ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
০৪,অক্টোবর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে মো. রায়হান (২৫) নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টার এই দুর্ঘটনা ঘটে। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুজ্জামান জানান, লালখান বাজার থেকে মুরাদপুরের দিকে যাওয়ার পথে গরীবউল্লাহ শাহ মাজারের কাছে পিকআপ ভ্যানকে পেছন দিক থেকে ধাক্কা দেয় দ্রুত গতির মোটরসাইকেল। এতে পড়ে গিয়ে মোটরসাইকেল আরোহী রায়হান গুরুতর আহত হন। তিনি বলেন, পুলিশ মোটরসাইকেল আরোহী রায়হানকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মো. রায়হান বোয়ালখালী উপজেলার পূর্ব গোমদণ্ডী এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মজিদের ছেলে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শীলব্রত বড়ুয়া।
মেরিডিয়ান ও বিএসপি ফুডকে ৪৩ লাখ টাকা জরিমানা
০৩,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর কালুরঘাটের বিসিক শিল্প এলাকায় লাইসেন্সবিহীন ও মেয়াদোর্ত্তীণ উপাদান খাদ্য পণ্য তৈরি করায় দুই প্রতিষ্ঠানকে ৪৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে Rab এর ভ্রাম্যমান আদালত। বিএসটিআই Rab এর যৌথ এ অভিযানে নেতৃত্বে ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু। এসময় মেরিডিয়ান ফুড প্রোডাক্টসকে ২২ লাখ টাকা জরিমানা আদায়সহ উৎপাদিত পাঁচ হাজার কেজি নুডুলস ধ্বংস করা হয়। অপর প্রতিষ্ঠান বিএসপি ফুড প্রোডাক্টসকে একই অভিযোগে ২১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তা মো. আশিকুজ্জামান জানান, অভিযানে মেরিডিয়ান ফুড প্রোডাক্টসকে সস পণ্যের ও সফট ড্রিংক পাউডার এবং নুডুলসের লাইসেন্স না থাকায় বিএসটিআই আইনে ১ লাখ টাকা ও মোড়কজাতকরণ আইনে ১ লাখ টাকা এবং বিভিন্ন মেয়াদোত্তীর্ণ কালার ও ক্ষতিকর ফ্লেভার ব্যবহার করায় নিরাপদ খাদ্য আইনে ২০ লাখ টাকা প্রশাসনিক জরিমানা করা হয়। এসময় প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত ৫ হাজার কেজি নুডুলস ধ্বংস করা হয়। এছাড়া এ অভিযানে বিএসপি ফুড প্রোডাক্টস প্রতিষ্ঠানটিতে ভেজিটেবল ঘি, নুডুলস ও সস বিএসটিআই লাইসেন্সবিহীন ভাবে উৎপাদন করায় ১ লাখ টাকা ও বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত ফ্লেভার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় নিরাপদ খাদ্য আইনে ২০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এসময় ডালডার সাথে কালার মিশিয়ে তৈরি ২ কেজি ভেজাল ঘি ধ্বংস করা হয় ।
৩০০ পিছ ফেন্সিডিলসহ হেয়াকো থেকে দুই আসামী আটক,ট্রাক জব্দ,৩ জনের নামে মামলা
০৩,অক্টোবর,শনিবার,ফটিকছড়ি প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দাতঁমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ, পুলিশ পরিদর্শক মোঃ সোহরাওয়ার্দী সরওয়ার,সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স সহ দাঁতমারা ইউপি এলাকায় চলমান মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৩ অক্টোবর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩০০(তিনশত) বোতল অবৈধ ফেন্সিডিল এবং পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাক (নং ফেনী ট- ১১- ০৪০৪) সহ মোঃ মোসলেম প্রকাশ কুলছুমআলী (২০),পিতা মৃত আবদুর রহমান, মোঃ আবুল কালাম (২৩) ,পিতা মৃত শাহ আলম,উভয় সাং-বাংলা পাড়া,পোঃ হেয়াকো বাজার, থানাঃ ভূজপুর, জেলাঃ চট্টগ্রামদ্বয়কে গ্রেফতার করেন। উদ্বারকৃৃত ফেন্সিডিলের আনুমানিক মূল্য ৪,৫০,০০০(চারলক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা। আসামিদের বিরুদ্ধে ভূজপুর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের শেষে হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে। এ মামলায় মোট ৩ জনকে আসামী করা হয়েছে। জব্দকৃত ট্রাকটি দিয়ে নিয়মিত মাদক পরিবহন করা হয় বলে এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে। গাড়ীর মালিক হেয়াকো বাংলাপাড়া এলাকার জহিরুল ইসলাম নয়ন।
আওলাদে আলী রজা পীর নুরুল আলম শাহ (রহ.) বার্ষিক ইছালে সওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত
০৩,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওলাদে আলী রজা পীর নুরুল আলম শাহ (রহ.) বার্ষিক ইছালে সওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২রা অক্টোবর শুক্রবার আনোয়ারা ওষখাইন গ্রামের রজায়ী দরবারের বিশ্ব নুর মঞ্জিলে দিনব্যাপী কর্মসূচীর মধ্যে ছিল খতমে কোরান, খতমে খাজেগান, খতমে ইসমে আযম, বাদ এশা হালকা জিকির, আখেরী মোনাজাত ও তবারুক বিতরণ। বার্ষিক ইছালে সওয়াব মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন দরবারে সাজ্জাদানশীন পীর মাওলানা একরামুল হক শাহ (ম.জি.আ)। মাহফিলে তশরিফ আনেন পীরজাদা আলহাজ্ব কাজী মাওলানা মোহাম্মদ এরশাদুল্লাহ রজায়ী (ম.জি.আ) পীরজাদা আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ উল্লাহ রজায়ী (ম.জি.আ), চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য ও আস্তানায়ে জহির ভান্ডারে সাজ্জাদানশীন পীরজাদা মুহাম্মদ মহরম হোসাইন মাইজভান্ডারি, নঈম উদ্দিন রজায়ী, মাকসুদুর রহমান, চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, মোঃ রাসেল,মোস্তাক আহমেদ প্রমুখ।
মদ্যপানকে না বলুন: ইপসা
০৩,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মদ্যপানের কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই। মদ্যপানের ফলে মানবদেহে ২০০ ধরনের রোগের সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে ক্যানসার অন্যতম। গবেষণা হতে প্রাপ্ত তথ্য মতে, নিয়মিত মদ্যপানের কারণে সারাবিশে^ প্রতিবছর ৩০ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করে। এছাড়া বিশে^র ৭ দশমিক ২ শতাংশ অকালমৃত্যুর কারণ মদ্যপান। মদ্যপান শুধুমাত্র স্বাস্থ্যগত ঝুঁকিই তৈরি করে না, মদ্যপান ফলে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষতিও হয়ে থাকে। বাংলাদেশে এখনো পর্যন্ত মদ্যপানের বিষয়ক কোন বিস্তারিত জরিপ না থাকলেও বৈশি^ক গবেষণা হতে প্রাপ্ত তথ্য মতে, ১৯৭৩ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে লাইসেন্সধারী মদ্যপানকারীর সংখ্যা শতগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। ধূমপানের মতো মদ্যপানও তরুন সমাজকে আরো মারাত্মক নেশার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাই, মদ্যপান থেকে সাধারণ মানুষকে দূরে রাখতে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। আজ শনিবার (৩ অক্টোবর, ২০২০) বেলা সাড়ে তিনটায় বিশ্ব অ্যালকোহলমুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নের জন্য সংগঠন ইপসার প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। ইপসার উপ পরিচালক নাছিম বানুর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইপসার প্রধান নির্বাহী মো. আরিফুর রহমান। তিনি বলেন, ১৯৮৫ সালে ইপসার জন্মলগ্ন থেকেই আমরা মাদক, মদ্যপান ও ধূমপানের বিরুদ্ধে কাজ করে আসছি। গত ১০ বছর ধরে, ইপসা চট্টগ্রামে তামাকবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। কোভিড-১৯ এর মহামারীর এই সময়ে মদ্যপানের ক্ষতির বিষয়টি সারাবিশে^ ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে। বিভিন্ন বৈশি^ক গবেষণা বলছে, কোভিড-১৯ এ সারাবিশে^ আত্মহত্যার অন্যতম কারণ ছিল মদ্যপানের আসক্তি। দেশে দিনদিন মদ্যপানের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা এসডিজি অর্জনের পথে অন্যতম বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই, সকলকে ধূমপান ও তামাকের পাশাপাশি মদ্যপানের বিষয়েও সতর্ক হতে হবে। সুইডেন ভিত্তিক সংস্থা মুভিং দ্যা ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্কের সদস্য হিসেবে মদ্যপান হ্রাসে সচেতনতা ও ভবিষ্যত পরিকল্পনার জন্য আয়োজিত এ সভায় অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন ইপসার পরিচালক (অর্থ) পলাশ চৌধুরী, পরিচালক (অর্থনৈতিক উন্নয়ন) মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, প্রোগ্রাম অফিসার মো. ওমর শাহেদ হিরো, প্রোগ্রাম অফিসার সবুর, মোর্শেদ। এছাড়া সভায় ইপসার বিভিন্ন সেক্টরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, মদ্যপানের স্বাস্থ্যগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির কথা বিবেচনা করে সর্বপ্রথম ২০০৮ সালে ওয়ার্ল্ড হেলথ এসেম্বলিতে বিশ^ অ্যালকোহল মুক্ত দিবস পালনের প্রস্তাব পেশ করা হয়। আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না পেলেও ২০১৬ সাল থেকে বিশে^র বিভিন্ন দেশ ৩ অক্টোবরকে বিশ^ অ্যালকোহল মুক্ত দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ, নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কোটি টাকার যন্ত্রপাতি
০৩,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সীমিত আকারে চালু করার দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম প্রফেশনাল স্টেইজ পারফর্মার অ্যান্ড সাউন্ড লাইটিং ফোরাম। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। চট্টগ্রাম মঞ্চ সংগীত শিল্পী সংস্থা, চট্টগ্রাম সাউন্ড সিস্টেম ব্যবসায়ী কল্যাণ সংস্থা, চট্টগ্রাম মহানগর আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জা ব্যবসায়ী সমিতি এবং চট্টগ্রাম মঞ্চ নৃত্যশিল্পী কল্যাণ সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত ফোরামের সভাপতি আলাউদ্দিন তাহের লিখিত বক্তব্যে বলেন, করোনার প্রাদুর্ভাবের পর গত মার্চ মাস থেকে এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে সব ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ফোরামের প্রায় ১০ হাজার সদস্য ও তাদের পরিবার উপার্জন না থাকায় কষ্টে আছে। এছাড়া অনুষ্ঠান বন্ধ থাকায় কোটি টাকা দামের সাউন্ড সিস্টেম, আলোকসজ্জা ও লাইটিং সামগ্রী অব্যবহৃত অবস্থায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, সাউন্ড সিস্টেম ও লাইটিং ব্যবসায়ীরা অনেকে ব্যাংক লোন নিয়ে ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন। আয় না থাকায় তারা লোন পরিশোধ করতে পারছেন না। পাশাপাশি এসব মালামাল রাখার জন্য যেসব গুদাম মাসিক ভাড়া হিসেবে নেওয়া হয়েছে, তার ভাড়া পরিশোধ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফোরামের সাধারণ সম্পাদক কাজী রবিউল হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, করোনার শুরু থেকেই সংগঠনের পক্ষ থেকে কণ্ঠশিল্পী, যন্ত্রীশিল্পী, নৃত্যশিল্পী, সাউন্ড ব্যালেন্সার, সাউন্ড ক্রু সহ সংশ্লিষ্টদের মাঝে খাদ্যদ্রব্য ও নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠান বন্ধ থাকায় এই সহায়তা কার্যক্রমও চালানো যাচ্ছে না। পারিবারিক খরচ ও কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। আমরা কর্ম করে বাঁচতে চাই। সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চালু করতে চাই। এজন্য সরকারের সুদৃষ্টি প্রত্যাশা করছি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রফেশনাল স্টেইজ পারফর্মার অ্যান্ড সাউন্ড লাইটিং ফোরামের সিনিয়র সহ সভাপতি ফণী ভূষণ দেব, সহ সভাপতি সুশান্ত দত্ত, সহ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল আযম চৌধুরী টিপু, টিসু পালিত, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদাত আনোয়ার, অর্থ সম্পাদক রায়হান কাদীর চৌধুরী, সহ অর্থ সম্পাদক সুজিত চৌধুরী, দপ্তর-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাজী জাহিদ উদ্দীন, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক অজয় চক্রবর্ত্তী, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, সমাজকল্যাণ ও আপ্যায়ন সম্পাদক রুমেন চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট মো. কাইছার উদ্দীন ও বাহার মজুমদার।
৯ বছরের পর আরও তিন বছরের দায়িত্বে ওয়াসার এমডি
০২,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি পদে আবারো পুনরায় নিয়োগ পেয়েছেন এ কে এম ফজলুল্লাহ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে পরবর্তী তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়। আগামী মাসে তার মেয়াদ উত্তীর্ণ হচ্ছে। ১ নভেম্বর থেকে এমডি পদে পুনঃনিয়োগ কার্যকর হবে বলে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। ‌ এর আগে, গত ৭ সেপ্টেম্বর ওয়াসার এক বোর্ড সভায় এ কে এম ফজলুল্লাহ হককে আবারো নিয়োগের জন্য বোর্ডের সদস্যরা সুপারিশ করেছেন। আগে থেকেই ফজলুল্লাহ গত ৯ বছর ধরে চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি পদে রয়েছেন। ১৯৪২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি জন্ম নেওয়া ফজলুল্লাহ লাহোর থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেন এবং ১৯৬৮ সালে ওয়াসার সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগ পান। পরে নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৯৮ সালে অবসর নেন। এরপর ২০০৯ সালের ৮ জুলাই তাকে এক বছরের জন্য চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। জানা গেছে, মো. হাসান আলী নামে ওয়াসার এক গ্রাহক গত ১১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল্লাহর বিরুদ্ধে অর্থপাচার, স্বজনপ্রীতি, নিয়োগ বাণিজ্য, অব্যবস্থাপনাসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত খবর-প্রতিবেদন উদ্বৃত করে চট্টগ্রামে দুদকের বিভাগীয় পরিচালকের কাছে অভিযোগ করেন। এরপর হাসান আলী ওয়াসার এমডি পদে ফজলুল্লাহর পুনঃনিয়োগ চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনও করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৩ সেপ্টেম্বর ফজলুল্লাহর অনিয়ম দুর্নীতি বিষয়ে দুদক কি পদক্ষেপ নিয়েছে তা বা আদৌ পদক্ষেপ নিয়েছে কিনা তা জানতে চেয়ে এক মাসের সময় দিয়ে মৌখিক আদেশ দেয়।-
চাকার ভেতর ১৯ হাজার ইয়াবা, Rab-7 এর হাতে আটক ২
০২,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পিকআপের সঙ্গে থাকা এক্সট্রা চাকার ভেতর করে ইয়াবা নিয়ে ঢাকা যাওয়ার পথে দুইজনকে আটক করেছে Rapid Action Battalion (Rab)। চাকার ভেতর থেকে মোট ১৯ হাজার ৬২২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে Rab সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) Rab এর পক্ষ থেকে ইয়াবাসহ দুইজনকে আটকের বিষয়টি জানানো হয়। সীতাকুণ্ড থানাধীন ছোট কুমিরা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক দুইজন হলো- ভোলা জেলার লালমোহন থানাধীন কালিরটেক এলাকার মো. খোরশেদ আলমের ছেলে মো. আলম (৩০) ও লক্ষ্মীপুর জেলার দক্ষিণ চরমনি এলাকার তোফায়েল আহমদের ছেলে আলমগীর (৫৪)। এদের মধ্যে মো. আলম পিকআপ চালক ও আলমগীর সহকারী বলে জানিয়েছে Rab। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন নিউজ একাত্তরকে বলেন, সীতাকুণ্ড থানাধীন ছোট কুমিরা এলাকা থেকে ১৯ হাজার ৬২২ পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের সীতাকুণ্ড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। Rab-7 এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাশকুর রহমান নিউজ একাত্তরকে বলেন, আটক মো. আলম পিকআপ চালক ও আলমগীর সহকারী। তারা ইয়াবা নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে তারা পিকআপের সঙ্গে থাকা এক্সট্রা চাকার ভেতর করে লুকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এর আগেও তারা বিভিন্ন কৌশলে ইয়াবা নিয়ে গেছেন ঢাকায়।
চট্টগ্রামে ৮২ পিস স্বর্ণের বারসহ বিমানযাত্রী আটক
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই থেকে ৮২ পিস স্বর্ণের বার নিয়ে আসা এক যাত্রীকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ৭টা ২০ মিনিটে এসব সোনার বার উদ্ধার করে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়ন্দা ও চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ৯ কেজি ৫৯ গ্রাম সোনার বারসহ আটক কক্সবাজারের চকরিয়ার মোহাম্মদ এনামুল হক (পাসপোর্ট: বিপি ০৭৮৬৭৮১) দুবাই থেকে মূলত এসব স্বর্ণ ক্যারিয়ার হিসেবেই বহন করছিলেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষের উপ কমিশনার রোখসানা আকতার। তিনি নিউজ একাত্তরকে জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সকাল ৭টা ২০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১৪৮ ফ্লাইটের এক যাত্রীকে আটক করে তল্লাশি করে এনএসআই ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বিমানটি ল্যান্ড করার পরপরই সন্দেহজনক ওই যাত্রীকে তল্লাশি করা হয়। এসময় একটি প্লাস্টিকে মোড়ানো বডিশিল্ডে লুকানো অবস্থায় ৮২টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুবাই থেকে ক্যারিয়ার হিসেবে এসব স্বর্ণের বার বহন করার কথা জানিয়েছেন আটক ওই যাত্রী। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাকে পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান কাস্টম কর্মকর্তা রোখসানা আক্তার।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর