শোক দিবসের আলোচনা সভায় দিদারুল আলম এমপি বঙ্গবন্ধুর অবদানেই স্বাধীন হয়েছিল বাংলাদেশ
উত্তর কাট্টলী আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের উদ্যোগে গতকাল কলেজ চত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোায়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সিটি মেয়র এম মনজুর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম-৪ সীতাকু- আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব দিদারুল আলম এমপি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম হয়েছিল বলেই আমরা পেয়েছিলাম একটি স্বাধীন দেশ। পৃথিবীর মাানচিত্রে স্থান পেয়েছিল বাংলাদেশ নামক একটি দেশের। এদেশের মাটি ও মানুষের জন্য কাজ করেছেন তিনি আজীবন। জীবনে ১৭বার কারবন্ধি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। অথচ স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছর পর কিছু বিপথগামী ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বপরিবারে হত্যা করল এই মহান নায়ককে।’ অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান ও লায়লা নাজনীন রবের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আকবর শাহ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান আহাম্মদ, সহ সভাপতি লোকমান আলম, সাধারণ সম্পাদক কাজী আলতাফ হোসেন, শ্রমিক লীগ নেতা মুহাম্মদ শফি বাঙালি, সীতাকু- উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ ইসহাক, ৯ নং ভাটিয়ারি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড’র সাবেক কাউন্সিলর মো. আলমগীর, মোস্তফা-হাকিম ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীর, উপাধ্যক্ষ বাদশা আলম, অধ্যাপক কাজী মাহফুজুল হক চৌধুরী, মোহাম্মদ আবু ছগির, ফারহানা আক্তার, শামীমা আক্তার, ফাতিমা জামান, লুৎফুন্নেছা, রিয়া শারমিন, মনোয়ারা আহমেদ প্রমুখ। সমাপনী বক্তব্যে মনজুর আলম বলেন, শোকের মাসে পুরো মাস জুড়ে জাতির জনক ও বঙ্গমাতাকে স্মরণ করতে আমরা নানা আয়োজন করে থাকি। এরিধারাবাহিকতায় রয়েছে কুরআন খতম, আলোচনা সভা, গরীব ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ, ফ্রি খতনা ক্যাম্প ও গত ১৩ আগস্ট রাতে কলেজ চত্বরে ছিল গরীব ও দুস্থদের জন্য জমকালো বিয়ের আয়োজন। বর-কণের উভয় পক্ষের আত্মীয়-স্বজনসহ হাজার মেহমানের আপ্যায়নের ব্যবস্থাসহ বিয়ের নানা সামগ্রী আয়োজনের মধ্য দিয়ে আয়োজন করা হয় বিয়ে অনুষ্ঠানের।’ এমন নানা আয়োজন দেখে অভিভূত হয়েছেন বর-কণেরাও।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক এর সকাশে হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দ
১৪ আগস্ট মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের সাথে হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দ এক সৌজন্য স্বাক্ষাতে মিলিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন পরিষদের মহাসচিব মুহাম্মদ এনামুল হক ছিদ্দীকি, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম, মুহাম্মদ শফিউল আলম, নির্বাহী সদস্য এইচ এম শহীদুল্লাহ, সাংস্কৃতিক সচিব মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী ও মুহাম্মদ আবু তৈয়ব চৌধুরী। সৌজন্য স্বাক্ষাতকালে পরিষদের মহাসচিব এনামুল হক ছিদ্দিকী সংগঠনের দীর্ঘ ১০ বছরের কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন রোধ করে দেশীয় সংস্কৃতির প্রচার প্রসারে হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের তৎপরতা ও গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ নিতে হবে :ডাঃ আ
চট্টগ্রাম সম্মিলিত কর আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ কর আইনজীবী ইউনিটের যৌথ উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক স্মরণ আলোচনা সভা গতকাল ১৩ আগষ্ট বেলা ১২টায় সংগঠনের সভাপতি এড. এম.এ.বাশার তালুকদারের সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেকমন্ত্রী ডাঃ আফসারুল আমিন এমপি। জাতীয় শোক দিবস উদযাপন কমিটি চট্টগ্রামের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম ও এড. ইফতেখার হোসেন রাসেলের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড.শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, সাবেক সভাপতি এড. রতন কুমার রায়। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কর আইনজীবী সমিতির চট্টগ্রামের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ ইদ্রিস, সাবেক সভাপতি ও শোক দিবস উদযাপন পরিষদের আহবায়ক আলহাজ্ব মোঃ বদিউজ্জামান, সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আখতার উদ্দীন, সাবেক সভাপতি জয়শান্ত বিকাশ বড়ুয়া, সাবেক সভাপতি মাহফুজুল হক মনি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শওকতুল আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সম্মিলিত কর আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নুর হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল কায়সার বেলাল, সম্মিলিত কর আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য আসহাব উদ্দীন, মোস্তাফা মোল্লা,তপন দত্ত। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত কর আইনজীবী সমন্বয় পরিষদনেতা আলহাজ্ব মোঃ আহসান উল্লাহ, আনিসুর রহমান, এড. মোঃ ফয়েজুল্লাহ, মোঃ আলমগীর হোসেন, এড. জাহাঙ্গীর আলম, বাবু রুপন কান্তি দাশগুপ্ত, এ.এইচ.এম মাঈনুল আমিন, মোঃ মামুনুর রশিদ, দিদারুল আকাশ, জসিম আহমেদ চৌধুরী, মোজাফ্ফর হোসেন রাহাত, মীর তাজউদ্দীন তপু প্রমুখ। মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা মোহাম্মদ শামসুদ্দিন। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছে বিধায় আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র পেয়েছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সেদিন স্বপরিবারে হত্যা করে দেশবিরোধী চক্ররা এদেশকে একটি জঙ্গীরাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মীরা জীবনের নানা ঘাত প্রতিঘাত অতিক্রম করে রাজপথে জীবন বিসর্জন দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে দেশ পরিচালনার সুযোগ করে দিয়ে আমাদের সকলকে কৃতজ্ঞতায় আবদ্ধ করেছেন। তিনি বলেন মহান মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত সৈনিকরা আজও নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এই আগষ্ট মাস বাঙালী জাতির সবচেয়ে ইতিহাসের নিষ্ঠুর ও অমানবিক মাস। এ মাসেই হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধুকে যেমন স্বপরিবারে হত্যা করা হয়েছে তেমনি করে ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলাসহ আরো হত্যাকান্ড করেছে ঘাতক বিএনপি, জামাতগোষ্ঠী। তিনি বলেন মানীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে অভুতপুর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে সমগ্র বাংলাদেশে সেই উন্নয়ন ধারাবাহিকতা আর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মান করার জন্য আবারো নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করার জন্য দলের সবস্তরের নেতাকর্মীদের দৃঢ় মনোবল নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সভার বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. ইফতেখার সাইমুল বলেন, আওয়ামীলীগের ইতিহাস সবসময় ত্যাগের। জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়ে মৃত বঙ্গবন্ধু অনেক শক্তিশালী। ৭৫ এর কালো রাত্রিতে সেদিন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর পরই বাংলাদেশ বেতার সেদিন রাতারাতি রেডিও বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছিল। তিনি মধ্যরাতে যারা টকশো করে বুদ্ধিজীবী সুশীল সেজে সরকারের নানা সমালোচনা করে তাদের উদ্দেশ্যে বলেন আজকে যারা সরকারের সমালোচনা করেন তৎকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে যখন হত্যা করা হয়েছে অন্যায়ভাবে, নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে তখন আপনারাতো অনেকেই সরকারি বিভিন্ন পদে ছিলেন। তখনতো আপনারা গণতন্ত্রের কথা বলেননি। তখনতো আপনারা জাতির জনকের হত্যার প্রতিবাদ করেন নি। তিনি আরো বলেন আওয়ামীলীগ যেমন বর্তমানে ক্ষমতায় থেকে দেশের অনন্য সাধারণ উন্নয়ন করে যাচ্ছে ঠিক তেমনি ক্ষমতার বাইরে থেকেও সকল ষড়যন্ত্র মোকাবোলা করার অভিজ্ঞতা আছে। সুতরাং আওয়ামীলীগের কর্মীদের ভয় দেখার কোন সুযোগ নেই। তিনি আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পরাজয়ের কোন কারণ দেখছেনা। তিনি সকল নেতা কর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে নিজ নিজ এলাকায় এখন থেকে নৌকার পক্ষে কাজ করার আহবান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৩ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার শাহ আমানতে
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩২টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা। বুধবার সকালে দুবাই থেকে আসা একটি বিমান থেকে এসব স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার ওই স্বর্ণের ওজন ৩ কেজি এবং বাজারমূল্য দেড় কোটি টাকা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের বিমানবন্দর ইউনিটের সহকারী পরিচালক আবু হানিফ মোহাম্মদ আবদুল আহাদ। তিনি জানান, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ৮টায় দুবাই থেকে এসে অবতরণ করা বাংলাদেশ বিমান বিজি ১৪৮ ফ্লাইট থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। ওই সময় ব্যাগে মোট ৩২টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। পরে সেগুলো জব্দ করা হয়েছে। শুল্ক গোয়েন্দার এই কর্মকর্তা আরো বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমান অবতরণের আগেই শুল্ক গোয়েন্দার কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে অবস্থান নেন এবং বিমান অবতরণের পরই বিমানের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন তারা। সেখানে কর্মকর্তারা একটি ব্যাগ তল্লাশি করে ৩২টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেন। ২৪ ক্যারেটের এই স্বর্ণের মোট ওজন ৩ কেজি ৭৩০ গ্রাম ও এর আনুমানকি মূল্য এক কোটি ৬৯ লাখ টাকা। এ বিষয়ে সিএমপির পতেঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জাতির জনকের স্মরণে আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া লোহাগাড়া আসনের সাংসদ প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী বলেন, ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তাঁর স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ-তিতিক্ষার দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনাদর্শ বাঙালি জাতির অন্তরে চির জাগরুক হয়ে আছে। জাতির পিতার সারা জীবনের স্বপ্ন ছিল সোনার বাংলা গড়া। এ কারণে আমাদের সকলের দায়িত্ব বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজকে সম্পূর্ণ করে দেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করা। তাঁর দূরদর্শী, সাহসী নেতৃত্বে বাঙালি জাতি পরাধীনতার নাগপাশ থেকে ছিনিয়ে এনেছিল স্বাধীনতা। বাঙালি পেয়েছিল স্বাধীন রাষ্ট্র, নিজস্ব পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত। ড. নদভী এমপি বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে বঙ্গবন্ধু যখন জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে সোনার বাংলা গড়ার সংগ্রামে নিয়োজিত তখনই ঘাতকচক্র তাঁকে সপরিবারে হত্যা করে। এর মধ্য দিয়ে হত্যাকারীরা সদ্য স্বাধীন বাঙালি জাতির অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করতে চেয়েছিল। কিন্তু ইতিহাস তার আপন গতিতে প্রবাহমান।সময়ের ব্যবধানে সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে বঙ্গবন্ধুর অবদান আজ জাতির সামনে সমহিমায় সমুজ্জ্বল। তিনি গত ১৩ আগস্ট ২০১৮ ইং রাত ৮টায় চান্দগাঁও রূপালী আবাসিক এলাকাস্থ নদভী প্যালেস কনফারেন্স হলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকীর দোয়া মাহফিলে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন। দোয়া মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ডেপুটি খতিব ও আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মাওলানা মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী। উপস্থিত ছিলেন চুনতি সরকারি মহিলা কলেজের ম্যানেজিং কমিটি’র সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী সামরিক সচিব বীর বিক্রম মিয়া মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন এর বড় ভাই মোহাম্মদ ইসমাইল মানিক, বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য আনোয়ার কামাল, অধ্যাপক ড.আবুল আলা মুহাম্মদ হোছামুদ্দিন, অধ্যাপক শফিউল্লাহ কুতুবী, কামরুল আলম চৌধুরী, লায়ন সিতারা গাফফার, মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন, চেয়ারম্যান আ.ন.ম সেলিম চৌধুরী, আরমান বাবু রোমেল, লায়ন আবিদ হোছেন মানু, আবুল আতা মুহাম্মদ এমাদুদ্দিন, এরফানুল করিম চৌধুরী প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সিডিএ চট্টগ্রামের ৬৫ লাখ মানুষের উন্নয়নে কাজ করছে :আবদুচ ছালাম
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নিজস্ব অর্থায়নে ৬১৫৬.৯৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬৪টি আবাসিক ফ্ল্যাট, ২০৯টি দোকান ও ৮২টি কার পার্কিং সুবিধা সম্বলিত কাজীর দেউড়ি মার্কেট ও এ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স গতকাল সোমবার বিকালে উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম। এ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, চট্টগ্রামে নির্মিত শতাব্দীর প্রথম আধুনিক কাঁচাবাজার কাজীর দেউড়ি। ব্যবসায়ী ভাইদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর তাদের আশা, আকাক্সক্ষা, স্বপ্ন, চাহিদা আজ পূরণ হতে চলছে। সিডিএ-তে আমি যখন প্রথম যোগদান করি, তখন আমার কাজটা ছিল এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা। ঠিকাদারের কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে দীর্ঘদিন অতিবাহিত হয়ে গেছে। তারপরও আমি আশান্বিত ছিলাম। আমার দৃঢ় প্রত্যায় ছিল কাজীর দেউড়ি বাজারকে আমি চট্টগ্রামের শ্রেষ্ঠ বাজার হিসাবে চট্টগ্রামবাসীকে উপহার দিবো। আজ উদ্বোধনের মাধ্যমে তার প্রমাণ হয়ে গেলো। আমার স্বপ্ন, প্রত্যাশা পূর্ণ হলো। আবদুচ ছালাম বলেন, সিডিএ কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নয়, সিডিএ উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে, সিডিএ প্লট, ফ্ল্যাট কিংবা বাজার নিয়ে ব্যস্ত নেই, সিডিএ এখন সারা চট্টগ্রামের ৬৫ লাখ মানুষের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছে। সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, কাজীর দেউড়ি বাজারের আলাদা খ্যাতি রয়েছে। তাই অভিজাত মানুষের সৌখিন চোখ কাজীর দেউড়ি মাছ বাজারে ঢুঁ মারবেনই। আর সমুদ্রে কিংবা পুকুরে বড় আকারের মাছ ধরা পড়লে তার সরাসরি ঠিকানা কাজীর দেউড়ি বাজার। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কতৃপক্ষ বাজারটির উন্নয়ন, সম্প্রসারণসহ বহুতল আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এতে আপামর জনগোষ্ঠী বহুলভাবে উপকার ভোগ করবেন। তিনি বলেন, আমি একজন ব্যবসায়ী হিসেবে এই বাজারকে নান্দনিক সৌন্দর্যে সাজিয়েছি, আমি বুঝি ব্যবসায়ীরা কি চান, কাস্টমাররা কি চান। একজন ভালো ক্রেতা শুধু পণ্য কেনেন না, ভালো আচরণ, ব্যবহার ও রুচিও ক্রয় করেন। তাই আমি আশা করবো সকল ব্যবসায়ী ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালানা করবেন। ক্রেতার মন জয় করবেন। সিডিএ চেয়ারম্যান আরো বলেন, সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছে প্রিয় বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম এখন সেই উন্নয়নের অংশীদার। চট্টগ্রামে যেভাবে উন্নয়ন হচ্ছে, তাতে আগামীর চট্টগ্রাম হবে উন্নত বিশ্বের নগরীগুলোর মতো একটি নগরী। যেখানে যানজট থাকবে না, মানুষের হাঁটার ফুটপাত দখলে থাকবে না, চারদিকে বাগান থাকবে, ময়লা-আবর্জনা থাকবে না। বাস্তবে একটি স্বাস্থ্যকর নগরী হিসেবে গড়ে উঠবে চট্টগ্রাম। তাই এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য, দেশের তথা চট্টগ্রামের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় নিতে হবে। সিডিএ’র তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামসের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সিডিএ’র বোর্ড সদস্য জসিম উদ্দিন, জসিম উদ্দিন শাহ, কেবিএম শাহজাহান, গিয়াস উদ্দিন, হাসান মুরাদ বিপ্লব, কাজীর দেউড়ি বাজার সমিতির সহ সভাপতি হাজী জাকির হোসেন, দামপাড়া মহল্লা কমিটির সদস্য সচিব এসএম সিরাজ, ভিআইপি টাওয়ার মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জালাল হোসেন, কাজীর দেউড়ি সিডিএ মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক আবু হান্নান। সিডিএ সিস্টেম এনালিস্ট প্রকৌশলী মোস্তাফা জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ শাহিনুল ইসলাম খান, উপ-সচিব অমল গুহ, মো. নাজের, মো. হাসান প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান
কাশেম নূর ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের পক্ষ থেকে নগরীর উত্তর ফরিদের পাড়া হারুন কলোনীতে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ৪০ পরিবারের মাঝে এককালীন নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। গতকাল অগ্নিকান্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়ে প্রতিটি পরিবারের জন্য কাশেম নূর ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতি (বি-ব্লক) এর সভাপতি আলহাজ্ব হাসান মাহমুদ চৌধুরী ১০হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেন। আজ ১৩ আগষ্ট সোমবার বিকাল ৫টায় চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতির কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে এ অর্থ ক্ষতিগ্রস্থদের হাতে তুলে দেন চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতি (বি-ব্লক) এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লায়ন আহসানুল করীম এমজেএফসহ সমিতির নেতৃবৃন্দ। চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতি (বি-ব্লক) এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আহসনুল করীম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ইসমাইল। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফজলে আহাদ, তৌফিক হোসেন, নিজাম উদ্দিন নিজু, নুরুল আবছার, আবু সাইয়েদ হাসনাত, এনামুল হাসান প্রমুখ। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আহসানুল করীম বলেন, গতকাল অগ্নিকান্ডে ঘটনা শুনার পর কাশেম নূর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতি (বি-ব্লক) এর সভাপতি হাসান মাহমুদ চৌধুরী সমিতির নেতৃবৃন্দকে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিটি পরিবারের জন্য কশেম নূর ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ১০হাজার টাকা করে অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন। তারই প্রেক্ষিতে খুব কম সময়ে আমরা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করি। তিনি এলাকার অসহায়, দু:স্থ মানুষের সেবায় কাশেম নূর ফাউন্ডেশনের মতো করে সকল বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহবান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শাহসুফি আমানত খান (রহ.)র বার্ষিক ওরশ শরীফ উপলক্ষে ভক্তদের পদচারণায় মুখরিত দরবার প্রাঙ্গণ
বাবাজান কেবলা হয়রত শাহসুফি আমানত খান (রহ.) এর পবিত্র বার্ষিক ওরশ শরীফ উপলক্ষে ভক্তদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে দরবার প্রাঙ্গণ। ওরশ শরীফ উপলক্ষে সারাদিনব্যাপি বিভিন্ন ধর্মীয় মাহফিল, পবিত্র কোরান থেকে তেলওয়াত, খতমে খাজে গান, মিলাদ, আলোচনা সভা ও জিকিরের আয়োজন করা হয়েছে। লাখো ভক্তের অংশগ্রহণে দেশ-জাতি ও মুসলিম বিশ্বের কল্যাণে মুনাজাত পরিচালনা করেন বাবাজান কেবলা ও কাবার আওলাদ ও সাজ্জাদানশীন মোতওয়াল্লী শাহসুফি আলহাজ্ব শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ খান (ম.জি.আ)। এনায়েত উল্লাহ খান বলেন, কেয়ামত পর্যন্ত দিশেহারা মানুষের সংস্কার সাধনে যুগে যুগে আবির্ভূত হবেন আউলিয়া ও বুজুর্গানে দ্বীন। আত্ম-অহমিকা, হিংসা, ক্রোধ, বিদ্বেষ, হানাহানি, অনৈতিক-অনৈসলামিক কার্যকলাপের দরুন বর্তমানে বিশ্বে অস্থিরতা, যুদ্ধ, অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে দেশ, জাতি ও মাযহাব নিয়ে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। এসবকে কেন্দ্র করে দলাদলি, হিংসা, অনৈক্যের সৃষ্টি হয়েছে। সকল ভেদাভেদ দূর করতে শাহ আমানতের জীবনাদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই। এসময় উপস্থিত ছিলেন, শাজ্জাদানশীন শাহ সুফি শাহজাদা বেলায়েত উল্লাহ খান, শাহজাদা সালামত উল্লাহ খান, শাহজাদা ইজাজ উদ্দিন মো. আজিম খান, শাহজাদা আহমদ উল্লাহ, শাহজাদা সৈয়দ মো. হাবিব উল্লাহ খান মারুফ, শাহজাদা ফরহাদ উদ্দিন মো. আলী খান, শাহজাদা আরিফ উল্লাহ খান তাইফ, শাহজাদা ফয়সাল উদ্দিন মো. আলী খান প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সারাদেশে পালিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী
সারাদেশে পালিত হচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী। দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর- ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। বুধবার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি শোকর‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পরিষদ চত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এর আগে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পন করা হয়। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শোক দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন- আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম এডভোকেট, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ, থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুছ ছালাম মিয়া, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনুল ইসলাম তরফদার বাদল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনেআরা বেবী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক মিয়া, মিনহাজ উদ্দিন, উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা অনিক সাহা, কৃষি কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কণিকা মল্লিক, মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কণা দাস, সমাজসেবা কর্মকর্তা শহিদুজ্জামান, প্রেসক্লাব সভাপতি আসাদুল ইসলাম বাবুলসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ । মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা আওয়ামীলীগ, পৌরসভা, ফরিদপুর চিনিকল, পৌর আওয়ামীলীগ, বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থার আয়োজনে মধুখালীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। সকালে উপজেলা প্রশাসন জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরনের পর বঙ্গবন্ধুর ম্যূরালে পুষ্পস্তবক অর্পন, উপজেলা আওয়ামীলীগ, পৌরসভা, পৌর আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের পুষ্পস্তবক অর্পনশেষে সম্মিলিতভাবে বিশাল একটি র‌্যালি বের করে। র‌্যালিটি ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের রেলগেট, মধুখালী বাজার হয়ে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা মালটিপারপস হল রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোস্তফা মনোয়ার এর সভাপতিত্বে আলোচান সভায় বক্তব্য রাখেন- উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মির্জা মনিরুজ্জামান বাচ্চু, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মনজুর হোসেন, থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পিকু আহসান হাসিব, মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী সুরাইয়া সালাম প্রমুখ। পিরোজপুর প্রতিনিধি: বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পূষ্পার্ঘ্য নিবেদন, র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে পিরোজপুরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী অনুষ্ঠিত হয়েছে। পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে মাল্যদান করেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম এ আউয়াল, জেলা প্রশাসক আবু আহমাদ ছিদ্দীকী, পুলিশ সুপার মোহম্মদ সালাম কবির, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজ, পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান মালেক, অ্যাডভোকেট আব্দুল হাকিম হাওলাদার, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান খালেকসহ জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ এবং বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীরা। মাল্যদান শেষে একটি শোক র‌্যালি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণশেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে মুন্সীগঞ্জে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে বুধবার বেলা সাড়ে ন'টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সামনে থেকে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শোক র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। শোক র‌্যালি শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিত্বে পুস্পমাল্য অর্পণ করা হয়। এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- মুন্সীগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. মৃণাল কান্তি দাস, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম পিপিএম, সিভিল সার্জন হাবিবুর রহমান, অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: আব্দুল হাই তালুকদার, কৃষক লীগের সভাপতি মহাসিন মাখন প্রমূখ। ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টায় উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসে জাতীয় ও দলীয় কালো পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শোক দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনগুলো। সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলা হলরুমে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, পুলিশ প্রশাসন, আওয়ামী লীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ সরকারি, বে-সরকারি প্রতিষ্ঠান,স্কুল–কলেজ ও সামাজিক সংগঠনগুলো। এর আগে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শোক শোভাযাত্রা বের হয়। পরে উপজেলা হলরুমে বঙ্গবন্ধুর কর্মময় জীবনী নিয়ে আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী মাহবুব উর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শাহাদাৎ হোসেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আকরামুজ্জামান রাজা,সহকারী কমিশনার ভুমি মোসাঃ আফসানা কাওসার,মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ আবুল বাশার মিয়া প্রমূখ। এছাড়া দিনব্যাপী বিভিন্ন সংগঠন রক্তদান কর্মসূচি, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও দরিদ্রদের মাঝে খাবার বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে। লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি: বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নাটোরের লালপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে লালপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর মোড়ালে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোক র‌্যালি, আলোচনা সভা, শিক্ষার্থীদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। বুধবার (১৫ আগস্ট) দিনের শুরুতে উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর মোড়ালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নজরুল ইসলাম, স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাড. আবুল কালাম ও দলের নেতাকর্মীরা। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি শোক র‌্যালি বের হয়ে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর মোড়ালের সামনে এক আলোচনা সভা ও বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও যুবকদের মাঝে যুব ঋণ বিতরণ করা হয়। আলোচনা সভা শেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড.আবুল কালাম আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- লালপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনর রশিদ পাপ্পু, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন, লালপুর থানার (ওসি) নজরুল ইসলাম জুয়েল, উপজেলা অওয়ামী লীগের সভাপতি আফতাব হোসেন ঝুলফু, সাধারণ সম্পাদক ইসাহাক আলী প্রমুখ। চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি: যথাযোগ্য মর্যাদায় যশোরের চৌগাছায় জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে র‌্যালি, আলোচনাসভা, চিত্রাংঙ্কন প্রতিযোগীতা, দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিনটির শুরুতে শহরে জাতীর জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তপক অর্পণ করেন উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা আওয়ামীলীগসহ দলটির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন। পরে উপজেলা চত্তর থেকে একটি র‌্যালি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগসহ শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। র‌্যালি শেষে উপজেলা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইবাদৎ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম হাবিবুর রহমান। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি শাহাজান কবির, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফুলশারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদি মাসুদ চৌধুরী, সাবেক যুগ্মসম্পাদক মাস্টার সিরাজুল ইসলাম, এসএম শাইফুর রহমান বাবুল, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক দেবাশীষ মিশ্র জয়, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আকলিমা টুটুল লাকি, স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক জিয়াউর রহমান রিন্টু প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে উপজেলার বৈশাখী মঞ্চে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা ও উপজেলা অওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। সোনারগাঁও প্রতিনিধি: জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ইশা খাঁ’র রাজধানী খ্যাত সোনারগাঁওয়ে দোয়া মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে খিচুড়ি বিতরণের আয়োজন করেছেন নারায়ণগঞ্জ -৩ আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম। জাতির জনকের আদর্শ ধারণ করে তিনি দীর্ঘদিন নিজস্ব অর্থায়ণে এলাকার রাস্ত-ঘাট, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছে। শফিকুল ইসলাম বলেন, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন করতে হলে জনপ্রতিনিধি হওয়া প্রয়োজন। নিজের অর্ধায়নে আমি এলাকায় অনেক উন্নয়ন কাজ করেছি। সে জন্য এলাকা জনগণ এখন আমাকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চায়। আমিও তাদের আস্বস্ত করেছি, জনপ্রতিনিধি হয়ে এলাকার উন্নয়ন করে ইশা খাঁ’র রাজধানীর সোনারগাঁওকে বাংলাদেশের একটি মডেল এলাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠা কবর। তিনি আরো বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাস করি। তার আদর্শের প্রতি সন্মান বুকে নিয়েই রাজনীতির পথে হাঁটতে চাই। তার দেয়া ঐতিহাসিক ভাষণ আমার কানে সারাক্ষণ বাজতে থাকে। আমি শুনতে পাই তিনি আমাকে এগিয়ে যেতে বলছেন। আমার বিশ্বাস, আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এলাকার মনোন্নয়ন করার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সুনাম বহন করতে সক্ষম হবো। জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের এক পর্যায়ে ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম সোনারগাঁওয়ের কয়েকটি এলাকা চিহ্নিত করে সেখানকার রাস্তা ও অবকাঠামো সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি মনে করেন, জন প্রতিনিধি হওয়া ছাড়া সমস্ত সোনারগাঁওয়ের উন্নয়ন করা সম্ভব না। তিনি এ বিষয়ে জনগণের সহযোগীতাও প্রত্যাশা করেন। মতবিনিময় শেষে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সকল শহীদ সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়ার আয়োজন এবং উপস্থিত দুস্থদের মাঝে খিচুড়ি বিতরণ করা হয়। পরে তিনি পিরোজপুর, সোনারগাঁও, সম্ভুপুরা, সরমান্দী, মোগরাপাড়া, কাঁচপুর এলাকায় দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন। এসময় এলার বিপুলসংখ্যাক নেতাকর্মী তার সঙ্গে ছিলেন। চবি প্রতিনিধি: যথাযোগ্য মর্যাদা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) পালিত হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শােক দিবস। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করে। এর মধ্যে ছিল- বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, শোক র‌্যালি, আলোচনা সভা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত, দোয়া মাহফিল ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের স্ব-স্ব উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা এবং কালো ব্যাজ ধারণ। বুধবার (১৫ আগষ্ট) সকাল ৯টার দিকে প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে উপাচার্য দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কীর্তির উপর ‘শােকাবহ ১৫ আগস্ট’ শীর্ষক আলাচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য জীবন একটি মহাগ্র। যিনি বিশ্ব মানচিত্র স্থান করে দিয়েছেন বাংলাদশ নামক একটি জাতি-রাষ্ট্র। যাঁর জন্ম না হলে বাঙালি জাতি কােনদিনও অর্জন করতে পারতাে না একটি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। তিনিই বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আলােচনা সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের আয়ােজন কমিটির সদস্য সচিব ও প্রক্টর মােহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী। আলােচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফসর ড. মাে. সেকান্দর চৌধুরী, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. আহমেদ সালাউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. অলক পালসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ। নোয়াখালী প্রতিনিধি: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে তার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন, র‌্যালি, আলোচনা সভা পুরস্কার বিতরন দোয়া ও কাঙ্গালী ভোজ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা -উপজেলা প্রশাসন উপজেলা ও পৌরসভা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বুধবার সকালে দিনব্যাপি নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মামুনুর রশিদ কিরন। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন- জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা: এবিএম জাফর উল্যা, উপজেলা চেয়ারম্যান এড আবদুর রহিম, চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র আক্তার হোসেন ফয়সল, জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি মিনহাজ জাবেদ প্রমূখ। এছাড়া জেলার সেনবাগ কাবিলপুর ইউনিয়নে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ব্যাংক পািরচালক ড. জামাল উদ্দিন এফসিএ এর উদ্দ্যোগে দিন ব্যাপীর নানা আয়োজনে শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে জেলা-উপজেলা পৌরসভার আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। রংপুর প্রতিনিধি : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বুধবার রংপুরে রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রংপুর সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে ব্র্যাক ও সন্ধানী রংপুর মেডিকেল কলেজ ইউনিটের সহযোগিতায় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত রক্তদান কর্মসূচিতে স্বেচ্ছায় ৩৫ জন ব্যক্তি রক্তদান করেন। রক্তদান কর্মসূচি পরিদর্শন করেন রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহমেদ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- রংপুরের জেলা প্রশাসক এনামুল হাবিব, পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, রংপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ আবু মো. জাকিরুল ইসলাম, ব্র্যাকের জেলা প্রতিনিধি আবু সাঈদ, সিনিয়র আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (স্বাস্থ্য ও পুষ্টি) আরিফ আহমেদ, আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (শিক্ষা) মফিজুল ইসলাম, সুরেশ চন্দ্র রায়, বিশ্বনাথ মদক, সন্ধানীর সভাপতি আতিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, উপদেষ্টা ডাঃ মো. রাকিবুল ইসলাম, জুয়েল হোসেন, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি রায়হান শরীফ, প্রতীক, হেলা, ঝর্ণা, সৌভিক, বুলবুল, জাকিয়া প্রমুখ।

সারা দেশ পাতার আরো খবর