সাগরিকায় বিকাশ ব্যবসায়ীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার
১৫,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর সাগরিকা এলাকা থেকে বিজয় কুমার বিশ্বাস (৩২) নামে এক বিকাশ ব্যবসায়ীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত বিজয় কুমার বিশ্বাসের বাড়ি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলায়। তিনি নগরের বন্দরটিলায় একটি দোকানে বিকাশের এজেন্ট ব্যবসা করতেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাঈনুর রহমান। পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাঈনুর রহমান বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে বিজয় কুমার বিশ্বাস নামের একজন বিকাশ ব্যবসায়ীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। কে বা কারা কোথায় কিভাবে তাকে হত্যা করেছে তা এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলেও জানান ওসি মাঈনুর রহমান।
বিমানবন্দরে সাড়ে ১০ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার
১৫,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১০ কোটি ৪০ লাখ টাকার স্বর্ণের চালান আটক করা হয়েছে। দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ১৪৮ ফ্লাইটের দুইটি আসনের নিচ থেকে এ চালান আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে চালানটি আটক করা হয়। বিমানবন্দর কাস্টমস ও এনএসআই টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় চালানটি উদ্ধার হয়। বিমানবন্দর কাস্টমস সূত্র জানায়, সকাল ৮টা ২০ মিনিটে রামেজিং করার সময় ৩৩ নম্বর সিটের নিচে কালো টেপে মোড়ানো ২টি বান্ডেল এবং ২৯ নম্বর সিটের পাশ থেকে আরেকটি পলিথিনে স্বর্ণের বারগুলো পাওয়া যায়। এসব স্বর্ণের দাম প্রায় ১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার রোকসানা খাতুন জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে বিজি ১৪৮ ফ্লাইটের ৩৩ ও ২৯ নাম্বার সিটের নিচে প্লাস্টিকের ব্যাগে স্বর্ণের বার পেয়েছি আমরা। স্বর্ণের আনুমানিক দাম প্রায় ১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
নেপথ্যে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট : চট্টগ্রামে ফের ব্যাটারি রিক্সার দাপট
১৪,অক্টোবর,বুধবার,মো.এনামুল হক লিটন,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: হঠাৎ করে নগরীতে আবারো ব্যাটারি রিক্সার চলাচল শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)র কড়া নির্দেশনার পরও নগরীর অলিগলিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে চলাচল নিষিদ্ধ এসব ত্রিচক্রযান ব্যাটারি চালিত রিক্সা। জানা যায়, গত বছরের জুনে প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায় থেকে ব্যাটারি চালিত রিক্সা বন্ধে নির্দেশনা দেয়া হয়। এমন নির্দেশনার পর পুলিশ নগরজুড়ে ব্যাটারিচালিত রিকশাবিরোধী অভিযান শুরু করে। ওই সময়ে নগরীতে ব্যটারি চালিত রিক্সা উধাও হয়ে গেলেও বর্তমানে কতিপয় রিকশা মালিক-চালক সমিতির মাধ্যমে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে নগরীর বিভিন্ন অলিগলি এমনকি মূল সড়কেও এসব রিক্সা চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে এমন অভিযোগ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা ও প্যাডেল চালিত রিক্সা চালক-মালিকদের। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, নগরীর ইপিজেড, বন্দর, কর্ণফুলী, বায়েজিদ, পাঁচলাইশ, চান্দগাঁও এবং বাকলিয়া থানা এলাকার বিভিন্ন অলিগলি, সড়ক ও উপ সড়কে দিব্রি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিষিদ্ধ এসব ব্যাটারি রিক্সা। অনভিজ্ঞ এসব রিকশা চালকের বেশিরভাগেরই দ্রুতগতি সম্পন্ন ব্যাটারিচালিত রিকশা চালানোর কোনো পূর্ব-অভিজ্ঞতা বা প্রশিক্ষণ নেই। এছাড়া ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা না থাকায় এসব চালকরা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটাচ্ছে প্রতিনিয়ত, বাড়ছে যানজটও। হতদরিদ্র মানুষগুলোর বেশীরভাগই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে কাজের সন্ধানে চট্টগ্রাম নগরীতে এসেই সহজ পেশা হিসেবে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে নেমে যাচ্ছে। প্যাডেল রিকশা চালানো কষ্টসাধ্য বলেই তারা দ্রুতগতির ব্যাটারিচালিত রিকশার দিকেই বেশী ঝুঁকছেন বলে জানিয়েছেন, বায়েজিদ এলাকার মোতালেব নামের এক রিক্সা চালক। অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯১৯ সালে রেঙ্গুন থেকে সর্বপ্রথম চট্টগ্রামে এবং পরবর্তীতে কলকাতা থেকে রাজধানি ঢাকায় রিক্সার সূচনা হয়। ইউরোপিয় পাট ব্যবসায়িরা তাদের ব্যবসা ও নিজস্ব কাজে ব্যবহারের জন্য ওইসময়ে এসব রিক্সা আমদানি করে। পরবর্তীতে জীবিকা অর্জনে সহজ পেশা হিসেবে রিক্সা চালনাকে বেছে নেয় দরিদ্র শ্রেণীর মানুষ। সেই থেকে দেশব্যাপী রিক্সার বিস্তৃত। যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের সিটি কর্পোরেশনগুলো। সূত্র মতে, চট্টগ্রাম মহানগরীতে বৈধ রিকশার সংখ্যার তুলনায় অবৈধ রিকশার সংখ্যা তিন গুণ বেশি। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) তালিকাভুক্ত বৈধ রিকশার সংখ্যা মাত্র নয় হাজার ১২৪টি। আবার চসিকে নিবন্ধিত চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচলরত এমন ৩০ হাজার রিকশা চলাচলের তথ্য দিয়েছে চসিক ও ট্রাফিক পুলিশ। হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্যের পাশাপাশি অবৈধভাবে বিদ্যুৎ খরচ করে ব্যাটারিচালিত এসব অবৈধ রিকশা নগরীর অলিগলি দাপিয়ে বেড়ালেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোনো কার্যকরি পদক্ষেপ না নেয়ায় বৈধর চেয়ে অবৈধ রিক্সার আদিক্য দিনদিন বেড়েই চলেছে। অভিযোগ রয়েছে, উচ্চ আদালতে রিটের দোহাই দিয়ে কতিপয় রিক্সা মালিক সমিতি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাসহ বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে নগরীর অলিগলিতে এসব রিক্সা চলাচল অব্যাহত রেখেছে। সরেজমিনে ঘুরে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদ কলোনীর মোড় থেকে স্টারশীপ পর্যন্ত সড়কে প্রায় পঞ্চাশ টিরও অধিক অবৈধ ব্যাটারি চালিত রিক্সা চলাচল করতে দেখা গেছে। অজ্ঞ এসব রিকসা চালকরা প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা ঘটিয়ে চললেও রহস্যজনক কারণে প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না এমন অভিযোগ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দাদের। তারা অভিযোগ করে বলেন, অজ্ঞ এসব চালকরা স্বজোরে হর্ণ বাজিয়ে এলাকায় শব্দ দূষনের পাশাপাশি বেপরোয়া গতিতে রিকশা চালাতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনাও ঘটাচ্ছে। স্টারশীপ থেকে রৌফাবাদ পর্যন্ত সড়কটি দিয়ে সরাসরি বায়েজিদ কিংবা অক্সিজেন-মুরাদপুর যোগাযোগের একটি অন্যতম মাধ্যম হওয়ায় সড়কটি দিয়ে ভারি যানবাহন চলাচলও বেড়ে গেছে। এর উপর আবার ব্যাটারি রিক্সা যোগ হওয়ায় প্রতিনিয়ত এ সড়কে যানজট লেগে থাকে। তথ্য মতে, নগরীতে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করে। বৈদ্যুতিক মোটরচালিত এসব রিকশার প্রতিটির ব্যাটারি চার্জ দিতে প্রতিদিন খরচ হয় পাঁচ ইউনিট করে বিদ্যুৎ। সে হিসেবে প্রতিদিন খরচ হয় ৫০ হাজার ইউনিট বা কিলোওয়াট (৫০ মেগাওয়াট) বিদ্যুৎ। আর বিপুল পরিমাণ এই বিদ্যুতের অনেকটাই অবৈধভাবে ব্যবহার করা হয় বলে দাবি পিডিবির কর্মকর্তাদের। এছাড়াও ব্যাটারি রিক্সাকে কেন্দ্র করে টোকেন বানিজ্য, চাঁদাবাজির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। প্যাডেল চালিত রিক্সা চালক-মালিকরা সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম মহানগরীতে এ নিয়ে প্রতিবাদ সভা-সমাবেশ ও বিক্ষোভ করেছে। বিদ্যুৎ খেকো দ্রুতগতির এসব ব্যাটারি চালিত ত্রিচক্রযান বন্ধে তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরী বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
পুলিশ বক্সে হামলার ঘটনায় জেএমবির ৬ সদস্য গ্রেপ্তার
১৪,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর ষোলশহর ২ নাম্বার গেটের পুলিশ বক্সে হামলা ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৬ জেএমবি সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট থেকে বিষয়টি জানানো হয়। আটককৃতরা হলেন- লোহাগাড়া থানার নিজতালুক গ্রামের আব্দুর শুক্কুরের ছেলে মহিদুল আলম (২৩), পদুয়া ইউনিয়নের পূর্ব মির পাড়া গ্রামের ওসমান গণির ছেলে মো. জহির উদ্দীন (২৮), পদুয়া থানার উত্তর তেওয়ারী খিল গ্রামের মো. শাহাবুদ্দীনের ছেলে মো. মঈন উদ্দীন (২০), লোহাগাড়া গ্রামের মৌলভীপাড়া গ্রামের মো. আবু সাদেক (১৯), উত্তর আমিরাবাদ চট্টলপাড়ার সালেহ আহম্মদের ছেলে মো. রহমত উল্লাহ ওরফে আকিব (২৪) ও পদুয়ার আমজু মিয়ার বাড়ির নুরুল কবীরের ছেলে মো. আলাউদ্দীন (২৩) । গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে নগরীর ষোলশহরের পুলিশ বক্সে রিমোট নিয়ন্ত্রিত বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ওই ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যসহ মোট পাঁচজন আহত হন। যাদের মধ্যে ১০ বছরের এক শিশুও ছিল। পরে জঙ্গি সংগঠন আইএস এ ঘটনার দায় স্বীকার করে।
ইলিশ ও জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ, জরিমানা
১৪,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের মোমিনরোড ও রিয়াজুদ্দিন বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০কেজি ইলিশ ও ৪০ কেজি জেলি মিশ্রিত চিংড়ি জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ইলিশ বাজারজাতের দায়ে মো. সোহেল নামে এক ব্যবসায়ীকে ২হাজার টাকা ও জেলিমিশ্রিত চিংড়ি বিক্রির দায়ে আবুল কাশেম নামে আরেক ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট। বুধবার (১৪ অক্টোবর) জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলী হাসানের নেতৃত্বে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফারহানা লাভলীসহ সিএমপির সদস্যরা অংশ নেয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলী হাসান জানান, নগরের মোমিন রোডস্থ অস্থায়ী খুচরা বাজারে মো. সোহেল নামের একজন খুচরা মাছ ব্যবসায়ী থেকে ২০ কেজি ইলিশ জব্দ করে বিক্রির অপরাধে ২হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া রিয়াজউদ্দিন বাজারে অভিযান চালানো হয়। সেখানেও ইলিশ পাওয়া যায়নি তবে আবুল কাশেম(৩৫) নামের মাছ ব্যবসায়ীকে জেলি মিশ্রিত চিংড়ি মাছ বিক্রির অপরাধে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তার কাছ থেকে ৪০ কেজি জেলি মিশ্রিত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত ইলিশ এতিমদের মাঝে বন্টনের জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি প্রসঙ্গত, সরকার কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশনা অনুযায়ী ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ইলিশ প্রজনন ক্ষেত্রে ইলিশসহ সব ধরনের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এসময় দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, বিপণন, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, বিনিময় এবং মজুতও নিষিদ্ধ করা হয়।
মুজিব বর্ষ: আলীগের দুই দিনব্যাপী সাম্পান উৎসব চট্টগ্রামে
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্র ও শনিবার (১৬-১৭ অক্টোবর) দুই দিনব্যাপী সাম্পান উৎসবের আয়োজন করেছে নগর আওয়ামী লীগ। কর্ণফুলী ও দেশের নদ-নদী দখল, দূষণমুক্ত করতে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, অর্থনীতির সঞ্চালক কর্ণফুলী এখন দখল, দূষণ ও ভরাটসহ নানামুখী সমস্যার কবলে পড়েছে। শুধু কর্ণফুলী নয় দেশের সব নদনদীই আজ দখল, দূষণের কবলে পড়ে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। তাই কর্ণফুলীসহ দেশের সব নদনদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এ চট্টগ্রাম থেকে সাংস্কৃতিক আন্দোলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, শুক্রবার সকাল ১০টায় কর্ণফুলীর অভয়মিত্র ঘাট থেকে শাহ আমানত সেতু এলাকা পর্যন্ত সাম্পান শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী এ শোভাযাত্রা উদ্বোধন করবেন। পরদিন শনিবার বিকাল ৩টায় অভয় মিত্র ঘাট (নেভাল টু) এলাকায় সাম্পান খেলা ও চাঁটগাইয়া সাংস্কৃতিক মেলা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সাম্পান শোভাযাত্রা ও সাম্পান খেলায় ১০ জন মাঝি ও তাদের দল অংশ নেবে। অংশগ্রহণকারীরা হলেন- চট্টগ্রাম ইছানগর বাংলাবাজার সাম্পান মালিক কল্যাণ সমিতি, ইছানগর সদরঘাট সাম্পান মালিক কল্যাণ সমিতি, চরপাথরঘাটা ব্রিজঘাট সাম্পান চালক কল্যাণ সমিতি, চরপাথরঘাটা ব্রিজঘাট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি, পুরাতন ব্রিজঘাট ক্ষুদ্র মাছ ব্যবসায়ী সমিতি, মালেক শাহ দ্বীপ কালা মোড়ল সমিতি, শিকলবাহার আহমদ উল্লাহ শাহ, মাদ্রাসা পাড়ার মোহাম্মদ তারেক, শিকলবাহার শেখ আহমদ মাঝি ও সদরঘাট সাম্পান মালিক সমিতির নূর মোহাম্মদ। আয়োজনের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে চট্টগ্রাম ইতিহাস সংস্কৃতি গবেষণা কেন্দ্র ও কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি। সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমরা চাঁটগাইয়া নওজোয়ান। বুক পেতে দিয়ে সব ঝড়তুফান ঠেকিয়ে সামনে এগিয়ে চলার মন্ত্র নিয়ে আমরা বেড়ে উঠি। কর্ণফুলী নদীকে বাঁচানোর জন্য জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নগর আওয়ামী লীগের মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত ক্রীড়া বিভাগের চেয়ারম্যান দিদারুল আলম চৌধুরী। এ সময় নগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা শফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মসিউর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু তাহের, ত্রাণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সাংবাদিক আলীউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট সাম্পান মাঝিরা উপস্থিত ছিলেন।
হায়রে মা!
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর এক বাস কাউন্টার থেকে ১০ মাসের একটি ছেলে সন্তানকে উদ্ধার করেছে পাহাড়তলী থানা পুলিশ। পরে শিশুটিকে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়। সোমবার (১২ অক্টোবর) অলঙ্কার এলাকা থেকে শিশুটি উদ্ধার করা হয়। পাহাড়তলী থানার ওসি মাইনুর রহমান জানান, সোমবার সকালে অলঙ্কার এলাকায় স্টার লাইন বাস কাউন্টারে এক নারী তার শিশু সন্তানকে পাশের এক মহিলার কোলে দিয়ে সটকে পড়েন। পরে পুলিশ জানতে পেরে ওই শিশুকে উদ্ধার করে। এ সময় শিশুটির সাথে একটা ছোট ব্যাগে একটি টিকার কার্ড পাওয়া যায়। সেটির সূত্র ধরে ওই শিশুর মায়ের নাম-ঠিকানা বান্দরবানের লামায় বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে লামার স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্যের মাধ্যমে শিশুটির মায়ের ঠিকানা বের করে সেখান থেকে ওই নারীর খালা-খালু নগরীর বায়েজিদ এলাকায় থাকেন জানানো হয়। ওই নারীর খালার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের থানায় ডেকে এনে শিশুটিকে বুঝিয়ে দেয়া হয়। পরে তারা পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধান করার কথা বলেন। ওসি মাইনুর আরও জানান, লামা থেকে জানা গেছে, শিশুটির জন্মের আগে তার বাবা তার মাকে ছেড়ে চলে যায়। বর্তমানে ওই নারী আরেকজনের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়ায় শিশুটিকে সরিয়ে রাখতে এ উপায় বেছে নিয়েছিলেন।- পূর্বকোণ
চট্টগ্রামে ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা পরিবেশ অধিদপ্তরের
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরিবেশগত ছাড়পত্র, নবায়নবিহীন, ছাড়পত্রের শর্তভঙ্গ ও পাহাড় কর্তনের অপরাধে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার ১০ ব্যক্তি-শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বাংলদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ধারা ৭ এর আলোকে এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসাইন সোমবার (১২ অক্টোবর) শুনানির মাধ্যমে এ জরিমানা ধার্য করেন। মোয়াজ্জেম হোসাইন জানান, ছাড়পত্র শর্তভঙ্গের কারণে সীতাকুণ্ডের মডার্ণ হসপিটাল এন্ড ল্যাবকে ১০ হাজার ও এজেডএন স্টিলটককে ২০ হাজার, রাঙ্গুনিয়ার কর্ণফুলি প্যাথলজি এবং শ্যামলী ডায়াগনস্টিক সেন্টারকেকে যথাক্রমে ১৫ হাজার ও ৫ হাজার, ফটিকছড়ির দি ডক্টরস ল্যাবকে ২০ হাজার, পটিয়ার নিউরন ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে যথাক্রমে ১৫ হাজার ও ২০ হাজার টাকা এবং বাঁশখালীর মর্ডাণ হসপিটাল এন্ড ল্যাবকে ১০ হাজার টাকা টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এছাড়াও পাহাড় কর্তনের দায়ে কক্সবাজার সদরের মৌলভী সুলতান গংকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে ও আদেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সর্তক করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত আরও ৯০ জন
১২,অক্টোবর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৯০ জনের। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯ হাজার ৬৪৮ জন। এদিন করোনায় চট্টগ্রামে একজনের মৃত্যু্ হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রামের ৮টি ল্যাব ও কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ৮৩টি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৩৭৫টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৩১৫টি এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৩২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে চবি ল্যাবে ১২ জন, বিআইটিআইডিতে ২০ জন, চমেক ল্যাবে ১৯ জন এবং সিভাসু ল্যাবে ৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১০৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৮ জন, শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৩২টি নমুনা পরীক্ষা করে ১০ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ২২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে একজনের শরীরে করোনা পজেটিভ পাওয়া যায়। অন্যদিকে, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ৯০ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এইদিন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ৯৭২টি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৮০ জন এবং উপজেলায় ১০ জন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর