সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন: নওফেল
১০,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। আজ শনিবার বিকালে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে চট্টগ্রাম-৯ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এর সাথে মতবিনিময় করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ। মতবিনিময়কালে শিক্ষা উপ-মন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন তা বাস্তবায়নে এবং দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বজায় রাখতে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। শিক্ষা উপ-মন্ত্রী আরো বলেন, আবহমানকাল ধরে এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে নানা উপচার ও অনুষ্ঠানাদির মাধ্যমে দুর্গাপূজা উদযাপন করে আসছে। দুর্গাপূজা কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, সামাজিক উৎসবও। দুর্গোৎসব উপলক্ষে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, পরিবার-পরিজন, পাড়া-প্রতিবেশি একত্রিত হন, মিলিত হন আনন্দ-উৎসবে। তাই এ উৎসব সার্বজনীন। তিনি এই সার্বজনীন উৎসবের সকল কর্মকাণ্ডে সনাতনী সম্প্রদায়ের পাশে থাকবেন আশ্বস্ত করেন। চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার তালুকদার সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিল্লোল সেন উজ্জ্বল এর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী প্রকাশ দাশ অসিত, সাবেক সভাপতি অরবিন্দ পাল অরুণ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক লায়ম আশীষ ভট্টাচার্য, অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি, সুজিত দাশ, সহ-সভাপতি লায়ন দিলীপ ঘোষ, দুলাল চন্দ্র দে, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নটু কুমার চৌধুরী, সিনিয়র সদস্য অরুপ রতন চক্রবর্তী, পুলক খাস্তগীর, সাংগঠনিক সম্পাদক সজল দত্ত, মহিলা সম্পাদিকা রুমকি সেনগুপ্ত, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক সুকান্ত মহাজন টুটুল, প্রিয়তোষ ঘোষ রতন, প্রচার সম্পাদক টিপু শীল জয়দেব, কার্যকরী সদস্য রাহুল দাশ প্রমুখ।
ধর্ম হৃদয়ে পরিশুদ্ধতার আলো জ্বালায়: রেজাউল
১০,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, ধর্ম মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে আর ধর্মীয় জ্ঞান মানুষের হৃদয়ে পরিশুদ্ধতার আলো জ্বালায়। শনিবার (১০ অক্টোবর) নগরের চান্দগাঁও সার্বজনীন আনন্দ বিহার পরিচালনা কমিটি আয়োজিত দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম রেজাউল করিম বলেন, অনৈতিককাজ, পরনিন্দা, জীবহত্যা, হিংসাসহ যেকোন পাপকাজ থেকে ধর্মই আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখে। পশুর ঘরে জন্মগ্রহণ করলে তার পরিচয় হয় পশু, কিন্তু মানুষের ঘরে জন্ম গ্রহণ করে যদি মনুষত্ব জাগ্রত না হয় তাহলে তাকে মানুষ বলা যায় না। আর মানুষের মধ্যে মনুষত্ব জাগায় ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সকল ধর্মের মানুষ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো। একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমরা সবাই যুদ্ধ করেছি। যেনো ধর্ম ও জাতির কোন ভেদাভেদ বাংলাদেশে না থাকে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার ভারপ্রাপ্ত সংঘনায়ক ও চান্দগাঁও সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ অগগমহাপন্ডিত অধ্যাপক বনশ্রী মহাথেরো। প্রধান ধর্মদেশক এর বক্তব্য রাখেন বিদর্শনাচার্য্য ভদন্ত নন্দবংশ মহাথেরো। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভুলন বড়ুয়া ও প্রধান জ্ঞাতি ছিলেন মানু বড়ুয়া। অনুষ্ঠানে আরো ধর্মদেশনা করেন ভদন্ত জ্ঞানবংশ মহাথেরো, বিদর্শনাচার্য্য আর্য্যশ্রী থেরো, ভদন্ত রত্নপ্রিয় থেরো, ভদন্ত সংঘশ্রী থেরো, ভদন্ত তণহংকার ভিক্ষু, ভদন্ত দেবমিত্র ভিক্ষু ও ভদন্ত প্রজ্ঞালংকার ভিক্ষু প্রমুখ।
ধর্ষণ আর মাদক একে অপরের পরিপূরক
১০,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভাড়াটিয়া, ভোক্তা ও নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ পরিষদর চেয়ারম্যান প্রবীণ সাংবাদিক কামরুল হুদা বলেছেন, ধর্ষণ, নির্যাতন, হত্যা বেড়েই চলেছে। ধর্ষণ থামছেই না। কড়া আইন সত্ত্বেও না। ফাঁসির ভয়ও থামাতে পারছে না ধর্ষণ। বরং ধর্ষণের পর অত্যাচার করে হত্যার ঘটনা বাড়ছেই। সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারলে এ পাপ রোধ করা সম্ভব। ধর্ষণ আর মাদক একে অপরের পরিপূরক। তাই দুটিকেই এক সাথে রোধ করতে হবে। নারী নির্যাতন করে হত্যা, ধর্ষণ মামলাগুলোর জন্য দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। ধর্ষণের কারণে নারী সমাজ আজ আতঙ্কিত ও ভীত। তিনি আজ শনিবার ১০ অক্টোবার, দুপুর ১২ টায় ভাড়াটিয়া, ভোক্তা ও নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ পরিষদর উদ্যোগে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শস্তি মৃত্যুদন্ড, নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ, নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা, করোনাকালে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির বিল মওকুপ, ভাড়াটিয়াদের প্রতি সহনশীল হওয়াসহ যাত্রী হয়রানী বন্ধের দাবীতে চেরাগী মোড়ে সমাবেশ ও মানববন্ধনে এ সব কথা বলেন। উক্ত সংগঠনের মহাসচিব সাংবাদিক মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন চৌধুরী বলেন, একের পর এক শিশু নির্যাতনের ঘটনায় দেশের সামগ্রিক শিশু অধিকার আজ প্রশ্নবিদ্ধ। সমাজের অনগ্রসর শ্রেণি বিশেষ করে নারী তথা অন্যান্য শ্রেণি-পেশার জনগোষ্ঠীকে নিয়ে অনেকেই কথা বলেন। কিন্তু শিশু অধিকার নিয়ে তেমন কোনো কার্যক্রম আমরা দেখি না। সমাজের শিশুরা যেন অভিভাবহীন। জাতি গঠনে শিশু অধিকার সুরক্ষা ও শিশু কল্যাণ নিশ্চিত করা অপরিহার্য। গত এক বছরে শিশু নির্যাতনের কয়েকটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। নির্যাতনের ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বক্তারা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির ঘটনায় সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন। বাজারে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে ক্রয়ক্ষমতা না বাড়ায় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে, নিম্মআয়ের শ্রমজীবীরা অসহায় বোধ করছেন। পরিতাপের বিষয় হল, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে তেমন উচ্চবাচ্য হয় না বললেই চলে। বাজার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সরকারের শক্ত কোনো ভূমিকা নেই। করোনাকালে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ বিল মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাড়ীওয়ালাদের ভাড়ার টাকা অর্ধেক নেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, যানবাহনে যাত্রী সেবার লেশ মাত্র নেই। সারাদেশে ভাড়া ডাকাতি চললেও প্রশাসন ও যথাযথ কর্তৃপক্ষ তেমন কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অন্যদিকে হাজার হাজার ফিটনেস বিহীন চলাচল করছে। বিশেষ করে লক্করঝক্কর বাস, জানালা ভাঙা, লাইট ও ফ্যান নেই, বৃষ্টির সময় ছাদ থেকে পানি পড়ে, ইঞ্জিনের বিকট শব্দ, হাইড্রোলিক হর্ণের ব্যবহার, ইত্যাদি। সারা দেশে যানজটের অন্যতম একটি কারণ গণপরিবহন শ্রমিকদের স্বেচ্ছাচারিতা। তারা তাদের খেয়াল-খুশি মতো এমনভাবে ক্রসিংয়ে বা মোড়ে বা রাস্তার মাঝখানে বাস থামিয়ে যাত্রী উঠানো-নামানো করে, যাতে করে পেছনের কোন যানবাহন তাকে অতিক্রম করতে না পারে। ফলে সবুজ সিগনাল থাকা সত্ত্বেও যানবাহনগুলোকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ভাড়াটিয়া, ভোক্তা ও নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ পরিষদর সমাবেশ ও মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, এনজিটিভির বার্তা সম্পাদক সাইফুর রহমান সাইফুল, বাংলাদেশ আইন সহায়তা অধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম জেলা সেক্রেটারী তারেক খান চৌধুরী, রাজনীতিবিদ সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু, সাংবাদিক কামাল হোসেন, সাংবাদিক রোকন উদ্দীন আহমদ, সাংবাদিক ইকবাল মাহমুদ রুস্তম, সাংবাদিক জাকির হোসেন, সাংবাদিক মো. জাবেদুর রহমান, সাংবাদিক ডা. মাহতাব হোসাইন মাজেদ, সাংবাদিক আমান উল্লাহ বাদশা, সাংবাদিক দেবাশীষ রাজা, সাংবাদিক মো. সিরাজুল আলম টিপু, সাংবাদিক নন্দীনি চৌধুরী, রাজনীতিবিদ মো. সেলিম, লোকমান হাকিম, মো. আবদুল্লাহ প্রমুখ।
কিশোর-যুবাদের অবক্ষয়মুক্ত রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: তথ্যমন্ত্রী
০৯,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও এর ওয়েভভিত্তিক বিভিন্ন এন্টারটেনমেন্ট এপসগুলোর ব্যাপারে আসক্তি থেকে আমাদের তরুণ সমাজকে বের করে আনতে হবে। কিশোর-যুবাদের অবক্ষয়মুক্ত রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তিনি বলেন, ছেলেরা এখন আর মাঠে গিয়ে খেলে না। আমাদের ছোটবেলায় আমরা মাঠে গিয়ে খেলার জন্য ও সন্ধ্যার আগে বাসায় না ফেরার জন্য প্রতি সপ্তাহে বাবা-মার বকা শুনতাম। আর এখনকার ছেলেদের জোর করে ধরে মাঠে পাঠাতে হয়। বিষয়টা উল্টো হয়ে গেছে। আসলে খেলাধুলার কোন বিকল্প নাই। সেই জন্য খেলাধুলার আয়োজনও করতে হবে। আয়োজন না থাকলে তো ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করবে না। চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা (সিজেকেএস) একটি ভাল উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নগরীর এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা আয়োজিত ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিজেকেএসর সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, টুর্ণামেন্ট কমিটির সভাপতি ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার এসএম মেহেদী হাসান, সিজেকেএসর সহ-সভাপতি দিদারুল আলম চৌধুরী, এহসানুল হায়দার বাবুল, হাছান সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস প্রমুখ। তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে ধর্ষণসহ কিশোর গ্যাং নানা অপরাধ করছে, নানা ধরণের অপরাধের সাথে বিভিন্ন কিশোর গ্যাং যুক্ত হচ্ছে। এটি থেকে রক্ষা করার একটি বড় উপায় হচ্ছে পাড়ায় পাড়ায় খেলাধুলার ব্যাপকতা বাড়ানো। এটি অত্যন্ত প্রয়োজন। করোনাকালে আমরা যেভাবে স্থবির হয়ে গেছি, এই স্থবিরতা বেশিদিন রাখা যায় না। এই স্থবিরতা কাটানোর জন্য খেলাধুলার কোন বিকল্প নাই। আমি মনে করি খুব শিগগির চট্টগ্রামে লীগের খেলাও আয়োজন করা প্রয়োজন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, করোনার কারণে পৃথিবী স্তব্ধ হয়ে গেছে। বাংলাদেশের কোথাও করোনার কারণে এ টুর্ণামেন্ট শুরু করা হয়নি এখনো। কিন্তু করোনার জন্য জীবন স্তব্ধ হয়ে থাকতে পারে না। আমাদের সবাইকে করোনা মোকাবেলা যেমন করতে হবে, জীবন এবং জীবিকা দুটিই আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। একইভাবে জীবনের সাথে ওঁৎপ্রোতভাবে যুক্ত খেলাধুলা, সেটাও আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে। সেই লক্ষ্য নিয়েই করোনাকালে বাংলাদেশে প্রথম সিজেকেএস ফুটবল টুর্ণামেন্টের যাত্রা শুরু করল। সেজন্য সিজেকেএসকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, এখানে অনেকে জানেন না বঙ্গবন্ধু নিজেও কিন্তু ফুটবল খেলতেন। বঙ্গবন্ধু যখন স্কুলের ছাত্র তখন স্কুল ম্যানেজমেন্টের সভাপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর বাবা শেখ লুৎফর রহমান। তখন শেখ লুৎফর রহমানের টিমের সাথে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন টিমের খেলা হয়েছিল টুঙ্গিপাড়ায়। সেই খেলায় বাবার টিমকে তিনি হারিয়ে দিয়েছিলেন।
করোনা চিকিৎসায় ঢাকা যাচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ
০৯,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা আক্রান্ত হওয়া সাবেক মন্ত্রী ও সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে ঢাকায় নেয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তার পরিবার। আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) তাকে ঢাকায় নেয়া হতে পারে বলে জানা যায়। এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে তাঁর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। রাত ১০টা ২০ মিনিটে বিআইটিআইডি থেকে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফের করোনাভাইরাসে আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এরপরে তাকে নগরীর পার্কভিউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পার্কভিউ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এটিএম রেজাউল করিম বলেন, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বর্তমানে পার্কভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে উনি আসার সাথে সাথে চিকিৎসা শুরু হয়েছে। উনার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে উনার পরিবার যদি উনাকে ঢাকা নিতে চান, তাহলে নিয়ে যাবেন। উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান বলেন, উনাকে ঢাকায় নেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আজকেই ঢাকা নেয়া হবে। কারণ, উনার শারীরিক অবস্থার জন্য আওয়ামী লীগের সিনিয়র (প্রবীণ) নেতাকর্মীরা খুবই চিন্তিত। এমনকি প্রধানমন্ত্রী অফিস থেকেও তার জন্য খোঁজ-খবর নিচ্ছে।
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ পরিদর্শন স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর
০৯,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের চলমান উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) বিকেলে সরেজমিন পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন মন্ত্রীকে চলমান কাজের বিভিন্ন দিক অবহিত করেন। পরিদর্শনকালে মন্ত্রী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, প্রকল্পটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগর থেকে পতেঙ্গার শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাতায়াত সহজ হবে। তা ছাড়া যানজটের ভোগান্তি থেকে বিমানের যাত্রীরা মুক্তি পাবেন। তিনি চট্টগ্রামে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এতে চট্টগ্রামের উন্নয়নে আরো নতুন নতুন প্রকল্প প্রাপ্তির পথ সুগম হবে। এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, রাউজান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এহছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, চসিকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দরমুখী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণকাজের অনুমোদন দেয় একনেক। এর প্রায় দেড় বছর পর ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ৮ কিলোমিটারের নির্মাণকাজ চলছে।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার: তাজুল ইসলাম
০৮,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার। এটি নির্মিত হলে অর্থনীতির নতুন দ্বার উম্মোচিত হবে। আজ ৮ অক্টোবর ২০২০ ইং বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি, দখল দূষন রোধে প্রণীত মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন, চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, এ মেরিন ড্রাইভ নির্মিত হলে এ অঞ্চলে নতুন হাজার হাজার হোটেল মোটেল কল-কারখানা গড়ে ওঠবে। এতে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান তৈরি হবে অন্যদিকে পর্যটন খাতে খুলবে নতুন দিগন্ত। বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে সারা দেশের ব্যবসায়-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের নামে অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ করে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট করা যাবেনা। এটি করা হলে পরবর্তিতে তা নগরবাসীর জন্য দুর্ভোগের কারন হবে। কর্ণফুলী নদীর দুপাড়ের জায়গা অবৈধ দখল করে লীজ দেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ তুলে সতর্ক করে তিনি বলেন, যারা সরকারি জায়গা ও স্থাপনা দখল করে আছেন, খুব শীঘ্রই অভিযান চালিয়ে তাদের উচ্ছেদ করা হবে। চট্টগ্রাম বন্দরসহ যেসকল প্রতিষ্ঠান সিটি কর্পোরেশনের রাস্তা-ঘাটসহ নানাবিধ সেবা গ্রহণ করছে তাদেরকে কর্পোরেশনের ন্যায্য পাওনা পরিশোধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার ট্রাক লরিসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করায় নগরীর অভ্যন্তরীণ রাস্তা-ঘাট ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এসব রাস্তা ঘাট সংস্কার করতে অর্থের প্রয়োজন, যা কর্পোরেশনের একার পক্ষে যোগান দেওয়া সম্ভব নয়। তাই সকল প্রতিষ্ঠানকে সঠিক সময়ে কর্পোরেশনের রাজস্ব পরিশোধ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম দৃষ্টিনন্দন শহর হবে। এ শহরের গড গিফটেড অপরচুনিটি রয়েছে। আউটার রিং রোড, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ কাজ শেষ হলে শহরের চাহিদা বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধি পাবে। ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে। কর্মসংস্থানও বাড়বে। তখন চট্টগ্রাম শুধু পর্যটন খাত দিয়েই পুরো দেশকে এগিয়ে নিতে পারবে। দেশের উন্নয়ন বেড়ে যাবে বহুগুণে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরো বলেন, উন্নয়নকে শুধু ঢাকায় সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে না, পুরো দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে কাজের ক্ষেত্রে আমাদের সবার জবাবদিহি থাকতে হবে। জবাবদিহিতার মাধ্যমে সব সংকট নিরসন করে দেশকে উন্নত করতে হবে। অনুষ্ঠানে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারক এমপি, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফ আহমদ এমপি, ওয়াসেকা আয়শা খান এমপি বক্তব্য রাখেন। চট্টগ্রামম বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হেলাল উদ্দিন, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো.ইব্রাহীম, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন, সিডিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল আলম দোভাষ, চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি চসিকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম চৌধুরী, সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী হাসান বিন শামস, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, বন্দরের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো.জাফর আলম, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মো.ফয়জুল্লাহসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তর প্রধানগণ বক্তৃতা করেন।
পটিয়ায় ধর্ষণ ও মাদক বিরোধী সমাবেশ ছাত্রলীগের
০৮,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পটিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে কেন্দ্র ঘোষিত দেশব্যাপী ধর্ষণ ও মাদক বিরোধী প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আবু তাহের আদনানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোফরান রানা। তিনি বলেন, লন্ডনে বসে তারেক রহমান দেশব্যাপী অরাজকতা সৃষ্টির নীলনক্সা চালিয়ে যাচ্ছেন। দেশের ছাত্র জনতাকে সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দক্ষিন জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তারেক রহমান তারেক,পৌরসভা যুবলীগ নেতা শাহরিয়ার শাহজাহান, জেলা ছাত্রলীগ সহ সভাপতি মোরশেদুল আলম অভি, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক নেজাম উদ্দিন, পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা ইরফান শিকদার, মহিউদ্দিন, সাকিব, শহীদুল আলাম তানিম,পার্থ দাস সহ নেতৃবৃন্দ।- পটিয়া নিউজ
মানুষের কল্যাণে যত কাজ সব স্থানীয় সরকার করবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
০৮,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বন্দর গর্বের জায়গা। বন্দরের জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে।কর্ণফুলী নদীর পাড় লিজ দিয়ে ব্যবসা বাণিজ্যের সুযোগ কেন দিচ্ছেন আমি জানি না। মহিউদ্দিন সাহেব আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতেন। তার মধ্যে বেসিক দেশপ্রেম ছিল।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি, দখল ও দূষণ রোধে প্রণীত মাস্টারপ্ল্যানের বাস্তবায়ন, নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উন্নয়ন সংক্রান্ত আলোচনা সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এসব কথা বলেন।স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এ সভা আয়োজন করে।মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী উন্নত দেশের স্বপ্ন দেখেন। পথনকশা তৈরি করেছেন। ঢাকাতে উন্নতি সীমাবদ্ধ রাখা হবে না। গ্রামেও পৌঁছে দেওয়া হবে। আমাদের বিভিন্নভাবে দায়িত্ব দিয়েছেন। আমাদের উপলব্ধি এসেছে, বিভাজন নয়, ঐক্যবদ্ধ হবো। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গোটা জাতি ঐক্যবদ্ধ।তিনি বলেন, আমরা অর্থনীতির শঙ্কার জায়গা থেকে বেরিয়ে গেছি। কোভিডের কারণে অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও আমরা জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা মোকাবেলা করতে পারবো। চট্টগ্রাম বাংলাদেশের ইকোনমিক হাব। সমুদ্রবন্দর গড গিফটেড। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে ২০০০ সালেই সিঙ্গাপুর হতো। আমাদের প্রাকৃতিক সুযোগ রয়েছে।ঢাকার পাঁচটি নদী ও কর্ণফুলীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, অবৈধ দখল ও দূষণ বন্ধে কাজ করছি আমরা। ঢাকার বাইরে এটি প্রথম সভা। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী প্রস্তাব দিয়েছিলেন সভাটি এখানে করার জন্য। দুর্ভাগ্য তিনি এখন অসুস্থ।মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম দৃষ্টিনন্দন শহর হবে। গড গিফটেড অপরচুনিটি রয়েছে। আউটার রিং রোড, কক্সবাজার পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ করতে পারলে হাজার হাজার পাঁচ তারকা হোটেল হবে। এর জন্য রকেট সায়েন্সের দরকার হবে না। শুধু চট্টগ্রাম পর্যটন খাত দিয়ে পুরো দেশকে এগিয়ে নেবে। তবে অবকাঠামো যাতে আগামী দিনের দুর্ভাগ্য ডেকে না আনে।প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের ব্যাপারে আন্তরিক। তাই এত প্রকল্প ও টাকা দিয়েছেন। আরও দেবেন যদি কাজে লাগাতে পারি। আগে মহিউদ্দিন চৌধুরী বলতেন, ইনকাম জেনারেট করতে হচ্ছে। এখন সরকার সহায়তা দিচ্ছে।তিনি বলেন, আপনি যে সালাম পাওয়ার কথা আমি দেব। কিন্তু আমি যা পাব তা না দিলে ছাড় দেব না। একবার ওয়াসার টাকা দেয় না সিভিল অ্যাভিয়েশন। আমি বললাম, পানির লাইন কেটে দাও। মানুষ দেয় না-এ কথা আমি বিশ্বাস করি না। মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।পানির কস্টিং ২২ টাকা পড়লে আপনি দেন ৯ টাকা। হোল্ডিং ট্যাক্স সবাইকে দিতে হবে। মানুষের কল্যাণে যত কাজ সব স্থানীয় সরকার করবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সাসটেইনেবল ডেভলপমেন্টের বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। ১০ টাকা বেশি খরচ হলেও কাটাকাটি সারা বছর চলবে কেন? ধুলোবালিতে ভারী ধাতু উড়ছে। মানুষ অসুস্থ হচ্ছে। সব ইউটিলিটি লাইনের জন্য সড়কের পাশে ঢাকনাযুক্ত লেন রাখতে হবে। জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে অনেক স্লুইসগেট করবেন। এমএস, জিএস শিট থাকলে নষ্ট হয়ে যাবে। ড্রেন, কালভার্ট সঠিকভাবে করতে হবে।মন্ত্রী বলেন, রাজস্ব আহরণ করে বন্দর। বন্দর থেকে ট্রাক বের হয়ে সিটি করপোরেশনের সড়ক ব্যবহার করে। চসিককে তো কেউ বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ফ্রি দিচ্ছে না। চট্টগ্রামের উন্নতির ক্ষেত্রে আপস করবো না। সম্প্রতি অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধ করায় চসিককে ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তাদের না পাওয়ার কথা শুনে আমার নিজেরই কান্না এসেছিল। তিন বছরের বেশি সময় পোর্ট কানেকটিং রোডের দুরবস্থা চলছে।সভায় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়েশা খান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার, নৌসচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী।বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম আবুল কালাম আজাদ, বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান, বন্দরের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলম, চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন, সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী একেএম ফজলুল্লাহ, চসিকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম চৌধুরী, সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী হাসান বিন শামস প্রমুখ।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর