আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কমপ্লেক্স করবে চিটাগং খুলশী ক্লাব
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দি চিটাগাং খুলশী ক্লাব লিমিটেডের ৫ম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত নগরীর ফয়স লেকস্থ নিজস্ব জায়গায় এ সভার আয়োজন করা হয়। এবারের সাধারণ সভায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর মধ্যে অন্যতম ছিল খুলশী ক্লাব কমপ্লেক্স স্থাপন করে ক্লাব সদস্যদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা। তার মধ্যে কনভেনশন হল, সুইমিংপুল, বার, স্পোর্টস জোন এবং একটি উন্নতমানের রেস্টুরেন্ট করা। এ সময় গত অর্থ বছরের সকল আয় ব্যয়ের হিসেব সম্পন্ন করা হয়। সাধারণ সভায় নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি আলোকপাত করা হয়। ক্লাব উন্নয়নের জন্য সর্বসম্মতি ক্রমে ১২শ থেকে ১৩শ নতুন সদস্য নেয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। এর আগে ক্লাবের বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ভাইস প্রেসিডেন্ট রফিক উদ্দিন বাবুল ভূঁইয়া। এ সময় তিনি ক্লাবের ভবিষ্যত উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। পরে প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন মিজানুর রহমান মজুমদার, আর্কিটেক্ট আলী আহসান মো. মুজাহিদ বেগ, কার্যনির্বাহী ও আপ্যায়ন কমিটির সদস্য আবু হাসনাত চৌধুরী প্রমুখ। হিমাদ্রী রাহার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অবসরপ্রাপ্ত কমোডর শওকত ইমরান, ওয়াহিদা মাসুক, হোসনে আরা নাজ, ওয়াহিদুজ্জামান বাবু, জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন আহমেদ, হোসাইন মো. শোয়াইব, আনোয়ার সাজ্জাদ লিপন, রাইসুল উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম, শিহাব মালেক, মিজানুর রহমান, এমদাদুল হক চৌধুরী, আলমাস শিমুল, আবু সাদাত মো. ফয়সাল, হাসনাত চৌধুরী প্রমুখ।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
পাথরঘাটা চসিক কলেজের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন
১২ ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাথরঘাটা সিটি কর্পোরেশন মহাবিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এ ভবনের উদ্বোধন করেন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে পাথরঘাটা সিটি কর্পোরেশন মহাবিদ্যালয়ের এ ভবন নির্মিত হয়। ৫ তলা বিশিষ্ট ৩৩ শত বর্গফুট বিশিষ্ট এই একাডেমিক ভবন নির্মাণে ব্যয় হয় ৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। এতে সমৃদ্ধ আইসিটি সুবিধাসহ ক্লাসরুম স্বতন্ত্র ফিজিঙ, ক্যামিস্ট্রি, বায়োলজি, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরী, মাল্টিপারপাস হল রুম, গালর্স কমন রুম, মেডিকেল রুম, মিটিং রুম, শিক্ষক রুম, টিচার্স কমন রুম, এডমিশন ও একাউন্ট সেকশন, ক্যান্টিন ও বাথরুম ব্লক রয়েছে। গতকাল সোমবার ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, ঝরেপড়া শিক্ষার্থী রোধে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন তাঁর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি বছর প্রায় সাত হাজার শিক্ষার্থীকে বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ দিচ্ছে। বর্তমান সরকারের ২০২১ ও ২০৪১ রূপকল্প বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল, সৃস্টিশীল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ বিশ্বমানের নাগরিক গড়ে তোলাই এর উদ্দেশ্য। নগরে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে মাত্র ৯টি। এই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়ম বহির্ভুত কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ নেই । ভর্তি হতে না পারলে একজন শিক্ষার্থী শিক্ষা জীবন থেকে ঝরেপড়ার সম্ভাবনা থাকে। সেই ক্ষেত্রে শিক্ষার আলোকবর্তিকা নিয়ে এগিয়ে এসেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে। এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষার্র্থী লেখাপড়ার সুযোগ পাচ্ছে। মেয়র বলেন, সরকারের বই বিতরণ কার্যক্রম ঝরে পড়া রোধে একটি বিরাট সাফল্য। আগে বাবা-মা কবে বই কিনে দেবে, সেজন্য শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়ায় বিলম্ব হতো। আর এখন বছরে প্রথম দিনেই সব শিক্ষার্থী বই পাচ্ছে। বইয়ের জন্য এখন আর চিন্তা করতে হচ্ছে না। শিক্ষার্থী ঝরেপড়া রোধে এখন প্রয়োজন শিক্ষক, অভিভাবক ও স্কুল পরিচালনা পর্ষদের আন্তরিকতা। শিক্ষকগণ যথাসময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন, পাঠ পরিকল্পনা ও উপকরণ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে যান এবং আকর্ষণীয়ভাবে পাঠদান করেন তাহলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া অনেকাংশে কমে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মেয়র বলেন, আলোকিত সমাজ গড়তে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শিক্ষিত জাতি গঠনে রাষ্ট্রের পাশাপাশি শিক্ষক সমাজসহ অভিভাবকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক অভিভাবক চান, তাদের সন্তান সুশিক্ষায় শিক্ষিত হোক। দেশ ও সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখুক। জাতির এই প্রত্যাশা পূরণে ছাত্র শিক্ষক ও অভিভাবকের সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন। কাউন্সিলর মো. ইসমাইল বালীর সভাপতিত্বে সভায় কাউন্সিলর লুৎফুনন্নেছা দোভাষ বেবী, চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, মো. জালাল উদ্দিন ইকবাল, পরিচালনা পর্ষদ সদস্য ফজলে আজিজ বাবুল বিশেষ অতিথি ছিলেন। অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফরহাদুর রহমান চৌধুরী শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। এসময় সফিকুর রহমান সিকদার, আবছার আহমদ, আশফাক আহমদ, আনিসুল হক, পুলক খাস্তগীর, সুমন, প্রকৌশলী মো. দিলদার হোসেন ও রবীন্দ্র-নজরুল একাডেমীর অধ্যক্ষ উপস্থিত ছিলেন। ভবন উদ্বোধন শেষে দেশ জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রাম সাংস্কৃতিক পরিষদের মিলন মেলা
১২ ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সাংস্কৃতিক পরিষদের সদস্যদের মিলনমেলা সম্পন্ন হয়েছে। কর্ণফুলী পেপার মিলস্থ অডিটরিয়ামে মিলনমেলা উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি মিলন মেলা উপলক্ষ্যে পেপার মিলের মতিউর রহমান মঞ্চে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি এসএম ফরিদুল হক। পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শহীদ ফারুকীর সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে স্ব স্ব ক্ষেত্রে অবদানের জন্য গুণীদের পরিষদের মনোগ্রাম খচিত ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়। সংবর্ধিতরা হলেন, নুরুল ইসলাম নুরু, উত্তম কুমার আচার্য্য, চিত্রনায়ক রোকন, এসএম. ফরিদুল হক, এসজিএস জহির উদ্দিন, মহসিন চৌধুরী, সরোজ আহমেদ, মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, বিশ্বজিৎ পাল, মিজানুর রহমান চৌধুরী বাবু, সাহাব উদ্দিন রাশেদ, সাইফ আজাদ, শাকিল আরাফাত। বক্তব্য দেন, পরিষদের কর্মকর্তা ও সংবর্ধিত গুণীজনরা। এরপর পরিষদের সদস্য বেতার টেলিভিশনের নিয়মিত শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন। এর আগে পরিষদের পুরুষ ও মহিলা সদস্যদের চেয়ার খেলা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। শেষে র;্যাফেল ড্রয়ে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারের বসন্ত মেলা ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু
১২ ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে আগ্রাবাদস্থ উইম্যান চেম্বারের সেমিনার হল ও চেম্বার আঙিনায় আয়োজন করা হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী বসন্ত মেলা। মেলা আয়োজন উপলক্ষ্যে গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বার কার্যালয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবিদা মোস্তফার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারের সদস্য সাবিহা নাহার বেগম এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হাসিনা মহিউদ্দিন। মেলা আয়োজনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য দেন, মেলা কমিটির চেয়ারপার্সন ও চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারের পরিচালক রেবেকা নাসরিন। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেসমিন আক্তার, পরিচালক কাজী তুহিনা আক্তার, নিশাত ইমরান, নূজহাত নূয়েরী কৃষ্টি, আমেনা ইসলাম কচি, রোজিনা আক্তার লিপি, মোস্তারী মোর্শেদ স্মৃতি প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
মানব সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে : লতিফ
১১ ফেব্রুয়ারী ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : স্বাধীনতা আন্ত:জেলা ঐক্য পরিষদের অঞ্চল ভিত্তিক কমিটি গঠনকল্পে মতবিনিময় সভা গত ৯ ফেব্রুয়ারি ইপিজেডস্থ আন্তঃজেলা ঐক্য পরিষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাধীনতা আন্তঃজেলা ঐক্য পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ লতিফ এম পি। স্বাধীনতা আন্তঃজেলা ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম লবণ শ্রমিক লীগের সভাপতি আব্দুল মতিন মাস্টারের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল হক শাহীনের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহাবুবুল হক মিয়া, ৩৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, ইপিজেড থানা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক হাজী হারুন অর রশিদ, ৩৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী শফিউল আলম, সাবেক কাউন্সিলর হাজী আসলাম, ইমতিয়াজ মেম্বার, আওয়ামী লীগ নেতা জাহেদুল ইসলাম মিন্টু, মোহাম্মদ সোহেল, ৪০নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, ৪১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দীন রাজু। বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা আন্ত:জেলা ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক মো: খবির উদ্দীন মাষ্টার, মো: শফিকুল ইসলাম, ফজলুল সরকার, হায়দার আলী, মো: নিজাম খান, পরিচালক আরিফুর রহমান সোহাগ, ফারুক আহমেদ ঢালি, শহিদুল ইসলাম লিটন, এস এম শাহজাহান, সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান সরদার, সদস্য কাঞ্চন মোল্লা, আবু সাঈদ, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু। এম.পি লতিফ বলেন, চট্টগ্রামে বসবাসরত ৬৩ জেলার সমপ্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের সংগঠন স্বাধীনতা আন্ত:জেলা ঐক্য পরিষদ। এ সংগঠনের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মানুষের সেবায় কল্যাণমূলক কাজ করা। মানব সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করা সংগঠনের মূল কার্যক্রম। সংগঠনের সদস্যরা সাংগঠনিক দক্ষতা দিয়ে সেবামূলক উক্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মানবসেবার সুযোগ গ্রহণ করবেন। ৩৮নং ওয়ার্ড ও ৩৯নং ওয়ার্ডের অঞ্চলভিত্তিক কমিটি গঠন প্রকল্পে উক্ত সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অনুষ্ঠান শেষে ফজলুল সরকারের উপস্থাপনায় লোকজ সংস্কৃতির অংশ পালা ও কবি গান পরিবেশন করেন ঢাকা থেকে আগত বাউল শিল্পী কল্পনা সরকার ও অন্যান্য শিল্পীবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের চকবাজার শাখা স্থানান্তর
১১ ফেব্রুয়ারী ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : উন্নততর সেবা প্রদানের প্রত্যয়ে নতুনভাবে সজ্জিত শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের চকবাজার শাখা রিদমা টাওয়ার, ১৩ কাপাসগোলা রোড, চকবাজার, চট্টগ্রামে স্থানান্তর করা হয়েছে। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের ভাইস-চেয়ারম্যান মোহাম্মদ গোলাম কুদ্দুছ প্রধান অতিথি হিসেবে গতকাল উক্ত শাখার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এম. শহীদুল ইসলাম। ২০০৯ সালের ২১ ডিসেম্বর ব্যাংকের চকবাজার শাখার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। গ্রাহকদের অধিকতর উন্নতর সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সু-পরিসর স্পেসে শাখাটিকে স্থানান্তর করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক প্রধান মোঃ নাসির উদ্দিন, সাধারণ সেবা বিভাগের প্রধান মোঃ মাহবুবুর রশীদ, আগ্রাবাদ শাখার ব্যবস্থাপক রাশেদ সারোয়ার, জনসংযোগ বিভাগ ও ব্যাংক ফাউন্ডেশনের প্রধান মোঃ সামছুদ্দোহা ও চকবাজার শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ সোয়েব ইসলাম চৌধুরী-সহ চকবাজার এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ গোলাম কুদ্দুছ বলেন, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে উন্নত সেবা প্রদান করায় প্রতিনিয়ত এ ব্যাংকের গ্রাহক ও শাখা সমপ্রসারিত হচ্ছে। ক্রমবর্ধমান গ্রাহক চাহিদা ও সমাজের সর্বস্তরের গ্রাহকদেরকে সেবা প্রদানই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে তুলনামূলক কম রেটে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক বিনিয়োগ সুবিধা প্রদান করছে। সার্বিক ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক আরো বেশি অবদান রাখতে চায় বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শহীদুল ইসলাম বলেন, গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে অধিকতর উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষে চকবাজার শাখাকে বৃহৎ পরিসরে স্থানান্তর করা হয়েছে। গ্রাহক সেবা আরো গতিশীল ও সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই শাখাটি স্থানান্তর করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে ব্যাংকের সমৃদ্ধি কামনা করে ব্যাংকের শাখা প্রাঙ্গণে পবিত্র কুরআন খতম, দরূদ এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
এপিক সালেহ সিয়েলো ফিয়েস্তার সফল সমাপ্তি
১১ ফেব্রুয়ারী ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : ফ্ল্যাট কিনতে আগ্রহী ক্রেতাদের ব্যাপক আশাব্যঞ্জক সাড়ার মাধ্যমে শেষ হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপি এপিক সালেহ সিয়েলো মেলা। কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকায় অনুষ্ঠিত এপিক সালেহ সিয়েলো মেলায় ফ্ল্যাট বুকিং হয়েছে আশার চেয়েও বেশি। এই প্রজেক্টটি ঐ এলাকার জন্য সেরা প্রজেক্ট বলে দাবি এপিকের বিক্রয়কর্মীদের। কারণ সুইমিংপুলসহ জীবনযাপন এর আধুনিক সব বিলাসবহুল সুবিধা বিদ্যমান এবং পাচলাইশ আ/এ, সুগন্ধা আ/এ, চকবাজারসহ চট্টগ্রামের যেকোন লোকেশনে অতি দ্রুত যোগাযোগ করা যাবে এই প্রজেক্ট থেকে। নতুন বছরের সেরা অফার নিয়ে শেষ হওয়া মেলাতে ভিড় করেছিল নানা পেশার মানুষ। শিক্ষক, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী, আইনজীবী, প্রকৌশলী, ব্যাংকারসহ প্রবাসী পরিবারগুলোও এসেছে পাঁচ দিনের ওই মেলায়। ৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে গতকাল ১০ ফেব্রুয়ারি মেলাটি শেষ হয়। এপিক সালেহ সিয়েলো ফিয়েস্তা শেষ হলেও মেলার পরে আকর্ষনীয় অফার পেতে ১৫ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে যোগাযোগ করা যাবে ০১৯৩৯৬৬৬২২২ নম্বরে। অন্যান্য লোকেশনগুলোর মধ্যে রেডি ও নির্মাণাধীন আবাসিক ও বানিজ্যিক প্রকল্পস্থান গুলো হচ্ছে ইস্পাহানি হিলস, কাতালগঞ্জ, নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি, আসকারদিঘী পাঁড়, লালখান বাজার, চট্টেশ্বরী রোড,চন্দনপুরা, সিরাজউদ্দৌলা রোড,চাঁদগাও আ/এ, ফিরিঙ্গিবাজার, কালামিয়া বাজার। ঢাকার রামপুরা, কাওরানবাজার, বসুন্ধরা আ/এ-ও আছে আকর্ষণীয় প্রকল্পসমূহ। এপিক প্রপার্টিজ এর সেলস এন্ড মার্কেটিং এর এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা বছরের বেশ কয়েকটি সময়ে ফিয়েস্তা মেলা করে থাকি। প্রত্যেকটি মেলাতে ফ্ল্যাট ক্রেতা দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে। গ্রাহকরা চায়, নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী সামর্থ্যর মধ্যে একটি মানসম্পন্ন ফ্ল্যাট। এপিক সবসময় গ্রাহকদের সেই চাহিদা পূরণে সচেষ্ট। এপিক প্রপার্টিজের পরিচালক প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন জানান, মেলায় আমরা আশাতীত সাড়া পেয়েছি। আমাদের অনেক ফ্ল্যাট বুকিং হয়েছে। গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী রেডি ফ্ল্যাট ও কমার্শিয়াল স্পেসও রয়েছে আমাদের অন্যান্য প্রকল্পে। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে এপিক সবসময় এগিয়ে থাকার ক্ষেত্রে সচেষ্ট। তিনি বলেন, চট্টগ্রামসহ সাড়া দেশে মানসম্মত ফ্ল্যাট ও কমার্শিয়াল স্পেস নির্মাণে এপিকের সুনাম রয়েছে। প্রকল্প নেওয়ার ক্ষেত্রে লোকেশন ও গ্রাহকদের চাহিদা মাথায় রাখা হয়। গ্রাহকদের আস্থার প্রতিদান দিতে আমাদের প্রত্যেকটি প্রকল্পই মানসম্মতভাবে নির্মাণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
হুমকি দিলে উচ্ছেদের গতি দ্বিগুণ করা হবে: সাইফুজ্জামান চৌধুরী
৯ ফেব্রুয়ারী ,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : কর্ণফুলীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কেউ হুমকি দিলে উচ্ছেদের গতি দ্বিগুণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। এসময় তিনি আরো বলেন, হুমকি দিয়ে কেউ পার পাবে না। আজ শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নগরীর মাঝির ঘাট এলাকায় কর্ণফুলীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, আগের বাংলাদেশ এখন নেই। এটা একুশ শতকের বাংলাদেশ। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ। এখানে আমাদের ইন্টেলিজেন্স ভেরি স্ট্রং। কেউ হুমকি দেবে, আমরা আমলে নেবো- এমন হবে না। যার সাহস আছে সে হুমকি দেয়? কে হুমকি দিচ্ছে? কী হুমকি দিচ্ছে? হুমকি দিয়ে কেউ পার পাবে? কেউ পার পাবে না, যোগ করেন ভূমিমন্ত্রী। জাবেদ বলেন, অনেকে মনে করছেন, শুরুটা করলাম- তারপর মনে হয় উচ্ছেদ কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। নো, এটা হবে না। আমি থাকতে কাজ বন্ধ করতে দেবো না। কাজ শুরু হয়েছে। কাজ শেষ হবে। কর্ণফুলী নদীকে ঘিরে যে পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি, সেটা বাস্তবায়ন করা হবে। ভূমিমন্ত্রী বলেন, অবৈধ কোনো স্থাপনা আমরা রাখবো না। তবে এখানে কিছু বিষয় আছে। অবৈধ স্থাপনার মধ্যে একটা কোল্ড স্টোরেজ আছে। এতে ব্যবসায়ীরা কয়েক হাজার টন মাছ স্টকে রাখেন। ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করে কোনো কাজ করলে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিনি বলেন, শো অফ কিংবা পাবলিসিটির জন্য ধুমধাম করে উচ্ছেদ করে ফেললাম। এটার কনসিকোয়েন্স কী- এটা ভাবলাম না, এ রকম হলে হবে না। কর্ণফুলী কিন্তু জাতীয় সম্পদ। এখানে প্রত্যেকটা কাজ আমাদের ফাইন লাইন করে করতে হবে। কিন্তু কোনো স্থাপনা রাখা যাবে না। ইলিগ্যাল কোনো স্থাপনা থাকতে পারবে না। নির্দিষ্ট একটা সময় দিয়ে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, আমরা রূপকল্প-২০২১ কিংবা রূপকল্প-২০৪১ এর কথা বলছি। এর মানে কী? এসব বই-খা্তা কিংবা ফাইলের কোনো বিষয় না। রূপকল্প কাজের মধ্য দিয়ে, মাইন্ড সেট আপের মধ্য দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। নদীগুলোকে দখলমুক্ত রাখাও কিন্তু এসব কাজের মধ্যে পড়ে। তিনি বলেন, এখানে আমরা দেশের জন্য কাজ করছি। জনগণের জন্য কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাইছেন দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে, একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে। সবার সহযোগিতার মাধ্যমেই এটি সম্ভব। ভূমিমন্ত্রী বলেন, ভূমি উদ্ধারের পর আমাদের পরিকল্পনা নিয়ে অনেকে জানতে চাইছেন। আমরা একটু সময় নিয়ে পরিকল্পনা করছি। কর্ণফুলীর তীরে দৃষ্টিনন্দন কিছু স্থাপনা করার ইচ্ছে আছে। এখানে আমরা কয়েকটা পল্টুন জেটি নির্মাণের চিন্তা ভাবনাও করছি। তিনি বলেন, কর্ণফুলী নদীতে প্রচুর কার্গো অ্যাক্টিভিটিস আছে। পণ্য উঠানামার বিষয় আছে। আমাদের আউটার অ্যাংকারে কার্গো নিয়ে প্রচুর মাদার ভেসেল আসে। এ কার্গোগুলো অনেক সময় সিরিয়ালের কারণে গ্রিডলকে পড়ে যায়। ফলে আমাদের প্রচুর ফরেন কারেন্সি নষ্ট হচ্ছে। জাবেদ বলেন, একটা জাহাজে ২৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ডেমারেজ দিতে হচ্ছে। এসব কিন্তু আমাদের রিজার্ভ থেকে চলে যাচ্ছে যেটা আননেসেসারি। এটা আমাদের ধরে রাখতে হবে। বছরে যদি কয়েক মিলিয়ন ডলারও আমরা সেইভ করতে পারি, এটা কিন্তু হিউজ। জেটি তো আমরা নিজেরা নির্মাণ করতে পারবো না, এটার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যারা আছেন তাদের সঙ্গে আলাপ করবো। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমেও এটা করা যায় কী না তা দেখা হবে, যোগ করেন সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর