ভোলায় সাংবাদিক নির্যাতনকারী চেয়ারম্যানের ছেলে নাবিল গ্রেফতার
0১এপ্রিল,বুধবার,ভোলা প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় সাংবাদিক সাগর চৌধুরীকে নির্যাতন ও এই নির্যাতনের ঘটনা ফেসবুকে লাইভ করার ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও স্থানীয় বড় মানিকা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন হায়দারের ছেলে নাবিল হায়দারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে তার বিরুদ্ধে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলা হয়। সাংবাদিকের ওপর এমন বর্বর হামলার ঘটনায় ন্যায়বিচার দাবি করেছে সচেতন মহল। আজ বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে বোরহানউদ্দিনের উপজেলা সড়ক এলাকার বাসা থেকে নাবিলকে গ্রেফতার করা হয়। লালমোহন সার্কেলের এডিশনাল পুলিশ সুপার রাসেলুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। এদিকে বোরহানউদ্দিন থানার ওসি এনামুল হক জানান, সাগর চৌধুরী বাদী হয়ে তাকে নির্যাতনের ঘটনায় মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় নাবিল হায়দারকে এক নম্বর এবং অজ্ঞাত পাঁচ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন।এর আগে হামলার ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর মঙ্গলবার বিকাল থেকে বার বার ফোন করেও নাবিল ও তার বাবার কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বশির গাজী জানান, বড় মানিকা ইউনিয়নে জেলেদের চাল কম দেওয়া হচ্ছে-এরকম অভিযোগে জেলেদের বক্তব্যসহ একটি ভিডিও সোমবার সাগর আমাকে দেখায়। আমি তখনই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সচিবকে ফোন করে জানতে চাই। এঘটনায় সাংবাদিককে মারধর, নির্যাতন এটা ঠিক নয়, অন্যায়। এর বিচার প্রত্যাশা করি। ভোলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও দৈনিক আজকের ভোলা সম্পাদক শওকাত হোসেন এবং বাংলাদেশ অনলাইন এডিটরস কাউন্সিল এর সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এ ঘটনার নিন্দা জানান এবং এই ঘটনার বিচার দাবি করেন।
কারাগারে পাপিয়া জ্বরে আক্রান্ত ,করোনা পরীক্ষায় রেজাল্ট নেগেটিভ
0১এপ্রিল,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: রিমান্ডে থাকা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামিমা নূর পাপিয়া জ্বরে আক্রান্ত হওয়াতে রিমান্ড শেষ না করেই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে RAB করোনা সন্দেহে পাপিয়ার করোনা টেস্ট করিয়েছে। ফলাফল নেগেটিভ আসে। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। RAB জানিয়েছে, আপাতত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না। তবে সুস্থ হওয়ার পর পরিস্থিতি বিবেচনা করে ফের তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। RAB সূত্র জানিয়েছে, ১১ মার্চ দ্বিতীয় দফায় পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরীকে (মতি সুমন) তিন মামলায় ৫ দিন করে ১৫ দিন হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পান তারা। এরই প্রেক্ষিতে RAB হেফাজতে এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিলো। কিন্তু রিমান্ডের তৃতীয় দিন থেকে তার শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। পরে প্রাথমিক চিকিৎসার পাশাপাশি তার করোনা পরীক্ষা করা হয়।মানবজমিন। করোনা পরীক্ষায় রেজাল্ট নেগেটিভ আসায় তাকে কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। RAB-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাফি উল্লাহ বুলবুল বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাপিয়াকে আমাদের হেফাজতে এনেছিলাম। জিজ্ঞাসাবাদের তিন দিনের মাথায় তার জ্বর, হাচি, কাশি শুরু হয়। করোনা সন্দেহ করে আমরা তার টেস্ট করিয়েছিলাম। ফলাফল নেগেটিভ আসে। তাকে আদালতের মাধ্যমে ৭/৮ দিন আগে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সে সুস্থ হওয়ার পর আবার জিজ্ঞাসাবাদ করবো। আদালতের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পাপিয়াকে কারাগারে পাঠানোর জন্য RAB এর পক্ষ থেকে আবেদন করা করা হয়েছিল। বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। এখন পাপিয়া কাশিমপুর কারাগারে আছে।
খাগড়াছড়িতে নতুন করে হাম রোগে আক্রান্ত ১৩ শিশু
0১ এপ্রিল,বুধবার,খাগড়াছড়ি প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: খাগড়াছড়িতে নতুন করে হাম রোগে আক্রান্ত হয়েছে আরো ১৩ শিশু। এদের মধ্যে মঙ্গলবার বিকেলে ৬ জনকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকী ৭ শিশুকে আক্রান্ত এলাকায় চিকিৎসা দেয় সেনাবাহিনীর মেডিকেল টিম।আক্রান্ত এই শিশুদের বয়স ৬ থেকে ১৩ বয়স। তারা দীঘিনালা উপজেলার রথীচন্দ্র কার্বারী পাড়ার বাসিন্দা। এই পাড়ায় মঙ্গলবার মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন। এর আগে রোববার হাম আক্রান্ত রথীচন্দ্র কার্বারী পাড়ার শিশু ধনিকা ত্রিপুরার মৃত্যু হয়। দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তনয় তালকুদার জানান, এই এলাকার শিশুদের হামের টিকা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। দু'একদিনের মধ্যে টিকার কাজ শুরু হবে। সাজেকের তিনটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকার ৯ ত্রিপুরা শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু সরকারের সংশ্লিষ্ট কোনো সংস্থার কার্যকর ও সময়োপযোগী উদ্যোগ দেখা যায়নি। দুর্গম ও প্রায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এসব এলাকায় চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার জন্য বেসামরিক কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানোর পর গত ২৪ মার্চ সামরিক ও বেসামরিক চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি চিকিৎসকদলকে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে শিয়ালদহ এলাকায় পাঠায় সেনাবাহিনী। তারা ২৪ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ১৭১ শিশুসহ মোট ২০২ জন রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছে, মানবিক সহায়তাও দিয়েছে।গত সোমবার হামের লক্ষণযুক্ত ২০ শিশুকে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। রোববারও একজনকে ভর্তি করা হয়। মোট ২১ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
শরীয়তপুরে আইসোলেশনে যুবকের মৃত্যু
0১ এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে আইসোলেশনে থাকা এক যুবকের (৩৪)মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রাত ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তার বাড়ি নড়িয়া উপপজেলায়। তিনি পেশায় শ্রমিক ছিলেন। শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও কাশি থাকায় ওই যুবককে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। রাত ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মানবজমিন । এর আগে ১৯শে মার্চ কাশি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। পরীক্ষায় তার যক্ষ্মা ধরা পড়ায় তাকে চিকিৎসা দেয়া হয়। চিকিৎসা শেষে ২৩শে মার্চ তিনি সদর হাসপাতাল থেকে বাড়িতে চলে যান। শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুনির আহমেদ খান বলেন, শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে আসেন। শারীরিক অবস্থা খারাপ ছিল তার। শ্বাসকষ্ট থাকায় তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছিল। চিকিৎসা দেয়া অবস্থায় তিনি মারা যান। শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন ডা. এস.এম. আবদুল্লাহ আল মুরাদ বলেন, ওই ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর-এ পাঠানো হবে। আইইডিসিআর থেকে ফলাফল পেতে দুই দিন সময় লাগতে পারে। তার পরিবার যে জায়গায় দাফন করতে চায়, স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে সেখানেই ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মীরা লাশ দাফন করে আসবেন। এদিকে ওই ব্যক্তির আশপপাশের পাঁচটি বাড়ি লকডাউন করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ব্যাপারে নড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ওই যুবক নড়িয়া উপজেলার মোক্তারের চর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্র একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তিনি একজন শ্রমিক। দীর্ঘদিন যাবত যক্ষ্ম রোগে ভুগছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় তার বাড়ির আশপাশের পাঁচটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
প্রবাসীর বাড়িতে বাজার নিয়ে হাজির পুলিশ
২৭মার্চ,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব হতে সৃষ্ট মহামারির ঝুঁকি মোকাবিলায় পটুয়াখালীতে বিদেশ ফেরত হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ইতালি প্রবাসীর ফোন পেয়ে বাসায় নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার নিয়ে বাসায় হাজির হলো পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে শহরের কলেজ রোড এলাকার ইতালি প্রবাসীর বাসায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, পানি এবং ফল পৌঁছে দেয় সদর থানা পুলিশের সদস্যরা। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম । পুলিশ সদস্যদের হাতে বাজারের ব্যাগে ইতালি প্রবাসীর বাসায় পেঁয়াজ, রসুন, আলু, ডাল, আঙ্গুর, আপেল, মাল্টা, খাবার পানি ছিলো। ইতিমধ্যে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান ইতালি প্রবাসীর বরাত দিয়ে বলেন, সদর থানার সরকারি নাম্বারে সকালে এক ইতালি প্রবাসী জানান, চারদিন হলো সে দেশে এসেছি। হোম কোয়ারেন্টাইনে আছি। তার বাসায় খাবার সংকট দেখা দিয়েছে। সে সচেতন তাই দেশে ফিরে চারদিন ধরে হোম কোয়ারেন্টাইন মানছে। তিনি আরও বলেন, এর আগে তিনি গণমাধ্যম ও সোস্যাল মিডিয়ায় দেখেছেন, হোম কোয়ারান্টাইনে থাকা নাগরিকদের সেবায় সার্বক্ষণিক পুলিশ সদস্যরা নিয়োজিত আছে এবং বাসার খাবার সংকট দেখা দিলে পুলিশ তাদের খাবার পৌঁছে দিচ্ছে। এছাড়াও যেহেতু সে উন্নত বিশ্বে থেকে এসেছে, বাংলাদেশে উন্নত বিশ্বের মতো ইকুইপমেন্ট নেই। তাই সে থানায় কল দিয়ে বিষয়টি জানানোর পরে তার খাদ্যদ্রব্যের লিষ্ট মোতাবেক বাজার থেকে খাদ্য ক্রয় করে তার বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
অভাব-অনটনের কারণে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা
২৬মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের মোল্লাকান্দি বালুচর গ্রামে মো. সোহরাব হোসেন (২৫) নামের এক ব্যাক্তি ঘরের আড়ার সাথে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তার স্ত্রী নিলুফা বেগম, সে এক ছেলে এক মেয়ের জনক। পুলিশ ও স্বজনদের থেকে জানা যায়, প্রায় দুই বছর যাবত সে মোল্লাকান্দি গ্রামের আজিজ মুন্সীর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। বেশ কিছুদিন যাবত অভাব-অনটনে ভুগছিলো পরিবারটি। ২৫ মার্চ বুধবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকায় গলায় ওড়না প্যাঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। তাকে ঝুলতে দেখে তার স্ত্রী চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে লাশ নিচে নামায়। খবর নয়াদিগন্ত । সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, সোহরাবের স্ত্রী ও ভাইয়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদেরকে লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। লাশের সুরতহাল করা হয়েছে। এ বিষয় তাদের কোনো অভিযোগ নাই। একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
তিন লাখ টাকা না দেয়াতেই থানায় শানুকে নির্যাতন করে হত্যা!
২৬মার্চ,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:তিন লাখ টাকা না দেয়াতেই বরগুনার আমতলী থানায় হত্যা মামলার সন্দেহভাজন শানু হাওলাদারকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে ওই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রির কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, থানার ওসি আবুল বাশার ও পরিদর্শক (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রির দাবিকৃত তিন লাখ টাকা না দেয়ায় শানুকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় আমতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রি ও ডিউটি অফিসার এএসআই আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। জানা গেছে, উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের পশ্চিম কলাগাছিয়া গ্রামে গত বছর ৩ নভেম্বরে ইব্রাহিম নামের একজন কৃষককে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ওই হত্যা মামলায় শানু হাওলাদারের সৎ ভাই মিজানুর রহমান হাওলাদার এজাহারভুক্ত আসামি। ওই মামলায় শানু হাওলাদারকে সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে আমতলী থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, শানুকে আটকের তার পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকা দাবি করেন আমতলী থানার ওসি আবুল বাশার ও পরিদর্শক (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রি। টাকা না পেয়ে শানু হাওলাদারকে থানা হাজতে রেখে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন করে। পরে নিহতের ছেলে সাকিব হোসেন মঙ্গলবার ওসি আবুল বাশারকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে আসে। কিন্তু তাতে তিনি তুষ্ট হননি। বুধবার পরিবারের লোকজন শানু হাওলাদারের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে পুলিশ দেখা করতে দেয়নি। এদিকে ওসি আবুল বাশার দাবি করেন, বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে শানু ওয়াস রুমে যাওয়ার কথা বললে পুলিশ তাকে ওয়াশ রুমে নিয়ে যায়। পরে এক ফাঁকে শানু হাওলাদার পরিদর্শক (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রির কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। হাজতখানায় কোনো ফ্যান নেই সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি পূর্বের কথা পাল্টে বলেন, পরিদর্শক (তদন্ত) মনোরঞ্জনের কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। টাকা না দেয়ায় তাকে নির্যাতন করে হত্যা করেছেন এমন প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান ওসি। এদিকে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য চেষ্টা করছে পুলিশ। তারা নিহত স্বজনের পরিবার ও সংবাদ কর্মীদের থানার ভিতরে প্রবেশ করতে বাঁধা এবং থানা ফটকে তালা লাগিয়ে দেয়। পরে নিহতের স্বজনরা থানা ফটকের সামনে আহাজারি করে। আধা ঘণ্টা পরে পুলিশ ফটক খুলে দেয়। খবর পেয়ে বরগুনা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন পিপিএম আমতলী থানা আসেন। ঘটনা তদন্তে জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মো. তোফায়েল আহম্মেদকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বরগুনা সদর) মোঃ মহব্বত আলী ও সহকারী পুলিশ সুপার (আমতলী-তালতলী সার্কেল) সৈয়দ রবিউল ইসলাম। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা জেলার সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান ও আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শঙ্কর প্রসাদ অধিকারী নিহত শানু হাওলাদারের সুরাতহাল করেন। এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার দায়ে তাৎক্ষনিক বরগুনা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন আমতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রি ও ডিউটি অফিসার এএসআই আরিফুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন। নিহত শানু হাওলাদারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। নিহত শানু হাওলাদারের ছেলে সাকিব হোসেন বলেন, বিনা অপরাধে আমার বাবাকে ওসি ধরে এনে তিন লাখ টাকা দাবি করেন। আমি ওসির দাবিকৃত ঘুষের টাকা দিতে অস্বীকার করায় আমার বাবাকে নির্যাতন করেছে। বাবার নির্যাতন সইতে না পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে আমি ওসিকে ১০ হাজার টাকা দিই। কিন্তু ১০ হাজার টাকায় ওসি তুষ্ট হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘বুধবার সকালে আমি বাবার সঙ্গে দেখা করতে থানায় আসি কিন্তু আমাকে দেখা করতে না দিয়ে ওসি আবুল বাশার ও পরিদর্শক (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রি গালাগাল করে তাড়িয়ে দেয়। সারা দিনে আমাকে বাবার সঙ্গে দেখা করতে দেয়নি। ওসি বলেন টাকা নিয়ে আস তারপর দেখা করতে দেব।’ নিহত শানু হাওলাদারের শ্যালক রাকিবুল ইসলাম বলেন, দুলাভাইকে ধরে আনার পর থেকে আমি থানায় প্রাঙ্গণে ছিলাম। পুলিশ তাকে টাকার জন্য বেধরক মারধর করেছে। তার চিৎকার শুনেছি। বহুবার চেষ্টা করেছি তার সঙ্গে দেখা করতে কিন্তু পুলিশ দেয়া করতে দেয়নি। উল্টো আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছে। নিহত শানু হাওলাদারের স্ত্রী মোসা. ঝরনা বেগম বলেন, ৫ জন পুলিশ সোমবার রাতে আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। নেয়ার সময় আমার কাছে টাকা চায়। আমি টাকা দেতে রাজি না হওয়ায় আমার স্বামীকে পুলিশে পিটিয়ে মেরেছে। গুলিশালালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. নুরুল ইসলাম বলেন, শানু হাওলাদারকে বাড়ি থেকে ধরে এনে নির্যাতন করেছে। আত্মহত্যার ঘটনা পুলিশের সাজানো। আমতলী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান বলেন, থানার ওসি মো. আবুল বাশার টাকা না পেয়ে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচার দাবি করছি। আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান বলেন, পুলিশ পরিকল্পিতভাবে শানুকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। এ ঘটনার বিচার দাবি করছি। আমতলী থানার ওসি মো. আবুল বাশার বলেন, আসামী শানু হাওলাদার বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৬ টার দিকে ওয়াশ রুমে যাওয়ার জন্য বলে। সে ওয়াশ রুম থেকে ফিরে এসে এক ফাঁকে হাজতখানার ফ্যানের সাথে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শঙ্কর প্রসাদ অধিকারী বলেন, নিহত শানু হাওলাদারের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছ। তবে ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে না। এ ঘটনার তদন্তকারী দলের প্রধান বরগুনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন ও অপরাধ মো. তোফায়েল আহম্মেদ বলেন, দায়িত্ব অবহেলার দায়ে পরিদর্শক (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রি ও ডিউটি অফিসার এএসআই মো. আরিফুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন পিপিএম বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। পুলিশ টাকা না পেয়ে নির্যাতন করে হত্যা করেছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি আরও বলেন,অপরাধী যেই হোক নিরপেক্ষ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।খবর যুগান্তর অনলাইন ।
সাংবাদিককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে জেল-জরিমানার ঘটনায় ডিসি সহ চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামল
২৬মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:সাংবাদিককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে জেল-জরিমানার ঘটনায় ওএসডি হওয়া কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোছা. সুলতানা পারভীনসহ চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। এছাড়াও তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বৃহস্পতিবার বলেন, ডিসিসহ চারজনকে জনপ্রশাসনে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়েছে। ওএসডি থাকাকালে তাদের বেতন বন্ধ থাকে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। ওখান (কুড়িগ্রাম) থেকেও একটি মামলা হবে। ফরহাদ হোসেন বলেন, জামালপুরের জেলা প্রশাসকের (নারী কেলেঙ্কারির ঘটনা) মতো এরপর তাদের শুনানির সম্মুখীন হতে হবে। দোষের মাত্রা ও সার্ভিস রুলস অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, গত ২৩ মার্চ চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। গত ১৩ মার্চ মধ্যরাতে কুড়িগ্রামের সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে বাড়ির দরজা ভেঙে তুলে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক বছরের জেল দেওয়ার ঘটনায় ১৫ মার্চ ডিসি সুলতানা পারভীনসহ চারজনকে জনপ্রশাসনে ওএসডি করা হয়। অপর তিন কর্মকর্তা হলেন- সহকারী সচিব নাজিম উদ্দিন, রিন্টু বিকাশ চাকমা ও এস এম রাহাতুল ইসলাম। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, শুনানি শেষে তাদের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নাজিমুদ্দিনসহ দুই-তিন জনের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমাদের তদন্ত শেষে দুদককেও বলবো তাদের দুর্নীতি তদন্ত করার জন্য। তিনি বলেন, নাজিম উদ্দিন উখিয়াতেও ঝামেলা করেছিল। একজন ছোট অফিসার জয়েন করে কোটি টাকা কামাই করেছে, এটা মানা যায় না। তাদের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা থাকবে। এটা উদাহরণ হবে সবার জন্য। তাদেরকে শাস্তি দিয়ে অন্যকে শেখানো যে দুর্নীতিকে এই সরকার টলারেন্স করবে না। আমরা জনমুখী ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়বো, যোগ করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রী। সূত্র: বাংলা নিউজ।
বান্দরবানের তিন উপজেলা লকডাউন
২৫মার্চ,বুধবার,আব্দুল আল নোমান,বান্দরবান,নিউজ একাত্তর ডট কম: বান্দরবানের লামা, নাইক্ষ্যংছড়ি ও আলীকদমসহ তিন উপজেলায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সতর্কতা হিসেবে এই পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শামীম হোসেন। তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী জেলা কক্সবাজারে করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হওয়ায় সতর্কতার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। লকডাউনের আওতায়, এই তিন উপজেলার বাসিন্দাদের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। সাথে অন্য উপজেলা থেকেও মানুষজন এই উপজেলায় যাতায়াত করতে পারবে না। হোসেন বলেন, আপাতত এই তিন উপজেলা ঝুঁকির মুখে রয়েছে বলে আমরা মনে করছি। যার কারণে এই এই সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, এই তিন উপজেলা থেকে কক্সবাজার প্রতিদিনই অনেক মানুষ যাওয়া-আসা করে। তাদের মাধ্যমে যাতে কোন সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে এই তিনটি উপজেলা ছাড়া আর কোন উপজেলায় এখনো লকডাউন করা হয়নি। প্রয়োজন হলে এ বিষয়ক কমিটির সাথে আলোচনা করে পরবর্তী নির্দেশনা জানানো হবে বলেও জানান তিনি। লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর-এ-জান্নাত রুমি জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে লকডাউন শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত লকডাউনের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে প্রতিদিন প্রচুর মানুষ যাতায়াত করে। তাদের মাধ্যমে যাতে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে না পরে তার জন্য সতর্কতার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন জানান, কক্সবাজারে এ পর্যন্ত এক জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। ওই ব্যক্তি ও তার দুই ছেলের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। এছাড়া চকোরিয়ার খুটাখালি এলাকায় থাকা তাদের গ্রামের বাড়ি ও এর আশপাশের এলাকা লকডাউনে রয়েছে। তবে আলাদা করে কোন উপজেলায় লকডাউন করা হয়নি বলেও জানান মিস্টার হোসেন। এদিকে, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় লকডাউনের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল আলম যদিও এটাকে লকডাউন বলতে চাচ্ছেন না। তিনি বলছেন, সতর্কতার অংশ হিসেবে তিনি হাট-বাজার বন্ধ করেছেন, লোক সমাগম নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং উপজেলার প্রবেশপথ দিয়ে যে যানবাহন আসছে সেগুলো জীবাণুমুক্ত করার পদক্ষেপ নিয়েছেন। এই উপজেলায় ক্ষুদ্র ঋণ পরিচালনাকারী এনজিওগুলোকে তাদের কিস্তি সংগ্রহ কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর আগে গত ১৯শে মার্চ করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বাংলাদেশের প্রথম জায়গা হিসেবে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলাকে লকডাউন করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, ওই উপজেলায় সম্প্রতি ৬৩৯ মানুষ ইটালি, গ্রিস, স্পেন কিংবা জার্মানি থেকে এসেছেন বলে এই সিদ্ধান্ত নেয় তারা। রাজধানী ঢাকার মিরপুরের টোলারবাগ এলাকায় এক ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর সীমিত আকারে ওই এলাকা লকডাউন করা হয়েছে। ওই ব্যক্তি যে ভবনে থাকতেন তার আশেপাশের এলাকায় যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সীমিত করা হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলও। এছাড়া ঢাকার পুরনো অংশে ঢাকেশ্বরী মন্দির এলাকাতেও সম্প্রতি নোটিশ দিয়ে লকডাউন করা হয়।

সারা দেশ পাতার আরো খবর