মহেশখালির মাতারবাড়িতে আ-লীগ নেতাকে হাত-পা কেটে হত্যা
অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজারে জিয়াবুল হক নামে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করেছে। এসময় সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে তার ১টি হাত ও দুইটি পা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। বুধবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে মহেশখালির মাতারবাড়ি বাজারে এঘটনা ঘটে। জিয়াবুল হক মহেশখালী উপজেলার মাতরবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় জিয়াবুলকে চট্টগ্রামে নেয়ার পথে রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে বলেও জানান ওসি। নিহত আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াবুলের ছোট ভাই ও স্থানীয় ইউপি সদস্য সরওয়ার কামাল জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল জিয়াবুল হককে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। বিষয়টি মহেশখালী থানা ও মাতারবাড়ি পুলিশ ফাঁড়িকে কয়েক দফায় অবহিত করা হয়েছিল। ওই প্রভাবশালী সন্ত্রাসী গ্রুপটি প্রকাশ্য জনসম্মুখে তার ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ তার।
বঙ্গবন্ধু একাডেমির জাতীয় শোক দিবসের সমাবেশে বক্তারা, বঙ্গবন্ধু বাঙালিদের শৃঙ্খলমুক্ত বাংলাদে
বঙ্গবন্ধু একাডেমি চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে “বাঙালির শোক ও বঙ্গবন্ধুর রক্তাক্ত বাংলাদেশ” শীর্ষক সমাবেশে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’র উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বড়–য়া প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছেন বঙ্গবন্ধু শব্দটি এখন গবেষণার বিষয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী বঙ্গবন্ধুকে জাগ্রত রাখতে হলে বঙ্গবন্ধুর চেতনা ও আদর্শের পক্ষে কাজ করতে পরলেই তবেই একটি সুন্দর বাংলাদেশ নির্মাণ সম্ভব হবে। প্রধান বক্তার বক্তব্যে চবি’র কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সেকান্দর চৌধুরী বলেন, ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু হাজার বছরের চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন। কারণ তিনি বাঙালিকে শৃঙ্খলমুক্ত স্বাধীনতা ও বাংলাদেশ দিয়েছেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম রেডিক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ডা. শেখ শফিউল আজম বলেন, শেখ হাসিনার উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে যারা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে চায়, এরাই বাঙালির স্বাধীনতা চাইনি। শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রয়োজন। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, জঙ্গিবাদ, কোটা বিরোধী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দিয়ে অনৈতিক আন্দোলনের নামে শেখ হাসিনা সরকারকে উখ্যাত করা যাবে। তিনি বলেন, সকল অপশক্তির ষড়যন্ত্র নসাৎ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ অবশ্যই বাস্তবায়ন হবে। বঙ্গবন্ধু একাডেমির সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সৈয়দ দিদার আশরাফী ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আহমেদ শাহিনের যৌথ সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন নাট্যজন সজল চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন জাসদ নেতা ভানুরঞ্জন চক্রবর্তী, সুযশ্ময় চৌধুরী, ১৪ দলীয় নেতা স্বপন সেন, কাতার বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (সরোয়ার), লায়ন এ.কে. জাহেদ চৌধুরী, অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, এড. আশুতোষ দত্ত নান্টু, কবি এহসান মাহমুদ আলম, মুক্তিযুদ্ধের সন্তান দীপঙ্কর চৌধুরী কাজল, শিল্পী দিপেন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধার চেতনা ও গবেষণা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হেফাজত ইসলাম চৌধুরী, প্রণবরাজ বড়–য়া, মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোতালেব তালুকদার, মুক্তিযোদ্ধা শাহাব উদ্দিন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা এস.এম. আবু তাহের, মুক্তিযোদ্ধা রমিজ উদ্দিন আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা এম এ সালাম, মোঃ এজাহারুল হক, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম খান, সাবেক ছাত্রনেতা বিপ্লব দাশ গুপ্ত, গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা মিনু রানী দাশ, অধ্যাপক শিব প্রসাদ, কাজী আইয়ুব, এস.এম. হাসান উদ্দিন, কবি ফেরদৌসী মুন, শিল্পী রায়হান সুলতানা নিহা, কবি জান্নাতুল ফেরদৌস সোনিয়া, রোজী চৌধুরী, হারুন উর রশিদ, মোঃ হোসেন, এড. মোঃ ছুরত জামাল, ইউনুচ মিয়া, দিলীপ হোড়, জামাল উদ্দিন কান্টু প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আশেকানে আউলিয়া কামিল মাদরাসায় বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ১৫ আগষ্ট নগরীর বায়েজিদ থানাধীন আশেকানে আউলিয়া কামিল মাদ্রাসার মিলনায়তনে অধ্যক্ষ এইচ এম রিদুয়ানুল হক হক্কানী সাহেবের সভাপতি অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আল্লামা মুহাম্মদ খায়রুল বশর হক্কানী (মঃজিঃআঃ)। শেখ মুহাম্মদ আরিফুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ডাঃ মুহাম্মদ ইদ্রিস, মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, আল্লামা মুহাম্মদ ইউসুফ আল কাদেরী, মাষ্টার নূরুল ইসলাম কামাল, শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক এস এম শাহাদাত হোসনাইন, আল্লামা রফিক উদ্দিন, ইব্রাহিম খলিল, আল্লামা এম এম বারী, মাওলানা মুহাম্মদ ইমরান হোসেন, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, মাওলানা হাফেজ মুহাম্মদ আহমদুর রহমান, মাওলানা কামাল উদ্দিন, মাওলানা এমরান, অধ্যাপিকা শেখ কামরুন নাহার, শামীমা আকতার, শামীমা আক্তার, রোকেয়া বেগম, ফারজানা আফরোজ, সিনিয়র শিক্ষিকা নুর জাহান বেগম, ইসমত আরা ও হাসিনা বেগম প্রমুখ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট এর প্রামাণ্য চিত্র ও ভিডিও প্রদর্শনী করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মনচুর আলম, তাকে সহযোগিতা করেন মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন ও মুহাম্মদ মঈন উদ্দিন । প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ আল্লামা মুহাম্মদ খায়রুল বশর হক্কানী (মঃজিঃ আঃ) বলেন ইতিহাস সাক্ষী বঙ্গবন্ধু মানুষের জন্য কি করেছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে ইসলামি তাহজীব তামাদ্দুন ও ধর্মীয় কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে দেশে বিদেশে সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে ইসলামের কার্যক্রম বেগমান করা হয়। যারা ন্যায়ের জন্য সংগ্রাম, সত্য কথা তুলে ধরা, দেশ জাতির জন্য জীবন উৎসর্গ করেছে আমরা তাঁর স্বপরিবার ও স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় যারা শহীদ হয়েছেন। তাঁদের সকলের জন্য দোয়া কামনা করে মুনাজাত পরিচালনা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বঙ্গবন্ধুর স্মরণে একশটি খতমে কুরআন ও ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদর্শনী
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে গতকাল উত্তর কাট্টলী আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ চত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এবারের অনুষ্ঠানটি ছিল একটু ব্যতিক্রম। বঙ্গবন্ধুর স্মরণে একশটি খতমে কুরআন ও বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এর প্রদর্শনী করা হয়। উত্তর কাট্টলী আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম কেজি এন্ড হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মহিবুর রহমানের নেতৃত্বে ও শিক্ষকমন্ডলীর সার্বিক সহযোগিতায় স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ২৫জন শিক্ষার্থী এই প্রদর্শনিতে অংশ নেয়। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ততকালীন রেসকোর্স ময়দান বর্তমান সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে ১৮ মিনিটের সেই ভাষণ শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপন করে। ‘আমরা মুজিব হব’ এই চেতনাকে ধারণ করে সাদা পাঞ্জাবি-পায়জামা ও মুজিব কোট পরিধান করে বক্তৃতা প্রদান করে শিক্ষার্থীরা। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সিটি মেয়র এম মনজুর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম-৪ সীতাকু- আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব দিদারুল আলম এমপি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। ৪৩ বছর চলে গেল আমরা বঙ্গবন্ধুকে হারিয়েছি। তিনি ওপারে থাকলেও তিনি বেঁচে আছেন আমাদের মাঝে। আজ তাঁর শাহাদাত বার্ষিকীতে আমরা তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।’ কলেজের অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আকবর শাহ থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি লোকমান আলম, মোস্তফা-হাকিম গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, মোস্তফা-হাকিম ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীর, উপাধ্যক্ষ বাদশা আলম, অধ্যাপক কাজী মাহফুজুল হক চৌধুরী, মোহাম্মদ আবু ছগির, লায়লা নাজনীন রব, ফারহানা আক্তার, শামীমা আক্তার, ফাতিমা জামান, লুৎফুন্নেছা, রিয়া শারমিন, মনোয়ারা আহমেদ প্রমুখ। সমাপনী বক্তব্যে মনজুর আলম বলেন, ‘আজ জাতীয় শোক দিবস। ৪৩ বছর আগে এ দেশ হারিয়েছে একজন দেশ প্রেমিক ও মহান ব্যক্তি স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। একশটি খতমে কুরআন ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে তাঁর স্মরণার্থে। সাথে সাথে মুজিব আদর্শ পরবর্তী প্রজন্মকে যেন অনুপ্রাণিত করে সেই লক্ষে স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ উপস্থাপন করা হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য উপস্থাপন এটি একটি ব্যতিক্রম উদ্যোগ। এর মাধ্যমে আমি মনে করি ছোটদের মধ্যে এখন থেকে মুজিব চেতনা গড়ে উঠবে। তারা অনুসরণ করবে সেই মহান ব্যক্তিকে।’ অনুষ্ঠান শেষে জামিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার মুফতি মাওলানা আব্দুল ওয়াজেদ আল কাদেরীর দোয়া-মুনাজাতের মধ্য দিয়ে এবং উপস্থিত সকলের মাঝে খাবার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ঝালকাঠিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত
ঝালকাঠিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস র‌্যলি, চিত্রাংকন, রচনা প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে একটি শোক র‌্যালি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্প¯ত্মপক অর্পন, করেন জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক, পুলিশ সুপার জোবায়েদুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পরে শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক। স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক দেলায়ার হোসেন মাতুব্বরের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, সহসভাপতি এম এ আলাউদ্দিন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোবারক হোসেন মল্লিক প্রমুখ। পরে বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আতœার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজা করা হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
জাতির প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে :আবদুচ ছালাম
মহাকালের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গতকাল বুধবার বিকালে কাজেম আলী স্কুল এন্ড কলেজ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম বলেন, সংগ্রাম ও আন্দোলনের সুদীর্ঘ যাত্রায় বাঙালি বঙ্গবন্ধুকে আপন করে নিয়েছিল ইতিহাসের প্রধান নায়ক হিসেবে। ‘বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য ও সমার্থক শব্দ-প্রায়। তাঁর সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে আমরা স্বাধীন ভূখন্ড এবং লাল-সবুজের পতাকা অর্জন করেছি। আজও তাঁরই প্রেরণায় আমরা এগিয়ে চলেছি উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে।’ ঘাতকরা যত চেষ্টাই করুক না কেন বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। বস্তুত বঙ্গবন্ধুর জীবন ও বাংলাদেশ একাকার হয়ে গেছে। জীবদ্দশায় তিনি যেমন আমাদের সংগ্রাম ও সংকল্পের প্রতীক ছিলেন, মৃত্যুর এত বছর পরও তিনি তাঁর সেই স্থানেই স্বমহিমায় বিরাজিত রয়েছেন।’ সিডিএ চেয়ারম্যান আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের অগ্রগতি আজ বিশ্বের কাছে রোলমডেল। আজকের দিনে শোককে শক্তিতে পরিণত করে চক্রান্তকারীদের প্রতিহত করে উন্নয়নের চাকাকে সচল রাখতে হবে। জাতির প্রকৃত ইতিহাস আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে নতুন প্রজন্মকে সোনার মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। ’আগামী দিনেও যেন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকে সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই শিক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন। কাজেম আলী স্কুল এন্ড কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সৈয়দ উমর ফারুকের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক কৃষ্ণা দত্ত, প্রভাষক আইমুন নাহার পরিচালনায় প্রলয় দেব এবং চাঁদমনি নুরের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত শোক দিবসের অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ মো. গিয়াস উদ্দিন, বক্তব্য রাখেন কানিজ ফাতেমা, মো. আলমগীর, মাহবুবুর রহমান, কোরআন তেলাওয়াত করেন মিনহাজুর ইসলাম, গীতা পাঠ করেন পপি সর্ববিদ্যা, ত্রিপিটক পাঠ করেন জেসিকা বড়–য়া, বাইবেল পাঠ করেন সৈত্যচন্দ্র ত্রিপুরা, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তানভীরুল ইসলাম. সাবের হোসাইন শাহরিয়া, আলমাস উদ্দিন রাজিন, ইসরাতুন নেসা, জিসান আলী, আলমাস উদ্দিন রাজিন, দোয়া পরিচালনা করেন সৈয়দ মোহাম্মদ মুছা। সভা শেষে প্রধান অতিথি সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রচনা ও চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাঙালির অনুভব-অনুপ্রেরণায় মিশে আছেন বঙ্গবন্ধু :আবদুচ ছালাম
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে ধানম-ির ৩২ নম্বর বাড়িতে স্বাধীনতার মহান স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছে ঘাতকরা। তারা শুধু সপরিবারে তাঁকে হত্যা করেনি, সেদিন হত্যা করা হয়েছিলো একটি জাতির আত্মপরিচয়কে। আমাদের অবিনাশী চেতনাকে। বঙ্গবন্ধুর জীবনটাই ছিলো মানুষের জন্য উৎসর্গীকৃত। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর যারা বিভিন্ন ধরনের আস্ফালন করেছেন, ইতিহাস তাদের ক্ষমা করেনি। ইতিহাস ক্ষমা করবে না। তারা ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবেই। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু ছাত্র যুব উন্নয়ন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যাগে আয়োজিত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের মোমবাতি প্রজ্জলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ১৫ আগস্টের শোককে আমরা শক্তিতে পরিণত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলব। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে ইতোমধ্যে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা আরও সামনে এগিয়ে যাব। বঙ্গবন্ধু, বাঙালি ও বাংলাদেশ এক, অভিন্ন। তিনি মিশে আছেন, মিশে থাকবেন জাতির অগ্রযাত্রার প্রতিটি অনুভবে সাহস, শক্তি ও অনুপ্রেরণা হিসেবে। ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও সিডিএ বোর্ড সদস্য কেবিএম শাহজাহান, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাইফুদ্দিন রবি, বঙ্গবন্ধু ছাত্র যুব উন্নয়ন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ ফারুক। রফিকুল আলম বাপ্পী’র সভাপতিত্বে ও আবীর বাবুজী এবং মো. হোসেন রবিনের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জসিম উদ্দিন, কাজী মামুন, কফিল উদ্দিন, হাজী নাছির উদ্দিন, মো. আজম, মো. শওকত, লিয়াকত আলী, মো. বাদশা, মো. জাবেদ, মোহাম্মদ হোসেন, তসলীম উদ্দিন, মো. শফি, দেবাশীষ আচার্য্য, মো. আলমগীর, সরোয়ার আরমান, আলবীন নুর নাহিন প্রমুখ,প্রেস বিজ্ঞপ্তি
উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতার স্ব-পক্ষের শক্তি ঐক্যবদ্ধ হউন :প্যানেল মেয়র হাসনী
স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাৎ বাষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি কিরন শর্মার সভাপতিত্বে অদ্য ১৪ আগষ্ট মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় চেরাগী পাহাড়স্থ সংগঠনের কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর যুবলীগ নেতা মো. গিয়াস উদ্দিন । সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী হুমায়ন কবিরের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী,অর্থ সম্পাদক নুরুল কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদুল আজীজ,সাবেক ছাত্র নেতা এম শাহাদাৎ নবী খোকা, সংগঠনের সদস্য স.ম জিয়াউর রহমান,ফিরোজ চৌধুরী প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন যুবনেতা জহির উদ্দিন, সদস্য মো. আলমগীর, মো. কুতুব উদ্দিন রাজু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অরুণ নাথ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল মিয়া বাবলা, মোসলে উদ্দিন বাহার, কামাল উদ্দিন, শেখ সেলিম, মো. সাকিল, রূপন নাথ, মো. মনির। প্রধান অতিথি প্যানেল মেয়র হাসান মাহমুদ হাসনী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি রাষ্ট্র, একটি প্রতিষ্ঠান। যাঁর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতোনা। তাকে স্ব পরিবারে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট হত্যা করায় বাংলাদেশ ও বাঙ্গালী জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তখনকার সময়ে ৭৫ পরবর্তী সরকার সেসব ঘাতকদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পুরস্কৃত করেছে। সময় পেরিয়ে অনেক ত্যাগ ও সংগ্রামের মাধ্যমে তার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে সে ঘৃনিত খুনীদের বিচার করেছে। এখনও কয়েকজন ঘাতক বিদেশে পালিয়ে রয়েছেন। তাদেরকেও এদেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করে রায় কার্যকর করার অনুরোধ জানান তিনি। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতার স্ব-পক্ষের শক্তি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেতে প্রগতিশীল রাজনীতিবিদদের আবারো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে। যদিও প্রগতিশীল রাজনীতিবিদদের বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় আনতে ব্যর্থ হন, তাহলে প্রগতিশীল রাজনীতির কবর রচিত হবে। কাজেই সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে উন্নয়নের ধারবাাহিকতায় রক্ষা করার জন্য আহবান জানান তিনি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শোক দিবসের আলোচনা সভায় দিদারুল আলম এমপি বঙ্গবন্ধুর অবদানেই স্বাধীন হয়েছিল বাংলাদেশ
উত্তর কাট্টলী আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের উদ্যোগে গতকাল কলেজ চত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোায়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সিটি মেয়র এম মনজুর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম-৪ সীতাকু- আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব দিদারুল আলম এমপি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম হয়েছিল বলেই আমরা পেয়েছিলাম একটি স্বাধীন দেশ। পৃথিবীর মাানচিত্রে স্থান পেয়েছিল বাংলাদেশ নামক একটি দেশের। এদেশের মাটি ও মানুষের জন্য কাজ করেছেন তিনি আজীবন। জীবনে ১৭বার কারবন্ধি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। অথচ স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছর পর কিছু বিপথগামী ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বপরিবারে হত্যা করল এই মহান নায়ককে।’ অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান ও লায়লা নাজনীন রবের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আকবর শাহ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান আহাম্মদ, সহ সভাপতি লোকমান আলম, সাধারণ সম্পাদক কাজী আলতাফ হোসেন, শ্রমিক লীগ নেতা মুহাম্মদ শফি বাঙালি, সীতাকু- উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ ইসহাক, ৯ নং ভাটিয়ারি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড’র সাবেক কাউন্সিলর মো. আলমগীর, মোস্তফা-হাকিম ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীর, উপাধ্যক্ষ বাদশা আলম, অধ্যাপক কাজী মাহফুজুল হক চৌধুরী, মোহাম্মদ আবু ছগির, ফারহানা আক্তার, শামীমা আক্তার, ফাতিমা জামান, লুৎফুন্নেছা, রিয়া শারমিন, মনোয়ারা আহমেদ প্রমুখ। সমাপনী বক্তব্যে মনজুর আলম বলেন, শোকের মাসে পুরো মাস জুড়ে জাতির জনক ও বঙ্গমাতাকে স্মরণ করতে আমরা নানা আয়োজন করে থাকি। এরিধারাবাহিকতায় রয়েছে কুরআন খতম, আলোচনা সভা, গরীব ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ, ফ্রি খতনা ক্যাম্প ও গত ১৩ আগস্ট রাতে কলেজ চত্বরে ছিল গরীব ও দুস্থদের জন্য জমকালো বিয়ের আয়োজন। বর-কণের উভয় পক্ষের আত্মীয়-স্বজনসহ হাজার মেহমানের আপ্যায়নের ব্যবস্থাসহ বিয়ের নানা সামগ্রী আয়োজনের মধ্য দিয়ে আয়োজন করা হয় বিয়ে অনুষ্ঠানের।’ এমন নানা আয়োজন দেখে অভিভূত হয়েছেন বর-কণেরাও।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর