রবিবার, মার্চ ৭, ২০২১
ষড়যন্ত্রকারীদের পরাজিত করার মূলমন্ত্র বঙ্গবন্ধুর আদর্শ
১৫আগস্ট,শনিবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম করোনা আইসোলেশন সেন্টারের মুখপাত্র অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের পরাজিত করার মূলমন্ত্র হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ। তিনি বলেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তি এখনও দেশ ও জাতির অব্যাহত অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে নানা অপকৌশলে লিপ্ত রয়েছে। স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রবিরোধী চক্রের যেকোনো অপতৎপরতা ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে। শনিবার (১৫ আগস্ট) জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম করোনা আইসোলেশন সেন্টারে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সোহানা বলেন, বঙ্গবন্ধু আত্মপ্রত্যয়ী ও আত্মনির্ভরশীল জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার এক অসাধারণ কারিগর। তিনি পরিণত জাতিসত্তা নির্মাণের দার্শনিক। মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নপূরণে অবিচল থেকেছেন বঙ্গবন্ধু। তার আদর্শ ও চরিত্র আমাদের কর্মে ও জীবনে প্রতিফলিত করতে হবে। করোনা আইসোলেশন সেন্টারের প্রধান সমন্বয়ক নূরুল আজিম রনি বলেন, এ জাতি পথ হারিয়েছিল আগস্টেই। আগস্টেই রচিত হয়েছিল বাঙালির ইতিহাসের এক কলঙ্কিত-কালো অধ্যায়। আগস্টেই বঙ্গবন্ধুকে থামিয়ে দিয়েছিল বর্বর হায়েনার দল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের পথ চলা থামাতে পারেনি কেউ। বঙ্গবন্ধু ক্ষুধা, দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা, দুর্নীতি এবং শোষণমুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন- বাংলাদেশ সেই পথেই এগিয়ে চলেছে। করোনা আইসোলেশন সেন্টারের পরিচালক গোলাম সামদানী জনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হয়তো আমরা আর পাবো না। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে দীপ্ত শপথ নিতে পারি এই আগস্টেই। তাই আগস্টের এই শোক হোক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার শক্তি। সভাপতির বক্তব্যে সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ইতিহাসের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বাঙালি জাতি পিতৃহত্যার বিচার পেয়েছে। জাতির জনক হত্যার রায় কার্যকরের মাধ্যমে জাতি কলঙ্কমুক্ত হলেও এখনো কয়েকজন ঘৃণ্য অপরাধী ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। এসব অপরাধীদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকরের উদ্যোগ নিলে জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ বিচার সম্পন্ন হতে পারে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নুরুজ্জামান, সাদ শাহরিয়ার, মিজানুর রহমান মিজান, শাহজাদা চৌধুরী, তাজুল ইসলাম শিবলী, ঐশিক পাল জিতু, তৌহিদুল ইসলাম, আহমেদ অভি প্রমুখ।
একে খান গেইট রেলক্রসিং সংলগ্ন বস্তিতে আগুনে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু
১৫আগস্ট,শনিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর একটি বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে প্রতিবন্ধী বৃদ্ধ ও শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পাহাড়তলী থানাধীন একে খান গেইট রেলক্রসিং সংলগ্ন আজম রোডের বস্তিতে আগুন লাগে বলে জানান আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশনের উপ-সহকারী পরিচালক ফরিদ আহমদ চৌধুরী। নিহতরা হলেন প্রতিবন্ধী বৃদ্ধ আবু তাহের (৬০), তার স্ত্রী আয়েশা বেগম (৫০) ও তাদের দেড় বছর বয়সী নাতি রাশেদ। ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ বলেন, ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের ১০টি গাড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত পৌনে নয়টার দিকে আগুন পুরোপুরি নেভাতে পারে। আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার কবির হোসেন বলেন, মারা যাওয়া আবু তাহেরের ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন লাগে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। আগুনে বস্তির পাঁচজন ব্যক্তির মালিকানাধীন ত্রিশটির মতো ঘর পুড়ে গেছে। আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ণয় করা না যায়নি বলে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে।
আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পথ রুদ্ধ হলে অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটে
১৪আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বন্দরনগরী চট্টগ্রামে কয়েকটি সংবাদপত্রের প্রকাশনা বন্ধসহ সৃষ্ট অচলাবস্থায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে)র নেতৃবৃন্দ। সংবাদকর্মীদের বেতন-বোনাসসহ ন্যায্য পাওনা আদায়ে সাংবাদিক ইউনিয়নের আন্দোলন কর্মসূচি এবং তার প্রেক্ষিতে কয়েকটি সংবাদপত্রের প্রকাশনা বন্ধ করে দিয়ে সাংবদিকদের কর্মহীন করার ঘটনা নজীরবিহীন ও অনভিপ্রেত হিসেবে বর্ণনা করেছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পথ রুদ্ধ হলে অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটে এবং চট্টগ্রামে তাই ঘটেছে বলেও মনে করেন বিএফইউজে ও সিএমইউজে নেতৃবৃন্দ। বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব এম আবদুল্লাহ এবং সিএমইউজের সভাপতি শামসুল হক হায়দরী ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহনওয়াজ এক যুক্ত বিবৃতিতে সকল পক্ষকে বিদ্বেষ ও বিভাজনের পথ পরিহার করে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে অনতিবিলম্বে অচলাবস্থা নিরসনের আহবান জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, সংবাদমাধ্যমের মালিক ও সংবাদকর্মী এক অপরের পরিপূরক শক্তি। সাংবাদিক ইউনিয়ন শুধুমাত্র সংবাদ কর্মীদের স্বার্থরক্ষায় সোচ্চার ভূমিকা পালন করে তাই নয়, সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠান কারো রোষানলে পড়লে বা বিপদগ্রস্ত হলে সেই প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার ঐতিহ্য ও নজীর রয়েছে। এক অপরকে প্রতিপক্ষ ভাবলে সুষ্ঠুভাবে সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠান পরিচালনা দূরূহ হয়ে পড়ে। সংকট পরিস্থিতি উত্তরণে স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য পথ পরিহার করে সাংবাদকর্মীদের কাছ থেকে ট্রেড ইউনিয়ন ত্যাগের দাসখত আদায় বা সংবাদকর্মীদের মধ্যে বিভাজন ও ভুলবুঝাবুঝি সৃষ্টি করে সাময়িক সুবিধা নেওয়া গেলেও তা শেষ পর্যন্ত সুখকর হয় না, অনেক ক্ষেত্রে বুমেরাং হয়। আবার কোন সংবাদকর্মী মালিকের চাপ, প্রলোভনের কাছে নতিস্বীকার করে সাংবাদিক ইউনিয়ন ও সহকর্মীদের মধ্যকার ঐক্যবিনাশী তৎপরতায় যুক্ত হলে তাদেরকেও সময়ের ব্যবধানে করুণ পরিণতি ভোগ করতে দেখা গেছে। বিবৃতিতে বিএফইউজে ও সিএমইউজে নেতৃবৃন্দ উদার ও সৌহার্দের মানসিকতা নিয়ে যুক্তি ও ন্যায্যতাকে প্রাধান্য দিয়ে সংকট নিরসনে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সংবাদকর্মীদের ন্যায়সংগত অধিকার আদায়ের যে কোন নিয়মতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি ব্যক্ত করেছেন।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কর্মবিরতি
১৪আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশন। হামলার ঘটনায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব তাজওয়ার রহমান খান বলেন, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ডা. ওসমান গনি ও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রসংসদের সাহিত্য বিভাগের সম্পাদক সানি হাসনাইন প্রান্তিকের ওপর হামলা চালায় দূর্বৃত্তরা। বর্তমানে তারা নিউরোসার্জারী বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এমন ন্যাক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে চমেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছে। দোষীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় না আনা পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে চকবাজার থানাধীন চট্টেশ্বরী রোডের চমেক ছাত্রাবাসে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে ছাত্রদের হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষ ছাত্রাবাসে মুখোমুখি অবস্থান নেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় ইন্টার্ন চিকিৎসক ছাড়া কোনও ছাত্র ছাত্রাবাসে থাকতে পারবে না- কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তে ছাত্ররা হল ত্যাগ করেন।
প্রশাসক সুজনের অ্যাকশন, চসিক রাজস্ব বিভাগের ২৪ কর্মীকে একযোগে বদলি
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ২৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। বদলি হওয়া ২৪ জন চসিকের রাজস্ব প্রশাসনের বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন। বহু বছর ধরেই কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারছে না রাজস্ব বিভাগ। ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দিতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে। চসিক প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের ৭ দিনের মাথায় খোরশেদ আলম সুজনের অনুমোদনে বড় ধরনের এই রদবদলের ঘটনা ঘটলো। কাজের গতিশীলতা আনতে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বুধবার (১২ আগস্ট) চসিক সচিব আবু শাহেদ চৌধুরীর সই করা এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই রদবদলের নির্দেশ দেওয়া হয়। তাদের ১৬ আগস্টের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে অবশ্যই যোগ দিতে বলা হয়েছে। আবু শাহেদ চৌধুরী বলেন, প্রশাসক মহোদয়ের অনুমোদনে এই রদবদল করা হয়েছে। কাজের গতিশীলতা বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। বদলি হওয়া রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আছেন- কর কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মহিউদ্দিন আহমেদ সরওয়ার চৌধুরী, জসিম উদ্দিন, আনিসুর রহমান, মেজবাহ উদ্দিন, জানে আলম, সাবেক উল্লাহ, কামরুল ইসলাম চৌধুরী, এ কে এম সালাহউদ্দিন, শাহ আলম, প্রবীর কুমার চৌধুরী, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, কৃষ্ণপ্রসাদ দাস ও নুরুল আলম চৌধুরী। এছাড়া উপকর কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন চৌধুরী, উত্তম কুমার দাশ, রাজেশ চৌধুরী, রতন ভট্টাচর্য, মোবারক উল্লাহ, তুষার কান্তি দাশ, শীতল দত্ত, মো. মোর্শেদ, রতন চন্দ্র ভৌমিক, ভবতোষ চৌধুরী ও লুৎফর রহমানকেও বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলছেন, নগরীতে সৌন্দর্য্য বর্ধনের নামে ফুটপাতে ও যত্রতত্র দোকানপাট হয়েছে, যা সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানে না। বিভিন্ন অনিয়ম দূর করতে ও গতিশীলতা আনতে এই পরিবর্তন।- চট্টগ্রাম প্রতিদিন
দূরপাল্লার বাসে অনিয়ম, ৩ বাস কাউন্টারকে অর্থদণ্ড
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: অনিয়মের অভিযোগে দূরপা্ল্লার বাসসহ তিনটি বাস কাউন্টারকে অর্থদণ্ড দিয়েছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) নগরীর দামপাড়া বাস কাউন্টার, একে খান ও অক্সিজেন মোড়ে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করে এই অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। সন্ধ্যা সাতটা হতে রাত নয়টা পর্যন্ত চলমান অভিযানে জেলা প্রশাসনের ৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরিন আক্তার, উমর ফারুক ও আলী হাসানের নেতৃত্বে নগরীর দামপাড়া, একে খান ও অক্সিজেন মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এ সময় নগরীর দামপাড়া বাস কাউন্টারগুলোতে নানা অনিয়মের কারণে সৌদিয়া এসি কাউন্টার ও নন এসি কাউন্টারকে পৃথকভাবে ২০ হাজার করে ৪০ হাজার টাকা এবং ইউনিক কাউন্টারকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় একে খান এলাকায় জোনাকি পরিবহনকে ১ হাজার, বিলাস পরিবহনকে ২ হাজার, তিশা পরিবহনকে ১ হাজার, শ্যমলী পরিবহনকে ১ হাজর, যাত্রী পরিবহনকে ১ হাজার ও অনিমা পরিবহনকে ৫শ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে মোট ৭৬ হাজার ৫শ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, ইদানিং দেখা যায় কিছু বাস কাউন্টার সরকারি আদেশ উপেক্ষা করে নিজস্ব পন্থায় ফ্যামিলি প্যাকেজ করে পাশাপাশি সিটে যাত্রী বসায়। এমনকি আপরিচতদেরকে ফ্যামিলি বলে চালিয়ে দুজনকে পাশাপাশি সিটে বসাচ্ছিলো যা সরেজমিনে পাওয়া যায়। যার ফলে তাদের আইনের আওতায় এনে অর্থদণ্ড করেছি ও মুচলেকা নেয়া হয়েছে এই মর্মে যে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম করবেনা। আরেক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলী হাসান বলেন, গাদাগাদি করে বসা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় বিভিন্ন পরিবহনকে অর্থদণ্ড করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সমুদ্র বন্দরসমূহের জন্য তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত
১২আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌসুমী বায়ু সক্রিয় এবং বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্য থাকার কারণে,উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়োহাওয়া বয়ে যেতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
করোনায় মৃত্যুহীন আরেকদিন, নতুন শনাক্ত ১৪৯
১২আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত গত ২৪ ঘন্টায় কেউ মারা যায়নি। তবে নতুন করে চট্টগ্রামে আরো ১৪৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া করোনামুক্ত হয়েছেন ৬৫ জন। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি নিউজ একাত্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামের ৮২৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তার মধ্যে নগরীতে ৯৬ জন ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার ৫৩ জন। এনিয়ে চট্টগ্রামে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫ হাজার ৪৯১ জনে। করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন আরো ৬৫ জনসহ মোট ৩ হাজার ৩১০ জন।করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় কোনো মৃত্যু হয়নি। করোনায় মোট মৃত্যু ২৪৬ জন। এদিকে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ১২৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৭ জন করোনা পজিটিভ রোগী শনাক্ত হয়। তার মধ্যে নগরীতে ৯ জন,জেলার ও বিভিন্ন উপজেলার ২৮ জনের দেহে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ২১৮ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় আরও ৩২ জন। এরমধ্যে নগরীর ২৮ জন ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার ৪ জনের পজিটিভ। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ১৬২ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৬ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ১৫ জন নগরীর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার ১১ জন। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ১৩২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৯ জনের পজেটিভ পাওয়া গেছে। তার মধ্যে ৪ জন নগরীর বাসিন্দা ও উপজেলার ৫ জন। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি ইমপেরিয়াল হাসপাতালে ১২০ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৬ জন শনাক্ত হয়। তারমধ্যে ২৪ জন নগরীর বাসিন্দা বাকি ২ জন জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। বেসরকারি শেভরনে ৫৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৮ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তার মধ্যে নগরীর ১৬ জন ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার ২ জন।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে পিসি রোডের অবৈধ স্থাপনা ও ড্রেন দখলমুক্ত চান সুজন
১১আগস্ট,মঙ্গলবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাগরিকা মোড় হতে নয়া বাজার পর্যন্ত সমস্ত অবৈধ স্থাপনা, ফুটপাতের উপর বসানো দোকানপাট ও স্তুপকৃত মালামাল আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। মঙ্গলাবার (১১ আগস্ট) সকালে সাগরিকা মোড় থেকে নয়াবাজার পর্যন্ত পোর্ট কানেকটিং সড়ক উন্নয়ন কাজ সরজমিনে পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদানকালে তিনি এই নির্দেশনা দেন। এসময় তিনি বলেন, চসিক প্রশাসক হওয়ার পুর্ব থেকে এই রাস্তার হালচিত্র আমাকে ব্যথিত করতো। তাই দায়িত্ব নেয়ার পর পোর্ট কানেকটিং সড়ক কাজ তড়িৎ গতিতে সম্পন্ন করার প্রতিজ্ঞা করেছি। পুরো নগরীর মধ্যে এই সড়কটি অতিগুরুত্বপূর্ণ অথচ কী অদৃশ্য কারণে এতদিন যাবত এইকাজ সম্পন্ন হলো না। তিনি বলেন, আমি রাত-দিন এই রাস্তায় থাকবো, আমি দেখতে চাই এখানে বাঁধা কোথায়? যেখানে বাঁধা-সেখানেই লড়াই। আমি ছাত্র রাজনীতি করে এই পর্যায়ে এসেছি রাস্তায়-ই আমার রাজনীতি আমি রাস্তাতেই থাকবো এবং সমাধান আনবো। এসময় তিনি রাস্তার দুইপাশে অবস্থিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যারা অবৈধভাবে চসিকের ড্রেন দখল করে জনচলাচলে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকে আমি আপনাদের একজন হয়ে বলে গেলাম, নিজ দায়িত্বে এসব অপসারণ করেন নাহয় আগামীকাল আমাকে দেখবেন প্রশাসকের ভূমিকায়। এসব অবৈধ স্থাপনা না সরালে আগামী ২৪ ঘন্টা পর ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা ও জরিমানা গুনতে হবে। এসময় ব্যবসায়ীরা নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন প্রশাসককে। তিনি আরও বলেন, ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে যে সময় নষ্ট হয়েছে তা আর সহ্য করা হবে না। এখন শুধু কাজ আর কাজ। এই দুর্ভোগ কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এসময় উপস্থিত শত শত এলাকাবাসী জড়ো হয়ে প্রশাসক সুজনের এহেন পদক্ষেপের জন্য সাধুবাদ জানান। প্রশাসক ও ঠিকাদার এলাকাবাসীকে আগামী সপ্তাহের মধ্যে দৃশ্যমান উন্নয়ন সড়ক উপহার দেয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। ঠিকাদার মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, করোনা মহামারী ও মৌসুমী বৃষ্টির কারণে সড়ক উন্নয়নকাজে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে, যার কারণে এলাকাবাসীসহ সড়ক ব্যবহারকারীদের দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন নতুন প্রশাসক যেভাবে দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন সেভাবে কাজ সম্পন্ন করা হবে। এসময় চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল সোহেল আহমদ, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব, সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার জাহান, উপসহকারী প্রকৌশলী সুমন সেন, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ ইলিয়াছ, মোরশেদ আলম, সিরাজদৌল্লা নিপু, মোহাম্মদ বাবুল, আতিকুর রহমান, ফেরদৌস আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর