বরিশালে যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় ক্লিংকারবাহী কার্গো ডুবি
১৫ডিসেম্বর,রবিবার,বরিশাল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরিশাল নদীবন্দরের অপরপাড় চরকাউয়া খেয়াঘাট সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় ক্লিংকারবাহী একটি কার্গো ডুবে গেছে। শনিবার রাত সাড়ে দশটার দিকে চরকাউয়া খেয়াঘাট সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, বরগুনা থেকে তিন শতাধিত যাত্রী নিয়ে ছেড়ে আসা শাহরুখ-২ লঞ্চের সাথে চট্টগ্রাম থেকে এ্যাংকর সিমেন্টের ১২০০ মেট্রিক টন ক্লিংকার বহনকারী কার্গো হাজী মো. দুদু মিয়া-১ এর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ফলে ক্লিংকারবাহী এ্যাংকর সিমেন্টের মালিকাধীন কার্গোটি ডুবে যায় এবং লঞ্চের সামনের অংশটি ছিদ্র হয়ে যায়। তাই বিআইডব্লিউটিএ লঞ্চটি নদীর তীরে ভিড়িয়ে যাত্রীদের নামিয়ে যাত্রা বাতিল করে। বিকল্প ব্যবস্থায় কিছু যাত্রী বরগুনা-ঢাকাগামী পূবালী-১ লঞ্চে ঢাকায় পাঠানো হয়। যাত্রীদের অনেকেই ঐসময় ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ জোরে ধাক্কা লাগলে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বিশেষ করে নারী ও শিশু যাত্রীরা কান্না জুড়ে দেয়। তবে লঞ্চ চরকাউয়া খেয়াঘাটে ভিড়ানো হলে যাত্রীরা নিরাপদে তীরে নেমে পড়েন। টার্নিং করার সময় কার্গোটির চালক হঠাৎ ঘুরিয়ে দেয়ায় দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান শাহরুখ-২ লঞ্চের সুপারভাইজর সেলিম হোসেন মারুফ। অপরদিকে এ্যাংকর সিমেন্ট কোম্পানীর জিএম আনসার আলী হাওলাদার বলেন, লঞ্চের ভুলের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে ছুটে আসেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।
টেকনাফে গ্রেপ্তারের পরদিন বন্দুকযুদ্ধে দুই যুবক নিহত
১৪ডিসেম্বর,শনিবার,টেকনাফ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফে উপজেলায় গ্রেপ্তারের পরদিন পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন মো. আমিন প্রকাশ নুর হাফেজ (৩২) ও মো. সোহেল (২৭)। আজ শনিবার ভোরে উপজেলার হ্নীলা রাঙ্গিখালী গাজি পাড়ার পশ্চিম পাহাড়ের পাদদেশে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় ওই দুই যুবক নিহত এবং পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে গতকাল শুক্রবার ভোরে ৮ লাখ ইয়াবা ও ৬টি অস্ত্রসহ ওই দুই যুবকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে Rab। টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, ১৩ ডিসেম্বর ভোর রাতে Rab- 8 লাখ ইয়াবা, ৬টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মো. আমিন প্রকাশ নুর হাফেজ (৩২) মো. সোহেল (২৭), সৈয়দ নুর (২৭), ও সৈয়দ আলম প্রকাশ কালু (৪৫)-এই চারজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, তাদের কাছে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও অস্ত্র সংরক্ষিত আছে। পরে আজ শনিবার ভোরে পুলিশের একটি দল তাদের নিয়ে হ্নীলা রাঙ্গিখালী গাজী পাড়ার পশ্চিম পাহাড়ের পাদদেশে অভিযানে যায়। সেখানে নুর হাফেজ ও সোহেলের লোকজন পুলিশের কাছ থেকে আসামিদের ছিনিয়ে নিতে গুলি ছুঁড়লে আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি চালায়। এ সময় নুর হাফেজ ও সোহেল গুলিবিদ্ধ হয়। এ ছাড়াও পুলিশের পাঁচ সদস্যও আহত হয়। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নুর হাফেজ ও সোহেলকে উদ্ধার করে প্রথমে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে ৬টি দেশীয় অস্ত্র, ৯৫ হাজার পিস ইয়াবা, ১৮ রাউন্ড কার্তুজ ও ১৮টি কার্তুজের খোসা পাওয়া গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার মর্গে রয়েছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
রাজশাহীতে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহীর মৃত্যু
১২ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,রাজশাহী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজশাহীতে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী নগরীর উপকণ্ঠ কাটাখালীর বাংলাট্রাক এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।পরে আহতদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসক সালেহ মাহমুদ রাজি। তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয়েছে। নিহত একজনের নাম পাপুল সে নাটোর বাগাতিপাড়া এলাকার আব্দুল ওহাব ছেলে আর একজনের নাম আব্দুল হাদি।তিনি নাটোরের একই এলাকার কালুর ছেলে। নিহতদের লাশ মর্গে রাখা হয়েছে। কাটাখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আহতদের উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ফেসবুকের মাধ্যমে হারানো মেয়ের খোঁজ পেলেন মা
১০ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেসবুকের কল্যাণে হারানো মেয়ে আরিশাকে খুঁজে পেলেন মা হাসিনা বেগম। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল সোমবার সীতাকুণ্ডের সলিমপুর এলাকায়। মা হাসিনা আক্তার ঘর থেকে বের হয়ে রেললাইনের পাশে একটি ক্ষেতে ছাগল নিয়ে যান। সঙ্গে যায় মেয়ে আরিশাও। মা মেয়েকে বসিয়ে ঘরে যান। ফিরে এসে দেখেন মেয়ে নেই। মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা বিভিন্ন দিকে খুঁজতে থাকেন মেয়েকে। কোনও জায়গায় খুঁজে না পেয়ে মা ও পরিবারের সদস্যরা কান্নাকাটি করতে থাকেন। তখন তারা পাশে ফৌজদার পুলিশ ফাঁড়িতে আশ্রয় নেন। পুলিশও শিশু আরিশাকে খুঁজতে থাকেন। বেলা তখন তিনটা। পাশের বাড়ির এক লোক এসে শিশু আরিশার মাকে বলেন আরিশার ছবি ফেইসবুকে দেখা গেছে। তখন তারা দ্রুত ফেসবুকে ছবি পোস্টকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ছবি পোস্টকারী জুয়েল বলেন, রেল লাইনের পাশে একটি মেয়েকে বসে কাঁদতে দেখে তিনি মেয়েটির কাছে যান। তখন সঙ্গে সঙ্গে তিনি মেয়েটির একটি ছবি ফেইসবুকে পোস্ট দেন। পোস্ট দেওয়ার প্রায় পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা পর এক লোক আমার সঙ্গে ফেইসবুকে যোগাযোগ করেন। পরে স্থানীয় মেম্বার ও ফৌজদার হাট পুলিশের উপস্থিতে শিশু আরিশাকে তার মায়ের কাছে তুলে দেওয়া হয়। শিশু আরিশার মা হাসিনা বেগম বলেন, যখন আরিশাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না, তখন আমার কাছে মনে হয়েছিল আরিশাকে কেউ না কেউ তুলে নিয়ে গেছে। মেয়েকে পেয়ে তিনি ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া জুয়েলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
রংপুরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও ২ সন্তানকে গলা কেটে হত্যা
০৮ডিসেম্বর,রবিবার,রংপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রংপুরে ২ সন্তানসহ অন্তঃসত্ত্বা নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৮ ডিসেম্বর) রংপুর জেলার বোতলা বাজার এলাকায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ওই নারীর স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সূত্রে জানা যায়, তিন বছরের ছেলে ও এক বছরের মেয়েসহ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে আব্দুর রাজ্জাক নামে ওই ব্যক্তি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পারিবারিক কলহের জেরে এটা হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়া পুলিশের ধারণা আব্দুর রাজ্জাক মাদকাসক্ত। তাকে আটক করে চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বারান্দায় মা, ঘরে ভগ্নিপতি, পুকুরে ভাইয়ের লাশ
০৭ডিসেম্বর,শনিবার,আজাদ,বরিশাল,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরিশালের বানারীপাড়ায় কুয়েত প্রবাসী হাফেজ আব্দুর রবের বাড়ি থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ঘরের বারান্দায় তার মা, অন্য ঘরে ভগ্নিপতি এবং পুকুরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার খালাতো ভাইয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে উপজেলার সলিয়াবাকপুর গ্রাম থেকে নিহতদের লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন- কুয়েত প্রবাসী হাফেজ আব্দুর রবের বৃদ্ধ মা মারিয়াম বেগম (৭০), ভগ্নিপতি মো. সফিকুল আলম (৭৫) ও খালাতো ভাই মো. ইউসুফ (১৮)। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিশির কুমার পাল জানান, কুয়েতের একটি মসজিদের ইমাম হাফেজ আব্দুর রবের বৃদ্ধ মা মরিয়মসহ ওই তিনজন রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। শুক্রবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা প্রবাসীর একতলা বাড়িতে ঢুকে তাদের হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে যায়। পরে ঘরের বেলকনি থেকে আব্দুর রবের বৃদ্ধ মায়ের মরদেহ এবং একটি কক্ষ থেকে তার ভগ্নিপতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া রবের খালাতো ভাইয়ের মরদেহ হাত-পা বাঁধা অবস্থায় বাড়ির পিছনের পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ওসি বলেন, ওই বাড়ির সব ঘরের দরজা জানালা বন্ধ ছিল, শুধু ছাদের দরজা খোলা পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা আগে থেকেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর তারা ছাদ দিয়ে পালিয়ে গেছেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন,কোনো লাশের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি। এটা কোনো ডাকাতির ঘটনা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবেই দেখা হচ্ছে। রাতে ওই বাড়িতে সাতজন ছিলেন জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, মরিয়মের সঙ্গে তার কলেজ পড়ুয়া এক নাতনি ঘুমিয়েছিলেন। রাতে তার ঘুম ভাঙলে দাদিকে পাশে না দেখে খুঁজতে গিয়ে অন্য ঘরের বারান্দায় তাকে পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তিনি পরিবারের অন্য সদস্যদের বিষয়টি জানান। পরিবারের সদস্যরা অন্য ঘরে সফিকুলের লাশ পান। এ ছাড়া বাড়ির পাশের পুকুরে পানির মধ্যে ইউসুফের লাশ পাওয়া যায়। জমিজমার বিরোধ বা পারিবারিক কোনো বিরোধে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর কীভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে তা বোঝা যাবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
৭ ডিসেম্বর মাগুরা মুক্ত দিবস
০৭ডিসেম্বর,শনিবার,মাগুরা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ ৭ ডিসেম্বর মাগুরা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে মাগুরা পাক হানাদার মুক্ত হয়। ৮ নং সেক্টরের অধীনে মাগুরা জেলার প্রায় ২৫০০ মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। মুক্তিযোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষের দাবি স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলো চিহ্নিতকরণের। ২৩ এপ্রিল পাক বাহিনী মাগুরা জেলায় প্রবেশ করে ভকেশনাল, পিটিআই, মাইক্রোওয়েভ কেন্দ্রে ক্যাম্প স্থাপন করে হানাদার বাহিনী। পাক অফিসাররা নোমানি ময়দানের বর্তমান পানি ভবনের বাংলোয় অবস্থান নেয়। পাক বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের ধরে মাগুরা পিটিআই ও টিঅ্যান্ডটি অফিসে আটকে রেখে নির্যাতন করেছে। পিটিআই স্কুল মাঠ, ক্যানাল, ঢাকারোড় ব্রিজ আড়পাড়া ব্রিজ ঘাটে মুক্তিযোদ্ধাদের গুলি করে ফেলে রাখতো তারা। এছাড়া কামান্নায় পাক বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে ২৭ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। পরবর্তীতে তালখড়ি ও ৩ নম্বর ব্রিজের কাছে গণকবরের সন্ধান পাওয়া যায়। ৯ মাসের যুদ্ধ চলাকালে ৬ ডিসেম্বর মাগুরার সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন মিয়ার নেতৃত্বে শ্রীপুরের আকবর বাহিনী, মহম্মদপুরের ইয়াকুব বাহিনী, মাগুরা শহরের খন্দকার মাজেদ বাহিনী এবং মুজিব বাহিনীর সম্মলিত ভাবে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। প্রবল প্রতিরোধের মুখে পাক বাহিনী ৭ তারিখ সকাল থেকেই মাগুরা ছেড়ে ফরিদপুরের দিকে পালিয়ে যেতে শুরু করে। এ সময় তারা অসংখ্য ঘরবাড়ির উপর যুদ্ধ বিমান থেকে বোমা ফেলে এবং তাদের গুলিতে বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত ও বহু মানুষের ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মুক্তযোদ্ধারা সকাল থেকেই নোমানী ময়দানে হাজির হতে থাকেন। এবং পতাকা উড়িয়ে ও গুলি ছুড়ে বিজয় উল্লাস প্রকাশ করেন। মাগুরা শত্রুমুক্ত হয়। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পেরিয়ে গেলেও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলো সংরক্ষণ ও চিহ্নিতকরণ না হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। এছাড়া ১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা দিবস ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতির ও ভাতার দাবি জানান মুক্তিযোদ্ধারা। তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়নের পাশাপাশি চেতনা বাস্তবায়নে প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানালেন মাগুরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এস এম আব্দুর রহমান। এবারের মুক্ত দিবস উপলক্ষে শহরের নোমানী ময়দানে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী স্মৃতি চারণ, আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলা, প্রদিপ প্রজ্জ্বলন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
অস্ত্র ও ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক
০৫ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,হাতিয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালী দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া থেকে এক শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে ইয়াবা, অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করেছে কোস্টগার্ড।গতকাল বুধবার গভীর রাতে উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের বুড়িরদোনা ঘাট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তির নাম গুল আজাদ। তিনি হাতিয়া পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মীদিয়া গ্রামের মো. ইয়াছিনের ছেলে।তার কাছ থেকে ৭২ পিস ইয়াবা, একটি শটগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে ৭২ পিস ইয়াবা, একটি শটগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। হাতিয়া কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার লে. মেহেদী হাসান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গুল আজাদ বুড়িরদোনা ঘাটে তার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিল। সে অনুযায়ী কোস্টগার্ড সদস্যরা বুধবার রাতে বাড়িটি ঘেরাও করে ফেলে। পরে গভীর রাতে তাকে আটক করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাকে হাতিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়। আজাদ হাতিয়ার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। এ ব্যাপারে কোস্টগার্ড বাদী হয়ে অস্ত্র ও মাদক আইনে আজাদকে আসামি করে হাতিয়া থানায় একটি মামলা করেছে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর