সিআইইউতে প্রোগ্রামিং কনটেস্টে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: লড়াই করে জেতার ভেতর আছে অন্যরকম অনুভূতি। আছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। আর সেই লড়াইটা যদি হয় প্রোগ্রামিং কনটেস্ট নিয়ে তাহলে তো কথাই নেই! চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউর) স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো জমজমাট আন্তঃস্কুল প্রোগ্রামিং কনটেস্ট প্রতিযোগিতা। সম্প্রতি নগরের জামালখানের সিআইইউ ক্যাম্পাস এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে প্রতিযোগিতায়। এতে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের ১৪টি দল অংশগ্রহণ করে। যার মধ্যে তিনটি দলকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঘোষণা করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল হক খান বলেন, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ের শিক্ষার্থীরা সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা প্রোগ্রামিংয়ে তাদের পেশা গড়তে চায়। এই ধরনের আয়োজন তাদের ভবিষ্যতে ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের প্রধান সহকারী অধ্যাপক আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহযোগী অধ্যাপক ড. আসিফ ইকবাল, সহকারি অধ্যাপক রাইসুল ইসলাম রাসেল, প্রভাষক হাবিবুর রহমান, ইরতিজা চৌধুরী প্রমুখ। জানতে চাইলে প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক ও সহকারী অধ্যাপক রাইসুল ইসলাম রাসেল বলেন, প্রোগ্রামিং কনটেস্টের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তুলতে এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আমরা মনে করি এখানে অংশ গ্রহনের ফলে তাদের মানসিক দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যবহারিক কোডিং দক্ষতা ও এলগরিদমিক চিন্তাভাবনা বেড়ে যাবে। আয়োজকরা জানান, তিন ঘন্টাব্যাপী প্রতিযোগিতায় আটটি সমস্যার মধ্যে চারটির সমাধান করে চ্যাম্পিয়ন হয় সিআইইউ অ্যাভেন্‌জার্স গ্রুপ। এই দলের সদস্যরা হলেন: সাদমান সাইফ, পার্থ চক্রবর্তী, অমিত ঘোষ ও রাফিয়া রহমান। অপর দুই রানার্স আপ দল হলো সিআইইউ ইগ্নিটার্স ও ইনকুইসিটিভ। এরা প্রত্যেকে দুটি করে সমস্যার সমাধান করেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের বিষয়ে বিজয়ী দলের সদস্য সাদমান সাইফ বলেন, প্রোগ্রামিং নির্দেশনাগুলো যত বেশি নিখুঁত হবে, সমস্যা সমাধান ততবেশি সহজ হয়। রাজীব হাসান নামের রানার্স আপ দলের একজন প্রতিযোগী বলেন, বর্তমান যুগে প্রায় সব রকম জটিল ও কঠিন সমস্যার সমাধান করা যায় কম্পিউটার সফটওয়ারের মাধ্যমে। তাই এমন প্রতিযোগিতা অনেক বেশি হওয়া উচিত। অপর সদস্য শিক্ষার্থী মাহমুদা তাসনিম বলেন, প্রথমে সমস্যাগুলো নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছিলাম। পরে বন্ধুরা মিলে দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করেছি। যদিও রানার্স আপ হয়েছি। তবে বিজয়ী হলে আরও ভালো লাগতো। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ভুয়া ডাক্তার ও ভেজাল ওষুধের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলবে
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারো ক্ষমতায় আসার পর দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখাসহ দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদক রোধের পাশাপাশি ভেজালমুক্ত খাবার ও স্বাস্থ্য সেবার প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে আমাদের সকলকে এসব বিষয়ে আন্তরিক ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ভেজাল খাবার খেয়ে মানুষ ঘাতক ব্যাধি ক্যান্সারসহ জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এখানে ভুয়া ডাক্তারের দৌরাত্ম্য ও ভুয়া-ভেজাল ওষুধের ব্যবসাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ভুয়া ডাক্তাররা ছোট-বড় ফার্মেসিতে বসে প্র্যাকটিসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। এখন থেকে ভুয়া ডাক্তার, নকল ও ভুয়া ওষুধসহ ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নিয়মিত অভিযান চলবে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকগণকে এসবের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করতে হবে। সমাজ থেকে ভুয়া ডাক্তার, ভেজাল ওষুধ, ভেজাল খাবার, দুর্নীতি, মাদক, চোরাচালান, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স থাকবে। কোন ধরনের ছাড় নেই ও এর কোন ব্যত্যয় ঘটবে না। গতকাল সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পৃথকভাবে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক টাস্কফোর্সের সভা, বিভাগীয় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা, জেলা প্রশাসক সমন্বয় সভা ও বিভাগীয় রাজস্ব সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার অফিস পৃথক সভাগুলোর আয়োজন করেন। তিনি বলেন, কক্সবাজারে শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণের পর সড়ক পথে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক পাচার হ্রাস পেতে পারে। সড়ক পথ বাদ দিয়ে নৌপথে মাদক পাচার হতে পারে। আবার কোন কোন চক্র মাদক পাচারে নতুন রুট ব্যবহার করতে পারে। এ ব্যাপারে বিজিবি, কোস্টগার্ড ও পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। একই সাথে খুন, ছিনতাই, দস্যুতা, ইভটিজিং, রাহাজানি, অপহরণ ও অন্যান্য অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে তৎপর থাকতে হবে। সামাজিক অস্থিরতার কারণে আত্মহত্যা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা যাতে বৃদ্ধি না পায় সে বিষয়ে সচেতনতার বিকল্প নেই। দুর্ঘটনারোধে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনীসহ অন্যান্য জেলা মহাসড়কে বিদ্যুৎ খেকো ও ব্যাটারিচালিত রিক্সাসহ থ্রি-হুইলারগুলোর ব্যবহার রোধ করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশ দেন তিনি। বিভাগীয় কমিশনার আরো বলেন, সীমান্তবর্তী জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে চোরাচালান নিরোধ কমিটির সভা ফলপ্রসূ হওয়ার ব্যাপারে জেলা প্রশাসকগণেরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সরকার ভর্তুকি দিয়ে বিদেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করছে। পেট্রোল পাম্প থেকে ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানি তেল যাতে পাচার না হয় সে বিষয়ে সীমান্তবর্তী জেলা প্রশাসকগণকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। ফিলিং স্টেশনের মালিকদের সাথে এ ব্যাপারে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে। পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, মাদক রোধে পুলিশের পক্ষ থেকে থাকবে জিরো টলারেন্স। অস্ত্র উদ্ধার, চোরাচালানরোধ, জঙ্গি-সন্ত্রাসী ও চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইদানিং সড়ক দুর্ঘটনা সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ জন্য গাড়ির চালক-হেলপার এককভাবে দায়ী নয়। সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করবে। এজন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। কোন ট্রাফিক পুলিশ রাস্তায় চাঁদাবাজি করার চিত্র চোখে পড়লে কিংবা সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধরা পড়লে তা উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) আমেনা বেগম বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামুটি ভাল। অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারসহ অপরাধীদের গ্রেফতারে মেট্রোপলিটন পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। দুর্ঘটনা রোধ, যানজট নিরসনে ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন চালক ও অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে পৃথক সভাগুলোতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, বিভাগীয় পরিচালক (স্থানীয় সরকার) দীপক চক্রবর্তী, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, বিজিবির চট্টগ্রামের রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আমিরুল ইসলাম সিকদার, সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) আমেনা বেগম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মো. নুরুল আলম নিজামী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন (চট্টগ্রাম), তন্ময় দাস (নোয়াখালী), মো. মাজেদুর রহমান খান (চাঁদপুর), আবুল ফজল মীর (কুমিল্লা), মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম (বান্দরবান), অঞ্জন চন্দ্র পাল (লক্ষ্মীপুর), একেএম মামুনুর রশিদ (রাঙামাটি), মো. কামাল হোসেন (কক্সবাজার), মো. শহিদুল ইসলাম (খাগড়াছড়ি), হায়াত উদ-দৌলা খান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মো. ওয়াহিদুজ্জামান (ফেনী), চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু শাহেদ চৌধুরী (উপ-সচিব) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. মজিবুর রহমান পাটোয়ারী, হাইওয়ে পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ, চট্টগ্রাম জেলা পিপি অ্যাডভোকেট একেএম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পূর্বাঞ্চলের সভাপতি মৃণাল চৌধুরী, বৃহত্তর চট্টগ্রাম পণ্য পরিবহন ফেডারেশনের সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক অঞ্জনা ভট্টাচার্য্য, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-পরিচালক ড. গাজী গোলাম মাওলা। বিগত সভার সিদ্ধান্ত ও অগ্রগতি তুলে ধরেন বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ জুবায়ের ও মোহাম্মদ জাকারিয়া। পৃথক সভাগুলোতে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
যারা রাজপথে থাকবেন নেতৃত্বে আসবেন তারাই
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, পরীক্ষিত রাজপথের দুঃসময়ের নেতাকর্মীরাই নেতৃত্বে আসবেন। এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে কোন বিভাজন নেই। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ বিরোধী অবস্থান। এ সত্যটিকে উপলব্ধি করে স্থানীয় নেতৃত্বকে শক্তিশালী করতে হবে। তিনি গতকাল ১৪নং লালখান বাজার ওয়ার্ডে মহানগর আওয়ামী লীগ ঘোষিত ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে সদস্য নবায়ন ও সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্যে একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, দলের আদর্শিক ও সাংগঠনিক গুরুত্বকে ধারণ করে যারা রাজপথে সক্রিয় থাকবেন তারাই পদমর্যাদার অধিকারী হবেন। এক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সদস্য সংগ্রহ অভিযান বা নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তিতে দল, স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি আনুগত্যকারী ব্যক্তিজনকেই দলের সদস্যপদ প্রদান করতে হবে। এ ব্যাপারে যাচাই বাছাই করার জন্য যারা দায়িত্বে আছেন তাদের সচেতন হওয়ার গুরুত্বারোপ করেন তিনি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, দলের দুঃসময়ে যারা দলের সাথে থাকেন এবং রাজপথে থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অগ্রযাত্রায় নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী কাজ করার আত্মপ্রত্যয়ী তারাই নেতৃত্বে আসবেন। আমরা সবাই মিলে সকলের সহযোগে সংগঠনকে শুধু দলীয় নয়, জাতীয় স্বার্থে এদেশকে সামনের দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাব। লালখান বাজার ওয়ার্ডস্থ শহীদনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব ছিদ্দিক আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুমের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার সরকার। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদস্য নবায়ন কার্যক্রমের সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ফারুক। বক্তব্য রাখেন খুলশী থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোমিনুল হক, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ এফ কবির আহমদ মানিক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আফছার উদ্দিন সেলিম, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ হাসান পিকু, মতিঝর্ণা ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম, বাগঘোনা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক আলী আহমেদ, ডেবারপাড় ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক শেখ রহমতুল্লাহ বাবু, যুবলীগের মো. মাঈনুদ্দিন হানিফ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের মো. ওয়াসিম উদ্দিন, ছাত্রলীগের মো. জাবেদ। প্রধান অতিথি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ও উদ্বোধক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন লালখান বাজার ওয়ার্ডের সভাপতি আলহাজ্ব ছিদ্দিক আহমেদ সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুম, মো. মোমিনুল হক। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
টেকসই উন্নয়নের জন্য গুণগত শিক্ষার বিকল্প নেই
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি (সিআইইউ) সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফজুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, গুণগত শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষক, শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নগরের জামালখানের সিআইইউ ক্যাম্পাসের কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপাচার্য। এই সময় বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, ডিন, অধ্যাপক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফজুল হক চৌধুরী বলেন, সিআইইউ সময়ের আগে এগিয়ে যেতে চায়। তাই শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে আরও কিছু সার্টিফিকেট কোর্স ও প্রোগ্রাম চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয়কে মডেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছি। শিক্ষার্থী, দক্ষ শিক্ষকমণ্ডলী, পাঠ্যক্রম, পাঠ্যসূচি, ল্যাব সুবিধা, প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা, উপযুক্ত মূল্যায়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর দিকে অধিক মনোযোগ দিয়েছি। উপাচার্য বলেন, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সর্বাগ্রে দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষকের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছি আমরা। মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতার উৎকর্ষ ও মেধার বিকাশ ঘটানোর মাধ্যমে শিক্ষাকে সবার কাছে পৌঁছে দিতে তিনি নানামুখী উদ্যোগের কথা বৈঠকে তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক, সাফিয়া রহমান, লুৎফে এম আইয়ুব, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মাহমুদুল হক, অধ্যাপক ড. এম আইয়ুব ইসলাম, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য সচিব ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আনুজুমান বানু লিমা প্রমুখ। বৈঠকে ২০১৯ সালের অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুমোদন, টিউশন ফি, সিলেবাস আপডেট, মাঠ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, স্কলারস ডে, ক্রিয়েটিভ রাইটারস ক্লাব গঠনসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক বলেন, চট্টগ্রামে গুণগত মান নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা হাতে গোনা। সিআইইউ তার অন্যতম। তাই অভিভাবকদের আস্থা ধরে রাখতে আগামিতে নিজেদের সেরা শিক্ষাটা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। সাফিয়া রহমান বলেন, কর্মমুখী সিলেবাসের কার্যক্রম হিসেবে ক্লাস রুমের বাইরে অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। তবেই মেধার বিকাশ ঘটবে শিক্ষার্থীদের। লুৎফে এম আইয়ুব বলেন, আমরা এখন দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিকমানের শিক্ষার দিকে ধাবিত হচ্ছি। বিষয়টি নিঃসন্দেহে আনন্দের, গৌরবের। সিআইইউ এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে এমনটা চাওয়া আমার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ত্রাণ
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গতকাল ১৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার চাক্তাই ভেড়া মার্কেট বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রি বিতরণ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ত্রাণ বিতরণ করেন ফাউন্ডেশন’র নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম। ত্রাণ বিতরণকালে মনজুর আলম বলেন, মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন সব সময় মানব সেবায় নিয়োজিত। এভাবে আর্তমানবতার সেবা ও অসহায়-ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য-সহযোগিতা করা সমাজের সকল বিত্তবানদের দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতায় সমাজের সকলে এগিয়ে এলে এই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলোর দুঃখ-দুর্দশা কিছুটা লাঘব হতে পারে। এ সময় মনজুর আলম ক্ষতিগ্রস্ত পুরা এলাকা ঘুরে দেখেন ও এই ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের কবলে পড়া অসহায় পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং তাদেরকে সান্ত্বনা দেন। এতে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর হাজী মোহাম্মদ নুরুল হক, কাউন্সিলর লুৎফুন্নেছা দোভাস, সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ জামাল আহাম্মদ, বঙিরহাট আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল আলম, জাহাঙ্গির আলম, লিটন রায় চৌধুরী, মামুনুর রশিদ, শান্ত দাস গুপ্ত, আক্তার হোসেন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কাভার্ড ভ্যান- সিএনজিচালিত অটোরিকসার মুখোমুখি সংঘর্ষে,নিহত 2
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালীতে কাভার্ড ভ্যানের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজিচালিত অটোরিকসার আরোহী খালা ও ভাগনি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরের দিকে সাধনপুর ইউনিয়নের বাণীগ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- বাহারচড়া ইউনিয়নের ইলশা গ্রামের মারুফ হোসেনের স্ত্রী রহিমা বেগম (৪৮) এবং একই এলাকার জমির হোসেনের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (১৩)। স্থানীয়রা জানান, কাভার্ড ভ্যানটি চট্টগ্রাম শহরে যাওয়ার পথে অটোরিকসাটির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুজন ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান। গুরুতর আহত হন অটোরিকসার চালকসহ দুজন। বাঁশখালী থানার ওসি কামাল হোসেন জানান, কাভার্ড ভ্যানটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে গেছেন।
চিটাগাং সিনিয়রস ক্লাবে ভ্যালেন্টাইনস ডে উদযাপন
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সিনিয়রস ক্লাবে উদযাপিত হল ভ্যালেনটাইনস ডে। ফুলেল শুভেচ্ছার ভেতর দিয়ে অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তা হিসেবে সিনিয়রস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী বলেন, ভ্যালেনটাইনস ডে নিয়ে অনেক গল্প ও ইতিহাস প্রচারিত থাকলেও একটা গল্প আমাকে উজ্জীবিত করেছে। সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াম ২০০ খ্রিস্টাব্দে দেশে বিয়ে প্রথা নিষিদ্ধ করেন। তিনি ঘোষণা দেন যুবকরা শুধু যুদ্ধে যাবে। তার বিরোধিতা করেন সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামে এক যাজক। তিনি সেই স্বৈরাচার রাজার কথা অমান্য করে যুবক যুবতীদের বিয়ে পড়ান। সম্রাট ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই দিনটি ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি। সুতরাং আজকের দিনটি যেমন ভালবাসার দিন তেমনি দ্রোহেরও দিন। অন্যায়কে প্রতিবাদ করার দিন। যারা এককভাবে সব কিছুকে শাসন করতে চায় তাদেরকে ভালবাসা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে প্রেমের আহ্বান জানাই। সেই সাথে আমরা উচ্চারণ করতে পারি, দেশপ্রেম সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক। প্রকৃতি ও পরিবেশকে মানুষ ভালো জানুক। পরিহার করি পরনিন্দা ও পরচর্চা। আসুন বলি সহজ মানুষ ভজে দেখ না মন দিব্যজ্ঞানে। অনুষ্ঠানে কেক কাটেন সাবেক মন্ত্রী ও ক্লাবের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন, ক্যাপ্টেন সাফায়েত আহম্মদ খান, প্রেসিডেন্ট ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী ও প্রেসিডেন্টের সহধর্মিণী জেব উননেসা চৌধুরী লিজা, ভাইস প্রেসিডেন্ট বেলায়েত হোসেন ও তাঁর সহধর্মিণী সানজিদা নাসরিন, ক্লাবের সদস্যা রুখসানা খান, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য যথাক্রমে মোহাম্মদ আব্বাস, এম এ কবির মিল্কি, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, গোপাল কৃষ্ণ লালা এবং ওয়ালিউল আবেদীন সাকিল। মেম্বারদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, অ্যাডভোকেট রফিকুল আনোয়ার চৌধুরী, গোলাম মোস্তফা কাঞ্চন, পরিমল কান্তি চৌধুরী, এম আর দে এফসিএ, সামশুল আলম চৌধুরী, আবু বকর চৌধুরী, খায়রুল ইসলাম খান, আবুল বশর, নোয়েল জি. ম্যান্ডিস, ইঞ্জিনিয়ার আবুল কাশেম, প্রদীপ পাল এফসিএ. ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী, লিয়াকত আলী খান, সমশের তসলিম, মোহা. মানিক বাবলু, মো. শাহ্ আলম, মোহাম্মদ খান, মো. মোরশেদ, মির্জা শওকত আলী চৌধুরী (মামুন), মো. রেজাউল হায়দার (রিজু), মোহাম্মদ ছৈয়দ, মো. শাহ্জাহান, মো. আবু তাহের, ডা. শ্রীপ্রকাশ বিশ্বাস, মো. শফি, সিরাজুল হক আনসারী, অশোক কুমার সাহা, অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম চৌধুরী, ডা. শেখ মো. শফিউল আজম, মো. মফিজুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার বিজয় কৃষাণ চৌধুরী, জাহেদুল ইসলাম (মিরাজ), অ্যাডভোকেট মনতোষ বড়ুয়া, অঞ্জন শেখর দাশ, শেখ মোহাম্মদ ইয়াকুব, ডা. ভাগ্যধন বড়ুয়া, ডা. ইমাম হোসেন রানা, ডা. রেজাউল করিম, মো. মুহিতুল আলম, মো. রফিকুল আলম, মো. ছগির চৌধুরী, অমর কৃষ্ণ ভট্টচার্য্য, শহিদুল আনাম চৌধুরী, আমিনুল ইসলাম, পান্না লাল সেনগুপ্ত, ডা. সেলিম, জাহাঙ্গীর খালেদ, খালেদ এস. আহম্মদ সান্টু, মোঃ এয়াকুব চৌধুরী, মো. মুছা, সিরাজুল ইসলাম, সৌরিন দত্ত, অশেষ কুমার উকিল, আবছার মিয়া, মোশারফ্ফ হোসেন মিন্টু, ডা. জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ ফজলুল করিম ভূঁইয়া (টিপু), মোরশেদুল আনোয়ার চৌধুরী, ডা. নাছির উদ্দিন মাহমুদ, সালাউদ্দিন আহম্মদ, ডা. নেজাম উদ্দিন প্রমুখ। সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাসিনা মহিউদ্দিন ও বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীন এবং তাঁদের পরিবারবর্গ। পরে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। সেসাথে ছিল নৈশভোজ। সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় গান পরিবেশন করেন শিল্পীবৃন্দ হাসান, বৃষ্টি, রেখা ও সুপ্রিয়া। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করেন ক্লাবের সদস্য এম এ তাহের। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন লুবাবা ফেরদৌসী সায়কা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কমপ্লেক্স করবে চিটাগং খুলশী ক্লাব
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দি চিটাগাং খুলশী ক্লাব লিমিটেডের ৫ম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত নগরীর ফয়স লেকস্থ নিজস্ব জায়গায় এ সভার আয়োজন করা হয়। এবারের সাধারণ সভায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর মধ্যে অন্যতম ছিল খুলশী ক্লাব কমপ্লেক্স স্থাপন করে ক্লাব সদস্যদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা। তার মধ্যে কনভেনশন হল, সুইমিংপুল, বার, স্পোর্টস জোন এবং একটি উন্নতমানের রেস্টুরেন্ট করা। এ সময় গত অর্থ বছরের সকল আয় ব্যয়ের হিসেব সম্পন্ন করা হয়। সাধারণ সভায় নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি আলোকপাত করা হয়। ক্লাব উন্নয়নের জন্য সর্বসম্মতি ক্রমে ১২শ থেকে ১৩শ নতুন সদস্য নেয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। এর আগে ক্লাবের বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ভাইস প্রেসিডেন্ট রফিক উদ্দিন বাবুল ভূঁইয়া। এ সময় তিনি ক্লাবের ভবিষ্যত উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। পরে প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন মিজানুর রহমান মজুমদার, আর্কিটেক্ট আলী আহসান মো. মুজাহিদ বেগ, কার্যনির্বাহী ও আপ্যায়ন কমিটির সদস্য আবু হাসনাত চৌধুরী প্রমুখ। হিমাদ্রী রাহার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অবসরপ্রাপ্ত কমোডর শওকত ইমরান, ওয়াহিদা মাসুক, হোসনে আরা নাজ, ওয়াহিদুজ্জামান বাবু, জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন আহমেদ, হোসাইন মো. শোয়াইব, আনোয়ার সাজ্জাদ লিপন, রাইসুল উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম, শিহাব মালেক, মিজানুর রহমান, এমদাদুল হক চৌধুরী, আলমাস শিমুল, আবু সাদাত মো. ফয়সাল, হাসনাত চৌধুরী প্রমুখ।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
পাথরঘাটা চসিক কলেজের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন
১২ ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাথরঘাটা সিটি কর্পোরেশন মহাবিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এ ভবনের উদ্বোধন করেন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে পাথরঘাটা সিটি কর্পোরেশন মহাবিদ্যালয়ের এ ভবন নির্মিত হয়। ৫ তলা বিশিষ্ট ৩৩ শত বর্গফুট বিশিষ্ট এই একাডেমিক ভবন নির্মাণে ব্যয় হয় ৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। এতে সমৃদ্ধ আইসিটি সুবিধাসহ ক্লাসরুম স্বতন্ত্র ফিজিঙ, ক্যামিস্ট্রি, বায়োলজি, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরী, মাল্টিপারপাস হল রুম, গালর্স কমন রুম, মেডিকেল রুম, মিটিং রুম, শিক্ষক রুম, টিচার্স কমন রুম, এডমিশন ও একাউন্ট সেকশন, ক্যান্টিন ও বাথরুম ব্লক রয়েছে। গতকাল সোমবার ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, ঝরেপড়া শিক্ষার্থী রোধে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন তাঁর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি বছর প্রায় সাত হাজার শিক্ষার্থীকে বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ দিচ্ছে। বর্তমান সরকারের ২০২১ ও ২০৪১ রূপকল্প বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল, সৃস্টিশীল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ বিশ্বমানের নাগরিক গড়ে তোলাই এর উদ্দেশ্য। নগরে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে মাত্র ৯টি। এই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়ম বহির্ভুত কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ নেই । ভর্তি হতে না পারলে একজন শিক্ষার্থী শিক্ষা জীবন থেকে ঝরেপড়ার সম্ভাবনা থাকে। সেই ক্ষেত্রে শিক্ষার আলোকবর্তিকা নিয়ে এগিয়ে এসেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে। এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষার্র্থী লেখাপড়ার সুযোগ পাচ্ছে। মেয়র বলেন, সরকারের বই বিতরণ কার্যক্রম ঝরে পড়া রোধে একটি বিরাট সাফল্য। আগে বাবা-মা কবে বই কিনে দেবে, সেজন্য শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়ায় বিলম্ব হতো। আর এখন বছরে প্রথম দিনেই সব শিক্ষার্থী বই পাচ্ছে। বইয়ের জন্য এখন আর চিন্তা করতে হচ্ছে না। শিক্ষার্থী ঝরেপড়া রোধে এখন প্রয়োজন শিক্ষক, অভিভাবক ও স্কুল পরিচালনা পর্ষদের আন্তরিকতা। শিক্ষকগণ যথাসময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন, পাঠ পরিকল্পনা ও উপকরণ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে যান এবং আকর্ষণীয়ভাবে পাঠদান করেন তাহলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া অনেকাংশে কমে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মেয়র বলেন, আলোকিত সমাজ গড়তে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শিক্ষিত জাতি গঠনে রাষ্ট্রের পাশাপাশি শিক্ষক সমাজসহ অভিভাবকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক অভিভাবক চান, তাদের সন্তান সুশিক্ষায় শিক্ষিত হোক। দেশ ও সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখুক। জাতির এই প্রত্যাশা পূরণে ছাত্র শিক্ষক ও অভিভাবকের সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন। কাউন্সিলর মো. ইসমাইল বালীর সভাপতিত্বে সভায় কাউন্সিলর লুৎফুনন্নেছা দোভাষ বেবী, চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, মো. জালাল উদ্দিন ইকবাল, পরিচালনা পর্ষদ সদস্য ফজলে আজিজ বাবুল বিশেষ অতিথি ছিলেন। অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফরহাদুর রহমান চৌধুরী শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। এসময় সফিকুর রহমান সিকদার, আবছার আহমদ, আশফাক আহমদ, আনিসুল হক, পুলক খাস্তগীর, সুমন, প্রকৌশলী মো. দিলদার হোসেন ও রবীন্দ্র-নজরুল একাডেমীর অধ্যক্ষ উপস্থিত ছিলেন। ভবন উদ্বোধন শেষে দেশ জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর