রবিবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১
পত্রিকার অসচ্ছল হকারদের পাশে সিএমপি
২১এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ইস্পাত নির্মাণকারী শিল্পগ্রুপ কেএসআরএমের সহায়তায় পত্রিকার অসচ্ছল হকার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন (সিএমপি) পুলিশ দক্ষিণ বিভাগ। করোনার প্রভাবে অসহায় হয়ে পড়া এসব পরিবারকে কেএসআরএমের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি নগরীর স্মরণিকা কমিউনিটি সেন্টারে সিএমপি দক্ষিণ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মেহেদী হাসান হকার সমিতি নেতাদের কাছে তা আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। কেএসআরএমের পক্ষে দেয়া নিত্যপণ্যসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল সাত কেজি, আলু দুই কেজি, পেঁয়াজ এক কেজি, ডাল এক কেজি, তেল এক লিটার, লবণ আধা কেজি, রসুন আধা কেজি। প্রাথমিকভাবে ৩৫০ হকার পরিবারকে এ সহায়তা দেয়া হয়েছে। এ সময় উপপুলিশ কমিশনার মেহেদী হাসান বলেন, মহামারী করোনার প্রভাবে বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষ চরমভাবে আর্থিক সংকটে পড়েছে। আমরা চাই তাদের পাশে দাঁড়াতে। কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়াতে। এরই অংশ হিসেবে আমরা জানতে পেরেছি চট্টগ্রামে প্রায় এক হাজার পত্রিকা হকার কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ৩৫০ পরিবার দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। কেএসআরএমের সহায়তায় আমরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। আরো বিভিন্ন শিল্পগ্রুপ আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছে। ভবিষ্যতে অসহায় বিভিন্ন পেশার মানুষ চিহ্নিত করার মাধ্যমে আরো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী দেয়া হবে। আমরা এসব সামগ্রী তালিকাভুক্ত হকার পরিবারের ঘরে ঘরে রাতের মধ্যেই পৌঁছে দেব। যাতে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করা যায়। কেএসআরএমের মিডিয়া অ্যাডভাইজার মিজানুল ইসলাম বলেন, আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার ও ধারাবাহিক কাজের অংশ হিসেবেই এসব খাদ্যসামগ্রী দেয়া হচ্ছে। বৈশ্বিক মহামারী করোনার প্রভাব শুরু হওয়ার পর থেকে কেএসআরএম বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। কেএসআরএমের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহানের আন্তরিক সহযোগিতায় এসব পণ্যসামগ্রী দেয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিএমপির দক্ষিণ বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আবদুর রউফ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, চিটাগাং সংবাদপত্র হকার্স বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মো. ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম লিটন প্রমুখ।
আটকে পড়া চট্টগ্রামের দুই হাজার ২০০ মানুষকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে
২১এপ্রিল,মঙ্গলবার,স্টাফ রিপোর্টার,নিউজ একাত্তর ডট কম:ভারত ও সিঙ্গাপুরে আটকে পড়া চট্টগ্রামের দুই হাজার ২০০ মানুষকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। ইউএস বাংলার আটটি বিশেষ ফ্লাইটে আনা হচ্ছে এসব মানুষ। আগামীকাল বুধবার প্রথমদিনে ৬০০ জনকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। ফিরিয়ে আনা মানুষগুলোকে কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থাও সম্পন্ন হয়েছে। এমন তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে লকডাউন ঘোষণার পর চিকিৎসা নিতে যাওয়া চট্টগ্রামের এসব মানুষ ভারত ও সিঙ্গাপুরে আটকা পড়ে। এখন তাদের আটটি বিশেষ ফ্লাইটে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। তাদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে। তিনি জানান, ভারত থেকে ৬০০ জন চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আসবে আগামীকাল বুধবার। এদের ৩০০ জনকে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে, অপর ৩০০ জনকে বায়েজিদ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। কয়েক দফায় বাকী লোকজন চট্টগ্রামে ফিরবে। সিঙ্গাপুর থেকেও ২০০ জনকে ফিরিয়ে আনা হবে। এজন্য নগরীর বিভিন্ন এলাকায় আরও এক হাজার ৩০০ মানুষের জন্য কোয়ারেন্টাইন সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে সেনাবাহিনী। বিশেষ করে কাজির দেউড়ির এমএ আজিজ স্টেডিয়াম, নগরীর কিছু হোটেল-মোটেল ও ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউটকে ঘিরেই মূলত পরিকল্পনা করছে সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশন। কোয়ারেন্টিনে রাখতে থাকা-খাওয়ার বিষয় ও খরচ-সবকিছুই ঠিক করবে সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম নগরীর মধ্যে এই কোয়ারেন্টিন সেন্টারগুলো পরিচালনা করা হবে। এক্ষেত্রে বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা সেনাবাহিনীকে সহায়তা দিচ্ছেন বলেও জানান চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ। এদিকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স থেকে জানানো হয়েছে, ২২ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ছয়টি, এরপর আরও দুটি বিশেষ ফ্লাইটে আটকে পড়া প্রায় দুই হাজার ২০০ মানুষকে চেন্নাই ও কলকাতা থেকে চট্টগ্রামে ফিরিয়ে আনা হবে।
নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হেক্সিসল, মাস্কের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান
২০এপ্রিল,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালন,বাজার মনিটরিং, স্বপ্রণোদিত লকডাউনের আড়ালে অননুমোদিত দোকান বন্ধ রাখা, আড্ডা বন্ধ, বাড়ির নির্মান কাজ বন্ধ, টিসিবি পণ্য বিক্রি মনিটরিং ও ক্রেতাদের নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরণ ইত্যাদির মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে ছিলো চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১০ টি টিম। এসময় ভ্রাম্যমান আদালতে ৫১ টি মামলায় ৪৫,৫০০(পয়তাল্লিশ হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা আদায় এবং ১১০ লিটার নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার জব্দ করা হয়। আজ সোমবার ২০ এপ্রিল সকাল ৯.০০ টাথেকে বিকাল ৩.০০ টা পর্যন্ত ও বিকাল ৩.০০ টা থেকে রাত ৯ঃ০০ টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ সরকারি নির্দেশনা বাস্থবায়নে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে। বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজন চন্দ্র রায়। তিনি জানান,বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সিএম পুলিশের সহযোগিতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সকলকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। সর্বমোট ১ টি মামলায় ১,০০০(এক হাজ্র) টাকা জরিমানা করা হয়। সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা বিনতে আমিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন পাঁচলাইশ, খুলশী ও বায়েজিদ এলাকায়। তিনি জানান, অননুমোদিতভাবে খুলে ব্যবসা করায় ১ টি রডের দোকানকে ৩,০০০(তিন হাজার) টাকা, সামাজিক দূরত্ব না মানা এবং চায়ের দোকানে চা পান ও আড্ডাবাজির জন্য দোকানি ও ক্রেতাদের ১,০০০(এক হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া বাজার মনিটরিং এর অংশ মূল্য তালিকা না টানানো ও মেয়াদোত্তীর্ণ মালামাল রাখায় ৪টি মুদি দোকানকে ৫,০০০(পাচ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়। বাজারসহ যেখানে লোকসমাগম বেশি সেখানে মাইকিং করা হয় এবং সচেতনা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়।। অপরদিকে চাঁন্দগাও,চকবাজার,বাকলিয়া এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজা জেরিন । তিনি জানান, অভিযানকালে মাস্ক, গ্লাভস না পড়া, অযথা বাহিরে ঘুরাঘুরি এবং মাংসের দোকানে অতিরিক্ত দাম রাখায় জরিমানা আদায় করা হয়। টেরিবাজারে একজন দোকানী নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রি করার সময় তা জব্দ করলে সে এইসব নকল জিনিস আনসার ক্লাব থেকে এনেছে বলা জানায়। পরে সেই বিক্রেতাকে সাথে নিয়ে আনসার ক্লাবে গিয়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির জিনিসপত্র পাওয়া যায়৷ পরিমাণ আনুমানিক প্রায় ১১০ লিটার। অনুমতি ছাড়া এবং সুনির্দিষ্ট পরিমাপ ছাড়া এসব স্যানিটাইজার তৈরি করে চড়া দামে বিক্রি করছিল বলে দোকানদার নিজেই স্বীকার করেন। এগুলো জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।সর্বমোট ১১ টি মামলায় ৯,৫০০(নয় হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা করা হয়। সদরঘাট, কোতোয়ালি ও ডবলমুরিং এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামনূন আহমেদ অনিক। তিনি জানান, সামজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরনের জন্য মানুষকে ব্যাপকভাবে সচেতন করা হয়। করোনা প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য মানুষকে অনুরোধ করা হয়। ১ টি মামলাচশত)(পাচশত) টাকা জরিমানা করা হয়। সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহার জানান, আকবরশাহ, পাহাড়তলি, হালিশহর এলাকায় সরকার প্রদত্ত নির্দেশ অমান্য করে বিভিন্ন দোকান খোলা রাখা, সামাজিক দুরত্ব বজায় না থাকার কারণে সর্বমোট ১০টি মামলা দায়ের করা হয় এবং ১০,১০০(দশ হাজার একশত) টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অপরদিকে বিকাল ৩.০০ টা থেকে রাত ৯.০০ টা পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা থানাধীন অঞ্চলে সহকারী কমিশনার ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবুবকর সিদ্দিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। চান্দগাঁও,চকবাজার,বাকলিয়া এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম ইশমাম। তিনি বিভিন্ন অপরাধ আমলে নিয়ে ১৩ টি মামলায় ৭,০০০(সাত হাজার) টাকা অর্থদন্ড করেন। বায়েজিদ, খুলশী, পাঁচলাইশ থানাধীন অঞ্চলে সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট চাই থোয়াইহলা চৌধুরী ২ টি মামলায় ১,৫০০(এক হাজার পাঁচ শত) টাকা জরিমানা করেন। হালিশহর, পাহাড়তলী, আকবরশাহ থানাধীন এলাকায় ভূমি অধিগ্রহন কর্মকর্তা ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কায়সার খসরু ৪ টি মামলায় ৪,৫০০(চার হাজার পাচ শত) টাকা জরিমানা করেন। এছাড়াও সদরঘাট, কোতোয়ালী, ডবলমুরিং থানাধীন এলাকায় ভূমি অধিগ্রহন কর্মকর্তা ও র্নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সোহেল রানা ৩ টি মামলায় ২,৪০০(দুই হাজার চারশত) টাকা জরিমানা করেন।
চট্টগ্রামে ২৪ ঘন্টায় করোনায় ১০ জন পজেটিভ
২০এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বিভাগে করোনায় আজ ১১৩ নমুনা পরীক্ষা করে ১০ জনের করোনা পজেটিভ পাওয়া যায় তবে কোন রোগীর মৃত্যু হয়নি। চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন করোনা সংক্রান্ত আপডেটে এ তথ্য জানিয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ জানায় চট্টগ্রামে বিগত (২০ এপ্রিল ) ২৪ ঘন্টায় ফৌজদারহাটস্থ (বিআইটিআইডি) হাসপাতালে ১১৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয় তার মধ্যে ১০ টি নমুনা পজেটিভ হয়। তার মধ্যে লক্ষীপুর জেলায় ৪ জন, নোয়াখালী ১জন করোনায় আক্রান্ত হয়। চট্টগ্রামে নতুন আরো ৪ জন আক্রান্ত হয়েছে। এছাড়াও আগে থেকে শনাক্ত হওয়া এক রোগীর দ্বিতীয়বার নমুনা পরীক্ষা করে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে ফৗজদারহাটস্থ (বিআইটিআইডি)। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির এ তথ্য জানিছেছেন। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৫ জন রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন। এ পর্যন্ত আইসোলেশন বেডে ৩৯ জন রোগী আছে। তার মধ্যে ২৯ জন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ও ১০ জন ফৌজদারহাটস্থ (বিআইটিআইডি) হাসপাতালে। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৩০৫ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, চট্টগ্রামে কমিউনিটি পর্যায়ে করোনা আক্রান্ত শুরু হয়েছে। এ করোনা সংক্রমন থেকে বাঁচতে ঘরে থাকার বিকল্প নেই। বিশেষ প্রয়োজনে রাস্তায় বের হওয়ার জন্য নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা দেন স্বাস্থ্য বিভাগ। স্বাস্থ্য বিভাগ আরো জানায়, তাদের কাছে ২১ হাজার ৬১টি পিপিই মজুদ আছে। চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি এ তথ্য জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও শুরু হচ্ছে করোনা পরীক্ষা
২০এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:এবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালেও করোনা ভাইরাস পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। করোনা শনাক্তে চমেক এর জন্য পিসিআর মেশিন ও এক হাজার কিট এসে পৌঁছেছে। সোমবার সকালে এসব মেশিনপত্র ঢাকা থেকে চমেক হাসপাতালে এসে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম হুমায়ুন কবির। তিনি জানান, আমরা এটি দ্রুত স্থাপন করে পরীক্ষা শুরু করতে চাই। এটি স্থাপনের জন্য টেকনিশিয়ানরা ঢাকা থেকে আসছে। স্থাপনে অন্তত দুই থেকে তিন দিন লাগবে জানিয়ে তিনি বলেন, এর পর থেকে আমরা চমেক হাসপাতালেও পরীক্ষা শুরু করতে পারবো। এদিকে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন-বিএমএ চট্টগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী জানান, সকালে পিসিআরসহ প্রয়োজনী যন্ত্রপাতি বিমানে চট্টগ্রাম পৌঁছেছে। সাথে এসেছে এক হাজার কিট। তিনি বলেন, যন্ত্রপাতি স্থাপনের পর আগামী সপ্তাহ থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা শুরু হবে। চট্টগ্রামে কিটের সংকট হবেনা। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ল্যাবটিকে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষার জন্য ইতিমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি জানান, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনার ল্যাব চালু হলে টেস্টের সংখ্যা বাড়বে। এখন ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডিতে প্রতিদিন গড়ে ২০০ স্যাম্পল সংগ্রহ করা হচ্ছে। কিন্তু জনবল ও যন্ত্রপাতি সংকটের কারণে একশর বেশি টেস্ট করা যায় না। ফলে অনেক রোগীর পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে কয়েকদিনও লেগে যায়। চমেকে করোনা পরীক্ষা ল্যাব চালু হলে এ অঞ্চলে এ সংকট আর থাকবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। দেশে করোনা প্রাদুর্ভাব শুরুর পর ঢাকার বাইরে প্রথম গত ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের বিশেষায়িত হাসপাতাল ফৌজদারহাটের বিআইটআইডিতে শুরু হয় করোনা শনাক্তকরণ পরীক্ষা।বাসস
সমাজসেবক জনাব নুরুল আলম সওদাগরের ৩য় মৃত্যু বার্ষিকী আজ
২০এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পটিয়া জিরির কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সমাজসেবক ও মুক্তিযুদ্ধের সহায়তাকারী জনাব নুরুল আলম সওদাগরের আজ ৩য় মৃত্যু বার্ষিকী।তিনি ২০১৭ইং ২০ এপ্রিল দুপুর ১টার সময় নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন।আল জামেয়াতুল আরিবিয়াতুল ইসলামীয়া জিরি বিশ্ববিদ্যালয়ের আজীবন সদস্য ও জিরি শেখ পুস্তির বাড়ী আল হাসান (রঃ) মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগিতা করেছিলেন বলে ৭১এর সময় পাক হানাদার বাহিনী কতৃক তার বাড়ীঘর জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন বলে অতীকষ্টে পরিবারকে নিয়ে যাযাবরের মত বিভিন্ন জায়গায় রাতযাপন করেন। তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গ্রামের বাড়িতে অনাড়ম্বন বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে।দেশের করোনা দুর্যোগের কারনে তার বাড়ির মসজিদে খতমে কুরআন,মিলাদ-দোয়া মাহাফিল পালিত হবে ও গরীব অসহায় মানুষের মাঝে সহায়তা করা হবে। উল্লেখ্য যে মরহুমের তিন পুত্র ও এক কন্যা সন্তান আছেন।তার কনিষ্ঠ পুত্র সাবেক ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য তসলিম উদ্দিন রানা বিএ (অনার্স),এমএ সকলের নিকট দোয়া ও মরহুমের আত্ত্বার মাগফেরাত কামনা করেন।
নগরীর শুলকবহর এলাকা থেকে ফেন্সিডিলসহ ১ জনকে আটক করেছে RAB
২০এপ্রিল,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম মহানগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন শুলকবহর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ ইয়াছিন আবেদিন সোহাগ (২০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। এসময় তার কাছ থেকে ১৯৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। আজ সোমবার ২০ এপ্রিল সকাল ৭ঃ১৫ মিনিটের সময় নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন শুলকবহর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ মোঃ ইয়াছিন আবেদিন সোহাগ(২০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান, RAB-7 এর সহকারী পরিচালক( মিডিয়া) এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন। আটককৃত আসামী হলেন মোঃ ইয়াছিন আবেদীন সোহাগ (২০) সীতাকুন্ড থানাধীন ফুলতলা গ্রামের মৃতঃ জয়নাল আবেদীন এর ছেলে। বর্তমান ঠিকানাঃ সাং- স্টেশন কলোনী, ২৯নং ওয়ার্ড, আইস ফ্যাক্টরী রোড, থানা- সদরঘাট। RAB-7 এর সহকারী পরিচালক (অপারেশন) এএসপি মাশকুর রহমান জানান , গোপন সংবাদের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে, নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন শুলকবহর এলাকায় মোঃ নিশান এর বাড়ীর নিচ তলায় কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে RAB এর একটি টহল দল অভিযান চালায়। RAB এর উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে আসামী মোঃ ইয়াছিন আবেদীন সোহাগ (২০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। তিনি আরও জানান,পরবর্তীতে আটককৃত আসামীর দেহ তল্লাশী করে তার দেখানো ও সনাক্তমতে স্টোর রুমে একটি পাটের বস্তার ভিতর হতে ১৯৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। এসময় অন্য ১ জন আসামী সু-কৌশলে পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামীকে পাঁচলাইশ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান। RAB-7 এর সহকারী পরিচালক এএসপি কাজী মোঃ তারক আজিজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৯৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ মোঃ ইয়াছিন আবেদিন সোহাগ(২০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে । পরে আটককৃত আসামীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, পলাতক আসামীর নাম মোঃ নিশান (২৯), পিতা- সৈয়দ মোঃ নওসেদ, মাতা-পারভিন আক্তার, সাং- সোলকবাহার (বায়েজীদ বোস্তামী সড়ক, ২নং গেইট, পূণর্বাসন এলাকা) থানা- পাঁচলাইশ, জেলা- চট্টগ্রাম মহানগর এবং আসামীদ্বয় দীর্ঘদিন যাবত ফেনী জেলার বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন কৌশলে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের কাছে বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামীকে পাঁচলাইশ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান। উল্লেখ্য যে, আসামী মোঃ ইয়াছিন আবেদীন সোহাগ এর বিরুদ্ধে সদরঘাট থানায় ১ টি মাদক মামলা রয়েছে।
কর্ণফুলীতে এক মাওলানাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা
২০এপ্রিল,সোমবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা এলাকায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এক মাওলানাকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত মাওলানা সায়ের মোহাম্মদ সাগর (৪২) কবিরাজি ও ঝাড়-ফুঁকের কাজ করতেন বলে জানা গেছে। গতকাল রোববার ১৯ এপ্রিল রাতে কর্ণফুলীর চরলক্ষ্যা ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝামাঝি নির্জন স্থানে মাওলানা সাগরের ওপর হামলা করা হয় বলে জানান নিহতের বড় ভাই মোহাম্মদ জাফর। তিনি আরো জানান, রোববার রাত পৌনে ১১টায় নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে(চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে) তাঁর মৃত্যু হয়। কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন গতকাল রাতে চরলক্ষ্যায় মাথায় আঘাত করার কারণে এক ব্যক্তিকে গুরুতর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তিনি মারা গেছেন। নিহতের পক্ষ থেকে মামলা প্রক্রিয়াধিন আছে। এদিকে নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হবে বলেও জানান।
ভোটার বা আইডি কার্ড ছাড়াই যে কেউ তালিকাভূক্ত ও সরকারি ত্রাণ পাবে: মেয়র নাছির
২০এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা ভোটার কার্ড না থাকলেও সরকারি ত্রাণ পাওয়া যাবে বলে সরকারের এই ঘোষণা বাস্তবায়নে নগরীর ৪১ টি ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের তালিকা তৈরীর প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ. ম. নাছির উদ্দীন। তিনি বলেন, কাউন্সিলরদের উদ্দেশ্যে এই নির্দেশনায় তিনি বলেন, নগরীতে অবস্থানরত নিন্মজীবী বেকার শ্রমিক, চা দোকানদার, রেস্টুরেন্ট শ্রমিক, পরিবহন শ্রমিক, মোটরযান শ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক ও কৃষি শ্রমিক, দোকান কর্মচারী যে-যেখানে অবস্থান করছেন সেই ঠিকানানুযায়ী ত্রাণ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং কোন অস্বচ্ছল পরিবার যাতে বাদ না পড়ে সেই দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করতে হবে। এক্ষেত্রে যাতে আইডি কার্ড না থাকা-অন্য আঞ্চলিক অবস্থান বা ভোটার না হওয়া- এসব-আমলে না এনে সরকারি ত্রাণ প্রাপ্তির হালনাগাদ তালিকা তৈরি এবং সকল নাগরিকের ঘরে ঘরে যাতে দ্রততম সময়ের মধ্যে সরকারি ত্রাণ-সামগ্রী পৌঁছে যায় সেজন্য কাউন্সিলরদের ত্রাণসামগ্রী বিতরণে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি জানান, প্রান্তিক স্তরে খাদ্য সহায়তায় সরকারি ওএমএস চাল বিতরণের কার্ড তৈরি এবং সরকারি নির্দেশনার অন্যান্য দিক তুলে ধরে বলেন, কার্ডপ্রাপ্ত সেবা গ্রহীতারা প্রতি মাসে ১০ টাকা মূল্যে মাসিক ২০ কেজি চাল সংগ্রহ করতে পারবেন। এবং তা সরকার নিয়োজিত ডিলারদের কাছ থেকেই তুলে নিতে হবে। ওএমএস-এ কার্ড তালিকায় চট্টগ্রাম নগরীতে শুধুমাত্র আন্দরকিল্লা ও জামাল খান ওয়ার্ডে ২ শত করে পরিবার অন্তর্ভূক্ত হবেন। অন্য ওয়ার্ডগুলোর প্রতিটিতে ৪ শত করে পরিবারকে ওএমএস কার্ড তালিকায় অন্তভূক্ত করা হবে। ওএমএস কার্ড প্রত্যাশীদের প্রত্যেককে ২ কপি ছবিসহ আইডি কার্ডের ফটোকপি সংযোজন করে তালিকা প্রস্তুত করার জন্য কাউন্সিলরদের প্রতি নির্দেশনা প্রদান করেন সিটি মেয়র। তিনি ওএমএসর চাল নিয়ে যাতে করে নয়-ছয় না হয় এবং এই ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্টরা চাল আত্মসাৎ অপচেষ্টায় যাতে লিপ্ত না হয় সে ব্যাপারে সুতীক্ষ নজরদারী রাখার জন্য কাউন্সিলরদের পরামর্শ দেন। মেয়র বলেন, এক্ষেত্রে কোন অনিয়ম বা দূর্নীতি পরিলক্ষিত হলে তা সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্ট তদারকি সংস্থাকে অবহিত করতে হবে। তিনি কাউন্সিলরদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, কর্পোরেশন থেকে সরকারি ত্রাণ-সামগ্রী বুঝে নেয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই তা তালিকাভূক্ত ত্রাণ-সামগ্রী গ্রহীতাদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। এ ছাড়াও ত্রাণ গ্রহীতাদের সুবিধা-অসুবিধার খোঁজ নেয়া সহ তারা যেন ঘরে অবস্থান করে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকারি নির্দেশনা এবং সরকারি স্বাস্থ্য বিধি মেনে নেয় এবং সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে কাউন্সিলরদের ডোর-টু ডোর ক্যাম্পেইন চালিয়ে যেতে সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন নির্দেশনা দেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর