বিভিন্ন প্রত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে প্রকাশিত ও প্রচারিত সংবাদের প্রতিবাদ
অনলাইন ডেস্ক: গত ০৯ নভেম্বর ২০১৮ ইং তারিখে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে পাহাড়তলী থানা এলাকার বিধবা রুপালি ধর এর বসত ভিটা গ্রাস করার চক্রান্তে প্রতিবাদে ও ভূয়া মামলা সৃজন করে পহাড়তলীর জুয়েলারী ব্যবসায়ী শিমুল ধরকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে আমি আবুল খায়েরকে নিয়ে মিথ্যা,বিভ্রান্তিকর তথ্য,মিথ্যা অপবাদের বিষয়ে আমার দৃষ্টি গোচর হওয়াতে আমি উক্ত সংবাদ সম্মেলনের প্রকাশিত সকল পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে প্রচারিত সকল সংবাদের তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। মূলত আমি আবুল খায়ের পিতা মৃত- গনি আহমদ,সাং-মধ্যম দূর্গাপুর,ডাকঘর- ভরদ্বাজ হাট,থানা- মীরসরাই,জেলা- চট্টগ্রাম গত- ০৭/০৩/২০১২ ইং তারীখে শীমুল ধরের পিতা মৃত- গোপাল কৃঞ্চ ধরস হ তার অপরাঅপর অন্যান্য ভাইগনের নিকট হইতে চট্টগ্রাম সদর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে রেজিষ্ট্রিকৃত ৯৬০ নং আমমোক্তার নামা দলিল মোতাবেক চট্টগ্রাম জেলার পাহাড়তলী থানাধীন সকল সম্পত্তি আমি খরীদ করিয়াছিলাম। উক্ত সম্মত্তি হইতে কিছু অংশ সম্মত্তি আমার স্ত্রী সুরমা আক্তারের নামে গত ৩০/০৯/২০১২ ইং তারিখে চট্টগ্রাম সদর রেজিষ্ট্রি অফিসে রেজিষ্ট্রিকৃত -৩৬৭২ নং বিক্রয় কবলা মূলে অর্পন করিয়া তাহার নামে বিএস খতিয়ান চূরান্ত প্রচার করি। উক্ত সম্মত্তির হাল সন পর্যন্ত সরকারী খাজনা প্রদান করিয়াছি। উক্ত সম্মত্তি নিয়ে গোপাল কৃঞ্চ ধর মারা যাওয়ার পর শিমুল ধর কু-মতলবে হয়রানীর উদ্দেশ্যে মাননীয় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব আদালত) চট্টগ্রামে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করিলে উক্ত অভিযোগ মিথ্যা হিসেবে গত- ০৪/১২/২০১৬ ইং তারীখে খারিজ করেছেন। পরবর্ত্তীতে শিমুল ধর আমাকে হয়রানীর মানসে চট্টগ্রাম যুগ্ন জিলা জজ ২য় আদালত। চট্টগ্রামে আরো একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। যাহা অপর ২৪৭/২০১৩ ইং উক্ত মিথ্যা মামলা দায়ের করার হইতে অদ্য পর্যন্ত শুধু সময় চেয়ে কালক্ষেপন করছেন। শিমুল ধর বর্তমানে পাহাড়তলী থানায় সেই স্বর্নের দোখানটি পরিচালনা করেন তাও আমার নিকট তার পিতার সম্মত্তি বিক্রয়ের অর্থে গড়া,শিমুল ধরের সহিত আমার কোন প্রকার সম্পর্ক বা শত্রুতা নেই ও ছিলনা। আমি মুসলমান হওয়ার সুবাদে তাকে কোন কথা বলিলে সে মুসলমান দ্বারায় হয়রানী হচ্ছে বলে সমলোচনা করার ভয়ে আমি তার সাথে কোন কথাও বলিনি। শিমুল ধর আমার বিরুদ্ধে পাহাড়তলী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করিলে উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানা হইতে আমাকে বৈঠকের জন্য উপস্থিত হওয়ার কথা বলায় গত ১১/১০/২০১৮ ইং তারিখে রাত ৭ ঘটিকায় আমি পাহাড়তলী থানায় উপস্থিত হই এবং শিমুল ধরের অভিযোগের দায়েত্বে থাকা এস.আই অর্নব বড়য়ার সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে থানায় বসতে বলিলে তার কিছুক্ষন পর দেখি শিমুল ধরকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তখন জানতে পারলাম শিমুল ধর মানুষ হত্যা করেছে। উক্ত খুনের ঘটনার বিষয়ে ঐ দিন দেশের সকল টিভি চ্যানেলে এবং তার পরদিন সকল পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। ঐ সংবাদেও উল্লেখ রয়েছে ঐ দিন থানায় আমার সাথে বৈঠক ছিল। অথচ গত ০৯/১১/২০১৮ ইং তারিখে তার মা ও তার স্ত্রী শিপ্রা ধরস হ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সাংবাদিকদের সাথে প্রতারনা করেছেন। যাহা সম্পূর্ন বে-আইনি। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আমাকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্য সম্পূর্ন অবান্তর মিথ্যা,উদ্দেশ্যপ্রনোদিত,মানহানিজনক। আমি উক্ত বক্তব্যর তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নিবেদক : আবুল খায়ের
সিতাকুন্ডকে নিয়ে আমি উন্নয়নের সপ্ন দেখি
ফয়সাল হাছাস,চট্টগ্রাম : আমি সিতাকুন্ডের ব্যবসায়ীক পরিবারের সন্তান। সিতাকুন্ড এলাকায় আমাদের পরিবারের পক্ষথেকে বেশ কিছু স্কুল,কলেজ,মসজিদ,মাদ্রাসা স্থাপন করেছি। অসহায়দের সাধ্যমত সহায়তা করছি। আমার এলাকায় আমি নির্বাচিত হওয়ার পরে খুন,ঘুম,ছিনতাই,রাহাজানী বন্ধ করেছি। সব সময় ন্যায়ের পক্ষে কাজ করেছি। আমি এখনো সিতাকুন্ডকে নিয়ে উন্নয়নের সপ্ন দেখি। এই নির্বাচনে আমি আবারো জয় হলে আমার নির্বাচনি এলাকার অসম্পূর্ন কাজ গুলো আমি সমাপ্ত করবো। কথা গুলো বলেন, বর্তমান চট্টগ্রাম ০৪ সিতাকুন্ড আসনের সংসদ ও আওয়ামীলীগের ২য় বারের মতো মনোনিত সংসদ পদপ্রার্থী আলহাজ্ব দিদারুল আলম (এমপি.) আজ ৫ই ডিসেম্বর মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ সংস্থার কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে আলহাজ্ব দিদারুল আলম এম.পির সাথে তার বাসভবনে এক সৈজন্য সাক্ষাতকালে তিনি এই কথা বলেন। তিনি বলেন,আমার কোন লোভ লালসা নেই। আমার একটাই ইচ্ছা,সেটি হচ্ছে জনগনের সেবা করা। তাই আমি ২য় বার উক্ত আসনের প্রার্থী হয়েছি। আমি আপনাদের মাধ্যমে সকলের কাছে দোয়া চাই। এই সময় সংস্থার কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী,উপদেষ্টা কাজী আলতাপ হোসেন,চট্টগ্রাম জেলার চেয়ারম্যান লোকমান আলী,মহাসচিব মৃদুল মজুমদার,মহানগর চেয়ারম্যান এম.এ.নুরনবী চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সংস্থার জেলার মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সবিতা রানি বিশ্বাস,মিলি চৌধুরী,সাংগঠনিক সচিব জুয়েল বড়য়া,আইন বিষয়ক সচিব এডভোকেট মোঃ জিয়া উদ্দিন,মহানগরের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মোঃ তছলিম কাদের চৌধুরী জেলা যুগ্ন মহাসচিব সাইফুল ইসলাম,প্রচার ও প্রকাশনা সচিব সুজন আশ্চার্য্য,নিবার্হী সদস্য আব্দুল মালেক,সদস্য মোঃ হারুন প্রমুখ। সাক্ষাতকালে এমজেএফ নেতৃবৃন্দ ফুলেল নৌকা দিয়ে সংস্থার উপদেষ্টা বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব দিদারুল আলমকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
চট্টগ্রামের পটিয়ায় ঠিকাদারি নিয়ে দ্বন্দ্ব,স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা খুন
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন আকবরকে (৩৫) ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার কোলাগাঁও টেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলছে, ঠিকাদারি নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহত জামাল উদ্দিন আকবর কোলাগাঁও ইউনিয়নের আলাউদ্দিন দফাদার বাড়ির মৃত ইয়াছিন আলীর ছেলে। তিনি পটিয়ার আওয়ামী লীগ নেতা সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কোলাগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি বুলবুল হোসেন জানান, প্রজন্ম লীগের সভাপতি শাহীন মোল্লা ও তাঁর সহযোগীরা উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে জামালকে খুন করেছে। তারা এর আগেও একাধিক অপরাধ করে পার পেয়ে গেছে। পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. নেয়ামতউল্লাহ জানান, সোমবার রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে কোলাগাঁও টেক এলাকায় জামালকে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ওসি আরো বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতরাও দলীয় রাজনীতিতে যুক্ত। তবে ব্যবসায়িক বিরোধে হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, কোলাগাঁও এলাকায় জাহাজ নির্মাণ কারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে মালামাল সরবরাহ নিয়ে শাহীন মোল্লার সঙ্গে আকবরের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধে দুই বছর আগে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক বাহাদুরকে একইভাবে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছিল। ওই মামলায় জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে খুনিরা একই সংগঠনের সভাপতিকে একই কায়দায় হত্যা করল। এ হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
ব্যাংক খাত দুর্বল, এই কথা একদমই সঠিক নয়: মুহিত
অনলাইন ডেস্ক: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, ব্যাংক খাত অনেক দুর্বল হয়ে গেছে এই কথা একদমই সঠিক নয়। তিনি বলেন, এ খাতে অনেক অসুবিধা ও অক্ষমতার বিষয় রয়েছে। যেকোনো দেশের ব্যাংক খাতেই এসব সমস্যা থাকে। সময় মতো সমস্যাগুলোকে ঠিক করে নেওয়াও সম্ভব। তবে দুর্বল এটি সঠিক কথা নয়। আজ রোববার রাজধানীর তোপখানা রোডে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট মিলনায়তনে এক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, একটা সময় সোনালী ব্যাংক সবচেয়ে বড় ব্যাংক ছিল, সেই অবস্থান এখন নেই। অনেকই বলতে চান, ব্যাংকিং খাত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং এটাকে একটি দুর্বল খাত হিসেবে অনেকেই বিবেচনা করে। আরেকটি কথা বলা হয়, আমাদের এখানে ব্যাংকের সংখ্যা অনেক বেশি। এছাড়া সবচেয়ে বড় সমালোচনা আছে ঋণ নিয়ে। ১০টি সরকারি ব্যাংক নিয়ে এই সমস্যার কথা বলা হয়। আর বেসরকারি ব্যাংকের বিষয়ে বলা হয় বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালক অন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে থাকেন। তিনি তার ব্যাংক থেকে কোনো ঋণ নেন না। এই বিষয়টা নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কষ্টকর। তবে এসব সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আমাদের উপায় বের করতে হবে। তিনি বলেন, ব্যাংকের মার্জার ঠিক রাখতে আইন রয়েছে। কিন্তু সেটি দুর্বল। আইনে যা আছে সেটি আমার কাছে উপযুক্ত বলে মনে হচ্ছে না। এটা ঠিক করতে আপানাদের (ব্যাংকার) কোনো পরামর্শ থাকলে আমাকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জানাবেন। আমি সংস্কার করার চেষ্টা করব। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, বাংলাদেশ বাংকের গভর্নর ফজলে কবির প্রমুখ।
আমি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছি :অর্থমন্ত্রী
অনলাইন :অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, আমাদের ভোটাররা সচেতন। তারা যে ভুল করবে না, সে ব্যাপারে আমি খুবই নিশ্চিত। তারা নিজের পায়ে কুড়াল মারবে না। আমি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছি। সোমবার রাতে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিঅার) ট্যাক্স কার্ড ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ২০১৭-১৮ করবর্ষের জন্য ৬৫৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শীর্ষ করদাতা হিসেবে নির্বাচিত করে এনবিআর। গত ১ নভেম্বর এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়। ৩৬ ক্যাটাগরিতে কেন্দ্রীয়ভাবে সেরা ১৪১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে ট্যাক্স কার্ড তুলে দেয়া হয় এ অনুষ্ঠানে। এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান ও এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন। অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, আমাদের যে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আছে তার তুলনায় বাজেটের আকার ২৩ থেকে ২৪ শতাংশ করা গেলে বিরাট পরিবর্তন আসবে। এখনো চেষ্টা করছি। এটা করতেই থাকবো। অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, এনবিঅার করদাতাদের উদ্বুদ্ধ করতে যে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার এতে স্বাগত জানায়। এতে করে কর প্রদান অারও সহজ ও গ্রহণযোগ্য হবে। বিশেষ সম্মাননা ক্যাটাগরিতে সেরা করদাতা সম্মাননা পেলেন পেয়েছেন একুশে টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রধান সম্পাদক মনজুরুল আহসান বুলবুল। সাংবাদিক ক্যাটাগরিতে সেরা করদাতা হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক ও প্রকাশক মতিউর রহমান, ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম, চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদীর সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল মালেক, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম ও চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ। সিনিয়র সিটিজেন ক্যাটাগরিতে ট্যাক্স কার্ড পেয়েছেন গোলাম দস্তগীর গাজী, তপন চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার বদরুল হাসান, স্যামুয়েল এস চৌধুরী ও অনিতা চৌধুরী। অন্যদিকে তরুণ ক্যাটাগরিতে কার্ড পেয়েছেন গাজী গোলাম মর্তুজা, নাফিস সিকদার, মো. আমজাদ খান, মো. হাসান ও মো. জুলফিকার হোসেন মাসুদ রানা। গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ক্যাটাগরিতে কার্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন লে. জেনারেল (অব.) আবুল সালেহ মো. নাসিম, মো. নাসির উদ্দিন মৃধা, ইদ্রিস আলী মিয়া, এস এম আবদুল ওয়াহাব ও মো. আতাউর রউফ। প্রতিবন্ধী ক্যাটাগরিতে কার্ড পেয়েছেন সুকর্ণ ঘোষ, কাজী আখতার হোসেন ও ডা. মামুনুর রশিদ। নারী ক্যাটাগরিতে কার্ড পেয়েছেন রুবাইয়াত ফারজানা হোসেন, রত্না পাত্র, পারভীন হাসান, নিশাত ফারজানা চৌধুরী, মাহমুদা আলী শিকদার। ব্যবসায়ী ক্যাটাগরিতে কার্ড পেয়েছেন মো. কাউছ মিঞা, মো. নুরুজ্জামান খান, কামরুল আশরাফ খান, সৈয়দ আবুল হোসেন ও আবদুল কাদির মোল্লা। বেতনভোগী ক্যাটাগরিতে এই কার্ড পেয়েছেন লায়লা হোসেন, মো. ইউসুফ, হোসনে আরা হোসেন, খাজা তাজমহল, এম এ হায়দার হোসেন। পেশাজীবীদের মধ্যে চিকিৎসক ক্যাটাগরিতে অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল হক, অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, ডা জাহাঙ্গীর কবির, অধ্যাপক ডা. মো. নূরুল ইসলাম ও ডা. এন এ এম মোমেনুজ্জামান; আইনজীবী ক্যাটাগরিতে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, আহসানুল করিম, অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম, কাজী মো. তানজীবুল আলম ও ব্যারিস্টার নিহাদ কবীর; প্রকৌশলী ক্যাটাগরিতে মো. আনোয়ার হোসেন, হাফিজুর রহমান ও হামিদুল হক; স্থপতি ক্যাটাগরিতে ফয়েজ উল্লাহ, হাসান সামস্ উদ্দীন ও ইকবাল হাবিব এবং অ্যাকাউন্ট্যান্ট ক্যাটাগরিতে মোক্তার হোসেন, এ বি এম লুৎফুল হাদী ও বিমলেন্দু চক্রবর্তী এই ট্যাক্স কার্ড পেয়েছেন। নতুন করদাতা হিসেবে ট্যাক্স কার্ড পেয়েছেন মনিকা রফিকুলোভনা, তাফিজুল ইসলাম পিয়াল, রানা মালিক, ছিয়াতুন নেছা, সেলিনা আক্তার, সাইফুল ইসলাম ও রাসেল রায়; খেলোয়াড় ক্যাটাগরিতে সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও মাশরাফি বিন মর্তুজা; অভিনেতা-অভিনেত্রী ক্যাটাগরিতে মাহফুজ আহমেদ, এম এ জলিল অনন্ত ও এস এ আবুল হায়াত; শিল্পী ক্যাটাগরিতে তাহসান রহমান খান, রুনা লায়লা ও এস ডি রুবেল এবং অন্যান্য ক্যাটাগরিতে সদর উদ্দিন খান, আবু মো. জিয়াউদ্দিন খান ও নজরুল ইসলাম মজুমদার পেয়েছেন ট্যাক্স কার্ড। এর বাইরে প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ব্যাংকিং খাতে ইসলামী ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, দি হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন লি. (এইচএসবিসি), সাউথইস্ট ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক। অ-ব্যাংকিং আর্থিক খাতে আইডিএলসি ফাইন্যান্স লি, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লি. ও উত্তরা ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লি। টেলিযোগাযোগ খাতে গ্রামীণফোন, প্রকৌশল খাতে বিএসআরএম স্টিলস লি, পিএইচপি কোল্ড রোলিং মিলস লি, পিএইচপি নফ কন্টিনিউয়াস গ্যালভানাইজিং মিলস লি। খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে নেসলে বাংলাদেশ লি., অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লি., ট্রান্সকম বেভারেজেস লি.। জ্বালানি খাতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি., সিলেট গ্যাস ফিল্ড লি., শেভরন বাংলাদেশ ব্লকস থারটিন অ্যান্ড ফোরটিন লি.। পাট শিল্প খাতে জনতা জুট মিলস লি., সুপার জুট মিলস লি., ওআইয়ান জুট মিলস লি. এবং স্পিনিং ও টেক্সটাইল খাতে কোটস বাংলাদেশ লি., এপেক্স টেক্সটাইল প্রিন্টিং মিলস লি., বাদশা টেক্সাটাইল লি., স্কয়ার টেক্সটাইল লি., এনভয় টেক্সটাইল লি., ফখরুদ্দিন টেক্সটাইল মিলস লি., স্কয়ার ফ্যাশান ইয়ার্নস লি. পেয়েছে ট্যাক্স কার্ড। প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে আরও ট্যাক্স কার্ড পাওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাতে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লি., স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস লি., রেনাটা ফার্মাসিউটিক্যালস লি., ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লি.। প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক মিডিয়া খাতে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লি., ট্রান্সক্রাফট লি., মিডিয়া ওয়ার্ল্ড লি. ও মিডিয়া স্টার লি.। আবাসন খাতে স্পেসজিরো লি., বে ডেভেলপমেন্টস লি. ও স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লি.। চামড়া শিল্প খাতে বাটা সু, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার ও লালমাই ফুটওয়্যার। তৈরি পোশাক শিল্প খাতে রিফাত গার্মেন্টস লি., জিএমএস কম্পোজিট, দ্যাটস ইট স্পোর্টস ওয়্যার, ফোর এইচ ফ্যাশন, কেডিএস গার্মেন্ট, অ্যাপেক্স লেনজারি এবং অন্যান্য খাতের মধ্যে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, মেটলাইফ, লাফার্জহোলসিম ও নিটল মোটরস লি.। এছাড়াও ফার্ম ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন মাইক্রোটেক করপোরেশন, এস এন করপোরেশন, ওয়ালটন প্লাজা ও এ এস বি এস ট্যাক্স কার্ড পেয়েছে। সম্মাননা হিসেবে পাওয়া ট্যাক্স কার্ডের মেয়াদ থাকবে এক বছর। কার্ডপ্রাপ্তরা বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্রীয় সুবিধা পাবেন। কার্ডধারীরা রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণসহ সড়ক, বিমান ও নদীপথে ভ্রমণে অগ্রাধিকারভিত্তিতে টিকেট পাবেন। একইসঙ্গে হোটেল-রেঁস্তোরায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা পাবেন। তারা সুযোগ পাবেন বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের। ট্যাক্স কার্ডধারী ব্যক্তি ও তার পরিবার চিকিৎসায় হাসপাতালে অগ্রাধিকারভিত্তিতে শয্যা সুবিধা পাবেন।
সবজির দাম বেশি চড়া
অনলাইন ডেস্ক :বাজারে সবজির দাম বেশি চড়া। তার সঙ্গে বাড়তি ডিমের দামও। ফলে নিম্নবিত্ত আয়ের মানুষদের জীবিকা নির্বাহে হিমশিম খেতে হচ্ছে। মূলত দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যার প্রভাব পড়েছে রাজধানীর সবজি বাজারে। বড় বাজারের তুলনায় ছোট বাজারে দাম বেশি বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, যেসব এলাকায় সবজি চাষ হয়, সেসব এলাকায় বন্যার কারণে সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। তাই বাজারে সবজির দাম বাড়তি। ক্রেতারা বলছেন, বন্যার দোহাই দিয়ে সবজির দাম বাড়িয়ে তুলছে বিক্রেতারা। ফলে জীবন বাঁচাতে যতটুকু বাজার করা দরকার ততটুকুই করছেন বেশির ভাগ মানুষ। শুক্রবার রাজধানীর কাঁঠালবাগান, কারওয়ান বাজার ও হাতিরপুল বাজারে গিয়ে বর্ষার হরেক রকম সবজি দেখা যায়। এসব সবজির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, বর্ষায় কাঁকরোল, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, পটোল, ঢ্যাঁড়স, কচু মুখি, কচুর লতি, চালকুমড়া পাওয়া যাচ্ছে। কারওয়ান বাজারের খুচরা বাজার, হাতিরপুল ও কাঁঠালবাগান বাজারে ঝিঙা ও ধুন্দলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি, আর পটল ২৫ থেকে ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ও করলার কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ২৫ টাকা, কাঁকরোল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকা, শসা ২৫ থেকে ৩০ টাকা, কচুর লতি ২০ থেকে ৪০ টাকা, কচুর ছড়া বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। এছাড়া মরিচের দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। প্রতি কেজি প্রকার ভেদে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজির দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, বাজারে মাল কম আসে, বন্যায় খেত ডুইবা গেছে। সরবরাহ বাড়লে দাম কমব। বাজার ঘুরে দেখা যায়, ডিমও বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। ডিম ভেদে প্রতি ডজনের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। ব্রয়লার মুরগির ডিম প্রতি ডজন ৯৫ টাকায়, দেশি মুরগির ডিম ১৪০ টাকা এবং হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। মাছ ও মাংসের দাম বেশ চড়া। প্রতিকেজি মাংসে ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আর মাছ ভেদে বেড়েছে ২০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। এ বাজারে গরুর মাংস প্রতিকেজি ৫২০ টাকা, খাসির মাংস ৮০০ টাকা, মুরগি ব্রয়লার ১৬০ টাকা, লেয়ার ২৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি রুই ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাঙাস ১৪০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৮০ টাকা, চিংড়ি ৬০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাংলাদেশের উন্নয়নে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী ফরাসি ব্যবসায়ীরা
অনলাইন ডেস্ক :ফরাসি ব্যবসায়ী ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের বর্তমান উন্নয়নে অংশগ্রহণ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রশংসা করে তারা বলেছেন, এদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ যথেষ্ট ভাল এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো। প্যারিসে এমইডিইএফ ইন্টারন্যাশনাল-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-ফ্রান্স বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক: সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। এমইডিইএফ ইন্টারন্যাশনাল-এর পরিচালক গেরাল্ডিন লিমনের সভাপতিত্বে সেমিনারে ফ্রান্সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। ফ্রান্সের বড় এবং মাঝারি আকারের ১৪ টি কোম্পানির প্রধান নির্বাহীগণ আলোনায় অংশ নেন।এছাড়াও ইউরোপ এবং বিদেশ বিষয়ক ফ্রান্সের মন্ত্রণালয় এবং ফ্রান্সের উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিগণও উপস্থিত ছিলেন। গেরাল্ডিন লিমন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফ্রান্সের উদ্যেক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণের কথা স্বরণ করে বলেন,২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফ্রান্স সফরের সময় এমইডিইএফ ইন্টারন্যাশনাল-এর প্রতিনিধিদের সাথে বাবসায়িক সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন,ফরাসি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের সুদৃঢ় প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক অগ্রগতির নিবিড়ভাবে অনুসরণ করে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরো জোরালোভাবে অংশগ্রহণ করতে চায়। মূলপ্রবন্ধে রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের বিশেষত বিদ্যুৎ ও বিদ্যুৎ উৎপাদন,অবকাঠামো উন্নয়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,স্বাস্থ্য,শিক্ষা ও নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে স্থিতিশীল অগ্রগতি অর্জণ করেছে।তিনি বলেন,গত এক দশকে দেশে ৬ দশমিক ৬ শতাংশেরও বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করেছে এবং গত অর্থবছরে এ হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশেরও বেশি। ভিশন ২০২১ ও ভিশন ২০৪১-এর উলে¬খ করে রাষ্ট্রদূত বলেন,বাংলাদেশ ইতিমধ্যে এই ভিশন অর্জনের পথে এগিয়ে গেছে । তিনি বলেন,ফ্রান্সের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে তাদের ব্যবসায় সম্প্রসারণের আহবান জানান। সেমিনারে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।বাসস
হঠাৎ করেই শেয়ারবাজারে লেনদেন ১১০০ কোটি টাকা
অনলাইন ডেস্ক :হঠাৎ করেই দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেনের পালে হাওয়া লেগেছে। প্রায় ৮ মাস পর মঙ্গলবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) হাজার কোটি টাকার ওপরে লেনদেন হয়। আর বুধবার লেনদেন আরও বেড়ে ১১শ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে, যা গত বছরের ২০ নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ। লেনদেনের এমন উলম্ফনের দিন ডিএসই ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচক বেড়েছে। তবে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। আবশ্য লেনদেনের শুরুতে সূচকের বড় উত্থানের সঙ্গে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকেনি।বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমলেও এদিন ব্যাংক খাতের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বেড়েছে। ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ব্যাংক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২৩টিরই শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৫টির।তবে ব্যাংক খাতের এ প্রভাব পড়েনি অন্য খাতের ওপর। ফলে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে ১৫৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম আগের দিনের তুলনায় কমেছে। বিপরীতে বাড়ার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ১৫৩টি। আর ৩১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।অবশ্য শুরুতে লেনদেনে অংশ নেয়া সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ে। ফলে প্রথম দেড় ঘণ্টার লেনদেনে ডিএসইর প্রধান সূচক প্রায় ১০০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। কিন্তু শেষ ঘণ্টায় একের পর এক প্রতিষ্ঠানের দাম কমতে থাকে। তবে কিছুটা ব্যতিক্রম থাকে ব্যাংকগুলো।ফলে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩৭৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দুটি মূল্যসূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় ৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯১৫ পয়েন্টে অবস্থা করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২৬৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিকে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম কমার দিনে ডিএসইতে চলতি বছরের সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে। বুধবার বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ১১৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এর আগে গত বছরের ২০ নভেম্বর ডিএসইতে ১ হাজার ১৫৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়। এর পর গত ৮ মাসের মধ্যে বাজারটিতে আর ১১শ কোটি টাকার ওপরে লেনদেন হয়নি।লেনদেনের এমন রেকর্ডের দিনে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বসুন্ধরা পেপারের শেয়ার। কোম্পানিটির ৩৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা পেনিনসুলা চিটাগাংয়ের ৩৪ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ৩২ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আরএসআরএম স্টিল। লেনদেনে এরপর রয়েছে- বিবিএস কেবলস, বেক্সিমকো, লিগাসি ফুটওয়্যার, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন, মিরাকেল ইন্ডাস্ট্রিজ, কনফিডেন্স সিমেন্ট এবং ব্র্যাক ব্যাংক।অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএসসিএক্স ৫৫ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ৬৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৫৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১০টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১২২টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির। ফোকাস বাংলা নিউজ

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর