ফোন করলেই এম্বুল্যান্স হাজির' কার্যক্রমের উদ্বোধন
০৫সেপ্টেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফোন করলেই এম্বুল্যান্স হাজির হচ্ছে। রোগী পৌঁছে দিচ্ছে পছন্দের হাসপাতালে। এ জন্য কোনো টাকাও দিতে হচ্ছে না। করোনার মাঝামাঝি সময়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ কর্তৃক শুরু হওয়া এমন কার্যক্রমের (হ্যালো এম্বুলেন্স) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) কোতোয়ালি থানা প্রাঙ্গণে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন। দেশে প্রথমবারের মতো থানার মাধ্যমে বিনামূল্যে এম্বুল্যান্স সেবাটি নিয়ে এসেছে নগরীর মডেল থানা হিসেবে পরিচিত কোতোয়ালি থানা পুলিশ। কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানিয়েছে, হ্যালো এম্বুল্যান্স সেবা কার্যক্রম উদ্ভোদনের পাশাপাশি শনিবার কোতোয়ালী থানার নবনির্মিত নতুন গেইটেরও উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সিএমপি কমিশনার মাহাবুবর রহমান বলেন, জন্ম থেকে বড় হয়ে উঠার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সম্পর্কে নেতিবাচক যে ধারণা তৈরি হয়েছে, সেই ধারণা থেকে যদি কিছুমাত্র কমানো যায়- এই চিন্তা থেকে করোনাকালে আমাদের মানবিক কার্যক্রম। আমরা করোনাকালকে বেঁচে নিয়েছিলাম, এই দূরত্ব কমানোর একটা সুযোগ হিসেবে। কাজ করতে গিয়ে সিএমপিসহ সারাদেশে অনেক পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আমিও আক্রান্ত হয়েছিলাম। আল্লাহর রহমতে আমরা বেশিরভাগ সদস্যই সুস্থ হয়েছি। নগরবাসীও অনেকেই আক্রান্ত হয়েছেন। প্রথমদিকে যে অব্যবস্থাপনা ছিল সার্বিকভাবে সরকারের নজরে আসার পর একটি সুষ্টু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ইতিমধ্যে সমস্যাগুলো অনেকাংশে লাঘব হয়েছে। আমাদের ভালো কাজের মাধ্যমে পুলিশ সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা যদি দূর হয়ে যায় সেটিই একজন অফিসার হিসেবে আমার প্রাপ্য, আমার কাম্য। অনুষ্ঠানের সভাপতি ও কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন হ্যালো এম্বুলেন্স সেবা সম্পর্কে বলেন, হ্যালো এম্বুল্যান্স সেবা বিনামূল্যের এম্বুল্যান্স সেবা। ০১৭৬৯৬৯৫৬৬৫,০৩১৬১৯৯২২ নাম্বারে ফোন করলে এম্বুল্যান্সই বাসায় পৌঁছে যাবে। হাসপাতালে রোগী পৌঁছে দিবে বিনামূল্যে।আপাতত কোতোয়ালী থানা এলাকাতেই পাওয়া যাচ্ছে এই সেবা। করোনাজয়ী এক মা কোতোয়ালী থানা এলাকার মানুষের জন্য এই উপহার দিয়েছিলেন। ওসি মোহাম্মদ মহসিন জানান, হ্যালো এম্বুল্যান্স ও থানার গেইট উদ্বোধনের পাশাপাশি পুলিশ কমিশনার স্যারের করোনা জয় এবং বিদায় উপলক্ষে সংবর্ধনা প্রদান করা হয় কোতোয়ালী থানার পক্ষ থেকে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম, অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) এস এম মোস্তাক আহমেদ খান ও অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) শ্যামল কুমার নাথ।
বিদায়ী শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন সিএমপি কমিশনার
০৪সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দীর্ঘ ২ বছর ৩ মাস জুড়ে চলমান পর্বের সফল পরিসমাপ্তি টানতে চলছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান, বিপিএম, পিপিএম। দায়িত্ব, নিষ্ঠা আর কর্তব্যপরায়ণতার হাত ধরে বন্দর নগরীর জনসাধারনের জানমালের নিরাপত্তায় শুরু থেকেই সর্বোচ্চ সচেষ্ট ছিলেন তিনি। পাশাপাশি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কালীন সময়ে গৃহীত মানবিক পুলিশিং কার্যক্রম বাংলাদেশ পুলিশের জন্য দেশব্যাপী হয়ে উঠেছিল অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে। অসহায়দের মাঝে নিয়মিত ত্রান সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম, করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় হাসপাতাল স্থাপন, হাসপাতালে ডাক্তারদের যাতায়াতে বাস সার্ভিস চালুকরণ, ডোর টু ডোর শপ চালুকরণ ইত্যাদি উদ্যোগের মাধ্যমে নগরবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান বিপিএম পিপিএম। এছাড়াও অধীনস্থ পুলিশ সদস্যদের জন্যেও ছিলেন অন্তঃপ্রাণ। প্রতিটি মাসিক কল্যান সভায় সরাসরি উপস্থিত থেকে সকল স্তরের পুলিশ সদস্যদের সমস্যার কথা শুনতেন ও সমাধান করতেন। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসায় আধুনিকায়ন করেছেন বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালের। বিদায় উপলক্ষে নাসিরাবাদস্থ পুলিশ অফিসার্স মেসে সিএমপির ক্রাইম বিভাগ ও ট্রাফিক বিভাগের সমন্বয়ে এক বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে বিদায়ী পুলিশ কমিশনার কে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম, বিপিএম-সেবা। পরবর্তীতে ক্রাইম জোনের পক্ষ থেকে সিএমপি কমিশনার এর হাতে বিদায়ী সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) মোস্তাক আহমদ খান, বিপিএম, পিপিএম(বার)। ট্রাফিক বিভাগের পক্ষে সিএমপি কমিশনারকে বিদায়ী স্মারক তুলে দেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার(ট্রাফিক) শ্যামল কুমার নাথ। এসময় সিএমপি কমিশনার উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে বিদায়ী শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তিনি সকলকে বরাবরের মতই দায়িত্ব ও নিষ্ঠার সাথে পরবর্তী সময়ে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান। উল্লেখ্য যে, গত ৩১ আগষ্ট, ২০২০ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান বিপিএম পিপিএম কে নতুন দায়িত্বে পদায়ন করা হয় শিল্পাঞ্চল পুলিশ ইউনিট, ঢাকায়।
ফুল উপহার না দিয়ে চট্টগ্রামের উন্নয়নে পরামর্শ দিন: সুজন
০৩সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিটি করপোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী সমিতির কার্যকরী কমিটি। বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীনের নেতৃত্বে কার্যকরী কমিটি সুজনের সঙ্গে এ সাক্ষাৎ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারী ও বিভাগের সাবেক শিক্ষক প্রফেসর ড. ওবায়দুল করিম দুলাল, সমিতির সাবেক সভাপতি সিরাজুল হক আনসারী, রাশেদ মনোয়ার, সেক্রেটারী আবুল কালাম আজাদ, অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক, এস এম মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মো. জহিরুল আলম, মো. নওশাদ চৌধুরী মিটু, সৈয়দা মাসুদা তুরানী, সাইফুদ্দীন সাকী, আরশাদ উল্লাহ, সেলিম খান প্রমুখ। প্রশাসক সুজন বলেন, বিত্তের শহর নয়, চট্টগ্রামকে চিত্তের শহর হিসেবে আগামী প্রজন্মকে উপহার দিতে চাই। আমাকে ফুল উপহার না দিয়ে চট্টগ্রামের উন্নয়নে কি কি পদক্ষেপ নেয়া যায় সে বিষয়ে আপনাদের পরামর্শ প্রদান করুন। যে কাজ করে সে তার ভুল দেখতে পায় না। দয়া করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অলোকিত সতীর্থ হিসেবে আমাকে ভুলগুলো ধরিয়ে দেবেন। এতেই আমি কৃতার্থ আর আনন্দিত হবো। তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম সিটির অবকাঠামোগত উন্নয়নে আমার দৃষ্টি থাকবে সম্মুখে। কোন অপশক্তি এই কাজে বাধা হতে পারবে না। সকলের উপদেশ ও সহযোগীতা প্রত্যাশা করছি।
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
০২সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ৩১শে আগষ্ট সোমবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে ১০নং উত্তর কাট্টলীস্থ আকবরশাহ থানা এলাকার জনৈক রেশমি আক্তার নামে এক মহিলা সংবাদ সম্মেলনে আকবরশাহ থানা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি লোকমান আলী ও সাধারণ সম্পাদক কাজী আলতাফ সহ কতিপয় আওয়ামীলীগ নেতা অপরাধীদের পক্ষ নিয়ে হুমকী ধমকী দিচ্ছে বলে উল্লেখ ও চট্টগ্রাম প্রতিদিন সহ একাধিক অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ায় তা আমাদের দৃষ্টি গোচরিভূত হয় বিধায় আমরা ঐ বক্তব্য বিভিন্ন পত্রিকা, ও অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আকবরশাহ থানা আওয়ামীলীগের বিশেষ করে সহসভাপতি লোকমান আলী, সাধারণ সম্পাদক কাজী আলতাফ এলাকায় সকল সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হয়ে প্রতিনিয়ত অসামাজিক কার্যক্রম, সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজীর বিরুদ্ধে অবস্থানের কারণে এক শ্রেণির স্বার্থান্বেশী কুচক্রি মহল সারা দেশের মত পরিকল্পিতভাবে উত্তর কাট্টলীতেও আওয়ামীলীগ এবং সরকারের ভাবমূর্থী ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে অপরাধীদের পক্ষ নিয়ে উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আমাদের বিরুদ্ধে এই ধরণের বক্তব্য প্রদানে বাধ্য করে। যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমরা উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং প্রশাসনকে এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি।- বিজ্ঞপ্তি
কারাগারের নিরাপত্তা রক্ষায় ৮ নির্দেশনা
০২সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা ও কাশিমপুর কারাগার থেকে দুই কারাবন্দি পালানোর ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে কারা প্রশাসন। নতুন করে ঢেলে সাজানো হচ্ছে কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি কারা সদর দফতর থেকে আটটি বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে চট্টগ্রামসহ দেশের ৬৮টি কারাগারে। নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে দফায় দফায় মিটিং করছেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, সম্প্রতি আইজি প্রিজনস বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে দেশের ৬৮টি কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কারা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়। আইজি প্রিজনসের পাঠানো চিঠিতে ৮টি করণীয় বিষয় উল্লেখ করে বলা হয়, কারা বিধি যথাযথভাবে অনুসরণপূর্বক নিয়মিত কেস টেবিল কার্যক্রম পরিচালনা করা, ফাইলে নিয়মিত অংশগ্রহণ, নৈশ পরিক্রমা, বন্দি দরবার সম্পন্ন করা, কারাগারে নিষিদ্ধ দ্রব্যের অনুপ্রবেশ বন্ধ করা, কারা অভ্যন্তরে গমনকারী পিআইইউ এর সদস্য এবং সিভিল কর্মচারীসহ সবাইকে যথানিয়মে তল্লাশিকরণ এবং সিসিটিভি মনিটরিং ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করে কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হলো। কোনও কারা কর্মকর্তা/কর্মচারীর দায়িত্ব পালনে ন্যূনতম ব্যত্যয় বা শৈথিল্যতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও হুঁশিয়ার করা হয় ওই চিঠিতে। চিঠিতে বলা হয়েছে, ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কোনও কোনও কারাগারে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, এমনকি বন্দি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা পর্যন্ত ঘটছে- যা চরম প্রশাসনিক দুর্বলতার নামান্তর এবং মোটেই তা গ্রহণযোগ্য নয়। কারাগার একটি স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠান। বন্দি পলায়নসহ যে কোনও দুর্ঘটনা রোধকল্পে কারা কর্মকর্তা/কর্মচারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করা আবশ্যক। ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, কারা কর্মকর্তা/কর্মচারীরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে সক্রিয় না হওয়ায় বন্দি পলায়নসহ বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে- যা সুষ্ঠু কারা প্রশাসনের অন্তরায় এবং কারা বিভাগের ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। অতএব বন্দি পলায়নসহ যে কোনও দুর্ঘটনা রোধপূর্বক কারা নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য সবকারা কর্মকর্তা/কর্মচারীকে সর্বোচ্চ অধিক সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। কারা সূত্র জানায়, কারা অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সাম্প্রতিক বন্দি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। একারণে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মিত জেলা ও কেন্দ্রীয় কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে জুম মিটিং করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র সচিব (সুরক্ষা) মো. শহিদুজ্জামান এবং আইজি প্রিজনস দুই ঘণ্টাব্যাপী ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজনস), সিনিয়র জেল সুপার ও জেল সুপারদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মিটিং করেন।
সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে
০১সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রগতিশীল সংবাদপত্র পাঠক লেখক ফোরামের অফিস উদ্বোধনী সভায় বক্তারা মাদকমুক্ত সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, শুধুমাত্র মাদক ব্যবসা আর সেবনের কারণে সমাজে আজ নানা অবক্ষয় দেখা দিয়েছে। যুব-ছাত্র সমাজসহ সব বয়সের সব শ্রেণী পেশার মানুষ মাদকে আসক্ত হয়ে অন্ধকার জগতে ডুবে যাচ্ছে। এতে করে বাড়ছে পারিবারিক ও সামাজিক অস্থিরতা। তাঁরা এ থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে এবং সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর অক্সিজেনস্থ প্রগতিশীল সংবাদপত্র পাঠক লেখক ফোরাম ও চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ, কেন্দ্রিয় কমিটির নতুন অফিস উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন। সংগঠনের উপদেষ্টা ও প্রবীণ শ্রমিক লীগ নেতা মো. নুরুল হক জেহাদীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাহেনা আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য ও সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা সাংবাদিক মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম। প্রধান বক্তা ছিলেন, সাংবাদিক প্রদীপ কুমার শীল। বিশেষ বক্তা ছিলেন, সংগঠনের উপদেষ্টা মো. নুরুল আলম ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. এনামুল হক লিটন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, আমিন শিল্পাঞ্চল ৪৩ নং সাংগঠনিক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মো. নুরুল আলম, বায়েজিদ থানা যুবলীগ নেতা মো. বাপ্পী চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফাউন্ডেশন নগর কমিটির সভাপতি মো. জসিম হাজারী, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহমান, বাংলাদেশ শ্রমিক সংহতি ফেডারেশন চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সহ-সভাপতি রুপম দাশ। অন্যান্যের মধ্যে প্রগতিশীল সংবাদপত্র পাঠক লেখক ফোরামের সহ-সভাপতি আমিনুল হক জুয়েল, চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের কার্যকরি সভাপতি মো. নুরুল কবির স্বপণ, সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মো. মাসুদ রানা, ইকবাল হোসেন, ইমদাদুল হক ইমন, মো. ওমর ফারুক, মামুন ইসলাম, অলক বড়য়া ও মো. রুমিসহ আরো অনেকে বক্তব্য রাখেন। এর আগে অতিথিবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে ফিতা কেটে সংগঠনের অফিস উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে সংগঠনের প্রয়াত প্রধান পৃষ্ঠপোষক, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী ইনামুল হক দানুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে ০১ মিনিট নিরবতা পালন ও রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
সিডিএ ও চসিক পারস্পরিক সমন্বয় করবে: সুজন
০১সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: এখন থেকে নগর উন্নয়নে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাবে বলে জানিয়েছেন চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুবই আন্তরিক ও সংবেদনশীল। তাই নগরের উন্নয়নে সুদূরপ্রসারী, অবকাঠামোগত ও দৃশ্যমান উন্নয়নের জন্য যথেষ্ট বরাদ্দ দিয়ে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের অনুমোদন দিয়েছেন। এ বিপুল পরিমান বরাদ্দের যথার্থ ব্যবহারের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চট্টগ্রামবাসীর আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে হবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সিডিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল আলম দোভাষের সঙ্গে সিডিএ ভবনে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন তিনি। সুজন বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নের ক্ষেত্রে যেখানে সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা থাকবে তা পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধান নিশ্চিত করতে পারলে শুধু চট্টগ্রামবাসী নয় সমগ্র বাংলাদেশ উপকৃত হবে। কেননা চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক হৃদপিণ্ড। চট্টগ্রাম বন্দর পৃথিবীর অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক বন্দর। এর ঐতিহ্য প্রায় ৩ হাজার বছরের। পাহাড় নদী-সমুদ্রবেষ্টিত চট্টগ্রাম নগর ভূ-প্রাকৃতিক ঐশ্বর্যে ভরপুর। তাই চট্টগ্রামকেই বিশ্বের অন্যতম একটি নান্দনিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এখানে যথেষ্ট উপাদান আছে। এই সম্ভাবনার আলোকে নগরকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের উন্নয়ন, আর্থ-সামাজিক কল্যাণ ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোকে একই লক্ষ্য নিয়ে একীভূত হতে হবে। নগরের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা উল্লেখ করে সুজন বলেন, শুধু সমন্বয়হীনতার কারণেই এখন পর্যন্ত জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সমস্যা নিরসনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, সেনাবাহিনী, ওয়াসা, ও সিটি করপোরেশনকে একাধিক মেগা প্রকল্প দিয়েছেন। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে চসিকের সঙ্গে সমন্বয় সাধনের বিষয়টিও তিনি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। জলাবদ্ধতাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে চসিকের যে জনবল ও অভিজ্ঞতা রয়েছে তা অন্য কোনো সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার নেই। তাই এ সব প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা দিতে চসিক মুখিয়ে আছে। তিনি চউক চেয়ারম্যানকে জানান, চট্টগ্রাম নতুন রেলওয়ে স্টেশনের সামনে পার্কিং স্পটটি এখন ব্যবহার হচ্ছে না। এখানে রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে একটি ৫তলা বিশিষ্ট পার্কিং জোন করা যেতে পারে। এজন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে প্রকল্পপত্র পেশ করা হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে চউকের সহযোগিতা কাম্য। ২৩ সংস্থার প্রধান নিয়ে সমন্বয় কমিটি: চসিক প্রশাসক জানান, চট্টগ্রাম উন্নয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৩টি সংস্থার প্রধান নিয়ে একটি সমন্বয় কমিটি হবে এবং একটি করে মাসিক সভা হবে। এতে পারস্পরিক দূরত্ব কমে আসবে। সিডিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল আলম দোভাষ চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনকে জানান, আমি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চট্টগ্রামের উন্নয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সেবাসংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা শুরু করি। ২০২০ সালের শুরুতে আমার এই সমন্বয় প্রচেষ্টা সফল হয় এবং এর সুফলও পাচ্ছি। আমি আন্তরিকভাবে পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতাকে গুরুত্ব দিই। আমরা যদি পরস্পর আন্তরিক হই তাহলে সমন্বয় সাধনের ক্ষেত্রে কোনো সংকট থাকবে না। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে নাগরিক দুর্ভোগ যেন প্রলম্বিত না হয়। তিনি চট্টগ্রামে পৃথক পৃথক বাস ও ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণে চসিক প্রশাসকের আগ্রহ ও পরিকল্পনার সঙ্গে ঐকমত্য পোষণ করে বলেন, এ দুটি টার্মিনাল নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। এতে পরিবহন সেক্টরে ব্যবস্থাপনাগত শৃঙ্খলা আসবে। তবে সবচেয়ে বেশি এখন যেটি দরকার তা হলো টার্মিনালের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা। এই পুরো উদ্যোগটি নির্ভর করে যথাযথ সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে। তিনি নগরে যানজট সমস্যার সমাধানে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও যুযোগযোগী করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব মোহম্মদ সাইফুল আলম চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস্, চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমদ, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, চউকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এএএম হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু ছিলেন প্রণব মুখার্জি: সুফি মিজান
০১সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু, কিংবদন্তি রাজনীতিক, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দেশের শীর্ষ শিল্প গ্রুপ পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। সোমবার (৩১ আগস্ট) তিনি এক বিবৃতিতে গভীর শোক জানিয়ে বলেন, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি, উপমহাদেশের কিংবদন্তি রাজনীতিক বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু প্রণব মুখার্জির মৃত্যুতে উপমহাদেশের এক বরেণ্য ব্যক্তিত্বকে হারালাম। তিনি প্রণব মুখার্জির বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি, কিংবদন্তি রাজনীতিক প্রণব মুখার্জি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে দিল্লির আর্মি রিসার্চ অ্যান্ড রেফারেল হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতা। গত ৯ আগস্ট পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন তিনি। এরপর স্নায়ুঘটিত সমস্যা দেখা দেওয়ায় গত ১০ আগস্ট তাকে আর্মি রিসার্চ অ্যান্ড রেফারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেদিনই অপারেশন হয় তার মাথায়। এছাড়া এর আগে থেকেই তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন। ভারতের ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি। ২০১২ সালে দেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে প্রণব মুখার্জি কয়েকবার অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮০ সাল থেকে তিনি একাধিক সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন। আনুগত্য ও অসামান্য প্রজ্ঞাবান এই বাঙালি ভারতের সর্বক্ষেত্রে শ্রদ্ধার পাত্র। গতবছরের আগস্টে তিনি ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ভারতরত্ন পুরস্কারে ভূষিত হন।
কিশোরগ্যাংয়ের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে রুখে দাঁড়াতে হবে- হুইপ সামশুল হক চৌধুরী
৩১আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় সংসদের হুইপ ও পটিয়ার সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী বলেছেন, অক্সিজেন সার্পোট টিমের ব্যানারে নবীন/প্রবীণ ছাত্রলীগ রক্তদান কর্মসুচি, বৃক্ষরোপনসহ বিভিন্ন সমাজসেবকমূলক কাজে জড়িত। ছাত্রলীগ কোন সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, কিশোরগ্যাংয়ের সাথে জড়িত থাকতে পারে না। অক্সিজেন সার্পোট টিমে যেসব ছাত্রলীগ নেতা রয়েছে তাদের মত ছাত্রনেতার প্রয়োজন রয়েছে। অতীতে ছাত্রলীগের গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে। ছাত্রলীগ স্বাধীনতা, সংগ্রামসহ বিভিন্ন গণমানুষের দাবি আদায় ও আন্দোলন সংগ্রামে বিভিন্ন সময় অগ্রণী ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। সোমবার সকালে জাতীয় সংসদের হুইপ ও পটিয়ার সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী রক্তদান কর্মসূচি উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন। পটিয়া ছাত্রলীগ নবীন/প্রবীণ অক্সিজেন সার্পোট টিমের উদ্যোগে ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট শহীদদের স্মরণে পটিয়ায় প্রথম বারের মত রক্তদান কর্মসূচি পালিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন- পটিয়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আ লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, দক্ষিণ জেলা আ:লীগের সদস্য ও উপজেলা আলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিজন চক্রবর্ত্তী, কুসুমপুরা ইউনিয়ন আ:লীগের সাধারণ সম্পাদক হোছাইন রানা, তরুণ আলীগ নেতা ঝুলন দত্ত, সাবেক ছাত্রনেতা অভিজিত ভট্টচার্য্য, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক উপ-সম্পাদক মো. এরফান, পটিয়া ছাত্রলীগ নবীন/প্রবীণ অক্সিজেন সার্পোট টিমের লিডার সেলিম উদ্দিন, সহ-সমন্বয়ক নাঈম উদ্দিন রিপন, সাব্বির, শহীদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান ঈশান, জিয়াউল হক রুবেল, মোহাম্মদ নাঈম উদ্দিন, সদস্য রনি আলমদার, আবদুল হাকিম সায়মন, হোসাইন মো. ফরহাদ, গিয়াস উদ্দিন, ওমর ফারুক বাবু, নিজাম আলমদার, সায়মন, মোরশেদ, বাপ্পু দাশ, তাসিফ। স্বেচ্ছায় ৪৫জন নবীন ছাত্রলীগ নেতা রক্তদান দেন।- পটিয়া প্রতিদিন

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর