চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
২১জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর ইপিজেড এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে মোবারক হোসেন (২৫) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল চারটায় ইপিজেড থানার ফ্রি-পোর্ট এলাকায় এস এ পরিবহন কাউন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ইপিজেড থানার পরির্দশক (তদন্ত) মো. ওসমান গণি জানান, চলতি পথে এক দুর্বৃত্ত হঠাৎ মোবারক হোসেনকে পেটে ও গলায় ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের ফরেনসিক মর্গে পাঠিয়েছি। তবে কি কারণে তাকে খুন করা হয়েছে তা তদন্তে জানা যাবে। চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরির্দশক মো. জহিরুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ইপিজেড থানার পুলিশ মোবারক হোসেনকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। বর্তমানে তার হিমঘরে রাখা হয়েছে।
পোর্ট সিটি ইউনিভার্সিটির ট্রাস্ট ও সিন্ডিকেট সভা
২০জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সভাকক্ষে গতকাল ৩২তম ট্রাস্ট এবং ১৯তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও পোর্ট সিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এ কে এম এনামুল হক শামীম এমপি উপস্থিত ছিলেন। সভায় ভার্সিটির অর্থ কমিটি কর্তৃক উপস্থাপিত ২০১৯-২০ অর্থ বছরের ৩৮ কোটি ৭৯ লাখ ৬০ হাজার টাকার বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চেয়ারম্যান জহির আহম্মদ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য তাহমিনা খাতুন, ইস্পিতা আশরাফী হক, প্রফেসর ড. এম. মজিবুর রহমান, মো. মিজানুর রহমান, এহসানূল হক রিজন, ড. আশরাফুল হক, উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নূরল আনোয়ার, ইউজিসি কর্তৃক মনোনীত সিন্ডিকেট সদস্য ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডীন প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার মফজল আহমেদ, রেজিস্ট্রার মো. ওবায়দুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. সেলিম হোসেন, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সভাপতি ড. রাজিব চক্রবর্তী, ইংরেজি বিভাগের সভাপতি রায়হানা ফাতেমা চৌধুরী প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
বার কাউন্সিল পরীক্ষা পদ্ধতি সংশোধনের দাবি
১৯জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চিটাগং লইয়ারস এন্ড ল স্টুডেন্টস সোসাইটির (সিএলএলএসএস) মানববন্ধন গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিএলএলএসএসের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে সংগঠনের সভাপতি অ্যাড. কেআরএম খাইরুদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী হিরুর সভাপতিত্বে প্রচার-প্রকাশনা ও গণমাধ্যম সম্পাদক জয়ন্ত তালুকদারের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. পল্টন দাশ। আরো বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি অ্যাড. মো. ইমরান অ্যাড. সুদীপ্ত বিশ্বাস, অ্যাড. সুব্রত শীল রাজু, অ্যাড. সামাদ হোসেন জুয়েল, সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. হাসান আলী রোমান, অ্যাড. ফিরোজ উদ্দীন তারেক, অ্যাড. মাহামুদুল হক সোহেল, অর্থ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ শাকিল, অ্যাড. এইচ এম নাওশাদ আলী, মো. সাইসুফ ইসলাম, মো. আখতার হোসাইন, রাজীব ভট্টাচার্য্য। উপস্থিত ছিলেন ব্লার সভাপতি অ্যাড. সুলতান মহিউদ্দিন জনি, অ্যাড. সাদিকুল হক ফরিদি, সৈয়দ নাদিমুল আহাসান, সমিত চক্রবর্তী (অমিত), অনিক হাওলাদার, মো. আবুল আহাদ, নাজমুল হোসেন রাসেল, মো. আব্বাস আলী খান জাবেদ, সাইফুল ইসলাম, শামিমা আকতার, রাজেশ বড়ুয়া, অভিরাজ খাস্তগীর, আসিফ ইকবাল, রেহেনা আক্তার, আলাউদ্দীন সুমন প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, যেখানে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা গ্রেজুয়েশন শেষ করে ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার বলতে পারেন সেখানে একজন আইনের শিক্ষার্থী অ্যাডভোকেট হিসেবে পরিচয় দিতে পারে না। আইনের শিক্ষার্থীদের চার-পাঁচ বছর পড়াশোনা করেও আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষা দিতে আরো ২/৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়। যা খুবই হতাশাজনক। অ্যাডভোকেট হওয়া একজন আইন শিক্ষার্থীর স্বপ্ন। আর সে স্বপ্নের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তিন স্তর বিশিষ্ট পরীক্ষা পদ্ধতি। বক্তারা অচিরে এই তিন স্তর বিশিষ্ট পরীক্ষা পদ্ধতি সংশোধন করে বার কাউন্সিলের দীর্ঘসূত্রতা কমানোর দাবি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখী ব্যবহারে লাভবান হবে দুই দেশ
১৮জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীনের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশ। ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব লাভের পর চট্টগ্রামে এসে গতকাল সোমবার মেয়র দপ্তরে প্রথমেই সিটি মেয়রের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ভারতীয় এ কূটনীতিক। সিটি মেয়র নবনিযুক্ত হাইকমিশনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা এক অনবদ্য ইতিহাস। সমগ্র ভারতবাসী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তথা ভারত সরকার এবং বিএসএফ ও ভারতীয় সৈন্যদের কিংবদন্তি সাহায্য-সহযোগিতা ও আত্মত্যাগের সফল পরিণতি বাংলাদেশ। এমনকি সে সময়ে ভারত বাংলাদেশের প্রায় এক কোটি শরনার্থীকে আশ্রয় দিয়ে যে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছিল। বাংলাদেশের জন্য ভারতবাসীর এতটা ত্যাগ ও ভালোবাসা বিশ্বের ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা বলে তিনি উল্লেখ করেন। নবনিযুক্ত হাইকমিশনার চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা সম্পর্কে জানতে চাইলে সিটি মেয়র বলেন বিগত ১০ বছরে চট্টগ্রাম বন্দরে সক্ষমতা অনেকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বন্দরের সক্ষমতার জন্য প্রধান মন্ত্রী নিজেই উদ্যোগী হয়ে বৃহত্তর চট্টগ্রামের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বন্দরের সক্ষমতা আরো বৃদ্ধির জন্য বে-টামিন্যাল, কন্টেইনার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বর্তমানে বন্দরে যে সক্ষমতা আছে,তা দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে হাইকমিশনারকে অবহিত করেন। এই প্রসঙ্গে মেয়র বলেন প্রতিনিয়ত ১০ হাজার থেকে ১২ হাজার পরিবহন চট্টগ্রাম বন্দরের গমন-বর্হিগমন করে থাকে। চট্টগ্রাম পোর্ট কানেকটিং রোডই এর একমাত্র মাধ্যম। এই সড়কটি বন্দরের প্রবেশের একমাত্র মাধ্যম হলে ও অতীতে পরিকল্পিত ভাবে সড়কটি নির্মাণ করা হয়নি। বর্তমানে জাইকার অর্থায়নে পরিকল্পিতভাবে এই সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে বলে তিনি উপস্থিত হাইকমিশনারকে জানান। প্রসঙ্গক্রমে মেয়র বর্তমান সরকারের গৃহীত প্রকল্প মাতারবাড়ি ডিপ সি-পোর্ট, মিরাসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মানাধীন ট্যানেলসহ চট্টগ্রাম অঞ্চলে চলমান উন্নয়ন সর্ম্পকিত বিষয়াদিও আলোচনায় তুলে ধরেন। নবনিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাশ চট্টগ্রাম নগরকে গ্রীন ক্লিন রুপান্তরে সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দীন ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সম্ভাবনাময় এই চট্টগ্রাম। উন্নয়নের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম অনেকদূর এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশ উন্নয়ন এগিয়ে যাক ভারত সরকারও তা চায়। এতে ভারতের সহযোগিতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে পাশে থাকতে ভারত অঙ্গীকারবদ্ধ। বাংলাদেশকে ভারত সবসময় বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র হিসাবেই দেখে বলে দু দেশের জনগণের মধ্যেও বন্ধুত্বপুর্ণ আচরণ লক্ষ্য করা যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর শুধু বাংলাদেশের নয়, পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখি ও সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে এ অঞ্চলে শ্রমবাজার, কর্মসংস্থান, পুঁজি বিনিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং দু দেশের জনগণের আর্থিক উন্নতি ঘটবে। চট্টগ্রাম নগরীর জন্য ভারত সরকারের প্রদত্ত এলইডি প্রকল্প সম্পর্কে মেয়র বলেন, অতি শীঘ্রই এই প্রকল্প একনেকে অনুমোদিত হবে। এই প্রসঙ্গে মিস রিভা গাঙ্গুলী বলেন, দু দেশের বন্ধুত্বে নির্দশন হিসেবে নমনীয় ঋণ চুক্তির আওতায় চট্টগ্রামে এলইডি প্রকল্প উপহার দিয়েছেন ভারত সরকার। এটা ভারত সরকারে গ্রাউন্ড ওয়ার্ক। শুধুমাত্র ঘর-গৃহস্থালির কাজেই নয়, এলইডি বাল্বের সাহায্যে আলোকিত হবে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের পথ-ঘাটও। জ্বালানী সাশ্রয়ী এলইডি বাল্বের সাহায্যে অতিরিক্ত উৎপাদন খরচ এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব এবং পরিবেশ রক্ষাও সহায়ক বলে তিনি সিটি মেয়রকে জানান। এতে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জি, কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, চসিক প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম ও প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
এসিএইচআরএম-এ ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু
১৮জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর প্রফেশনাল ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড চেঞ্জ এর অধীনে অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট ইন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (এসিএইচআরএম) কোর্সে নতুন ব্যাচে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মানবসম্পদ পেশাজীবীদের সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটি ফর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্টের (বিএসএইচআরএম) সাথে যৌথ উদ্যোগে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর প্রফেশনাল ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড চেঞ্জ সীমিত আসনের এই বিশেষায়িত কোর্সটি পারিচালনা করছে। আগামী ১১ জুলাই পর্যন্ত এই কোর্সে ভর্তি কার্যক্রম চলবে। পেশাজীবী ও যেকোন বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারীরা এতে আবেদন করতে পারবে। ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর প্রফেশনাল ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড চেঞ্জ এর অধীনে বিশ্ববিদ্যালয় পেশাজীবীদের জন্য বিভিন্ন ধরণের শর্ট কোর্স, সার্টিফিকেট কোর্স এবং কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ট্রেনিংয়ের আয়োজন করে থাকে। পেশাজীবীদের সুবিধার্থে তিন মাস মেয়াদী এই কোর্সের ক্লাসসমূহ সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পরিচালিত হয়। ভর্তিতে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের সুবিধাও থাকছে। ইডিইউর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, বর্তমানে পেশাগত দক্ষতা অর্জনে ক্লাসনির্ভর জ্ঞানের পাশাপাশি বিশেষায়িত ও ব্যবহারিক জ্ঞান খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। এ গুরুত্ব আমরা বুঝি বলেই কর্পোরেট ইন্ডাস্ট্রিতে কর্মরতদের জন্য বিএসএইচআরএম-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে শুরু করেছি এই বিশেষায়িত প্রোগ্রাম। মানবসম্পদ পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রায়োগিক ও ব্যবহারিক জ্ঞানের সমন্বয়ে কোর্সটির কারিকুলাম তৈরি করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ড. শিরীণ আখতারের পুষ্পমাল্য অর্পণ
১৭জুন২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব প্রদান করায় গতকাল তিনি চবি বঙ্গবন্ধু চত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় চবি সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ, চবি বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন হলের প্রভোস্টবৃন্দ, বিভাগীয় সভাপতি, ইনস্টিটিউট ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালকব শিক্ষকবৃন্দ, প্রক্টর, অফিস প্রধানবৃন্দ, অফিসার সমিতি, কর্মচারী সমিতি ও কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে উপাচার্য দপ্তরের সভাকক্ষে সকলের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশ-জাতির উন্নয়ন-অগ্রগতি এবং কল্যাণ কামনাসহ মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পূর্বাহ্নে চবি উপাচার্য দপ্তরে পবিত্র খতমে কোরআন ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
সুর সপ্তকের সংগীতানুষ্ঠান
১৭জুন২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া স্মরণে সুর সপ্তক সংগীত বিদ্যাপীঠ আয়োজিত শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান ও সনদপত্র বিতরণ গত শনিবার নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যাপীঠের সভাপতি ডা. দুলাল কান্তি চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রাম কেন্দ্রের আঞ্চলিক পরিচালক এস এম আবুল হোসেন। আলোচক ছিলেন বিদ্যাপীঠের অধ্যক্ষ ওস্তাদ মাসুদ হোসেন ও সহ-সভাপতি মৃণালিনী চক্রবর্তী। পরে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে ইমন রাগের খেয়াল পরিবেশন করেন শিল্পী ছোঁয়া ভৌমিক, যোগ রাগের খেয়াল পরিবেশন শিল্পী তৃণা চৌধুরী, রাগ মধুবন্তী পরিবেশন করেন শিল্পী ফাল্গুনী বড়ুয়া, দরবারে রাগ পরিবেশন করেন ওস্তাদ মাসুদ হোসেন। যন্ত্রসংগীতে ছিলেন রাজীব চক্রবর্তী, প্রদীপ নন্দী, সৈকত দত্ত, নবনীতা চৌধুরী, প্রমিত বড়ুয়া, মিঠুন চক্রবর্তী, প্রিয়াংকা বড়ুয়া, সম্পদ বড়ুয়া, অমলেন্দু রাহা ও শ্যামল চন্দ্র দাশ প্রমুখ। শেষে সুমি চক্রবর্তীর পরিচালনায় দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন মধুবন্তী সংগীত নিকেতনের শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অরুণ ভদ্র। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
১৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন বন্ধুদের ঈদ সম্মিলনী
১৬জুন২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে এক জায়গায় মিলিত হলো ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন বন্ধুরা। শুধু বন্দরনগরী নয়, সুদূর ঢাকার বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের বন্ধু ঈদ আয়োজনে যোগদান করে। গানে গানে কেক কেটে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।হৃদয়ের টানে-বন্ধুদের সনে প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত ঈদ উৎসবে ১৯৯৮-২০০০ সাাল ব্যাচের (যারা ৯৮-তে এসএসসি এবং ২০০০- এ এইচএসসি পাস করেছে) ২৬৬ জন সহপাঠী বিশাল পরিসরে আনন্দ-উচ্ছ;াসে মেতেছিল। ১৪ জুন নগরীর সিআরবিতে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মো. রায়হান কাজেমির সার্বিক তত্ত্বাবধানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত সাবেক বন্ধুদের ঈদ সম্মিলনটি হয়ে উঠে প্রাণবন্ত। প্রাণ পায় দূরে থাকা-হারিয়ে যাওয়া বন্ধুত্ব। বর্ণাঢ্য আয়োজনের আহ্বায়ক ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মো. রায়হান কাজেমি জানান, এই গ্রুপের বর্তমান সদস্য প্রায় ১১ হাজার, যাতে সমগ্র বাংলাদেশের ১৯৯৮-২০০০ ব্যাচের স্টুডেন্টস অন্তর্ভুক্ত। প্রতিনিয়ত সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি হচ্ছে। তিনি জানান, চট্টগ্রামে ভিন্ন ভিন্ন স্কুলের কয়েকজন বন্ধু মিলে প্রাথমিকভাবে আলোচনা করে একটি ঈদ উৎসবের আয়োজন করা হয়। তাতে প্রথমবারেই অভূতপূর্ব সাড়া মেলে। ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে সবার আন্তরিক সহযোগিতা দরকার। গ্রুপের সদস্য হওয়া ৯৮-০০ ব্যাচের সবার জন্য উন্মুক্ত। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মহানগর যুবলীগ নেতা কাজী শামীম হাবীব রুবেল এবং সিডিএ কলেজের শিক্ষক মো. মাসুদ হোসেন রানা। ১৯ টি স্কুলের ২৫ জন প্রাক্তন ছাত্র স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন। প্রথমবারের ঈদ উৎসবে যারা সার্বিক সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন আহবায়ক হোসাইন রায়হান কাজেমি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
রোটারী ক্লাব কমার্শিয়াল সিটির সভা
১৬জুন২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চিটাগাং ক্লাব লিমিটেডে রোটারী ক্লাব অব চিটাগাং কমার্শিয়াল সিটির ২০১৯-২০ সালের প্রথম ক্লাব এসেম্বলি, ৩৫তম পাক্ষিক সভা এবং ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় প্রোগ্রাম প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান আফসারুল হকের সভাপতিত্বে গত ১৪ জুন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বর্তমান অ্যাসিসটেন্ট গভর্নর রোটারিয়ান রেজাউর রহমান খোকন, অ্যাসিস্টেন্ট গভর্ণরদ্বয় ডেজিগন্যাট রোটারিয়ান জাহিদা আক্তার মিতা এবং রোটারিয়ান মো. আমিন উল্লাহ মোরশেদ দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। বক্তারা বলেন, আমাদের আরো উদার হওয়া দরকার এবং মানুষের প্রয়োজনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পূরণ করার লক্ষ্যে ব্যাপক ভিত্তিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। এতে ২০১৯-২০ সালের জন্য বর্ষ পরিকল্পনা এবং বাজেট তুলে ধরেন প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান শাহিন আলম সরকার, সেক্রেটারী ইলেক্ট মো. সেলিম উদ্দিন এবং ট্রেজারার ইলেক্ট মো. আমজাদ হোসেন। বক্তব্য দেন, প্রেসিডেন্ট নমিনি রোটারিয়ান মো. ইউনুছ, পিএইচএফ, ভাইস প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটারিয়ান মো. ইছহাক, সেক্রেটারী রোটারিয়ান সৈয়দ ইরফানুল আলম, জয়েন্ট সেক্রেটারী ইলেক্ট রোটারিয়ান মোস্তাফা খুদরত-ই-ইলাহি, ডাইরেক্টর রোটারিয়ান নুরুল আমিন মজুমদার, রোটারিয়ান মো. ইকবাল হোসেন এবং রোটারিয়ান ইঞ্জিনিয়ার মো. ইউনুছ। উপস্থিত ছিলেন নবগঠিত রোটার‌্যাক্ট ক্লাব অব চিটাগাং কমার্শিয়াল সিটির প্রস্তাবিত রোটারেক্টর মো. আবরার আমিন সাঈম এবং মিনার। কর্মপরিকল্পনা এবং বাজেটের উপস্থিত সকলেই ভুয়সী প্রসংসা করেন এবং এর সর্বোচ্চ বাস্তবায়নে ক্লাবের সকলকে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান। বিশেষ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা, সেনিটারি ল্যাট্রিন স্থাপন এবং উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করা পর্যন্ত মেধাবী ছেলেমেয়েদের বৃত্তি প্রদান ইত্যাদি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর