চট্টগ্রাম জেলা ডিবির বিশেষ অভিযানে চার হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ০২
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজার হতে প্রাইভেটকার যোগে ইয়াবা নিয়ে দু-জন মাদক ব্যবসায়ী চট্টগ্রামের দিকে আসছে মর্মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই(নি:) মোঃ সেলিম মিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ লোহাগাড়া থানাধীন চুনতি রেঞ্জ বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের উপর একটি সাদা রংয়ের টয়োটা এলিয়ন গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পিছনের সীটে বসা আসামী মোঃ বিল্লাল হোসেন (৩৫), এর কাছে থাকা একটি কাধব্যাগের ভিতর কসটেপে মোড়ানো একটি কালো পুটলা এবং ড্রাইভিং সীটে বসা আসামী মোঃ ইকরামুল (৩২) এর কাছে ড্রাইভিং সীটের কভারের ভিতর থাকা অপর একটি পুটলাসহ ৪,০০০ (চার হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ব্যবহৃত টয়োটা এলিয়ন প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ১২,০০,০০০/-(বারো লক্ষ) টাকা। আসামীদের বিরুদ্ধে লোহাগাড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
লায়ন্স ক্লাব অগ্রণীর ১৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং অগ্রণীর ১৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গত ২৮ জানুয়ারি উদযাপিত হয়। লায়ন্স ফাউন্ডেশনে ক্লাব প্রেসিডেন্ট লায়ন নেছার আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লায়ন্স জেলা গভর্নর লায়ন কামরুন মালেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ১ম ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন ডা. সুকান্ত ভট্টাচার্য, ২য় ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন আল সাদাত দোভাষ, ডিজি টিমের সদস্য লায়ন জাহেদুল ইসলাম, লায়ন অসীম উকিল প্রমুখ। লায়ন গভর্নর কামরুন মালেক কেক কেটে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং অগ্রণীর ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন । অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, লায়ন প্রসুন্ন বড়ুয়া, লায়ন কাজী জহির, লায়ন আকবর আলী, লায়ন পলাশ ধর, লায়ন এস এম আব্দুল আজিজ, লায়ন আক্তার হোসেন, লায়ন মোহলেস, লায়ন জালাল, লায়ন জাফর, লায়ন নুসরাত জাহান, লায়ন আবেদা আজিজ, লায়ন আনেয়ার হোসেন প্রমুখ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এ এক আবিষ্কারের গল্প: ক্যাম্প মাটি-টা
২৯জানুয়ারী,বুধবার,মো.ইরফান চৌধুরী চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: অসীম সম্ভাবনা আর প্রতিভা নিয়ে মানুষ পৃথিবীতে আসে। উপযুক্ত পরিবেশ পেলে বিকশিত হয় প্রতিভা। তবে মানবসৃষ্ট কারণে এই পরিবেশ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। ফলে বঞ্চিত হচ্ছে পৃথিবী। এ নিয়ে আমাদের কার্যক্রম অনেকটাই ভাবনা-চিন্তা আর মতামত আদান-প্রদানের মাঝে সীমাবদ্ধ। এদিকে, অপার সম্ভাবনা থাকার পরও বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প চলছে অনেকটা খুঁড়িয়ে। আছে প্রতিকূলতা, নানা জটিলতা। পরিকল্পনা আর দূরদর্শিতার অভাব আছে। আছে সমন্বয়হীনতা। এর মাঝেও অন্তরায়ের দেয়াল ভাঙার স্বপ্ন দেখে কেউ কেউ। তাদের স্বপ্ন থাকে আকাশচুম্বী। তেমনই স্বপ্নের কারিগর চট্টগ্রামের তরুণ দম্পতি তাসনিম মাহমুদ ও ডা. মুনাল মাহবুব। তারা চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক চেয়ারম্যান ও নৌবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা (অব.) জহিরউদ্দিন মাহমুদ এবং চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলমের সন্তান। শিক্ষা শেষ হয়েছে অনেক বছর আগে। দুজন বর্তমানে উদ্যোক্তা। ডা. মুনাল মাহবুব চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। সময় পেলে পৃথিবী ঘুরে দেখা তাদের সখ। সেই সখ মেটাতে গিয়ে সঞ্চয় করেছেন অভিজ্ঞতা। একদিন তাদের উপলব্ধি হলো, প্রকৃতি প্রদত্ত সম্ভাবনা ও সক্ষমতা এবং বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশকে কীভাবে একসূত্রে গাঁথা যায়? কথাটা বলছিলেন ক্যাম্প মাটি-টার চেয়ারম্যান ডা. মুনাল মাহবুব। ক্যাম্পের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তাসনিম মাহমুদ জানান, পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়নের সাথে আউটডোর অ্যাক্টিভিটি ক্যাম্পিংয়ের যোগসূত্র স্থাপন তাদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। তিনি আরো জানান, বিশ্বব্যাপী জলবায়ুর অস্বাভাবিক পরিবর্তন তাদের উদ্বেগের কারণ। পরিবর্তনজনিত এই বিপর্যয় মোকাবিলার মানসিকতা এবং তাদের আহরিত অভিজ্ঞতার যোগফল হিসেবে চট্টগ্রামে স্থাপিত হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম আউটডোর অ্যাক্টিভিটি ক্যাম্প মাটি-টা। এখানকার পারিপার্শ্বিকতা ও সমস্ত আয়োজন একজন শিক্ষার্থী অথবা যেকোনো শ্রেণী-পেশার মানুষকে উপলব্ধি করাতে সক্ষম, আমিও পারি। রিডিসকভার ইয়োরসেলফ উইদিন ইউ মাটি-টার ট্যাগলাইন। অর্থাৎ ক্যাম্প মাটি-টা কারো মধ্যে নতুন করে কোনা শক্তি বা ক্ষমতা প্রয়োগের কথা বলে না। বরং বিশ্বাস করতে শেখায়, আমার মধ্যে যা আছে তা দিয়েই নিজেকে আবিষ্কার করব। প্রমাণ করে দেখায়, একজন মানুষের মাঝে অসাধারণ সক্ষমতা থাকে। ক্যাম্প মাটি-টার অবস্থান সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকায়। ক্যাম্পের আয়তন প্রায় পৌনে দুই বর্গকিলোমিটার। পাহাড় বেষ্টিত ক্যাম্পের উত্তর সীমানা জুড়ে নৌবাহিনীর দপ্তর, পূর্বে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি এবং পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর। পাহাড়ের চূড়া ধরে রয়েছে দীর্ঘ ট্রেকিং ট্রেইল। ট্রেইলের একাধিক পয়েন্ট থেকে উপভোগ করা যায় বঙ্গোপসাগরের অসাধারণ সৌন্দর্য। সাগরে ভাসমান বড় জাহাজের মাস্তুল পাশে রেখে অস্তায়মান সূর্য, দুরন্ত কাঠবিড়ালির লাফিয়ে বেড়ানো, সকাল সকাল বন মোরগের কুক কুরুক ধ্বনিতে ঘুম ভেঙে যাওয়া, শত প্রজাতির রঙিন পাখির কিচিরমিচির, মাঝেমধ্যে পাহাড় থেকে মায়া হরিণের আগমন অন্য এক মায়া জাগায়। পাহাড় বেষ্টিত ক্যাম্পের প্রাঙ্গণ জুড়ে রয়েছে স্বচ্ছ জলের সরোবর। মাছ ও মাছরাঙ্গা, ধবধবে সাদা বকের লুকোচুরি এখানকার চিত্র। তাসনিম মাহমুদ জানান, বর্তমানে শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে খেলার মাঠ অপর্যাপ্ত। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুুলা জরুরি। পরিবর্তিত আর্থসামাজিক বিশ্ব বাস্তবতায় বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাসমূহে কর্মীদের মধ্যে টিম বিল্ডিং ও মানোন্নয়নমূলক কার্যক্রমে এসেছে বৈচিত্র্য। দেশের ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ডিউক অব এডিনবার্গ অ্যাওয়ার্ড ও ক্যাস নামক আউটডোর কোর্স বা অভিজ্ঞতা প্রায় বাধ্যতামূলক। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে মাটি-টাতে বেশ কিছু অ্যাক্টিভিটির ব্যবস্থা আছে। খেলার গ্রাউন্ড আছে তিনটি। এর মধ্যে একটি হিলটপ গ্রাউন্ড হিসেবে পরিচিত। তিনি জানান, বিভিন্ন ধরনের অ্যাক্টিভিটির মধ্যে পাহাড় ট্রেকিং, মেডিটেশন সেশন, ইয়োগা সেশন, স্ক্রু ড্রাইভিং, ওয়াটারপং, ওয়াল ক্লাইম্বিং, rapling-জুমারিং, জিপলাইনিং, লিকুইড পাস, হিউম্যান পাস কায়াকিং, অন ট্রি অবস্ট্যাকল কোর্স, অন গ্রাউন্ড অবস্ট্যাকল কোর্স, বেল্ট রেস, ব্যাডমিন্টন, জায়ান্ট ভলিবল, টেবিল টেনিস, হিউম্যান ফুসবলসহ প্রায় পঞ্চাশটি অ্যাক্টিভিটি অন্যতম। বিশেষ অ্যাক্টিভিটি হিসেবে রয়েছে ডে লং ট্রেজার হান্ট। তিনি আরো জানান, মেডিটেশন ও ইয়োগা সেশন অনুষ্ঠিত হয় পশ্চিম পাহাড়ের চূড়ায়। চূড়ার সম্মুখভাগে বঙ্গোপসাগরের জলরাশি। বয়ে যায় সাগরের শীতল বাতাস। বিশেষ এই জোনে যখন মেডিটেশন ও ইয়োগা অনুষ্ঠিত হয়, তখন ক্যাম্পারগণ সতেজ বাতাসের পরশ অনুভব করেন। তাসনিম জানান, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের বিষয়টি মাথায় রেখে ক্যাম্প মাটি-টা পরিচালনা করছে পাঁচদিনের রেসিডেন্সিয়াল প্রোগ্রাম। রেসিডেন্সিয়াল প্রোগ্রামের সৃজনশীল কারিকুলাম তাদের স্বতন্ত্র উদ্ভাবন। এছাড়া রয়েছে রিইউনিয়ন ও বার্ষিক পিকনিক প্রোগ্রামের ব্যবস্থা। অ্যাক্টিভিটিসমূহ পরিচালনার জন্য রয়েছে অভিজ্ঞ ইনস্ট্রাক্টর। ক্যাম্পের মহাব্যবস্থাপক তারেক আহম্মেদ সুমন জানান, রাত্রিযাপনের ক্ষেত্রে ক্যাম্পে আগতদের থাকতে হয় তাঁবুতে। এসব তাঁবু দুই থেকে বিশজন ধারণ ক্ষমতার। সম্প্রতি তাঁবুর বহরে যুক্ত হয়েছে আমেরিকা মহাদেশে বসবাসরত রেড ইন্ডিয়ানদের ঐতিহ্যবাহী টিপি টেন্ট (তাঁবু)। প্রতিটি টিপি টেন্টে ষোলজন ক্যাম্পার অবস্থান করতে পারেন। এছাড়া রয়েছে কাঠের তৈরি ইকো টেন্ট। সুবৃহৎ ইনফিনিটি সুইমিং পুলের প্রান্ত ঘেঁষে নির্মাণাধীন ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের নির্মাণ শৈলীর আদলে আঠারো হাজার বর্গফুটের বেম্বো হাউজ। মজবুত কাঠামোর উপর তিনতলা বিশিষ্ট বেম্বো হাউজের ভেতর ও বাইরে সম্পূর্ণটা মোড়ানো থাকবে বাঁশ দিয়ে। নিচতলায় একটি কনভেনশন হল, দ্বিতীয়তলা জুড়ে অত্যাধুনিক রেস্টুরেন্ট ও কনফারেন্স রুম এবং তিনতলায় থাকবে চৌদ্দটি কটেজ কক্ষ। আগতদের রুচি ও বিনোদনের দিক মাথায় রেখে অর্গানিক খাবারের মেনুতে আছে ঐতিহ্যবাহী আইটেমসহ বিভিন্ন স্বাদের খাবার। গত বছরের ৬ জানুয়ারি ছিল ক্যাম্প মাটি-টার উদ্বোধনী প্রোগ্রাম। এক বছরের মধ্যে এখানে ঢাকা ও চট্টগ্রামের অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কর্পোরোট হাউজ তথা সামাজিক প্রতিষ্ঠান প্রোগ্রাম করেছে। এদের মধ্যে চট্টগ্রাম গ্রামার স্কুল চট্টগ্রাম ও ঢাকা শাখা, আল হিদায়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, সাইডার স্কুল, উইলিয়াম কেরি স্কুল, দা আগা খান স্কুল ঢাকা, সিটি ব্যাংক, ডেক্যাথলন, মাইডাস সেফটি, হক অ্যান্ড সন্স শিপিং কোং, বিএসআরএম, চট্টগ্রাম মহিলা সমিতি, সেন্ট প্লাসিডস স্কুল ৯৪ ব্যাচ, মা ও শিশু হাসপাতাল, চট্টগ্রাম রোটারী ক্লাব (অ্যারিস্টোক্রেট) উল্লেখযোগ্য।- আজাদী
এই খাল হবে ঢাকার হাতির ঝিল প্রকল্পের আদলে
২৮জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীরী জলাবদ্ধতা নিরসনে বহদ্দার হাট বারইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত ২.৯ কিমি দীর্ঘ নতুন খাল খনন কাজ শুরু হয়েছে। আজ ২৮ জানুয়ারি দুপুরে ওয়াইজার পাড়া মাজার সংলগ্ন এলাকায় খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। বহদ্দারহাট বারই পাড়া হাইজ্জার পুল থেকে স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন শাহ আমানত ব্রীজ সংযোগ সড়ক অতিক্রম করে নূর নগর হাউজিং সোসাইটি, ওয়াইজার পাড়া মাজার হয়ে বলির হাট বলি মসজিদের পাশ দিয়ে কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে পড়বে। এই নতুন খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ১২৫৬ কোটি ১৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এতে সরকারি জিওবি অর্থায়নে হবে ৯৪২ কোটি ১২ লাখ টাকার কাজ। অন্যদিকে চসিকের নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৩১৪ কোটি ৪ লাখ টাকার প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। খাল খনন কাজে অধিগ্রহণকৃত ২৫.১৬৭ জমির মূল্য ক্রয় বাবদ করা হবে ১১০৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। উদ্বোধন কালে মেয়র বলেন, ১৯৯৫ সালের ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যান অনুসরণ করে বহদ্দার হাট বারইপাড়া থেকে কর্নফুলী নদী পর্যন্ত নতুন খাল খনন করার পরিকল্পনা নিয়ে একটি ডিপিপি তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে খালের দুপাশে সড়ক নির্মান করে খাল খননের বিষয় উল্লেখিত থাকে। কিন্তু একনেক সভায় সংযোজনীসহ প্রকল্পের চুড়ান্ত আলোচনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রকল্পকে পর্যটন স্পট হিসেবে রূপায়নের নির্দেশনা দেন। তিনি নান্দনিক দিক বিবেচনায় খালের দুপাশে ওয়াক ওয়ে ব্যবস্থা রাখার নির্দেশনা দেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুলকবহর, ষোলশহর, বাকলিয়াসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার জলাবদ্ধতা সমস্যা আর থাকবে। একই সাথে খালের দুপাশে সড়ক ও ওয়াক ওয়ে নির্মাণ হলে নগরবাসীর নতুন যোগাযোগ ব্যবস্থা সৃষ্টির বিনোদন স্পট হিসেবেও পরিচিত পাবে। চট্টগ্রাম নগরে বহদ্দার হাট বারই পাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত এই খাল হবে ঢাকার হাতির ঝিল প্রকল্পের আদলে। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে এই খাল খনন প্রকল্পের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবাইকে মুগ্ধ করবে। প্রাথমিক প্রাথমিক মেয়াদ ছিল ২০১৪ জুলাই থেকে ২০১৭ জুন পর্যন্ত। পরবর্তীতে মেয়াদ সংশোধন করে তা চলতি বছর আগামী জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। ২০১৮ সালের ৭ নভেম্বর প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী একনেকে অনুমোদন লাভ করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চসিক কাউন্সিলর হারুনুর রশীদ, আশরাফুল আলম, চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে কর্ণেল সোহেল আহমদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিকসহ স্থানীয় জনসাধারণ,সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে; নিহত ২
২৮জানুয়ারী,মঙ্গলবার,রাউজান প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ঘটনাস্থলে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার(২৮ জানুয়ারি) সকাল ১১ টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারের পশ্চিমে কালাপুল নামক স্থানে এই মর্মান্তিক দূর্ঘটনাটি ঘটে। থানা পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম শহরের বাস টার্মিনাল হতে ছেড়ে আসা কাপ্তাইগামী (চট্টগ্রাম-জ-৬০) বাসটি রাউজান পিংক সিটি-২ এর পূর্বে কালাপুল নামক স্থানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে উল্টে যায়। এই সময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিনের নেতৃত্বে স্থানীয়রা উদ্ধার কাজে নেমে পড়েন। পরে কালুরঘাট ফায়ার সার্ভিস ও রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও তাদের যথাযথ যন্ত্রপাতি না থাকায় উদ্ধার কাজে কোন ভুমিকা রাখতে পারে নি। পরে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(চুয়েট)র একটি বিশেষ টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাদের পরামর্শে চট্টগ্রাম তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র হতে ক্রেন এনে বাসটি উদ্ধার করা হয়। এই সময় বাসের নিচে চাপা পড়া অবস্থায় দুই জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার কাজে সহয়তায় ছিলেন রাঙ্গুনিয়া সার্কেল অফিসার এএসপি আবুল কালাম, রাউজান থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেপায়েত উল্লাহ, নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি, চুয়েট ফাঁড়ি তৎপর ছিলেন। এই সময় শতশত জনতা ভীড় জমায়। জনতার ভীড় সামাল দিতে পুলিশকে হিমসিম খেতে দেখা যায়। উদ্ধারকালে প্রায় দুই ঘন্টা চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকে। সড়কের দুই ধারে গাড়ির দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এই বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেপায়েত উল্লাহ বলেন, বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে দুইজন বাসের নিচে চাপা পড়ে মারা যায়। এদের একজন মহিলার পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি হলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শিলক ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মো. আবুল মালেকের স্ত্রী জাহানারা বেগম(৫৫)। অপর জন ৩০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত যুবক। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন বলেন, ঘটনা শুনার সাথে সাথে আমি স্থানীয়দের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। উদ্ধার কাজে নেমে পড়ি। উদ্ধার কাজে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আসলেও তাদের আধুনিক কোন যন্ত্রপাতি না থাকায় কোন ভুমিকা রাখতে পারে নি। এই দূর্ঘটনায় দুইজন ঘটনাস্থলে বাসের নিচে চাপা পড়ে মারা যান,২০জনের মত আহত হন। এদের একজনের অবস্থা সংকটাপন্ন। উদ্ধার কাজে চুয়েটের একটি প্রকৌশলী টিম, রাঙ্গুনিয়া সার্কেল, রাউজান থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৎপর ছিলেন।
বাংলাদেশ সাংবাদিক ফেডারেশন চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটি গঠন
২৮জানুয়ারী,মঙ্গলবার,ষ্টাফ রিপোর্টার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ সাংবাদিক ফেডারেশন (বিডিএসএফ) চট্টগ্রাম বিভাগীয় আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে । পেশাদার সাংবাদিকদের সমন্নয়ে গঠিত কমিটিতে বিবিসি নিউজ টুয়ান্টি ফোর ডট কম ডট বিডি এর সম্পাদক ও প্রকাশক মাহামুদুল হাসান রাকিব কে আহবায়ক, দি কমার্সিয়াল টাইমস এর চট্রগ্রাম প্রতিনিধি সজল চৌধুরী কে যুগ্ন-আহবায়ক ও দৈনিক প্রিয় বাংলাদেশ পত্রিকার চট্রগ্রাম প্রতিনিধি খোকন মজুমদার রাজিব কে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট চট্রগ্রাম বিভাগীয় আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সাংবাদিক ফেডারেশন(বিডিএসএফ) এর কেন্দ্রীয় কমিটি। শনিবার (২৫ ই জানুয়ারী) চট্রগ্রাম বিভাগীয় আহবায়ক কমিটির প্রেরিত কপিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মাইনুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা স্বাক্ষর করে উক্ত কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন। এ সময় তারা সাংবাদিকদের কল্যানে কাজ করার জন্য চট্রগ্রাম বিভাগীয় আহবায়ক কমিটির প্রতি আহবাণ জানান। এবং আগামী তিন মাসের মধ্যে পূনাঙ্গ কমিটি করার নির্দেশ প্রদান করেন। সদস্যতে যারা নিযুক্ত হয়েছেনঃ মোঃ রাকিবুর রহমান,মোঃ তারেকুল ইসলাম,মোঃ রাসেল হোছাইন,মোঃ আব্দুল আওয়াল রোকন।
আহলে সুন্নাত নেতা মাওলানা নুরে বাংলা কারামুক্তিতে বিপুল সংবর্ধনা
২৭জানুয়ারী,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: আহলে সুন্নাত ওয়াল জমাআতের জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা মাওলানা মাহবুবুল আলম নুরে বাংলা দীর্ঘ ১৮ দিনের কারাবাসের পরে ২৭ জানুয়ারি সোমবার বিকাল ৫টায় চট্টগ্রাম কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। মুক্তি পেয়ে কারাগারের বাইরে আসলে শত শত সুন্নী জনতা, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনার বিভিন্ন স্থরের নেতাকর্মিরা তাকে বিপুলভাবে সংবর্ধিত করে। ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরীর সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মাওলানা মাহবুবুল আলম নুরে বাংলা বলেন, শান্তির ধর্ম ইসলাম ও মানবতার মুক্তির দিশারী প্রিয়নবী (দ.) এর মান-মর্যদাকে সমুন্নত রাখতে এবং সোনার বাংলার স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে অক্ষুন্ন রাখতে আমি সবসময় কথা বলে যাব। স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার গোষ্ঠী কোন মামলা হামলার মাধ্যমে আমাকে সত্যের পক্ষে কথা বলা থেকে বিরত রাখতে পারবে না। এসময় তিনি তাঁর গ্রেফতার পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক ও আইনী সংগ্রামে যারা যুক্ত ছিলেন তাদের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিলেন আহলে সুন্নাত নেতা আব্দুল মোতালেব, আল্লামা নুরুল আবছার, ইসলামী ফ্রন্ট দক্ষিণ জেলা সহ-সভাপতি মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন, যুবসেনা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম, ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সভাপতি জি.এম শাহাদত হোসাইন মানিক, অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল ফারুকী, এডিএম আরুছুর রহমান, অ্যাড. মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম, অ্যাড. মুহাম্মদ মোজাম্মেল, ইসলামী ফ্রন্ট নেতা মাওলানা সোহাইল উদ্দিন আনসারী, মাওলানা ইউনুচ তৈয়বী, ছাত্রনেতা গোলাম মোস্তফা, এইচ এম এনামুল হক, মুহাম্মদ গোলাম তাহের, আবু ছালেহ আঙ্গুর, হাফেজ আমিন, মাওলানা আবু ছালেহ কাদেরী, হাফেজ মাওলানা এনাম, মুহাম্মদ আবু বক্কর, মুহাম্মদ ফরিদুল আলম, মুহাম্মদ ইলিয়াস সহ নেতাকর্মীবৃন্দ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে মাওলানা মাহবুবুল আলম নুরে বাংলা শহর কুতুব হযরত শাহ্ আমানত (রহ.) এর পবিত্র মাযার যিয়ারত করেন।
এক নজরে ৩৩ নং ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ডের উন্নয়ন চিত্র ও পরিকল্পনা
২৭জানুয়ারী,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কোতোয়ালী থানাধীন ১ বর্গ কিলোমিটার এলাকার মোট জনসংখ্যা প্রায় এক লক্ষ ও মোট বিশ হাজার ভোটারের ৩৩ নং ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ডের উন্নয়ন চিত্র ও আগামীর পরিকল্পনা তুলে ধরা হল। সরেজমিনে ঘুরে দেখা এলাকার উন্নয়ন চিত্র ও বর্তমান সফল কাউন্সিলর আলহাজ্ব হাসান মুরাদ বিপ্লবের আগামীর উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হল। বর্তমান উন্নয়ন চিত্রঃ সিটি কর্পোরেশন ও ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ড অফিস সুত্রে জানা গেছে, ৩৩ নং ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ডের বিভিন্ন প্রকল্পে মোট ১২৩ কোটি টাকার এডিবির বরাদ্ধের কাজ চলছে। তারমধ্যে উল্লেখ যোগ্য কাজ গুলোর মধ্যে কোতয়ালী মোড়ের হজরত শাহ সুন্দর মাজার সজ্জিতকরণ কাজ করেছেন। কাজ চলমান আছে আলকরন-১, ২, ৩ নং গলির ড্রেন সম্প্রসারণ ও রাস্তা প্রসস্থ করন কাজ। বাটা গলির রাস্তা পাকা করনের কাজ। ৩ কোটি টাকা ব্যায়ে ডাঃ মান্নান গলির কাঁচা রাস্তা পাকাকরনের কাজ । কবি নজরুল সড়ক পাকাকররনের কাজ। হাজী কলোনির রাস্তা পাকাকরনের কাজ। এয়াকুব নগর এর রাস্তা পাকাকরনের কাজ। শিব বাড়ি এলাকার রাস্তা মেরামত ও পাকাকরনের কাজ। কোতয়ালী থেকে মেরিনার্স রোড পর্যন্ত মিড আইল্যান্ড সজ্জিতকরণ ও সম্প্রসারণ। প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যায়ে কোতয়ালী থেকে মেরিনার্স ও অভয়মিত্র ঘাট পর্যন্ত রোড কারপেটিং এর কাজ। ব্রিজ ঘাট এলাকার রাস্তা পাকাকরনের কাজ । বান্ডেল খালের উপর দুটি রিটাইনিং ওয়াল নির্মাণ কাজ। ডাঃ জাকির হোসেন হোমিও কলেজের দশ তলা ভবনের মধ্যে ৬ তলা ভবন নির্মাণ কাজ। হরিজন সেবকদের জন্য অত্যাধুনিক বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ যা ইতিমধ্যে এর ভিতিপ্রস্তর স্তাপন করা হয়েছে এবং দরপত্র চুরান্ত পর্যায়ে আছে। দ্রুত কাজ শুরু হবে। আলকরন ২নং গলির পুকুর সংস্কার ও সৌন্দর্য বর্দ্ধন। মহিলা ও পুরুষদের জন্য আলাদা ঘাট। আছে মহিলাদের পোশাক পরিবর্তনের জন্য পুকুর পাড়ে নির্দিষ্ট কক্ষ। পুকুরের চার পাশ ও রাস্তা সিসি ঢালাই করা। আলকরন সুলতান আহমেদ দেওয়ান সিটি করপরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্নতমানের গেইট স্থাপন। দেয়ালে বঙ্গবন্ধুর ও নতুন বই উৎসবের মুর্যারল স্থাপন। কবি নজরুল রোড থেকে ডাস্টবিন সড়িয়ে ফুলের বাগান করা হয়েছে। অভয় মিত্র ঘাট এলাকায় ডাস্টবিন সড়িয়ে ফুলের বাগান করা হয়েছে। চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় ফুলের বাগান। মহিম দাশ রোডের উন্নয়ন ও ডাস্টবিন সড়িয়ে ফুলের বাগান করা হয়েছে। সাবিত্রী স্কুল এর পাশে থাকা ডাস্টবিন সড়িয়ে ফুলের বাগান করা হয়েছে। ৩৩ নং ওয়ার্ড অফিসের সামনের রাস্তা সজ্জিতকরণ। যাত্রী ছাউনী তৈরি করা হয়েছে। ব্রীজ ঘাট এর রাস্তা প্রসস্ত করন ও রাস্তার মাঝখানে আইল্যান্ড স্থাপন ও সজ্জিতকরণ। মানুষের বসার জন্য একটি গোল চক্কর করা হয়েছে। বংশাল রোডের পাকাকরনের কাজ ও ড্রেন সমপ্রসারন। আব্দুর রহমান দোভাশ গলির রাস্তা পাকাকরন ও ড্রেন সম্প্রসারন। সুজা কাঠঘড় থেকে টুকিটাকি পর্যন্ত রাস্তা মেরামত ও পাকাকরন। ধাউম্মা পুকুর পাড় এলাকার রাস্তা পাকাকরন ও ড্রেন সম্প্রসারন। শাহজি পাড়ার রাস্তা পাকাকরন ও ড্রেন সম্প্রসারন। ফিরিঙ্গী বাজার মসজিদ গলির রাস্তা পাকাকরন ও ড্রেন সম্প্রসারন। টেক পাড়া এলাকার রাস্তা পাকাকরন। মধ্যম নোয়াপাড়া এলাকার রাস্তা পাকাকরন। ১ম নোয়াপাড়া এলাকার রাস্তা পাকাকরন ও ড্রেন সম্প্রসারন। চুরিয়াল টুলী এলাকার রাস্তা পাকাকরন ও ড্রেন সম্প্রসারন। জে এম সেন স্কুল এলাকার রাস্তার উপর থেকে ডাস্টবিন সড়িয়ে ফুলের বাগান করা হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত তিন বছর মেয়াদী ম্যাটস কোর্স চালু করন। ডিপ্লোমা ইন নার্স কোর্স চালু করন। রাস্তায় ব্যপক এলইডি বাল্ব স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি সড়কে এলইডি বাল্ব স্থাপন। এলাকার ময়লা আবর্জনা অপসারনে ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন গুলোকে সম্প্রসারণ। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে জনসচেতনতা তৈরি করতে দেয়ালে দেয়ালে সচেতনতার জন্য লেখনী। আগামীর নির্বাচন নিয়ে কথা হয় ৩৩ নং ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর আলহাজ্ব হাসান মুরাদ বিপ্লব এর সাথে, তিনি জানান, আমি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছি তাতে এলাকার জনগন আমাকে আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। আমার ওয়ার্ড একটি সমৃদ্ধ ওয়ার্ড। এখানে প্রাইমারী স্কুল, হাইস্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা হোমিও কলেজ সব মিলিয়ে এটাকে একটি শিক্ষা নগরী বলা চলে। আমি মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। আমি আমার ওয়ার্ডকে মাদক মুক্ত ঘোষণা করেছি। আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। জনগনের জন্য কিছু করতে পারাটাই আমার একমাত্র চাওয়া। আমি বিগত ৫ বছরে চেষ্টা করেছি জনগণকে সর্বোত্তম সেবা দিতে। আপনারা নিশ্চয় সরেজমিনে ঘুড়ে দেখেছেন এলাকার উন্নয়ন চিত্র। আমি এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাতে চাই। আমি চাই এলাকার জনগন আমাকে ভালোবাসুক ও মন থেকে দোয়া করুক। জনগন চায় বলে আমি এই বারও নির্বাচন করব। অসমাপ্ত কাজ গুলো শেষ করব এবং আমার কিছু পরিকল্পনা আছে সেই গুলো বাস্তবায়নের জন্য। সেই সাথে আমাদের জানালেন আগামীর উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা। আগামীর উন্নয়ন পরিকল্পনাঃ অসমাপ্ত কাজ গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করা। এলাকায় একটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। যেখানে থাকবে কম্পিউটার প্রশিক্ষন, সেলাই প্রশিক্ষন, বিউটি পার্লারের কাজ, বিভিন্ন হাতের কাজের প্রশিক্ষন। এখানে এলাকার বেকার যুবক ও মহিলাদের প্রশিক্ষন দিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয়া হবে। মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত একটি মডেল ওয়ার্ড গঠন। গরিব ও অসহায় পরিবারের সন্তানদের শিক্ষার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান।এলাকার জনগনের বিনোদনের জন্য একটি পার্ক করা। এলাকার নিরাপত্তার জন্য সড়কে ব্যাপক হারে সিসি ক্যামরা স্থাপন। প্রতিটি রাস্তা শতভাগ আলোকায়নের ব্যবস্থা করা। ডোর টু ডোর ময়লা অপসারণ শতভাগ কার্যকর করন। ফুটপাত জনগনের হাঁটার উপযোগী করা। এলাকার জনগনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ওয়ার্ড অফিসে কাউন্সিলিং বোর্ড গঠনের ব্যবস্থা করা।
উন্নয়নধারা অব্যাহত রাখতে ওয়ার্ড বাসির সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন
২৬জানুয়ারী,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ জহুরুল আলম জসিম বলেন, সামাজিক অপরাধীদের নির্মূল করতে সমাজ কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দকে সৎ সাহস নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। গুটি কয়েক মাদক ও ইয়াবা ব্যবসায়ীদের কাছে পুরো সমাজ জিম্মি হয়ে থাকতে পারে না। অচিরেই ব্লক বাসীদের সহযোগিতা নিয়ে প্রতিটি আবাসিক এলাকায় সিটি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ জন্য সমাজ সচেতন মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। পাহাড়তলী ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা পেয়েছি বলেই বর্তমান মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দিনের আন্তরিকতায় এ ওয়ার্ডে প্রায় ২০০ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী অর্থ বছরে আরো প্রায় ৫০ কোটি টাকার কাজ অনুমোদিত হয়ে অপেক্ষমান রয়েছে। এই উন্নয়নধারা অব্যাহত রাখতে ওয়ার্ড বাসির সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, সমাজ হতে সকল অপরাজনীতি মুক্ত সমাজ গড়তে নেতৃবৃন্দকে সব সময় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে আই ব্লক সমাজ কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আই ব্লক সমাজ কল্যাণ পরিষদের নবনির্বাচিত কমিটির সাধারণ সভা ও অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি আকবর শাহ্ থানা অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান রাতের বেলায় যে এলাকায় বখাটে ছেলেদের পাওয়া যাবে তাদেরকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের কারণে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আকবরশাহ থানা পুলিশ সর্বদা তৎপর। থানা পুলিশের সহযোগিতা না ফেলে সাথে সাথে ৯৯৯ ফোন করে যে কোন সহযোগিতা গ্রহণ করার জন্য নগরবাসীর তথা দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানান। সংগঠনের সভাপতি মো: মফিজ উল্লাহর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি সৈয়দ শামীম আলম সিদ্দিকী। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগ নেতা মো: বেলাল উদ্দিন জুয়েল, কামাল উদ্দিন পারভেজ, মো: আব্দুল মান্নান, মো: সারোয়ার জাহান রাসেল, সুপর্ণা তালুকদার, মালেকা আনোয়ার, রনঞ্জিত সেন, এ.কে.এম আরিফুল ইসলাম প্রমুখ। সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সেলিম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো: শফিকুল মাওলা, অর্থ সম্পাদক ছালে আহম্মদ সওদাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মো: আকতার হোসেন মামুন, সদস্য যথাক্রমে ডা: সৈয়দ আহমদ পাটওয়ারী, আইয়ুব আলী হাওলাদার, মো: রফিকুল ইসলাম, মো: নাছির উদ্দিন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কাউন্সিলর মো: জহুরুল আলম জসিম।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর