্ব পালন করবেন ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। ঢাকা থেকে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা এসে তাদের প্রশিক্ষণ দেবেন। প্রশিক্ষণে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কমকর্তারাও উপস্থিত থাকবেন।
উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও চাই মহাজোট সরকার
বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ শেষে পাকিস্তানী বর্বর বাহিনীকে হটিয়ে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। আমরা পেয়েছি বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশ উন্নয়ন সূচকে আনেকদুর এগিয়ে গেছে। এ সরকারের বিগত ১০ বছর মেয়াদে দেশের প্রত্যেকটি উন্নয়ন সূচক দৃশ্যমান। দেশের এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি মহাজোট সরকারকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। এজন্য দেশের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ যাতে মাথাছাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। গত ১১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় চট্টগ্রাম এম.এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার দ্বিতীয় দিনের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান কমান্ডার সাহাবউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব কমান্ডার মোজাফ্ফর আহমদ। শাহাব উদ্দিন মজুমদারে সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিজয় মেলার স্মৃতিচারন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইউনুছ গনি চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে স্মৃতিচারণ করেন মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান শহীদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, কো-চেয়ারম্যান এ.কে.এম সরোয়ার কামাল দুলু, কো- চেয়ারম্যান এম.এন. ইসলাম, কো-চেয়ারম্যান মোঃ নুর উদ্দিন, পরিষদের অর্থ সচিব সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলম (যুদ্ধাহত), চান্দগাঁও থানা কমান্ডার কুতুব উদ্দিন, পাহাড়তলি থানা কমান্ডার হাজী জাফর আহমদ, খুলশী থানা কমান্ডার মো. ইউসুফ, সদরঘাট থানা কমান্ডার জাহাঙ্গীর আলম, পাঁচলাইশ থানা কমান্ডার আহমদ মিয়া, বন্দর থানা কমান্ডার কামরুল আলম জতু, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী মৃনাল ভট্টাচার্য্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রদ্যুৎ কুমার পাল, টি.এম মাহবুব, আবদুল লতিফ, এম.এ সবুর, এস.এম নজরুল ইসলাম তিতাস, রমজান মিয়া, এম.এ মনসুর চৌধুরী, অঞ্জন কুমার সেন, সামসুদ্দোহা আলী, সৈয়দ আহমদ, মোঃ আনোয়ার হোসেন, এম.এ মন্নান খান, লেয়াকত হোসেন, আশীষ গুপ্ত, শম্ভু দাশ, আবদুর রব কায়েস, গোলাম নবী, নুর আহমদ, ওয়াহিদুল্লাহ, বাবুল দত্ত, রঞ্জন সিংহ, মোঃ সোলায়মান, ওয়াহিদুল হক, শহীদুল হক দুলু, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাছান মোহাম্মদ আবু হান্নান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা ইউনিট কমান্ড, উপজেলা ও থানা কমান্ডের নেতৃবৃন্দ, সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের লোকজন, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সাংস্কৃতিকসেবী এবং পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার মঞ্চে বিপুল পাল ও সুরঞ্জনা চৌধুরীর সঞ্চালনায় দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন সুন্দরম শিল্পী গোষ্ঠী, প্রতিভা সঙ্গীত একাডেমী, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সৎসঙ্গ সঙ্গীত নিকেতন অনিমা শিল্পী গোষ্ঠী। দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন সুরাঙ্গন বিদ্যাপীঠ, দ্বীপশিখা নৃত্য গোষ্ঠী। একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ বোতা ও টেলিভিশনের বিশিষ্ট শিল্পী বিপাশা ধর, মণিকা ইসলাম, পাপড়ী ভট্টাচার্য্য, হিমেল মন্ডল, মোনালিসা ও ইমন শীল। একক আবৃত্তি করেন ঈশান দাশ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
অধিকার আদায়ে ধানের শীষের বিকল্প নেই : আবু সুফিয়ান
চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেছেন, নির্বাচন কমিশন যদি সরকারের তল্পিবাহক হয়ে কাজ করে তবে সুষ্ঠু নির্বাচন কখনোও সম্ভব নয়। তফশিল ঘোষণার পর হতে এখন অবধি বিএনপি নেতাকর্মীদের ধরপাকড় অব্যাহত আছে,প্রার্থীদের বাড়ীতে ও নির্বাচনী অফিসে হামলা করা হচ্ছে।নির্বাচন কমিশনকে অভিযোগ জানানোও সত্বেও যা সুরাহা হয়নি। প্রশাসন যদি জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে,নির্বাচনের নামে কোনো প্রহসনের নির্বাচনে সহায়তা করে,তবে তাদের একদিন জনগণের কাঠগড়ায় দাড়াঁতে হবে। তিনি আরোও বলেন,নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে বিএনপিকে নির্বাচনের মাঠ থেকে দুরে রাখা যাবে না। তাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দেশের জনগণের অধিকার আদায়ে ৩০ ডিসেম্বর ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করতে হবে।১০ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-৮ নির্বাচনী আসনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর মাহবুবুল আলম,নাজিম উদ্দিন আহমেদ,যুগ্ম সম্পাদক মঞ্জুর আলম মঞ্জু, আনোয়ার হোসেন লিপু,বোয়ালখালী পৌরসভার মেয়র হাজী আবুল কালাম (আবু),মহানগর বিএনপির সহ-সম্পাদক জি.এম. আইয়ুব খাঁন,প্রচার সম্পাদক সিহাব উদ্দিন মুবিন, মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক মো. বখতেয়ার। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ৫নং মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জানে আলম জিকু,৬নং পূর্বষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হাসান লিটন,মহানগর বিএনপির সদস্য মঞ্জুর আলম মঞ্জু ,সুজা চৌধুরী,জসিম উদ্দিন,৬নং পূর্বষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী ইলিয়াছ শেকু, ৩নং পাচঁলাইশ ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আবু,আফিল উদ্দিন আহমেদ,মনছুর কাইয়ুম চৌধুরী, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আলী,৪৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম,বোয়ালখালী পৌরসভা বিএনপি নেতা মো: আবু তালেব,আনোয়ার হোসেন, সাংবাদিক আব্দুল মান্নান, মো.সেলিম, মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব খাঁন,শওকত আলী, হাজী আইয়ুব, মহানগর মহিলা নেত্রী শাহনাজ চৌধুরী মিনু,চান্দগাঁও থানা যুবদল এর আহবায়ক গিয়াসউদ্দিন ভূইঁয়া,মহানগর যুবদলের সহ-সভাপতি এস. এম. রব, ম.হামিদ, যুগ্ম সম্পাদক এরশাদ হোসেন, গোলজার হোসেন, ৪নং চান্দগাঁও ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী আবু বকর,্ইমরান বিল্লাহ,মো. আরিফুল ইসলাম, মো.আলী সাকি,সালামত আলী, নুরুল আলম লিটন, মঞ্জুর আলম, জসিম উদ্দিন, ৬নং পূর্বষোলশহর ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি মনছুর আলম, সাইদুল ইসলাম, মো: আকতার হোসেন, মো. ইসকান্দর হোসেন, এস.এম. ফারুক, নাজমা সায়েদ, জিনিয়া আক্তার, মো. লিটন, ইউসুফ তালুকদার,মো.আলমগীর টিটু,মো.আলম,মো.মহসিন খোকন,জাহেরু মাসুদ,সাজিদ হাসান রনি, আবু বক্কর রাজু,মোরশেদ কামাল, মো. সাহাবুদ্দিন, শহীদুজ্জামান, ইমরান ভূইঁয়া, আনিসুজ্জামান, আব্দুর রশিদ,আরিফুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম,সাদ্দাম হোসেন, মো.বাদশাসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সীতাকুন্ডে যুবলীগের বর্ধিত সভা
সীতাকুন্ড উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় নৌকার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ঘোষনা দিয়েছেন জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দরা। গত মঙ্গলবার জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় নৌকার বিজয়ের প্রত্যায় ব্যক্ত করা হয়। বর্ধিত সভায় নেতৃবৃন্দরা বলেন, আলহাজ দিদারুল আলম শেখ হাসিনা প্রার্থী, আর শেখ হাসিনা প্রতিক নৌকা, নৌকা বাঁচলে, বাঁচবে আওয়ামী লীগ, আর আওয়ামী লীগ বাঁচলে, বাঁচবে দেশ ও নেতা-কর্মীরা। তাই সকল ভেদাভেদ ভূলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে নিশ্চিত করতে হবে নৌকার বিজয়। আর এ জন্যে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট ভিক্ষা চাইবে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা। উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. শাহজানের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় টেলিকনফারেন্সে প্রধান অতিথি ছিলেন নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আলহাজ দিদারুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম আল মামুন। উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম জসিমের সঞ্চলনায় বর্ধিত সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা যুবলীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক বিমল চন্দ্র নাথ, উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাংস্কৃতি সম্পাদক সফিউল আলম মুরাদ, উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি মো.শাহ কামাল চৌধুরী, সহ-সভাপতি এসএমআল নোমান, সহ-সভপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাঈদুল, দপ্তর সম্পাদক আনিসুল হক আরিফ, ১নং ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারন সম্পাদক প্রতাপ নাথ, ২নং যুগ্ন-সম্পাদক মেম্বার দিদারুল আলম, ৪নং ইউনিয়ন আহবায়ক আ ন ম রফিক, ৫নং সভাপতি আকবর হোসেন, ৬নং সভাপতি জয়নাল আবদীন টিটু, ৭নং সভাপতি রাজু চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সালা উদ্দিন, ৮নং সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুল আলম, ৯নং সভাপতি মো. ফারুক, ১০নং সাধারণ সম্পাদক মোস্তাকিম আরজু, আবদুস সামাদ ও উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মো. সোহেল, দাউদ সম্রাট, সেতু দাশ, ওমর ফারুক, এনাম মোমিন প্রমুখ। বর্ধিত সভা শেষে পৌরসদর বাজারে শত নেতাকর্মী ডিটি রোডে এক বিশাল মিছিল পদক্ষিণ করেন। অপরদিকে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে নিয়ে উপজেলা ১নং সৈয়দপুর উত্তর বগাচতর এলাকায় নৌকা প্রতিকের প্রার্থী আলহাজ দিদারুল আলমের পক্ষে গনসংযোগ করেন উনার সহধর্মীনি ইসমত দিদার। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দেলোয়ারা বেগম, সাধারণ সম্পাদক শাহীনূর আক্তার প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ডা. আফছারুল আমীনের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু
চট্টগ্রাম-১০ সংসদীয় আসন হতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডা. আফছারুল আমীনের নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণার আনুষ্ঠানিকতা সকাল ৮টায় বাবা-মা ও চট্টগ্রামের প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা এম.এ. আজিজ, জহুর আহমদ চৌধুরী, এম.এ. মান্নান, এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী ও ইনামুল হক দানুর কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। প্রথমে উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় ও বিকেলে লালখান বাজার ওয়ার্ডের জনসাধারণের সাথে উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ করেন। এসময় তিনি উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ধারাকে চলমান রাখার জন্য আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনার সরকারকে বহাল রাখার জন্য আগামী ৩০ ডিসেম্বর নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করার জন্য জনগণের প্রতি উদাত্ত আহব্বান জানান। কবর জিয়ারত ও গণসংযোগ চলাকালীন অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা লায়ন মো. হোসেন, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, মোমিনুল হক, সাংবাদিক মনজুরুল আলম মনজু, সিদ্দিক আহমদ, এফ. কবির আহমদ মানিক, মোরশেদ আকতার চৌধুরী, নাজমুল হক ডিউক, শেখ দেলোয়ার, এড. রেহেনা কবির রানু, আবু তাহের, রেজাউল করিম কায়সার, অধ্যাপক মো. ইসমাইল, মো. আসলাম সওদাগর, নাজমুল ইসলাম, মো. জাকারিয়া, মো. সিরাজুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, হেলাল উদ্দিন চৌধুরী তুফান, মো. বেলাল হোসেন, মো. শামসুল ইসলাম, মো. সাইফুদ্দিন, আজাদ, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং প্রগতিশীল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সব পদক্ষেপ
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে যে কোন ধরনের উত্তপ্ত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। পুলিশসহ আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বিভিন্ন সংস্থা যে কোন ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় সার্বক্ষণিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকে চট্টগ্রামের কোথাও অপ্রীতিকর কোন ঘটনা না ঘটলেও সামনের দিনগুলোতে যাতে শান্তি থাকে সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বিশেষ চেক পোস্ট স্থাপন, ঝটিকা অভিযান, চিরুনি অভিযানের মতো কর্মসূচি গ্রহণ করে প্রশাসন অগ্রসর হচ্ছে। নগর এবং জেলা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা গতকাল আলাপকালে জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। আর মাত্র দিন কয়েক পর চট্টগ্রামসহ সারাদেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে উৎসবমুখর করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর বলে উল্লেখ করে চট্টগ্রাম মহানগরী পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, নির্বাচন নিয়ে বহু ধরনের শংকা রয়েছে মানুষের মনে। আমাদের কানে অনেক ধরনের কথা আসছে। কিন্তু আমরা উৎসবমুখর পরিবেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধ পরিকর। আমাদেরকে নির্বাচন কমিশন থেকে যে ধরনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে আমরা তা পালন করতে সচেষ্ট। চট্টগ্রামের কোথাও যাতে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম চালিয়েছি। চট্টগ্রামে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে প্রচার প্রচারণা শুরু হয়েছে। কোথাও কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, আমরা প্রার্থীদের সাথে কথা বলেছি। তাদের বুঝিয়েছি। তারা শান্তিতে প্রচার প্রচারণা চালালে আমরা সব ধরনের সহায়তা করবো। কিন্তু কেউ যদি পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চায়, ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় তাহলে তা ঠেকানোর প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। আমরা শান্তিতে থাকলে শান্তি দেবো। কেউ অশান্তি করলে আমরা তা ঠেকাবো। চট্টগ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের ব্যাপারে পুলিশের শীর্ষ এ কর্মকর্তা বলেন, কোন কেন্দ্রকেই আমরা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছি না। ভোটের দিন মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাবেন, ভোট দেবেন। কেউ বাধা দিলে বা ব্যালট কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করলে তা ঠেকানো হবে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা বলেন, নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে প্রচার-প্রচারণা বাড়ছে। বাড়ছে নির্বাচনী উত্তাপ। কিন্তু এই উত্তাপ যাতে কোনভাবেই উত্তপ্ত হয়ে না উঠে সেদিকে আমাদের সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। জেলার প্রতিটি আসনের আইন-শৃংখলা রক্ষায় পর্যাপ্ত ফোর্স মোতায়ন রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের আরেকজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, আমরা গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করছি। সাদা পোশাকে আমাদের লোকজন বিভিন্ন সংসদীয় আসনে অবস্থান করছে। কোথাও কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার আভাস পাওয়া গেলে তা ঠেকানো হবে। তিনি আরো বলেন, শুধু পুলিশই নয়, র‌্যাব, আনসার, এপিবিএনসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিটি সংস্থাই নির্বাচন উপলক্ষে মাঠে রয়েছে। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। নগর পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পায়। অবৈধ অস্ত্রের কদরও বাড়ে। এসব ঠেকাতে আমাদের গোয়েন্দা বাহিনীর তৎপরতা রয়েছে। আমরা হুট করে যে কোন এলাকায় চেক পোস্ট স্থাপন করবো। কোন এলাকা ঘিরে ঝটিকা অভিযান চালাবো। চিরুনি অভিযান শুরু করবো। বিশেষ করে বস্তি এবং সন্ত্রাসীদের আনাগোনা আছে এমন এলাকাগুলোতে আমাদের তৎপরতা বেশি থাকবে। শহরের প্রবেশ মুখগুলো আমাদের কঠোর নজরদারিতে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিষয়টি নিয়ে র‌্যাবের পদস্থ একজন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নির্বাচন বলে কথা নেই। যে কোন পরিস্থিতিতে আমরা আইন-শৃংখলা রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। তবে নির্বাচনী মৌসুমে যাতে কোন ধরনের অঘটন না ঘটে সেজন্য আমাদের যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলার প্রার্থীদের নানা সমস্যার কথা শুনবেন জেলা প্রশাসক
অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার ১০টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস হোসেন। আগামী ১৭ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ ব্যাপারে মো. মুনীর হোসাইন খান জানান, জেলার ১০ সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের সঙ্গে ১৭ ডিসেম্বর মতবিনিময় সভা হবে। প্রার্থীরা যাতে নির্বাচনী আচরণবিধি সম্পর্কে সচেতন থাকেন এবং তা মেনে চলেন সেজন্য এ মতবিনিময় সভা করা হচ্ছে। সভায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত থাকবেন। সভায় প্রার্থীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনা হবে। একই সঙ্গে সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে তাদের মতামত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে জেলার ১০টি সংসদীয় আসনে ৬৬ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন প্রার্থীরা। চলছে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা। এখন চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে বিভিন্ন দলের মোট ১১৪ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জেলার ১০ আসনের পাশাপাশি নগরীর ৩ আসন এবং নগরীর সাথে সংশ্লিষ্ট আরো ৩ আসনের প্রার্থীদের সাথেও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।
দেখা হল নোমান-নওফেলের
অনলাইন ডেস্ক :সারাদেশে শুরু হয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা নিজ নিজ দলের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থণা শুরু করছেন। বন্দর নগরী চট্গ্রামেও নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগ শুরু করেছেন সেখানকার স্থানীয় প্রার্থীরা।মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম-৯ আসনে হযরত শাহ সুফি আমানত খান (র.) এর মাযার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু করেছেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের প্রার্থী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।এদিন একই মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর) আসনে প্রচারণা শুরু করেন বিএনপির প্রার্থী আবদুল্লাহ আল নোমান।এক পর্যায়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের এই প্রার্থীদ্বয়ের মধ্যে সাক্ষাত হয়।গণসংযোগ নিয়ে নওফেল মাজার থেকে বের হয়ে নগরীর কুরবানিগঞ্জে ঢোকার সময় টেরিবাজার এলাকায় সাক্ষাত হয় তাদের। নোমান তখন নেতাকর্মীদের নিয়ে মাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তারা একে অপরের সঙ্গে কথা বলেন এবং কুশল বিনিময় করেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর