জনস্বার্থে চমেকে ৪টি নমুনা সংগ্রহ বুথ বসাচ্ছে চেম্বার
৩জুন,বুধবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: শতবর্ষী বাণিজ্য সংগঠন চট্টগ্রাম চেম্বার জনস্বার্থে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ বুথ বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। সব ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবারের (৪ জুন) মধ্যে বুথগুলো বসানোর কাজ সম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী তিনি। এরপর নগরের বিভিন্ন পয়েন্টে আরও নমুনা সংগ্রহ বুথ বসানো হবে চেম্বারের অর্থায়নে। মাহবুবুল আলম বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের রেড জোনে চট্টগ্রাম মহানগরের বেশ কিছু থানা রয়েছে। এ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি জরুরি বেশি বেশি নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার সুযোগ সৃষ্টি। তাই আমরা উদ্যোগ নিয়েছি নমুনা সংগ্রহ বুথ বসানোর। তিনি বিত্তশালী ও করপোরেট গ্রুপগুলোকে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে মহামারীতে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এর আগে সোমবার (১ জুন) বুথ স্থাপনের বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বিকে চিঠি দিয়ে সহযোগিতা চেয়েছেন চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। চিঠিতে তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস আক্রান্তের ক্ষেত্রে বর্তমানে রাজধানী ঢাকার পরে চট্টগ্রামের অবস্থান। দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু এ বন্দর নগরীতে প্রায় ৬০ লাখ লোকের বসবাস। বর্তমানে করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে এ শহরে সাধারণ জনগণ অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সরকারিভাবে জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি, সিভাসু-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে করোনা পরীক্ষা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু বিশাল জনগোষ্ঠীর তুলনায় করোনা পরীক্ষার এ আয়োজন অত্যন্ত অপ্রতুল। বিশেষ করে নমুনা সংগ্রহের সুবিধা শুধু সেন্টারসমূহে বিদ্যমান বলে করোনা এবং করোনাবিহীন উভয় রোগীদের সংমিশ্রণ হচ্ছে এবং এসব কেন্দ্রের ওপর মানুষের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ চাপ নিরসনের লক্ষ্যে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক মহানগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে নমুনা সংগ্রহের বুথ স্থাপন অতীব জরুরি হয়ে পড়েছে। এ প্রেক্ষাপটে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে অবস্থিত দেশের অন্যতম শীর্ষ স্থানীয় বাণিজ্য সংগঠন দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালকমণ্ডলী চট্টগ্রাম মহানগরে কোভিড-১৯ টেস্ট করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে চেম্বারের পক্ষ থেকে অনুমোদন সাপেক্ষে কয়েকটি নমুনা সংগ্রহ বুথ স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারি ব্যবস্থাপনা, বিধি-বিধান, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, কিট ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য উপকরণ সংগ্রহে সার্বিক সহযোগিতা ও যথাযথ নির্দেশনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান মাহবুবুল আলম।
করোণায় আক্রান্ত কোনো ব্যক্তিকে হেনস্তা করলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সিএমপি
২জুন,মঙ্গলবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: এতদ্বারা সম্মানিত নগরবাসীর সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, চট্টগ্রাম মহানগরী এলাকায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কোন ব্যক্তি যদি সামাজিকভাবে বা কারোর কাছ থেকে অবহেলা বা হেনস্থার শিকার হন এ বিষয়ে অভিযোগ শুনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সিএমপি। সম্প্রতি বিভিন্ন সূত্র মারফত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে যে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও বিস্তার প্রতিরোধের লক্ষ্যে বিভিন্ন সংস্থা বা ব্যক্তি কর্তৃক আইসোলেশন সেন্টার স্থাপন, লকডাউন ব্যবস্হা বাস্তবায়ন সহ বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমে অনেকেই বাধা প্রদান করেন। যা বিধিসম্মত নয়। এছাড়া করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের কে বাড়িওয়ালাগন বাড়ী ভাড়া দিচ্ছেননা অথবা বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন মর্মেও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ মূলক কার্যক্রমে কেউ বাধা প্রদান করলে এবং করোণা ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তিকে হেনস্তা বা উদ্রেক করলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এরূপ ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী যে কেউ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের হটলাইন (০১৪০০-৪০০৪০০ ০১৮ ৮০ ৮০ ৮০ ৮০ ) নম্বরে ফোন করে জানালে হেনস্তাকারী বা উদ্রেককারী ব্যক্তিগণের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সম্মানিত নগরবাসী, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯ মহামারীর প্রতি কারোর কোন হাত নেই।সর্বস্তরে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে করোনা ভাইরাসকে প্রতিরোধ করতে হবে এবং প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমকে উৎসাহিৎ ও সহযোগিতা করতে হবে। তাই আসুন আমরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কোন ব্যাক্তিকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য বা হেনস্তা না করে আমাদের সকলের স্বার্থে তাকে সুস্থ করে তোলার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই। মনে রাখবেন আজ যিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়েছেন, কাল তিনি সুস্থ হয়ে যেতে পারেন। আর আজ আপনি আমি সুস্থ আছি, আগামীকাল আমরাও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারি। তাই চলুন - শরীরে দুরত্ব রাখি, মনে কাছাকাছি থাকি,অবহেলা না করি, ভালোবেসে সুস্থ থাকি
মেয়রের উদ্যোগে আগ্রাবাদ সিটি হলে চালু হচ্ছে ২৫০ বেডের কোভিড হাসপাতাল
২জুন,মঙ্গলবার,ফয়সাল সিকদার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের উদ্যোগে আগ্রাবাদ এক্সেস রোডস্থ সিটি কনভেনশন হলে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কোভিড-১৯ হাসপাতাল চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে হাসপাতাল চালুর ব্যাপারে প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। আজ বিকালে টাইগার পাসস্থ চসিক কার্যালয়ে চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রের জন্য চিকিৎসা সরঞ্জামের প্রস্তুতকৃত নমুনা পর্যবেক্ষণ করেন। এসময় মেয়র বলেন, সমন্বিত উদ্যোগে উল্লেখযোগ্য ভাবে বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপিত করতে হবে।নইলে পরিস্থিতি নিয়ন্তণের বাইরে চলে যাবে। বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে।আগামী ১০ দিনের মধ্যেই প্রস্তাবিত সিটি কনভেনশন সেন্টার করোনা আক্রান্তদের সেবার উপযোগী হবে।
করোনা চিকিৎসায় ভেন্টিলেটর-ন্যাজাল ক্যানোলা দিল এস আলম গ্রুপ
২জুন,মঙ্গলবার,মো.ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা আক্রান্ত রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রামের তিনটি হাসপাতালে ৬টি ভেন্টিলেটর ও ৮টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা দিয়েছে এস আলম গ্রুপ। যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি ফিলিপস্ ব্যান্ডের প্রতিটি ভেন্টিলেটরের দাম সাড়ে ২৭ লাখ টাকা। নিউজিল্যান্ডের তৈরি প্রতিটি এয়ারবু হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলার দাম ১৫ লাখ টাকা। এছাড়া ঢাকা মেডিক্যালে একটি ভেন্টিলেটর ও মুগদা মেডিক্যালে একটি ভেন্টিলেটর এর মধ্যে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জন্য ৪টি ভেন্টিলেটর, ৪টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের জন্য ২টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের জন্য ২টি ভেন্টিলেটর ও ২টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএমএ চট্টগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সাল ইকবাল চৌধুরীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের নির্দেশে চেয়ারম্যানের পিএস আকিজ উদ্দিনের মাধ্যমে এসব চিকিৎসাসামগ্রী দেওয়া হয়। এর আগে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিরাপত্তার জন্য ৫০০টি পিপিই, চিকিৎসকদের ডিউটি রুমের জন্য ২টি ২ টনের এসি, ২টি নমুনা কালেশন বুথ, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের কোয়ারেন্টিনে থাকা চিকিৎসকদের আপ্যায়ন বাবদ ১ লাখ টাকা, ১টি ২ টনের এসি, ২টি নমুনা কালেকশন বুথ, বিআইটিআইডির চিকিৎসকদের ডিউটি রুমের জন্য ১টি ২ টনের এসি, ২টি নমুনা কালেকশন বুথ ও চট্টগ্রামের ১৪ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিটিতে ৫০টি করে ৭০০ পিপিই দিয়েছে এস আলম গ্রুপ।
সাইকেলের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে গেলেন বাইকের চালক
২জুন,মঙ্গলবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের টাইগারপাসে বাইসাইকেলের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহী ছিটকে পড়েছেন। এ সময় সামনে-পেছনে বড় গাড়ি থাকলেও পুলিশের হস্তক্ষেপে প্রাণে বেঁচে যান তিনি। মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, চোখের পলকে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। সামনে ছিলো মিনি ট্রাক, পেছনে বাস। দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ বিষয়টি আঁচ করতে পেরে দ্রুত গাড়িগুলো থামিয়ে দেন। ট্রাফিক সার্জেন্ট পুলক দেব জানান, বৃষ্টির কারণে সড়ক কিছুটা পিচ্ছিল ছিলো। মোটরসাইকেল চালক ইস্পাহানি মোড়ের দিক থেকে দেওয়ানহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। ওই মোটরসাইকেলের পেছনে একটি বাইসাইকেল ধাক্কা দিলে তিনি ছিটকে পড়ে যান। আমরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করি।
করোনায় চট্টগ্রাম বারের সাবেক সভাপতির মৃত্যু
২জুন,মঙ্গলবার,ফয়সাল সিকদার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক সদস্য এবং চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মো. কবির চৌধুরী মারা গেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সমপাদক এ এইচ এম জিয়াউদ্দিন তার মৃত্যুও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ৩০ মে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় প্রবীণ এই আইনজীবি নেতাকে। সোমবার দিবাগত রাতে প্রকাশ করা পরীক্ষার ফলাফলে তার করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। প্রবীণ আইনজীবী মো. কবির চৌধুরী আনোয়ারা উপজেলার বাসিন্দা। তার মৃত্যুতে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
চট্টগ্রামে করোনা উপসর্গে আইনজীবীর মৃত্যু
২জুন,মঙ্গলবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে করোনা উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে মো. কবীর চৌধুরী নামে এক আইনজীবী মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ১১টার দিকে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্টে ডা. আব্দুর রব বলেন, বেলা ১১টায় করোনা উপসর্গ নিয়ে আইসিইউতে এক আইনজীবীর মৃত্যু হয়। গত ৩০ মে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন। এর আগে সকালে আইসিইউতে করোনা উপসর্গ নিয়ে করিম উল্লাহ নামে আরেকজন মারা যান। এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে করোনায় মারা গেছেন ৭৭ জন। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি গেছেন ২৪২ জন।
আল্লামা নুরুল ইসলাম হাশেমী আর নেই
২জুন,মঙ্গলবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, ওস্তাজুল ওলামা, ইমামে আহলে সুন্নাত আল্লামা কাজী মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম হাশেমী (৯২) আর নেই (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর পাঁচটার দিকে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চট্টগ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল পরিচালনা পর্ষদের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানান, গত ৩০ মে আল্লামা হাশেমী হুজুরকে ভর্তি করানো হয়। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগসহ হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। আইসিইউ সাপোর্টও দিয়েছিলাম আমরা। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। আল্লামা হাশেমীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এক শোকবার্তায় মেয়র বলেন, প্রিয়নবীর সুন্নাতের একনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন আল্লামা হাশেমী। এ মহান ব্যক্তিত্ব নিজেই হয়ে ওঠেন অনুপম অনুসরণীয় আদর্শ । আলেমকুলের এ শিরোমণি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সর্বজন শ্রদ্ধেয় ইমাম হিসেবেও উপমহাদেশে অতুলনীয় স্থান গড়ে নেন। আল্লামা হাশেমীর প্রতি শ্রদ্ধা ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে শোক জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, এম মনজুর আলম, নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম নাগরিক উদ্যোগের আহ্বায়ক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, সদস্যসচিব শেখ মুজিব আহমদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শাহজাদা কাযী ফোরকান হাশেমী জানিয়েছেন, ইমামে আহলে সুন্নাত আল্লামা কাজী মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম হাশেমীর নামাজে জানাজা রাত ৯টায় নগরের জালালাবাদ (অক্সিজেন মোড়ের উত্তরে) দরবারে হাশেমীয়া আলিয়া শরিফে অনুষ্ঠিত হবে।
মৃতদের লাশ পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স প্রদান সীতাকুণ্ডের এমপির
১জুন,সোমবার,সীতাকুণ্ড প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ডে এমপি আলহাজ্ব দিদারুল আলম বলেছেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনার এই সংকটময় মুহূর্তে যখন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তির দাফন বা সৎকারে আত্মীয়-স্বজনরাই এগিয়ে আসছে না সেই মুহূর্তে আলমানাহেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ নামক সংগঠনটি মানবতার সেবায় এগিয়ে এসে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে করোনায় মৃতদের দাফন বা সৎকারের মতো মহৎ কাজ করছে। তাদের এই কাজে সবার সহযোগিতা করা উচিত। আমিও তাদের কাজকে সহযোগিতার উদ্দেশ্যে একটি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করলাম। সোমবার তিনি এই সংগঠনের নেতাদের কাছে অ্যাম্বুলেন্স প্রদানকালে এসব কথা বলেন। এসময় অ্যাম্বুলেন্স গ্রহণ করে আলমানাহেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের নেতারাও এমপির এ বিশাল সহযোগিতা তাদের কাজকে আরো বেগবান করবে জানিয়ে তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, আলমানাহেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাওলানা হেলাল উদ্দিন জমির উদ্দিন, মাওলানা হাফেজ সাহাব উদ্দিন, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন, ক্বারী মবিনুল হক, মাওলানা জাহাঙ্গীর, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. শোয়েব আহম্মদ, সমাজ সেবক মো. জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর