আল্লামা সিরিকোটি (রা.) ওরশ মাহ্ফিলে বক্তারা, আল্লামা সিরিকোটি (রা.) ছিলেন শরিয়ত ও তরিকতের দিশারী
নগরীর জেল রোডস্থ শাহ আমানত এতিমখানা ও গাউছিয়া তৈয়বিয়া হিফজখানা পরিচালনা কমিটির ব্যবস্থাপনায় কুতুবুল আউলিয়া গাউছে জামান বানিয়ে জামেয়া আল্লামা সৈয়্যদ আহমদ শাহ্ ছিরিকোটি (রহ.) এর পবিত্র ওরশ শরীফ ও মরহুম আন্টু মিয়া চৌধুরী ও মরহুমা নবিয়া খানম স্মরণে দোয়া মাহফিল শাহ্ আমানত (রহ.) এতিমখানা ও গাউছিয়া তৈয়্যবীয়া হিফজখানায় প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আল্লামা নুরুল আবছার আল কাদেরীর সভাপতিত্বে ২৭ জুলাই বৃহস্পতিবার বাদে মাগরিব অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব চৌধুরী ফজলে মতিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএসটিটি কার্ডিওলজী বিভাগীয় প্রধান আলহাজ্ব সৈয়দ ডাঃ মোস্তাফা কামাল, বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ নাছিরুল আলম, হুমায়ুন মোরশেদ ছিদ্দিকী। উদীয়মান ইসলামি চিন্তাবিদ আলহাজ্ব মাওলানা হেলাল চিশতীর সঞ্চালনায় এতে অন্যাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন হাফেজ মুহাম্মদ মফিজুর রহমান, হাফেজ মাওলানা এয়াকুব প্রমুখ। মাহফিলে সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, এদেশে ইসলামের প্রচার ও প্রসারে আল্লামা ছিরিকোটি (রহ.) এর অবদান চির স্বরনীয় হয়ে থাকবে। বিশেষ করে ইসলামের নামে বিভিন্ন বাতিল ফিরকা যখন সরলমনা মুসলমানদের ইমান, আকিদা ধ্বংসের জন্য চতুদিকে বিভিন্ন মুখী ষড়যন্ত্র পরিকল্পিত ভাবে বাস্তবায়নের জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল ঠিক সে মুহুর্তে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নীয়া আলীয়ার মত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করে ইসলামকে বিকৃত করার হাত থেকে রক্ষা করে যুগের সংস্কারের দায়িত্ব পালন করেছেন। সভাপতি তার বক্তব্যে আরো বলেন পাথরঘাটার বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী পরিবারের মরহুম আন্টু মিয়া চৌধুরী ও মরহুমা নবিয়া খানম ছিলেন এদেশে দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারে সিদ্ধ হস্ত। তাদের অনুদানে এদেশে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উপকৃত হয়েছে। বর্তমানেও তাদের বংশধরেরা তাদের পূর্ব পুরুষের এ ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর। আর সে ঐতিহ্যবাহী পরিবারের বর্তমান সময়ের অন্যতম কর্ণধার বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আলহাজ্ব চৌধুরী ফজলে মতিন বিভিন্ন শিক্ষালয়ে বিশেষ করে নগরীর জেল রোডস্থ শাহ আমানত এতিমখানায় বিভিন্ন সহযোগিতা প্রদান রত আছেন এবং ভবিষ্যতেও এই এতিমখানার ছাত্রদের লেখাপড়ার মান উন্নয়নে আরো ব্যাপক অনুদান দেওয়ার অশ্বাস প্রদান করায় সভাপতি তার বক্তব্যে মাহফিলের প্রধান অতিথি আলহাজ্ব চৌধুরী ফজলে মতিন সাহেবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পরিশেষে সালাতু ছালাম এবং আল্লামা ছিরিকোটি (রহ.) এর ফয়জেবরকত অর্জন মরহুম আন্টু মিয়া চৌধুরী ও মরহুমা নবিয়া খানমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ঝিনাইদহে স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সজিব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন পালন
ঝিনাইদহে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়ের ৪৮তম জন্মদিন পালন করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে শহরের ডা. কে আহম্মদ পৌর কমিউনিটি সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ। জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র আলহাজ সাইদুল করিম মিন্টু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মকবুল হোসেন,তৈয়ব আলী জোয়ার্দ্দার,সদস্য গোলাম সরওয়ার খান সউদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহম্মেদ সঞ্জু, সাংগঠনিক সম্পাদক অশোক ধর, জজকোর্টের পিপি এ্যাড. ইসমাইল হোসেন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম হাকিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মঞ্জুর পারভেজ তুষার, দপ্তর সম্পাদক আছাদুজ্জামান আছাদ, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড বিকাশ কুমার ঘোষ, সহ-দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হুসাইন, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক লিকু, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খালেদা খানম, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম শিমুল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রানা হামিদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করে জেলা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক সরোয়ার জাহান বাদশা। আলোচনা সভা শেষে স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সজিব ওয়াজেদ জয়ের ৪৮তম জন্মদিনের কেক কাটা হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে নতুন প্রজন্ম গড়েতে শক্তিশালী খেলাঘর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
২৭ শে জুলাই শুক্রবার বিকাল ৪টায় নীলাম্বরী খেলাঘর কর্তৃক আয়োজিত বর্ষ বরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জামালখান বাই লেইনের নিষ্কৃতি ভবনের ৩য় তলায় অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বক্তাগণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আলোকে নতুন প্রজন্ম গড়তে পাড়ায় পাড়ায় শক্তিশালী খেলাঘর আন্দোলন গড়ে তোলার বিষয়ে আলোকপাত করেন। তাঁরা বলেন, ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া খেলাঘর আসর আজবধি লাখো অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ প্রগতিশীল সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী বাহিনী গঠনে ভূমিকা রেখে চলেছে। এ কাজ এখন আরো প্রাসঙ্গিক বক্তাগন দেশব্যাপী চলমান মাদক ও জঙ্গীবাদের উত্থানের বিষয়ে শঙ্খা প্রকাশ করেন। আলোচকদের মতে খেলাঘরের কার্যকর সাংগঠনিক শক্তিই এর একমাত্র সমাধান। সভায় শুরুতে নীলাম্বরী খেলাঘর আসরের বোন তৃষা দাশের নেতৃত্বে ভাই-বোনদের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর আসরের আহ্বায়ক আবু হাসনাত চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আসরের সদস্য সচিব মনির আহমেদ, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমুদ্দীন শ্যামল, সাবেক খেলাঘর সংগঠক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সঞ্জীব বড়–য়া। খেলাঘর চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এ.এস.এম. জাহিদ হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রকৌশলী রথীনসেন, চট্টগ্রাম মহানগরের সহ-সভাপতি ডা: গণেশ রায়। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মহানগর ছাত্রলীগ নেতা ও নীলাম্বরী খেলাঘর আসরের কার্যনির্বাহী সদস্য বিকাশ দাশ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন অধ্যাপক জনার্দন বনিক অনুষ্ঠান শেষে পি.এস.সি., জি.এস.সি ও এস. এস. সি. পরীক্ষার ভালো ফলাফলের জন্য ৪০ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন- নীলাম্বরী খেলাঘর আসরের সদস্য সুজন নাথ, পঙ্কজ কান্তি দে, জনি বড়–য়া, রবি শঙ্কর সেন (নিশাত), রনি সরকার, অভিজিৎ চৌধুরী, প্রাপ্ত ভট্টাচার্য্য, মো: নাইম আরফাতে জাহেদ অনিক, উজ্জ্বল দাশ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বিআরটিসি বাস চালুর দাবিতে মানববন্ধন
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যানজট মুক্ত করতে সপ্তাহে একদিন ব্যক্তিগত গাড়ী মুক্ত রাখা হয়। সরকার যানজট ও সরকারী ব্যয় কমাতে সরকারী ছুটি দুই দিন করলেও সমাধান আসেনি। তার মূল কারণ পুরো সড়ক জুড়ে ব্যক্তিগত গাড়ী এবং গণপপরিবহনে বেহাল দশা। লক্কর-ঝক্কার বাসগুলির কারনে গণপরিবহনে যাতায়ত করা কঠিন। অন্যদিকে বাস শ্রমিক ও মালিকদের স্বেচ্ছাচারী ও অমানবিক আচরণের কারনে যাত্রী বিশেষ করে নারী যাত্রীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। প্রতিনিয়তই বাস শ্রমিক ও মালিকদের অমানবিক আচরনে সাধারন যাত্রীরা অসহায় ও জিম্মি। সম্প্রতি চট্টগ্রামের একজন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র দূর্ঘটনায় নিহত হলে তার পরিচয় মুছে ফেলতে মুখমন্ডল থেতলে বিকৃত করে দেবার মতো ঘটনা বাড়ছে। নারী যাত্রীরা প্রতিনিয়ত যৌন হয়রানি ও নানা সহিংষতার শিকার হচ্ছে। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস আদালত, কলকারখানা বিভিন্ন জায়গায় যাতায়তে ব্যক্তিগত গাড়ীর ব্যবহার বাড়ছে। যার ফলশ্রুতিতে যানজটে আকাল পুরো নগরজীবন। ঘন্টার পর ঘন্টা শ্রম ঘন্টা যেমন নষ্ঠ হচ্ছে, তেমনি নির্ধারিত সময়ে মানুষ গন্তব্যে পৌঁছতে পারছে না। এ অবস্থায় পৃথিবীর উন্নত দেশের আদলে সপ্তাহে একদিন ব্যক্তিগত গাড়ী মুক্ত রাখা, গণপরিবহনগুলির আধুনিকায়ন, চট্টগ্রাম নগরীতে বিআরটিসির বাস চালু, যাত্রীদের প্রতি মানবিক আচরন ও মর্যদাপূর্ন ব্যবহার নিশ্চিত করতে পরিবহন শ্রমিক ও মালিকদের উদ্ধুদ্ধকরণ করার দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে। ২৮ জুলাই ২০১৮ইং নগরীর জামালখান প্রেসক্লাব চত্ত্বরে আইএসডিই বাংলাদেশ, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম, ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম মহানগর, এর উদ্যোগে কার ফ্রি এলায়েন্স বাংলাদেশ ও ইনস্টিটিউট অব ওয়েল বিং এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইনের সভাপতিত্বে ও ক্যাব যুব গ্রুপের সদস্য সচিব নোমান উল্লাহ বাহারের সঞ্চালনায় সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সরকারী হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, ক্যাব মহানগরের সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, ক্যাব যুব গ্রুপের সভাপতি চৌধুরী কে এনএম রিয়াদ, রাজনীতিবিদ সৈয়দ জুলকার নাইন, সুবজের যাত্রার সায়েরা বেগম, সংসপ্তকের নার্গিস চৌধুরী, ওবাইদুর রহমান, প্রশিকার শাহাদত হোসেন, আইএসডিই বাংলাদেশের মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ক্যাব চান্দগাঁওয়ের জানে আলম, সেলিম সাজ্জাদ, ক্যাব পাঁচলাইশের সেলিম জাহাঙ্গীর, ক্যাব সদরঘাটের শাহীন চৌধুরী, ক্যাব পাহাড়তলীর মিলি চৌধুরী, হারুন গফুর ভুইয়া, ক্যাব ডবলমুরিং এর মোনায়েম বাপ্পী, ক্যাব বোয়ালখালীর আকতার কামাল চৌধুরী, সাংবাদিক প্রশান্ত বড়–য়া, ক্যাব ডিপিও জহুরুল ইসলাম, শাম্পা কে নাহার, রাস্ট্র চিন্তার ফরিদুল হক, লিও আশিকুল আলম, মুহাম্মদ হানিফ, দীপ্ত ঘোষ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন রাজধানী ঢাকায় প্রতিদিন ৩২ লাখ কর্ম ঘন্টা নষ্ঠ হচ্ছে। যার বাৎসরিক ক্ষতির পরিমান প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। এভাবে চলতে থাকলে ২০২৫ সাল নাগাদ যানবাহনের গড় গতি দাড়াবে ঘন্টায় ৪ কিঃমি। যান্ত্রিক যানের আধিক্যের কারনে বায়ু দুষণ, শব্দ দূষণ, সময় অপচয়, খোলা জায়গার সংকট এবং সড়ক দুর্ঘটনার পরিমান দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই অবস্থা যদি আমাদের নগর জীবনে হয় তাহলে আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর ও নিরাপদ নগরী বির্নিমান, শুধু অসম্ভব নয় কল্পনা ছাড়া কিছু হবে না। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন শহরে বিআরটিসির বাস থাকলেও চট্টগ্রাম নগরীতে লক্কর যক্কর বাসের কারনে ব্যক্তিগত গাড়ী ব্যবহারের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। এছাড়াও বৃহৎ শিল্প ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির নিজস্ব বাস সার্ভিস না দিয়ে ব্যক্তিগত গাড়ী ব্যবহারকে উৎসাহিত করছে। ফলে যানজট প্রতিনিয়তই বাড়ছে। অন্যদিকে সকাল বেলায় অফিস ও গন্তব্যে যাত্রায় ও সন্ধ্যায় ফিরতে গণপরিবহনের বাসগুলিতে তীব্রসংকট তৈরী করে। যার ভোগান্তি চরমে, সেখানে যাত্রীদের জিম্মি করে বেশী ভাড়া আদায় যেরকম বাড়ছে, তেমনি যৌনহয়রানিসহ নানা ধরনের সহিংষতা ও বাড়ছে। তাই সাধারন জনগনসহ যাত্রীদের জন্য নিরাপদ চলাচল ও নগরী প্রতিষ্ঠায় গণপরিবহনের আধুনিকায়ন জরুরী। একই সাথে ব্যক্তিগত গাড়ী পরিহারে জনগনকে উদ্বুদ্ধকরণ করা প্রয়োজন। যানজটের ভয়াবহ দুর্বিসহ দুরাবস্থা থেকে বাঁচাতে সরকার, স্থানীয় প্রশাসন, সিটিকর্পোরেশনকে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাগেরহাটে সবজির পাইকার নেই বাম্পার ফলনেও কৃষক হতাশ
বাগেরহাটের ৯উপজেলা সবজির বাম্পার ফলন হলেও বাজারে সবজির ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় হতাশায় ভূগছে বাগেরহাটের কৃষকেরা। কৃষকের মুখে হাসি নেই। আগামীতে এ চাষাবাদের আগ্রহ অনেকাংশে কমবে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় অনেক কৃষকেরা।বহু কষ্টে উৎপাদিত ফসলের হঠাৎ দরপতনে তারা দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। বর্তমানে এখানে দূর-দূরান্ত থেকে কোনো পণ্যবাহী ট্রাক আসতে চায় না। বাইরের বড় বড় পাইকারি সবজি ব্যবসায়ী বাজারে না থাকায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তবে এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মধ্যস্বত্বভোগীরা ফায়দা লুটছে। বাগেরহাটে ৯উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মওসুমে এ উপজেলায় ১৮৫২ একর জমিতে করল্লা, ২ হাজার ৪৯৪ একর জমিতে শসা, ঢেঁড়স ৯৪ একরে, চালকুমড়া ৯৬ একরে, মিষ্টিকুমড়া ৯৬ একরে, বেগুন ৯৬ একরে, বরবটি ২৭৩ একরে, চিচিঙ্গা ৩২৩ একরে ও ৬২ একর জমিতে পুঁইশাকসহ মোট তিন হাজার ২১১ একর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে। বাগেরহাটেরএ ৯উপজেলায় ২৩৬৫৬২ জন কৃষক চাষি রয়েছেন। তবে বেসরকারি পরিসংখ্যানে এ সংখ্যা আরো অনেক বেশি। উপজেলার সুরশাইল, কুরমনি, পাটরপাড়া, খাশেরহাট, দড়িউমাজুড়ি, বাখেরগঞ্জ, খড়মখালী, শৈলদাহ, কালিগঞ্জ, হিজলা, নালুয়া, বড়বাড়িয়া ও ডুমুরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, মৎস্য চাষের সাথে ঘেরের চারপাশের বেড়িতে (পাড়ে) চাষিরা সবজির চাষ করেছেন। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় শসা, করল্লা, বরবটি, চালকুমড়া, লাউ ও ঝিঙেসহ বিভিন্ন সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু মওসুমের শুরুতেই আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় চাষিরা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। কারণ ব্যাংকঋণ ও এনজিওসহ সুদখোর মহাজনদের চাপে অনেকেরই এখন নাভিঃশ্বাস অবস্থা। এত কিছুর মধ্যেও আড়তদারদের সিন্ডিকেট ও ইজারাদারদের অধিক মাত্রায় খাজনা আদায়ের অভিযোগও তুলেছেন সবজি চাষিরা। চিতলমারীর বিভিন্ন আড়ত ঘুরে জানা গেছে, এখানে প্রতি মণ করল্লা ৬৫০-৭৫০, শসা ৩২০-৪৫০, বরবটি ৪০০, পুঁইশাক ৪০০, বেগুন ৯০০, কুশি ৬০০ ও ঝিঙে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে; যা আগের চেয়ে অনেক কম দাম। তাই হঠাৎ বাজার দর পড়ে যাওয়ায় কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এ ব্যাপারে পাইকারি সবজি ক্রেতা মন্টু মহাজন জানান, বর্তমানে এখানে দূর-দূরান্ত থেকে কোনো পণ্যবাহী ট্রাক আসতে চায় না। তাই এ জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঋতুরাজ সরকার জানান, এবার এ উপজেলায় সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারজাতকরণের ব্যাপারে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট :প্রেস বিজ্ঞপ্তি
গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন করা হবে :এম কিউ বদরুদ্দোজা চৌধুর
গত ২৭ জুলাই বিকেলে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জে এস ডি'র উদ্যোগে যুক্তফ্রন্টের গণসমাবেশ চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড রেলওয়ে অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত গণসমাবেশে সভাপতি করেন,চট্টগ্রাম মহানগর জেএসডি সভাপতি গোলাম জিলানী চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন,বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ও যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ডাক্তার এম কিউ বদরুদ্দোজা চৌধুরী ।প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেএসডির সভাপতি স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তোলক যুক্তফ্রন্টের নেতা আ স ম আব্দুর রব, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্না ও বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর অবঃ আবদুল মান্নান। আরো বক্তব্য রাখেন,জেএসডি কেন্দ্রীয় যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন আব্দুল বাতেন বিপ্লব, এয়ার আহমদ, আব্দুল মালিক গাজী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, অধ্যাপক ইসহাক উদ্দিন চৌধুরী সরওয়ার আজম আরজু। প্রধান বক্তার বক্তব্যে আ স ম আব্দুর রব বলেন, স্বাধীনতার যুদ্ধ যে স্বপ্ন নিয়ে করেছিলাম, তা আজ ভেস্তে গেছে। সংবিধানের উল্লেখ থাকলেও জনগণ সকল ক্ষমতার মালিক নয়, সরকারই সকল ক্ষমতার মালিক । বর্তমান সরকার জনগণকে কোন সম্মান দিচ্ছে না, লুটে নিচ্ছে সবক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠান ভেঙে গেছে। ঘুষ ছাড়া কোন চাকরি হয় না। হাজার কোটি টাকার লুটপাট দুর্নীতি হলো তার বিচার হয় না, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়াকে মাত্র তিন কোটি টাকার জন্য জেল হয়। দীর্ঘদিন জেলে বন্দী রাখা হয়েছে। এটা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এ সংস্কৃতি দিয়ে চলতে পারে না, অবিলম্বে সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে এবং প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেটি ক্ষমতা দিয়ে আগামী নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার দাবি জানান। যুক্তফ্রন্ট সকল স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নির্বাচন করবে। সমাবেশ করা জনগণের নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার আগামীতে আমরা জনগণকে নিয়ে সমাবেশ করবো। আমাদের এই এ সমাবেশ করতে ,বর্তমান সরকারের প্রশাসন বাঁধা দিয়েছে, এটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পরিপন্থী। তিনি আরো বলেন.আজ মানুষের নিরাপত্তা নাই ছোট্ট শিশু ধর্ষণের শিকার হচ্ছে ঘরের ভিতরে থাকলে খুন হচ্ছে, বাইরে গেলে ধরে নিয়ে ক্রসফায়ারে দেওয়া হচ্ছে। অনেক মানুষকে গুম করা হয়েছে। মানুষ হত্যা কোন ধর্মে অনুমোদন নাই। আমাদের সংবিধানে ক্রসফায়ারে মানুষ মারার বিষয় উল্লেখ নাই। অন্যায় অবিচার করে বেশিদিন টিকে থাকা যায়। না গণ আন্দোলন মুখে পালিয়ে যাওয়ার আগে নিরপেক্ষ অবাধ নির্বাচন দিন বা জাতীয় সংলাপে সবাইকে ডাকুন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আজ আপনার চারপাশের লোকেদের কথায় আপনি অন্ধ হয়ে গেছেন, আপনার জনপ্রিয় শূন্যের কোটায় এখনো সময় আছে সংশোধন হোন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, দেশে কোন উন্নয়ন নাই সবকিছু হচ্ছে লুটপাটের জন্য পদ্মা সেতু করার ক্ষেত্রে বড় দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে সরকার। দেশের কয়লা সম্পদ যারা চুরি করেছে তাদেরকেও বিদেশ পালিয়ে যাবার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। আজ গণতন্ত্র হাতুড়িতন্ত্রে পরিণত করেছে, সরকার কোটাবিরোধী আন্দোলনকে যে ভাবে দমন করা হয়েছে, তা সভ্য সমাজের অংশ হতে পারে না। হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর করা এবং হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া, এটা অত্যন্ত অমানবিক। এ সরকার চরম স্বৈরাচারী সরকার। শিগগিরই এর বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে। যুক্তফ্রন্টে যারা আছেন তারা দুর্নীতি উর্ধ্বে, তাদের রাজনীতিক জীবনে কোন কলঙ্ক নেই, যেমন ডা.বদরুদ্দোজা, আ স ম আব্দুর রব. মেজর মান্নান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাঃ বি চৌধুরী বলেন, যুক্তফ্রন্টের মাধ্যমে আগামী নির্বাচনে সারাদেশে সংসদ নির্বাচন করা হবে। অবশ্যই আমরা দুর্নীতি সন্ত্রাসীদেব বিচার করবো, ব্যাংক লুটপাটকারীদের বিচার করা হবে। অবাধ গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন করা হবে, যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন করলে, সকল দ্রব্যমূল্যের নাগরিক সামর্থের ভিতর আনা হবে এবং ওষুধের দাম অর্ধেকের চেয়ে কমিয়ে আনা হবে ।এটা যুক্তফ্রন্টের মাধ্যমেই সম্ভব।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বঙ্গবন্ধু ছাত্র-যুব উন্নয়ন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক
২৭ জুলাই ২০১৮ইং রোজ শুক্রবার বঙ্গবন্ধু ছাত্র-যুব উন্নয়ন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৪তম প্রতিষ্ঠা বাষির্কী উদযাপন করা হয়। সংগঠনের প্রতিষ্ঠা সভাপতি ওয়েল গ্র“পের পরিচালক ও চট্টগ্রাম সংসদীয়-৮ আসনের তরুন সমাজের প্রিয়মূখ সৈয়দ আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আমিরুল ইসলাম শাহনুর, এডভোকেট মোঃ ইলিয়াছ, আবু মোঃ মোরশেদ, আবিব বাবুজী, বিভূতি দাশ বিভুু, জাহাঙ্গীর আলম শুক্কুর, বিজয় আইচ, আলহাজ্ব আবদুল মন্নান, মোঃ জাফর, মোঃ রফিকুল আলম বাপ্পী, মোঃ ফারুক, মোঃ হোসেন, যিশু দাশ, মোস্তাফিজুর রহমান রনি, মোঃ গিয়াসুদ্দীন, মোঃ দিদার, যুবলীগ নেতা জসীম উদ্দিন, কাজী মামুন, তসলিম উদ্দীন, মোঃ শফি, মোঃ সরোওয়ার, মোহাম্মদ সান, ছৈয়দ আরিফ, হারুনরুর রশিদ, জীম ও কামাল, ছাত্রলীগ নেতা মহিম গাজী, সাইফুল, শাকিব, আরাফাত, সৈৗরভ, সাইমন, শাহেদ রনি, সাজ্জাদ, নাঈম প্রমুখ ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন, জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ ও মাদকমুক্ত অসা
বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে সংগঠনের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। নগরীর মুসলিম হল প্রাঙ্গণে কর্মসূচী বেলুন ও স্বেতকপোত উড়িয়ে উদ্বোধন করা হয়। পরবর্তীতে আলোচনা সভা চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক এড. এ.এইচ.এম জিয়া উদ্দীনের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক মো: সালাউদ্দিনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সিডিএ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুচ ছালাম। বক্তব্য রাখেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও চউক এর বোর্ড সদস্য কে.বি.এম শাহজাহান, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নুরুল কবির, সত্যজিৎ চক্রবর্ত্তী সুজন, আনোয়ারুল ইসলাম বাপ্পী, পংকজ চৌধুরী কঙ্কন, জিয়া আমানত মোরশেদ হায়াৎ নয়ন ও মহানগর আওতাধীন বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডের সভাপতি/সম্পাদকবৃন্দ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ মহানগর রাজনীতিতে একটি স্বচ্ছ ও সুসংগঠিত সংগঠন। এ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রামে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বিশ্বশান্তির অগ্রদূত, মানবতাবাদী নেত্রী, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রূপকার জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ভিশন-২০২১ বাস্তবানে স্বেচ্ছাসেবক লীগকে ভ্যানগার্ডের ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রিয়নেত্রী ঘোষিত যে কোন কর্মসূচী তথা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে যাকে মনোনয়ন দেবেন তার পক্ষে মাঠ পর্যায়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। আগামীতে আওয়ামী লীগ পুনরায় দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আসলে বাংলাদেশ একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নও আজ গতিশীল রয়েছে, অচিরেই চট্টগ্রামের চেহেরা পাল্টে যাবে। আগামী নির্বাচন নিয়ে বিএনপি ও স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে, তাদের চক্রান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য তিনি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান। আলোচনা সভাশেষে কেক কেটে এক বর্ণাঢ্য রcলী নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বঙ্গবন্ধু জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে স্কুলভিত্তিক কর্মসূচীর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বঙ্গবন্
২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদ্যাপন করা হবে, ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করার প্রস্তুতি চলছে। এ উপলক্ষে আমাদের প্রিয় নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০২০, ২০২১ সালকে বঙ্গবন্ধু বর্ষ ঘোষণা করেছেন। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাই, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু না হলে এদেশ স্বাধীন হতো না। আমরা স্বাধীন হয়েছি, কিন্তু জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারিনি এখনো। আমাদের প্রিয় নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অবদান চট্টগ্রামে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে তাঁর হাত শক্তিশালী করার শপথ নিতে হবে। চট্টল ইয়ূথ কয়ার এর উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে স্কুলভিত্তিক কর্মসূচীর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে জাতির পিতা সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে। ২৭ জুলাই ২০১৮ইং সকাল সাড়ে ৯টায় সিডিএ গার্লস্ স্কুল এন্ড কলেজে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক উৎসব ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাননীয় চেয়ারম্যান কর্মবীর আলহাজ্ব আবদুচ ছালাম উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। প্রধান শিক্ষক গাজীউল হকের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কয়ার মহাসচিব অরুণ চন্দ্র বনিক। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এম. লোকমান হাকিম, প্রণব রাজ বড়–য়া, সুজিত দাশ অপু, আবদুল্লাহ আল মামুন, রনি গোমেজ, শিউলী চৌধুরী, রিয়াজুল হক, সমীরণ দাশ ও ফটোসাংবাদিক সমীরণ পাল প্রমুখ। অনুষ্ঠানে কয়ার হাটহাজারী শাখার পক্ষ থেকে লোকমান হাকিম, মির্জা আহমেদ ইস্পাহানী স্মৃতি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আবদুল্লাহ আল মামুন, চান্দগাঁও থানা পূজা উদ্যাপনের পক্ষ থেকে সমীরণ দাশ, চান্দগাঁও থানা প্রজন্ম থেকে রিয়াজুল হক পৃথক পৃথক ভাবে চেয়ারম্যান মহোদয়কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে কর্মবীর আলহাজ্ব আবদুচ ছালামকে চট্টল ইয়ূথ কয়ার ও চান্দগাঁও থানা পূর্জা উদ্যাপন পরিষদের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর