এপিক সালেহ সিয়েলো ফিয়েস্তার সফল সমাপ্তি
১১ ফেব্রুয়ারী ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : ফ্ল্যাট কিনতে আগ্রহী ক্রেতাদের ব্যাপক আশাব্যঞ্জক সাড়ার মাধ্যমে শেষ হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপি এপিক সালেহ সিয়েলো মেলা। কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকায় অনুষ্ঠিত এপিক সালেহ সিয়েলো মেলায় ফ্ল্যাট বুকিং হয়েছে আশার চেয়েও বেশি। এই প্রজেক্টটি ঐ এলাকার জন্য সেরা প্রজেক্ট বলে দাবি এপিকের বিক্রয়কর্মীদের। কারণ সুইমিংপুলসহ জীবনযাপন এর আধুনিক সব বিলাসবহুল সুবিধা বিদ্যমান এবং পাচলাইশ আ/এ, সুগন্ধা আ/এ, চকবাজারসহ চট্টগ্রামের যেকোন লোকেশনে অতি দ্রুত যোগাযোগ করা যাবে এই প্রজেক্ট থেকে। নতুন বছরের সেরা অফার নিয়ে শেষ হওয়া মেলাতে ভিড় করেছিল নানা পেশার মানুষ। শিক্ষক, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী, আইনজীবী, প্রকৌশলী, ব্যাংকারসহ প্রবাসী পরিবারগুলোও এসেছে পাঁচ দিনের ওই মেলায়। ৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে গতকাল ১০ ফেব্রুয়ারি মেলাটি শেষ হয়। এপিক সালেহ সিয়েলো ফিয়েস্তা শেষ হলেও মেলার পরে আকর্ষনীয় অফার পেতে ১৫ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে যোগাযোগ করা যাবে ০১৯৩৯৬৬৬২২২ নম্বরে। অন্যান্য লোকেশনগুলোর মধ্যে রেডি ও নির্মাণাধীন আবাসিক ও বানিজ্যিক প্রকল্পস্থান গুলো হচ্ছে ইস্পাহানি হিলস, কাতালগঞ্জ, নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি, আসকারদিঘী পাঁড়, লালখান বাজার, চট্টেশ্বরী রোড,চন্দনপুরা, সিরাজউদ্দৌলা রোড,চাঁদগাও আ/এ, ফিরিঙ্গিবাজার, কালামিয়া বাজার। ঢাকার রামপুরা, কাওরানবাজার, বসুন্ধরা আ/এ-ও আছে আকর্ষণীয় প্রকল্পসমূহ। এপিক প্রপার্টিজ এর সেলস এন্ড মার্কেটিং এর এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা বছরের বেশ কয়েকটি সময়ে ফিয়েস্তা মেলা করে থাকি। প্রত্যেকটি মেলাতে ফ্ল্যাট ক্রেতা দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে। গ্রাহকরা চায়, নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী সামর্থ্যর মধ্যে একটি মানসম্পন্ন ফ্ল্যাট। এপিক সবসময় গ্রাহকদের সেই চাহিদা পূরণে সচেষ্ট। এপিক প্রপার্টিজের পরিচালক প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন জানান, মেলায় আমরা আশাতীত সাড়া পেয়েছি। আমাদের অনেক ফ্ল্যাট বুকিং হয়েছে। গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী রেডি ফ্ল্যাট ও কমার্শিয়াল স্পেসও রয়েছে আমাদের অন্যান্য প্রকল্পে। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে এপিক সবসময় এগিয়ে থাকার ক্ষেত্রে সচেষ্ট। তিনি বলেন, চট্টগ্রামসহ সাড়া দেশে মানসম্মত ফ্ল্যাট ও কমার্শিয়াল স্পেস নির্মাণে এপিকের সুনাম রয়েছে। প্রকল্প নেওয়ার ক্ষেত্রে লোকেশন ও গ্রাহকদের চাহিদা মাথায় রাখা হয়। গ্রাহকদের আস্থার প্রতিদান দিতে আমাদের প্রত্যেকটি প্রকল্পই মানসম্মতভাবে নির্মাণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
হুমকি দিলে উচ্ছেদের গতি দ্বিগুণ করা হবে: সাইফুজ্জামান চৌধুরী
৯ ফেব্রুয়ারী ,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : কর্ণফুলীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কেউ হুমকি দিলে উচ্ছেদের গতি দ্বিগুণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। এসময় তিনি আরো বলেন, হুমকি দিয়ে কেউ পার পাবে না। আজ শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নগরীর মাঝির ঘাট এলাকায় কর্ণফুলীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, আগের বাংলাদেশ এখন নেই। এটা একুশ শতকের বাংলাদেশ। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ। এখানে আমাদের ইন্টেলিজেন্স ভেরি স্ট্রং। কেউ হুমকি দেবে, আমরা আমলে নেবো- এমন হবে না। যার সাহস আছে সে হুমকি দেয়? কে হুমকি দিচ্ছে? কী হুমকি দিচ্ছে? হুমকি দিয়ে কেউ পার পাবে? কেউ পার পাবে না, যোগ করেন ভূমিমন্ত্রী। জাবেদ বলেন, অনেকে মনে করছেন, শুরুটা করলাম- তারপর মনে হয় উচ্ছেদ কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। নো, এটা হবে না। আমি থাকতে কাজ বন্ধ করতে দেবো না। কাজ শুরু হয়েছে। কাজ শেষ হবে। কর্ণফুলী নদীকে ঘিরে যে পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি, সেটা বাস্তবায়ন করা হবে। ভূমিমন্ত্রী বলেন, অবৈধ কোনো স্থাপনা আমরা রাখবো না। তবে এখানে কিছু বিষয় আছে। অবৈধ স্থাপনার মধ্যে একটা কোল্ড স্টোরেজ আছে। এতে ব্যবসায়ীরা কয়েক হাজার টন মাছ স্টকে রাখেন। ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করে কোনো কাজ করলে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিনি বলেন, শো অফ কিংবা পাবলিসিটির জন্য ধুমধাম করে উচ্ছেদ করে ফেললাম। এটার কনসিকোয়েন্স কী- এটা ভাবলাম না, এ রকম হলে হবে না। কর্ণফুলী কিন্তু জাতীয় সম্পদ। এখানে প্রত্যেকটা কাজ আমাদের ফাইন লাইন করে করতে হবে। কিন্তু কোনো স্থাপনা রাখা যাবে না। ইলিগ্যাল কোনো স্থাপনা থাকতে পারবে না। নির্দিষ্ট একটা সময় দিয়ে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, আমরা রূপকল্প-২০২১ কিংবা রূপকল্প-২০৪১ এর কথা বলছি। এর মানে কী? এসব বই-খা্তা কিংবা ফাইলের কোনো বিষয় না। রূপকল্প কাজের মধ্য দিয়ে, মাইন্ড সেট আপের মধ্য দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। নদীগুলোকে দখলমুক্ত রাখাও কিন্তু এসব কাজের মধ্যে পড়ে। তিনি বলেন, এখানে আমরা দেশের জন্য কাজ করছি। জনগণের জন্য কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাইছেন দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে, একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে। সবার সহযোগিতার মাধ্যমেই এটি সম্ভব। ভূমিমন্ত্রী বলেন, ভূমি উদ্ধারের পর আমাদের পরিকল্পনা নিয়ে অনেকে জানতে চাইছেন। আমরা একটু সময় নিয়ে পরিকল্পনা করছি। কর্ণফুলীর তীরে দৃষ্টিনন্দন কিছু স্থাপনা করার ইচ্ছে আছে। এখানে আমরা কয়েকটা পল্টুন জেটি নির্মাণের চিন্তা ভাবনাও করছি। তিনি বলেন, কর্ণফুলী নদীতে প্রচুর কার্গো অ্যাক্টিভিটিস আছে। পণ্য উঠানামার বিষয় আছে। আমাদের আউটার অ্যাংকারে কার্গো নিয়ে প্রচুর মাদার ভেসেল আসে। এ কার্গোগুলো অনেক সময় সিরিয়ালের কারণে গ্রিডলকে পড়ে যায়। ফলে আমাদের প্রচুর ফরেন কারেন্সি নষ্ট হচ্ছে। জাবেদ বলেন, একটা জাহাজে ২৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ডেমারেজ দিতে হচ্ছে। এসব কিন্তু আমাদের রিজার্ভ থেকে চলে যাচ্ছে যেটা আননেসেসারি। এটা আমাদের ধরে রাখতে হবে। বছরে যদি কয়েক মিলিয়ন ডলারও আমরা সেইভ করতে পারি, এটা কিন্তু হিউজ। জেটি তো আমরা নিজেরা নির্মাণ করতে পারবো না, এটার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যারা আছেন তাদের সঙ্গে আলাপ করবো। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমেও এটা করা যায় কী না তা দেখা হবে, যোগ করেন সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ।
বিশ্বখ্যাত সেগাফ্রেডো জেনেতি এসপ্রেসো কফিশপ এবার বন্দর নগরীতে
৪ ফেব্রুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কফি হাউজের প্রতি সুস্থ চিন্তাশীল মানুষদের আকর্ষণ কখনও কমেনি। তবে আড্ডা দেওয়ার মত কফিশপের অভাবটা ছিল সবসময়ের। অতিমাত্রায় ব্যবসায়িক চিন্তা আর কর্পোরেট ভাবনার অজুহাতে বারবার হতাশ হতে হয়েছে কফির চুমুকে। সুস্থ-সুন্দর সকল চিন্তাশীল নগরবাসীর জন্য সুখবর নিয়ে নগরীতে যাত্রা শুরু করছে সেগাফ্রেডো জেনেতি এসপ্রেসো কফিশপ। নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির ১ নাম্বার রোডের বিপরীতেত ইনোভেটিভ ভুঁইয়া অর্কিডের নিচতলায় এ কফিশপ উদ্বোধন করা হয়েছে। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন গতকাল রবিবার বেলা ১১টায় ফিতা কেটে কফিশপটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনকালে মেয়র বলেন, আমি খবর নিয়েছি এ কফি জেনুইন। অনেকে ব্রান্ড নাম নিয়ে আসে, কিন্তু কোয়ালিটি নিশ্চিত করে না। কিন্তু সেগাফ্রেডোর কফিশপে কোয়ালিটি নিশ্চিত করা হবে বলে আশা করছি। ১৯৮৮ সালে ইতালিয়ান নাগরিক মাশিমো জেনেতি শুরু করেছিলেন এসপ্রেসো ক্যাফে। সেখান থেকে জনপ্রিয়তায় ভর করে একেক করে ৩৮টি দেশে ছড়িয়েছে এ ব্রান্ড। এবার বাংলাদেশের একমাত্র শাখা হিসেবে যাত্রা করছে বন্দর নগরীতে। এই কফি আমদানি করছেন এলবিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান রাইসুল উদ্দীন সৈকত। সুদূর ইতালি থেকে আগত বিশেষ টিম কফিশপের সবকিছু ইনস্টল করেছেন। গতানুগতিক ধারণা থেকে বেরিয়ে বিশ্বখ্যাত জনপ্রিয় কফি ব্রান্ডটির যাত্রা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তা এলবিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান রাইসুল উদ্দীন সৈকত। তিনি জানান, আমি কফির চুমুকে সে নস্টালজিয়া আড্ডাটি আবার জাগিয়ে তুলতে চাই। ঠিক সেভাবে সাজিয়েছি প্রিয় কফিশপটি। জীবনের সাতটি বছর কাটিয়েছি অস্ট্রেলিয়ায়। সেখানে দেখেছি মানুষ কফিশপে বসে তাদের পথচলার অবসর সময়গুলো সুন্দর করে পার করে। তেমন কোনো পরিবেশ আমাদের দেশে পাইনি। সে অভাববোধ থেকে এ কফিশপের যাত্রা। তাছাড়া সেগাফ্রেডো কফি পৃথিবীর সেরা কয়েকটির মধ্যে অন্যতম। কফির যেমন কোয়ালিটি শতভাগ নিশ্চিত করা হবে, তেমনি পরিবেশটাও হবে কফির সাথে মিতালি করে। যে কেউ কফির চুমুকে তাঁর ব্যস্ত জীবনের খানিক আড্ডা কফিশপে করতে পারবেন। বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আড্ডা দিতেই এ কফিশপ। আশা করছি নতুন স্বাদের সেগাফ্রেডো জেনেতি এসপ্রেসো তাদের সেই আস্থা যোগাতে সক্ষম হবে। ৪৮ জনের বসার ব্যবস্থা সম্বলিত এ কফিশপে থাকছে ৭ ক্যাটাগরির ৬০ ধরনের কফি, ৫০ রকমের বেভারেজ, ৩০ থেকে ৩৫ রকমের ফাস্টফুড, ৪ প্রকারের চা ছাড়াও থাকবে সি-ফিশের স্পেশাল রেসিপির খাবার। পরিবেশটাও বেশ দারুণ। তবে দাম নিয়ে দুশ্চিন্তা এড়াতে রাইসুল উদ্দীন সৈকত জানিয়েছেন, কফির দাম ১৬০ টাকা থেকে ৫শ টাকার উর্ধ্বে হবে না। কফিশপটি সাজানো হয়েছে আন্তর্জাতিক সেগাফ্রেডোর কফিশপের আদলে। এমনকি কফিশপে ব্যবহৃত প্রতিটি জিনিস আমদানি করা হয়েছে ইতালি থেকে। শপটির প্রবেশদ্বারেই রয়েছে কাউন্টার বার। সেখানে থাকছে দুটো এলইডি স্ক্রিন, যেখানে খাবারের সব তালিকা আলাদা করে প্রদর্শিত হবে। এরপাশে রয়েছে উন্মুক্ত হাওয়ায় নিজেকে হারানোর সুযোগ। পাশে অনেকটা বেলকনির মত করে আরেকটি কক্ষ করা হয়েছে। যেখানে বসে যে কেউ চাইলে খোলা হাওয়ায় কফির স্বাদে নিজেকে হারাতে পারবেন মুক্ত চিন্তার সাগরে। এসময় এলবিয়ন গ্রুপের উপদেষ্টা মো. নিজাম উদ্দীন, নাছিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির হাইজি সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান, সহ সভাপতি মো. ইদ্রিস, জুনিয়র চেম্বার চট্টগ্রামের সাবেক সভাপতি গিয়াস উদ্দীন, র্যাংকস প্রোপার্টিজের সিইও তানভির শাহরিয়ার রিমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
শিক্ষিত মা-ই পারে সন্তানদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে
৪ ফেব্রুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ওয়েল গ্রুপের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত মাবিয়া রশিদিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যাগে পরিচালিত ওয়েল শিক্ষাবৃত্তি প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবদের সাথে মতবিনিময় সভা গতকাল নগরীর ওয়েল পার্ক রেসিডেন্সের ৯ম তলায় মোহরা গার্ডেন হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ওয়েল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও সৈয়দ নুরুল ইসলাম শিক্ষার্থী ও অভিভাবদের উদ্দেশ্যে বলেন, সুন্দর দেশ ও জাতির জন্য মায়েদের অবশ্যই শিক্ষিত হতে হবে। একজন শিক্ষিত মা-ই পারে তার সন্তানদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে। শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করে, জীবনে গতি আনে, নতুন পথ দেখিয়ে জীবন গড়তে সহায়তা করে। সন্তান জন্মের পর সে একেবারেই কাদামাটির মতো থাকে, তাকে সকল প্রকার শিক্ষা দিয়ে গড়ে উঠতে সাহায্য করে একজন মা। একজন শিক্ষিত মা-ই পারেন তার সন্তানের সুপ্ত মনোবৃত্তির বিকাশ ঘটাতে। একটু খেয়াল করলেই দেখা যায়, অশিক্ষিত মায়েরা অজ্ঞতার কারণে সন্তানের জীবনগঠনে খুব একটা সহায়তা করতে পারেন না। তখন বেশির ভাগ সময়ই সন্তান অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়। শিক্ষিত মায়েদের সন্তান স্বাভাব-চরিত্রে, শিক্ষায়, ভদ্রতা-নম্রতায় আদর্শবান হয়। যে দেশের মেয়েরা শিক্ষা-দীক্ষায় যত উন্নত সে দেশের জনগণও সকলক্ষেত্রে উন্নত এবং সে জাতিই বিশ্বের বুকে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে অধিষ্ঠিত। তাই নারী শিক্ষা উন্নয়নে ওয়েল গ্রুপের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত মাবিয়া রশিদিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যাগে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করে আসছে। আগামীতে শিক্ষার্থীদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষার জন্য ফাউন্ডেশন নিজেই কাজ করবে এবং বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার খোঁজ খবর রাখবে। জীবনে প্রতিষ্ঠার পেছনে অধ্যবসায়ের উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, নিজের কঠোর অধ্যবসায়, সততা থাকলে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়া সম্ভব। তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ওয়েল গ্রুপ পরিবার। ওয়েল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম নিজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন, একটি শিল্প সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছেন। পাশাপাশি বর্তমানে চট্টগ্রামের উন্নয়নে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তার পেছনে ভূমিকা রেখেছে কঠোর অধ্যবসায় ও পরিশ্রম। আমরাও গরীব ঘরে জন্ম নিয়েছি। নিজেদের পরিশ্রম দিয়ে আজকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ওয়েল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম কমু, মঞ্জুরুল হাসান বাবুল প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
নিছক বিনোদন নয়, নতুনভাবে বাঁচারও পথ দেখায় সাহিত্য
৪ ফেব্রুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউতে) বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হামিদ রেজা খানের বেলা অবেলার গল্প উপন্যাসের মোড়ক উন্মোচন হয়েছে। সামাজিক প্রেক্ষাপট, পাওয়া না পাওয়ার হিসেব নিকেষ আর আশপাশে ঘটে যাওয়া সমাজের প্রিয় মুখগুলির জীবন কাহিনীর মতোই চমৎকার কিছু সুঃখ-দুঃখ সুনিপুন হাতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই উপন্যাসে। গতকাল রোববার বিকেলে নগরের জামালখানের সিআইইউ ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে চট্টগ্রামের কবি, সাহিত্যিক, ছড়াকার, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ উঠতি লেখক ও পড়ুয়ারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিআইইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী বলেন, প্রবাসী লেখক হামিদ রেজা খান তার বেলা অবেলার গল্পে যে চরিত্রগুলোর কথা তুলে এনেছেন সেগুলো নিঃসন্দেহে আমাদের সমাজের মানুষের কারও কারও জীবনের গল্প। লেখকের কাহিনী সামসময়িক। তিনি আরও বলেন, সাহিত্য কেবল নিছক বিনোদনের খোরাক-ই জোগায় না, জীবনকে নতুনভাবে বেঁচে থাকারও পথ দেখায়। ভবিষ্যতে তার হাত ধরে আরও জীবনমুখী রচনা উঠে আসবে এমনটা প্রত্যাশা আমার। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার বলেন, লেখকের চিন্তা-চেতনা, অনুভূতি, কল্পনার সৌন্দর্য্য ও শিল্পের অবয়ব-এক কথায় অসাধারণ। তিনি চরিত্রগুলো ফুটিয়ে তোলার আগে নিজে সেগুলোর ভেতর বসবাস করেছেন। আর সেই কারণে এতো জীবনঘনিষ্ঠ লেখা আমাদের উপহার দিয়েছেন। সিআইইউর ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক বলেন, লেখক হামিদ রেজা খান প্রবাসী হলেও তিনি একজন সাহিত্যপ্রাণ মানুষ। বই ছাড়া কিছুই বোঝেন না। ভালো গল্প লিখে সমাজ পরিবর্তনের তাড়না তাকে সবসময় তাড়া করে বেড়ায়। লেখক হামিদ রেজা খান বলেন, আমি সবসময় বাস্তবতার প্রেক্ষাপট থেকে লিখতে ভালোবাসি। যে কাহিনী কিংবা গল্পগুলো হয়তো আমাদের প্রত্যেকের জীবনের সঙ্গে মিল রয়েছে, বেলা অবেলার গল্প ঠিক সেই ধরণের একটি উপন্যাস। যেখানে রবি পাটোয়ারি নামের একটি চরিত্রের বর্ণণা দিতে গিয়ে অনেকগুলো মানুষের কথা তুলে ধরা হয়েছে। সভাপতির বক্তব্যে স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক কাজী মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, ভাষা যেমন নিজের ভাব অন্যের কাছে তুলে ধরে, তেমনি সাহিত্যের বিশালতাও আকাশের বিশালতাকে হার মানায়। ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক উন্মেহানি পিংকির উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন কবি ও প্রাবন্ধিক আবুল মোমেন, ফেরদৌস আরা আলীম, অধ্যাপক ভূঁইয়া ইকবাল, অধ্যাপক ওবায়দুল করিম, কথা সাহিত্যিক বাদল সৈয়দ, চবির বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শেখ সাদী, সিআইইউর সহকারী অধ্যাপক মো. সাইফুর রহমান, ইডিইউর ডিক্টের জেনারেল সৈয়দ শফিক উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
পোর্ট সিটি ভার্সিটিতে বিগ ডাটা শীর্ষক সেমিনার
৪ ফেব্রুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে গত ৩ ফেব্রুয়ারি বিগ ডাটা : হোয়াট, হয়ার, হোয়াই এন্ড হাউ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামসুল আরেফিন। প্রধান বক্তা বলেন, আমাদের ল্যাবরেটরিগুলোতে বিগ ডাটার ব্যবহার প্রতিনিয়ত প্রসারিত হচ্ছে। আইটি সেক্টর, ব্যাংক, কমার্শিয়াল ড্রোন ইন এ্যাগ্রিকালচার এসব ক্ষেত্রে বিগ ডাটার চাহিদা বাড়ছে। শিক্ষার্থীদের গবেষণার ক্ষেত্রে এই ধরনের ডাটা টনিক হিসাবে কাজ করবেও বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বিভাগের সভাপতি সৌমিত্র দাশের সভাপতিত্বে সেমিনারের প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নূরল আনোয়ার, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার মফজল আহমদ। উল্লেখ্য, সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান সহ বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু
৪ ফেব্রুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমানের নেতৃত্বে নগরীর সদরঘাট এলাকা থেকে এ অভিযান শুরু হয়। এতে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে সিটি কর্পোরেশন, বিআইডব্লিউটিএ ও ফায়ার সার্ভিসসহ ১০টি সংস্থা এ উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নেয়। তিনটি জোনে ভাগ করে নগরীতে এ অভিযান চালানো হবে। প্রথমে নগরীর সদরঘাট থেকে বারেক বিল্ডিংয়ের মোড় পর্যন্ত দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা ও পরবর্তীতে পতেঙ্গা এবং তৃতীয় মোহরা এলাকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। উচ্ছেদ চলাকালে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ ও Rab সহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবলীগ কর্মী নিহত
২ ফেব্রুয়ারী শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবরশাহ থানার বেলতলীস্থ আবিউল প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় শুক্রবার রাতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এক যুবলীগ কর্মী নিহত হয়েছেন। নিহত মোহাম্মদ মাসুদ প্রকাশ ওরফে পানি মাসুদ মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার আবুর হাট ঘোড়াতলী গ্রামের আবুল বশরের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম জানান, আকবরশাহ এলাকা থেকে ছুরিকাঘাতে আহত মাসুদ নামে এক যুবককে রাত সাড়ে ৮টায় হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয়রা জানায়, যুবলীগের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের যুবকরা পানি মাসুদকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে। নিহতের মামা জানান, মাসুদ আকবরশাহ এলাকায় বসবাস করতো। সন্ধ্যার দিকে তার দলের কয়েকজন তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। রাতে আকবর শাহ রেলওয়ে হাউজিং সোসাইটির পাশে বেলতলি ঘোনা ফারুক চৌধুরী মাঠের পাশে দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। এদিকে মাসুদ হত্যার প্রতিবাদে রাতে আকবরশাহ এলাকায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধে করে যুবলীগ-ছাত্রলীগের একাংশ। পরে পুলিশ গিয়ে অবরোধ তুলে দিলেও মধ্যরাত পর্যন্ত দুই পক্ষের মধ্যে মারধর, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও বিক্ষোভ হয়।-ইউএনবি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর