আধুনিক শিক্ষার সাথে নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় না হলে আদর্শ নাগরিক গড়ে তোলা অসম্ভব :রিজিয়া রেজা চৌধুর
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী’র সহধর্মীণি, বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিগত শিক্ষার সাথে নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় না হলে আদর্শ নাগরিক গড়ে তোলা সম্ভব নয়। নৈতিক শিক্ষা অর্জনের জন্য ধর্মীয় মূল্যবোধের কোন বিকল্প নেই। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন সুনাগরিক গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রতিটি জেলা-উপজেলা মডেল মসজিদ কাম ইসলামিক সেন্টার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি গ্রামে গঞ্জে গণশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশন উপরোক্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে বিগত প্রায় দুই দশক ধরে সাতকানিয়া-লোহাগাড়াসহ দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আজ ১০ জুলাই ২০১৮ইং বেলা ১২টায় সাতকানিয়া সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মুহাম্মদ সানাউল্লাহ, সাতকানিয়া উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সাইদুর রহমান দুলাল, পৌর আওয়ামীলীগ নেতা রুবেল রাজ, সাতকানিয়া পৌর কাউন্সিলর মোজাম্মেল, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য মোহাম্মদ ইমরান, সাতকানিয়া কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ কামাল, উপজেলা যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন বেলাল, খন্দকার মোহাম্মদ পারভেজ, মোহাম্মদ আসাদ, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান, ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ ইদ্রিচ, মোহাম্মদ আয়াজ, মোহাম্মদ জাহেদ, মহিলা নেত্রী নার্গিস আক্তার মুন্নী, জিনিয়া আক্তার, হামিদা আক্তার, রেহেনা আক্তার প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৫নং ওয়ার্ড মোহরা বঙ্গবন্ধু ছাত্র যুব উন্নয়ন পরিষদের কমিটি গঠন
৬ জুলাই শুক্রবার বাদে আসর থেকে মোহরায় বঙ্গবন্ধু ছাত্র যুব উন্নয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে সংগঠনের ৫নং ওয়ার্ড মোহরা কমিটি গঠনকালে সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার জন্যে এবং আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের প্রচার-প্রচারণা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়ে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমার এই সংগঠন জোরদার ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি। এবং সেই সাথে নতুন কমিটিকে তিনি অভিনন্দন জানাই। মো. হোসনকে সভাপতি, মো. কফিন উদ্দীনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন, উপদেষ্টাদের মধ্যে রয়েছেন যথাক্রমে মো. মঈনুদ্দীন মুজিব, মো. ইয়াছ, কাজী মামুন, জসীম উদ্দীন-১, নুরুল আবছার, মো. তছলিম, মো. শফি, মো. সরোয়ার, মো. জসীম উদ্দীন-২, মো. জাফর, মো. পারভেজ, মো. খোকা, মো. আরজু, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ইছহাক, সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ কায়সার লিটন, মো. হারুনুর রশিদ, মো. চাঁন মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক মো. ফারুক, মো. আজম, ইফতেকার আবেদীন রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রনি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মো. আলী আকবর, সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. শাহজাহান, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম সাকিব, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. হায়দার খান, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মহিউদ্দীন, অর্থ সম্পাদক মো. আজম, সহ-অর্থ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম সুরুজ, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম-১, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. কাইছার উদ্দীন, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. মহিন গাজী, ক্রীড়া সম্পাদক মিশু দাশ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মুন্না, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এন. মো. রুবেল, ধর্ম সম্পাদক মো. ফারুক, আপ্যায়ন সম্পাদক মো. ইমাম উদ্দিন, সিনিয়র সদস্য মো. সৈয়দ আরিফ, মো. গিয়াস উদ্দিন, নাজের তালুকদার, সদস্য মো. সালাউদ্দিন, নুর মো. বাদশা, মো. জিমি, মো. নুরুল কবির, মো. সিদ্দিক, মো. ওয়াহিদ মুরাদ মানিক, মো. নাজিম উদ্দিন, মো. ফোরকান, পঙ্কজ চৌধুরী, দিদারুল আলম, মো. তারেক, মো. শেখ ফোরকান, সৌরভ, মো. নোমান, মো. কামাল, ডি. কে. দোলন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রথযাত্রা উৎসবে সরকারি ছুটি ঘোষণাসহ ৬ দফা দাবি
পৃথিবীর দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ মানুষের মিলনোৎসব হল রথযাত্রা উৎসব। রথযাত্রা উৎসবের উৎপত্তি ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের অন্তর্গত শ্রীজগন্নাথ পুরীধাম। পুরীধামে বিরাজিত আছেন জগতের অধীশ্বর, পরম দয়ালু, জীবের পরম আশ্রয়দাতা পরমেশ্বর ভগবান জগন্নাথ। জগন্নাথদেবের বিভিন্ন বিস্ময়কর ও অদ্ভুতলীলা থেকে উপলদ্ধি করা যায় তিনি মন্দিরে স্বয়ং বিরাজিত। কলিযুগের অধঃপতিত ধর্মবিমুখ জীবদের যারা মন্দিরে যেতে সময় পায় না তাদের দর্শন দানের মাধ্যমে জগন্নাথদেব তার অহৈতুকী কৃপা বিতরণ করেন। রথযাত্রা হল পৃথিবীর একমাত্র উৎসব যেখানে ভগবান মন্দির থেকে বের হয়ে এসে রথে আরোহন করে নগর পরিক্রমা করেন। এই হল জগন্নাথদেবের মহিমা। আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) এর প্রতিষ্ঠাতা আচার্য্য জগৎগুরু শ্রীল প্রভুপাদের কল্যাণে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব জগতের নাথ জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব আজ সারা বিশ্বের পায় ১২৭টি দেশের সব বড় বড় শহরে সারা বৎসরব্যাপী হাজার হাজার বিদেশী ধর্মপ্রাণ নরনারীর অংশগ্রহণে মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যার মাধ্যমে এই বাংলার কৃষ্টি, প্রথা, সংস্কৃতি, ভাষা, ঐতিহ্য সারা বিশ্বের প্রতি নগরাদি গ্রামে প্রচারিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার গর্ভভূমি এই দেশে ধর্মীয় উৎসবসমূহ যথাযোগ্য মর্যাদায় সবার অংশগ্রহণের উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হওয়ার ফলশ্রুতিতে জঙ্গীবাদ, মৌলবাদ ও সর্বপ্রকার অশুভশক্তি শতবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করেও বার বার দমিত হয়েছে। বর্তমান সরকার ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার এর স্থলে ধর্ম যার যার উৎসব সবার সংযোজন করেছেন। সংখ্যালঘুদের উপর বার বার পরিকল্পিত হামলা সরকার গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিচ্ছে না। তাই প্রতিনিয়ত মঠ-মন্দিরে হামলা, গুম হত্যা ও ধর্ষন বেড়েছে। এসব গুপ্ত হত্যা করে দেশ থেকে সংখ্যালঘুদের বিতাড়িত করার একটা অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সরকার যদি এসব হত্যকারীদের এবং মূল হোতাদের গ্রেপ্তারপূর্বক শাস্তি প্রদান না করে তাহলে দেশ অনেক দূর পিছিয়ে যাবে। আজ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আন্তজার্তিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইস্কন) চট্টগ্রাম আয়োজিত শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের ২১তম রথযাত্রা‘১৮ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচী নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় নন্দনকানন ইস্কন মন্দিরের সভাপতি প-িত গদাধর দাস ব্রহ্মচারী উপরোক্ত মন্তব্য করেন। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন বিশ্বব্যাপী সনাতন ধর্ম প্রচারে অগ্রগামী সংগঠন ইস্কনের বিভিন্ন মঠ, মন্দির ও ভক্তদের উপর হামলা বাংলাদেশের ধর্ম নিরপেক্ষ শান্তিপ্রিয় মানুষের হৃদয়কে বিদীর্ণ করেছে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে সেই স্বাধীন বাংলাদেশে এইসব ঘটনা নিশ্চয়ই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। যে বাংলাদেশে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রার্থনাকালে ভক্তদের উপর হামলা করা হয় তা কি কোনো স্বাধীন বাংলাদেশের চিত্র হতে পারে না। সাংবাদিক সম্মেলনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও চট্টগ্রাম ইস্কন নেতৃবৃন্দ রথযাত্রা উৎসবের দিন রাষ্ট্রীয়ভাবে সরকারি ছুটি ঘোষণা, সনাতন ঐতিহ্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র সদৃশ বিলুপ্ত প্রায় মন্দির স্থাপনা, স্মৃতি স্থান ও তীর্থস্থান সমূহ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে সংরক্ষণ ও রক্ষণা-বেক্ষণ ও প্রসারের জন্য সরকারি বরাদ্দ নিশ্চিত করা, নন্দনকাননস্থ রাধামাধব মন্দির, লোকনাথ মন্দির ও বিদ্যালয়ের অর্পিত সম্পত্তি অবমুক্ত করা, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টকে হিন্দু ফাউন্ডেশনে রূপদান করা, রথযাত্রায় অংশগ্রহণকারী জনগণের ভোগ্য খাদ্যবস্তু সমূহ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রদান করা, প্রত্যেক মঠ, মন্দির ও দেবোত্তর সম্পত্তি সমূহের নিñিদ্র নিরাপত্তা প্রদান করার দাবি জানান। এতে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন চট্টগ্রাম ইস্কনের বিভাগীয় রিজিওন্যাল সেক্রেটারী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী ,পু-রীক বিদ্যানিধি স্মৃতি সংসদের সভাপতি প্রফুল্ল রঞ্জন সিংহ, কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট চন্দন তালুকদার, চট্টগ্রাম মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নিতাই প্রসাদ ঘোষ, কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তপন কান্তি দাশ, বাংলাদেশ হিন্দু ফাউন্ডেশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান দিলীপ মজুমদার,ইসকন নন্দনকানন সাধারণ সম্পাদক তারণ নিতানন্দ দাস ব্রহ্মচারী, কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক প্রকৌশলী আশুতোষ দাশ, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অরবিন্দ পাল অরুণ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় গৃহস্থ কাউন্সিল সদস্য বলরাম করুনা দাস,গৌর পূর্ণিমা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুমন চৌধুরী। উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইস্কন ন্যাশনাল কমিটির সদস্য সর্বমঙ্গল গৌর দাস, যুগ্ম সম্পাদক মুকুন্দ ভক্তি দাস ব্রহ্মচারী, কোষাধ্যক্ষ সুবলসখা দাস ব্রহ্মচারী, শেষরূপ দাস ব্রহ্মচারী, অপূর্ব মনোহর দাস ব্রহ্মচারী, লীলেশ্বর গোবিন্দ দাস প্রমুখ। ইসকন নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও শান্তিকামী ধর্মনিরপেক্ষ সাধারণ মানুষ এ দেশের সরকারের উপর আস্থাশীল। তাদের বিশ্বাস সরকার যেকোনো মুহূর্তে অপরাধীদের আইনি প্রক্রিয়ায় বিচার করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করবেন এবং বাংলাদেশের সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও বাংলাদেশে সকল ইস্কন মন্দিরে নিরাপত্তা বিধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। সাংবাদিক সম্মেলনে আগামী ১৪ জুলাই থেকে ২২ জুলাই‘১৮ পর্যন্ত নন্দনকানন শ্রীশ্রী রাধামাধব মন্দির এবং ডিসি হিল প্রাঙ্গন থেকে বিভাগীয় কেন্দ্রীয় ইস্কনের তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম ইসকন আয়োজিত ২১তম রথযাত্রা উৎসব আড়ম্বরভাবে উদযাপন করা হবে এবং ৯ দিনব্যাপী জে. এম সেন হলে ভাগবদ সপ্তাহ পালন হবে। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও আগামী ১৪ জুলাই হতে ২২ জুলাই পর্যন্ত ৯ দিন ব্যাপি বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার শুভ সুচনা করার জন্য ইসকনের হেডকোয়ার্টার মায়াপুর ভারত হতে আগত ইসকনের অন্যতম সন্যাসী শ্রীমৎ অমিয় বিলাস স্বামী মহারাজ, বাংলাদেশের সিনিয়র সহসভাপতি শ্রীমৎ ভক্তিপ্রিয়ম্ গদাধর গোস্বামী মহারাজ, ৭দিন ব্যাপি ভাগবতম সপ্তাহ প্রদান করবেন সংকীর্তন ও প্রচার বিভাগের পরিচালক শ্রীপাদ বেণুধারী দাস ব্রহ্মচারী, মায়াপুর চন্দ্রোদয় মন্দিরের জেনারেল ম্যানেজার জগৎগুরু জয়দেব দাস ব্রহ্মচারী চট্টগ্রামে শুভ আগমন করবেন। অনুষ্ঠানমালায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী, মেয়র, সংসদ সদস্য, ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ সুশীল সমাজের বিভিন্ন ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন । মহাশোভাযাত্রা নন্দনকানস্থ শ্রী শ্রী রাধামাধব মন্দির সম্মুখে ডিসি হিল প্রাঙ্গন থেকে শুরু হয়ে চেরাগী পাহাড় - আন্দরকিল্লা - লালদিঘীর পাড় - কোতোয়ালী - নিউ মার্কেট - বোস ব্রাদার্স মোড় - নন্দনকানন গৌর নিতাই আশ্রম এসে শেষ হবে। ২২জুলাই উল্টো রথযাত্রা নন্দনকানন গৌর নিতাই আশ্রম হতে শুরু করে উল্টো পথে নন্দনকানন শ্রীশ্রী রাধামাধব মন্দিরে এসে শেষ হবে। সেখানে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা থেকে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার নরনারীসহ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীবৃন্দ ব্যানার, প্ল¬্যাকার্ড, ফেস্টুন, পৌরাণিক সাজ ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে যোগদান করবেন। সর্বোপরি উক্ত রথযাত্রায় কঠোর নিরাপত্তা প্রদানের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানান।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের স্মরণ আলোচনায় বক্তারা, মানবতার আদর্শিক পুঁজারী স্বামী বিবেকানন্দ
চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের উদ্যোগে সোমবারের সাহিত্য সন্ধ্যা উপলক্ষে যোগাচার্য স্বামী বিবেকানন্দের প্রয়াণ দিবস স্মরণে স্বামী বিবেকানন্দের জীবন, কর্ম, বাণী ও মানবতা শীর্ষক এক আলোচনা সভা সংগঠনের সহ সভাপতি বাবুল কান্তি দাশের সভাপতিত্বে গত ৯জুলাই সন্ধ্যা ৭টায় আন্দরকিল্লাস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুখ্য আলোচক হিসেবে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তী। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবালের পরিচালনায় এতে আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন চবি অধ্যাপক ড. জিনবোধি ভিক্ষু, রাজনীতিবিদ মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আলী চৌধুরী, লেখক ও মুক্তিযোদ্ধা কালাম চৌধুরী, বরেণ্য আবৃত্তিকার নাট্যজন রণজিৎ রক্ষিত, মাষ্টার অজিত কুমার শীল, কবিয়াল কল্পতরু ভট্টাচার্য, রাজনীতিবিদ জসিম উদ্দীন চৌধুরী। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুখানিভয়শিল্পী রেজওয়ান রাজন, দক্ষিণজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগনেতা সালাউদ্দীন লিটন, মোপলেস সভাপতি কবি সজল দাশ, মামুরখাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচিলনা কমিটির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী, সংগঠক বিপ্লব দাশ গুপ্ত, নারীনেত্রী সৈয়দা শাহানা আরা বেগম, সোমিয়া সালাম, শীলা, উচ্ছ্বাসের সভাপতি মোঃ আজিম উদ্দীন, সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক সুমন চৌধুরী, আবৃত্তিকার ফারুক হোসেন, মোঃ রোকন উদ্দীন জয়, উজ্জ্বল দে, প্রভাত কান্তি দাশ, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, রতন ঘোষ প্রমুখ। সভায় মুখ্য আলোচক তার বক্তব্যে বলেন স্বামী বিবেকানন্দ এসেছিলেন আলোকিত এক সমাজ বিনির্মাণের জন্য। স্বামীজি বলেছেন 'পৃথিবীতে আসলি যখন একটা দাগ কেটে যা, ‘পিতৃদেবো ভব মাতৃদেবো ভব” আমি বলি দরিদ্র নারায়ণ ভব। ‘ধর্ম ভাতের হাঁড়িতে নয়, ধর্ম আচরণে’। বিবাদ নয় সহায়তা মতবিরোধ নয়, সমন্বয় ও সংহতি'। 'আত্ম-পীড়িত যারা তারাই আমার কাছে জীবন্ত ভগবান। তিনি বলেন স্বামীজি বলেছেন সকল ধর্মের মূলমন্ত্র মানবতা, মানুষের কল্যাণ। সভায় বক্তারা বলেন মানুষের সেবা আর কল্যাণের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার কৃপা পাওয়া যায় এটাই স্বামী বিবেকানন্দের মূলবাণী। স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর জীবন আদর্শে মানুষকে মনে প্রাণে সৎ সুন্দর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বিভেদ নয় সহায়তা মর্মের মানুষের প্রতি মমত্ববোধ দেখাতে হবে। স্বামী বিবেকানন্দ একজন অসাম্প্রাদায়িক চেতনার আদর্শিক মানবতাবাদী হিসেবে আমাদেরকে সবসময় প্রেরণা যোগাবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বরমা মাদরাসায় অব. শিক্ষক-কর্মচারীর বিদায় এবং কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা
চন্দনাইশের বরমা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা'র সদ্য অবসরপ্রাপ্ত সহকারী মৌলভী (প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক) সৈয়দ আহমদ শুকুরী ও চতুর্থশ্রেণির কর্মচারী (নৈশপ্রহরী) মো. আব্দুল খালেক'র বিদায় এবং সরকারি বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ৮ জুলাই বোববার অনুষ্ঠিত হয়। মাদারাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আবুল বশরের সভাপতিত্বে ও শিক্ষক মো. জসীম উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন সংবর্ধিত ব্যক্তিদ্বয় ও মাদরাসা ব্যবস্থপনা কমিটির (এমএমসির) শিক্ষানুরাগী সদস্য সৈয়দ শিবলী ছাদেক কফিল। বক্তব্য রাখেন শিক্ষক ও এমএমসি সদস্য মাস্টার মো. জসীম উদ্দীন, মাওলানা আজগর হোসাইন, মাস্টার আমিন খান ও মেধাবী ছাত্রী মোছাম্মৎ আয়েশা ছিদ্দিকা। পরে সংবর্ধিতদের হাতে তুলে দেয়া হয় বিদায়ী উপহার। বক্তারা বলেন, নিবেদিত ও কৃতী মানুষরা সমাজের কাছে সম্মানিত হয়ে থাকেন। ভাল ও গুণী ব্যক্তিরা সবসময় জাতি ও প্রতিষ্ঠানের মঙ্গলের জন্য কাজ করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চন্দনাইশে খেলোয়াড় সমিতিতে ফুটবল বিতরণ করলেন কৈয়ুম চৌধুরী
চন্দনাইশ খেলোয়াড় সমিতির উদ্যোগে উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফুটবল বিতরণ করা হয়। গাছবাড়িয়া নিত্যানন্দ গৌরচন্দ্র মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গতকাল ৮ জুলাই অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক ক্রীড়া সংগঠক আদিল আহমদ কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গাছবাড়িয়া নিত্যানন্দ গৌরচন্দ্র মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি, এয়ারবেল ও কক্স টুডের এমডি, রিহাব-চট্টগ্রাম চাপ্টার ও চন্দনাইশ সমিতি-চট্টগ্রামের চেয়ারপার্সন আলহাজ্ব আব্দুল কৈয়ুম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্মপরিচালক একরাম হোসেন, চন্দনাইশ সমিতি-চট্টগ্রাম ট্রাস্টিবোডের সেক্রেটারি বাবর আলী ইনু, সৈয়দাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মাদ, এডিশনাল পিপি এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন, বরমা ইউনিয়ন ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারি সৈয়দ শিবলী ছাদেক কফিল, সাংবাদিক এসএম রহমান ও এম এ মুবিন। পরে প্রধান অতিথি আলহাজ্ব আব্দুল কৈয়ুম চৌধুরী ২০টি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের মাঝে ফুটবল ও অন্যান্য ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চন্দনাইশ শেখ জামাল স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহেদ, কাঞ্চনাবাদ স্পোটিং ক্লাবের সমন্বয়ক বেলাল উদ্দিন সুজন, জোয়ারা স্পোর্টিং ক্লাবের সমন্বয়ক আসমাউল ইরফান, হাশিমপুর স্পোর্টিং ক্লাবের সমন্বয়ক মোঃ আবির, দোহাজারী স্পোর্টিং ক্লাবের সমন্বয়ক মিনহাজ সাকিব, ধোপাছড়ি স্পোর্টিং ক্লাবের সমন্বয়ক আব্দুলাহ আল মামুন, বরকল স্পোর্টিং ক্লাবের সমন্বয়ক অনিক বড়ুয়া, বরমা স্পোর্টিং ক্লাবের সমন্বয়ক মোঃ তানিম, বৈলতলী স্পোর্টিং ক্লাবের সমন্বয়ক ফরহাদ হোসেন, সাতবাড়িয়া স্পোর্টিং ক্লাবের সমন্বয়ক নুরল কবির, গাছবাড়িয়া স্পোর্টিং ক্লাবের সমন্বয়ক মো সজিব, হারালা স্পোর্টিং ক্লাবের সমন্বয়ক খালেদ রেজা রাজু প্রমুখ। তাঁরা তাদের ক্লাব কর্মকর্তাদের নিয়ে নিজ নিজ ক্লাবের জন্য ফুটবল গ্রহণ করেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বিএফইউজে নির্বাচন ১৩ জুলাই
অনলাইন ডেস্ক :বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) স্থগিত হয়ে যাওয়া নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন তারিখ অনুযায়ী আগামী ১৩ জুলাই (শুক্রবার) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।মঙ্গলবার (১০ জুলাই) বিএফইউজে নির্বাচনের জন্য গঠিত নির্বাচন কমিশনের সদস্য হাসান আরেফিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আদালতের আদেশের পর মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন বৈঠক করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।এর আগে গত ৬ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। কিন্তু দুই প্রার্থীর মামলার প্রেক্ষিতে গত ৫ জুলাই নির্বাচন স্থগিত করার আদেশ দেন শ্রম আদালত-১। পরে সোমবার (৯ জুলাই) ওই স্থগিতাদেশের উপর শুনানি নিয়ে তা বাতিল করেন ঢাকার প্রথম শ্রম আদালতের বিচারক ড. মো. শাহজাহান।
ধর্ষণের প্রতিবাদে ৩ পাহাড়ি সংগঠনের বিক্ষোভ খাগড়াছড়িতে
অনলাইন ডেস্ক: খাগড়াছড়ির রাউজানে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা ও কাউখালীতে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে পাহাড়ি তিনটি সংগঠন। ইউপিডিএফ সমর্থিত বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, হিল উইমেন্স ফেডারেশন ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম খাগড়াছড়ি জেলা শাখা এ কর্মসূচি পালন করে। মঙ্গলবার (১০ জুলাই) দুপুরে শহরের স্বনির্ভর এলাকায় অবস্থিত ইউপিডিএফের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরতরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় স্বনির্ভর বাজারে এসে প্রতিবাদ সমাবেশ করে। ওই প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রতন স্মৃতি চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের জেলাসহ সাধারণ সম্পাদক অবনিকা চাকমা ও পিসিপি খাগড়াছড়ি জেলা শাখার দফতর সম্পাদক সমরচাকমা প্রমুখ। বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, গত ৫ জুলাই রাউজান একটি বৌদ্ধ অনাথ আশ্রম অম্যাচিং মারমাকে হত্যা করা হয়। এর কয়েকদিনের পর গতকাল রাঙামাটির কাউখালীতে এক মারমা নারীকে ধর্ষণ করা হয়। তবে ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি প্রশাসন। সমাবেশ থেকে বক্তারা অবিলম্বে হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
জমির জন্য মাকে পিটিয়ে জখম করল ছেলে
অনলাইন ডেস্ক: হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার আওয়াল মহল গ্রামে মা আলা বানুকে (৭৫) পিটিয়ে জখম করেছে ছেলে তাজুল মিয়া। সোমবার (০৯ জুলাই) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। আহত আলা বানু ওই গ্রামের মৃত ছনু মিয়ার স্ত্রী। বর্তমানে তিনি হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জানা যায়, মায়ের কিছু জমি অন্য ভাই-বোনদের না দিয়ে তাজুল মিয়া নিজে হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছিলেন। সম্প্রতি একটি জায়গা তাজুলের নামে দলিল করে দেয়ার জন্য মায়ের ওপর জন্য চাপ দেয়। এতে আলা বানু রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাজুল মাকে রাস্তায় ফেলে মারপিট করে। পরে স্থানীয়রা আলা বানুকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলা বানু বাংলানিউজকে জানান, তার কাছে সব সন্তানই সমান। তবে তিনি ছেলের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক জানান, এ ব্যাপারে লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর

সারা দেশ পাতার আরো খবর