রবিবার, মার্চ ৭, ২০২১
আল্লামা মুহাম্মাদ গাজিউল হক চাঁদপুরী শাহ মৃত্যুতে আস্তানায়ে জহির ভান্ডারের শোক প্রকাশ
২২,জুন,সোমবার,নিজেস্ব সংবাদদাতা,নিউজ একাত্তর ডট কম: খলিফায়ে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী আওলাদ পাক কুমিল্লার লাকসাম ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুরী শাহ দরবার শরীফের পীর আল্লামা সৈয়দ আবু আশরাফ মুহাম্মাদ গাজিউল হক চাঁদপুরী শাহ মৃতুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরস্হ আস্তানায়ে জহির ভান্ডারের সাজ্জাদানশীন ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নিবাহী সদস্য পীরজাদা মুহাম্মদ মহরম হোসাইন মাইজভান্ডারি। সোমবার (২২ জুন) সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় পীরজাদা মুহাম্মদ মহরম হোসাইন মাইজভান্ডারি পবিত্র ধর্ম ইসলামের প্রচার ও প্রসারে তার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। সেইসাথে মরহুম পীর আল্লামা সৈয়দ আবু আশরাফ মুহাম্মাদ গাজিউল হক চাঁদপুরী শাহ আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
দেশে টকিং গাড়ি সংযোজন করছে পিএইচপি
২২,জুন,সোমবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাড়িতে বসে মুখে নির্দেশনা দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সে সব কাজ হয়ে যাবে। মুখে কোনো বিষয়ে সাহায্য চাইলে জবাব দেবে গাড়িটি। বৃষ্টি আসলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাড়িটির উইপার্স কাজ করবে। এছাড়াও শ্রবণ প্রতিবন্ধী যে কেউ এ গাড়িটি চালাতে পারবেন। গাড়ি কোন লেনে চলছে, পথের নানা অসঙ্গতি শব্দের মাধ্যমে জানানো হবে চালককে। পিএইচপি অটোমোবাইলস লিমিটেড মালয়েশিয়ার প্রোটন ব্র্যান্ডের এক্স৭০ মডেলের এ টকিং গাড়ি দেশেই সংযোজন শুরু করেছে। রোববার (২১ জুন) নগরের শুলকবহরের এশিয়ান হাইওয়ে সংলগ্ন পিএইচপি-প্রোটন শো রুমে এ মডেলের গাড়ির পর্দা উন্মোচন করা হয়। এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাবে বলে আশা করছেন উদ্যোক্তারা। স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যালস (এসইউভি) ক্যাটাগরির প্রোটন এক্স৭০ গাড়িতে রয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সংযোগ, যা গাড়িপ্রেমীদের দেবে নতুন ধরনের ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা। গাড়িটি টকিং গাড়ি হিসেবেও ইতিমধ্যে পরিচিতি পেয়েছে। এ গাড়িতে রয়েছে দেড় লিটারের টার্বো ইঞ্জিন, ম্যানুয়েল মোডসহ সেভেন-স্পিড ডুয়েল ক্লাচ ট্রান্সমিশন, প্যানারমিক সানপ্রুপ, ৩৬০ ক্যামেরা অ্যান্ড পার্কিং সেন্সর, অটো ডুয়েল জোন এয়ার-কন্ডিশনিং, ছয়টি এয়ারব্যাগ, টায়ার প্রেসার মনিটরিং সিস্টেম ও এয়ার পিউরিফায়ার সিস্টেম। এ ছাড়া দুর্ঘটনার সতর্কতা ও লেন ছাড়ার সতর্কতাও দেবে গাড়িটি। প্রোটন এক্স৭০ মডেলের ব্র্যান্ড নিউ ২০২০ মডেলের এ গাড়িটি কিনলে ৫ বছরের ওয়ারেন্টি ও ফ্রি সার্ভিস মিলবে। এ ছাড়া ৫ বছরের বাই ব্যাক অফার ও রিপ্লেস কার সুবিধাও আছে। পিইএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান নিউজ একাত্তরকে বলেন, বাংলাদেশে প্রথম প্রোটন এক্স৭০ গাড়িটি আমরা এনেছি। গাড়িটি দেখতে সুন্দর ও আরামদায়ক। আমরা আশা করছি সর্বসাধারণের কাছে এ গাড়িটি সুলভ মূল্যে পৌঁছাতে পারবো। পিএইচপি ফ্যামিলির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন বলেন, বিশ্বের সব আধুনিক প্রযুক্তি গাড়িটিতে ব্যবহার করা হয়েছে। নিরাপত্তার বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে গাড়িটি তৈরি করা হয়েছে। পরিবেশ দূষণ কীভাবে কমানো যায় সেই ব্যবস্থাও এখানে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ভয়েস কমান্ড দিয়ে গাড়িটি পরিচালনা করা যায় বলে এটাকে টকিং গাড়ি বলা হয়। গাড়ি চালানোর সময় হাত ব্যবহার করতে অনেক সময় সমস্যা হয়। সেক্ষেত্রে মুখে কমান্ড করে গাড়ি পরিচালনা করাটা বিস্ময়কর ব্যাপার। আমার মনে হয় বাংলাদেশে এটি প্রথম, যা প্রোটন মডেলে রাখা হয়েছে। আমরা আমাদের সন্তানদের সবসময় ভালো ও নিরাপদ জিনিস দিয়ে থাকি। এটা সন্তানদের জন্য অত্যন্ত নিরাপদ। পিএইচপি অটোমোবাইল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আকতার পারভেজ বলেন, আমাদের শো রুমে এসে প্রোটন এক্স৭০ গাড়িটি নিয়ে টেস্ট ড্রাইভে যেতে পারেন আগ্রহীরা। ঢাকার তেজগাঁও লিংক রোড, কাকরাইল, চট্টগ্রাম ও সিলেটে পিএইচপি অটোমোবাইলের শোরুম থেকে গাড়িটি নেওয়া যাবে বলেও জানান তিনি।
প্লাজমা দানে আগ্রহী সিএমপি কমিশনার
২২,জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান। চট্টগ্রামে বাসায় থেকে চিকিৎসা নিয়ে জয় করেছেন করোনা। নমুনা পরীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। সোমবার (২২ জুন) বিষয়টি নিউজ একাত্তরকে জানিয়েছেন সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান নিজেই। সিএমপি কমিশনার বলেন, নমুনা পরীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। বাসায় থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলে সুস্থ হয়েছি। আমার রক্তের গ্রুপ বি পজিটিভ। আমি করোনা আক্রান্ত রোগীকে প্লাজমা দিতে চাই। তিনি বলেন, রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও চিকিৎসকের পরামর্শে বাসায় আইসোলেশনে থাকবো। শিগগির পুরোদমে ফের কাজে যোগ দেবো। করোনা আক্রান্ত হয়ে বাসায় চিকিৎসাধীন থাকলেও এতদিন বাসা থেকেই কাজ করেছেন সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দিক নির্দেশনা প্রদানসহ সার্বক্ষণিক দাফতরিক কাজের খোঁজ খবর নিয়েছেন তিনি। নমুনা পরীক্ষা করানো হলে গত ৯ জুন করোনা পজিটিভ বলে জানতে পারেন সিএমপি কমিশনার। তবে তিনি করোনা আক্রান্ত হলেও তার শরীরে জ্বর বা তেমন কোনও উপসর্গ ছিল না। করোনার শুরু থেকে মো. মাহাবুবর রহমানের নেতৃত্বে মানুষকে হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি, চিকিৎসকদের পরিবহন সুবিধা দিয়ে নানান কর্মকাণ্ডের কারণে প্রশংসিত হয়েছে সিএমপি।
বিদেশী মদ সহ চান্দগাঁওয়ে ডিবির হাতে আটক ১
২১,জুন,রবিবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন পাঠানিয়াগোদা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিদেশি মদসহ একজনকে আটক করেছে নগর গোয়ন্দা পুলিশ (ডিবি)। এসময় ৩৫ বোতল বিদেশী মদ ও একটি প্রাইভেট কারও জব্দ করা হয়। শনিবার (২০ জুন) বিকেলে পাঠানিয়াগোদা নুরুজ্জামান নাজির বাড়ি সড়কের মুরগির ফার্ম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃতের নাম মো. শাহ আলম (২৮)। তিনি পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ হুলাইন এলাকার মো. জমির হোসেনের ছেলে। মো. শাহ আলম তার সহযোগীদের নিয়ে নগরের বিভিন্ন এলাকায় এসব বিদেশি মদ খুচরা বিক্রি করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) আসিফ মহিউদ্দীন নিউজ একাত্তরকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাঠানিয়াগোদা নুরুজ্জামান নাজির বাড়ি সড়কের মুরগির ফার্ম এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাহ আলমকে আটক করা হয়। তার হেফাজত থেকে ৩৫ বোতল বিদেশি মদ ও একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে।শাহ আলম তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে চান্দগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পতেঙ্গা উপকূলে ৮৫০ টন ডালসহ জাহাজ দুর্ঘটনার কবলে
২১,জুন,রবিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গোপসাগরের পতেঙ্গা উপকূলে প্রায় ৮৫০ টন মটর ডালসহ একটি জাহাজ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। রোববার (২১ জুন) সকালে সাগরে প্রচণ্ড ঢেউয়ের মধ্যে আকস্মিকভাবে এমভি নিউ গোলাম রহমান নামের জাহাজটির একপাশে তলা ফেটে যায়। এরপর দ্রুত জাহাজটিকে পতেঙ্গা সীবিচ এলাকার দিকে চালিয়ে চরায় উঠিয়ে দেওয়া হয়। বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি নবী আলম জানান, দুর্ঘটনাকবলিত জাহাজটির নাবিকরা এখন নিরাপদে আছেন। বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের একজন কর্মকর্তা নিউজ একাত্তরকে বলেন, মডার্ন লজিস্টিকসের মালিকানাধীন জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ বড় জাহাজ থেকে ডাল খালাস করে খুলনার নোয়াপাড়ার দিকে যাত্রা শুরুর পর দুর্ঘটনা ঘটে। কীভাবে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
৬ হাজারের মাইলফলক অতিক্রম করলো চট্টগ্রামের করোনা রোগী
২০জুন,শনিবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছয় হাজারের মাইলফলক অতিক্রম করলো। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ১৮৭ জন নিয়ে এই সংখ্যা এখন ৬০৯৮। এর মধ্যে নগরের ৪১৪৭ জন এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার ১৯৫১ জন। একই সময়ে চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যু হয়েছে আরও ৩ জনের, যাদের ২ জন নগরের এবং একজন উপজেলার। ফলে মৃত্যুর সংখ্যা এসে দাঁড়ালো ১৩৯ জনে। ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে মুক্তি পেয়েছেন আরও ২০ জন। আর তাতে করে চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৫৯০ জন। শনিবার (২০ জুন) সকালে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, চট্টগ্রামের চারটি ল্যাব এবং কক্সবাজারের একটি ল্যাবে সর্বমোট ৭৭৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় আরও ১৮৭ জনের দেহে করোনাভাইরাস পজিটিভ পাওয়া গেছে। নতুন শনাক্তদের মধ্যে নগরের ৯২ জন এবং বিভিন্ন উপজেলার ৯৫ জন। আক্রান্তের দিক দিয়ে এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো নগরকে ছাড়িয়ে গেল উপজেলা। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় শনাক্ত হওয়াদের মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি। সেখানে ২১৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫৪ জনের করোনা পজিটিভ মিলেছে। যাদের মধ্যে ৪৯ জনই নগরের ও বাকি ৫ জন বিভিন্ন উপজেলার। একইদিনে, ফৌজদারহাটের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি)-তে ২৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সেখানে করোনা পজিটিভ রোগী পাওয়া যায় ৪২ জনের দেহে। যাদের মধ্যে ২০ জন নগরের ও ২২ জন বিভিন্ন উপজেলার। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ইউনিভার্সিটির (সিভাসু) ল্যাবে ১৫৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে করোনাভাইরাসের জীবাণু পাওয়া গেছে ৩৯ জনের শরীরে। এদের মধ্যে ৪ জন নগরের ও ৩৫ জন বিভিন্ন উপজেলার। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১২৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যাদের মধ্যে নগরের ১৯ জন ও বিভিন্ন উপজেলার ৩০ জন। এছাড়া, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে ৩ জনের। যাদের সবাই সাতকানিয়ার। অন্যদিকে, এদিন চট্টগ্রামের বেসরকারি করোনা পরীক্ষাকেন্দ্র ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের লাবের করোনা পরীক্ষার ফলাফলের কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। উপজেলা পর্যায়ে নতুন করোনা শনাক্ত ৯৫ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাঁশখালী উপজেলায়। সেখানে ২৯ জনের দেহে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়। এছাড়া পটিয়ায় ১৫ জনের দেহে করোনার জীবাণু পাওয়া য়ায়। অন্যান্য উপজেলাগুলোর মধ্যে হাটহাজারী উপজেলায় ১২ জন, রাউজানে ১১ জন, ফটিকছড়িতে ১০ জন, চন্দনাইশের ৬ জন, আনোয়ারার ৫ জন, সাতকানিয়ায় ৪ জন এবং বোয়ালখালী, রাঙ্গুনিয়া ও সীতাকুণ্ডে ১ জন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
সমুদ্রপথে ইয়াবা পাচার, Rab-7এর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১
২০জুন,শনিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: সমুদ্রপথে ইয়াবা এনে চট্টগ্রাম শহরে প্রবেশ করার সময় Rapid Action Battalion (Rab) এর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) ভোরে নগরের ইপিজেড থানাধীন বেড়িবাঁধ এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিচয় জানাতে পারেনি Rab। তবে তার বয়স আনুমানিক ২২ বছর বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে ১ লাখ পিস ইয়াবা, একটি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিন, একটি এলজি ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিউজ একাত্তরকে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন। Rab-7 এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল নিউজ একাত্তরকে বলেন, আমাদের কাছে তথ্য ছিল সমুদ্রপথে চট্টগ্রাম শহরে ইয়াবা প্রবেশ করবে। তার প্রেক্ষিতে ইপিজেড বেড়িবাঁধ এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। ইয়াবা ব্যবসায়ীরা আসার পথে চেকপোস্টের সামনে পড়লে Rab সদস্যদের লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি ছোঁড়ে। Rab ও পাল্টা গুলি করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মাদক ব্যবসায়ীর পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। লে. কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল বলেন, সড়কপথে সেনাবাহিনী, Rab, পুলিশের টহল বেড়ে যাওয়ায় ইয়াবা ব্যবসায়ীরা সমুদ্রপথ বেছে নিয়েছে। তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে এ পথ দিয়ে ইয়াবা নিয়ে আসছিল।
নিজে ভিজে রোগীর মাথায় ছাতা, মুখে মাস্ক দিলেন সাংবাদিক
১৯জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ট্রলির ওপর বৃষ্টিতে ভিজছেন বৃদ্ধা রোগী। মুখে নেই মাস্কও। চোখে পড়া মাত্রই দৌড়ে গেলেন আলোকচিত্র সাংবাদিক এসএম তামান্না। নিজে ভিজে ছাতা ধরলেন রোগীর মাথায়, ক্যামেরার ব্যাগ থেকে নতুন মাস্ক বের করে পরম মমতায় পরিয়ে দিলেন রোগীর মুখে। জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে থেকে তোলা সাংবাদিকের মানবিকতার এ ছবিটি ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিদিনের মতো করোনাকালে পেশাগত দায়িত্ব পালনে চমেকের সামনে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে অবস্থান করছিলেন আমাদের সময়ের স্টাফ ফটোগ্রাফার তামান্না। তিনি যখন মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন তখন সেটা নিজের ক্যামেরায় ধারণ করেন দ্যা ডেইলি স্টারের স্টাফ ফটো জার্নালিস্ট মো. রাজীব রায়হান। রাজীব বলেন, প্রায় প্রতিদিনই আমরা চমেক হাসপাতালের সামনে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের দুর্ভোগ-দুর্দশার ছবি তুলতে যাই। যখনই দেখলাম সহকর্মী তামান্না বৃষ্টিভেজা এক মুমূর্ষু রোগীর মুখে মাস্ক পরিয়ে দিচ্ছেন অমনি ক্লিক করি। আমরা পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দুর্দশাগ্রস্ত রোগীদের সাধ্যমতো সহায়তা ও পরামর্শ দিয়ে থাকি। কয়েকদিন আগে যখন চট্টগ্রামে অক্সিজেন সংকট প্রকট হলো, সিলিন্ডারের অস্বাভাবিক মূল্য বাড়িয়ে দেওয়া হলো তখন অনেক রোগীকে আমরা বিনামূল্যে যেসব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অক্সিজেন সরবরাহ করে, অ্যাম্বুল্যান্স সার্ভিস দেয় তাদের নাম্বার দিয়ে ফোন করে সহায়তা করেছি। অনুভূতি জানতে চাইলে এসএম তামান্না বলেন, প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিলো। একজন বৃদ্ধা রোগীকে ট্রলিতে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মাথার ওপর ছাতা নেই, মুখে নেই মাস্ক পর্যন্ত। মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে পাশে দাঁড়ালাম। আমরা সবাই যদি করোনাকালে অসহায়দের পাশে দাঁড়াই তাহলে তাদের দুঃখ-কষ্ট অনেক লাঘব হবে। আমরা যারা প্রতিদিন পেশাগত কাজে যাই সবাই চেষ্টা করি মানুষের পাশে থাকার। চট্টগ্রাম ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দিদারুল আলম বলেন, করোনার এ দুঃসময়ে আলোকচিত্র সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিকবোধ থেকে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। এটা আমাদের জন্য গর্বের।- বাংলানিউজ
চসিকের আইসোলেশন সেন্টারে রোগী ভর্তি রোববার শুরু
১৮জুন,বৃহস্পতিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের আগ্রাবাদে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অর্থায়ন ও ব্যবস্থাপনায় গড়ে তোলা ২৫০ শয্যার সিটি হল কোভিড আইসোলেশন সেন্টারে রোববার (২১ জুন) রোগী ভর্তি শুরু হবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আইসোলেশন সেন্টারে স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের সঙ্গে পরামর্শমূলক সভায় মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এ ঘোষণা দেন। মেয়র বলেন, চিকিৎসক ও নার্সসহ প্রশিক্ষিত জনবল এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরুর সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যারা প্রশিক্ষণ নিয়ে এখানে সেবা দিতে উদ্যোগী হয়েছেন তাদের সাধুবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, চসিকের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রশিক্ষিত করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় নিয়োজিত সম্মুখ যোদ্ধাদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় নিশ্চিদ্র নিরাপত্তাসহ বর্ধিত বেতন ও ঝুঁকিভাতা প্রদান এবং সরকারি প্রণোদনা প্রাপ্তির সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। এ সময় চসিক কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলী, মেমন মাতৃসদন হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. প্রীতি বড়ুয়া, আইসোলেশন সেন্টারের পরিচালক ডা. সুশান্ত বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মেয়র আইসোলেশন সেন্টারটি শুরু হওয়ার আগে এখানে যাদের নিয়োজিত করা হবে তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ১০ জন চিকিৎসক ও স্টোর কিপারের অনুপস্থিতিতে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, করোনা আক্রান্তদের সেবা প্রদানে তাদের অনীহা, শপথ ভঙ্গ ও পেশার প্রতি অবমাননা এবং রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যহীনতার শামিল। দেশপ্রেম বর্জিত এ অনৈতিক আচরণের জন্য তাদের তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাদের বাদ দিয়ে নব উদ্যোগ ও সামর্থ্য নিয়ে চসিক সিটি হল কোভিড আইসোলেশন সেন্টারটি চালু হওয়ার পর নগরে করোনা প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় কার্যকর ও ইতিবাচক সুফল বয়ে আনবে। তিনি আশা করেন করোনা শনাক্তরা যাতে এ আইসোলেশন সেন্টার থেকে উপযুক্ত ও যথাযথ সেবা পান, সে ব্যাপারে দায়িত্বরত কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হয়ে সারাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন। মেরিন সিটি হাসপাতালে বিনামূল্যে করোনা চিকিৎসা: মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের কৃতী সন্তান, এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের সঙ্গে মেরিন সিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কথা হয়েছে আমার। উনি আমাকে সম্মতি দিয়েছেন। এখন থেকে কাজ শুরু হয়েছে। বিনামূল্যে এ নগরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীসহ সবাই চিকিৎসাসেবা পাবেন এ হাসপাতালে। উনার অর্থায়নে সেখানে আইসিইউ, এইচডিইউ, আইসোলেশন শয্যা, সেন্ট্রাল অক্সিজেন, হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা থাকবে। এস আলম গ্রুপ কোভিড ইউনিটের সঙ্গে সম্পৃক্ত চিকিৎসক, নার্স সবার ব্যয় নির্বাহ করবে। যত মাস কোভিড চিকিৎসা প্রয়োজন হয় আমরা তত মাসের জন্য সম্মতি দিয়েছি। লকডাউন প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, স্বাস্থ্য অধিদফতর চট্টগ্রাম মহানগরের যেখানে আক্রান্তের হার বেশি সেসব এলাকা লকডাউনের জন্য রেড জোন চিহ্নিত করছে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব সেসব এলাকা লকডাউনের আওতায় নিয়ে আসবো। জীবন রক্ষার্থে জনস্বার্থে লকডাউন করা হচ্ছে। যেখানে প্রয়োজন নেই সেখানে লকডাউন করবো না। যাতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর