সোমবার, এপ্রিল ১২, ২০২১
ফটিকছড়িতে অস্ত্রসহ ৪ সন্ত্রাসী আটক
০৬নভেম্বর,শুক্রবার,ফটিকছড়ি প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফটিকছড়ি বিবিরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ সন্ত্রাসীকে আটক করেছে Rapid Action Battalion (Rab)। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি অস্ত্র ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) Rab এর পক্ষ থেকে তাদের আটকের বিষয়টি জানানো হয়। আটক চারজন হলো- মো. মোহসিনুল করিম ইরফান (২০), আব্দুর রহিম জিহান (২৩), মো. শাওন (১৮) ও মো. মঈনুল হাসান হারেছ (১৮)। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন নিউজ একাত্তরকে বলেন, বিবিরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি অস্ত্র ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের ফটিকছড়ি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে সবজির বাজারে কমেনি উত্তাপ
০৬নভেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে গত একমাস ধরে লাগামহীন সবজি সহ নিত্যপণ্যের বাজার। এসেছে শীতকালীন সবজিও। কাঁচাবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়েও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না মূল্যের ঊর্ধ্বগতি। শুক্রবার (০৬ নভেম্বর) নগরের রেয়াজউদ্দিন বাজার ও চকবাজার এবং অভিজাত কাঁচাবাজার হিসেবে পরিচিত কাজির দেউড়ি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামেই। বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৪৫ টাকায়। মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, তিতকরলা ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা ৯০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, শসা ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৯০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, লাউ ৫০ টাকা, বেগুন ৭০-৮০ টাকা, বরবটি ৮০-১০০ টাকা, গাজর ১০০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৪০ টাকা, ছোট কচু ৬০-৭০ টাকা, ফুলকপি ৮০ টাকা, বাঁধাকপি ৬০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা, শিম ১০০-১১০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৫০ টাকা। এদিকে মাছের বাজারে রুই প্রতিকেজি ১৫০-২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ টাকা, কাতাল ১২০ টাকা, চিংড়ি আকার ভেদে ৪০০-৫০০ টাকা, রূপচাঁদা ৬০০ টাকা, কোরাল ৫০০ টাকা, লইট্যা ১১০ টাকা, পাবদা ৪৫০ টাকা, কই ৪৫০ টাকা, শিং ৫০০ টাকা, পোপা ২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারে খাসির মাংস ৮০০ টাকা, হাড় ছাড়া গরুর মাংস ৬৫০ টাকা এবং হাড়সহ গরুর মাংস ৫০০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১২০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২২০ টাকা, সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০-২০০ টাকায়।
ভোগান্তিতে ওয়ার্ডবাসী, সহসা চসিক নির্বাচনের পক্ষে মত জোরালো হচ্ছে
০৫নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,মো.এনামুল হক লিটন,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার প্রকোপের কারণে স্থগিত থাকা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচন সহসা অনুষ্ঠানের পক্ষে মত জোড়ালো হচ্ছে। সামনে করোনা পরিস্থিতি বেড়ে গেলে চসিক নির্বাচন আবারো পিছিয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কায় সহসা নির্বাচনের পক্ষে মত দিচ্ছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। চলতি বছরের ২৯ মার্চ চসিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার প্রকোপের কারণে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব না হওয়ায় ১৮০ দিনের জন্য প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খোরশেদ আলম সুজন। নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে চসিক প্রশাসক ও বর্ষীয়ান এই আওয়ামী লীগ নেতা নাগরিক সেবা নিশ্চিত ও নগর উন্নয়নে ব্যাপকভাবে কাজ করে প্রসংশিত হয়েছেন সর্বমহলে। তার কর্মকান্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সন্তোষ বলে দলের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। তবে নগর সেবায় প্রশাসকের তৎপরতা লক্ষ্যনীয় হলেও ওয়ার্ডের বাসিন্দারা নির্বাচিত এবং তাদের মনোনীত কাউন্সিলর বা জনপ্রতিনিধি না থাকায় নানা রকম ভোগান্তিতে পড়ছে বলে মত প্রকাশ করেছেন। চসিক নির্বাচন বিলম্বের কারণে ওয়ার্ডবাসীর ভোগান্তি বাড়ছে মন্তব্য করে ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ডের বাসিন্দা হারুন মিয়া বলেন, তাদের সমস্যার কথা তারা কাউকে জানাতে পারছেন না। প্রশাসক হিসেবে খোরশেদ আলম সুজন নিয়োগ পাওয়ার পর তিনি নগরীর ৪১টি ওয়াডর্কে তিন ভাগে বিভক্ত করে তিনজন কর্মকর্তার মাধ্যমে ৪১টি ওয়ার্ডের কার্যক্রম তদারকির কাজ চালাচ্ছেন। ফলে তিনজন কর্মকর্তা দিয়ে পরিচালিত ৪১টি ওয়াডের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না বলে মনে করছেন নগরবীদরা। এ অবস্থায় বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সাবেক কাউন্সিরদের বাসা-বাড়িতে গিয়ে ভীড় করতে দেখা যাচ্ছে। সরেজমিনে গতকাল চসিক ৩৬ নং গোসাইডাঙ্গা নিমতলা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ওয়ার্ডের সেবাপ্রার্থী জনসাধারনের কোনো ভীড় নেই। ওয়ার্ড কার্যালয়ের ১টি রুমে সচিব ও অপর ১টি রুমে পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা রয়েছেন। কাজ করতে তাদের তেমন কোনো সমস্যা না হলেও জন্মনিবন্ধন ও সার্টিফিকেট সংক্রান্ত বিষয়ে কিছু-কিছু সমস্যার কথা জানালেন ওয়ার্ড সচিব জাহাঙ্গীর আলম। তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাবেক কাউন্সিলরের সহযোগীতা চাইলে, সাড়া পান বলে জানান ওই কর্মকর্তা। অপরদিকে সাবেক কাউন্সিল হাজ্বী জাহাঙ্গীর আলমের ব্যক্তিগত অফিস ও বাসায় গিয়ে সেবাপ্রার্থী ওয়ার্ডবাসীদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। জানতে চাওয়া হলে, সাবেক কাউন্সিলর ও আসন্ন চসিক নির্বাচনে আবারো দলীয় মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ প্রতিবেদক এনামুল হক লিটনকে জানান, আমি এ ওয়ার্ডের চার-চার বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ছিলাম। এবারো দলথেকে আমাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। আমার কাছে তো ওয়ার্ডবাসী আসবেই। যতটুকু পারছি ব্যক্তিগতভাবে তাদের সহযোগীতা করছি। এসব ব্যাপারে বিরক্ত নন, আরো খুশী বলে মন্তব্য করে তিনি সহসা চসিক নির্বাচন (অর্থাৎ) প্রশাসকের ১৮০ দিনের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে গেলে ওয়ার্ডবাসীদের সুবিধা হবে বলে জানান। অপরদিকে ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড ও ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ড অফিসে গিয়েও একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও আসন্ন নির্বাচনে দলীয় মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী আলহাজ¦ মো. মোবারক আলীকে তাঁর ব্যক্তিগত অফিসে ওয়ার্ডবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতে দেখা গেছে। এছাড়া নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়েও মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের মাঠে-ময়দানে সরব উপস্থিতি চোখে পড়ছে। প্রসঙ্গত: করোনা ভাইরাস প্রকোপের কারণে আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে জয় পরাজয়ের আগে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি বাড়ানো। এ কারণে প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণার পাশাপাশি তারা জোর দিচ্ছেন মানুষকে কেন্দ্রমুখি করার দিকে। তাই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রার্থীরা ভোটারদের মনোযোগী করতে ব্যস্ত। চট্টগ্রাম সিটিতে ভোটার সংখ্যা ১৯ লাখের বেশি। ২০১৫ সালের নির্বাচনে ভোট পড়ার হার ছিল ৪৭ ভাগ। আর ২০১০ সালে ছিল ৫৫ ভাগ।
সঠিক বিনিয়োগের মাধ্যমে নিজের এবং সরকারের লাভবান হওয়া সম্ভব
০৫নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস চট্টগ্রাম এবং জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয় চট্টগ্রামের যৌথ উদ্যোগে অনিবাসী বাংলাদেশীদের সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধ করণসভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক শাহানারা বেগম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এসময় জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি, অফিস চট্টগ্রামের উপপরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল আলম মজুমদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চয় অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জাবেদ ইসলাম, সুদীপ্তা চৌধুরী, অপর্ণা সূত্রধর, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি দপ্তরের জনশক্তি জরিপ কর্মকর্তা আনার কলিসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে জানিয়েছেন, প্রবাসীদের উপার্জনের টাকা জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে বিনিয়োগ করতে পারেন। এতে প্রবাসী নিজেও লাভবান হবেন। অপরদিকে সরকারও লাভবান হবেন। তিনি বলেন, অনেক সময় প্রবাসীরা কষ্টার্জিত টাকা সঠিকভাবে বিনিয়োগ করতে পারেন না। সঠিক বিনিয়োগের মাধ্যমে নিজের এবং সরকারের লাভবান হওয়া সম্ভব। সভাপতির বক্তব্যে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি, অফিস চট্টগ্রামের উপপরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল আলম মজুমদার জানিয়েছেন, বর্তমানে ১ কোটি ৩০ লক্ষ প্রবাসী রয়েছেন। প্রবাসীরা গত অর্থবছরে ১৮ কোটি বিলিয়ন ইউএস ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এবছর ২০ কোটি বিলিয়ন ইউএস ডলার রেমিট্যান্সের টার্গেট রয়েছে। প্রবাসীরা বাংলাদেশের বেকাত্বের সমস্যা দূর করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছেন। উপপরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল আলম মজুমদার জানিয়েছেন, বৈধপথে বিদেশ গমনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পন্থা না জানার কারনেই অনেকে যাত্রপথে বিপদগ্রস্থ হয় এবং অভিবাসনের প্রক্রিয়াটি থাকে ত্রুটিপূর্ণ। এতে কর্মীর পাশাপাশি দেশও বঞ্চিত হয় মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন থেকে। সে লক্ষ্যে সরকার প্রবাসীদের বিদেশ গমনের পূর্বে তিন দিনের অরিয়েন্টেশন কর্মশালার আয়োজন করে থাকে। এ কর্মশালায় প্রবাসীদের সঞ্চয়ের বিষয়ে জোরালো আহ্বান জানানোর আহ্বান জানানো হয়। প্রবাসীদের সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধ করা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি কাজ উল্লেখ করে উপপরিচালক আরো জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেক্স রয়েছে। দায়িত্বরত কর্মকর্তাগণ প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের একটি অংশ সরকারের জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে বিনিয়োগের পরামর্শ দিবেন বলে মন্তব্য করেন। মোহাম্মদ জহিরুল আলম মজুমদার আরো জানিয়েছেন, প্রবাসী কর্মীবান্ধব সরকার অভিবাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকল্পে ১৬ টি অভিবাসনপ্রবণ দেশের সার্ভিজ চার্জ কমিয়ে বিদেশ গমোনেচ্ছুদের সাধ্যের মধ্যে রেখেছেন।
চট্টগ্রাম জেলার চার থানার ওসিকে বদলি
০৫নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলার চার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বদলি করা হয়েছে। ওসি বদলি হওয়া চার থানা হলো-হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, পটিয়া ও আনোয়ারা। বুধবার (৪ নভেম্বর) পুলিশ সদর দফতরের এক আদেশে তাদের বদলি করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক। বদলি হওয়া চার ওসি হলেন- হাটহাজারী থানার ওসি মাসুদ আলম, ফটিকছড়ি থানার ওসি মো. বাবুল আকতার, পটিয়া থানার ওসি মো. বোরহান উদ্দিন ও আনোয়ারা থানার ওসি দুলাল মাহমুদ। পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক বলেন, পুলিশ সদর দফতর থেকে হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, পটিয়া ও আনোয়ারা থানার ওসিদের বদলির আদেশ হয়েছে। তাদের বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়েছে।
অপহরণের ঘটনায় থানায় মামলা করলেন সাংবাদিক সরওয়ার
০৫নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অপহরণের শিকার হওয়ায় চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানায় মামলা করেছেন সাংবাদিক সরওয়ার। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে তিনি নিজে থানায় গিয়ে মামলাটি দায়ের করেন। কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে বলে তিনি জানান। মামলা দায়েরকালে তার সঙ্গে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলামসহ সিইউজে নেতৃবৃন্দ থানায় উপস্থিত ছিলেন। মোহাম্মদ মহসিন বলেন, অপহরণের ঘটনায় সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার থানায় এসে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, নিউজ করার কারণে তাকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়েছে। মামলায় তিনি অজ্ঞাতনামা ছয়জনকে আসামি করেছেন। গোলাম সরওয়ার সাপ্তাহিক আজকের সূর্যোদয় পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এর আগে গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন তিনি। এরপর থেকে তার আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন পত্রিকাটির সহকারী সম্পাদক জুবায়ের সিদ্দিকী। নিখোঁজের চার দিন পর রবিবার (০২ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে সীতাকুণ্ডের কুমিরার হাজীপাড়া ব্রিজ ঘাট এলাকায় তাকে পাওয়া যায়। এরপর তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে আজ বুধবার দুপুরে তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। এরপর দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে গোলাম সরোয়ার সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি মোবাইলের কল লিস্ট সঠিকভাবে চেক করে ঘটনা তদন্তের দাবি জানান। গোলাম সরওয়ার বলেন, আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। ঘটনার কয়েক দিন আগে একটা অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে বলে, ওয়া নিউজগান গরি ভালা ন গরো। মোবাইলের কল লিস্ট সঠিকভাবে চেক করে ঘটনা তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।
দুর্দিনে শেখ হাসিনার ছায়াসঙ্গী ছিলেন আখতারুজ্জামান বাবু: মাহবুবুল আলম হানিফ
০৫নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এমপি বলেছেন, ৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যখন বাংলাদেশে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে নির্মূল করার চেষ্টা করা হয়েছিল, আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছিল, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার, গুপ্ত হত্যা, বিনা বিচারে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করা, বিনা বিচারে জেল দিয়ে নির্যাতনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার প্রয়াস ছিল সেই সময়ের ক্ষমতাসীনদের। সেই সময়ে যখন আওয়ামী লীগের অসহায় অবস্থা ছিল, তখন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এসে দলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তখন জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে ছায়ার মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন আখতারুজ্জামান বাবু ভাই। দলের প্রয়োজনে তাঁকে হাত খুলে সাহায্য করতে দেখেছি। দলের জন্য খরচ করতে দেখেছিলাম। তখন থেকেই আদর্শিক নেতা হিসেবে আমরা তাঁকে স্মরণ করতাম। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রয়াত আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুভাই সদা সদালাপী মানুষ ছিলেন, দানশীল ছিলেন। সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল, একদিকে তিনি রাজনীতিবিদ ছিলেন, আরেক দিকে ছিলেন প্রতিষ্ঠিত সফল ব্যবসায়ী। বাংলাদেশে সাধারণত ব্যবসায়ীরাই ব্যবসায়ী হন। রাজনীতিকে তারা ব্যবসায়ীক কাজে লাগান। এখানে বাবু ভাই ছিলেন ভিন্ন প্রকৃতির। তিনি ব্যবসার পাশাপাশি রাজনীতিকে আদর্শ হিসেবে নিয়েছিলেন। জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করেছেন। আওয়ামী লীগের অনেকের কাছেই তিনি ছিলেন অনেকটা ত্রাণকর্তার মতো। আজকাল বাবু ভাইয়ের মতো মানুষদের অভাব অনুভব করি। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন এমপি, মরহুমের সন্তান ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী, চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এম এ সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, আবুল কালাম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট এ কে এম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান চেমন আরা তৈয়ব, শাহাজাদা মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট মির্জা কছির উদ্দিন, অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন, প্রদীপ দাশ, খোরশেদ আলম, আবু জাফর, বোরহান উদ্দিন এমরান, ডা. তিমির বরণ চৌধুরী, গোলাম ফারুক ডলার, অ্যাডভোকেট আবদুল হান্নান চৌধুরী মঞ্জু, আবদুল কাদের সুজন, নুরুল আবছার চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আবদুর রশিদ, অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক, বিজয় কুমার বড়ুয়া, নাছির আহমদ চেয়ারম্যান, সেলিম নবী, বিজন চক্রবর্ত্তী, দক্ষিণ জেলা যুবলীগ সভাপতি আ ম ম টিপু সুলতান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক পার্থ সারথী চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মো. জোবায়ের, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী গালিব, দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শামীমা হারুন লুবনা প্রমুখ। স্মরণসভায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, চট্টগ্রামে আসতে হয় রাজনীতি শিখতে, জানতে। চট্টগ্রামে আসলে জাতীয় রাজনীতির সিগন্যাল পাওয়া যায়। এটি বঙ্গবন্ধু বুঝতেন বলেই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন, বার্তা পাঠিয়েছেন- চট্টগ্রাম জাগলেই বাংলাদেশ স্বাধীন হবে। এটা ইতিহাসে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করে গেছেন। চট্টগ্রামের মানুষ বীরসন্তান। তিনি বলেন, বাবু ভাই রাজনীতিবিদ ছিলেন। ৭৫র বঙ্গবন্ধুর হত্যার পরে টাকার জন্যে, ব্যবসার জন্যে কতজনের বিচ্যুতি হয়েছে। কিন্তু বাবু ভাই বঙ্গবন্ধুর রক্তের সাথে বেঈমানি করেননি। যে কারণে বাবু ভাই সকলের মাঝে আদর্শ হয়ে আছেন, আইডল হয়ে আছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্যের পরীক্ষায় তিনি উত্তীর্ণ হয়েছেন। যে কারণে আজকে তিনি স্মরণীয়, বরণীয় হয়ে আছেন। বাবু ভাই চট্টগ্রামের মানুষের হৃদয়ে প্রতিষ্ঠিত সত্য, সেই নাম মুছে যায়নি, মুছে যাবে না, তিনি চিরদিন বেঁচে থাকবেন মানুষের মনে। বাবু ভাই গভীর হৃদয়ের অধিকারী ছিলেন। তাঁর হৃদয়ে মানুষের ভালোবাসা ছিলো। বাবু ভাই চট্টগ্রামের হলেও তিনি বাংলাদেশ জয় করেছেন। ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, আমার বাবা আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু ৮ বছর আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু এই সময়ে বাবার অনুপস্থিতি আমি অনুভব করিনি। তিনি জনপথে জনরবে সবার হৃদয়ে আজ পর্যন্ত বেঁচে আছেন। তাঁর প্রত্যেকটা কর্ম প্রত্যেক কিছু দিয়ে আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। তিনি যে নেই, সেটা মনে হয় না। মনে হয় বাবা বিদেশে গিয়েছেন। একজন নাগরিক হিসেবে বলতে চাই, তাঁর আদর্শকে বুকে ধারণ করে রাখতে পারি। পিতার ত্যাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে আমার বাবাকে জেলে দিয়েছিলেন। এরশাদ সময়ে বাবা জেলে ছিলেন। আজকের তরুণ প্রজন্মকে আখতারুজ্জামান বাবুর আদর্শ ধারণ করার আহ্বান জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ, তাঁর সুযোগ্য কন্যা আমাদের মহান নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজকে বাংলাদেশকে একটি অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। কর্ণফুলীর তলদেশে টানেল হবে সেটা ছিল একটা স্বপ্ন। কাল্পনিক চিন্তা ছিল আমাদের। শুধু বাংলাদেশে নয়, দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম টানেল হচ্ছে চট্টগ্রামে। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। চট্টগ্রামসহ সারাদেশে অবিশ্বাস্য উন্নয়ন চলছে। আমরা প্রত্যেকটি সূচকে ইতিবাচক উন্নতির দিকে যাচ্ছি। যে কারণে বিশ্বের দরবারে আমাদের একটি সম্মানজনক অবস্থান তৈরি হয়েছে। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, আখতারুজ্জামান চৌধুরী এমন একজন নেতা, যিনি বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে, বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পরে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে আওয়ামী লীগের জন্য নিজের যা কিছু ছিল সবকিছু বিলিয়ে দিয়েছিলেন। তৃণমূল থেকে দলের সভাপতিমন্ডলী থেকে শুরু করে প্রত্যেক নেতাকর্মীর হৃদয়ে আখতারুজ্জামান চৌধুরী স্থান করে নিয়েছে। যতদিন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি থাকবে, ততদিন আওয়ামী লীগের প্রত্যেক নেতাকর্মীর হৃদয়ে তিনি বেঁচে থাকবেন।
ওরা আমাকে মেরেছে নিউজের কারণেই: গোলাম সরওয়ার
০৪নভেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুরো শরীরে এখনও ব্যথা। কাটিয়ে উঠতে পারেননি নির্যাতনের ধকল। সাংবাদিক নেতাদের কাঁধে ভর করে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) কার্যালয়ে এসেছিলেন সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। এর আগে রোববার (১ নভেম্বর) রাত পৌনে ৮টার দিকে সীতাকুণ্ডের কুমিরা বাজারস্থ খালের পাশে অর্ধউলঙ্গ অবস্থায় পাওয়া যায় সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারকে। তাকে উদ্ধার করার পর চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে তিনি সিইউজে কার্যালয়ে আসেন। গোলাম সরওয়ার আজকের সূর্যোদয় চট্টগ্রাম ব্যুরোর স্টাফ রিপোর্টার এবং অনলাইন পোর্টাল সিটি নিউজ বিডি ডটকমের নির্বাহী সম্পাদক ও প্রকাশক। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ওরা আমাকে দফায় দফায় পিটিয়েছে। অনলাইন পোর্টালে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কয়েকটি নিউজ করেছিলাম। এরপর আমার মোবাইলে বেশ কয়েকবার অজ্ঞাত ব্যক্তির ফোন এসেছিল। কেউ যেন বলেছিল, নিউজগান গরি ভালা ন গরো। এসব ফোনকল চেক করা যেতে পারে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) সকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন গোলাম সরোয়ার। তিনি বলেন, ওরা ইচ্ছেমতো পিটিয়ে বলেছে-আর নিউজ করবি কি-না বল? আমি ওদের বারবার বলেছি, নিউজ করবো না, প্লিজ আমাকে ছেড়ে দেন। তারপরও পিটিয়েছে। চোখে হাত দিতে দেয়নি। ওরা বলাবলি করছিল, এটাকে স্যাম্পল হিসেবে নিয়েছি। মেরে ফেলার দরকার নাই। সাইজ করো। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গোলাম সরোয়ার বলেন, আমি এখনও মানসিকভাবে অসুস্থ। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম আমি। আর্থিকভাবেও স্বচ্ছল নই। কারও বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেইনি। তবে আমি বিচার চাই। ওরা আমাকে মেরেছে নিউজের কারণেই। তবে কোন নিউজের কারণে মেরেছে, সেটা নিশ্চিত নই। অপহরণ হওয়ার পর থেকে চট্টগ্রামসহ দেশের সাংবাদিক সমাজ তাকে উদ্ধারে রাজপথে সরব থাকায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন গোলাম সরোয়ার। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইউজে সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, গোলাম সরওয়ারের কাছ থেকে অপহরণের বিষয়ে যেসব বক্তব্য পাওয়া গেছে তা পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য আতঙ্কের বিষয়। আমরা তাকে বলেছি, তিনি যদি মামলা করতে চান, তাহলে সিইউজে তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে এবং তার পাশে থাকবে। সিইউজের সাধারণ সম্পাদক ম শামসুল ইসলাম বলেন, অপহরণকারীদের শনাক্ত করা ও গ্রেফতারের বিষয়ে পুলিশ কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভিরকে আমরা স্মারকলিপি দিয়েছি। এরই মধ্যে সংগৃহীত ভিডিও ফুটেজসহ বিভিন্ন আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পাশাপাশি পুলিশের দুইটি টিম কাজ করছে বলে তিনি আমাদেরকে জানিয়েছেন। এসময় সিইউজে ও প্রেসক্লাব নেতা সহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বহদ্দারহাটের ত্রাস হামকা রাজু আটক
০৪নভেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের বহদ্দারহাট এলাকার সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাংলিডার মো. রাজু বাদশা প্রকাশ হামকা রাজুকে (৩০) আটক করেছে Rapid Action Battalion (Rab)। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) ভোররাতে চাঁন্দগাও থানাধীন বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে হামকা রাজুকে আটক করে Rab-7 এর একটি দল। আটক হামকা রাজু চাঁন্দগাও থানাধীন বহদ্দারহাট কসাইপাড়া এলাকার জয়নাল আবেদীন জুনুর ছেলে। তার বিরুদ্ধে কিশোরগ্যাং পরিচালনা ও কিশোর গ্যাংয়ের মাধ্যমে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে Rab। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন নিউজ একাত্তরকে বলেন, বহদ্দারহাট এলাকার সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাংলিডার মো. রাজু বাদশা প্রকাশ হামকা রাজুকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে চাঁন্দগাও থানায় হস্তাস্তর করা হয়েছে। Rab-7 এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহেল মাহমুদ বলেন, হামকা রাজুর বিরুদ্ধে ছিনতাই, হত্যাচেষ্টাসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে কিশোরগ্যাং পরিচালনা ও কিশোর গ্যাংয়ের মাধ্যমে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। নগরজুড়ে মোটর সাইকেলে ঘুরে ভাসমান ছিনতাই চক্রের দলনেতা ছিল মো. রাজু বাদশা প্রকাশ হামকা রাজু। বহদ্দারহাট এলাকায় চাঁদাবাজি, বাড়াইপাড়ায় জুয়ার আসর ও ইয়াবা বিক্রির বিভিন্ন স্পট পরিচালনা করে আসছিল দীর্ঘদিন। সম্প্রতি চাঁদার জন্য খাজা রোডে একটি টেক্সি স্ট্যান্ডে হামলা চালায় হামকা রাজু ও তার গ্রুপ। সিএনজি অটোরিকশা চালককে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয় হামকা রাজু। হামকা রাজু ছাড়াও বহদ্দারহাট এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদকসহ নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িত ধামা জুয়েল, ল্যাংড়া রিফাত, রনি সরকার, ইমন বড়ুয়া (বর্তমানে কারাগারে আছে), ফ্রুট সোহেল ও রুবেল।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর