কিডস কালচারাল ইন্সিটিটিউট এর ২৫ বছরপুর্তিতে ২দিনব্যাপী শিশু উৎসব ও মিলনমেলার সমাপনীতে সিটি মে
অনলাইন ডেস্ক :এসো সবাই হাসতে শিখি, দেশকে ভালোবাসতে শিখি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিডস কালচারাল ইন্সিটিটিউট এর ২৫ বছরপূর্তিতে ২দিনব্যাপী শিশু উৎসব ও মিলনমেলার সমাপনী অনুষ্ঠান গতকাল ০৩ নভেম্বর বিকেল ৫টায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমীর মুক্তমঞ্চে কাউন্সিলর রোটারিয়ান আনজুমান আরা বেগমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮২ বাংলাদেশ এর গভর্নর রোটারিয়ান দিলনাশি মোহসেন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সংগীতজ্ঞ প্রফেসর হাসিনা জাকারিয়া বেলা, রোটারি ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮২ বাংলাদেশ কর্ণফুলী জোনের জোনাল কো-অর্ডিনেটর রোটারিয়ান রিজোয়ান সিদ্দিকী, রোটারি ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮২ বাংলাদেশ এর ডেপুটি গভর্নর রোটারিয়ান ওমর আলী ফয়সাল, রোটারি ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮২ বাংলাদেশ এর এসিটেন্ট গভর্নর রোটারিয়ান নজরুল ইসলাম নান্টু, রোটারি ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮২ বাংলাদেশ এর ডেপুটি গভর্নর মো: শাহ জাহান, চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বাবু, রিভার হালদার আইপিপি খোরশেদ আলম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী মো: শাহাব উদ্দিন, অপর্ণাচরণ সিটি কর্পো: স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জারেখা বেগম, বন্দর কর্তৃপক্ষ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাফিয়া খাতুন, সাবেক জাতীয় ফুটবলার আবদুল মান্নান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কিডস কালচারাল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. সৌরভ সাখাওয়াত। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রবীর পাল ও শুভাশীষ শুভ। বিকেল ৩টায় প্রথম অধিবেশনে আন্তঃ শিশু বান্ধব সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা পর্বে প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ বেতারের আঞ্চলিক পরিচালক এস.এম. আবুল হোসেন। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আনোয়ারা বেগম, সেন্ট স্কলাস্টিকাস্ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিস্টার রেনু মারিয়া পালমা, চট্টগ্রাম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো: কামাল উদ্দিন, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ফ্রোবেল একাডেমী, ফ্রোবেল স্কুল, উইলিয়াম কেরি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, রেডিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ, টেকনোসাইডার ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সেন্ট স্কলাস্টিকাস্ গার্লস্ স্কুল এন্ড কলেজ, সিলভার বেলস্ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, অপর্ণাচরণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বন্দর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। ছোটদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় ছিল- শিশু সমাবেশ, শিশু সাহিত্যিক সম্মিলন, অন্তর শিশু বান্ধব স্কুল সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, নাটক, পাপেট শো, ম্যাজিক, ফ্যাশন শো ও কিডস্ কালচার ইনস্টিটিউট প্রযোজিত সৌরভ সাখাওয়াত রচিত দেবাংশু হোর উড়াল পাখি। দ্বিতীয় পর্বে প্রাক্তন প্রশিক্ষক ম-লীর পরিচালনায় সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করেন নাট্য নির্দেশক বাপ্পী চৌধুরী পরিচালিত বিটা পাপেট দল পরিবেশিত ‘পাপেট শো-ম্যমনা, সংগীত ঝুলন দত্ত পরিচালিত কাপ্তাই সাংস্কৃতিক একাডেমী পরিবেশিত জারি গান ও সংগীত পরিবেশনা, নৃত্য প্রশিক্ষক সোমা বোস পরিচালিত শিশু একাডেমী নৃত্য পরিবেশনা, নৃত্য প্রশিক্ষক অনন্য বড়–য়া পরিচালিত প্রাপন একাডেমী নৃত্য পরিবেশনা, নৃত্য প্রশিক্ষক স্বপন বড়–য়া পরিচালিত সঞ্চারী নৃত্যকলা একাডেমী, নৃত্য প্রশিক্ষক তরুণ চক্রবর্ত্তী পরিচালিত দি ক্লাসিক এন্ড ফোক ডান্স পরিবেশিত, নৃত্য প্রশিক্ষক ফজল আমিন শওন পরিচালিত চারুতা সংগীত একাডেমী, নৃত্য প্রশিক্ষক তন্ময় বড়–য়া পরিচালিত নৃত্যরঙ পরিবেশিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রবীর পাল পরিচালিত মমতা কালচার ইনস্টিটিউটের পরিবেশনা, সুস্মিতা কর পরিচালিত দ্বীপশিখা খেলাঘর পরিবেশনা, মুজাহিদুল ইসলামের পরিচালনায় তারুণ্যের উচ্ছ্বাসের আবৃত্তি পরিবেশন, ওটু স্ট্রিট ডান্স ক্লু পরিবেশিত আধুনিক নৃত্য। ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার লিটন দাশ লিটু পরিচালিত কিডস্ কালচারাল ইনস্টিটিউট ছোটদের মজার মজার যাদু পরিবেশিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, শিশুদেরকে মানসিকভাবে উন্নতমনস্ক করার জন্য সৃজনশীল চর্চার কোনো বিকল্প নেই। প্রত্যেক শিশুকে শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে আরো অধিক মনোনিবেশ করতে হবে। তিনি বলেন, অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে যাতে করে শিশুরা কোনো রকম ঝুঁকিপূর্ণ কিংবা কুসংস্কৃতি গ্রহণ করতে না পারে। প্রত্যেক শিশুকে আনন্দ, উৎসাহ ও পরম মমতায় শিক্ষাদান করতে হবে। সভাশেষে প্রধান অতিথি ইচ্ছেমত ছবি আঁকা, আবৃত্তি, অভিনয়, লোকনৃত্য, দেশের গান, যেমন খুশি তেমন সাজো, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে ক্রেস্ট তুলে দেন।
মিথ্যা মামলা হইতে অব্যহতি পেয়েছেন সাংবাদিক নাছির উদ্দিন চৌধুরী
সুজন আশ্চ্যার্য, আদালত প্রতিনিধিঃ আরো একটি মিথ্যা মামলা হইতে ০৪ ই নভেম্বর ২০১৮ ইং তারিখ মাননীয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালত চট্টগ্রাম সাংবাদিক নাছির উদ্দিন চৌধুরীকে অব্যহতি প্রদান করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়,সাংবাদিক নাছির উদ্দিন চৌধুরী দৈনিক চৌকস পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন কালীন সময়ে একই পত্রিকায় সাংবাদিক নাছির উদ্দিন চৌধুরী কতৃক সহ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান কারী ব্যক্তি নূরুল আবছার আনছারি,নাছির উদ্দিন চৌধুরীর নিকট টাকা পাইবে মর্মে গত ১১/০৩/২০১৩ ইং তারিখে চট্টগ্রাম বিজ্ঞ আদালতে একটি সি.আর মামলা দায়ের করেন। সি.আর মামলা নং- ৪০২/১৩। উক্ত মামলায় বাদি সহ ৫ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষের স্বাক্ষ্য প্রমান পর্যালোচনা করিয়া সাংবাদিক নাছির উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় উভয়ের উপস্থিতিতে অদ্য ০৪ ই নভেম্বর উক্ত মামলা হইতে বিবাদি নাছির উদ্দিন চৌধুরী কে অব্যহতি প্রদান করেন। উক্ত বিষয়ে নাছির উদ্দিন চৌধুরী বলেন,আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপূর্ন করার জন্য আমার সুনাম ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে নূরুল আবছার আনছারি আমার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে উক্ত মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। আমি দির্ঘ দিন আইনি লড়াই শেষে আজ উক্ত মামলা হইতে নির্ধোষী হিসেবে খালাস পেয়েছি ,আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি। আমি বিজ্ঞ আদালতের মাননীয় বিচারক ও আমার আইনজীবীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই । নাছির উদ্দিন চৌধুরীর আইনজীবী মোঃ আলাউদ্দিন বলেন, নূরুল আবছার আনছারী আমার মক্কেল সাংবাদিক নাছির উদ্দিন চৌধুরীর সম্মান হানির উদ্যেশ্যে উক্ত মিথ্যা মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে দায়ের করেছিলো।নূরুল আবছার আনছারী আমার মক্কেল এর বিরুদ্ধে শুধু উক্ত মামলাটি নয় সে নিজে বাদি হয়ে সি.আর ৩৯৫(এ)/১৪ (কোতোয়ালী) ও তার স্ত্রী সাজেদা বেগম সাজুকে দিয়ে সি.আর ৭৮/১৪(চান্দঁগাও) সহ আরো অনেক মিথ্যা মামলা ও অভিয়োগ বিজ্ঞ আদালত সহ বিভিন্ন স্থানে দায়ের করিলেও আমার মক্কেল সকল মামলা ও অভিয়োগ হইতে নির্ধোষ প্রমানিত হয়ে সকল মামলা হইতে অব্যাহতি পান। আমার মক্কেল একজন সুনাম খ্যাত সাংবাদিক। এখনো আমার মক্কেল উক্ত ব্যক্তি ও তার দলের অপরাপর ব্যক্তিগনের মিথ্যা মামলা ও সন্ত্রাসী হামলার হুমকির মধ্যে রয়েছেন। আমরা বিজ্ঞ আদালতে ন্যায় বিচার পেয়েছি।
মিথ্যা মামলা হইতে অব্যহতি পেয়েছেন সাংবাদিক নাছির উদ্দিন চৌধুরী
সুজন আশ্চ্যার্য, আদালত প্রতিনিধিঃ আরো একটি মিথ্যা মামলা হইতে ০৪ ই নভেম্বর ২০১৮ ইং তারিখ মাননীয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালত চট্টগ্রাম সাংবাদিক নাছির উদ্দিন চৌধুরীকে অব্যহতি প্রদান করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়,সাংবাদিক নাছির উদ্দিন চৌধুরী দৈনিক চৌকস পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন কালীন সময়ে একই পত্রিকায় সাংবাদিক নাছির উদ্দিন চৌধুরী কতৃক সহ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান কারী ব্যক্তি নূরুল আবছার আনছারি,নাছির উদ্দিন চৌধুরীর নিকট টাকা পাইবে মর্মে গত ১১/০৩/২০১৩ ইং তারিখে চট্টগ্রাম বিজ্ঞ আদালতে একটি সি.আর মামলা দায়ের করেন। সি.আর মামলা নং- ৪০২/১৩। উক্ত মামলায় বাদি সহ ৫ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষের স্বাক্ষ্য প্রমান পর্যালোচনা করিয়া সাংবাদিক নাছির উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় উভয়ের উপস্থিতিতে অদ্য ০৪ ই নভেম্বর উক্ত মামলা হইতে বিবাদি নাছির উদ্দিন চৌধুরী কে অব্যহতি প্রদান করেন। উক্ত বিষয়ে নাছির উদ্দিন চৌধুরী বলেন,আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপূর্ন করার জন্য আমার সুনাম ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে নূরুল আবছার আনছারি আমার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে উক্ত মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। আমি দির্ঘ দিন আইনি লড়াই শেষে আজ উক্ত মামলা হইতে নির্ধোষী হিসেবে খালাস পেয়েছি ,আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি। আমি বিজ্ঞ আদালতের মাননীয় বিচারক ও আমার আইনজীবীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই । নাছির উদ্দিন চৌধুরীর আইনজীবী মোঃ আলাউদ্দিন বলেন, নূরুল আবছার আনছারী আমার মক্কেল সাংবাদিক নাছির উদ্দিন চৌধুরীর সম্মান হানির উদ্যেশ্যে উক্ত মিথ্যা মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে দায়ের করেছিলো।নূরুল আবছার আনছারী আমার মক্কেল এর বিরুদ্ধে শুধু উক্ত মামলাটি নয় সে নিজে বাদি হয়ে সি.আর ৩৯৫(এ)/১৪ (কোতোয়ালী) ও তার স্ত্রী সাজেদা বেগম সাজুকে দিয়ে সি.আর ৭৮/১৪(চান্দঁগাও) সহ আরো অনেক মিথ্যা মামলা ও অভিয়োগ বিজ্ঞ আদালত সহ বিভিন্ন স্থানে দায়ের করিলেও আমার মক্কেল সকল মামলা ও অভিয়োগ হইতে নির্ধোষ প্রমানিত হয়ে সকল মামলা হইতে অব্যাহতি পান। আমার মক্কেল একজন সুনাম খ্যাত সাংবাদিক। এখনো আমার মক্কেল উক্ত ব্যক্তি ও তার দলের অপরাপর ব্যক্তিগনের মিথ্যা মামলা ও সন্ত্রাসী হামলার হুমকির মধ্যে রয়েছেন। আমরা বিজ্ঞ আদালতে ন্যায় বিচার পেয়েছি।
যশোরে অভয়নগর উপজেলায় স্কুলছাত্রকে গলাকেটে হত্যা
অনলাইন ডেস্ক: যশোরের অভয়নগর উপজেলায় হাসিবুর রহমান (৯) নামে এক স্কুলছাত্রকে গলা কেটে হত্যার পর লাশ স্থানীয় একটি পুকুরে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। আজ রোববার সকালে অভয়নগরের একতারপুর গ্রামের পুকুরপাড় থেকে ওই ছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত স্কুলছাত্র হাসিবুর রহমান উপজেলার একতারপুর গ্রামের মফিজুর রহমান মল্লিকের একমাত্র ছেলে। সে একতারপুরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভয়নগর থানার এসআই সাইফুল আলম জানান, কে বা কারা তাকে গলা কেটে হত্যা করে পুকুরপাড়ে ফেলে রেখে গেছে। তবে আশা করছি, খুব অল্প সময়ের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের ক্লু পুলিশ বের করতে পারবে। একতারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহিনা পারভীন জানান, প্রতিদিনের ন্যায় হাসিবুর রহমান শনিবারও বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে ক্লাস করেছে। রোমহর্ষক এ হত্যাকাণ্ডের খবর বিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। এ মর্মান্তিক মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্কুল প্রাঙ্গণে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ছাত্রছাত্রীরা।
রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় কচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
অনলাইন ডেস্ক: রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় ট্রাকচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- রাজশাহী মহানগরীর বিমানবন্দর থানার বৈরাগিপাড়া এলাকার জেকের আলীর ছেলে ইমন আলী (২৪) ও একই থানার তকিপুর এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে সুজন ইসলাম (২৬)। আজ রোববার সকাল ৮টার দিকে তারাপুর হাইওয়ে সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। রাজশাহীর পবা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুস্তাফিজুর রহমান জানান, সকালে একটি মালবোঝাই ট্রাক রাজশাহীর দিক থেকে নাটোরের দিকে যাচ্ছিল। ট্রাকটি যাওয়ার সময় রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কের তারাপুর নামক স্থানে মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই চালক ইমন আলী মারা যায়। এ সময় স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় সুজনকে উদ্ধার করে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসাতালে পাঠান। পরে খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এদিকে, রাজশাহীর পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিল উদ্দিন আহমেদ জানান, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সুজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু হাসপাতলের নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তার লাশ হাসপাতালের শবাগারে রয়েছে। এছাড়া ইমনের লাশ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে আছে। ঘাতক ট্রকটি চাপা দেয়ার পর পালিয়ে গেছে। তবে ট্রাকটি আটকের জন্য চেষ্টা চলছে। দু'জন নিহতের এ ঘটনায় মামলা হবে বলেও জানান পুঠিয়া থানার এই পুলিশ কর্মকর্তা।
ঘন কুয়াশায় কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ
অনলাইন ডেস্ক: কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে শনিবার দিবাগত রাত ৩টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখে কর্তৃপক্ষ। বিআইডব্লিউটিসির কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আবদুস সালাম মিয়া জানান, রাতে হঠাৎ কুয়াশা দেখা দেয়। পরে এর তীব্রতা বাড়তে থাকলে পদ্মায় দিকনির্দেশনামূলক বাতি ঝাপসা হয়ে আসে। ফলে পদ্মায় চলাচলরত ফেরিগুলোর দিক নির্ণয়ে সমস্যা হলে দুর্ঘটনা এড়াতে রাত ৩টা থেকে সব ফেরি চলাচল বন্ধ করা হয়। তবে কুয়াশা কেটে গেলেই ফেরি পারাপার ফের স্বাভাবিক হবে বলে জানান ফেরিঘাট ব্যবস্থাপক।
নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় চোরচক্রের ৩ সদস্য আটক
অনলাইন ডেস্ক: নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় চুরি হওয়া দুটি গরু উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের তিন সক্রিয় সদস্য জয়নাল হোসেন (৪২), মুঞ্জুর হোসেন (৪৫) ও রউফ মিয়াকে (৩৫) আটক করেছে পলাশ থানা পুলিশ। শনিবার বিকেলে উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়ন বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি গরু উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা হলেন, নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানা এলাকার মধ্যনগর গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান মিয়ার ছেলে জয়নাল হোসেন, রাজবাড়ী সদর উপজেলার মরবিলা গ্রামের মৃত জহর মিয়ার ছেলে মুঞ্জুর হোসেন ও নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার কুমড়াদী গ্রামের তমিজ উদ্দিনের ছেলে রউফ মিয়া। থানা পুলিশ জানায়, প্রায় ছয় মাস আগে মনোহরদী উপজেলার একদড়িয়া ইউনিয়নের কেলুয়া গ্রাম থেকে দুটি গরু চুরি করে চরসিন্দুর এলাকায় রউফ মিয়ার বোনের বাড়িতে লালন-পালনের জন্য রাখে। পরে ওই গরু দুটি শনিবার বিকেলে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার পথে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশ গরুসহ তাদের আটক করে। এ ব্যাপারে পলাশ থানার ওসি (তদন্ত) গোলাম মোস্তাফা জানান, আটককৃতরা আন্তঃজেলা চোরচক্রের সক্রিয় সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে নরসিংদী জেলাসহ বিভিন্ন জেলায় ডাকাতি মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
চট্টগ্রামে বাসায় বিস্ফোরণ- ২ শিশুর মৃত্যু
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে একটি ভবনে গ্যাসের লাইন বিস্ফোরণে আগুনে দগ্ধ ৫ জনের মধ্যে দুই শিশু মারা গেছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। নিহত শিশুরা হলো- রাজিয়া সুলতানা (১১) ও মো. সামিন (৩)। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. আলাউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। বুধবার সন্ধ্যায় হাটহাজারীর আমানবাজার এলাকায় মো. সেলিমের মালিকানাধীন একটি বাসার তৃতীয় তলার ভাড়াটে মো. আনোয়ারের বাসায় বিকট শব্দে গ্যাস লাইন ফুটো হয়ে বিস্ফোরণ ঘটে। দীর্ঘদিন ওই বাসায় কোনো ভাড়াটিয়া ছিল না। দরজা-জানালা বন্ধ ছিল। ভাড়াটিয়া হিসেবে প্রথম দিন আনোয়ার ওই বাসায় পরিবার নিয়ে উঠেছিলেন। এতে আনোয়ারের ছেলে সামিন, ইয়ামিন ও স্ত্রী সুমি আক্তারসহ মোট ৫ জন দগ্ধ হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা রাতেই জানান, আগুনে দগ্ধ ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা জানিয়েছিলেন, গ্যাসের লাইন ফুটো হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এটি অন্য কিছু নয়। এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার গ্যাসের লাইন পরীক্ষা করা হবে। চট্টগ্রাম বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক সাজনীনা হক জানিয়েছেন, আহত ব্যক্তিরা আগুনে দগ্ধ হয়েছেন।
রাজশাহীতে ভ্যান চুরি করতে চালককে খুন
অনলাইন ডেস্ক: রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় একটি ভ্যান চুরি করতে এর চালককে খুন করা হয়েছে। খুন করে ভ্যান নিয়ে পালানোর সময় চোর সন্দেহে ওই যুবককে আটক করেছেন গ্রামবাসী। আটক যুবকের নাম আল-মামুন (১৯)। আটকের পর তিনি চালককে খুন করে ভ্যান নিয়ে পালানোর কথা স্বীকার করেছেন। আটক মামুনের বাড়ি জেলার বাঘা উপজেলার বাউসা গ্রামে। তার বাবার নাম মহির আলী। আর নিহত ভ্যানচালকের নাম মো. রাজু (১৭)। কিশোর রাজু বাউসা মধ্যপাড়া গ্রামের আজিত আলীর ছেলে। ভাড়ায় নিয়ে গিয়ে চারঘাটের হাবিবপুরে তাকে গলাটিপে হত্যা করা হয়। চারঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল বাকী বলেন, বুধবার সন্ধ্যার পর চারঘাটের নন্দনগাছি যাওয়ার কথা বলে রাজুকে বাঘার হরিনাপুর থেকে ভাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রাত দেড়টার দিকে হাবিবপুরে গলাটিপে হত্যা করা হয়। পরে ভ্যান নিয়ে পালাচ্ছিলেন আল-মামুন। নন্দনগাছি এলাকায় গ্রামবাসী তাকে চোর সন্দেহে আটক করে। পরে পুলিশে খবর দেয়া হয়। পুলিশ গিয়ে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে মামুন জানান, চালককে খুন করে ভ্যানটি ছিনতাই করা হয়েছিল। এরপর মামুনই পুলিশকে নিয়ে গিয়ে ধানক্ষেতের ভেতর নিহত ভ্যান চালকের মরদেহ দেখান। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। রাজু খুনের আগে গত দুই মাসে রাজশাহী ও নাটোরের বিভিন্ন উপজেলায় একই কায়দায় ৬ জন ভ্যান চালককে খুন করা হয়েছে। ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে তাদের ভ্যান। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন ভ্যান চালকরা। চারঘাট থানার পরিদর্শক আবদুল বাকী বলেন, চারঘাটের এই হত্যাকা-ের ঘটনায় আটক রাজু জানিয়েছেন, তারা মোট তিনজন ছিলেন। অন্য দুজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। আর রাজশাহী-নাটোরের একের পর এক এসব খুনের ঘটনায় তাদের যোগসূত্র আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে। ভ্যানচালক রাজু খুনের ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। বৃহস্পতিবারই আটক আল-মামুনকে আদালতে তোলা হবে। সেখানে তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী রেকর্ড করা হবে বলেও জানান পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল বাকী। -ঢাকাটাইমস