ট্রেনে কাটা পড়ে আইনজীবী নিহত
অনলাইন ডেস্ক: কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে আশারে খোদা টিটু (৫০) নামের একজন আইনজীবী নিহত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা রেল স্টেশনের অদূরে শাসনগাছা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। অ্যাডভোকেট নগরীর ঠাকুরপাড়া বাগানবাড়ি (ধানসিঁড়ি) এলাকার প্রফেসর সুলতান আহম্মেদের ছেলে। কুমিল্লা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মিছবাউল আলম চৌধুরী জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় শাসনগাছা রেল লাইনের ওপর থেকে ট্রেনে কাটা পড়ে থাকা অবস্থায় ওই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আজ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল মর্গে নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। নিহত আইনজীবীর সহকর্মীরা জানান, আশারে খোদা টিটু দীর্ঘদিন যাবত মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে ট্রাকের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় কিশোর নিহত
অনলাইন ডেস্ক: ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের ডাকবাংলা এলাকায় থেমে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় রহমাতুল্লাহ (১৬) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। রহমাতুল্লাহ আব্দুর রউফ ডিগ্রি কলেজের ছাত্র। সে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মাগুরা পাড়া গ্রামের শাহজাহানের ছেলে। ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের অপারেশন ওসি এমদাদুল হক জানান, রাতে মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার সময় ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের ডাকবাংলা (ত্রিমহনী) নামক স্থানে রাস্তার পাশে থেমে থাকা ট্রাকে ধাক্কা লাগে রহমাতুল্লাহর। এতে তার মাথার ডান পাশে ট্রাকের অ্যাঙ্গেল ঢুকে যায়। ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
সিগারেট ধরানোর সময় সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, প্রকৌশলী নিহত
অনলাইন ডেস্ক: গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় সিগারেটে আগুন ধরানোর সময় একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে এক প্রকৌশলী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন। নিহত প্রকৌশলীর নাম মাসুদ রানা (৩৭)। তাঁর বাড়ি পাবনা জেলায়। গাজীপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক আক্তারুজ্জামান প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানান, কাপাসিয়া উপজেলার তরগাঁও (ঋষিপাড়া) মোড় এলাকার কফিল উদ্দিনের দোতলা ভবনের নীচতলার চায়ের দোকানে বসে কয়েক ব্যক্তি চা পান করছিলেন। এর মধ্যে মাসুদ রানাও ছিলেন। তিনি কাপাসিয়া-মনোহরদী সড়ক উন্নয়ন কাজের ঠিকাদার কোম্পানির প্রকৌশলী হিসেবে এখানে কাজ করছিলেন। দোকানের এক খদ্দের চুলা থেকে সিগারেট জ্বালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় পাশে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারে হঠাৎ আগুন লেগে যায় এবং বিকট শব্দে তা বিস্ফোরিত হয়। মুহূতেই পুরো দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রকৌশলী মাসুদ রানা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ সময় আগুন নেভাতে গিয়ে ভবনের মালিক কফিল উদ্দিন (৫২), তাঁর কর্মচারী আলমগীর (২০) এবং আরো দুজন দগ্ধ হন। খবর পেয়ে জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে আগুন নেভায়। হতাহতদের উদ্ধার করে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় কাপাসিয়া-মনোহরদী সড়কে এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মামুনুর রহমান জানান, হাসপাতালে আনার আগেই দগ্ধ প্রকৌশলী মাসুদ রানা মারা যান। আহতরা ১৫ থেকে ২০ ভাগ দগ্ধ হয়েছেন। কিন্তু তাঁরা আশঙ্কামুক্ত। শীর্ষ নিউজ
গুলি ও রগ কেটে যুবককে হত্যা
অনলাইন ডেস্ক: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জমিসংক্রান্ত বিরোধে গুলি করে, কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে রিপন (২৭) নামে এক যুবককে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি উপজেলার দক্ষিণ আলকরা গ্রামের শামছুল হকের ছেলে। বুধবার রাত ১০টায় এ হামলা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে রাত ১২টায় তিনি মারা যান। স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম জানান, রিপন রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। বুধবার সন্ধ্যায় কর্মস্থল পশ্চিম ডেকরা থেকে দুর্বৃত্তরা তাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর আনুমানিক রাত ১০টার দিকে তারা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে, এক পায়ে গুলি করে এবং দুই পায়ের রগ কেটে লাটিমী রাস্তার মাথায় ফেলে দেয়। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। ফেনী সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দিলে সেখানে নেয়ার পথে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে মারা যান রিপন। স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, জমিসংক্রান্ত বিষয়ে আপন মামার সাথে দীর্ঘদিন ধরে রিপনদের বিরোধ চলছিল। এ ঘটনার জের ধরেই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে চৌদ্দগ্রাম থানার ডিউটি অফিসার এসআই সাইদুল জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
নানা আয়োজনে বান্দরবানে বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালিত
অনলাইন ডেস্ক:নানা আয়োজনে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে পালিত হচ্ছে বিশ্ব আদিবাসী দিবস। দিবসটি উপলক্ষে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে শহরের পুরাতন বাজার মাঠ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে ১১টি পাহাড়ী সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে নানা সাজে সেজে অংশ নেয়। এছাড়া বিভিন্ন দাবি সম্বলিত ব্যানার ফেস্টুন প্লেকার্ড নিয়েও অংশ নেয় বিভিন্ন এলাকার পাহাড়ীরা। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে অরুন সার্কি টাউন হলে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উদযাপন কমিটির সভাপতি জলিমং মারমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মো. হোসাইন কবির। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং মারমা, জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান থোয়াই চ প্রু মাষ্টার প্রমুখ। সভায় বক্তরা আদিবাসীদের স্বীকৃতির দাবি জানিয়ে বলেন, দেশে বসবাসরত আদিবাসীরা প্রতিনিয়ত লাঞ্চনা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। আদিবাসী জাতিসমূহের অধিকার প্রতিষ্ঠায় মুক্তিকামী জনতার সেতুবন্ধন রচনায় রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সভার পর বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
৫০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের পরিকল্পনা চসিকের
অনলাইন ডেস্ক :চট্টগ্রাম নগরের হোল্ডিং ট্যাক্স ও এস্টেট শাখার অধীনে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের পরিকল্পনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। বুধবার (০৮ আগস্ট) বিকেলে নগরের আগ্রাবাদস্থ ওয়ার্ল্ড সেন্টারে চসিকের রাজস্ব বিভাগের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন ও পৌরকর সম্মাননা অনুষ্ঠানে এ পরিকল্পনার কথা জানান রাজস্ব বিভাগের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহার সভাপতিত্বে সভায় ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষে চসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। রাজস্ব আয় বাড়াতে বেশ কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নগরে সরকারি হোল্ডিং সংখ্যা ১ হাজার ৩৯৯টি, বন্দরে হোল্ডিং সংখা একটি, বেসরকারি হোল্ডিং সংখ্যা ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৪৮টি সহ মোট হোল্ডিং সংখ্যা ১ লাখ ৮৫ হাজার ২৪৮টি। এসব হোল্ডিংয়ের প্রেক্ষিতে মোট দাবি ৩৩৫ কোটি ৪২ লাখ ৮২ হাজার ০১ টাকা। মোট দাবির প্রেক্ষিতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ন্যূনতম ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রাজস্ব বিভাগের এস্টেট শাখার প্রস্তাবিত ২১টি উন্নয়ন পরিকল্পনা/কার্যক্রমের ভিত্তিতে ৩০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করা হবে বলেও জানান চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা। সভায় আরও বক্তব্য দেন চসিকের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, কাউন্সিলর জোবাইদা নার্গিস খান, নিছার আহমেদ, শফিউল আলম, সচিব আবুল হোসেন, কর কর্মকর্তা মো. শাহ আলম, কামরুল ইসলাম চৌধুরী, একেএম সালাউদ্দিন, জানে আলম প্রমুখ।সূত্র:বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ডাঃ নুরুন নাহার স্মৃতি পরিষদের স্মরণ আলোচনায় বক্তারা, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব মহিয়সী
ডাঃ নুরুন নাহার স্মৃতি পরিষদ ও চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য সহধর্মিনী মহিয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের ৮৮তম জন্মদিন স্মরণে এক স্মরণ আলোচনা ও দুস্থ মহিলাদের মাঝে শাড়ী বিতরণ অনুষ্ঠান বাওয়া স্কুল এন্ড কলেজ মিলনায়তনে গতকাল ৮ আগস্ট সকাল ১১টায় সংগঠনের সভাপতি আওয়ামীলীগনেতা শরফুদ্দীন চৌধুরী রাজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগমনিরাম ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও চউক মেম্বার মোঃ গিয়াস উদ্দীন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাওয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ারা বেগম। চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রেরে সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবালের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এম,আর,আজিম,সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ সালাউদ্দীন, জহুর আহমদ চৌধুরীর দৌহিত্র ইয়ামিন আনাম, মোরাপত্র লেখক সমাজের সভাপতি কবি সজল দাশ প্রমুখ। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব একজন আদর্শিক ও মহিয়সী নারী। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি কাজে যিনি ছায়ার মত থেকে উৎসাহ আর প্রেরণা যোগাতেন তিনি হচ্ছেন বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব। একজন ত্যাগী ও আলোকিত নারী হিসেবে তিনি নিরবে নিভৃতে দেশের মানুষের উন্নয়নে অবদান রেখে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর একজন যোগ্য সহধর্মিনী হিসেবে তিনি সবসময় বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু যখন কারাগারে তখন ফজিলাতুন্নেসা মুজিব অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে পরিবার ও আওয়ামী পরিবারকে সামলে রাখতেন। তিনি আজকের আয়োজনে দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে শাড়ী বিতরণ একটি মহতি উদ্যোগ বলে অভিহিত করেন। সভায় প্রধান বক্তা তার বক্তব্যে বলেন বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব আমাদের নারী সমাজের ইতিহাসে এক আদর্শিক মহিলার নাম। বঙ্গবন্ধু যখন ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন বেগম মুজিব বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন তুমি তোমার মত করে নিজের বুদ্ধি দিয়ে তোমার মনের কথা জনগণের সামনে তুলে ধরবা। এভাবে বেগম মুজিব জাতির জনকের প্রতিটিকর্মে দেশপ্রেমের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধুকে সাহস ও প্রেরণা যোগাত। তিনি বর্তমান প্রজন্মের ছাত্রীদেরকে বঙ্গমাতার জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করার আহ্বান জানান। সভা শেষে ২০ জন দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে শাড়ী বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর