সম্ভাবনাময় নতুন প্রজন্মকে আলোকিত মানুষ হতে হবে: নজরুল ইসলাম এমপি
২০অক্টোবর,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্তমান প্রজন্মের সম্ভাবনাময় মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রণোদনা দেয়া ও সামাজিক কর্মযজ্ঞে কার্যকর অবদান রাখা সামাজিক সংগঠসমূহের মূল্যায়নের লক্ষ্যে চন্দনাইশ ছাত্র সমিতি-চট্টগ্রামর উদ্যোগে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে গত ১৭ অক্টোবর কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও সামাজিক সংগঠন সম্মাননা ২০১৯ বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সংগঠনের পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। চন্দনাইশ ছাত্র সমিতির সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন গিফারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ সংসদীয় আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম চৌধুরী। প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মুজিবুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশ-চট্টগ্রাম রেঞ্জের এডিশনাল ডিআইজি আবুল ফয়েজ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজের সহ-সভাপতি ও বিজিএমইর পরিচালক এএম মাহবুব চৌধুরী, কবি ও নাট্যজন অভিক ওসমান, রিহ্যাব চট্টগ্রাম ও চন্দনাইশ সমিতির সভাপতি আব্দুল কৈয়ুম চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য ও চন্দনাইশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ জুনু, ব্যাংকার ও রাজনীতিক মাহবুবুর রহমান শিবলী, গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি শেখ টিপু চৌধুরী, চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এড. কামেলা খানম রুপা, যমুনা টিভি-চট্টগ্রামর ব্যুরো প্রধান জামসেদ রেহমান, লোকমান হাকিম, এসএম সাইফুল্লাহ রাহাদ, এএমএস ইসলামাবাদী গাজী, আইনজীবী এসএম সিরাজউদ্দৌল্লা, নুরুল আমজাদ চৌধুরী, এড. নজরুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন, শাখাওয়াত হোসেন শিবলী, চন্দনাইশ ছাত্র সমিতি-চট্টগ্রামর নেতৃবৃন্দ মো: বোরহান উদ্দিন, সাইফুদ্দিন হিরু, তানভীর আহমেদ ছিদ্দিকী, আব্দুল মন্নান হৃদয়, এনাম হোসেন হিরু, জাহেদুল ইসলাম, কপিল চৌধুরী, একেএম নাঈমুদ্দিন সায়েম, ইরফান সাদেক শুভ, মো: ইব্রাহিম, ইলিয়াস আহমেদ, সৈয়দ মুহাম্মদ তায়ছির, আসিফুল ইসলাম খান, সাজ্জাদ চৌধুরী, তৌফিক আলম জোহাদি, হুমায়রা আফরিন, আরিফ রুবেল, শাহ নেওয়াজ ইরফান, সানাউল্লাহ আরভিন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় বিশেষ কৃতিত্ব অর্জনকারী প্রায় দুই শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট সনদ দিয়ে সংবর্ধিত করে চন্দনাইশ ছাত্র সমিতি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সম্ভাবনাময় নতুন প্রজন্মকে আলোকিত মানুষ হতে হবে।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
১৯অক্টোবর,শনিবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ ১৯ অক্টোবর ২০১৯ চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সেপ্টেম্বর ১৯ মাসের কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০ টায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা, বিপিএম (বার), পিপিএম এর সভাপতিত্বে মাসিক কল্যাণ সভায় ফোর্সের সামগ্রিক কল্যাণ সংক্রান্ত বিষয় আলোচনা ও বাস্তবায়নে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।বাস্তব প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য চট্টগ্রাম জেলায় আগত শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারগণকে স্বাগত জানিয়ে বরণ করে নেন পুলিশ সুপার, চট্টগ্রাম।মৃত এএসআই(নি:)/ মশিউর রহমান ও মৃত কনস্টেবল/ মাহবুবুল আলম সোহেলের পরিবার, দূর্ঘটনায় আহত কনস্টেবল/ মো: সামছুল হক এবং শারীরিক অসুস্থ এএসআই(স:)/ মো: শাহাজালাল ও কনস্টেবল/ মো: নাজমুল ইসলামকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা, বিপিএম (বার), পিপিএম।চাকুরী হতে অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে গমনকারী কনস্টেবল মো: জাহিদুল ইসলাম বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।সেপ্টেম্বর১৯ মাসে আইনশৃংখলা রক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালনের জন্য ৫৭ জন অফিসার-ফোর্সকে পুরস্কৃত করেন পুলিশ সুপার মহোদয়।সভায় জেলার অপরাধ পরিসংখ্যান, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিবারণ, মামলা রুজু ও নিষ্পত্তি পর্যালোচনা এবং গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলা সমূহের তদন্তের অগ্রগতি আলোচনা করা হয়।সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগণ, সহকারী পুলিশ সুপারগণ, পুলিশ পরিদর্শকগণসহ বিভিন্ন পদবীর অফিসার-ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, পরোয়ানা তামিল, মামলার রহস্য উদঘাটনসহ সেপ্টেম্বর ১৯ মাসে কর্মক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা/শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫৭ (সাতান্ন) জন পুলিশ সদস্যকে সম্মাননা সনদ, ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা, বিপিএম (বার), পিপিএম। পুরস্কৃত পুলিশ সদস্যগণ হলেন-শম্পা রানী সাহা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সীতাকুণ্ড সার্কেল), চট্টগ্রাম (পুনাক কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের জন্য) মোঃ আবুল কালাম চৌধুরী, সহকারী পুলিশ সুপার, রাঙ্গুনিয়া সার্কেল (শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার) মোঃ সামছুদ্দিন ছালেহ আহমদ চৌধুরী পিপিএম(বার), সহকারী পুলিশ সুপার, মীরসরাই সার্কেল (শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার আগস্ট ১৯) মীর নজরুল ইসলাম, টিআই (প্রশাসন), চট্টগ্রাম (শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক পুলিশ অফিসার) সুব্রত ব্যানার্জী, কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক, সদর কোর্ট, চট্টগ্রাম (শ্রেষ্ঠ কোর্ট অফিসার) মো: কেপায়েত উল্লাহ, অফিসার ইনচার্জ, রাউজান থানা, চট্টগ্রাম (শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ) মো: শাহ্ আলম, পুলিশ পরিদর্শক(নিরস্ত্র), ডিআইও-১, জেলা বিশেষ শাখা। ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ পরিদর্শক(নিরস্ত্র), ডিআইও-২, জেলা বিশেষ শাখা (পুনাক কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের জন্য) মো: মহিউদ্দিন পিপিএম, পুলিশ পরিদর্শক(সশস্ত্র), ভারপ্রাপ্ত আরআই, চট্টগ্রাম। এসআই/সুফল চন্দ্র সিংহ, আনোয়ারা থানা (শ্রেষ্ঠ অস্ত্রগুলি উদ্ধারকারী অফিসার)এসআই/মো: মিজানুর রহমান, জেলা গোয়েন্দা শাখা।এসআই/মো: তাজুল ইসলাম, জেলা বিশেষ শাখা (শ্রেষ্ঠ ডিএসবি অফিসার)এসআই/মো: রফিকুল ইসলাম, সীতাকুন্ড মডেল থানা (শ্রেষ্ঠ মামলা তদন্তকারী অফিসার) এসআই/মেহের আলী, রাউজান থানা (শ্রেষ্ঠ মামলা তদন্তকারী অফিসার)এসআই/ইব্রাহিম খলিল, রাউজান থানা (শ্রেষ্ঠ এসআই) এসআই/তাপস চন্দ্র মিত্র, মিরসরাই থানা। এসআই/নাজমুল হক, বাঁশখালী থানা। এসআই/নিমাই চন্দ্র পাল, হাটহাজারী মডেল থানা।এসআই/মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, রাঙ্গুনীয়া মডেল থানা। এসআই/আবিদুর রহমান, সন্দ্বীপ থানা।এসআই(নি:)/খাইরুজ্জামান, আনোয়ারা থানা (শ্রেষ্ঠ মাদক ও চোরাচালান মালামাল উদ্ধারকারী অফিসার)এসআই/এ.টি.এম আমিনুল ইসলাম, ইনচার্জ, মালখানা, সদর কোর্ট।পিএসআই/মোহাম্মদ ইয়ামিন সুমন, সাতকানিয়া থানা।এএসআই/নুরুল হাকিম, ফটিকছড়ি থানা (শ্রেষ্ঠ এএসআই) এএসআই/সুজন চন্দ্র পাল, রাউজান থানা। এএসআই/অনজয় কুমার দে, সন্দ্বীপ থানা। এএসআই/বিপ্লব হোসেন, বাঁশখালী থানা। এএসআই/মো: শাকিল রানা, লোহাগাড়া থানা।এএসআই/বোরহান উদ্দিন, মিরসরাই থানা।এএসআই/মোঃ মোবারক হোসেন, জিআরও, বাঁশখালী চৌকি কোর্ট।এএসআই/মো: জয়নাল আবেদীন, জিআরও রাউজান পুলিশ কোর্ট।এএসআই/মোঃ আরমান হোসেন, জিআরও, পটিয়া চৌকি কোর্ট। এএসআই/জাহানারা আক্তার, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সেল।এএসআই(স:)/ আলমগীর হোসেন, পুলিশ লাইন্স, চট্টগ্রাম।এটিএসআই/ আবু বকর ছিদ্দিক, পুলিশ লাইন্স, চট্টগ্রাম। নায়েক/ নুরুল ইসলাম, পুলিশ লাইন্স, চট্টগ্রাম। নায়েক/ মোঃ রাজীব হোসেন, পুলিশ অফিস গোপনীয় শাখা।কনস্টেবল/ মোঃ আব্দুল হান্নান, সদর কোর্ট, চট্টগ্রাম। কনস্টেবল/মোঃ ইউনুচ মিয়া, সদর কোর্ট, চট্টগ্রাম।কনস্টেবল/ মো: বেলাল হোসেন, সদর কোর্ট, চট্টগ্রাম।কনস্টেবল/ মোঃ আবদুর রহমান, সদর কোর্ট, চট্টগ্রাম।কনস্টেবল/ মোঃ হাফিজ উল্যাহ, সদর কোর্ট, চট্টগ্রাম।কনস্টেবল/ মো: রবিউল ইসলাম, কম্পিউটার অপারেটর, সদর কোর্ট। কনস্টেবল/ মো: শাহীন মিয়া, পুলিশ লাইন্স, চট্টগ্রাম। নারী কনস্টেবল/ মিমি আক্তার, পুলিশ লাইন্স, চট্টগ্রাম। নারী কনস্টেবল/ বিবি আয়েশা, পুলিশ লাইন্স, চট্টগ্রাম।নারী কনস্টেবল/ প্রিয়া আক্তার, পুলিশ লাইন্স, চট্টগ্রাম। নারী কনস্টেবল/ সাবিকুন্নাহার, পুলিশ লাইন্স, চট্টগ্রাম। নারী কনস্টেবল/ আছমা আক্তার, পুলিশ লাইন্স, চট্টগ্রাম। নারী কনস্টেবল/ জান্নাতুল নাঈম, পুলিশ লাইন্স, চট্টগ্রাম। কনস্টেবল/ মো: আনোয়ার হোসাইন, পুলিশ অফিস গোপনীয় শাখা। কনস্টেবল/মো: সুজন আকন্দ, পুলিশ অফিস গোপনীয় শাখা। কনস্টেবল/ মো: ইমাম হোসাইন, পুলিশ অফিস গোপনীয় শাখা।কনস্টেবল/ মো: মহিবুর রহমান, পুলিশ অফিস। কনস্টেবল/ ইমতিয়াজ উদ্দিন, অপরাধ শাখা, পুলিশ অফিস।নারী কনস্টেবল/ সাবরিনা জাহান, অপরাধ শাখা, পুলিশ অফিস।কনস্টেবল/ স্বপন মাহমুদ, অপরাধ শাখা, পুলিশ অফিস।
চট্টগ্রামে বাবা-মেয়ের গলাকাটা লাশ উদ্ধার
১৯অক্টোবর,শনিবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের বন্দর থানার নিমতলা এলাকায় নিজ বাসা থেকে মো. আরিফ (৩২) নামে এক যুবক ও তার চার বছর বয়সী মেয়ের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে নিমতলার বুচুইক্যা কলোনির একটি বাসার নিচতলা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। চট্টগ্রাম বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকান্ত চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বুচুইক্যা কলোনির একটি ভবনের নিচতলার একটি বাসায় আরিফ পরিবার নিয়ে থাকতেন। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ দুটি উদ্ধার করে। ওসি বলেন,দুজনের গলাতেই ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মেয়ে বাসার খাটে এবং তার বাবার লাশ ফ্লোরে পড়ে ছিল। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলেও পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান।
শিশু রাসেল হত্যা ইতিহাসের অন্যতম নির্মম ঘটনা
১৯অক্টোবর,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম বলেছেন, শিশু রাসেল হত্যা বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম নির্মম ঘটনা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের নৃশংসতা ও বর্বরতা বিশ্ব মানব সভ্যতার বিপরীতে সবচেয়ে জঘন্যতম ভয়াবহ কলঙ্কিত অধ্যায়। এই কলঙ্কিত অধ্যায়ের খলনায়করা মানব সভ্যতার শত্রু। আমরা রাসেল পরিষদের উদ্যোগে গতকাল শুক্রবার নগরীর উত্তর কাট্টলী আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম কলেজ চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেলের ৫৬তম জন্মদিন পালন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে মনজুর আলম বলেন, বঙ্গবন্ধু এ দেশের মানুষের জন্য একটি অনুপ্রেরণার নাম। এ দেশের নাগরিক হিসেবে স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের জন্য দোয়া ও মাগফিরাত কামনা করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা রাসেল পরিষদের সভাপতি নাভিদ আব্দুল্লাহ মনজুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, তাহের মনজুর কলেজের অধ্যক্ষ বাদশা আলম, মোস্তফা-হাকিম ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক সত্যজিত বড়ুয়া, মোস্তফা-হাকিম স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রমুখ। আমরা রাসেল পরিষদ খুলশী থানা : শহীদ শিশু রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আমরা রাসেল পরিষদ খুলশী থানা ছাত্রলীগের উদ্যোগে শুক্রবার নাসিরাবাদস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু। খুলশী থানা ছাত্রলীগ নেতা তাওসিপ আহম্মেদের সভাপতিত্বে ও ছাত্রনেতা মোহাম্মদ হোসেনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মহানগর যুবলীগের সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন খন্দকার, ওমরগণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ মোহসীন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সাহেদুল আলম অপু। আরো বক্তব্য রাখেন মহানগর যুবলীগ নেতা হাজী নাছির উদ্দিন, মো. জাহেদ হোসেন টিটু। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন শাহিন মোল্লা, ইউছুপ খান হাসান, মো. শাকিল আহম্মেদ ইমরান, মো. সাজ্জাদ হোসেন রবিন, মো. তারেকুল ইসলাম পারবেজ, মো. জাহিদ হোসেন রাকিব, মো. জামিল শাহরিয়ার, মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. ইব্রাহিম বাবু, মো. আরাফাত হোসেন, মো. রাইসুল ইসলাম, দূর্জয় বিশ্বাস, ইরফানুল ইসলাম অন্তর প্রমুখ। মুজিব সেনা : মুজিব সেনা চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা সুপ্রভাত স্টুডিও হলরুমে সংগঠনের নগর সভাপতি মাহাবুব আলম আজাদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও মুজিব সেনা চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি দেলোয়ার হোসেন খোকা। নেতৃবৃন্দ বলেন,৭৫ সালের সেই কালো রাত্রিতে এদেশীয় কুলাঙ্গাররা বঙ্গবন্ধুর সাথে তাঁর নিষ্পাপ রাসেলকে নির্মমভাবে হত্যা করে নিজেদেরকে ও দেশের মাটিকে কলঙ্কিত করেছে। সভায় রাসেলের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মুনাজাত করা হয়। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর মুজিব সেনার সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা মোস্তাক, ওসমান গণি আলমগীর, মাহাবুব আলম, সাদেকুর রহমান সাদেক, ফসিউল আলম সমীর, ইসমাইল আজাদ, রুমকি সেনগুপ্তা, শেখ হারুন, ডা. জামাল উদ্দিন, সাইফুল আলম, মো: আসাদ, আসলাম কামাল, জিএম দীপু, ইমরান মাহমুদ, আনোয়ার আনসারী লিটন, মাইনুদ্দিন মনু, নার্গিস আক্তার নিরা, কামরুল হাসান, মো: মানিক, তারেক সোহেল, মমতাজ বেগম, মো: কামাল, কামাল হোসেন, আরিফুল ইসলাম, মো: হিরু, রায়হান, জাহিদ হোসেন, নুরুজ্জামান লিটন, আনোয়ার, ওয়াহিদুজ্জামান জাহেদ, আসিফুল ইসলাম, শাহ নেওয়াজ, ডা. আবদুল মান্নান, সোহেল পারভেজ, রিপন দে, জেসমিন আক্তার জেসমিন, সৈয়দ ইসমাইল, ফাতেমা নাসরিন প্রিমা, হানিফ লিটন, মো: হারুন, মোরশেদ প্রমুখ। সভা শেষে নেতৃবৃন্দ কেক কেটে শেখ রাসেলের জন্মদিন উদ্;যাপন করেন। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট : আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের নৃশংসতা ও বর্বরতা বিশ্ব মানব সভ্যতার বিপরীতে সবচেয়ে জঘন্যতম ভয়াবহ কলঙ্কিত অধ্যায়। এই কলঙ্কিত অধ্যায়ের খলনায়করা মানব সভ্যতার শত্রু। এরা বঙ্গবন্ধুর শিশু-সন্তান শেখ রাসেলকেও প্রাণভিক্ষা দেয়নি। শহীদ শেখ রাসেলের ৫৫ তম জন্মদিন পালনোপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংষ্কৃতিক জোট চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রাম জেলা শিশু একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথাগুলো বলেন। মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুর শিশু সন্তান নিষ্পাপ শেখ রাসেলকে যারা হত্যা করেছেন তারা এতই হৃদয়হীন যে তাদের কোলে নিজের সন্তানও নিরাপদহীন। এমন হৃদয়হীন বর্বর এখনও আছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিজামুল ইসলাম সরফী।প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
অসহায় মানুষের পাশে বিত্তবানদের দাঁড়াতে হবে: কামরুন মালেক
১৯অক্টোবর,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: হাসির তরে সেবা- এই ডাককে ধারণ করে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং সলিডারিটির উদ্যোগে নগরীর সিআরবি সাত রাস্তার মোড়ে রেলওয়ে হাসপাতাল কলোনি এলাকায় গরীব ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল জেলা ৩১৫-বি৪ এর জেলা গভর্নর লায়ন কামরুন মালেক। সলিডারিটি লায়ন্স ক্লাব প্রেসিডেন্ট লায়ন মুহাম্মদ গাউসুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন কেবিনেট সেক্রেটারি লায়ন জি কে লালা, কেবিনেট ট্রেজারার লায়ন আশরাফুল আলম আরজু, জিএমটি লীডার লায়ন জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, আরসি হেড কোয়ার্টারস লায়ন জাফরুল্লাহ চৌধুরী, লায়ন এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, রিজিওন চেয়ারপারসন লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মুজিবুর রহমান, জোন চেয়ারপারসন-১ লায়ন আবু বক্কর সিদ্দিকী, ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারপারসন লায়ন মনোয়ারা বেগম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা গভর্নর কামরুন মালেক বলেন, গরীব ও দুস্থ মানুষ যারা আমাদের আশপাশে থাকে তাদের প্রতি খেয়াল রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এসময় তিনি বিত্তবানদের অসহায় মানুষের পাশে থাকার আহ্বান জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লায়ন নিজাম উদ্দিন মামুন, এরফান উদ্দিন, তারেক কামাল, হালিমা বেগম, শরীয়ত উল্লাহ মানিক, নজরুল কবির, আব্দুল হাই, ডা. আবুল কালাম ওয়াহেদ, শাহানা আফরোজ, তামান্না বিনতে আজাদ, মুন্তাকিম মাহমুদ জুবায়ের, লিও ইসমাঈল আজিজ আলভি, জাহিন ইবনে আজাদ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
শিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি মানবিক হতে হবে
১৯অক্টোবর,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (ইউএসটিসি) ইংরেজি বিভাগের নবাগত ৩৩তম ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীদের গত বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বরণ করে নেয়া হয়। সেই সাথে তিনটি ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ভার্সিটির মওলানা ভাসানী অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউএসটিসি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রফেসর ড. আহমেদ মাওলা এবং ইব্রাহীম হোসাইন। ইউএসটিসি ইংরেজি বিভাগের সভাপতি মো. আবদুর রশিদের সভাপতিত্বে এতে অতিথি ছিলেন প্রফেসর ড. মাসুদুল আলম, আক্তার জাহান রিজভী এবং মোতালেব হোসেন ভূইয়া। এছাড়া এতে বিভাগের সকল ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকমন্ডলী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন ৭ম সেমিস্টারের ছাত্রী আসমা-উল-হুসনা ও ৪র্থ সেমিস্টারের ছাত্রী তানজিনা হাসেম মুক্তা। অতিথি বক্তা ইব্রাহিম হোসাইন ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতেই ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে হবে। অপর বক্তা, প্রফেসর মাওলা ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এখন সমাজে শিক্ষিত মানুষের অভাব নেই, তবে মানবিক মানুষের অভাব রয়েছে। কাজেই সবার আগে আমাদের মানবিক হতে হবে। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল বিভাগীয় ছাত্র-ছাত্রীদের মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে কবিতা আবৃত্তি, ক্ষুদ্র নাটিকা, গান, নৃত্য ও বিখ্যাত সাহিত্যের চরিত্র সমন্বয় করে উপস্থাপন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
সন্ত্রাস-দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ছাত্র ইউনিয়নের পদযাত্রা
১৭অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম জেলা সংসদ আয়োজিত সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে পদযাত্রা গতকাল বিকালে অনুষ্ঠিত হয়। পদযাত্রাটি নগরীর নিউমার্কেট থেকে শুরু হয়ে প্রেস ক্লাবে গিয়ে শেষ হয়। এর আগে সংগঠনের চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি এ্যানি সেনের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য রাখেন জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান চৌধুরী, কোতোয়ালি থানার সাধারণ সম্পাদক টিকলু দে, ডবলমুরিং সংসদের সভাপতি শাহরিয়ার রাফি, হালিশহরের আহ্;বায়ক নিশান রায়, মহসিন কলেজের শিক্ষার্থী আকিব আব্দুল্লাহ, বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইফুর রহমান খান প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন জেলা সাধারণ সম্পাদক শোভন দাশ। বক্তারা বলেন, আবরার, জোবায়ের, আবু বকর, হাফিজুর, বিশ্বজিৎ, সাদ, তাপস, দিয়াজ, আফসানা এ রকম অসংখ্য প্রাণ আমাদের মাঝখান থেকে হারিয়ে গিয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকেই শিক্ষাঙ্গন থেকে প্রায় দুইশত শিক্ষার্থীর জীবন ঝড়ে গিয়েছে। গত এক দশকেই ক্যাম্পাসে হয়েছে অন্তত দুই ডজন খুন। প্রায় প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে এক বা একাধিক খুনের ঘটনা। বিগত সময়ে ছাত্রদল-শিবির ক্যাম্পাসগুলোতে সন্ত্রাস, নির্যাতনের যে ধারা শুরু করেছে, এই সময়ে এসে ছাত্রলীগও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে হলে রয়েছে টর্চার সেল। টর্চার সেলগুলোতে শিক্ষার্থীদের নির্যাতন ও ভয় দেখিয়ে ভিন্নমত দমনের এক দখলদারি সংস্কৃতি চালু করেছে বিভিন্ন সময়ের সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠনসমূহ। ভিন্নমত দমনে খুনের পথ ধরতেও দ্বিধা করেনি তারা। ক্যাম্পাসগুলোতে নির্বাচিত ছাত্র সংসদ না থাকা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি চালু হওয়ায় পরিস্থিতি আরো ভয়াবহরূপ ধারণ করছে। বক্তারা বলেন,অবিলম্বে সকল ছাত্র হত্যার বিচার ও দখলদারিত্ব মুক্ত শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিত করতে হবে। নয়তো গণ প্রতিরোধের মাধ্যমে এর জবাব দেয়া হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চাই বৃত্তের বাইরে উদ্ভাবনী চিন্তা
১৭অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: অনেকের কাছে আকাশ ছোট হলেও স্বপ্ন কিন্তু অনেক বিশাল। তাই সাফল্য পেতে হলে চাই বেশি-বেশি স্বপ্ন দেখা। ভয়কে পেছনে ফেলে বৃত্তের বাইরে গিয়ে বাড়াতে হবে চিন্তা। নিজের ইচ্ছাশক্তিই পারে নিজেকে বদলে দিতে। চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউতে) অনুষ্ঠিত কর্পোরেট টক অনুষ্ঠানে এমনই সব কথা বলেছেন গ্রীণ ডেল্টা ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা চৌধুরী। গতকাল বুধবার সকালে নগরের জামালখান ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে সিআইইউ বিজনেস স্কুল ভয়েস অব অ্যান ইন্সুরার শীর্ষক এই কর্পোরেট টক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ফারজানা চৌধুরী ইন্সুরেন্স সেক্টরে তার প্রতিষ্ঠানের সফল হওয়ার গল্প, তরুণ-তরুণীদের উদ্যোক্তা হতে করণীয়, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, ইতিবাচক চিন্তা, লক্ষ্য ও মনোভাব নির্ধারণ, প্রযুক্তিকে ভালো কাজে ব্যবহার করার কৌশল, মেয়েদের পেশা বাছাইয়ে ভিন্ন চিন্তা করাসহ নানান বিষয়গুলো চমৎকারভাবে হলভর্তি দর্শকদের কাছে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তি বাড়াতে হবে। পড়ালেখা কিংবা কর্মক্ষেত্র- সবখানেই গবেষণায় ডুবে থাকা চাই। একা একা কখনই কিছু করা যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সভাপতির বক্তব্যে সিআইইউর উপাচার্য ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী বলেন, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় কর্মমুখী শিক্ষার গুরুত্ব বাড়াতে হবে। পাঠ্যসূচির সঙ্গে বাইরের জগতের পড়ার সমন্বয় হলে ছেলে মেয়েদের দক্ষতা বাড়বে। অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে সিআইইউর বিজনেস স্কুলের সহযোগী অধ্যাপক ও কর্পোরেট টক অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ড. সৈয়দ মনজুর কাদের বলেন, এই ধরনের কর্পোরট টক অনুষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা একজন সফল ব্যক্তির গল্পগুলো শুনে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পায়। আগামিতে বড়পরিসরে সহশিক্ষা কার্যক্রম, মেধা বৃত্তি ও গবেষণা বৃদ্ধিতে সিআইইউর সঙ্গে তিনি যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
প্রত্যেক শিশুর পিতামাতা হল আসল বন্ধু
১৬অক্টোবর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)র ইন্সপেক্টর আবু জাফর মুহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, আজকের শিশু আনবে আলো, বিশ্বটাকে রাখবে ভালে এই প্রতিপাদ্য বিষয়টা সবাই যদি মনে প্রাণে ও অন্তরে বিশ্বাস করে তবেই সমাজের সকল শিশু তার মৌলিক অধিকার ফিরে পাবে। পিতামাতা ছাড়া অন্যকাউকে প্রিয় বন্ধু করা যাবে না। প্রত্যেক শিশুর পিতামাতা হল আসল বন্ধু। একান্ত যদি কাউকে বন্ধু ভাবতে হয় তাহলে শিক্ষকদেরকে বন্ধু ভাবতে হবে। শিশুদের সামাজিক উন্নয়নে সমাজের ধনার্ঢ্য ব্যক্তিরা এগিয়ে আসলে, পথ শিশুসহ সুবিধা বঞ্চিত সকল শিশু তাদের সমাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে। শিশুদেরকে মাদক সহ সামাজিক অনৈতিক কর্মকা- হতে বিরত রাখতে সমাজের সকল স্তরের সচেতনতা প্রয়োজন। বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ ২০১৯ পালন উপলক্ষে সামাজিক সংগঠন অক্ষয় আমরা আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আশাবাদ ব্যক্তি করেন। সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি রাকিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নারী নেত্রী সমাজ সেবিকা ১৩নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নাদিরা সুলতানা হেলেন। ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রান সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ও ঝাউতলা ডিজেল কলোনী সমাজ কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাফর উল্লাহ মজুমদার, ঝাউতলা বাজার কমিটির উপদেষ্টা আব্দুল মতিন, পরিচালক হাজী মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন, ওব্যাট হেল্পারস চট্টগ্রামের প্রজেক্ট অফিসার মোঃ মোস্তাক, ওব্যাট প্রাইমারী স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষিকা ইসরাত পারভীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অক্ষয় আমরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা অন্তর মাহমুদ রুবেল। এতে আরও বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী ও সংগঠনের উপদেষ্টা মোঃ মাঈনুদ্দীন, স্বপ্ন যাত্রী ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোঃ কামাল হোসেন, অনুষ্ঠানে সমাজের প্রতিবন্ধী সুবিধা বঞ্চিত পথ শিশুসহ বিভিন্ন স্কুলের ৪০০ শিশুর অংশগ্রহণে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবন্ধি শিশুদের বিশেষ পুরস্কার প্রদান সহ প্রতিযোগিতায় ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জনকারী বিজয়ীদের মাঝে অতিথিবৃন্দ পুরস্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাংস্কৃতিক সংগঠক আশিক আরেফিন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর