মধ্যরাত থেকে বন্ধ হচ্ছে তিন সিটি নির্বাচনের প্রচার
অনলাইন ডেস্ক: রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট- এই তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সব ধরনের প্রচার শনিবার (২৮ জুলাই) মধ্যরাত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের যুগ্মসচিব ফরহাদ আহম্মদ খান জানান, ওই তিন সিটির ভোটার নন এমন বহিরাগতদের শুক্রবার মধ্যরাত থেকে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ অন্যান্য দলের মনোনীত প্রার্থীসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নেতাকর্মীদের নিয়ে আজ শেষবারের মতো সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রচার চালাচ্ছেন। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এঁরা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন (নৌকা), বিএনপির মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মো. শফিকুল ইসলাম (হাতপাখা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মুরাদ মোর্শেদ (হাতী)। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ছয়জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এঁরা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদেক আবদুল্লাহ (নৌকা), বিএনপির মো. মজিবুর রহমান সরোয়ার (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ওবায়দুর রহমান মাহবুব (হাতপাখা), বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবুল কালাম আজাদ (কাস্তে), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের মনীষা চক্রবর্তী (মই) ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন (লাঙ্গল)। সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এঁরা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বদর উদ্দীন আহম্মদ কামরান (নৌকা), বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খান (হাতপাখা), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের-বাসদ মো. আবু জাফর (মই) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এহসান মাহবুব জোবায়ের (টেবিল ঘড়ি), মো. এহসানুল হক তাহের (হরিণ) ও মো. বদরুজ্জামান সেলিম (বাস)। তিন সিটিতে ৫৩০ জন কাউন্সিলর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজশাহী সিটিতে ৩০টি সাধারণ ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে। এখানে ১৩৮টি ভোটকেন্দ্র ও ১ হাজার ২৬টি ভোটকক্ষ রয়েছে। বরিশাল সিটিতে ৩০টি সাধারণ ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে। এখানে ১২৩টি ভোটকেন্দ্র ও ৭৫০টি ভোটকক্ষ রয়েছে এবং সিলেট সিটিতে ২৭টি সাধারণ ও ৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে। এখানে ১৩৪টি ভোটকেন্দ্র ও ৯২৬টি ভোটকক্ষ রয়েছে। নির্বাচনের নিরাপত্তায় ভোটগ্রহণের দুদিন আগে থেকে তিন সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে র‌্যাবের একটি টিম এবং প্রতি দুটি ওয়ার্ডে এক প্লাটুন করে ১৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এরা নির্বাচনের পরদিন পর্যন্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন। আরো ৪ প্লাটুন করে বিজিবি রিজার্ভ রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান। আচরণবিধি দেখভাল করতে নির্বাচনী এলাকায় নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৪ জুন থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ২৪ দিন ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তিন সিটিতে আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে। ১০ জুলাই থেকে ১ আগস্ট এই ২৩ দিন ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তিন সিটিতে আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে। এছাড়া নির্বাচনের দুদিন আগে থেকে পরদিন পর্যন্ত আচরণবিধি প্রতিপালন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতি সিটিতে ২০ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং আজ থেকে পরবর্তী চার দিন রাজশাহী ও বরিশালে ১০ জন করে এবং সিলেটে ৯ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবে। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে ৩ লাখ ১৮ হাজার ১৩৮ জন ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৫ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৬২ হাজার ৫৩ জন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে ২ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৬ জন ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন। সিলেট সিটি কর্পোরেশনে ৩ লাখ ২১ হাজার ৭৩২ জন ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৪৪ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৫০ হাজার ২৮৮ জন। কমিশন সূত্র জানায়, তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে। এ নির্বাচনে ভোটের আগের দু’দিন থেকে ভোটের পরদিন পর্যন্ত মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি মোতায়েন থাকছে। প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে একটি করে মোবাইল ফোর্স এবং প্রতি তিন ওয়ার্ডের জন্য একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র পাহারায় ২৪ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। বাকি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ২২ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বরিশালে ১০টি, রাজশাহীতে দুটি ও সিলেটে দুটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে। রাজশাহী সিটিতে সৈয়দ আমিরুল ইসলাম, বরিশালে মুজিবুর রহমান ও সিলেটে মো. আলিমুজ্জামন রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন।
কুমিল্লার চান্দিনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ শ্রমিক নিহত
অনলাইন ডেস্ক: কুমিল্লার চান্দিনায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শ্রমিক নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (২৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জেলার চান্দিনা উপজেলার নুরীতলা এলাকা এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী একটি কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নুরীতলা এলাকার একটি দোকানে ঢুকে পড়লে সবুজ (৩০) ও মহসিন (২৩) নামে দুই শ্রমিক ঘটনাস্থলে মারা যায়। আহত অপর দুজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে সবুজ নাটোর জেলার সিংড়া থানার কালীনগর গ্রামের খৈয়ামের ছেলে এবং মহসিন একই গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে। নিহত দুই শ্রমিক ওই এলাকায় আশা জুট মিলে কাজ করত। ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও পরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম জানান, বৃষ্টির জন্য শ্রমিক দুজন একটি দোকানের নিচে দাঁড়িয়েছিল। এ সময় একটি কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান। দুর্ঘটনাকবলিত কাভার্ডভ্যানটি আটক করা হয়েছে। আলোকিত বাংলাদেশ
নবজাতক কন্যা শিশু উদ্ধার
অনলাইন ডেস্ক: পিরোজপুরের কৃষ্ণনগর এলাকা থেকে এক নবজাতক কন্যা শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার ভোররাতে সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর এলাকার মন্দিরের সামনে থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। শিশুটি বর্তমানে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয় সবিতা রায় জানান, গতকাল রাত সাড়ে তিনটায় একটি শিশুর কান্নায় তার ঘুম ভাঙ্গে। স্বামীসহ তিনি ঘর থেকে বের হলে মন্দিরের গেটে শপিং ব্যাগের ভিতরে একটি নবজাতক কন্যা শিশুকে দেখতে পান। সে সময় তিনি বিষয়টি প্রতিবেশী এবং পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে। সদর হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ননী গোপাল রায় জানান, শিশুটির বয়স একদিন হবে। জন্মের পরপরই তাকে ওই খানে ফেলে রাখা হয়েছিল এবং শিশুটির নাভী থেকে রক্ত পড়ছিল। তবে বর্তমানে শিশুটি সুস্থ আছে এবং তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম জিয়াউল হক বলেন, শিশুটিকে উদ্ধারের পরে তার চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরবর্তিতে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
সবচেয়ে দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ আজ
অনলাইন ডেস্ক: হতে চলেছে একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ। আজ শুক্রবার দিবাগত রাতে চাঁদ ঘুরতে ঘুরতে প্রবেশ করবে একেবারে পৃথিবীর ছায়ার মধ্যে। যার স্থায়িত্ব হবে ১ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট। যা সময়ের দিক থেকে এই শতাব্দীর সবচেয়ে দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ। বাংলাদেশের শুধু গ্রহণ হওয়াই নয়, চাঁদ সূর্যের আলো বিকিরণ করে লাল হয়ে যাবে। অর্থাৎ ব্লাড মুনও দেখা যাবে একইসঙ্গে। নাসা এমন তথ্য জানায়। খবর ইয়াহু নিউজ। বাংলাদেশের মানুষও দেখতে পাবেন এই চন্দ্রগ্রহণ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ১১টা ১৩ মিনিট ৬ সেকেন্ড থেকে শনিবার ভোর ৫টা ৩০ মিনিট ২৪ সেকেন্ড পর্যন্ত চন্দ্রগ্রহণের পুরো ঘটনাটি ঘটবে। এর মধ্যে পূর্ণগ্রহণ শুরু হবে রাত ১টা ৩০ মিনিটে; আর পূর্ণগ্রহণ শেষ হবে রাত ৩টা ১৩ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে। আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে দেশের সব বিভাগ থেকেই গ্রহণটি পুরোপুরি দেখা যাবে। পৃথিবীর সব জায়গা থেকে এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে না। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মানুষ এই গ্রহণ দেখতে পাবেন না। আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ভারত, বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের কিছু দেশ থেকে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। এর আগে এত বেশিক্ষণ ধরে চন্দ্রগ্রহণ এই শতাব্দীতে কোনও দিন হয়নি। দেড় ঘণ্টার বেশি সময় চন্দ্রগ্রহণ হয়েছে এমনটা নিশ্চয়ই দেখা গিয়েছে। এবার আরও বেশি সময় লাগবে। ফলে এবারের গ্রহণ নিঃসন্দেহে অভিনব ঘটনা হতে চলেছে। এর আগের চন্দ্রগ্রহণ হয় ২০১১ সালের ১৫ জুন । সেটা ১০০ মিনিট স্থায়ী হয়েছিল। ২০০০ সালের ১৬ জুলাই মাসে চন্দ্রগ্রহণ হয় ১০৭ মিনিট স্থায়ী। ১৯৮২ সালে চন্দ্রগ্রহণ হয় ১০৭ মিনিট ও ১৯৩৫ সালে চন্দ্রগ্রহণ হয় ১০১ মিনিট স্থায়ী। এবারে চন্দ্রগ্রহণ ১ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট স্থায়ী হতে চলেছে। নতুন আকর্ষণ নতুন শতাব্দীতে এটাই হতে চলেছে সবচেয়ে বড় চন্দ্রগ্রহণ। এর আগে সুপার ব্লাড ও ব্লু মুন একসঙ্গে দেখেছে পৃথিবীর মানুষ। এবারের চন্দ্রগ্রহণও একইরকমের আকর্ষণ হতে চলেছে। বিশেষ করে এবার ভারতে ভালো করে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। বিশেষ তাৎপর্য এতক্ষণ ধরে চন্দ্রগ্রহণের কারণ চাঁদ পৃথিবীর মধ্যভাগের ছায়ার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে যাবে। এটাকে বলা হচ্ছে উমব্রা। এক্ষেত্রে পৃথিবী ও চাঁদের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পৃথিবী সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করবে। আর চাঁদ পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করবে। উল্লেখ্য, সাধারণত পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব তিন লাখ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। চাঁদ যেহেতু একটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ঘোরে, তাই ঘুরতে ঘুরতে কোনও সময় পৃথিবীর কাছে চলে আসে আবার দূরেও চলে যায়। চাঁদ পৃথিবীর সর্বাধিক কাছে তিন লাখ ৫৬ হাজার কিলোমিটারে চলে আসে। আবার দূরে গেলে সর্বাধিক চার লাখ ছয় হাজার কিলোমিটার দূরে চলে যায়। আগামী ২৭ জুলাই পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্বও প্রায় ৪ লাখ ৬ কিলোমিটারের কাছাকাছি থাকবে।
অপহৃত কুমিল্লার আ.লীগ নেতা উদ্ধার
অনলাইন ডেস্ক: ঢাকায় অপহরণের পর রাতে উদ্ধার হয়েছেন কুমিল্লার তিতাস উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা পারভেজ হোসেন সরকার। গতকাল রাতে পূর্বাচলের ৩০০ ফুট এলাকায় তাকে পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। পারভেজের পরিবার জানান, পূর্বাচল এলাকা থেকে তাদের ফোন দিলে ফরিদপুরের এমপি নিক্সন চৌধুরী তাকে নিয়ে রাত পৌনে ১টার দিকে বাসায় ফেরেন। এর আগে গতকাল দুপুরে মোহাম্মদপুর লালমাটিয়া এলাকার নিজ বাসার সামনে থেকে তাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করেছিলেন পারভেজের পরিবার। পারভেজের খালাতো ভাই ফাহাদ মোহাম্মদ জানান, লালমাটিয়ার মিনার মসজিদ থেকে জুমার নামাজ শেষে তিনি নিজ বাসার দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় একজনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কুশল বিনিময় করেন। এর পরই একটি কালো রঙের জিপ গাড়ি আসে এবং দুজন মিলে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। গাড়ির ভিতরেও দুজন ছিল। তাদের সবার হাতে পিস্তল ও ওয়াকিটকি ছিল। ঘটনাটি দ্রুত মোহাম্মদপুর থানা পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে। সেখানে দেখা গেছে, একটি কালো রঙের গাড়ি (ঢাকা মেট্রো-গ-১৪-২৫৭৭) বাসার সামনে এসে থামে এবং দুজন লোক জোর করে পারভেজকে ওই গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। পারভেজের পরিবার বলছে, তিতাসের বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল শিকদারের সঙ্গে অনেকদিন ধরেই রাজনৈতিক ঝামেলা চলছে পারভেজের। ওই এলাকায় প্রটোকল ছাড়া পারভেজ কখনো যাতায়াত করতেন না। গত বছর ওই এলাকায় সোহেলের লোকজন পারভেজের ওপর হামলা করেছিল। জানা গেছে, লালমাটিয়া সি ব্লকের ২৭ নম্বর সড়কের ৩০ নম্বর বাড়িতে স্ত্রী ও দুই ছেলে নিয়ে থাকেন পারভেজ। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিতাস উপজেলার চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-২ (তিতাস ও হোমনা) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী। পারভেজ বর্তমানে কুমিল্লা উত্তরের সভাপতি। মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর বলেন, লালমাটিয়া থেকে পারভেজ হোসেন সরকার নামে এক ব্যক্তিকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি কুমিল্লার তিতাস উপজেলার চেয়ারম্যান ছিলেন। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আলোকিত বাংলাদেশ
নির্বাচন কমিশন এখন গৃহপালিত পশুর মতো
অনলাইন ডেস্ক :রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটের আগের রাতে নৌকায় সিলমারা ব্যালট ভোটকেন্দ্রে লুকিয়ে রাখা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিএনপির প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। তিনি অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচনে ৯০ শতাংশ প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার ‘আওয়ামী ঘরানার’ লোক থেকে বাছাই করা হয়েছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড তারা (ক্ষমতাসীনরা) করবেই। তারা চেষ্টা করছে ভোটের আগের দিন প্রিজাইডিং অফিসারদের দিয়ে ভোট কেটে বিভিন্ন জায়গায় সেটা লুকিয়ে রাখা হবে (স্কুলের) হেডমাস্টারের রুমে বা এসিসট্যান্ট হেডমাস্টারের রুমে।’ শুক্রবার সকালে রাজশাহী নগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকায় গণসংযোগে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। বুলবুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের পোস্টার সন্ত্রাস থেকে আরম্ভ করে এখন পর্যন্ত, যে সন্ত্রাসগুলি করেছে, সমস্ত কিছু আমরা আপনাদের মাধ্যমে বলেছি জনগণের কাছে এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে আমরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এখন গৃহপালিত পশুর মতো, জন্তুর মতো আচরণ করছে। এখানে সরকারের যে ভূমিকা বা নির্বাচন কমিশনের যে ভূমিকা রাখা উচিত ছিল, অন্যান্য দেশে যেটা হয়, সে ভূমিকা এখানে নাই।’ সেনা মোতায়েনের দাবি বুলবুল বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি, সেনাবাহিনী নিয়োগ করে রাজশাহীতে নিরপেক্ষ ভোটের অবস্থা সৃষ্টি করা হোক। আগামী জাতীয় নির্বাচনে এটা জনগণের কাছে উপযুক্ত প্রমাণ হয়ে থাকবে।’ বরিশাল ও সিলেটের সঙ্গে রাজশাহী সিটি করপোরেশনেও ৩০ জুলাই ভোট হবে। মেয়র পদে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।ইনকিলাব
সিলেটে ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহার ঘোষণা
অনলাইন ডেস্ক :আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত ও উলামা মাশায়েখ সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন খান নিজের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। শুক্রবার সকাল ১১টায় বন্দরবাজার মহাজনপট্টি কাস্টঘরস্থ গাজী বুরহান উদ্দিন মার্কেটের ২য় তলায় প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে নির্বাচনী ২৩ দফা ইশতেহার ঘোষণার করা হয়েছে। ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি বলেন আপনারা যদি সুস্থ পরিবেশে বাঁচতে চান, শান্তি-সুখে থাকতে চান, তাহলে এ অশুভ কায়েমী স্বার্থবাদী সিন্ডিকেটকে অবশ্যই ভাংতে হবে। নোংরা রাজনীতির প্রভাব-দৌরাত্ম থেকে সিলেট সিটিকে রক্ষা করতে হবে। জনজীবনে স্বস্তি ও শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। সিলেট নগরকে শান্তির নগরীতে পরিণত করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন আমূল পরিবর্তনের। দরকার ব্যাপক সংস্কারের। প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগের। প্রয়োজন সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্বের। শুধু মিথ্যার ফুলঝুরি নয় মেয়র নির্বাচিত হলে ইশতেহারের প্রত্যেকটি দফা শতভাগ বাস্তবায়ন করা হবে ইনশা আল্লাহ। ডা. মোয়াজ্জেম ঘোষিত ২৩ দফা ইশতেহার: ১ নগরীতে ন্যায়ের শাসন ও নাগরিক সেবা প্রতিষ্ঠা, ২ স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়ন, ৩ শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন, ৪ সুপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ৫ জননিরাপত্তা নিশ্চিত করণ, ৬ নগর পরিকল্পনা ও প্রশাসন,৭ সমাজ সেবার পূর্ণ ব্যবস্থা, ৮ প্রযুক্তির সিলেট গঠন, ৯ দূর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠণ, ১০ বৃদ্ধাশ্রম তৈরী ও বয়স্ক ভাতা প্রদান, ১১ বিদ্যুতের সুব্যবস্থা, ১২ ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ও বিনোদন, ১৩ ব্যবসা বান্ধব নগরী গড়ে তোলা, ১৪ নারী ও শিশুদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, ১৫ সুপরিকল্পিত নগরী গঠন, ১৬ গুনীজন ও নাগরিক সম্মাননা, ১৭ সহজলভ্য ও ভেজালমুক্ত খাদ্য সরবরাহ, ১৮ নিরাপদ সড়ক গঠন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ১৯ হোল্ডিং ট্যাক্স ও বাড়ি ভাড়া, ২০ পানি ও পয়ঃনিষ্কাষণ ও সুপেয় পানি সরবরাহ, ২১ মসজিদ ভিত্তিক সমাজ গঠন ও সকল ধর্মীয় শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, ২২ যানজট নিরসন ও পরিবহন ব্যবস্থার উনন্নয়ন, ২৩ সংখ্যালঘু ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর মানোন্নয়ন সহ পূর্ণাঙ্গ ইশতেহার ঘোষণা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট মহানগর সভাপতি নজির আহমদ, ইসলামী যুব আন্দোলন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) ডা. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট-৬ আসনে এমপি প্রার্থী মুহাম্মদ আজমল হোসেন, সিলেট-৩ আসনের এমপি প্রার্থী এম.এ. মতিন বাদশাহ, বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি সিলেট জেলার সদর ও সুনামগঞ্জ-১ আসনে এমপি প্রার্থী মুফতি মোঃ ফখর উদ্দীন, নায়েবে সদর হাফিজ মাওলানা আসাদ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আহমদ, ইসলামী যুব আন্দোলন জেলার সভাপতি মাওলানা নজির আহমদ, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন এর কেন্দ্রীয় কওমী মাদরাসা বিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ আহমদ মনসুর, ইশা ছাত্র আন্দোলন সিলেট মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শিহাব উদ্দিন, জেলা সভাপতি আবু তাহের মিসবাহ, সহ সভাপতি ফয়জুল হাসান চৌধুরী, নগর সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল আহমদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী রাকিব সহ প্রমুখ।ইনকিলাব
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র পায়েল হত্যার মানববন্ধন জনস্রোতে পরিণত
২৭ জুলাই সকাল ১০টায় সন্দ্বীপ এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে গত ২১ জুলাই রাতে হানিফ এন্টারপ্রাইজ এর চালক, সুপারভাইজার ও হেলপার কর্তৃক নৃশংসভাবে সন্দ্বীপ হরিশপুরনিবাসী, কাতার প্রবাসী পিতার কনিষ্ঠ পুত্র, বর্তমান হালিশহর আই-ব্লকের বাসিন্দা, চট্টগ্রাম মুসলিম হাই স্কুলের সাবেক কৃতি ছাত্র ও বর্তমানে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির মেধাবী শিক্ষার্থী মো: সাইদুর রহমান পায়েলকে হত্যার প্রতিবাদে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সন্দ্বীপ এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম এর সভাপতি এ.কে.এম. বেলায়েত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবু ইউসুফ রিপন, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এর পরিচালক সারওয়ার হাসান জামিল শামিম, উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রোমানা নাসরিন, দৈনিক সমকাল এর চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান সারওয়ার সুমন, সন্দ্বীপ মাইটভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লায়ন মো: মিজানুর রহমান, সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহেদ সরওয়ার শামিম। এতে বক্তারা বলেন, নৃশংসভাবে হত্যাকারী হানিফ এন্টারপ্রাইজ এর চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারসহ মালিকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান, সকল পরিবহন সংস্থাকে সুস্থভাবে যাত্রী সেবা নিশ্চিতকরণ করা। আমরা সাইদুর রহমান পায়েলকে হারিয়েছি। এভাবে যেন আর কখনো চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারদের অবহেলায় কোন পায়েলকে এই পৃথিবী ছেড়ে অকাল মৃত্যু বরণ করতে না হয় সে ব্যাপার সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। উল্লেখ্য, শ্রাবণের মুষলধারে ঝমঝম বৃষ্টি উপেক্ষা করে খোলা আকাশের নিচে বৃষ্টিতে ভিজে হাজার হাজার জনতা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে একাত্মতা প্রকাশ করায় সন্দ্বীপ এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম ও নিহত পায়েল এর পরিবার উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। মানববন্ধনে বক্তারা নিন্মুক্তদাবীগুলো উপস্থাপন করেন- ১. হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসি, ২. পরিবহন সেক্টরের অরাজকতার অবসান চাই, ৩. উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবী, ৪. দূর্ঘটনার নামে প্রতিনিয়ত মানুষ হত্যা থেকে মুক্তি চাই, ৫. পরিবহন সেক্টরে সু-নির্দিষ্ট নীতিমালার (লাইসেন্স, ফিটনেস সহ সকল ইস্যু) ঘোষণা ও বাস্তবায়ন চাই। এছাড়াও নিহত পায়েল এর মামা মো: কামরুজ্জামান টিটু ২১ জুলাই রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে হানিফ এন্টারপ্রাইজ কর্তৃক নির্মমভাবে পায়েল এর হত্যার সেই লোমহর্ষক বিবরণ সকলের সামনে উপস্থাপন করেন। বক্তারা আরো বলেন, যতদিন পর্যন্ত পায়েল হত্যাকান্ডের বিচার ও কার্যকর না হবে ততদিন পর্যন্ত হানিফ এন্টারপ্রাইজকে বয়কট করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান। সন্দ্বীপ এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: জিয়াউল হাসান শিবলুর সঞ্চালনায় ও প্রচার সম্পাদক কাজী জিয়াউদ্দিন সোহেল এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মগধরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম. আনোয়ার হোসেন, মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের নাদিম, সন্দ্বীপ এডুকেশন সোসাইটির সভাপতি মো: হেলাল উদ্দিন, উত্তর জেলা জাসদের সভাপতি বেলায়েত হোসেন, সন্দ্বীপ ছাত্র ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মারফী, সন্দ্বীপ থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জিকু। এছাড়াও যে সকল সংগঠন উক্ত মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে তা হলো- লিও ক্লাব অব চিটাগাং সন্দ্বীপ, লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং সন্দ্বীপ, বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ, সন্দ্বীপ জনকল্যাণ পরিষদ, ব্যান্ডিং ক্লাব হালিশহর, প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদ কাজী আফাজ উদ্দিন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, হালিশহর আই-ব্লকবাসী, হালিশহর থানা ছাত্রলীগ, ইয়ূথ ক্লাব অব চিটাগাং সন্দ্বীপ, সন্দ্বীপ ছাত্র ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, আলোকিত সংঘ, মগধরা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদ, লিও ক্লাব অব চিটাগাং ইমার্জিন সন্দ্বীপ, সন্দ্বীপ স্টুডেন্ট এফিনিটি আইআইইউসি, সন্দ্বীপ ল’স্টুডেন্ট ফোরাম, সন্দ্বীপ কবি-লেখক ফোরাম, চট্টগ্রাম মুসলিম হাই স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রী, হালিশহর ও চট্টগ্রামের সকল সংগঠন, সর্বস্তরের জনসাধারণ, সন্দ্বীপ এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম এর অর্থ সম্পাদক মো: মজিবুল মাওলা, সহ-সভাপতি এস.এম. ইব্রাহিম, নির্বাহী সদস্য আ.ফ.ম ফোরকান উদ্দিন খান, মো: শাহজাহান, কাজী আবদুর রহিম সোহাগ, মমতাজুন নেছা সোমা, রেডিও টু ডে’র সাংবাদিক মো: সালেহ নোমান, চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাদের আজাদ খান, সন্দ্বীপ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সীমান্ত প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মতবিনিময় সভায় ড.আবু রেজা নদভী এমপি,টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির যেকোন সংকট মোকাবেলায় সর্বাত্�
চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া লোহাগাড়া আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড, আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপি বলেন, ব্যবসায়ীরা দেশের উন্নয়নের চালিকাশক্তি। তাদের নিঃস্বার্থ কর্মকান্ডই পারে দেশের অর্থ ও সমাজ ব্যবস্থাকে উন্নত করতে। বাংলাদেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যবসায়ীদের অবদান অনস্বীকার্য। শুধুমাত্র মুনাফার উদ্দেশ্যে নয়, দেশের উন্নয়নে কাজ করতে হবে ব্যবসায়ীদের। ড. আবু রেজা নদভী এমপি বলেন, চট্টগ্রামের অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র টেরিবাজারের ব্যবসায়ীদের সিংহ ভাগই সাতকানিয়া লোহাগাড়ার অধিবাসী। তিনি যে কোন সংকটময় মুহুর্তে টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ব্যবসায়ীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, সমিতি জায়গার ব্যবস্থা করে দিতে পারলে আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে টেরিবাজার এলাকায় সুপরিসর মসজিদ নির্মাণ করে দেওয়া হবে। তিনি গতকাল ২৬ জুলাই ২০১৮ ইং বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে সমিতির কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আমিনুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আহমদ হোছাইনের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চিটাগাং চেম্বারের পরিচালক অহিদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মহিলা কাউন্সিলর আন্জুমান আরা বেগম, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহমদ লিটন, দপ্তর সম্পাদক ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সাইদুর রহমান দুলাল, সাংসদের একান্ত সচিব ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য এরফানুল করিম চৌধুরী। অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন সমিতির সাবেক সভাপতি লায়ন আলহাজ্ব ওসমান গণি চৌধুরী, সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি দিদারুল আলম, সহ-সভাপতি মুহাম্মদ মুছা, ফরিদুল আলম, উপদেষ্টা বেলায়েত হোসেন, হাজী রফিকুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাঈল, ফজল আহমদ হারুন, নুরুল আবছার, ওসমান গণি, সমিতির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন, তামাকুমন্ডি লেইন বনিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, সাতকানিয়া সমিতি-চট্টগ্রামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন। সমিতির কর্মকর্তাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব গোলাম নবী, আবুল কালাম, মুহাম্মদ আলমগীর, ফজল আহমদ, আবুল মনছুর, এমরানুল হক সাঈদ, ইব্রাহিম পারভেজ, আবু তাহের, শহীদ সোহরাওয়ার্দী বাহাদুর, সিরাজুল ইসলাম। অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা নুরুল মোস্তফা চৌধুরী, সাংসদের সহকারী একান্ত সচিব শাহাদত হোসাইন শাহেদ, যুবলীগ নেতা দিদারুল ইসলাম শিপন, দেলোয়ার হোসেন বেলাল প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর