চার কোটি টাকার ৮ কেজি স্বর্ণ বিমানবন্দরের টয়লেটে
২২নভেম্বর,শুক্রবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রায় ৪ কোটি টাকা মূল্যের ৮ কেজি ১৭০ গ্রাম ওজনের ৭০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়েছে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টয়লেট থেকে। আজ শুক্রবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে ওমানের মাসকাট থেকে সালাম এয়ারের যাত্রীরা নামার পর পরিত্যক্ত অবস্থায় স্বর্ণগুলো উদ্ধার করা হয়। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার সারওয়ার-ই-জামান বলেন,জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের কর্মকর্তারা স্বর্ণগুলো খুঁজে পান। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টয়লেটে পাওয়া গেছে ৮ কেজি স্বর্ণএর আগে গোপন সংবাদ থাকায় ওই ফ্লাইটের যাত্রীদের ওপর কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে সংশ্লিষ্ট পাচারকারী স্বর্ণের বারসহ পলিথিনটি টয়লেটে ফেলে যায়। এ ব্যাপারে কাস্টম আইন অনুযায়ী জব্দসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান এ কর্মকর্তা। তিনি বলেন,শাহ আমানতের আন্তর্জাতিক আগমন বিভাগের টয়লেটে স্বর্ণগুলো পাওয়া গেছে। ঠিক কোন প্লেনে কিংবা কোন দেশ থেকে পাচারকারী চক্র এসব স্বর্ণ এনেছে বলা মুশকিল।
বাংলাদেশ পুলিশ চট্টগ্রাম রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
২১নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,মো:ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ পুলিশ চট্টগ্রাম রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা গতকাল বুধবার হালিশহরস্থ জেলা পুলিশ লাইন্সের সিভিক সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে অপরাধ পর্যালোচনা সভার শুরুতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের স্মরণিকা অগ্রযাত্রার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। সভায় গত অক্টোবর মাসে জঙ্গিবাদ, অস্ত্র, মাদক নির্মূল, ওয়ারেন্ট তামিল, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দক্ষতা, মামলার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার, পরোয়ানা তামিল ও কোর্টে প্রসিকিউশন পক্ষের মামলা পরিচালনাসহ সার্বিক বিবেচনায় ভালো কাজের জন্য ১৭ ক্যাটাগরিতে রেঞ্জের ২৯ জন অফিসার-ফোর্সকে পুরস্কৃত করা হয়। এতে শ্রেষ্ঠ জেলার পুরস্কার নিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা। এ ছাড়াও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন, কাজী মো. আবদুর রহিম, সালাহউদ্দিন আল মাহমুদ, মো. কামাল উদ্দিন, আলাউদ্দিন, মো. নবীর হোসেন, মো. জাকির হোসেন, কামাল হোসেন, মো. গোলাম মোস্তফা, মো. সাঈদ মিয়া, মো. ইকবাল হোসেন, মো. সহিদার রহমান, নন্দন চন্দ্র সরকার, মো. খালেকুজ্জামান, মো. শাহাবুর আলম, মো. সাইদুর রহমান, এনামুল হক, আমিনুল ইসলাম, সাব্বির আহমদ, মো. মজিবুর রহমান, মো. সাদ্দাম হোসেন, আল-আমিন, আরাফাত বিন ইউসুফ, সাইফুল ইসলাম, ইসমাঈল হোসেন ও সৈয়দ এহতেশাম হায়দার বাপ্পী। অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তাদের প্রত্যেকের হাতে পুরস্কার তুলে দেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন এন্ড ক্রাইম) মোহাম্মদ আবুল ফয়েজ, জেলা পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা (চট্টগ্রাম), মো. মাহাবুবর রহমান (চাঁদপুর), এবিএম মাসুদ হোসেন (কক্সবাজার), মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার (বান্দরবান), মোহা. আহমার উজ্জামান (খাগড়াছড়ি), মো. আলমগীর কবীর (রাঙ্গামাটি), মো. আলমগীর হোসেন (নোয়াখালী), ড. এএইচএম কামরুজ্জামান (লক্ষীপুর), খোন্দকার নুরুন্নবী (ফেনী), সৈয়দ নুরুল ইসলাম (কুমিল্লা), মোহাম্মদ আনিসুর রহমান (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন এন্ড ক্রাইম) মাহমুদা বেগম, সহকারী পুলিশ সুপার মান্না দে, সহকারী পুলিশ সুপারগণ ও থানাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ পরিদর্শকগণ।
ধর্মঘটে সড়কে নৈরাজ্য
২১নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন সড়ক আইন বাতিলের দাবিতে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান পণ্য পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে গতকাল চট্টগ্রামসহ সারাদেশে সড়কে নৈরাজ্য ছিল পরিবহন শ্রমিকদের। ধর্মঘটের কারণে সকল ধরনের ট্রাক, লরি ও ট্রেইলর চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে বন্দর থেকে পণ্যবাহী কোনো যানবাহন বের হয়নি। তবে অন্যান্য পরিবহন এই ধর্মঘটের আওতায় না থাকলেও পণ্য পরিবহন শ্রমিকরা যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচলে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি যাত্রীদের নামিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলেও তারা বাধা দিয়েছেন নগরীর বিভিন্নস্থানে। তাদের বাধার মুখে চট্টগ্রাম থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচলও বন্ধ ছিল। তবে পরিবহন শ্রমিকদের বৃহত্তর সংগঠন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মো. মুছা বলেন,আমরা কোনো ধর্মঘট ডাকিনি। সকাল থেকে বাসও চলেছে। তবে পণ্য পরিবহন শ্রমিকরা ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের বিভিন্ন স্থানে বাধা দেওয়ায় বাস চলতে পারেনি বলে আমরা খবর পেয়েছি। আমরা দাবি করেছি এ আইনটি ধীরে ধীরে কার্যকর করতে এবং প্রথমদিকে পুলিশকে সহনশীল থাকতে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ঢাকায় আমাদের ফেডারেশনের অন্তর্ভূক্ত ২১৫টি সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের বর্ধিত সভা রয়েছে। সেখানে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত হবে। নতুন সড়ক পরিবহন আইনের কয়েকটি ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে মঙ্গলবার থেকে ধর্মঘটের ডাক দেয় ট্রাক ও পণ্য পরিবহন শ্রমিকরা। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও এই ধর্মঘটের সাথে একাত্ম হয়ে বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে চালকরা, যাতে চট্টগ্রাম থেকে দূর পাল্লার বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মালিক-শ্রমিকদের স্বেচ্ছা কর্মবিরতির কারণ প্রসঙ্গে বাস মালিকরা বলছেন, আইন নিয়ে ভীতি এবং আন্দোলনরত শ্রমিকরা বিভিন্ন জায়গায় বাধা দেওয়ায় বাসসহ অন্যান্য পরিবহন চলাচল ব্যহত হয়েছে। জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখায় অলংকার মোড় থেকে ওই রুটের সকল যান চলাচল বন্ধ ছিল। নগরীর হালিশহর, বড়পোল, ঈদগাঁও, নিমতলা, আগ্রাবাদ এঙেস রোড, মনসুরাবাদ, পোর্ট কানেক্টিং রোড এলাকায় শ্রমিকরা প্রাইভেট কার, টেম্পো, সিএনজি টেঙি, জরুরি পণ্য পরিবহনের ছোট ভ্যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেন। এসময় চালক-যাত্রী ও শ্রমিকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। যাত্রীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও জোর করে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। গাড়ি না পেয়ে হেঁটে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে যেতে দেখা গেছে যাত্রীদের। সিটি সার্ভিস বাস চালক মনসুর অলঙ্কার মোড়ে বলেন, সকালে বাস নিয়ে বের হওয়ার কিছুক্ষণ পর কয়েকজন এসে বাস চালানো যাবে না বলে ঘোষণা করে। এসময় বাসে থাকা যাত্রীদেরও নামিয়ে দেয় তারা এবং বাস না চালাতে আমাদেরকে বাধ্য করছে। না হয় অবস্থা খুব খারাপ হবে বলে হুমকি দিয়ে যায়। বাসের যাত্রী আবুল কালাম আগ্রাবাদ এলাকায় বলেন, আজ শুধুমাত্র পণ্য পরিবহণ শ্রমিকদের ধর্মঘট থাকলেও তারা গণপরিবহণগুলোও বন্ধ করে দিচ্ছে। যাত্রীদের বাস থেকেও নামিয়ে দিচ্ছে। তাই সঠিক সময়ে অফিসে যেতে পারবো না। তিনি কোতোয়ালী মোড় থেকে আগ্রাবাদ তাঁর কর্মস্থলে আসতে গিয়ে পলোগ্রাউন্ড এলাকায় বাধার সম্মুখে পড়েন বলে জানান। এদিকে ট্রাক-কাভার্ড ভ্যানের পাশাপাশি পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এমনকি মহাসড়কে নগরীর আশপাশের উপজেলায় যাতায়াতকারী গণপরিবহনও সকালে চলাচল করেনি। বুধবার সকালে নগরীর বিভিন্ন প্রবেশপথ অলঙ্কার মোড়, অঙিজেন মোড়, শাহ আমানত সেতু এলাকায় শত শত মানুষকে গণপরিবহনের অপেক্ষায় দুর্ভোগ পোহাতে দেখা গেছে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা অভিমুখে কোনো বাস সকাল থেকে ছেড়ে যায়নি। সেন্টমার্টিন পরিবহনের দামপাড়াস্থ কাউন্টার ব্যবস্থাপক নাজির আহমেদ জানান, সকালে তাদের কয়েকটি বাস ছেড়ে গেলেও সাড়ে আটটা থেকে কোনো বাস ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়নি। এ কে খান এলাকায় ঈগল পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার কামাল হোসেনও জানিয়েছেন, সকাল থেকে তাদের বাস ছাড়া হয়নি। যারা আগাম টিকিট নিয়েছিলেন তাদের টাকাও ফেরত দেওয়া হচ্ছে। গতকাল ধর্মঘট চলাকালীন নগরীতে মাঝে মাঝে দুয়েকটি ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান দেখা গেলেও বন্দর অভিমুখী পণ্য বহনকারী কোনো যান দেখা যায়নি। তবে বেসরকারি কনটেনার ডিপোগুলোতে কিছু কিছু লং ভেহিক্যাল ঢুকেছে। প্রতিদিনের মতো বুধবার বন্দরের জেটিগুলোতে আমদানি পণ্যের কন্টেনার নামানোর কাজ স্বাভাবিকভাবে চললেও পণ্য নিতে সকাল থেকে কোনো ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান বন্দরে ঢোকেনি। সকাল থেকে চট্টগ্রাম বন্দর সংলগ্ন বিমানবন্দর সড়কের বিভিন্নস্থানে ও আশপাশের এলাকায় বন্ধ ট্রাক-কাভার্ড ভ্যানের সারি দেখা গেছে।
এসএমই ব্যাংকিং ম্যাচমেকিং মেলা উদ্বোধন
২০নভেম্বর,বুধবার,মো:ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ড মাঠে ৬ষ্ঠ এসএমই ব্যাংকিং ম্যাচমেকিং ফেয়ার-২০১৯ উদ্বোধন করা হয়েছে। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সাংসদ খাদিজাতুল আনোয়ার সনি এই ফেয়ারের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ সাবিহা নাহার বেগম ও বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রামের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম মহিউদ্দিন আজাদ। চিটাগাং উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে আয়োজিত ১৩তম আন্তর্জাতিক মহিলা এসএমই বাণিজ্য মেলার অভ্যন্তরে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতায় এই ম্যাচমেকিং ফেয়ারের আয়োজন করা হয়। ১২টি ব্যাংক এই ম্যাচমেকিং ফেয়ারে অংশ নিয়েছে। নারী উদ্যোক্তাদের জন্য এসএমই ঋণের সুযোগ ও সম্ভাবনা সম্পর্কে অবগত করতে এই ব্যাংকিং ম্যাচমেকিং ফেয়ারের আয়োজন করা হয়। এ ব্যাপারে চিটাগাং উইমেন চেম্বারের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ১৩ তম আন্তর্জাতিক মহিলা এসএমই বাণিজ্য মেলার চেয়ারপর্সন ডা. মুনাল মাহবুব বলেন, এই ফেয়ার নারী উদ্যোক্তা ও ব্যাংকগুলোর মাঝে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, চিটাগাং উইমেন চেম্বারের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবিদা মোস্তফা, ভাইস প্রেসিডেন্ট রেখা আলম চৌধুরী, নিশাত ইমরান, প্রাক্তন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট খালেদা আমান প্রমুখ।
দুবাই-আবুধাবি যাচ্ছে ইডিইউর শিক্ষার্থীরা
২০নভেম্বর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট লিডারশিপ এক্সপেরিয়েন্স (আইজিএলই) কোর্সের অধীনে ৮ দিনের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই-আবুধাবীতে যাচ্ছে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির (ইডিইউ) ২০ জন শিক্ষার্থী। এ সময় বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে শিক্ষার্থীরা কয়েকটি সেশনে অংশ নেবে। এতে শিক্ষার্থীদের সাথে অংশ নিচ্ছেন ৪ জন ফ্যাকাল্টি মেম্বার ও ২ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তা। আগামী ২৩ নভেম্বর তারা দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনা দেবেন। ইডিইউর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিনিধিত্ব করতে হলে গ্লোবাল এক্সপেরিয়েন্স প্রয়োজন। শুধু ক্লাস লেকচার আর পাঠ্যপুস্তক নির্ভর পড়াশোনায় সবকিছু সম্ভব নয়। ইডিইউ শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষক ও উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে। ইডিইউর স্কুল অব বিজনেসের সহযোগী ডিন ড. মুহাম্মদ রকিবুল কবির বলেন, এই কোর্সে শিক্ষার্থীরা রিসার্চ আন্ডারস্ট্যান্ডিং, সাসটেইনেবল লিডারশিপ, ডিজিটাল লিডারশিপ, মোরাল এন্ড এথিকাল লিডারশিপ, ইনোভেটিভ লিডারশিপ এবং সফট স্কিল ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করবে। দুবাই-আবুধাবির কালচারাল হেরিটেজ সাইট, গ্লোবাল ভিলেজ, শেখ যায়েদ ইউনিভার্সিটি, ফ্রি জোন ও নলেজ পার্কে নিয়ে যাওয়া হবে শিক্ষার্থীদের। এছাড়া লেবার ক্যাম্পে শ্রমিকদের জীবনযাপনও দেখানো হবে। এসব অভিজ্ঞতা তাদের গভীর জীবনবোধের শিক্ষা দেবে।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পেঁয়াজ-চালের মূল্য নিয়ন্ত্রণ না হলে এবার হার্ড লাইনে
২০নভেম্বর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. মো. আবদুল মান্নান বলেছেন, দুএক দিনের মধ্যে কার্গোতে করে দেশে পেঁয়াজ আসবে। নতুন পেঁয়াজ ও শীঘ্রই বাজারে আসবে। এসব পণ্যের মুল্য নিয়ন্ত্রণে না আসলে আমরা হার্ড লাইনে যাবো। অভিযুক্ত আড়তদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অসাধু আড়তদারদের রক্ষা নেই। পেঁয়াজ ও চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসকগণের নেতৃত্বে সদরের পাইকারী ও খুচরা বাজারে এবং উপজেলা গুলোতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। প্রয়োজনে সাড়াঁশী অভিযান পরিচালনা করতে হবে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম আঞ্চলিক টাস্কফোর্স সভা, বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাগনের সাথে সমন্বয় সভা, জেলা প্রশাসকগনের সাথে সমন্বয় সভা, এসডিজি বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সম্পর্কিত বিভাগীয় কমিটির সভা, কারাগারে আটক শিশু-কিশোরদের অবস্থার উন্নয়ন বিষয়ক সভা, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সংক্রান্ত সভা ও বিভাগীয় রাজস্ব সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার অফিস পৃথক সভাগুলোর আয়োজন করেন। বিগত সভার সিদ্ধান্ত ও অগ্রগতি তুলে ধরেন বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইনামুল হাসান ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সাবরিনা আফরিন মুস্তফা। বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারের প্রত্যেকটি প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে কি না তা তদারকি করা হবে। দুর্নীতিতে জড়ানো যাবেনা। আমরা সকলে সততা, আন্তরিকতা ও দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করলে দেশ আরো অনেকদুর এগিয়ে যাবে। পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ দমন, চরি-ডাকাতি রোধ ও অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পৃথক সভাগুলোতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, বিজিবির রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিঃ জেনারেল আমিরুল ইসলাম সিকদার, বিভাগীয় স্থানীয় সরকার পরিচালক দীপক চক্রবর্তী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোঃ নুরুল আলম নিজামী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী মোঃ সামসুদ্দোহা, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন (চট্টগ্রাম), আবুল ফজল মীর (কুমিল্লা), তন্ময় দাস (নোয়াখালী), একেএম মামুনুর রশীদ (রাঙ্গামাটি), মো. মাজেদুর রহমান খান (চাঁদপুর), মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম (বান্দরবান), অঞ্জন চন্দ্র পাল (লক্ষীপুর), প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস (খাগড়াছড়ি), মো. ওয়াহিদুজ্জামান (ফেনী), হায়াত-উদ-দৌলা (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া), বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-মহাপরিচালক মোঃ সামছুল আলম, ওয়াসার সচিব ড. পীযুষ দত্ত, ডিসি-ডিবি(বন্দর)এসএম মোস্তাইন হোসেন,Rab-7 এর অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ মশিউর, এনএসআইর অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ ইউসুফ আলী হাওলাদার, আনসার-ভিডিপির উপ-মহাপরিচালক মোঃ সামছুল আলম, ডিআইজি (প্রিজন) একেএম ফজলুল হক, বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক মোঃ আবু সাইদ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ মুজিবুর রহমান পাটওয়ারী প্রমুখ। পৃথক সভাগুলোতে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মরত পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বোয়ালখালীর নিখোঁজ গৃহবধু: অভিযোগ অপহরণের, তদন্তে মিলল পালিয়েছিলেন প্রেমিকের সাথে
১৯নভেম্বর,মঙ্গলবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুই সন্তানসহ এক নারী নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার অপহরণের সন্দেহ করলেও পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছিলেন তিনি। গত ১২ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর আমান বাজার থেকে সিএনজি অটো রিকশা করে বোয়ালখালী উপজেলার শাকপুরায় নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় চার ও দুই বছর বয়েসী দুই সন্তানসহ উধাও হয়ে যান ওই নারী (২৫)। তার মা তখন চান্দগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তাতে তিনি বলেন, কাপ্তাই রাস্তার মাথায় অটো রিকশা দাঁড় করিয়ে কাপড় কিনতে নেমেছিলেন তিনি। মিনিট দশেক পর ফিরে এসে দেখেন, অটোরিকশাটিও নেই, তার মেয়ে ও নাতনিরাও নেই। স্থানীয় সংবাদপত্র ও ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি আলোচনায় এলে তা দেখে এর তদন্ত শুরু করে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মঈনুল ইসলাম বলেন,আমরা জিডিটির তদন্তভার গ্রহণ করার পর পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলি। তাদের ধারণা ছিল, সিএনজি অটোরিকশা চালক তাদের মেয়ে ও নাতনিদের অপহরণ করেছে। এরপর আমরা বিভিন্ন স্থানের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ শুরু করে কাজ করে নিশ্চিত হয়েছি ওই গৃহবধূ অপহৃত হয়নি। সাবেক প্রেমিকের সাথে তিনি ঢাকায় পালিয়ে গেছেন। ঢাকায় যার কাছে ওই নারী গিয়েছিলেন, তার বিষয়ে পুলিশের অনুসন্ধানের মধ্যেই দুই সন্তানসহ ওই নারী মঙ্গলবার ফিরে আসেন চট্টগ্রামে। পুলিশ কর্মকর্তা মঈনুল বলেন, আমরা ওই ব্যক্তির সন্ধান শুরু করলে সে বিষয়টি জানতে পেরে আজ তাকে তার দুই সন্তানসহ চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দেয়। পরে তাকে আমরা হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে চান্দগাঁও থানায় হস্তান্তর করেছি। পুলিশ জানায়, সাত বছর আগে বিয়ে হওয়ার আগে ওই ব্যক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ওই নারীর।-সিপ্লাস
গাজী আবদুর রহমান ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদ: খোরশেদ আলম সুজন
১৯নভেম্বর,মঙ্গলবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম গাজী আবদুর রহমান দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। তিনি গত ১৫ নভেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় সিডিএ আবাসিক এলাকা প্রভাতি উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে গাজী আবদুর রহমান স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে এবং কাট্টলী সংসদের সহযোগিতায় মরহুম গাজী আবদুর রহমানের স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত মন্তব্য করেন। এ সময় সুজন বলেন গাজী আব্দুর রহমানের মতো হাজারো নিবেদিত প্রাণ দলের নেতাকর্মী বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। যারা সবসময় দলের জন্য নীরবে নিভৃতে কাজ করে। তাদের কোন চাওয়া পাওয়া নেই। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই হচ্ছে তাদের আস্থার একমাত্র ঠিকানা। দলে অনুপ্রবেশকারীদের উত্থানে সে সকল নিবেদিত প্রাণ নেতা কর্মী যারা এতোদিন নীরব ছিলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষনায় তারা আবারো প্রাণ ফিরে পেয়েছে। তারা দলের কর্মকান্ডে সরব হতে শুরু করেছে এটা দলের জন্য সুসংবাদ। তিনি আরো বলেন জিয়াউর রহমানের আমল থেকে শুরু করে স্বৈরাচারী এরশাদ এবং খালেদা জিয়ার দুঃশাসনের মতো কঠিন সময়েও বিভিন্ন নির্বাচনে দলের নেতা কর্মীদের উজ্জীবিত করতেন মরহুম গাজী আবদুর রহমান। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে শত অত্যাচার নির্যাতন সত্বেও এ প্রবীণ নেতা সবসময় রাজপথে থাকতেন এবং দলের পক্ষে কাজ করতেন। তার এ আদর্শ রাজনীতির জন্য অনুকরনীয়। বর্তমান প্রজন্মকে মরহুম গাজী আবদুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে কাজ করার আহবান জানিয়ে জনাব সুজন বলেন কি পেলাম, কি পেলাম না সেটার নাম রাজনীতি নয়। রাজনীতি করে সমাজ কিংবা রাষ্ট্রকে আমি কি দিতে পেরেছি সেটাই হচ্ছে বড়ো বিষয়। স্মরণ সভা শেষে জনাব সুজন মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত করেন। সিডিএ আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যান পরিষদের সভাপতি ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা এ এইচ এম আবুল খায়েরের সভাপতিত্বে এবং যুবনেতা আসরাফ উদ্দিন হাসনাতের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আনোয়ারুল কবির চৌধুরী, জহির উদ্দিন মোঃ বাবর, হাবিবুর রহমান হাবিব, এমদাদুল হাসান বাবু, মোঃ হারুন উর রশীদ এম.এ, ডাঃ মোজাম্মেল হক, ফেরদৌস মাহমুদ আলমগীর, মোঃ আলমগীর, মাহফুজ রহমান, ইরফান আলম তানিম, আনন্দ আর্চায্য প্রমূখ। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য নুরুল কবির, সহিদুল ইসলাম দুলদুল, আবুল হাসনাত সৈকত, শিবলু বিশ্বাস শিবু, ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, মিজানুর রহমান মিঝু, তাজউদ্দীন চৌধুরী রিপন, মোহাম্মদ ইসহাক, মিঠুন সরকার, ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান চৌধুরী জনি, এস এম সাফায়েত হৃদয়, রায়হান সাব্বির, তুসার আহমেদ, অসিত দেব, সানিম, অভি রাজ প্রমুখ।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সাত্তার চৌধুরীর অবদান অসামান্য: ড. মাহবুবুল হক
১৯নভেম্বর,মঙ্গলবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক ড. মাহবুবুল হক বলেছেন, পুঁথি ও লোকসাহিত্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে আবদুস সাত্তার চৌধুরীর অবদান অসামান্য। আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের লালন ও তার পুনরুদ্ধারে আবদুস সাত্তার চৌধুরীর শ্রম ও সাধনা সার্থক হয়েছে। আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ ও আশুতোষ চৌধুরীর পরে তিনি উল্লেখযোগ্য কাজ সম্পাদন করেছেন। ড. মাহবুবুল হক গত ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম একাডেমির উদ্যোগে পুঁথি গবেষক ও সংগ্রাহক আবদুস সাত্তার চৌধুরীর জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন। সাহিত্যিক ও সাংবাদিক রাশেদ রউফ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ড. মাহবুবুল হক আরো বলেন, তাঁর সংগৃহীত পুঁথি ও লোকসাহিত্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার সমৃদ্ধ হয়েছে। তাঁর সংগৃহীত পুঁথির তালিকা নিয়ে একটা দীর্ঘ রচনা আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের পান্ডুলিপি পত্রিকায় প্রকাশ করেছিলাম। সেটি জন্ম শতবর্ষকে উপলক্ষ করে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করা গেলে এ প্রজম্মের পাঠক একটা ধারণা পেতে পারেন। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে ছিলেন আগ্রাবাদ মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. আনোয়ারা আলম, সরকারি মহসিন কলেজের অধ্যাপক ড. ইলু ইলিয়াস, শিল্পশৈলী সম্পাদক নেছার আহমদ, মরহুমের পুত্র পুঁথি গবেষক মুহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী, অধ্যাপক অজিত কুমার মিত্র, ব্যাংকার ফারুক খান চৌধুরী প্রমুখ। একাডেমির মহাপরিচালক অরুণ শীলের সঞ্চালনায় সাত্তার চৌধুরীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান সাবেক মহাপরিচালক কবি জিন্নাহ চৌধুরী, পরিচালক গল্পকার দীপক বড়ুয়া, গল্পকার সাংবাদিক বিপুল বড়ুয়া, সংগঠক মো. জাহাঙ্গীর মিঞা, লেখক এসএম আবদুল আজিজ, অধ্যাপক সুপ্রতিম বড়ুয়া, গল্পকার মিলন বনিক, কবি আবুল কালাম বেলাল প্রমুখ। অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে দীপক বড়ুয়ার সম্পাদনায় শ্রদ্ধাঞ্জলি শীর্ষক একটি সংকলন প্রকাশিত হয়।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর