মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে এন.ডি.এম এর সদরঘাট থানা কার্যালয়ে সভা অনুষ্ঠিত
জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন এন.ডি.এম অদ্য ১৯/০২/২০১৮ ইং সদরঘাট, চট্টগ্রাম থানা কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা যুগ্ম আহবায়ক আবুল বশর চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আহবায়ক গণতন্ত্রের অতন্ত্র প্রহরী গণমানুষের এন.ডি.এম নেতা জননেতা জনাব, খোকন চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহবায়ক চট্টগ্রাম জেলা জনাব, মোঃ কামাল উদ্দিন। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহবায়ক চট্টগ্রাম জেলা জনাব, ডাঃ মোঃ মহসিন। আরো উপস্থিত ছিলেন বন্দর থানা আহবায়ক জনাব, গোলাম কিবরিয়া, সদরঘাট থানা আহবায়ক জনাব, মোঃ রাকিব হোসেন সেলিম, ই.পি.জেড থানা আহবায়ক জনাব, মোঃ ইব্রাহিম, ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রাম এর সদস্য সচিব জনাব, শাহীন আলম, যুগ্ম আহবায়ক তানভির হোসেন। সকলে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্বরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করেন। প্রধান অতিথি সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। ১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলাকে মাতৃভাষা করার দাবিতে কিছু ছাত্রজনতা আন্দোলন করলে ঐ আন্দেলনে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাই এই দিনটি শহীদ দিবস হিসাবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারীতে যারা বাংলা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছিলেন সেই সকল ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানায়। ২১শে ফেব্রুয়ারী আমাদের বাঙ্গালিদের জন্য একটি গৌরব উজ্জ্বল দিন। ইতিহাসের এই দিনেই মাতৃভাষার জন্য রাজপথে জীবন দিতে হয়ে ছিল সালাম, বরকত, জব্বার ও রফিকসহ নাম না জানা আরও অনেকেই। তাদের জন্য আজ আমরা মন খুলে বাংলা বলছি ও লিখছি। বিশ্বের ইতিহাসের বুকে মাতৃভাষার জন্য বীরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলাম আমরা এই বাঙ্গালীরাই। আর তাই এই দিনটি আজ শুধু বাংলাদেশ স্মরণ করে না এর পাশাপাশি সার বিশ্বও স্মরণ করে। পরিশেষে আমি সকল শহীদদের নফসের মাগফিরাক কামনা করি।
রেকর্ড ভাঙ্গা উষ্ণতম সময় আসছে বাংলাদেশে
গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের প্রভাবের সঙ্গে এল-নিনোর দাপটে বাংলাদেশে চলতি বছরটি উষ্ণতম বছর হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এক মাস আগেই ৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙে হাড় কাঁপানো শীত বয়ে গেছে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে। সামনে আসছে অসহনীয় তাতানো গরমের সময়। প্রচণ্ড গরমে অস্থির হয়ে পড়তে পারে জনজীবন। জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) বলছে, গত দশ মাসে বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী গড়ের চেয়ে শূন্য দশমিক ৫৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা কোনো নিশ্চল অবস্থায় নেই। এ ধারা অব্যাহত থাকলে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। যা ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় ঘটছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগরের এল-নিনোর প্রভাবে জলতলের তামপাত্রাও বেড়ে গেছে। ফলে ভারত মহাসাগর, আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরে জলীয় বাষ্পের জোগানে টান পড়েছে। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর তাদের ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী এপ্রিল পর্যন্ত ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দিয়ে বলেছে, এপ্রিল মাসে তীব্র তাপপ্রবাহ, সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় আর কালবৈশাখী ও বজ্রঝড়ের দাপট থাকবে। এপ্রিল মাসটি বাংলাদেশের জন্য এক ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময় হয়ে আসছে। তাপমাত্রার তীব্রতা এপ্রিলে চরমভাবাপন্ন থাকতে পারে, বিশেষ করে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে। ওই অঞ্চলে একটি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে; যার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র দু-এক দিন মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বইতে পারে; যার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে জলবায়ুর বিরূপ প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশের ওপর বেশ কয়েক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে। ২০১৫ সাল থেকে এল-নিনোর প্রভাবে পুড়েছে পুরো উপমহাদেশ, সেটা চলে ২০১৬ সালের জুন-জুলাই পর্যন্ত। এর পর থেকে প্রতিবছরই প্রকৃতির বিরূপ আচরণের মুখোমুখি হতে হয়েছে বাংলাদেশকে। গত বছরও দেশ দেখেছে প্রকৃতির বৈরী আচরণ। রেকর্ড হয়েছে ৩৫ বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের। এ রকমই বৈরী আচরণের দেখা মিলতে পারে আগামী এপ্রিল মাসে। তবে মার্চ জুড়ে প্রকৃতির আচরণ স্বাভাবিক থাকবে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। তারপর থেকেই তাপমাত্রা অসহনীয় হতে থাকবে। মার্চের শেষ থেকে এপ্রিল মধ্যভাগ জুড়েই তীব্র কালবৈশাখী এবং তীব্র বজ্রঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এপ্রিল মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ মাসেই বঙ্গোপসাগরে দু-একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার একটি রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে। দেশের উত্তর থেকে মধ্যাঞ্চল পর্যন্ত দু-তিনদিন বজ্রসহ মাঝারি অথবা তীব্র কালবৈশাখী বইতে পারে। দেশের অন্যত্র চার-পাঁচ দিন হালকা থেকে মাঝারি কালবৈশাখী বয়ে যেতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ এ প্রসঙ্গে বলেন, আবহাওয়ার তারতম্য ঘটছে। উষ্ণতার হার ব্যাপকভাবে বাড়ছে। আবার শীতও তীব্র হচ্ছে। এ দিকে আগামী বাহাত্তর ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও তত্সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তত্সংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ এখন বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। প্রসঙ্গত যে, জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাব চলতি বছর থেকে ভয়ঙ্কর রূপ পরিগ্রহ করেছে। বিশ্বের এক প্রান্তে তীব্র তাবদাহ আর অপর প্রান্তে তীব্র শীত। জানুয়ারিতে পৃথিবীর দক্ষিণ-পূর্বের দেশ অস্ট্রেলিয়া ও উত্তর-পশ্চিমের দেশ কানাডায় সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা চলেছে। অস্ট্রেলিয়ায় অসহ্য গরম আর কানাডায় হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে তপ্ত সাহারা মরুভূমির বুকেও বরফ শীতল তুষার জমে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আর একই সময়ে সিঙ্গাপুরে অতীতের রেকর্ড ভেঙে বৃষ্টিপাত হয়। তখন বাংলাদেশের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রিতে নেমে আসে। শীত বিদায় নিয়েছে। সামনে আসছে নির্ঘাতের দিন। ইতোমধ্যেই সারা দেশের রাত ও দিনের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ৩১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এর চট্টগ্রাম জেলা কমিটি গঠন
মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) এর চট্টগ্রাম জেলা কমিটি গঠন কল্পে এক আলোচনা সভা সংস্থার স্থায়ী কার্যালয়ে চট্টগ্রাম জেলা কমিটির মহাসচিব ফয়সাল হাসান এর সঞ্চালনায় ১৯শে ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হয়। সংস্থার চট্টগ্রাম জেলা কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ লোকমান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আকবরশাহ্ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন, চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, হাবিবুর রহমান হাবিব, এম এ নুরুন নবী চৌধুরী, নুরা বেগম, সাইফুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান ভুইয়া উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সভায় সকলের সম্মতি ক্রমে ২০১৮ সালের চট্টগ্রাম জেলা কমিটিতে মোঃ লোকমান আলীকে চেয়ারম্যান ও ফয়সাল হাসানকে মহাসচিব মনোনীত করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট চট্টগ্রাম জেলা কমিটি অনুমোধন প্রদান করেন সংস্থার কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সাংবাদিক মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী। উক্ত কমিটিতে আলহাজ্ব দিদারুল আলম এম.পি, প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, কাজী মোঃ আলতাফ হোসেন, এনায়েত হোসেন নয়নকে উপদেষ্টা ও এম.এ নুরুন নবী চৌধুরী এবং মোঃ হাবিবুর রহমান হাবীবকে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান, মোছাম্মৎ নুরা বেগম, মোঃ জমির উদ্দিন মাসুদ, এমদাদুল হক চৌধুরী রানা, মোঃ মিজানুর রহমান ভুইয়াকে ভাইস চেয়ারম্যান, মোঃ ওসমান সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, সাইফুল ইসলাম, শেখ জয়নাল আবেদিন, মোঃ ফজলুল ইসলাম ভুইয়া কে যুগ্ম মহাসচিব, জুয়েল বড়–য়া সাংগঠনিক সচিব, জহিরুল আলম সিনিয়র যুগ্ম সাংগঠনিক সচিব, আবু নছর চৌধুরী যুগ্ম সাংগঠনিক সচিব, আলহাজ্ব মোঃ নুরুল আনোয়ার (দুলাল) কে অর্থ সচিব, বাবলু বড়–য়াকে দপ্তর সচিব, মোঃ হারুন রশিদকে সহ দপ্তর সচিব, এডভোকেট জিয়া উদ্দিনকে আইন বিষয়ক সচিব, নিহার কান্তি দাশ কে সমাজ কল্যান সচিব, সবিতা রাণী বিশ্বাস কে মহিলা বিষয়ক সচিব, সুজন আশ্চার্য কে প্রচার ও প্রকাশনা সচিব, সৈয়দ মামুনুল ইসলাম কে ক্রীড়া বিষয়ক সচিব, মোঃ শরীফ উল্যাহ কে ধর্ম বিষয়ক সচিব, মোঃ সালা উদ্দিন কে নির্বাহী সদস্য হিসাবে মনোনীত করা হয়। উক্ত কমিটি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।
চট্টগ্রামে এএসআই গুলিবিদ্ধ
চট্টগ্রাম নগরীতে একটি তল্লাশি চৌকিতে থামতে বলার পর এক পুলিশ কর্মকর্তাকে গুলি করেছে মটরসাইকেল আরোহীরা। শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে এ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক আব্দুল মালেক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নগর পুলিশের উত্তর জোনের উপ-কমিশনার আবদুল ওয়ারিশ বলেন, বিকালে নগরীর দুই নম্বর গেট এলাকার চেকপোস্টে একটি মটরসাইকেলকে থামানোর নির্দেশ দেয় পুলিশ সদস্যরা। তল্লাশি চালানোর আগেই এএসআই আব্দুল মালেককে লক্ষ করে মটরসাইকেল আরোহীরা গুলি করে। ঘটনাস্থল থেকে ওই দুই মটরসাইকেল এবং হামলাকারীদের একজনকে আটক করেন সেখানে দায়িত্বরত অন্য পুলিশ সদস্যরা। তবে হামলাকারী কতজন ছিল, তারা কারা এবং কয় রাউন্ড গুলিবর্ষণ করেছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারেননি পুলিশ কর্মকর্তা ওয়ারিশ। আব্দুল মালেকের হাঁটুর উপরে গুলি লেগেছে বলে চট্টগ্রাম মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম সিটি গেইট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
চট্টগ্রামে ফার্নিচার দোকানে আগুনক্ষতি প্রায় ৩০ কোটি টাকার চট্টগ্রাম নগরীর সিটি গেট-কর্নেল হাট এলাকায় ফার্নিচারের দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৫০টি দোকান পুড়ে যায়। শুক্রবার সকাল সোয়া আটটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স জানায়, আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর আগ্রাবাদ, বন্দর, নন্দনকানন ও কুমিরা স্টেশনের ১০টি গাড়ি আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। তবে ফার্নিচারের দোকানে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নেভাতে সময় লাগায় ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক পরিচালক মো. জসীম উদ্দিন বলেন, কাট্টলীর কর্নেল হাট-সিটি গেট এলাকার ফার্নিচারের দোকান ও কারখানা আগুনে পুড়ে যায়। আগুনের সূত্রপাত হয়েছে একটি ফার্নিচার কারখানা থেকে। আগুনের লেলিহান শিখা থেকে দোকানের আসবাব সরিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিয়ে আসেন অনেকে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
শুক্রবার আংশিক সূর্য গ্রহণ
আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার আংশিক সূর্য গ্রহণ ঘটবে। ওইদিন ১২টা ৫৬ মিনিট বিএসটিতে গ্রহণ শুরু হয়ে ০৪টা ৪৭ মিনিট বিএসটিতে শেষ হবে। তবে বাংলাদেশে গ্রহণটি দেখা যাবে না। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, জলবায়ু মহাশাখার বরাত দিয়ে আজ এথ্য জানিয়েছে। আইএসপিআর আরও জানায়, সর্বোচ্চ গ্রহণ ০২টা ৫১ মিনিট ২৪ সেকেন্ড বিএসটিতে ঘটবে। গ্রহণের সর্বোচ্চ মাত্রা হবে ০.৫৯৮। আইএসপিআর জানিয়েছে, অ্যান্টার্কটিকার সয়া স্টেশনের উত্তর-পূর্বে দক্ষিণ মহাসাগরে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় মান সময় ভোর ৪টা ৩৩ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে গ্রহণ শুরু হয়ে আর্জেন্টিনার রোকে পেরেজ শহরের উত্তর-পূর্বে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় মান সময় সন্ধ্যা ০৬টা ৪৯ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডে শেষ হবে। অ্যান্টার্কটিকার ন্যুমায়ের স্টেশনের উত্তর-পশ্চিমে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় মান সময় রাত ০৯টা ২৭ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে সর্বোচ্চ গ্রহণ ঘটবে। শুধুমাত্র এস্থানেই গ্রহণের সর্বোচ্চ মাত্রা হবে ০.৫৯৮।
কাঠালিয়ায় সাংবাদিকদের মানবন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
সাংবাদিকদের নিপিড়নকারী ৩২ ধারা বাতিল, পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নসহ ১৪ দফা বাস্তবায়নের দাবীতে ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১১ ফেব্রুয়ারী) উপজেলা পরিষদের সামনে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) কাঠালিয়া শাখার উদ্যোগে বেলা ১১টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত ঘন্টাব্যপি এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানবন্ধনে উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিকদার মোঃ কাজল, সিনিয়র সহসভাপতি ও উপজেলা বিএমএসএফ’র আহবায়ক ফারুক হোসেন খান, মাসুদুল আলম, যুগ্ন আহবায়ক মোঃ শহীদুল আলম, অধ্যক্ষ মোঃ ওবায়েদুল হক, জাহিদুল ইসলাম, মোঃ মাসুম বিল্লাহ, এইচএম নাসির উদ্দিন আকাশ, জাকির হোসাইন, মোঃ মহসিন মিয়া, সাকিল মিয়াজী, মোছাদ্দেক হোসেন, শফিকুল ইসলাম রাসেলসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। এসময় সু-শাসনের জন্য নাগরিক কমিটি সুজন কমিটির সদস্যরা সাংবাদিকদের দাবীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে ও মানবন্ধনে অংশ নেন। মানবন্ধন শেষে ৩২ ধারা বাতিলের দাবীতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নিকট বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম কাঠালিয়া শাখার নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপি প্রদান
কালিগঞ্জ রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজে ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগীতা
কালিগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের আয়োজনে ৮দলীয় ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০টায় অত্র কলেজ ক্যাম্পাসে কলেজের ছাত্রীদের অংশ গ্রহণে ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগীতায় কলেজের প্রভাষক নাসির উদ্দীন বাদশার সঞ্চলনায় সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ এ,কে,এম জাফরুল আলম বাবু। উক্ত খেলায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ডাঃ মিলন কুমার ঘোষ, কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবেনুর রহমান, স,ম,মোন্তাজুর রহমান, ইন্দ্রজিৎ কুমার মন্ডল, ওলিউর রহমান, কালিগঞ্জ উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাজেদুল হক সাজু সহ কলেজের ছাত্রীবৃন্দ। উক্ত খেলায় চ্যাম্পিয়ন হয় কলেজের এইচ,এস,সি ২য় বর্ষের ছাত্রী আঁখি ও নাসরিন, রানার্সআপ হয় কলেজের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী তিথী ও এইচ,এস,সি ১ম বর্ষের ছাত্রী সুরভী। খেলায় চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলের পুরস্কার প্রদান করা হয়। সমগ্র খেলাটি পরিচালনা করেন কলেজের ক্রীড়া শিক্ষক সৈয়দ মাহমুদুর রহমান।
ইফতেখার সাইমুল সভাপতি এবং নাজিম উদ্দিন চৌধুরী সম্পাদক
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ সভাপতি পদে ও বিএনপিজামায়াতপন্থী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছে। তবে মোট ১৯টি পদের মধ্যে বিএনপিজামায়াতপন্থী ঐক্য পরিষদ ১২টি পদে জয়লাভ করেছে। আর আওয়ামীপন্থী সমন্বয় পরিষদ বাকী ৭টি পদে জয়ী হয়েছে। অন্য দুই প্যানেল থেকে কেউ জয়ী হতে পারেনি। গতকাল রাত সাড়ে ১২টায় নির্বাচন কমিশন ভোটের ফলাফল ঘোষণা করে। গতকাল রোববার সকাল ৯টার থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। মোট ভোট পড়ে ৩ হাজার ৮৫টি। এ নির্বাচনে এবারই প্রথম চারটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এগুলো হচ্ছে, আওয়ামীলীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ, বিএনপি জামায়াত জোট সমর্থিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ এবং দলনিরপেক্ষ আইনজীবীদের সংগঠন সমমনা আইনজীবী সংসদ। এর বাইরে এবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রগতিশীল ভাবধারায় বিশ্বাসী আইনজীবীদের সংগঠন গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি নামে আলাদা একটি প্যানেলও নির্বাচনে অংশ নেয়। সভাপতি পদে নিবাচিত হয়েছেন শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী ১৩৩৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। এ পদে ঐক্য পরিষদের এএসএম বদরুল আনোয়ার পেয়েছেন ১০৭৪ ভোট ও সমমনার চন্দন দাশ পেয়েছেন ৬০৭ ভোট। এ পদে গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির প্রার্থী কামাল সাত্তার চৌধুরী পেয়েছেন ৩৫ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে বড় ব্যবধানে জিতেছেন ঐক্য পরিষদের মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১৪৭৫ ভোট। সমন্বয়ের উত্তম কুমার দত্ত ৪৯৪ ভোট। সমমনার নুরুল ইসলাম ৩৩৯ ভোট। গণতান্ত্রিকের জহীর উদ্দীন মাহমুদ ৭৭ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবু হানিফ ৬৪৪ এবং জামায়াত বিএনপিপন্থী আবদুল মুকিম পেয়েছেন ৩১ ভোট। সিনিয়র সহুসভাপতি পদে সমন্বয়ের মোহাম্মদ ছুরত জামাল পেয়েছেন ১৩৪৫ ভোট, ঐক্যের মো. ইছহাক ১৩২৫, সমমনার মো. মাফুজুর রহমান চৌধুরী পান ৩৪৮ ভোট। সহসভাপতি পদে সমন্বয়ের মোহাম্মদ রফিকুল আলম ১১৩৩, ঐক্যের মো. নুরুদ্দিন আরিফ চৌধুরী ১২১৭, সমমনার একেএম রুহুল আমিন পেয়েছেন ৬৭২ ভোট। সহসাধারণ সম্পাদক পদে সমন্বয়ের মোহাম্মদ ইয়াছিন খোকন ১৭৫৪ ভোট পেয়েছেন। ঐক্যের মুহাম্মদ কবির হোসাইন ৯৩৯, সমমনার সৈয়দ নজরুল ইসলাম ১৯৪ এবং গণতান্ত্রিকের নারায়ন প্রসাদ বিশ্বাস পান ১৭৮ ভোট। অর্থ সম্পাদক পদে সমন্বয়ের মঈনুল আলম চৌধুরী টিপু ৯৮৪, ঐক্যের মোহাম্মদ শফিউল হক চৌধুরী সেলিম ১১৪০, সমমনার হামিদ আলী চৌধুরী ৮১১, গণতান্ত্রিকের মো. মোশারেফ হোসেন পান ১০৪ ভোট। পাঠাগার সম্পাদক পদে সমন্বয়ের জিকো বড়ুয়া ৯৮৮, ঐক্যের মো. নুরুল করিম এরফান ১১৫৩ ও সমমনার ভাস্কর রায় চৌধুরী পান ৮৮১ ভোট। সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে সমন্বয়ের রুবেল পাল ১১০৮, ঐক্যের হাসনা হেনা ১২৪৬, সমমনার আক্তার বেগম ৫১১, গণতান্ত্রিকের মোহাম্মদ মনির হোসেন পেয়েছেন ১৫৭ ভোট। তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক পদে সমন্বয়ের মো. রাশেদুল আজম রাশেদ ১৭৫০, ঐক্যের মো. হেলাল উদ্দিন আবু ১০৫০ এবং সমমনার মোহাম্মদ ফারুক মাহমুদ পান ২৩০ ভোট। নির্বাহী সদস্য পদে সমন্বয় পরিষদের ফারহানা রবিউল লিজা ১৪৭৩, সেলিনা আক্তার ১৬৪৯ ও ইয়াসিন মাহমুদ তানজিল পেয়েছেন ১৫২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ঐক্য পরিষদের এইচএস সোহরাওয়ার্দী ১৬০৮, মো. এনামুল হক ১৫৫৩, মো. হাসান কায়েস ১৩৯২ মো. লোকমান ১৬৭১, মোহাম্মদ এহছানুল হক ১৫৭৩, মোহাম্মদ ইয়াছিন ১৬২৬ এবং মুহাম্মদ আকিব চৌধুরী ১৬২৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচনের বিষয়ে কমিশনার আখতার কবির চৌধুরী বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটারদের দায়িত্বশীল ভুমিকার কারণে এটা সম্ভব হয়েছে বলে জানালেন এক সময়ের এ আইনজীবী নেতা। নির্বাচন কমিশনার আখতার কবির চৌধুরী জানান, এবার নির্বাচনে ৩ হাজার ৭১৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার কথা থাকলেও ভোট পড়েছে ৩ হাজার ৮৫টি। মোট ১৯টি পদে ভোটগ্রহণ হয়েছে। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন ৫৬ জন। অত্যন্ত সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে এ ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। যার যার প্যানেলের পক্ষে মিছিল শেহ্মাগান হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সকলের মাঝে সহনীয় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল। যা অন্য যেকোন পেশাজীবী সংগঠনের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকার মতো। এ নির্বাচনে সমন্বয় পরিষদ ও ঐক্য পরিষদ ১৯টি পদের সবকটিতে প্রার্থী দিয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি প্রথমবার প্যানেল ঘোষণা করে সভাপতিু ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৬টি পদে প্রার্থী দেয়। সমমনা আইনজীবী সংসদ সম্পাদকীয় পদের সবকটিসহ একটি নির্বাহী সদস্য পদে প্রার্থী দেয়। প্রতিদ্বন্দ্বী ৫৬ প্রার্থীর মধ্যে সভাপতি পদে ৪ জন, সাধারণ সম্পাদক পদে ৬ জন, সিনিয়র সহ সভাপতি ও সহুসভাপতি পদে ৩ জন করে, সহ সাধারণ সম্পাদক. ক্রীড়া সাংস্কৃতিক ও অর্থ সম্পাদক পদে ৪ জন করে, পাঠাগার সম্পাদক ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক পদে ৩ জন করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাহী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ২২ জন। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবি সমিতির নির্বাচনে নির্বাচিত সকল বিজ্ঞ আইনজীবিবৃন্দকে নিউজ একাত্তর ডটকম ও সপ্তাহিক সংবাদের কাগজ পত্রিকার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
বইমেলায় দর্শনার্থীর মিলন ঘটছে
শুরুর দিকে বই মেলার যে রূপ, এবারও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। মেলা শুরুর সপ্তাহ গড়ালেও বিকিকিনি ঠিক জমে ওঠেনি বইমেলায়। বইমেলায় হাজারো দর্শনার্থীর মিলন ঘটছে শুরুর দিন থেকেই। তবে ঢিমেতালে চলছে বেচাকেনা। অমর একুশের গ্রন্থমেলায় ছয়দিনে পাঁচ শতাধিক নতুন গ্রন্থ প্রকাশ পেয়েছে। প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে কবিতা শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। তারপরই রয়েছে শিশুতোষ গ্রন্থ। এর পরের অবস্থানে রয়েছে উপন্যাস এবং ছোট গল্প। মেলায় মঙ্গলবার বাংলা একাডেমির তথ্য কেন্দ্র থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এখন পর্যন্ত প্রকাশ পেয়েছে মাত্র ১৩৮টি নতুন বই। এর মধ্যে রয়েছে গল্প ২০, উপন্যাস ২৯, প্রবন্ধ ৬, কবিতা ৪৩, ছড়া ১, শিশুসাহিত্য ৫, জীবনী ৪, মুক্তিযুদ্ধ ৩, নাটক ১, বিজ্ঞান ২, ভ্রমণ ২, ইতিহাস ৫, চিকিৎসা/স্বাস্থ্য ১, অভিধান ১, বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী ৩ এবং অন্যান্য বিষয়ের নতুন ১২টি বই। বইগুলোর মধ্যে রয়েছে রাবেয়া খাতুনের রূপালি পর্দায় সোনালি লেখা (অনন্যা), মাহবুবুর রহমানের নীল পাড়ের শাড়ি (দাঁড়কাক), ইজাজ আহ্মেদ মিলনের বেদনা আমার জন্ম সহোদর(প্রিয়মুখ), মোকারম হোসেনের নিসর্গ কথা (কথাপ্রকাশ), গোলাম মাওলা রনির ইতিহাসের নির্মম প্রতিশোধ (অনন্যা), আনিসুল হকের ছোট ছোট কিশোর গল্প (অনন্যা), ইমদাদুল হক মিলনের বুমার বাড়িতে ভূতের উপদ্রব(পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স), স্বকৃত নোমানের ইবিকাসের বংশধর (পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স), খালেক বিন জয়েনউদ্দিনের বাঙালির শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও একাত্তর পঁচাত্তর এবং বাংলাদেশ (বর্ণায়ন), জিমি হাইসানের এ ফায়ার অব ফোর্থ সেঞ্চুরি (ঐতিহ্য)। এ নিয়ে মেলায় গত ছয়দিনে ৫৩৬টি নতুন বই প্রকাশ পেল। মেলায় দুই ফেব্রয়ারি ৫৫টি, তিন ফেব্রয়ারি ১২০, ৪ ফেব্রয়ারি ১১১ ও ৫ ফেব্রয়ারি ১১৬টি নতুন বই প্রকাশ পেয়েছে। বই প্রকাশের ব্যাপারে প্রকাশকরা জানান, মেলায় সবসময়ই প্রথম সপ্তাহেই চার ভাগের এক ভাগ বই আসে। এবার ছয়দিনের মাথায় পাঁচ শতাধিক এসেছে। প্রকাশনার এই গতি সন্তোষজনক। বাংলা একাডেমির স্টল থেকে জানানো হয়, এ পর্যন্ত বাংলা একাডেমির স্টলে সর্বাধিক ৭৬টি নতুন বই এসেছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে সৃষ্টিশীল প্রকাশনা সংস্থার স্টলগুলোতেই বেশি নতুন বই বেশি এসেছে। অন্য প্রকাশের স্বত্ত্বাধিকারী মাজহারুল ইসলাম বলেন, ছয়দিনে পাঁচ শতাধিক বই খুবই উল্লেখযোগ্য ব্যাপার। গতবারও পাঁচদিনে এতো বই মেলায় আসেনি। তিনি বলেন, বই আসছে প্রতিদিন। হয়তো অনেক বই তালিকায় আসছে না। আমার মনে হয় নতুন বই ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে। অন্বেষা প্রকাশনের স্বত্ত্বাধিকারী শাহাদাত হোসেন জানান, তারা ১৮টি নতুন বই এনেছেন। হুমায়ুন আহমেদের পুরনো বইগুলো সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে তিনি জানান। তিনি মেলার ধূলা নিয়ে বিরক্ত প্রকাশ করেন। বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নির্মিত রাস্তাগুলোতে বালি উড়ছে সারাক্ষণ। তাদের স্টলের বইগুলোতে প্রতিদিন ধূলা এসে জমা হয়।
চট্টগ্রামজুড়ে তৎপর পুলিশ
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলার রায় ঘিরে বিএনপি মাঠে নামার আগেই আজ বুধবার সকাল থেকে চট্টগ্রামজুড়ে তৎপর পুলিশ। ঢাকা-চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার, চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়কসহ চট্টগ্রামে প্রবেশ পথের সব কটি সড়কে অবস্থান নিয়ে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে। এতে যানবাহন চলাচল কমে গেছে। চট্টগ্রাম বিমান বন্দর সড়কসহ আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কাজে ব্যবহৃত সড়কসমূহে যানবাহন চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। আগামীকাল ৮ই ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুনীতির মামলায় খালেদা জিয়ার রায়কে ঘিরে সারাদেশের মতো চট্টগ্রামেও বিএনপির শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ বিক্ষোভের ঘোষণায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেয় পুলিশ। ওদিকে, বিএনপিকে রাজপথে নামতে না দেয়ার জন্য লাঠি-সোটা নিয়ে মাঠে নামার হুমকি দেয় ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরাও। নাশকতার কোনো ঘটনা ঘটলে চট্টগ্রামে বিএনপি নেতাদের শিল্প কারখানাসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার হুমকিও দেন দলটির সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীর জানিয়েছেন, আগামীকাল সকাল থেকে চট্টগ্রামের মোড়ে মোড়ে ও মহল্লায়-মহল্লায় লাঠি নিয়ে অবস্থান নেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন তারা। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন, খালেদা জিয়ার রায়কে গিরে বিএনপি-জামাতের তৎপরতা ঠেকাতে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা মাঠ দখলে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। সে হিসেবে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মাঠে নামার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। আগামীকাল সকাল থেকে সেটা আপনারা দেখতে পাবেন। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, এ রায়কে ঘিরে শান্তিপূর্ণ অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিয়েছেন তারা। মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, যে কোনো কিছুর বিনিময়ে মাঠে থেকে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করব। প্রয়োজনে স্বেচ্ছা কারবরণ করব। এ জন্য নেতাকর্মীরা প্রস্তুত রয়েছে। তবে মাঠে কেউ নামার আগেই নেমে গেছে পুলিশ। ধরপাকড় শুরুর পর পুলিশের বিশেষ টিম বুধবার সকাল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই থেকে সীতাকুন্ড পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে বার আউলিয়া হাইওয়ে পুলিশের এসআই মনিরুজ্জামান বলেন, চট্টগ্রামে মিরসরাই ও সীতাকুন্ড হচ্ছে বিএনপি-জামাত অধ্যুষিত জোন। এখানে জেএমবির তৎপরতাও বেশি। অতীতে যানবাহন থেকে বিভিন্ন স্থাপনার উপর নাশকতার ঘটনাও ঘটেছে বেশি। ফলে পুলিশের তালিকায় এ দুটি উপজেলা ডেঞ্জার জোন হিসেবে চিহ্নিত। তাই খালেদা জিয়ার রায়কে ঘিরে কোনো ধরণের নাশকতার ঘটনা যাতে না ঘটে সে হিসেবে পুলিশ তল্লাশি ও যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ করছে।
৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় সকল সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা মামলার রায়ের দিন ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রাস্তায় দাঁড়িয়ে বা বসে কোনও ধরনের মিছিল করা যাবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেছেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় সব ধরনের ছড়ি বা লাঠি, ছুরি, চাকু বা ধারালো অস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য ও দাহ্য পদার্থ বহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও রাস্তায় দাঁড়িয়ে/বসে কোনও ধরনের মিছিল করা যাবে না মর্মে ঘোষণা করছি। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’ রাজধানী ঢাকার বাসা বাড়ির প্রাঙ্গণে কিংবা ছাদে, সর্বসাধারণের ব্যবহার্য রাস্তা কিংবা উন্মুক্ত স্থান যার চারপাশে সাধারণ মানুষ বসবাস করে এমন স্থানে কোনো অনুষ্ঠান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অনুমতি ছাড়া করা যাবে না। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ওই বার্তায় উল্লেখ করা হয়, অনুমতি ছাড়া রাজধানীর বাসা বাড়ির প্রাঙ্গণে কিংবা ছাদে, সর্বসাধারণের ব্যবহার্য রাস্তা কিংবা উন্মুক্ত স্থান যার চারপাশে সাধারণ মানুষ বসবাস করে এমন স্থানে মাইক্রোফোন, লাউড স্পিকার বা উচ্চ মাত্রার মিউজিক জোরদার করার ব্যবহৃত যন্ত্র বাজিয়ে বা কনসার্ট, সঙ্গীতানুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাসে বিঘ্ন সৃষ্টি করে এরূপ কার্য সম্পাদন করা যাবে না। তাই সাধারণ মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাসে বিঘ্ন সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার জন্য ঢাকা মহানগরীর নাগরিকদের অনুরোধ করা হলো। ডিএমপি কমিশনারের দেওয়া ঘোষণায় বলা হয়, বিচারাধীন একটি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগরীতে কোনও কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে জননিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা বিঘ্নের অপপ্রয়াস চালাতে পারে মর্মে বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য, ইলেকট্র্রনিক, প্রিন্ট ও সোশ্যাল মিডিয়ার সূত্রে জানা যায়। আছাদুজ্জামান মিয়ার ঘোষণায় বলা হয় , যেহেতু ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, সেহেতু আমি মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বিপিএম-বার পিপিএম, পুলিশ কমিশনার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স (অর্ডিন্যান্স নং- III/৭৬) এর ২৮ ও ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ (বৃহস্পতিবার) সকাল চারটা (ভোর রাত) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় সব ধরনের ছড়ি বা লাঠি, ছুরি, চাকু বা ধারালো অস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য ও দাহ্য পদার্থ বহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করছি।
আকাশ আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে
সিলেট বিভাগের দুএক জায়গায় হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসাথে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। আজ রোববার সকাল ৯ টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে একথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারী ধরনের কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। রোববার সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল শতকরা ৯৬ ভাগ। আগামীকাল সোমবার ঢাকায় সূর্যোদয় ভোর ৬ টা ৩৮ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫ টা ৪৭ মিনিটে ।
দেশের কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হতেপারে
অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ শনিবার সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সেইসাথে সিলেট বিভাগের দুএক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। আজ সকাল ৯ টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে একথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পূর্বাভাসে বলা হয়, সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আজ সকাল ৬ টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আগামীকাল ঢাকায় সূর্যোদয় ভোর ৬টা ৩৮ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৪৬ মিনিট ।
সিইউজের নির্বাচন, সভাপতি শ্যামল, সম্পাদক ফেরদৌস
চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে নাজিমউদ্দিন শ্যামল সভাপতি ও হাসান ফেরদৌস সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। গতকাল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণের পর গণনা শেষে রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেমুল হক। জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে নয়টি পদে ২৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ইউনিয়নের মোট ৩৯২ জন ভোটারের মধ্যে ৩৬১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সভাপতি পদে নাজিমউদ্দিন শ্যামল ১৭৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াজ হায়দার চৌধুরী মাত্র ৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। তিনি পেয়েছেন ১৭০ ভোট। অন্যদিকে সিনিয়র সহসভাপতি পদে ১৪৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন একাত্তর টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান মাঈনুদ্দিন দুলাল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দৈনিক পূর্বদেশের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রতিবেদক রতন কাান্তি দেবাশীষ পেয়েছেন ১১৬ ভোট। এছাড়া সহসভাপতি পদে দৈনিক পূর্বকোণের সিনিয়র রিপোর্টার মোহাম্মদ আলী ২১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দৈনিক পূর্বকোণ পত্রিকার সহসম্পাদক আবসার মাহফুজ পেয়েছেন ১২৯ ভোট। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে হাসান ফেরদৌস পেয়েছেন ১৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ম. শামসুল ইসলাম পেয়েছেন ১৬২ ভোট। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক আজাদীর সিনিয়র রিপোর্টার সবুর শুভ ১৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দৈনিক আমাদের সময়ের ব্যুরো প্রধান হামিদ উল্লাহ পেয়েছেন ১২৫ ভোট। এছাড়া অর্থ সম্পাদক পদে বিজয়ী দৈনিক আজাদীর সহ সম্পাদক কাশেম শাহ বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২১৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সৌমেন ধর পেয়েছেন ১০৪ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দৈনিক পূর্বকোণের সিনিয়র রিপোর্টার এসএম ইফতেখারুল ইসলাম ১৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আলোকময় তলাপাত্র পেয়েছেন ১৫১ ভোট। অপরদিকে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন দৈনিক সমকালের স্টাফ রিপোর্টার আহমেদ কুতুব। তিনি পেয়েছেন ১৫৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দৈনিক ভোরের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার প্রীতম দাশ পেয়েছেন ১১৪ ভোট। এছাড়া নির্বাহী সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেন বিডিনিউজটোয়েন্টিফোর. ডটকমের উত্তম সেনগুপ্ত। তিনি পেয়েছেন ১৩৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দৈনিক সমকালের ক্রাইম অ্যান্ড স্পোর্টস রিপোর্টার রুবেল খান পেয়েছেন ১৩৫ ভোট।
তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে
সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়া অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। আজ সকাল ৯ টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ কথা বলা হয়। এতে বলা হয়, দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রাম অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা প্রশমিত হতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারী ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। পরবর্তী ৭২ ঘন্টায় আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, রাত এবং দিনের তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। আজ সকাল ৬ টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৩%। আগামীকালঢাকায় সূর্যোদয় ভোর ৬ টা ৩৯ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫ টা ৪৫ মিনিটে ।