রবিবার, মার্চ ৭, ২০২১
শুদ্ধাচার পুরস্কার পাচ্ছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ইলিয়াস
৩১জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে এবার শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন। প্রশাসনিক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৯-২০২০ সালের জন্য তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। তিনি ২০১৮ সালে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদানের পর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, প্রযুক্তি, পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয়ে উন্নয়ন করেন। সর্বশেষ করোনা সংক্রমণ রোধ ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় জেলা প্রশাসন দক্ষ ভূমিকা রেখেছে। করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে মানুষকে কোয়ারেন্টাইনে নিতে লকডাউন কার্যকর, সামাজি দূরত্ব, স্বাস্থবিধি মানা, ত্রাণ বিতরণ ও ঘুণিঝড়ে মানুষকে নিরাপদে আশ্রয় সেন্টারে আনাসহ বিভিন্ন কাজের জন্য তার ভূমিকা প্রশংসা পেয়েছে। এর আগে কাজের তাঁর ঝুলিতে জমা পড়েছে চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসকসহ অনেক পুরস্কার। সর্বশেষ কর্ম দক্ষতা ও সঠিক পরিকল্পনাও সততার জন্য শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন। এছাড়া বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় কর্মকর্তা খন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত ও কর্মচারী নেপাল কান্তি দাশ এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। আগামী ১০ আগস্ট এ পুরস্কার প্রদান করা হবে বলে ২৬ জুলাই চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) ও সদস্য সচিব নৈতিকতা কমিটি বিভাগীয় কার্যালয় মোহাম্মদ মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।- সূত্র: চট্টগ্রাম প্রতিদিন
আওয়ামীলীগ নেত্রী নূর মেহের বেগমের ইন্তেকাল
৩০জুলাই,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক শ্রমমন্ত্রী, মহানগর আওয়ামী লীগের প্রাক্তন সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা মরহুম এম এ মান্নানের সহধর্মিণী নূর মেহের বেগম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভোররাত ৩টার দিকে নগরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন৷ জানা গেছে, সাবেক মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী নূর মেহের বেগমের নামাজে জানাজা আজ বাদে আসর জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। পরে বাগমনিরামস্থ পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। নূর মেহের মান্নান মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আবদুল লতিফ টিপু ও মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক দিদারুল আলম দিদারের মাতা।
বিকেল ৫টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত চসিক
২৯জুলাই,বুধবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাকালে সর্বোচ্চ সতর্কতায় কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। বিকেল ৫টার মধ্যে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডের বর্জ্য অপসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ কাজের জন্য করপোরেশন প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক, ৩৫০টি গাড়ি, পশু জবাইকৃত স্থানে ২০ টন ব্লিচিং পাউডার ছিটানোর ব্যবস্থা করেছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের প্রস্তুতি সভায় মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এসব কথা বলেন। চসিক বর্জ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য নুরুল হকের সভাপতিত্বে সভায় চসিক কাউন্সিলর মোবারক আলী, মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাশেম বিশেষ অতিথি ছিলেন। বর্জ্য অপসারণে সংশ্লিষ্টরা মতামত, লোকবল ও গাড়ির চাহিদা ও পরিকল্পনার কথা সভায় তুলে ধরেন। ৪১টি ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজাররা বর্জ্য অপসারণে তাদের কাজের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় ওয়াকিটকি, গাড়ি, টমটম গাড়ি ইত্যাদির চাহিদার কথা উল্লেখ করে তা সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন। চসিক এবার ৪টি জোনে ভাগ করে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করবে। ৪টি জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলর মোবারক আলী (১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ১৫ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ড), কাউন্সিলর মো. আবদুল কাদের (২৩, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪১), কাউন্সিলর নুরুল হক (১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৫) ও কাউন্সিলর মোরশেদ আকতার চৌধুরী (৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ২৪, ২৫ ও ২৬)। করপোরেশনের পক্ষ থেকে এবার বর্জ্য অপসারণে কোনো ওয়ার্ডে যত ট্রিপ গাড়ি দেওয়া প্রয়োজন তা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে সভায়। এ জন্য দামপাড়ার চসিক কার্যালয়ে ১টি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলাসহ চসিকের প্রকৌশল বিভাগের যান্ত্রিক শাখা ও পরিবহন পুল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন কোরবানির ঈদের বর্জ্য অপসারণে নগরবাসী, সব ওয়ার্ড কাউন্সিলর, করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন, প্রকৌশল বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা চেয়েছেন। বিশেষ করে এবার করোনাকালে সর্বোচ্চ সর্তকতার সঙ্গে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন। তিনি এবারও বর্জ্য অপসারণে চসিকের সাফল্য ধরে রাখতে পারলে পরিচ্ছন্ন বিভাগের দায়িত্বরত শ্রমিক-সেবকদের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান। সভায় চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ সফিকুল মান্নান সিদ্দিকী, অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরীসহ পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজার ও দলনেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য- বজ্রকণ্ঠ উদ্বোধন
২৯জুলাই,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে নগরের হালিশহর বড়পোল মোড়ে নির্মিত হয়েছে বজ্রকণ্ঠ ভাস্কর্য। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ৮৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে বেইজসহ (বেদি) ২৬ ফুট উঁচু ভাস্কর্যটি স্থাপন করেছে। মূল ভাস্কর্যের উচ্চতা ২২ ফুট। সাদা সিমেন্টের (আরসিসি) ঢালাইয়ের মাধ্যমে ভাস্কর্যটির স্থায়ী রূপ দেওয়া হয়, যার ওজন প্রায় ৩০ টন। এর আগে প্রায় ৪ মাস ধরে মাটি (মডেলিং ক্লে) দিয়ে মূল ভাস্কর্যের আদলটি তৈরি করা হয়েছিল। বুধবার (২৯ জুলাই) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বঙ্গবন্ধুর এ ভাস্কর্যের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। মেয়র বলেন, বজ্রকণ্ঠ ভাস্কর্যে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চিরচেনা ঐতিহাসিক ভাষণের অভিব্যক্তিকে। বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব আর দূরদর্শী রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় বাঙালি অর্জন করেছিল একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ। বাংলাদেশ আজ যখন শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ইত্যাদিতে উন্নতির ধারাবাহিকতায় এগিয়ে চলছে তখন এলো বাংলাদেশের মহান স্থপতি, সময়ের সাহসী কণ্ঠস্বর জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী। ভাষণরত বঙ্গবন্ধুর শক্তিশালী সেই হাতটিই যেন সমগ্র বাঙালি জাতির ঐক্যবদ্ধতার প্রতীক। তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রায় ৫০ বছর পার করতে চলেছে। জাতির অতীত গৌরবময় পর্বকে নতুন প্রজন্মের সামনে মূর্ত করে তুলে ধরতেই বজ্রকণ্ঠ শিরোনামের এ ভাস্কর্য প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে উদ্দীপ্ত করবে নিঃসন্দেহে। একটি দেশের শিল্প-সংস্কৃতিতে ভাস্কর্যও একটি শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ ভাস্কর্য (পাবলিক প্লেস স্কাল্পচার) পৃথিবীর বহুদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে প্রভাব বিস্তার করছে। বজ্রকণ্ঠ ভাস্কর্যটির দীর্ঘ স্থায়িত্বকাল নিশ্চিত করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর বেদির (বেইজ) ভূগর্ভস্থ অংশ ও উপরিতলের অংশে রডের কাঠামো এমনভাবে দেওয়া হয়েছে যা স্বাভাবিক মাত্রার ভূমিকম্পেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। মূল ভাস্কর্যের (আরসিসি) ঢালাই ও শক্তিশালী এমএস রডের কাঠামোর পাশাপাশি কিছু বিশেষ জায়গায় এসএস রড ব্যবহৃত হয়েছে। দীর্ঘতর সময়কাল স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে পানি, অক্সিজেন ও লবণ ঘটিত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমাতে বিশ্বসেরা কোম্পানি থেকে সংগৃহীত ক্যামিকেল-যৌগ ঢালাইয়ের মিশ্রণে সুনির্দিষ্ট অনুপাতে মেশানো হয়েছে। এ ছাড়া কিউরিং (পানিশোষণ প্রক্রিয়া) পর্ব পার করে ভাস্কর্যকে পূর্ণ শুকিয়ে নিয়ে এতে শেওলা প্রতিরোধী কেমিক্যাল স্প্রে (ওয়েদার কোট) ব্যবহার করা হয়েছে। ভাস্কর্যের সলিডিটির অনুভূতিকে বাঁচিয়ে রাখতে ফেয়ার-ফেস পদ্ধতিতে এর ঢালাই কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের তৎকালীন পরিচালক শিল্পী শায়লা শারমিন এবং নাট্যব্যক্তিত্ব আহমেদ ইকবাল হায়দারের পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে এই ভাস্কর্যকর্ম সৃজিত। এ ভাস্কর্যের ভাস্কর হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ভাস্কর মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম ভাস্কর্যের নকশা (মডেল) প্রণয়ন থেকে শুরু করে মূল ভাস্কর্য নির্মাণের সার্বিক কার্যক্রম সম্পাদনা করেন। এই ভাস্কর্য তৈরিতে সহযোগী শিল্পী হিসেবে ছিলেন জয়াশীষ আচার্য্য, তপন ঘোষ ও মোহাম্মদ পারভেজ আলম, শিক্ষার্থী বিলাস মণ্ডল, নুর-এ-আলা সিদ্দিক, গোপাল কৃষ্ণ রুদ্র, মোস্তাফিজুর রহমান তোহা ও জয়দীপ দেওয়ানজী। এ ভাস্কর্যের অন্যতম একজন সহ-শিল্পী তরুণ ভাস্কর্য তপন ঘোষ বজ্রকণ্ঠ নাম প্রস্তাব করেছিলেন। চসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মো. তৈয়ব, সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার জাহান এ ভাস্কর্য নির্মাণের ক্ষেত্রে নানাভাবে ভূমিকা রেখেছেন। তারা এ ভাস্কর্যের বেইজমেন্টের ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িং প্রণয়নসহ বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করেছেন। উদ্বোধনকালে কাউন্সিলর এইচএম সোহেল, নাজমুল হক ডিউক, হাসান মুরাদ বিপ্লব, এরশাদ উল্লাহ, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফরোজা কালাম, চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমদ, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, টিআইসির পরিচালক আহমেদ ইকবাল হায়দার, মেয়রের একান্ত সহকারী রায়হান ইউসুফ, আতিকুল ইসলাম, শায়লা শারমিন, সাবেক কাউন্সিলর লায়ন মোহাম্মদ হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, ঝুলন কান্তি দাশ, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব, হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল আলম, সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার জাহান, প্রকৌশলী রেজাউল বারী, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জেবি ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ জাবেদ আলম, রাজনীতিক বেলাল আহমদ, এনামুল হক মুনিরী, আবু সুফিয়ান, এসএম মামুনুর রশিদ, সুমন দেবনাথ, আনিসুর রহমান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
ফ্লাইওভারে সুতা বেঁধে ছিনতাই, Rab-7 এর হাতে আটক ৬
২৮,জুলাই,মঙ্গলবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফ্লাইওভারে ঘুড়ি উড়ানোর সুতা বেঁধে মোটরসাইকেল আরোহীদের গতিরোধ করে ছিনতাইংয়ের সঙ্গে জড়িত দুই কিশোরসহ ছয়জনকে আটক করেছে Rapid Action Battalion (Rab)। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) Rabর পক্ষ থেকে তাদের আটকের বিষয়টি জানানো হয়। Rab জানিয়েছে, আকবরশাহ থানাধীন সাহেরপাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে চারটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। আটক ছয়জনের মধ্যে চারজনের পরিচয় জানিয়েছে Rab। তারা হলো- মো. জাকির হোসেন (৩২), মো. সুমন (১৯), মো. দেলোয়ার হোসেন (১৯) ও মো. হাসান প্রকাশ আকাশ (১৯)। দুই কিশোরের পরিচয় জানায়নি Rab। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন নিউজ একাত্তরকে বলেন, ফ্লাইওভারে ঘুড়ি উড়ানোর সুতা বেঁধে মোটরসাইকেল আরোহীদের গতিরোধ করে ছিনতাইংয়ের সঙ্গে জড়িত দুই কিশোরসহ ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে চারটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে ফ্লাইওভারে সুতা বেঁধে মোটরসাইকেল আরোহীদের গতিরোধ করে অস্ত্রের মুখে ছিনতাই করে আসছিল। তাদের আকবরশাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
খোকন চৌধুরীকে চট্টগ্রাম সিটির প্রশাসক হিসেবে দেখতে চাই
২৮,জুলাই,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তৃণমূল এনডিএম চেয়ারম্যান ও চসিক মেয়র প্রার্থী জননেতা খোকন চৌধুরীকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দেখতে চাই এলাকাবাসী। খোকন চৌধুরীকে আ.জ.ম. নাছির উদ্দিনের বিকল্প হিসেবে মনে করছেন এলাকাবাসী। কারণ তার যোগ্য তিনি নিজেই। তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে চট্টগ্রামকে ঢেলে সাজাতে পারবেন বলে আমরা মনে করি। খোকন চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর আস্থাভাজন সেইজন্য তার মত ব্যক্তিত্বেরই বেশী প্রয়োজন আমাদের এই চট্টগ্রামে। তিনি ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবে এলাকায় এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি একজন নীতিবান পরিচ্ছন্ন নেতা। তিনি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজমুক্ত উন্নয়নের চট্টগ্রাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যে সততার পরিচয় দিয়েছেন, তাতে এলাকার সব শ্রেণী-পেশার মানুষ তার প্রতি সন্তুষ্ট। পার্টির সর্বস্তরের নেতাকর্মী তথা চট্টগ্রামবাসীর একটাই দাবি সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ খোকন চৌধুরীকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে দেখতে চান। তার বর্তমান অবদান মূল্যায়ন করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বানানোর জন্য আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রামের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। এলাকাবাসী বিশ্বাস করে, তাকে প্রশসক বানালে চট্টগ্রামে এ উন্নয়নের ধারা আরও বেগবান হবে। জননেতা খোকন চৌধুরী প্রথম থেকেই এলাকার উন্নয়নে বিশেষ মনোযোগী। খোকন চৌধুরী তার নিজস্ব তহবিল থেকে চট্টগ্রাম মহানগরীতে কর্মহীন মানুষগুলোর মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে চলেছেন। হাজার হাজার কর্মহীন মানুষের মাঝে চাল, ডাল, আলু, তেল ও চিড়া বিতরণ করে তাদের আহারের ব্যবস্থা করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন, এখনও যাচ্ছেন। তিনি কর্মহীন দিনমজুর ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। গত লকডাউন ঘোষণার পর থেকেই ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করে ইতিমধ্যেই দেশের প্রায় এলাকায় লক্ষ মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন তিনি। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার পাশাপশি কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষদের দুর্দশা লাঘবে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের এবং জনগণের মঙ্গলের কথা চিন্তা করা লোকের বড় অভাব। এই ধরনের সংখ্যা নেই বললেই চলে। করোনা ভাইরাসের কারণে যারা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন তাদের জন্য তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (তৃণমূল এনডিএম) এর চেয়ারম্যান খোকন চৌধুরী খাদ্য সামগ্রী বিতরণের জন্য অর্থ দিয়েছেন। সেই অর্থ দিয়েই খাদ্য সামগ্রী কিনে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। তার মতো সবাই এভাবে এগিয়ে আসলে এ সমাজ একদিন মানবিক হয়ে উঠবে। চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন অলি-গলিতে তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (তৃণমূল এনডিএম) এর চেয়ারম্যান খোকন চৌধুরী জনগণের পাশে থেকে ব্যাপক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা সৎ, দক্ষ, নিষ্ঠাবান, ন্যায়পরায়ণ, দেশপ্রেমিক নেতাদেরকে চিনতে ভুল করি। তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (তৃণমূল এনডিএম) এর চেয়ারম্যান জননেতা খোকন চৌধুরী সততা, নিষ্ঠা, ন্যায়পরায়ণতার আদর্শের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আমরা জাতী হিসেবে তাকে এবং তার কর্মকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছি। তিনি হলেন চট্টগ্রামের খেটেখাওয়া মানুষের জীবন্ত কিংবদন্তি। আজীবন তিনি দূর্নীতি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর। নিজের প্রাপ্তির জন্য অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেন নাই। সেজন্যে দেশে তার অবদান, দেশপ্রেম অতুলনীয়। তিনি দূর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, মাদকমুক্ত, ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত, ন্যায় বিচার এবং সুশাসনের জন্য সংগ্রাম করেই চলেছেন। রাষ্ট্রের এই দূরবস্থায় তার মত অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে চট্টগ্রামের হাল ধরা উচিত। অনেকে মনে করেন তিনিই হতাশযুক্ত চট্টগ্রামবাসীকে মুক্তি দিতে পারবেন এবং আলোর দিশারী হিসেবে কাজ করতে পারেন। ২০১৮ সালে তিনিই এই তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (তৃণমূল এনডিএম) এর নামকরণ করে একটি কাঠামো দাঁড় করেন। ঐ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ। তিনি দলের নামকরণ করেন এবং সংগঠিত করেন। তৃণমূল এনডিএম এবং অঙ্গ সংগঠনগুলো সংগঠিত করার ব্যাপারে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। দেশের অনেক মন্ত্রী, এমপি, দূর্নীতিতে জড়িয়ে পড়িয়েছে এবং জনগণের প্রশ্নের সম্মূখীন হচ্ছে। ঠিক ঐ সময়ে প্রকাশ্যে তিনি দূর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। দূঃখের বিষয় হলো তার ঐ প্রতিবাদ অনেকের কর্ণকুহরে প্রবেশ করে নাই। এর প্রতিবাদ স্বরূপ তিনি রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ নেন। তা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। এতে বুঝা যায় তিনি ইচ্ছে করলে চট্টগ্রামের মানুষের মুক্তির জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন। তার আদর্শের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অবিচল। দেশে সু-শাসন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হোক, দেশের জনগণ স্বাধীন হোক, মুক্ত পরিবেশে সকলে সমান সুযোগ উপভোগ করুক। আমি আশাকরি খোকন চৌধুরীর চলমান আন্দোলন ও সফল হবে এবং ২০ কোটি জনগণ মুক্তি পাবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
ফের নাছির নাকি নতুন চমক, কে হবেন চসিকের নতুন প্রশাসক?
২৮,জুলাই,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে হচ্ছে না এবং চলতি পরিষদের মেয়াদ শেষে প্রশাসকের হাতেই যাচ্ছে চসিক পরিচালনার ভার এমন সিদ্ধান্ত আগেই হয়েছে। এখন নগরের রাজনীতি ঘুরপাক খাচ্ছে প্রশাসক নিয়োগকে ঘিরে। কে হবেন চসিকের নতুন প্রশাসক? সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানাচ্ছে, চসিকের প্রশাসক নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই। শেষ পর্যন্ত কি প্রধানমন্ত্রী কী সিদ্ধান্ত নেবেন তা এখনো কেউ নিশ্চিত করে বলতে না পারলেও এই বিষয়ে নগরের রাজনীতিতে ছড়িয়েছে জল্পনা-কল্পনার ডালপালা। চসিক প্রশাসক পদে আবারও মেয়র নাছিরকেই দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে, কেউ কেউ মৃদু সুরে এমন সম্ভাবনার কথা বললেও শুরুতেই সেই সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিচ্ছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন মেয়র নাছিরের ওপর সরকারের উচ্চ মহলের অসন্তোষের চিত্রটি অনেকটাই স্পষ্ট। এক্ষেত্রে নতুন কাউকেই দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো। অন্যদিকে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। সিটি কর্পোরেশন আইনে বলা আছে, কোন সিটি কর্পোরেশন মেয়াদোত্তীর্ণ হইলে, সরকার, সিটি কর্পোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত উহার কার্যাবলী সম্পাদনের উদ্দেশ্যে, একজন উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ প্রদান করিতে পারিবে। তবে চলমান পরিস্থিতিতে চসিকে প্রশাসনের কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার চেয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ মুখ খুলতে রাজি না হলেও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে নতুন কাউকেই শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র। আর এই আলোচনায় ঘুরেফিরেই আসছে নগর আওয়ামী লীগের দুই সহ সভাপতি এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল এবং খোরশেদ আলম সুজনের নাম। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয় রাজনীতি ও প্রেক্ষাপট সম্পর্কে ধারণা থাকা কাউকেই বেছে নেওয়া হতে পারে এই পদে। সে হিসেবে মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছায়াসঙ্গী হয়ে থাকা এই দুই নেতা সবচেয়ে বেশি এগিয়ে থাকছেন অন্যদের চেয়ে। স্থগিত হওয়া চসিক নির্বাচনে নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুলকে সদস্য সচিব করা হলেও পরে তাকে সেই পদ থেকে সরিয়ে মেয়র নাছিরকে সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরিচ্ছন্ন ইমেজের প্রবীণ এই নেতাকে প্রশাসক পদে এগিয়ে রাখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে খোরশেদ আলম সুজনের নামও উচ্চারিত হচ্ছে সমানতালে। একাধিকবার মনোনয়ন চেয়েও না পাওয়া, আবার একবার পেয়েও হাতছাড়া করা সুজনকে অন্তত প্রশাসকের দায়িত্ব দিয়ে হলেও তার না পাওয়ার আক্ষেপ ঘোচানো হতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। তবে এই দুই নেতার মধ্য থেকে একজনকে দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও একটি সমীকরণের কথাও আলোচনা হচ্ছে বেশ। বলা হচ্ছে চসিক নির্বাচনের পরপরই হতে যাচ্ছে নগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন। সেক্ষেত্রে এই দুজনের মধ্যে একজনকে প্রশাসক করে অন্যজনকে নগরের দায়িত্বে আনা হতে পারে। আর এই সমীকরণে ইব্রাহীম হোসেন বাবুলের প্রশাসক হওয়ার পাল্লা ভারী বলেই ইঙ্গিত রাজনৈতিক মহলের। আগামী ৫ আগস্ট শেষ হতে যাচ্ছে চসিকের চলতি পরিষদের মেয়াদ। মেয়াদের আগে নির্বাচন করার নিয়ম মেনে গত ২৯ মার্চ চসিক নির্বাচনের সব আয়োজন করেও করোনা পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত সেই নির্বাচন স্থগিত করে চসিক। পরে করোনা পরিস্থিতিসহ বর্ষা মৌসুমে অতি বৃষ্টি ও পাহাড় ধসের ঝুঁকি থাকায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চসিক নির্বাচন করা সম্ভব নয় বলে জানায় নির্বাচন কমিশন। এ প্রেক্ষিতে মেয়াদ শেষে প্রশাসক নিয়োগ করার কথা জানায় স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ।
গার্ড অব অনার ছাড়াই দাফন মুক্তিযোদ্ধার, তদন্ত কমিটি
২৭,জুলাই,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাঁশখালীতে রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার ছাড়াই দাফন হয়েছে ডা. আলী আশরাফ নামে এক মুক্তিযোদ্ধার। এ নিয়ে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। সোমবার (২৭ জুলাই) বাঁশখালীর শেখেরখীল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ডা. আলী আশরাফ শেখেরখীল ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার ও বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক। ডা. আলী আশরাফ বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রথম প্রতিবাদকারী শহীদ মৌলভী সৈয়দের বড় ভাই। বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নুর হোসাইন বলেন, ডা. আলী আশরাফ শেখেরখীল ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার ও বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক। সকাল ১১টায় উনার জানাজা নির্ধারিত ছিল। নির্ধারিত সময়ে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু দাফনের আগে তাকে রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, জানাজার অনেক পরে এসি ল্যান্ড আসেন। ততক্ষণে দাফন হয়ে গেছে উনার। পরে স্থানীয় লোকজন বিক্ষোভ করে। বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার বলেন, আমি একটি মিটিংয়ে ছিলাম। এসি ল্যান্ড আতিকুর রহমানকে পাঠানো হয়েছিল। দূরবর্তী এলাকা হওয়ায় তার যেতে সময় লেগেছে। রাস্তার দুই পাশে সিএনজি রাখায় গাড়ি নিয়ে যেতে পারেননি তিনি। কিছু পথ পায়ে হেঁটে গেছেন একারনে দেরি হয়ে গেছে। মরহুমের পরিবার একটু অপেক্ষা না করে দাফন করে ফেলেছেন। পরে উনার কবরের পাশে সম্মাননা জানানো হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি: এদিকে মুক্তিযোদ্ধা ডা. আলী আশরাফকে গার্ড অব অনার ছাড়াই দাফনের ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. বদিউল আলমকে এক কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কামাল হোসেন জানান, বাঁশখালীর ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. বদিউল আলমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন। অভিযোগ তদন্ত করে দেখবেন। তাকে এক কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
সেই এসআই হেলালের বিরুদ্ধে মামলা
২৭,জুলাই,সোমবার,আদালত প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর বহুল আলোচিত সমালোচিত ডবলমুরিং থানার এসআই (বরখাস্ত) হেলাল খানের বিরুদ্ধে আদালতে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা হয়েছে। গত ১৬ জুলাই ডবলমুরিংয়ের বড় মসজিদ গলিতে আত্মহনন করা সাদমান ইসলাম মারুফের মা রুবিনা আক্তার বাদী হয়ে চট্টগ্রামের আদালতে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে শুনানি করেন এবং নগর গোয়েন্দা পুলিশকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেন। আদালত সূত্র জানায়, গত ২৩ জুলাই মারুফের মা রুবিনা আক্তার এসআই হেলাল খান ও তার তিনজন সোর্সের বিরুদ্ধে প্রথম মহানগর হাকিম খায়রুল আমিনের আদালতে একটি মামলা ফাইল করেন। আজ সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে এটির উপর তৃতীয় মহানগর হাকিম শফি উদ্দিন শুনানি করেন। শুনানির একপর্যায়ে আদালত তিন সোর্সকে বাদ দিয়ে শুধুমাত্র এসআই হেলাল খানের বিরুদ্ধে মামলাটি আমলে নেন এবং নগর গোয়েন্দা পুলিশকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেন। ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার ডবলমুরিংয়ের বাদামতলী বড় মসজিদ গলিতে মারুফ নামের এক তরুণের উপর চড়াও হয় কাশেম নামের একজনসহ হেলাল খানের দু’জন সোর্স। এ দু'জন সোর্স দশম শ্রেণি পড়ুয়া তরুণ মারুফ, তার মা রুবি আক্তার ও বোন নেহাকে মারধরসহ শারিরীকভাবে লাঞ্চিত করেন। এর মাঝে ঘটনাস্থলে প্রবেশ করেন কন্সটেবল থেকে ডিপার্টমেন্টল প্রমোশন পেয়ে এসআই হওয়া হেলাল খান। সোর্সদের সাথে যোগ দিয়ে এ হেলাল খানও মারুফসহ তার মা বোনকে বেদম পিটিয়ে আহত ও লাঞ্চিত করেন। মারুফ পালাতে পারলেও পায়ে ধরেও হেলাল খানের কাছ থেকে নিস্তার পায়নি মারুফের মা বোন। তাদেরকে টেনে হিঁছড়ে সেই সাদা রংয়ের নোহা গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে মা বোনের এমন লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনা ও থানায় নেওয়ার অপমান সহ্য করতে না পেরে পাশের করিম চাচার ঘরে ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেন ১৬ বছরের তরুণ সাদমান ইসলাম মারুফ। বাদীর আইনজীবী রুখসানা আক্তার বলেন, পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের শিকার হয়েই সাদমান ইসলাম মারুফ মৃত্যু বরণ করেন। বিষয়টি আদালতের কাছে স্পষ্ট করে তুলে ধরা হলে আদালত আজ মামলা আমলে নেন। তদন্তের জন্য নগর গোয়েন্দা পুলিশকে নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ঘটনার সুত্রপাত যে সোর্সদের নিয়ে তাদেরকে মামলায় রাখার আবেদন ছিল। তবে সোর্সরা নন-পুলিশ বলে আদালত তাদের রাখেননি। যদিও এ ঘটনায় এসআই হেলাল চাকরী থেতে সাময়িক বরখাস্ত হন ও বিভাগীয় মামলার আসামি হন। এছাড়া ডবলমুরিংয়ের ওসি সদীপ দাশকে অধীনস্থ অফিসারকে নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ায় শোকজ করে সিএমপি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর