কক্সবাজারে করোনায় ১১ রোহিঙ্গার মৃত্যু, আক্রান্ত ৫০১
২০,এপ্রিল,মঙ্গলবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের ৩৪টি শিবিরের বিভিন্ন ক্যাম্পে এখন পর্যন্ত ৫০১ জন রোহিঙ্গা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছেন ১১ জন। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের স্বাস্থ্য সমন্বয়ক ডা. আবু মোহাম্মদ এইচ তোহা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ডা. আবু মোহাম্মদ এইচ তোহা বলেন, সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলো ক্যাম্পে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবুও এর মধ্যে ৫০১ জন রোহিঙ্গা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। গত রবিবার (১৮ এপ্রিল) পর্যন্ত করোনায় মারা গেছে ১১ জন রোহিঙ্গা। যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের দ্রুত আইসোলেশনে নেওয়া হচ্ছে। এদিকে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজারের বেশি। মারা গেছে ৮৮ জন। রোহিঙ্গাসহ আক্রান্তরা বিভিন্ন স্থায়ী-অস্থায়ী আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবের তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার পর্যন্ত জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার ৫২৪ জন ছিল। যার মধ্যে সদর উপজেলায় শনাক্ত ৩ হাজার ৭১০ জন। এই বিষয়ে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. অনুপম বড়ুয়া বলেন, কক্সবাজার জেলায় আক্রান্তের তুলনায় মৃত্যুর হার ১.১৯ শতাংশ। তবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে সংক্রমণ ঠেকানোর। জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, আবারো করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। কই সঙ্গে সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে লকডাউন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
জয়পুরহাটে করোনা প্রতিরোধে সমন্বয় সভা
১৯,এপ্রিল,সোমবার,জয়পুরহাট প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি ও দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় জয়পুরহাটে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জাতীয় সংসদের হুইপ ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন স্বাস্থ্য বিভাগ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেন। রোববার বেলা ১২ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমন্বয় সভায় জেলা প্রশাসক শরীফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মাসুম আহাম্মদ ভূঞা, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান রকেট, সিভিল সার্জন ডাঃ মো. ওয়াজেদ আলীসহ জেলার সকল পৌর মেয়র, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় চলমান লকডাউনে জনসাধারণকে সরকারী নির্দেশনা মানাতে বিভিন্ন পদক্ষে গ্রহণ, করোনায় আক্রান্ত ব্যাক্তিদের নির্ধারিত স্থানে কোয়ারেন্টাইন ও আইসেলেশন ব্যবস্থা, করোনাকালীন কর্মহীনদের সরকারী ও বেসরকারী সহায়তা প্রদান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রত্যয়নপত্র নিয়ে ধান কাটতে যাচ্ছেন ২০ হাজার শ্রমিক
১৮,এপ্রিল,রবিবার,রাজশাহী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। এতে যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে এর মধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বোর ধান পাকায় তা কাটার উপযোগী হয়েছে। ধান কাটতে শ্রমিক সংকট যেন না হয় সেজন্য রাজশাহীর বাঘা উপজেলা কৃষি অফিসারের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র নিয়ে ধান কাটতে এলাকা ছাড়ছেন প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক। চলতি সপ্তাহ থেকে গ্রুপ ধরে শ্রমিকরা এলাকার বাইরে ধান কাটতে যাওয়া শুরু করেছেন। সংশ্লিষ্টরা জানায়, গত মৌসুমেও ১৫-২০ জনের সমন্বয়ে এক একটি গ্রুপ গঠিত হয়। এভাবে গেল বছর প্রায় ২২ হাজার শ্রমিক ধান কাটতে বাইরে গিয়েছিলেন। চলতি মৌসুমেও ২০ হাজার শ্রমিক পর্যায়ক্রমে ধান কাটতে যাওয়ার জন্য এলাকা ছাড়তে শুরু করেছেন। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, ৬ হাজার শ্রমিক এরইমধ্যে আবেদন করে প্রত্যয়নপত্র নিয়েছেন। এসব শ্রমিকরা ধান কাটতে নাটোর, নওগাঁ, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় যাচ্ছেন। শ্রমিকরা ভটভটিসহ বিভিন্ন যানবাহনে চড়ে যাচ্ছেন নিজ নিজ কর্মস্থলে। উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, ধান উৎপাদিত এলাকায় প্রতিবছর এ সময় শ্রমিক সঙ্কট দেখা দেয়। এর সমাধানকল্পে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাসের মধ্যে প্রত্যয়নপত্র দিয়ে শ্রমিক পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। সেই ক্ষেত্রে উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও আমার যৌথ স্বাক্ষরে প্রত্যয়নপত্র (অনুমতি) দেয়া হচ্ছে। তবে এর মধ্যে কেউ যদি করোনা আক্রান্ত এলাকা থেকে নিজ এলাকায় ফিরে আসে, তাদের নমুনা পরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাপিয়া সুলতানা বলেন, সরকার নির্দেশিত ১৩ বিধিমালার মধ্যে একটি বিধি রয়েছে বাইরে শ্রমিকদের কর্মে যাওয়ার বিষয়ে। বর্তমানে মন্ত্রণালয় থেকে নতুন কোনো নির্দেশনা আসেনি। তাই পূর্বের নির্দেশনা অনুযায়ী শ্রমিকদের কাজে যাওয়ার প্রত্যয়ন ও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এমনকি শ্রমিকবাহী গাড়ির চালকদেরও এ প্রত্যয়ন দেয়া হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে গৃহবধূ আকলিমাকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৯
১৭,এপ্রিল,শনিবার,বাউফল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের দুই ইউপি সদস্যদের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনায় নির্মম নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ আকলিমা। এই ঘটনায় শাকিল ডাক্তারসহ ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। তিনি জানান, নির্বাচন স্থগিত হয়ে গেলেও দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকরা গত ১৫ এপ্রিল সকালে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে আকলিমা নামে এক নারীকে শাকিলসহ কয়েকজন পুরুষ নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করে। মারামারির এ দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত শাকিলসহ ৯ জনকে আটক করে। ভিকটিক আকলিমা বর্তমানে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনায় মামলার সংখ্যা বেড়ে ৫৫, গ্রেফতার ২৩৭
১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: মার্চের শেষ দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের বিক্ষোভ চলাকালে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় নতুন করে আরও ৪টি মামলা হয়েছে। এ নিয়ে মামলার সংখ্যা হলো ৫৫। এসব মামলায় আরও ৩০ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় পুলিশ বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে এদেরকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানায়, সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। এসব ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় নতুন করে আরও ৪টি সহ ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় ৩টি ও সরাইল থানায় ২টি ও রেলওয়ে থানায় ১টিসহ মোট ৫৫টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ৪১৪ জনকে এজাহারভুক্ত আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০-৩৫ হাজার মানুষকে আসামী করা হয়েছে। এই মামলায় এখন পর্যন্ত ২৩৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সাতকানিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলামের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ
১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,সাতকানিয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় চলমান লকডাউনে সাতকানিয়া- লোহাগাড়ায় ঘরবন্দী হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের উদ্যোগে প্রথম দফা ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল ৩ টায় সাতকানিয়া উপজেলার বারদোনাস্থ আমিনুল ইসলামের গ্রামের বাড়ীতে বারদোনা এলাকার ২০০ হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়। ইফতার বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন আমিনুল ইসলামের চাচা সমাজসেবক আলহাজ্ব নুরুল কবির, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক এস.এম আজিজ, সাতকানিয়া সদর ইউপি সদস্য সেলিম উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল কবির, সাতকানিয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াবুল হক, ছাত্রলীগ নেতা মো : ফয়সাল, ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আ. ন. ম ইমরান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা এরশাদুর রহমান ও জুনাঈদ প্রমুখ। এ সময় সাতকানিয়ার বারদোনা গ্রামের ২০০ ঘরবন্দী হতদরিদ্র প্রতি পরিবারকে ১৫ কেজি চাল, ২ কেজি চনা, ২ কেজি পিয়াজ, ১ কেজি সয়াবিন তৈল, ১ কেজি মসুর ডাল, ১ কেজি লবন, ১ কেজি চিনি ও ১ কেজি মুড়ি সহ মোট ২৪ কেজি খাদ্যপণ্য বিতরণ করা হয়। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, দেশে দ্বিতীয় দফা করোনায় দিন দিন আক্রান্ত ও মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে। করোনার সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকার সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করেছে। চলমান এ লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া গ্রামের দিনমজুর, অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করি। তাই পবিত্র এ রমজানে প্রথম দফায় গ্রামের ২০০ হতদরিদ্রদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু করলাম। পর্যায়ক্রমে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার ঘরবন্দী হতদরিদ্রদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ে ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি শুরু
১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশব্যাপী করোনার মহামারী পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণীজ প্রোটিন নিশ্চিতকরণে ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্তবর্তী হরিপুরে ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রে ন্যায্যমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস মাংস বিক্রি শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার কালিগঞ্জ বাজারে এমন একটি কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন, হরিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল করিম। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ গোলাম কিবরিয়া, প্রাণীসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুবর্ণা রাণী চৌধুরীসহ দুগ্ধ, হাঁস ও মুরগীর খামারীগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ কর্মসূচি প্রাথমিক ভাবে ৪৫ দিনের জন্য শুরু করা হয়েছে। প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ গাড়িটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দুধ প্রতি লিটার ৫০ টাকা, ডিম প্রতিপিস ৬ টাকা ৫০ পয়সা ও সোনালী মুরগী প্রতি কেজি ২৫০ টাকা মুল্যে বিক্রি করবে। এর আগে রবিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ড. কার্যালয় চত্বরে একই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী বরাবর বিএমএসএফ মাদারীপুর জেলার পক্ষ থেকে স্মারকলিপি
১২,এপ্রিল,সোমবার,মাদারীপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশের ন্যায় মাদারীপুর জেলা ও উপজেলায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে জাতীয় গনমাধ্যম সপ্তাহ (১-৭ মে ) কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর জেলা প্রশাসক ও ইউএন ও এর মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) মাদারীপুর জেলা ও উপজেলা শাখা। করোনা সংক্রমন বেড়ে যাওয়ার কারনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে স্বল্প পরিষরে আজ ১২ এপ্রিল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ডঃ রহিমা খাতুন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুদ্দিন গিয়াস এর হাতে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাবরিন জেরিন ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক গাউছ-উর রহমান, মাদারীপুর মৈত্রি মিডিয়া সেন্টারের সাধারন সম্পাদক এস.এম আরাফাত হাসান, আব্দুল্লাহ আল মামুন,আরিফুর রহমান,নাজমুল মোড়ল, বিধান মজুমদার প্রমুখ। স্মারকলিপি প্রদান শেষে বিএমএসএফ এর কেন্দ্রীয় কমিটি শিক্ষা সম্পাদক গাউছ-উর রহমান বলেন জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া আমাদের প্রাণের দাবি। এ দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি।
বরগুনায় জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ পালিত
১০,এপ্রিল,শনিবার,বরগুনা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষে শপথ নেবো জাটকা নয় ইলিশ খাবো- এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বরগুনায় জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ চালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে অভিযান, মোবাইল কোর্ট এবং মৎস্য পল্লীতে সচেতনতামূলক সভা করেছে জেলা প্রশাসন। শনিবার (১০ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিষখালি নদীতে নৌযানে করে এই অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান। এসময় তার সাথে ছিলেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিক, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার দেব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আশ্রাফুল ইসলাম, বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা আক্তার, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মেহেদি হাসান, সদর থানার ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকতা। নদীতে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। এরপর তেতুলবাড়ীয়া এলাকায় জেলে পল্লীতে জাটকা সংরক্ষণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার। জেলা প্রশাসক জানান, এই অভিযান জেলার সবকটি উপজেলায় মৎস্য বিভাগ, কোস্টগার্ড ও পুলিশের সহযোগিতায় অব্যাহতভাবে পরিচালিত হবে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর