শনিবার, মে ৩০, ২০২০
ভাটিয়ারীতে ফেনসিডিলসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7
০৩মে,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন ভাটিয়ারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩১১ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7। এসময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়। আজ রবিবার ৩ মে দিবাগত রাত ১২ঃ৫০ মিনিটের সময় চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন ভাটিয়ারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফেন্সিডিলসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক(মিডিয়া) এএসপি মাহমুদুল হাসান। আটককৃত আসামীরা হলেন মোঃ আরিফ (৩৫), পিতা- মৃত সফিকুর রহমান, সাং- ভাটিয়া, পোঃ- কাচারিহাট, থানা- কবিরহাট, জেলা- নোয়াখালী, মোঃ সুমন (২৫), পিতা- মৃত আব্দুল হামিদ, সাং- খানজানগর, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা এবং মোঃ জাকির হোসেন (৩২), পিতা- মৃত টুকু মিয়া, সাং- রাজবল্লভপুর (হাজী পাড়া), থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক( অপারেশন) মেজর মুশফিকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে আমরা জানতে পা্রি যে, কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম হতে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী একটি কাভার্ড ভ্যান যোগে পন্য পরিবহণের আড়ালে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে আসছে। এমন ভিত্তিতে Rab-7 এর একটি টহল দল চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানাধীন ভাটিয়ারী পূর্ব হাসানাবাদ সাকিন ভাটিয়ারী ফিলিং স্টেশনের সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশী চালায়। এসময় কুমিল্লা হতে চট্টগ্রামগামী একটি কাভার্ডভ্যানের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে Rab সদস্যরা গাড়িটিকে থামানোর সংকেত দিলে কাভার্ড ভ্যানটি চেকপোস্টের নিকটবর্তী এসে থেমে যায় এবং কাভার্ড ভ্যানটি থেকে ড্রাইভারসহ ৩ জন ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে Rab সদস্যরা তাদের আটক করে। পরে আটককৃত আসামীদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের দেখানো ও সনাক্ত মতে কাভার্ডভ্যানটি (চট্ট মেট্টো-ট-১১-৪৫২৯) তল্লাশী করে কাভার্ডভ্যানের ভিতরে ড্রাইভিং সিটের পিছনে সুকৌশলে লুকানো ৩১১ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয় এবং উক্ত কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করা হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত কুমিল্লা সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে পন্য পরিবহনের আড়ালে বিভিন্ন কৌশলে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ৩ লক্ষ ১১ হাজার টাকা এবং জব্দকৃত কাভার্ডভ্যানের আনুমানিক মূল্য ৪০ লক্ষ টাকা। আটককৃত আসামীদের সীতাকুন্ড থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।
৪১ ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হবে : মেয়র নাছির
০৩মে,রবিবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, করোনা ভাইরাস বৈশ্বিক একটি মহামারি। এতে আতকিংত না হয়ে সচেতনতা জরুরি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা জীবনের মায়াকে উপেক্ষা করে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দিন-রাত মানুষের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা ১৫ টি ওয়ার্ডে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে এই ভোগ্যপণ্য উপহার সামগ্রী প্রদান সম্পন্ন করেছি। পর্যায়ক্রমে নগরীর ৪১ ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের মাঝে এই উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হবে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির জরুরি সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মেয়র তার বক্তব্যে বলেন, ঢাকা থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রেরিত চিঠির বিষয়বস্তু তুলে ধরেন এবং মহানগরসহ প্রতিটি ওয়ার্ডের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের নিয়ে ওয়ার্ড ত্রাণ কমিটি গঠন পূর্বক আগামী ৩ দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তরে প্রেরণের আহ্বান জানান এবং ইতোমধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ড পর্যায়ে চিঠি প্রেরণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভাপতির বক্তব্যে মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রতি ওয়ার্ড পর্যায়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে উপহার সামগ্রী তুলে দিচ্ছেন। কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সহ সভাপতি অ্যাভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, দপ্তর সম্পাদক হাসান মাহমুদ শমসের, আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক দিদারম্নল আলম চৌধুরী, শ্রম সম্পাদক আবদুল আহাদ, উপ দপ্তর সম্পাদক জহর লাল হাজারী, কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ এয়াকুব, আবুল মুনছুর, নুরম্নল আলম, গাজী শফিউল আজিম, সৈয়দ আমিনুল হক, জাফর আলম চৌধুরী, নুরম্নল আমিন শানিত্ম, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, আহমদ ইলিয়াছ, ড.নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, রোটারিয়ান ইলিয়াছ, মোহাম্মদ জাবেদ, হাজী বেলাল আহমদ উপসিত ছিলেন। সভার একই সাথে পুলিশ কর্তৃক টেরিবাজার দোকান কর্মচারী নিহত হওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাসিত্মর দাবি জানানো হয়।
সাজা মাফ করায় চট্টগ্রামে দুই কয়েদির মুক্তি
০৩মে,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাজা মওকুফ করায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা দুই কয়েদি শনিবার মুক্তি পেয়েছেন। তারা হলেন, যৌতুক নিরোধ আইনে একবছর বিনাশ্রম কারাদ- পাওয়া নগরের চান্দগাঁও থানার বাসিন্দা মোহাম্মদ হানিফের ছেলে মোহাম্মদ আরিফ এবং কোতয়ালি থানার মাদক মামলায় এক বছর সশ্রম কারাদ- পাওয়া কুমিল্লা জেলার বিল্লপাড়ার বাসিন্দা সিরাজ আলীর ছেলে রুপ মিয়া। কারাগারের জেলার রফিকুল ইসলাম জানান, যৌতুক নিরোধ আইনে একবছর বিনাশ্রম কারাদ- পাওয়া মোহাম্মদ আরিফ কারাগারে ঢোকেন ২০১৯ সালের ১৩ মে। আদালত তার সাজা ঘোষণা করেছিল ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর। অন্যদিকে মাদক মামলায় এক বছর সশ্রম কারাদ- পাওয়া কুমিল্লা জেলার বিল্লপাড়ার বাসিন্দা রুপ মিয়া কারাগারে ঢোকেন ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর। আদালত তার সাজা ঘোষণা করেছিল চলতি বছর ২১ জানুয়ারি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগ তাদের সাজা মওকুফ করে গত ২৯ এপ্রিল একটি চিঠি দেয় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষের কাছে।
খেলোয়াড়দের পাশে প্যানেল মেয়র নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু
০২মে,শনিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: খেলোয়াড়দের পাশে খেলোয়াড়রা- এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আজ সকাল ১১ টায় এম এ আজিজ স্টেডিয়াম চত্বরে চট্টগ্রামের শতাধিক ফুটবলার কোচ ও ক্লাব বয়দের হাতে ইফতার সামগ্রী উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়েছে। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন প্রধান অতিথি হিসেবে এই সামগ্রী হস্তান্তর করেন। প্যানেল মেয়র প্রফেসর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু'র ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই সামগ্রী বিতরনের সময় অন্যান্যের মধ্যে সাবেক ফুটবলার ও সাংবাদিক দেবাশীষ বড়ুয়া দেবু, কিশোর দত্ত মানু, নাজিমউদ্দিন নাজু, মো. হাসান, হায়দার কবির প্রিন্সসহ ইব্রাহিম, পিনচু, বাসু, একরাম, টুটুল, আশু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। দেশ সহ সাড়া বিশ্বের করোনা ভাইরাসের এই মহামারিতে দুই বারের সফল কাউন্সিলর, ফুটবলার ও সাংবাদিক এবং প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব ড. নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু সকলের সেবায় ছুটে চলেছেন অবিরাম। দিন রাত অকাতরে কখনো সরকারি উদ্যোগে আবার কখনো নিজ উদ্যোগে সকল শ্রেনীপেশার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তিনি। উল্লেখ্য তিনি মোহনা টেলিভিশনের সাবেক চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান ছিলেন।
বাজার দর ঠিক রাখতে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন, দিনব্যাপী অভিযান
০২মে,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরিস্থিতি ও রমজানের কারনে ভোগ্য পন্যের বাজার অনেকটাই বেসামাল। তাই বাজার দর ঠিক রাখতে কঠোর অবস্থানে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। সেই লক্ষ্যে সামাজিক দুরত্ব বজায়ে সচেতনতার পাশাপাশি বাজার মনিটরিং এ নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয় নগরীর বিভিন্ন স্থানে। এসময় মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা ও বেশী দামে পন্য বিক্রির দিয়ে কয়েকজনকে জরিমানা করা হয়। আজ শনিবার ২ এপ্রিল সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫:৩০ পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বাজার ও স্থান গুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা এলাকায় করোনা ভাইরাসজনিত প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সিএমপি পুলিশের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খালা রাখায় বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি পতেঙ্গা থানাধীন কাটগড় বাজারের রিদওয়ান স্টোরকে ৩,০০০ (তিন হাজার টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করেন। তিনি ১২টি মামলায় ১৫,৩০০টাকা জরিমানা করেন। মহানগরীর চকবাজার, কোতায়ালী,বাকলিয়া,সদরঘাট এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলী হাসান। অভিযানে চাক্তাইয়ে ২ টি সেলুন ও টেইলার্স খোলা থাকায় তিনি ১,০০০(এক হাজার ) টাকা জরিমানা করেন। বাজার মনিটরিং এর আওতায় চকবাজার,সদরঘাট ও ফিরিঙ্গীবাজার এলাকায় ৭ টি খুচরা মুদি দোকানে মূল্য তালিকা না থাকার অপরাধে ১০,৩০০(দশ হাজার তিনশত) টাকা জরিমানা করেন। কোতায়ালী, ও চকবাজারে অবস্থিত টিসিবি কর্তৃক পণ্য বিক্রি পর্যবেক্ষণ করেন এবং পুলিশের সহযোগিতায় সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরণে ব্যবস্থা নেন। তিনি ৯ টি মামলায় ১১,৩০০(এগার হাজার তিনশত) টাকা জরিমানা করেন। র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া ইয়াসমিন বায়েজিদ, খুলশি,পাঁচলাইশ ও চাঁন্দগাও এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১১টি মামালায় ১৪,৫০০টাকা জরিমানা করেন। র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তাহমিনা সারমিন ডবলমুরিং, পাহাড়তলী, হালিশহর ও আকবরশাহ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। ঈদগা কাঁচা রাস্তায় আবিদ কমপ্লেক্স নামে একটি মার্কেটের অনেকগুলো দোকান খোলা দেখে গাড়ি থেকে নামার সাথে সাথে মোবাইল কোর্টের উপস্থিতি টের পেয়ে অনেকেই পালিয়ে যায়। এর মধ্যে দুইটি দোকানকে ৫০০ টাকা করে ১,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়, মালিক সমিতির সাথে কথা বলা হয় এর পর থেকে যাতে আর দোকান খোলা না পাওয়া যায় সে ব্যাপারে সতর্ক করা হয়। বাজার মনিটরিং এর অংশ হিসেবে নগরীর দক্ষিণ পাহাড়তলীর কিছু খুচরা দোকানে মূল্যতালিকা না থাকায় দুইটি দোকানকে ১৫০০ জরিমানা করা হয়। একটি সেলুনের দোকানকে ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়। আকবরশাহ থানাধীন এলাকায় একটি হাড়ি পাতিলের দোকানকে ৫,০০০ (পাঁচ হাজার )টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি ৬টি মামলায় ৭,৭০০(সাত হাজার সাতশত) টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলাম চট্টগ্রাম মহানগরীর আগ্রাবাদ,চৌমুহনী এলাকার কর্ণফুলী মার্কেটে সিএমপির পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় দোকানে মূল্য তালিকা বিহীনভাবে যথেচ্ছা পণ্য বিক্রির দায়ে এক দোকান মালিককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ মোতাবেক ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এরপর আগ্রাবাদ কর্ণফুলী মার্কেটের কাঁচাবাজারে অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এসময় কর্ণফুলী দোকান মালিক সমিতিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এর পাশাপাশি দোকান মালিক সমিতির উপস্থিতিতে কাঁচাবাজার এবং মুদি বাজারের সকল দোকান সমূহে নায্যদামে পণ্য বিক্রির মূল্যতালিকা লাগানো নিশ্চিত করা হয়। কাঁচাবাজারে অভিযানে এক ক্রেতার কাছে অন দ্য স্পট অভিযোগের ভিত্তিতে এক সবজি ব্যবসায়ীকে চড়া দামে কাঁচামরিচ বিক্রির দায়ে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উক্ত সবজি ব্যবসায়ী ৪০ টাকা কেজি দরে কিনে আনা কাঁচামরিচ ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছিলেন। র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের নিয়ে এলাকাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে অনুরোধ করেন। তিনি ৭টি মামালায় ১০,০০০(দশ হাজার )টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নগরীর বাকলিয়া, মোঃ আশরাফুল আলম সদরঘাট, কোতোয়ালি, এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন । নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: আশরাফুল আলম এর নেতৃত্বে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল মূল রাস্তার পাশাপাশি বিভিন্ন অলিতে গলিতে তল্লাশি ও অভিযান পরিচালনা করেন। পাশাপাশি সুশৃঙ্খলভাবে যাতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকে এবং ত্রাণ বিতরণের সময় ত্রাণ দাতা এবং ত্রাণ গ্রহীতা সকলের সামজীক দুরত্ব নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি বাজার মনিটরিং করা হয়। অভিযান পরিচালনা কালে ৫ টি মামলার মাধ্যমে ৮৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন হালিশহর,পাহাড়তলি, ডবলমুরিং, আকবরশাহ এলাকায় দুপুর ২ টা হতে ৫ টা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এসময় ৩টি মামলায় ২৩০০ টাকা জরিমানা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫ঃ০০ টা পর্যন্ত সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ও বাজার মনিটরিং এর অংশ হিসেবে নগরীর পাঁচলাইশ, খুলশী, বায়েজিদ,চান্দগাও এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৪টি মামলায় ৫৫,০০০ টাকা জরিমানা করেন।
আত্মগোপনে চট্টগ্রামে করোনা শনাক্ত নারী
০২মে,শনিবার,চট্টগ্রাম প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগরের রাহাত্তারপুল এলাকায় করোনা শনাক্ত হওয়ার খবর পেয়ে এক নারী আত্মগোপন করেছেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে। ফলে তার খোঁজ মিলছে না। তার বাড়ি লকডাউন করতে গিয়েও বিপাকে পড়েছেন পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা। শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামে নতুন করে একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যসহ তিনজনের দেহে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়। পুরাতন একজনের শরীরে দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়। চট্টগ্রামের বিআইটিআইডি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়। আর নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ওই নারীও রয়েছেন। তিনি নগরীর বাকলিয়া থানাধীন রাহাত্তারপুল আমান আলী রোড এলাকায় থাকেন। তার বয়স ৩৪ বছর। অন্য একজন হলেন লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়ার বাসেক পাড়ার ৫১ বছরের ব্যক্তি। তার স্ত্রী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক। অপরজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য। তিনি চট্টগ্রাম সেনানিবাসে অবস্থিত সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমইএইচ) চিকিৎসাধীন। তার বয় ৫৫ বছর। খুলশীর রেলওয়ে কলোনিতে থাকেন তিনি। সাউথ ইস্ট ব্যাংকের খাতুনগজ শাখায় কর্মরত রয়েছেন তিনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফহলে রাব্বি শনিবার সকালে এ তথ্য জানান। তিনি জানান, করোনা আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি জানার পর ওই নারী মোবাইলটি বন্ধ করে দিয়ে আত্নগোপনে চলে গেছে। তাকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। বাকলিয়া থানার ওসি নেজাম উদ্দিন জানান, সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে রাহাত্তারপুল আমান আলী রোডের ৩৪ বছর বয়সী এক নারী করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর জানানো হয়েছে। তবে বিস্তারিত ঠিকানা দেয়া হয়নি। ওই নারীর একটি মোবাইল নাম্বার দেয়া হলেও সেটি বন্ধ রয়েছে। ওই রোগীর নামের সাথে যাদের মিল রয়েছে তাদের বাড়ি বাড়ি পুলিশ গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। ওসি জানান, করোনা পজিটিভ খবর পেতেই মুঠোফোন বন্ধ করে রীতিমতো আত্নগোপনে চলে গেছেন চট্টগ্রাম নগরীর রাহাত্তারপুল এলাকার ওই নারী। নারীর দেওয়া মুঠোফোন নম্বর ছাড়া বাড়তি কোনো তথ্য না থাকায় প্রশাসন বাড়ি লকডাউন করতে গিয়েও বিপাকে পড়ে যায়। সিভিল সার্জন সূত্র জানায়, ওই নারীর করোনা শনাক্তকরণের জন্য গত ২৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে বিআইটিআইডি ল্যাবে পাঠানো হয়। দুইদিন পর ১ মে নমুনা পরীক্ষায় ওই রোগীর করোনা পজিটিভ আসে।
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে এক বিদেশী বন্দীর মৃত্যু
০২মে,শনিবার,চট্টগ্রাম প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী এক বিদেশী ফুটবলারের মৃত্যু হয়েছে। ঘানার নাগরিক ঐ ফুটবলারের নাম ফ্রাংক এন তিম থাম (৪০)। বাংলাদেশে ঢাকায় একটি ক্লাবের হয়ে ফুটবল খেলতেন তিনি। কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে ঢাকা যাওয়ার পথে নগরীর বাকলিয়া থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে তিনি কারাবন্দী ছিলেন। শুক্রবার (১ মে) সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সেফটিক শক। গত ২৯ এপ্রিল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাংলানিউজ, এ বছর জানুয়ারির শুরুর দিকে কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে ঢাকা যাওয়ার পথে নগরীর বাকলিয়া থানা পুলিশের হাতে এক সঙ্গীসহ গ্রেফতার হন ফ্রাংক এন তিম থাম। ৪ জানুয়ারি থেকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানায় মাদক আইনে মামলা রয়েছে। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. কামাল হোসেন বলেন, ফ্রাংক এন তিম থাম ৪ জানুয়ারি থেকে মাদক মামলায় কারাগারে বন্দী ছিলেন। ২৯ এপ্রিল অসুস্থতা বোধ করলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মো. কামাল হোসেন বলেন, ফ্রাংক এন তিম থামের সামান্য জ্বর ও কাশি ছিল। তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে চিকিৎসকরা সেফটিক শক বলে জানিয়েছেন।
করোনা ভাইরাস কে ভয় নয়, সবাই মিলে করব জয়: সিএমপি কমিশনার
০১মে,শুক্রবার,মো.ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার রোধে সিএমপি'র সকল অফিসার ফোর্সদেরকে সচেতন করার লক্ষ্যে ০১ মে রাত ৯ টায় দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান বিপিএম, পিপিএম উপস্থিতিতে বিশেষ ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। দামপাড়া পুলিশ লাইন্স এর সকল অফিসার ফোর্স বিভিন্ন ব্যারাকের বারান্দায় এবং মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উক্ত ব্রিফিং প্যারেডে অংশগ্রহণ করেন। ব্রিফিং প্যারেডে পুলিশ কমিশনার করোনা ভাইরাস থেকে কিভাবে নিজেদেরকে রক্ষা করা যাবে এবং করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কিভাবে মনোবল চাঙ্গা রেখে একে অপরকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে সিএমপি কে রাষ্ট্রের বৃহৎ স্বার্থে গতিশীল রাখা যায় এ সংক্রান্ত বিস্তারিত দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া পুলিশ কমিশনার পুলিশ লাইন্সের বিভিন্ন অফিসার ফোর্সদের খাবার-দাবার, আবাসিক পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের খোঁজ খবর নেয়া সহ তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শুনেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধান দেন। ব্রিফিং কালে তিনি সিএমপি পরিবারের ৭০০০ অফিসার ফোর্সকে যেকোনো মূল্যে সুস্থ রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন । করোনা ভাইরাস কে ভয় নয়, সবাই মিলে করব জয়- এই স্লোগান বুকে ধারণ করে প্রত্যেকের মনোবল চাঙ্গা রেখে করোনা ভাইরাস প্রতিহত করার জন্য সবাইকে তিনি আহ্বান জানান। বক্তব্য শেষে তিনি পুলিশ লাইন্সের সকল অফিসার ফোর্সের কল্যাণের জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। উল্লেখ্য যে, পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে ফোর্সের মনোবল চাঙ্গা রাখতে ইতোমধ্যে প্রত্যেক ব্যারাকে দ্রুতগতিসম্পন্ন ওয়াইফাই এর ব্যবস্থা করা হয়েছে, শারীরিক যেকোনো অসুস্থতার সুচিকিৎসা জন্য হটলাইন চালু করা হয়েছে, প্রত্যেক ব্যারাকে হ্যান্ডওয়াশ, গরম পানির ব্যবস্থা সহ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধক বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাকে আর্থিক প্রণোদনা সহ তার সুচিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত উক্ত বিশেষ ব্রিফিং প্যারেডে আরো উপস্থিত ছিলেন, আমেনা বেগম, বিপিএম (সেবা),অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার( প্রশাসন ও অর্থ) শ্যামল কুমার নাথ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) ও বিভিন্ন বিভাগের উপ- পুলিশ কমিশনার গন সহ বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালের ডাক্তার ও সিএমপির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
চট্টগ্রামে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আরও এক চিকিৎসক
০১মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আবদুল বাসেত (২৯) নামে আরও এক চিকিৎসক। শুক্রবার (০১ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। চিকিৎসক আবদুল বাসেত সাতকানিয়া উপজেলার বাসিন্দা হলেও ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত অবস্থায় করোনায় আক্রান্ত হন। গত ২২ এপ্রিল করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জামাল মোস্তফা জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডা. আবদুল বাসেতের দুই দফা পরীক্ষা করে তার শরীরে করোনা নেগেটিভ আসে। তিনি আরও জানান, আজ দুপুরে তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। আগামী ১৪ দিন তাকে বাড়িতে হোম কোরেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে করেনায় আক্রান্ত আরও ৩৭ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন আইসোলেশন ওয়ার্ডে। এই ছাড়া আরও ছয়জন শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জামাল মোস্তফা।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর