সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জেলায় নিহত ৩
অনলাইন ডেস্ক: গাজীপুর, সাতক্ষীরা ও সিরাজগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় আরও ৩ জন নিহত হয়েছে। সোমবার রাতে ও মঙ্গলবার সকাল ৯টার মধে এ দুর্ঘটনা ঘটে। গাজীপুর: গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সালনা এলাকায় দুই ট্রাকের সংঘর্ষে রাজু (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত রাজু শেরপুর সদর থানার দিঘলপাড়া এলাকার ওমর আলীর ছেলে। আজ মঙ্গলবার সকালে নাওজোর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. অহিদুজ্জামান এ তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সালনা এলাকায় ঢাকাগামী একটি ট্রাকের পেছনে অপর আরেকটি ট্রাকের সংঘর্ষ ঘটে। এতে পেছনের ট্রাকে কেবিনেটে থাকা রাজু ঘটনাস্থলেই মারা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ও ট্রাকটি জব্দ করেছে। তবে চালক পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ট্রাকচাপায় তিথি মনি স্বর্ণকার (১২) নামে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী নিহত হয়েছে। এসময় ট্রাক ভাঙচুর ও চালককে গণপিটুনি দিয়েছেন স্থানীয় জনতা। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে চালককে পুলিশের জিম্মায় নিতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন আশাশুনি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রদীপ সানা। নিহত তিথি মনি স্বর্ণকার উপজেলার কাটাখালি গ্রামের পরিমল স্বর্ণকারের মেয়ে। সে বদরতলা হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। আজ মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের বদরতলা-হাজীপুর সড়কের হাজীপুর মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, আজ সকালে তিথি স্কুলে যাওয়ার সময় সিমেন্ট বোঝাই একটি ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রাকটি ভাঙচুর ও চালককে ধরে গণপিটুনি দেন। খবর পেয়ে আশাশুনি থানার এসআই প্রদীপ সানা ঘটনাস্থলে গিয়ে চালককে তাদের হেফাজতে নিতে চাইলে তাকেও লাঞ্ছিত করেন বিক্ষুব্ধ জনতা। পরে চালককে আটক করে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাফফারা তাসনীন ও তিনি ঘটনাস্থলে আছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রাক খাদে পড়ে শামছুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উল্লাপাড়া উপজেলার পঞ্চক্রোশী ইউনিয়নের দুবলার বিল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শামছুল ইসলাম একই ইউনিয়নের মাটিকোড়া গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হামিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, বালু ব্যবসায়ী শামছুল ট্রাকে বালু নিয়ে ঘাটিনা এলাকা থেকে মাটিকোড়ায় আসছিলেন। পথে দুবলার বিল এলাকায় এসে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে ট্রাকটি উল্টে পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ট্রাকের ওপরে থাকা শামছুল ঘটনাস্থলেই মারা যান। উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার দিয়ানাতুল হক দিনার গণমাধ্যমকে জানান, খাদে পানি রয়েছে। ট্রাকের নিচে পানিতে আর কেউ আটকা পড়েছেন কিনা খুঁজে দেখা হচ্ছে।
ছাত্রলীগের মার খেয়ে ২৯ ঘণ্টা পর পুলিশের মামলা
অনলাইন ডেস্ক: উল্টোপথে মোটর সাইকেল ধরে ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে মার খাওয়ার ২৯ ঘণ্টা পর থানায় মামলা করলো ট্রাফিক পুলিশ। গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যায় সার্জেন্ট মাজহারুল আলম বাদী হয়ে পুলিশের কাজে বাধাদান, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ এনে কোতোয়ালী থানায় এ মামলা দায়ের করেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন জানান, এজাহারে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৩০-৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা ও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামিদের ধরতে রাতেই অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি। ওসি বলেন হামলাকারীরা ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। তবে তারা ছাত্রলীগের কোনো পদে আছে কি না তা নিশ্চত হওয়া যায়নি। ট্রাফিক সপ্তাহ চলাকালে রোববার দুপুর দেড়টায় নগরীর ব্যস্ততম নিউমার্কেট মোড়ে সিটি কলেজের সামনে থেকে উল্টোপথে মোটর সাইকেলে আসছিল এক যুবক। উল্টোপথে হেলমেট ছাড়া আসা ওই যুবকের নাম মেহেরাজ। তাকে থামাতে গিয়ে কনস্টেবল মামুন মিয়া হামলার শিকার হন। মেহেরাজ মুহূর্তে তার বড় ভাইদের ডেকে এনে ওই কনস্টেবলের উপর হামলা করে। তাদের হামলা থেকে নিজেকে রক্ষায় দৌড়ে পুলিশ বক্সে আশ্রয় নেন ওই কনস্টেবল। একপর্যায়ে তারা নিউমার্কেট মোড়ের পুলিশ বক্সে হামলা করে। কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশদের রক্ষায় এগিয়ে আসে কোতোয়ালী থানা পুলিশের টহল দল। এ সময় তারা তাদের উপরও হামলা করে। বেপরোয়া হামলায় আহত হন সার্জেন্ট মাজহারুল আলম, কনস্টেবল মামুন মিয়াসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য। জানা যায়, হামলাকারীরা সবাই সিটি কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হওয়ায় পুলিশ তাৎক্ষণিক কোন অ্যাকশনে যায়নি। হামলাকারীদের একজনকে আটক করা হলেও তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মককর্তাদের জানালে তারাও নির্বিকার থাকেন। এ নিয়ে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মধ্যে চাপা অসন্তোষ বিরাজ করে। এ প্রেক্ষাপটে গতকাল দুপুরের পর থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে মাঠে নামে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশের উপর হামলাকারীদের পরিচয় জানিয়ে তাদের নাম-ঠিকানা দেয় পুলিশকে। হামলাকারীদের মধ্যে মেহেরাজ, আদর, এনাম, বরেন উদ্দিনসহ ছয়জনের নাম পেয়েছে পুলিশ। নিউমার্কেট এলাকায় থাকায় একটি সিসিটিভি ফুটেজ থেকেও ঘটনায় জড়িতদের ছবি সংগ্রহ করে পুলিশ। শীর্ষ নিউজ
বাস-কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষ চালক নিহত নাটোরে
অনলাইন ডেস্ক: নাটোরের গুরুদাসপুরে শ্যামলী পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাসের চালক নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে আরো অন্তত ১৫ জন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বনপাড়া-হাটিকমরুল মহাসড়কের কাছিকাটা টোলপ্লাজার এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বাসচালকের নাম আজাদ হোসেন। তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া বলে জানা গেছে। আহতদের নাটোর সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিএম শামসুন নুর ও নাটোর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোহাম্মদ মহাউদ্দিনসহ এলাকাবাসী জানান, ঢাকা থেকে কুষ্টিয়াগামী শ্যামলী পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস নাটোরের বনপাড়া-হাটিকমরুল মহাসড়কের কাছিকাটা টোল প্লাজা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ১৬ জন আহত হয়। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতাল সহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে শ্যামলী পরিবহনের চালক আজাদ হোসেন গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
স্বামীকে হত্যা করল স্ত্রী-দেবরের সঙ্গে প্রেম
অনলাইন ডেস্ক: মাত্র ১৫ দিন আগে দুবাই থেকে দেশে ফিরেছিলেন আবুল হাসেম (৪০)। কিন্তু স্ত্রী ও চাচাতো ভাইয়ের পরকীয়ার বলি হয়ে চলে গেছেন পরপারে। স্বামীকে হত্যার কথা আদালতের কাছে স্বীকার করেছেন ঘাতক স্ত্রী রুনা আকতার (২৮)। রোববার চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রবিউল আলমের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে রুনা আকতার বলেছেন, পরকীয়া প্রেমিক জাহেদের সঙ্গে নতুন ঘর বাঁধার স্বপ্নে স্বামীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন তারা। রাউজান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইমুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন,রোববার দুই আসামি রুনা ও জাহেদকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদানের জন্য চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হয়েছিলে। দু জনেই হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আসামি রুনা আক্তার আদালতকে বলেছেন, শুক্রবার রাতে রুনা তার স্বামী আবুল হাসেমকে গরুর দুধের সঙ্গে দুটি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ান। হাসেম ঘুমিয়ে পড়ার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাহেদকে ঘরে ডেকে আনেন তিনি। রুনা আকতার আদালতকে আরও জানিয়েছেন, এরপর রাত ৩টার দিকে হাসেমের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তিনি ও জাহেদ মিলে টান দেন। এর ৫ থেকে ১০ মিনিট পর জাহেদ নিজের ঘরে চলে যান। স্বামীকে হত্যার কারণ হিসেবে রুনা আদালতকে জানিয়েছেন, জাহেদ প্রতিশ্রতি দিয়েছিলে হাসেমকে মেরে ফেললে সে বিয়ে করবে। তাই নতুন করে বিয়ে করে সংসার করার আশায় হাসেমকে হত্যা করা হয়। এসআই সাইমুল বলেন,দেবর জাহেদের সঙ্গে নিহতের স্ত্রী রুনার পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। গত ১৫ দিন আগে আবুল হাসেম দুবাই থেকে আসেন। স্বামী আসায় দু জনের মেলামেশায় বাধার সৃষ্টি হয়। এদিকে ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল রোববার নিহত আবুল হাসেমের লাশ দাফন করা হয়েছে। এর আগে এই ঘটনায় শনিবার রাতে নিহতের ভাই আবুল কাশেম বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় নিহতের স্ত্রী রুনা আকতার ও তার পরকীয়া প্রেমিক জাহেদুল ইসলাম জাহেদকে আসামি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় ১৩ বছর আগে নিহত আবুল হাশেমের সঙ্গে ফটিকছড়ি উপজেলার আব্দুল্লাপুর গ্রামের ছগির আহমেদের মেয়ে রুনা আকতারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে আবুল হাসেম দীর্ঘ সময় প্রবাসে কাটিয়ে গত ১৫ দিন আগে দেশে ফিরেছেন। এদিকে আবুল হাসেম প্রবাসে থাকার সময় রুনার সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে নিহতের চাচাতো ভাই জাহেদের। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার পারিবারিকভাবে কথাবার্তাও হয়। আবুল হাসেম বিদেশ থেকে ফেরার পরও বিষয়টি দৃশ্যমান থাকায় তিনি তা মেনে নিতে পারছিলেন না। এ নিয়ে আবুল হাসেমের সঙ্গে তার স্ত্রী রুনার প্রায়ই ঝগড়া হতো।
মাইক্রোবাসের সঙ্গে মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে চাচা ও ভাতিজা নিহত
অনলাইন ডেস্ক: ময়মনসিংহের গৌরীপুরে মাইক্রোবাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে চাচা ও ভাতিজা নিহত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের গৌরীপুর উপজেলার চরশ্রীরামপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- কোতয়ালী থানার রাঘবপুরের মৃত আব্দুল হাইয়ের পুত্র সাদিকুল ইসলাম (১৮) ও ইন্তাজ আলীর পুত্র ইয়াসিন আরাফাত (১৮)। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, মহাসড়কের গৌরীপুরের ডৌহাখলা ইউনিয়নের চরশ্রীরামপুর এলাকায় ময়মনসিংহগামী মাইক্রোবাসের সঙ্গে গৌরীপুরগামী মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই মোটর সাইকেল আরোহী গুরুত্বর আহত হন। এ অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের মৃত ঘোষণা করেন। সম্পর্কে তারা চাচা-ভাতিজা। সাদিকুল ইসলামের ভাতিজা হলো ইয়াসিন আরাফাত। গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আশিকুর রহমান জানান, মাইক্রোবাসটি ঘটনার পরপরই পালিয়ে গেছে। নিহতদের লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ না থাকায় মামলা হয়নি।
কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে নোঙ্গরকরা পণ্যবোঝাই ট্রলার ডুবি
অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে নোঙ্গর অবস্থায় থাকা ১৮শ বস্তা মসলা বোঝাই একটি কাঠের বোট (ট্রলার) ডুবির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১১ আগস্ট) বিকেলে টেকনাফ স্থলবন্দরের জেটি ঘাটে এ ট্রলারডুবির ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত না হলেও ব্যবসায়ীদের অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী করেছেন আমদানিকারকরা। তাদের দাবি, বন্দর কর্তৃপক্ষ একটু সতর্ক হয়ে বোট নোঙ্গর করার পরপরই মালামাল খালাসের ব্যবস্থা করলে এ ক্ষতির মুখে পড়তে হতো না তাদের। অথচ রাজস্বও জমা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। টেকনাফ স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হক বাহাদুর বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে সীমান্ত বাণিজ্যের আওতায় মিয়ানমারের মংডু শহর থেকে ১ হাজার ৮২৯ বস্তা (৩৩ টন) মসলা পণ্যবাহী ট্রলারটি স্থলবন্দরের জেটিতে এসে নোঙ্গর করে। ওই ট্রলারের মধ্যে ব্যবসায়ী মাহবুবুল করিমের এক হাজার ২০ বস্তা আদা, তার (এ. হক বাহাদুরের) ১৮০ বস্তা হলুদ, ৯০ বস্তা জোয়ারি ও ৯ বস্তা বাদাম, যদু ধরের ৪৫০ বস্তা আদা ও মোহাম্মদ সেলিমের ৮০ বস্তা আছার ছিল। বাহাদুর বলেন, শনিবার বিকেলে জোয়ারের ঢেউয়ের জেটিরপল্টুনের সঙ্গে ধাক্কায় ট্রলারটি তলা ফেটে ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা পণ্যগুলো নাফনদীতে ভেসে যেতে থাকে। তিনি আরো জানান, ট্রলারটি স্থলবন্দরের জেটিতে নোঙ্গর করার পর আইজিএম (আমদানি ডকুমেন্ট) জমা দেয়া হয়। পণ্য খালাসের জন্য শনিবার বিল অব এন্টিও (রাজস্ব) জমা দেয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে। পণ্য খালাসের জন্য অপেক্ষমান থাকা অবস্থায় এ ঘটনাটি ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবী, স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের খাম-খেয়ালীপনা ও শ্রমিক সংকটের কারণে এ দুঘর্টনা কবলে পড়েছেন তারা। টেকনাফ স্থল বন্দরেরর মহাব্যবস্থাপক মো. জসিম উদ্দিন মিয়ানমার থেকে মসলা পণ্য নিয়ে ঘাটে নোঙ্গরকরা ট্রলার ডুবির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পণ্য ও ট্রলারটি উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কি কারণে এই দূর্ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ট্রেনে কাটা পড়ে আইনজীবী নিহত
অনলাইন ডেস্ক: কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে আশারে খোদা টিটু (৫০) নামের একজন আইনজীবী নিহত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা রেল স্টেশনের অদূরে শাসনগাছা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। অ্যাডভোকেট নগরীর ঠাকুরপাড়া বাগানবাড়ি (ধানসিঁড়ি) এলাকার প্রফেসর সুলতান আহম্মেদের ছেলে। কুমিল্লা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মিছবাউল আলম চৌধুরী জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় শাসনগাছা রেল লাইনের ওপর থেকে ট্রেনে কাটা পড়ে থাকা অবস্থায় ওই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আজ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল মর্গে নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। নিহত আইনজীবীর সহকর্মীরা জানান, আশারে খোদা টিটু দীর্ঘদিন যাবত মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

সারা দেশ পাতার আরো খবর