বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে এদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসকে ভূলুন্ঠিত করেছে: মেয়র
২৪ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,ষ্টাফ রিপোর্টার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস গৌরবোজ্জল ও গর্বের ইতিহাস। মুক্তিযুদ্ধের গৌরব গাঁথা ইতিহাস এ প্রজন্ম জানতে পারে নাই। বাঙ্গালি জাতি হিসেবে এ ইতিহাস জানা জরুরি ছিল। স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি এ ইতিহাসকে কবর দিয়েছে। তারা জাতির জনককে হত্যা করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসকে ভূলুন্ঠিত করেছে। মেয়র আজ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন আয়োজিত নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে চট্টগ্রাম জেলার ১৭৫ জন মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও সন্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান। এসময় ভারতীয় ডেপুটি হাই কমিশনার সুবাশীষ সিনহা, রাশিয়ার কনসুলা জেনারেল আশিক ইমরান, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন( চসিক) এর প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, রাজস্ব কর্মকর্তা মফিজুল আলম, প্যানেল মেয়র হাসান মাহমুদ চৌধুরী হাসনি, জোবাইরা নারগিস খান, ড. নিছার উদ্দিন খান, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহম্মেদ উপস্থিত ছিলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ হান্নান এর পক্ষে তাঁর ছেলে এস এম মাহফুজ, আতাউর রহমান খান কায়সার এর পক্ষে তাঁর মেয়ে ওয়াসেকা আয়শা খান সংবর্ধনা ও সন্মানি গ্রহন করেন। এসময় মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক পাঁচ মিনিটের প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আবদুস সালামকে ঘরের চাবি উপহার দেন মেয়র। i এসময় মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য যে সন্মান দেখিয়েছে তা প্রশংসার যোগ্য। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ২০১৭ সালে সিটি করপোরেশন নগরীর উত্তর কাট্টলীতে মুক্তি ভবন নামে ভবন নির্মাণ করেছে। ৫ জন মুক্তিযোদ্ধার জন্য ৫টি গৃহ নির্মাণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যার প্রতিটি ভবনের জন্য ব্যয় হচ্ছে প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা। এ প্রকল্পের আওতায় ৫০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে গৃহ নির্মাণ করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও ২০১৫ সালে ১২০ জন, ২০১৬ সালে ১৫০ জন, ২০১৭ সালে ১৫০ জন, ২০১৮ সালে ১৭০ জন এবং ২০১৯ সালে ১৭৫ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা ও সন্মানি প্রদান করেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সন্মান প্রদানের লক্ষ্যে মুজিব বর্ষকে সামনে রেখে ভিন্ন কলেবরে এ বছর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও সন্মাননা প্রদান করছে।
বন্ড কমিশনারের সাথে বিজিএপিএমই নেতৃবন্দের মতবিনিময়
২৪ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নবনিযুক্ত বন্ড কমিশনার মো: মাহবুবুজ্জামান এর সাথে বিজিএপিএমই চট্টগ্রাম অঞ্চলের সদস্যদের সাথে এক মতবিনিময় সভা চট্টগ্রাম কাস্টমস্ বন্ড কমিশনারেট কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিজিএপিএমই এর পরিচালক দৈনিক পূর্বকোণের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জসিম উদ্দিন চৌধুরী এবং কাস্টমস্ পোর্ট এন্ড শিপিং এর আহব্বায়ক খন্দকার লতিফুর রহমান আজিম এর নেতৃত্বে চট্টগ্রামে বন্ড এক্সেসরিজ প্রতিষ্ঠান সমূহের অর্থনৈতিক সার্বিক দিক নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় মো: জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম ব্যবসায়িক অঞ্চল হিসেবে খ্যাত। দেশের সিংহভাগ আমদানী-রপ্তানী চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এই আমদানী-রপ্তানীতে কাস্টমস্ বন্ডের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তিনি নবনিযুক্ত কমিশনারকে ব্যবসায়িক স্বার্থে সার্বিক সহযোগিতার আহব্বান জানান। বিজিএপিএমই এর সদস্য খন্দকার লতিফুর রহমান আজিম বলেন, এই মুহুর্তে চট্টগ্রামে এক্সেসরিজ প্রতিষ্ঠানসমূহের ক্রান্তিকাল চলছে। নবনিযুক্ত কমিশনার মো: মাহবুবুজ্জামান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক পরিক্রমায় গতিশীলতা পেয়েছে। এই মুহুর্তে সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে উন্নয়নকামী দেশে রূপান্তরের জন্য একযোগে কাজ করতে হবে। এসময় কাস্টমস্ বন্ড কমিশনারেট এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কমিশনার ম. সফিউজ্জামান ও মাহফুজুর রহমান এবং যুগ্ম কমিশনার তোফায়েল আহমদ। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বিজিএপিএমইএর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মো: বেলাল উদ্দিন এবং ওসমান হোসাইন সহ চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-কমিটির বিভিন্ন আহব্বায়ক ও যুগ্ম আহব্বায়কবৃন্দ।
পৌরকর আদায়ের মাধ্যমে সিটি করপোরেশন এর সক্ষমতা অর্জন করতে হবে- মেয়র
২৩ডিসেম্বর,সোমবার,স্টাফ রির্পোটার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেছেন, নগরবাসীর নাগরিক সেবা প্রদানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনই একমাত্র অভিভাবক। নগরবাসীর জন্য সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। সেবার মান বৃদ্ধির জন্য পৌরকর আদায়ের মাধ্যমে সিটি করপোরেশন এর সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। মেয়র আজ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কে বি আবদুস সাত্তার মিলনায়তনে শহরে দরিদ্র সম্প্রদায়ের জীবনমান ও জীবিকা উন্নয়ন শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান। এসময় প্যানেল মেয়র জোবায়রা নারগিস খান, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, মো. আজম, আবিদা আজাদ, জেসমিন পারভিন জেসি, জেসমিনা খানম উপস্থিত ছিলেন। মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে ১৪ লক্ষ ৪০ হাজার দরিদ্র মানুষ বাস করছে যা অন্য শহরে নেই। দিনে পর দিন এদের সংখ্যা বাড়ছে। এদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানে সিটি করপোরেশন হিমসিম খাচ্ছে। চট্টগ্রাম শহরের কাছে এমন কোন জায়গা নেই, যেখানে ভাসমান মানুষের পুনর্বাসন করা যাবে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে বাসযোগ্য ও ক্লিন এবং গ্রীন সিটি নির্মাণের লক্ষ্যে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সিটি করপোরেশন এর নানা উন্নয়ন কর্মকান্ডের কথা তুলে ধরে মেয়র বলেন, শিক্ষা স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়নে সিটি করপোরেশন এর অবদান বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সিটি করপোরেশন এর ভর্তুকি দিনের পর দিন বাড়ছে। নগরে সিটি করপোরেশন পরিচালিত ৪৭ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ১৫ শতাংশ শিক্ষার্থী বিনা বেতনে অধ্যয়ণ করছে। অনেকে ভর্তি ফি ছাড়াও আমার সহযোগিতা নিয়ে ভর্তি হয়েছে। এত সেবা দেওয়ার পরেও নগরবাসীর আশানুরুপ সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না। পৌরকর না দেওয়ার জন্য নানা ধরনের তদবির করে। তিনি আরো বলেন, শহরের সুবিধা গ্রামে পৌঁছে দিতে পারলে গ্রামের মানুষ শহরে আসবে না। অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারনে শহরের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা যাচ্ছে না। আইন শৃঙ্খলারও অবনতি হচ্ছে।
পৌরকর আদায়ের মাধ্যমে সিটি করপোরেশন এর সক্ষমতা অর্জন করতে হবে- মেয়র
২৩ডিসেম্বর,সোমবার,স্টাফ রির্পোটার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেছেন, নগরবাসীর নাগরিক সেবা প্রদানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনই একমাত্র অভিভাবক। নগরবাসীর জন্য সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। সেবার মান বৃদ্ধির জন্য পৌরকর আদায়ের মাধ্যমে সিটি করপোরেশন এর সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। মেয়র আজ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কে বি আবদুস সাত্তার মিলনায়তনে শহরে দরিদ্র সম্প্রদায়ের জীবনমান ও জীবিকা উন্নয়ন শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান। এসময় প্যানেল মেয়র জোবায়রা নারগিস খান, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, মো. আজম, আবিদা আজাদ, জেসমিন পারভিন জেসি, জেসমিনা খানম উপস্থিত ছিলেন। মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে ১৪ লক্ষ ৪০ হাজার দরিদ্র মানুষ বাস করছে যা অন্য শহরে নেই। দিনে পর দিন এদের সংখ্যা বাড়ছে। এদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানে সিটি করপোরেশন হিমসিম খাচ্ছে। চট্টগ্রাম শহরের কাছে এমন কোন জায়গা নেই, যেখানে ভাসমান মানুষের পুনর্বাসন করা যাবে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে বাসযোগ্য ও ক্লিন এবং গ্রীন সিটি নির্মাণের লক্ষ্যে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সিটি করপোরেশন এর নানা উন্নয়ন কর্মকান্ডের কথা তুলে ধরে মেয়র বলেন, শিক্ষা স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়নে সিটি করপোরেশন এর অবদান বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সিটি করপোরেশন এর ভর্তুকি দিনের পর দিন বাড়ছে। নগরে সিটি করপোরেশন পরিচালিত ৪৭ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ১৫ শতাংশ শিক্ষার্থী বিনা বেতনে অধ্যয়ণ করছে। অনেকে ভর্তি ফি ছাড়াও আমার সহযোগিতা নিয়ে ভর্তি হয়েছে। এত সেবা দেওয়ার পরেও নগরবাসীর আশানুরুপ সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না। পৌরকর না দেওয়ার জন্য নানা ধরনের তদবির করে। তিনি আরো বলেন, শহরের সুবিধা গ্রামে পৌঁছে দিতে পারলে গ্রামের মানুষ শহরে আসবে না। অতিরিক্ত জনসংখ্যার কারনে শহরের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা যাচ্ছে না। আইন শৃঙ্খলারও অবনতি হচ্ছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ অর্জন করেছে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার
২৩ডিসেম্বর,সোমবার,স্টাফ রির্পোটার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম রেঞ্জের অপরাধ পর্যালোচনা ও বিবিধ বিষয়ক সম্মেলনে নভেম্বর ১৯ মাসে অপরাধ নিয়ন্ত্রনে দক্ষতা, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, নিয়মিত মামলার আসামি গ্রেফতার, পরোয়ানা তামিলসহ সার্বিক কর্মমূল্যায়ণে রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ জেলা নির্বাচিত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা এবং শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার মনোনীত হয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি) নুরেআলম মিনা, বিপিএম (বার), পিপিএম। আজ ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত রেঞ্জ সম্মেলনে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, বিপিএম(বার),পিপিএম নিকট হতে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ সম্মাননা স্মারক ও সার্টিফিকেট অফ এপ্রিসিয়েশন গ্রহণ করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি) নুরেআলম মিনা, বিপিএম (বার), পিপিএম। এছাড়া রেঞ্জের,রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার মনোনীত হয়েছেন চট্টগ্রাম জেলার মো: আবুল কালাম চৌধুরী,সহকারী পুলিশ সুপার , রাঙ্গুনিয়া সার্কেল । অস্ত্র কারখানা ও অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধারকালীন গুরুতর আহত হয়ে বিশেষ ক্যাটাগরীর পুরষ্কার অর্জন করেন রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ কেফায়েত উল্লাহ। শ্রেষ্ঠ কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক অফিসার মনোনীত হয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা সদর কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক সুব্রত ব্যানার্জী। শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার মনোনীত হয়েছেন রাউজান থানার এসআই (নি:) মৃদুল বড়ুয়া। শ্রেষ্ঠ অবৈধ অস্ত্র-গুলি উদ্ধারকারী অফিসার মনোনীত হয়েছেন রাউজান থানার এসআই (নি:) সাইফুল ইসলাম। রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ মামলা তদন্তকারী অফিসার মনোনীত হয়েছেন রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার এসআই (নি:) সুব্রত চৌধুরী। এ স্বীকৃতি চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মনোবল, পেশাদারিত্ব ও কর্মোদ্দীপনা বৃদ্ধি করবে।
শুল্ক ফাঁকি দেওয়া ১৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ভ্রাম্যমাণ আদালতের
২৩ডিসেম্বর,সোমবার,কমল চক্রবর্তী, বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম নগরীর পাচঁলাইশ ও খুলশী থানাধীন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শুল্ক ফাঁকি দেওয়া ৩৩৩ টি মোবাইল ফোন উদ্ধারসহ ১৩ প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ০২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে RAB-৭ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত শনিবার ২১শে ডিসেম্বর বেলা ২ টায় চট্টগ্রাম মহানগরীর পাচঁলাইশ ও খুলশী থানাধীন এলাকায় সানমার ওশান সিটি, ইউনুছ সিটি সেন্টার ও ফিনলে স্কয়ার মার্কেটে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। RAB-৭, এর মিডিয়া অফিসার এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে, চট্টগ্রাম মহানগরীর পাচঁলাইশ ও খুলশী থানাধীন এলাকায় সানমার ওশান সিটি, ইউনুছ সিটি সেন্টার ও ফিনলে স্কয়ার মার্কেটে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী শুল্ক ফাঁকি দেওয়া বিপুল পরিমাণ বিদেশী মোবাইল ফোন ক্রয়-বিক্রয় করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ২১শে ডিসেম্বর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিল্লুর রহমান, বিটিআরসির উপ-পরিচালক রোকসানা বেগম ও র্যাকব-৭ এর সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা হয়। এ সময় ১৩ টি মোবাইল দোকান হতে শুল্ক ফাঁকি দেওয়া বিভিন্ন ব্রান্ডের ৩৩৩ টি স্মাট ফোন (এর মধ্যে রয়েছে ০১ টি আইফোন, ১১ টি ওয়ান প্লাস, ০১ টি নকিয়া, ০১ টি ভিভো, ০১ টি লেনোভো, ০৭ টি হনর, ০১ টি নোভা এবং ৩১০ টি এমআই/রেডমি/রিয়েলমি) এবং ০৩ টি স্মার্ট ঘড়ি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইন ২০০৯ এর ৪৫ ধারা মোতাবেক সানমার ওশান সিটি এর বিশাল ইলেক্ট্রনিক্স এর মালিককে ৩০ হাজার টাকা, ফেমাস টেলিকম এবং জিএসএম ল্যাব এর মালিককে ২০ হাজার টাকা,বেস্ট ওয়ান এর মালিককে ২০ হাজার টাকা, ভিরাজ বাই সেল এক্সসেঞ্জ এর মালিককে ১৫ হাজার টাকা, গেম স্টেশন এর মালিককে ১০ হাজার টাকা, ইউনুছ সিটি সেন্টার মার্কেটের এ্যাপহোয়েল এর মালিককে ৩০ হাজার টাকা,পয়েন্ট এর মালিককে ২০ হাজার টাকা, ইজি কল এর মালিককে ২০ হাজার টাকা এবং ফিনলে স্কয়ার মার্কেটের ড্যাজেল এর মালিককে ২০ হাজার টাকা, সেলমার্ট এর মালিককে ২০ হাজার টাকা, আনবক্স এর মালিককে ১৫ হাজার টাকা, গ্লোবাল মিডিয়া এর মালিককে ১০ হাজার টাকা এবং ইউনিক পয়েন্ট এর মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ সর্বমোট ০২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি আরো জানান, উদ্ধারকৃত আলামত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিল্লুর রহমান ও বিটিআরসির উপ-পরিচালক রোকসানা বেগম এর উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হয়েছে। সেই সাথে আদায়কৃত জরিমানার ০২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানায় আলোচিত সেবা ছাউনির উদ্বোধন
২৩ডিসেম্বর,সোমবার,স্টাফ রির্পোটার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানায় আগত সেবাপ্রার্থীদের সুবিধার জন্য থানা প্রাঙ্গণে নির্মাণ করা হয়েছে সেবা ছাউনি সেই সাথে রয়েছে সচেতনতার জন্য নানা দেওয়াল লিখন। নগরীর বদলে যাওয়া থানা কোতোয়ালীকে ঘিরে বেশ আলোচনা চলছিল সংবাদ মাধ্যমে। আজ সোমবার ২৩শে ডিসেম্বর সকালে এ সেবা ছাউনি উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান।পরে সিএমপি কমিশনার থানায় নতুন করে সাজানো অফিসার কর্নারও পরিদর্শন করেন। এ সময় চসিকের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, ইউসিবি ব্যাংকের ইসি কমিটির চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি, সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) এসএম মোস্তাক আহমদ খান, উপ-কমিশনার (সদর) আমির জাফর, উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এসএম মেহেদী হাসানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় থানা প্রাঙ্গণে সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা চাই থানা হোক জনবান্ধব। সাধারণ মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে থানায় এসে সেবা নিতে পারেন। থানায় একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি করতে চাই আমরা। সেবা ছাউনির মাধ্যমে থানায় আগত মানুষ উপকৃত হবেন এবং উত্তম সেবা পাবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। উক্ত অনুষ্ঠানে সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) শাহ মুহাম্মদ আবদুর রউফ, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালী জোন) নোবেল চাকমা, ওসি মোহাম্মদ মহসীন উপস্থিত ছিলেন।
গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী ডাকাত জসিম Rab এর হাতে আটক
২২ডিসেম্বর,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাঁশখালীর চাম্বল এলাকায় অভিজান চালিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি জসিম উদ্দিন প্রকাশ পুতুইয়া ডাকাতকে (৩০) গ্রেফতার করেছে Rapid Action Battalion (Rab)। আটক জসিম বাঁশখালীর পূর্ব চাম্বল এলাকার মো. কালুর ছেলে। আজ রোববার ২২শে ডিসেম্বর সকালে বাঁশখালীর চাম্বল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানান Rab-07 এর মিডিয়া অফিসার এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন। গ্রেফতার জসিমের কাছ থেকে একটি একনলা বন্দুক ও একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। Rab-07 এর সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে ২০১৮ সালের ১৯ আগস্ট বাঁশখালীর চাম্বল এলাকার এক কিশোরী গণধর্ষণের মূলহোতা ও এজাহারে প্রধান অভিযুক্ত ছিল জসিম উদ্দিন প্রকাশ পুতুইয়া ডাকাত বাঁশখালীর চাম্বল এলাকায় অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জসিম উদ্দিন প্রকাশ পুতুইয়া ডাকাতকে (৩০) কে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি একনলা বন্দুক ও একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়। তিনি আরো জানান, আটক কৃতের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে। পরবর্তীতে তাকে বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হবে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর