আত্মগোপনে চট্টগ্রামে করোনা শনাক্ত নারী
০২মে,শনিবার,চট্টগ্রাম প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগরের রাহাত্তারপুল এলাকায় করোনা শনাক্ত হওয়ার খবর পেয়ে এক নারী আত্মগোপন করেছেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে। ফলে তার খোঁজ মিলছে না। তার বাড়ি লকডাউন করতে গিয়েও বিপাকে পড়েছেন পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা। শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামে নতুন করে একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যসহ তিনজনের দেহে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়। পুরাতন একজনের শরীরে দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়। চট্টগ্রামের বিআইটিআইডি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়। আর নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ওই নারীও রয়েছেন। তিনি নগরীর বাকলিয়া থানাধীন রাহাত্তারপুল আমান আলী রোড এলাকায় থাকেন। তার বয়স ৩৪ বছর। অন্য একজন হলেন লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়ার বাসেক পাড়ার ৫১ বছরের ব্যক্তি। তার স্ত্রী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক। অপরজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য। তিনি চট্টগ্রাম সেনানিবাসে অবস্থিত সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমইএইচ) চিকিৎসাধীন। তার বয় ৫৫ বছর। খুলশীর রেলওয়ে কলোনিতে থাকেন তিনি। সাউথ ইস্ট ব্যাংকের খাতুনগজ শাখায় কর্মরত রয়েছেন তিনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফহলে রাব্বি শনিবার সকালে এ তথ্য জানান। তিনি জানান, করোনা আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি জানার পর ওই নারী মোবাইলটি বন্ধ করে দিয়ে আত্নগোপনে চলে গেছে। তাকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। বাকলিয়া থানার ওসি নেজাম উদ্দিন জানান, সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে রাহাত্তারপুল আমান আলী রোডের ৩৪ বছর বয়সী এক নারী করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর জানানো হয়েছে। তবে বিস্তারিত ঠিকানা দেয়া হয়নি। ওই নারীর একটি মোবাইল নাম্বার দেয়া হলেও সেটি বন্ধ রয়েছে। ওই রোগীর নামের সাথে যাদের মিল রয়েছে তাদের বাড়ি বাড়ি পুলিশ গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। ওসি জানান, করোনা পজিটিভ খবর পেতেই মুঠোফোন বন্ধ করে রীতিমতো আত্নগোপনে চলে গেছেন চট্টগ্রাম নগরীর রাহাত্তারপুল এলাকার ওই নারী। নারীর দেওয়া মুঠোফোন নম্বর ছাড়া বাড়তি কোনো তথ্য না থাকায় প্রশাসন বাড়ি লকডাউন করতে গিয়েও বিপাকে পড়ে যায়। সিভিল সার্জন সূত্র জানায়, ওই নারীর করোনা শনাক্তকরণের জন্য গত ২৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে বিআইটিআইডি ল্যাবে পাঠানো হয়। দুইদিন পর ১ মে নমুনা পরীক্ষায় ওই রোগীর করোনা পজিটিভ আসে।
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে এক বিদেশী বন্দীর মৃত্যু
০২মে,শনিবার,চট্টগ্রাম প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী এক বিদেশী ফুটবলারের মৃত্যু হয়েছে। ঘানার নাগরিক ঐ ফুটবলারের নাম ফ্রাংক এন তিম থাম (৪০)। বাংলাদেশে ঢাকায় একটি ক্লাবের হয়ে ফুটবল খেলতেন তিনি। কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে ঢাকা যাওয়ার পথে নগরীর বাকলিয়া থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে তিনি কারাবন্দী ছিলেন। শুক্রবার (১ মে) সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সেফটিক শক। গত ২৯ এপ্রিল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাংলানিউজ, এ বছর জানুয়ারির শুরুর দিকে কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে ঢাকা যাওয়ার পথে নগরীর বাকলিয়া থানা পুলিশের হাতে এক সঙ্গীসহ গ্রেফতার হন ফ্রাংক এন তিম থাম। ৪ জানুয়ারি থেকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানায় মাদক আইনে মামলা রয়েছে। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. কামাল হোসেন বলেন, ফ্রাংক এন তিম থাম ৪ জানুয়ারি থেকে মাদক মামলায় কারাগারে বন্দী ছিলেন। ২৯ এপ্রিল অসুস্থতা বোধ করলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মো. কামাল হোসেন বলেন, ফ্রাংক এন তিম থামের সামান্য জ্বর ও কাশি ছিল। তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে চিকিৎসকরা সেফটিক শক বলে জানিয়েছেন।
করোনা ভাইরাস কে ভয় নয়, সবাই মিলে করব জয়: সিএমপি কমিশনার
০১মে,শুক্রবার,মো.ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার রোধে সিএমপি'র সকল অফিসার ফোর্সদেরকে সচেতন করার লক্ষ্যে ০১ মে রাত ৯ টায় দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান বিপিএম, পিপিএম উপস্থিতিতে বিশেষ ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। দামপাড়া পুলিশ লাইন্স এর সকল অফিসার ফোর্স বিভিন্ন ব্যারাকের বারান্দায় এবং মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উক্ত ব্রিফিং প্যারেডে অংশগ্রহণ করেন। ব্রিফিং প্যারেডে পুলিশ কমিশনার করোনা ভাইরাস থেকে কিভাবে নিজেদেরকে রক্ষা করা যাবে এবং করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কিভাবে মনোবল চাঙ্গা রেখে একে অপরকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে সিএমপি কে রাষ্ট্রের বৃহৎ স্বার্থে গতিশীল রাখা যায় এ সংক্রান্ত বিস্তারিত দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া পুলিশ কমিশনার পুলিশ লাইন্সের বিভিন্ন অফিসার ফোর্সদের খাবার-দাবার, আবাসিক পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের খোঁজ খবর নেয়া সহ তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শুনেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধান দেন। ব্রিফিং কালে তিনি সিএমপি পরিবারের ৭০০০ অফিসার ফোর্সকে যেকোনো মূল্যে সুস্থ রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন । করোনা ভাইরাস কে ভয় নয়, সবাই মিলে করব জয়- এই স্লোগান বুকে ধারণ করে প্রত্যেকের মনোবল চাঙ্গা রেখে করোনা ভাইরাস প্রতিহত করার জন্য সবাইকে তিনি আহ্বান জানান। বক্তব্য শেষে তিনি পুলিশ লাইন্সের সকল অফিসার ফোর্সের কল্যাণের জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। উল্লেখ্য যে, পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে ফোর্সের মনোবল চাঙ্গা রাখতে ইতোমধ্যে প্রত্যেক ব্যারাকে দ্রুতগতিসম্পন্ন ওয়াইফাই এর ব্যবস্থা করা হয়েছে, শারীরিক যেকোনো অসুস্থতার সুচিকিৎসা জন্য হটলাইন চালু করা হয়েছে, প্রত্যেক ব্যারাকে হ্যান্ডওয়াশ, গরম পানির ব্যবস্থা সহ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধক বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাকে আর্থিক প্রণোদনা সহ তার সুচিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত উক্ত বিশেষ ব্রিফিং প্যারেডে আরো উপস্থিত ছিলেন, আমেনা বেগম, বিপিএম (সেবা),অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার( প্রশাসন ও অর্থ) শ্যামল কুমার নাথ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) ও বিভিন্ন বিভাগের উপ- পুলিশ কমিশনার গন সহ বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালের ডাক্তার ও সিএমপির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
চট্টগ্রামে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আরও এক চিকিৎসক
০১মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আবদুল বাসেত (২৯) নামে আরও এক চিকিৎসক। শুক্রবার (০১ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। চিকিৎসক আবদুল বাসেত সাতকানিয়া উপজেলার বাসিন্দা হলেও ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত অবস্থায় করোনায় আক্রান্ত হন। গত ২২ এপ্রিল করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জামাল মোস্তফা জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডা. আবদুল বাসেতের দুই দফা পরীক্ষা করে তার শরীরে করোনা নেগেটিভ আসে। তিনি আরও জানান, আজ দুপুরে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। আগামী ১৪ দিন তাকে বাড়িতে হোম কোরেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে করেনায় আক্রান্ত আরও ৩৭ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন আইসোলেশন ওয়ার্ডে। এই ছাড়া আরও ছয়জন শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জামাল মোস্তফা।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে দিনব্যাপী ভ্রাম্যমান আদালতের সাঁড়াশি অভিযান
০১মে,শুক্রবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং এর লক্ষ্যে RAB, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহায়তায় মাঠে নিরলস কাজ করছে জেলা প্রশাসন। রমযানকে সামনে রেখে দ্রব্য মুল্যের বাজারও ঊর্ধ্বগতি। তাই মুল্য তালিকা প্রদর্শন বাধ্যতামুলক করার পাশাপাশি পন্য ক্রয়ের রসিদ সংরক্ষণের উপর জোড় দেন ভ্রাম্যমান আদালত। সেই সাথে পেপারলেস কোন ব্যবসা চলবে না বলে হুশিয়ার করা হয়। যাতে করে ব্যবসায়ীরা দ্রব্য মুল্য নিয়ে কোন কারসাজি করতে না পারে। আজ শুক্রুবার ১ মে সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ঃ৩০ পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরজুড়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ । নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার পাহাড়তলী, হালিশহর,আকবরশাহ এলাকায় বাজার মনিটরিং করে নগরীর কর্ণেল হাট বাজারে দ্রব্যমূল্যের দাম যাচাই করেন এবং মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় ১টি দোকানকে ৩,০০০(তিন হাজার) টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলী হাসান নগরীর বাকলিয়ার কে বি আমান আলী রোডস্থ খুচরা বাজার,কামাল বাজার,এবং চকবাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন । নগরীর কে.বি. আমান আলী রোডস্থ খুচরা বাজারে সরকারি আদেশ অমান্য করে টেইলার্স ও সেলুন খোলা রাখার অপরাধে ২ টি প্রতিষ্ঠানকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা জরিমানা করেন। বাজার মনিটরিং এর আওতায় কামাল বাজার, বাকলিয়ার কিছু খুচরা বাজার,চকবাজারের মুদি দোকান,ফলের দোকান,গরুর মাংশের দোকান, ব্রয়লারের দোকানগুলিতে মূল্য তালিকা পাওয়া যায় নি। উক্ত অপরাধ আমলে নিয়ে ১২ টি প্রতিষ্ঠানকে ১৯,৫০০(ঊনিশ হাজার পাঁচশত) টাকা অর্থদণ্ড করেন। রাহাত্তারপুলস্থ খুচরা বাজারে খুচরা দোকানে আদা ১৭০-১৮০ টাকা কেজি পরিলক্ষিত হয়। তিনি ১৪টি মামলায় ২১,৫০০ টাকা জরিমানা করেন। এদিকে বাকলিয়া ও চকবাজার থানাধীন এলাকায় টিসিবি পণ্য বিক্রিতে কোন অনিয়ম হচ্ছে কিনা সে বিষয় খতিয়ে দেখেন। আজ শুক্রবার হওয়ায় মসজিদে জুম্মার নামাজে সরকারি নির্দেশনা মানা হচ্ছে কিনা সেই জন্য আওতাধীন এলাকার বেশ কয়েকটি মসজিদের ইমাম/খতিব, মুয়াজ্জিনকে উপর্যুক্ত নির্দেশনা দেন। ডিসি রোড এর একটি বাড়ি থেকে ভাড়াটিয়াদের বের করে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ পেয়ে সেই বাড়ির মালিকের সাথে কথা বলে উভয়ের জন্য যৌক্তিক সমাধান করে দেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: আশরাফুল আলম নগরীর বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। তার নেতৃত্বে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল মূল রাস্তার পাশাপাশি বিভিন্ন অলিতে গলিতে তল্লাশি ও অভিযান পরিচালনা করেন। পাশাপাশি সুশৃঙ্খলভাবে যাতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকে এবং ত্রাণ বিতরণের সময় ত্রাণ দাতা এবং ত্রাণ গ্রহীতা সকলের সামজীক দুরত্ব নিশ্চিত করেন। এছাড়া বাজার মনিটরিং করে ৬ টি মামলার মাধ্যমে ৩,৩০০ টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন খুলশি,পাচলাইশ,বায়েজীদ, চান্দগাও এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। অভিযানে ৪ টি মামলায় ১৪,৫০০ টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশিক - উর -রহমান দুপুর ২টা হতে ৫ টা পর্যন্ত নগরীর আকবরশাহ, হালিশহর, পাহারতলী এবং ডবলমুড়িং এলাকায় করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও বাজার মনিটরিং এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩টি মামলায় ৩,৫০০(তিন হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক কোতোয়ালি, চকবাজার,সদরঘাট, বাকলিয়া এলাকায় দুপুর ২ঃ০০ টা থেকে বিকাল ৫ঃ৩০ টা পর্যন্ত সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের নিয়ে এলাকাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে প্রচারণা চালান। বাজার মনিটরিং করতে গিয়ে চকবাজার থানার দেওয়ান বাজার ও কাজির দেউরি কাঁচা বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন। বাজার মূল্য তালিকা পর্যবেক্ষণ করে বাজার অস্থিতিশীল না করতে বাজার মুল্য তালিকায় ক্রয় মুল্য ও বিক্রয় মুল্য প্রদশর্নের ব্যাবস্থাসহ সকল ব্যাবসায়িক কর্যক্রমের কাগজপত্র সংরক্ষণ করার আহবান জানান। পাশাপাশি বাজার মুল্য তালিকা না থাকা ও অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রয়ের কারনে শাহ আমানত স্টোরকে ৫,০০০(পাঁচ হাজার) টাকা, মারুফ স্টোরকে ৩,০০০(তিন হাজার) টাকা, নিহান স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা,জয়ীতা স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা, স্মৃতি স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা, লাভলী স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা,বাহাদুর স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা,জয়বাবা লোকনাথ স্টোরকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা, সোহাগ স্টোরকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা, বি.এস সবজী ভান্ডার কে ১,০০০(এক হাজার) টাকা, বি.এস সবজী ভান্ডার কে ১,০০০ টাকা, বায়োজনীর স্টোর কে ৮০০(আটশত) টাকা, কাদের ইলেক্ট্রনিকসকে ৫০০(পাচশত) টাকা জরিমানা করা হয়।এছাড়াও কাজির দেউরির একটি সবজি দোকানকে ১,০০০(এক হাজার টাকা) টাকা অর্থদন্ড করেন। তিনি ১৩ টি মামলায় ২৩,৩০০(তেইশ হাজার তিনশত) টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম. আলমগীর ৭টি মামলায় ৫,৭০০টাকা জরিমানা করেন। পুরো রমযান মাস জুড়ে বাজার মনিটরিং ও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কালীন সময়ে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রয়োগে জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান জেলা প্রশাসনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান।
ময়মনসিংহ দিবস উপলক্ষে গরীব ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ
০১মে,শুক্রবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১ মে ময়মনসিংহ দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামস্থ বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত গরীব ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, চট্টগ্রাম এর সভাপতি ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ মাহাবুবর রহমান, বিপিএম, পিপিএম মহোদয়। এ কার্যক্রমের আওতায় চট্টগ্রাম নগরীতে করোনার প্রাদুর্ভাবে দরিদ্র ৫০০ (পাঁচশত) পরিবারকে ০৫ কেজি চাল, ০২ কেজি আলু, ০১ কেজি ডাল, ০.৫ কেজি লবন, ০.৫ লিটার সয়াবিন তৈল সহ সর্বমোট ০৯ কেজি খাদ্য দ্রব্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হবে। এসময় সেখানে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, চট্টগ্রাম, মহাসচিব জনাব মোঃ ওবায়দুল হক আলমগীর, বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি, চট্টগ্রাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জনাব দীপক কুমার দত্ত সহ সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্য উপস্থিত ছিলেন
হাটহাজারীতে ৪দোকানিকে গুনতে হল জরিমানা
০১মে,শুক্রবার,হাটহাজারী প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা সংক্রমন ঠেকাতে ও রমাজান মাসে বাজার নিয়ন্ত্রন রাখতে কঠোর হয়েছে উপজেলা প্রশাসন। হাটহাজারী পৌর সদরে মুদি দোকানগুলো যখন অভিযানে কিছুটা নিয়ন্ত্রনে রয়েছে তার বিপরীত সদরের বাইরে কিছু বাজার।এমন সংবাদ পেয়ে শুক্রবার(১ মে) সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল অামিন ছুটে গেল নিয়ন্ত্রনহীন সেই বাজারে।অভিযোগের সত্যাতা পেয়ে গুনতে হল মুদি বাজারের ৪দোকানিকে। অভিযান সুত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মদুনাঘাট ও নজুমিয়া হাট বাজারে ৪টি মুদি দোকানদার নিত্যপন্য জিনিস চড়ামুল্যে নিচ্ছে ক্রেতাদের কাছে।তারমধ্যে প্রয়োজনীয় পন্য অাদা।প্রশাসনের নির্দেশে মূল্য তালিকা রাখলেও সে অনুযায়ী ক্রেতাদের থেকে নিচ্ছেনা।বরং তার দ্বিগুন গুনতে হচ্ছে ।তালিকায় অাদার মূল্য রেখেছ১৬০ টাকা,কিন্তু দোকানদার কিনেছে ১৬০টাকা।ভ্রাম্যমান অাদালত ভাউচার চাইলে সেখানে দেখেন ২২০টাকা অাদার মূল্য,কিন্তু ক্রেতার কাছে জিজ্ঞাসা করলে সে বলল অাদা কিনেছে ৩২০টাকা দিয়ে।ভ্রাম্যমান অাদালতকে আদার আসল দাম বা বিক্রির দাম দোকানী লিখতেই আগ্রহী নন।এমনাবস্থায় সত্যতা যাচাইয়ে গরমিলের প্রমান মিললে ৪দোকানদারকে জরিমানা করা হল ২২ হাজার টাকা। এ বিষয়ে গনমাধ্যমকর্মীদের ইউএনও রুহুল অমিন বলেন, করোনা সংক্রমন ঠেকাতে ও মাহে রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রন রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।সদর পেরিয়ে যখন বিভিন্ন বাজারে ক্রেতাদের জিম্মি হিসেবে অতিরিক্ত দামে পন্য বিক্রয় করতেছে অভিযোগ পেয়ে ভ্রাম্যমান অাদালত ৪দোকানদারকে জরিমানা করা হয়েছে।এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভাসমান রোজাদারদের হাতে ইফতার তুলে দিলো মানবিক সংগঠন মুসাফির
০১মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভাসমান, অসহায় ও ভবঘুরে রোজাদারদের হাতে ইফতার তুলে দিলেন আত্মমানবতা মূলক সামাজিক সংগঠন মুসাফির। শুক্রবার বিকেলে নগরির চকবাজার এলাকার ধনিয়ারপুলে ২ শতাধিক ভাসমান, অসহায় ও ভবঘুরে রোজাদারদের হাতে এ ইফতার তুলে দেন চকবাজার থানার ওসি (তদন্ত) রিয়াজ চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক সাংবাদিক মুহাম্মদ মহরম হোসাইন, চাকবাজার থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ নাজিমউদ্দীন, তরুণ রাজনীতিবিদ শরফুদ্দীন আহমেদ রাজু, সংগঠনের সদস্য আকলিমা আকতার মনি, মো. জনি, মো. আলম, মো. মাইনুদ্দীন ও মহানগর ছাত্রলীগ নেতা নয়ন মজুমদার, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রলীগের গ্রন্তনা ও প্রকাশনা সম্পাদক বন্ধন সেন প্রমুখ। ইফতার বিতরণকালে চকবাজার থানার ওসি তদন্ত রিয়াজ চৌধুরী বলেন, আসুন আমরা মানবিক হই। ভালো কাজে অংশ গ্রহণকরি। তিনি আরো বলেন, মুসাফির সংগঠনটি করোনার এ মহামারীতে পথে পথে, মোড়ে মোড়ে থাকা ভাসমান, অসহায় ভবঘুরে রোজাদার মানুষের হাতে ইফতার তুলে দিয়ে যে মহৎ কাজ করছে তা সত্যি প্রংশসার দাবিদার। আমিও এ কাজে শরীক হতে পেরে আনন্দিত। প্রসঙ্গত মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য এ মর্ম বুকে ধারণ করে করোনার দূযোগ মুর্হুতে সংগঠনটি অসহায়, ভাসমান ও ভবঘুরে মানুষদের মুখে রান্না করা খাবার তুলে দিতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।
বেশি দামে পন্য বিক্রি ও মুল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় ১৩ মামলায় ২৩ হাজার টাকা জরিমানা
০১মে,শুক্রবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং এর লক্ষ্যে নিয়িমিত অভিযানের অংশ হিসাবে দেওয়ান বাজার ও কাজির দেউরি কাঁচা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ১৩ টি মামলায় মোট ২৩,৩০০(তেইশ হাজার তিনশত) টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক কোতোয়ালি, চকবাজার, সদরঘাট,বাকলিয়া এলাকায় আজ শুক্রুবার ১ মে দুপুর ২ঃ০০ টা হতে বিকাল ৫ঃ৩০ পর্যন্ত সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের নিয়ে এলাকাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে অনুরোধ করা হয়। এছাড়া বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে চকবাজার থানার দেওয়ান বাজার ও কাজির দেউরি কাঁচা বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজার মূল্য তালিকা পর্যবেক্ষণ করে বাজার অস্থিতিশীল না করতে বাজার মুল্য তালিকায় ক্র‍য় মুল্য ও বিক্রয় মুল্য প্রদশর্নের ব্যাবস্থাসহ সকল ব্যাবসায়িক কর্যক্রমের কাগজপত্র সংরক্ষণ করার আহবান জানানো হয়। এর পাশাপাশি বাজার মুল্য তালিকা না থাকা ও অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রয়ের কারনে শাহ আমানত স্টোরকে ৫,০০০( পাঁচ হাজার) টাকা, মারুফ স্টোরকে ৩,০০০(তিন হাজার) টাকা, নিহান স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা,জয়ীতা স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা, স্মৃতি স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা, লাভলী স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা,বাহাদুর স্টোরকে ২,০০০(দুই হাজার) টাকা,জয়বাবা লোকনাথ স্টোরকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা, সোহাগ স্টোরকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা, বি.এস সবজী ভান্ডারকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা, বায়োজনীর স্টোরকে ৮০০(আটশত) টাকা, কাদের ইলেক্ট্রনিকসকে ৫০০( পাঁশত) টাকা জরিমানা করা হয়।এছাড়াও কাজির দেউরির একটি সবজি দোকানকে ১,০০০(এক হাজার) টাকা অর্থদন্ড করা হয়। অভিযানে ১৩ টি মামলায় মোট ২৩,৩০০(তেইশ হাজার তিনশত) টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক বলেন, আজকে চকবাজার থানার দেওয়ান বাজার ও কাজির দেউরি কাঁচা বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজার মূল্য তালিকা পর্যবেক্ষণ করে বাজার অস্থিতিশীল না করতে বাজার মুল্য তালিকায় ক্র‍য় মুল্য ও বিক্রয় মুল্য প্রদশর্নের ব্যাবস্থাসহ সকল ব্যাবসায়িক কর্যক্রমের কাগজপত্র সংরক্ষণ করার আহবান জানানো হয়। এর পাশাপাশি বাজার মুল্য তালিকা না থাকা ও অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রয়ের কারনে ১৩ টি মামলা করা হয় এবং বেশ কয়েকজনকে জরিমানা করা হয়। তিনি আরও বলেন, জরিমানা করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। মানুষকে সচেতন করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা চাই মানুষ আইন মেনে চলুক এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোক। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সবজির দোকানিরা বেশি দামে কাঁচা মাল বিক্রি করছে। তাই মুদি দোকানের পাশাপাশি সবজির বাজার ও তদারকি করতে হবে। প্রত্যেক দোকানেই মুল্য তালিকা প্রদর্শন করতে হবে এবং পন্য ক্রয়ের রসিদ সংরক্ষন করতে হবে। পেপারলেস ব্যাবসা চলবে না বলেও তিনি জানান।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর