ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ওএমএসের ৩০০বস্তা চালসহ ট্রাক আটক
অনলাইন ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি ওএমএস এর এক ট্রাক চালসহ তিনজনকে আটক করেছে বিজিবি। সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালসহ তাদের আটক করা হয়। বিজিবি জানায়, ২৫ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন সরাইলের হাবিলদার শামছুল আলম পাটোয়ারির নেতৃত্বে জেলার সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ বাজারে অভিযান চালিয়ে একটি ট্রাক থেকে আনুমানিক ৩০০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। এসময় ট্রাকচালক রবিউল আলম শাহিন, তার সহকারি মাসুম মিয়া ও শ্রমিক ওয়াহিদকে আটক করা হয়। আটককৃতরা জানিয়েছে, এ চালগুলো জেলার নাসিরনগরের জুলহাস মিয়ার মালিকাধীন জুলহাস ট্রেডার্স থেকে সিলেটের চুনারুঘাট নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আটক চালের মূল্য ৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এ বিষয়ে ২৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মদ গোলাম কবীর জানান, বিষয়টি জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। ট্রাস্কফোর্সের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
বিড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে যুবককে খুন নাটোরে
অনলাইন ডেস্ক: নাটোরের বড়াইগ্রামের গোপালপুর গড়মাটি এলাকায় মুদি দোকানের সামনে বিড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে মজনু শেখ (২৭) নামে এক যুবক খুন হয়েছে। নিহত মজনু শেখ গড়মাটি গ্রামের নুর আলী সেখের ছেলে। রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ইয়াসিন সেখ জানান, রাতে গড়মাটি মাঝিপাড়া তিনরাস্তার মোড়ে অবস্থিত কুতুব আলীর দোকানের সামনে বেঞ্চে বসে মজনু স্থানীয় আজগর আলীর কাছে বিড়ি চায়। এ সময় উপস্থিত কোরবান প্রামাণিক বিড়ি চাওয়ার কারণে মজনুকে গাল-মন্দ করতে থাকে। এক পর্যায়ে মজনুও গালাগালি শুরু করলে কোরবান কাঠের বাটাম দিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় উপর্যুপরী আঘাত করে। মজনু প্রাণে বাঁচতে দৌড়ে পালাতে গিয়ে পাশের ডোবায় পড়ে যায়। পরে প্রত্যক্ষদর্শীরা মজনুকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে মিঠুর ভ্যানযোগে বাড়ি নিয়ে আসে এবং পরে নাক-কানে রক্তক্ষরণ হয়ে সে মারা যায়। বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলিপ কুমার দাস এই হত্যাকাণ্ডের সত্যতা স্বীকার করে জানান, লাশ ময়না তদন্তের জন্য পুলিশ নাটোর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। ঘাতক কোরবান আলীকে গ্রেপ্তার করতে সর্বাত্মাক চেষ্টা চালানো হচ্ছে। থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
সৎ মাকে জমি লিখে দেয়ায় বাবাকে গলাকেটে হত্যা
অনলাইন ডেস্ক: মা মারা যাওয়ার পর বাবা তাকে না জানিয়ে একই গ্রামের মৃত মোশারফ হোসেনের বিধবা স্ত্রী মাজেদা বেগমকে এক কন্যাসন্তানসহ বিয়ে করেন। বিয়ের সময় লিখে দেন ১৫ শতাংশ জমি। আরও জমি তার বাবা তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে লিখে দিতে পারেন এ আশঙ্কায় বাবাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।’ ঢাকার ধামরাইয়ে ঘরের ভেতরে ঘুমন্ত অবস্থায় গলা কেটে এক কৃষককে হত্যা করেছে তারই সন্তান। রোববার পুলিশের কাছে এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে ওই কৃষক বাবার প্রবাসী ছেলে মো. লিটন মিয়া। ধামরাই থানা পুলিশ রোববার সকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে উপজেলার সুয়াপুর ইউনিয়নের কুটিরচর গ্রামে। এ লোমহর্ষক খুনের ঘটনায় ধামরাই থানা পুলিশ খুন হওয়া ওই কৃষকের দ্বিতীয় স্ত্রী এবং প্রথম স্ত্রীর ছেলে লিটনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে। দীর্ঘসময় জিজ্ঞাসাবাদের পর ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ দীপকচন্দ্র সাহার কাছে লিটন তার বাবাকে নিজ হাতে গলা কাটে হত্যার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, তার মা মারা যাওয়ার পর বাবা তাকে না জানিয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের সময় লিখে দেন ১৫ শতাংশ জমি। আরও জমি তার বাবা তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে লিখে দিতে পারেন এ আশঙ্কায় তিনি বাবাকে হত্যা করেছেন। এ ব্যাপারে ধামরাই থানায় ওই কৃষকের ছেলে লিটনকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়েছে। শীর্ষনিউজ
হবিগঞ্জে ছাত্রলীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৭
অনলাইন ডেস্ক: হবিগঞ্জে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় বেশ কিছু দোকান ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত সাত জন আহত হয়েছেন। রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহরের কালীবাড়ি রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি–তদন্ত) জিয়াউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহির সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার এ ঘটনা ঘটে। পরে আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহির সমর্থকদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। এর একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওসি জিয়াউর রহমান বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শীর্ষনিউজ
কুমিল্লায় খালেদার বিরুদ্ধে হত্যা মামলায় জামিন শুনানী ৩ অক্টোবর
অনলাইন ডেস্ক: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নৈশকোচে পেট্রোল বোমা মেরে ৮ জন যাত্রী পুড়িয়ে হত্যা মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি ফের পিছিয়েছে আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করে খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাড. কাইমুল হক রিংকু জানান, রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে কুমিল্লার ৫নং আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন রবিবার এ মামলায় আগামী ৩ অক্টোবর জামিন শুনানীর পরবর্তী দিন ধার্য্য করেন। উল্লেখ্য, বিএনপি-জামায়াতসহ ২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতাল-অবরোধ চলাকালে ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ভোর রাতে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি নৈশকোচ চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুর নামক স্থানে পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা বাসটি লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে। এতে আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলে ৭ জন ও হাসপাতালে নেওয়ার পর ১ জনসহ মোট ৮ ঘুমন্ত যাত্রী মারা যায়। ওই ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান হাওলাদার বাদী হয়ে পরদিন ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক ২টি মামলা দায়ের করেন। এ দুটি মামলায় ২ বছর ১ মাস তদন্ত ও পুলিশসহ ৬২ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই মো. ইব্রাহিম গত বছরের ৬ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
ভাঙ্গায় আ-লীগ নেতাকর্মিদের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ায় থানা ঘেরাও, সড়ক অবরোধ
অনলাইন ডেস্ক: ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মিদের নামে থানায় মিথ্যা মামলা নেওয়ার প্রতিবাদে ওসির অপসারণ চেয়ে থানা ঘেরাও, বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছসেবক লীগ। রবিবার সকালে ভাঙ্গা ঈদগাহ মাঠ থেকে নেতাকর্মিরা বিভিন্ন এলাকা থেকে জড়ো হয়ে থানার মেইন ফটকের সামনে কিছুক্ষণ বিক্ষোভ করে এবং ওসির অপসারণসহ বিভিন্ন প্রকার শ্লোগান দেয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ। তখন থানার মেইন গেট বন্ধ করে দেয় পুলিশ। পরে মিছিলটি বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌরসভার সামনের সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপি অবরোধ করে রাখে। এ সময় সড়কের দুপাশে শতশত যানবাহন আটকে পড়ায় যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়ে। পরে পৌর মেয়রের অনুরোধে মহাসড়কের উপর অবরোধসহ সকল কর্মসূচি তুলে নেওয়া হয়। এ সময় এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আবু রেজা মোঃ ফয়েজ বলেন, আমাদের নেতাকর্মিদের উপর হামলা ও মিথ্যা মামলা নেওয়াসহ প্রশাসনের স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদে আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহর নির্দেশে অবরোধসহ সকল কর্মসূচি পালন করেছি এবং থানা পুলিশ আমাদের দাবি মেনে নেওয়ায় কাজী জাফর উল্লাহর নির্দেশে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) গাজী মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, থানা ঊভয় পক্ষের মামলা নিয়েছে তবে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আলোকিত বাংলাদেশ
ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে মাটিতে পুতে ফেললো পার্টনাররা
অনলাইন ডেস্ক: পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে মোহাম্মদ সাঈদ হোসেন (৪০) নামের এক শেয়ার বাজার ব্যবসায়ীকে হত্যা করে লাশ মাটিতে পুতে ফেলে ব্যবসায়িক পার্টনাররা। নয়দিন আগে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটলেও পুলিশ লাশের সন্ধান পেয়েছে বুধবার দিনগত রাত ১১টার দিকে। চট্টগ্রাম মহানগরের ইপিজেড থানার নিউমুরিং বোবা কলোনীর বড়মাঝি প্রকাশ মাসকট প্রবাসি জসিম উদ্দীনের সাততলা ভবনের পাশের পরিত্যক্ত জমি থেকে ওই অর্ধগলিত লাশটি উত্তোলন করা হয়। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) উৎপল বড়ুয়া এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে হত্যার শিকার সাঈদের ব্যবসায়িক পার্টনার এরফান উদ্দিন কবির ও আরমান কবির নামের দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওসি আরো বলেন, নিহত সাঈদ নগরের গোসাইল ডাঙা এলাকার আজিজ মিয়ার বাড়ির আজমল হোসাইনের ছেলে। স্ত্রী ফরিদা আকতারকে নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরের খুলশী থানার লালখান বাজারের হিলসাইড আবাসিক এলাকার দি ম্যাগনেফিসেন্ট বিটিআইয়ে ফ্ল্যাটে থাকতেন। ওসি উৎপল বড়ুয়া আরো বলেন, লাশ উদ্ধার করে রাতেই মর্গে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এই ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদেরকেও গ্রেফতারের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। নিহতের স্ত্রী ফরিদা আক্তার জানান, পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে পার্টনাররা বাসা থেকে ডেকে নেয় গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে। ফরিদার ধারণা সে রাতেই সাঈদকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি জানান, ঘটনার পর পর তিনি কিছু পরিচিত ও স্বজনকে নিয়ে সেই ভবনে যান এবং সাঈদের ব্যবসায়ীক পার্টনারকে জিজ্ঞেস করেন। কিন্তু তারা প্রথমে কোনো সদুত্তর দিতে না পারলেও পরে বলেন- সাঈদকে পাওনা টাকা থেকে দেড় লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। আর সেই টাকা নিয়ে ফেরার পথে ভবন থেকে বের হতেই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের কবলে পড়েছেন। ওই সময় ওই সন্ত্রাসীরা সাঈদকে ধাওয়া করে নিয়ে গেছে। এরপর আর কিছুই জানেন না তারা। ফরিদা আকতার বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর এরফান ও আরমান পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে সাঈদকে পতেঙ্গা নিউমুরিং বোবা কলোনীর জসিম বিল্ডিংয়ের সেই ভবনে যেতে বলেন। ফরিদার ভাষ্য অনুযায়ী, সাঈদ সেই দিন পূর্বপরিচিত সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক হেলাল উদ্দিনকে ডাকেন সেই জসিম বিল্ডিংয়ে যেতে। তবে হেলাল দূরে থাকার কারণে তার আরেক পরিচিত চালক মাঈন উদ্দিনকে পাঠান সাঈদের লালখান বাজারের বাসায়। সেখান থেকে সেই অটোরিকশা চালক মাঈন উদ্দিন সাঈদকে নিয়ে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে নিউমুরিংয়ের সেই জসিম বিল্ডিংয়ে যান। সেখান চালক মাঈন উদ্দিনকে বাসার সামনে রাস্তায় দাঁড় করে রেখে সাঈদ একাই সেই বিল্ডিংয়ে প্রবেশ করেন এবং রাত আটটার দিকে স্ত্রী ফরিদা আক্তারকে সেখানে পৌঁছানোর কথা মোবাইল ফোনে নিশ্চিত করেন। এদিকে দীর্ঘ প্রায় দুই ঘণ্টা পরও সাঈদ ওই ভবন থেকে বের না হওয়ায় অস্থির হয়ে পড়েন সাঈদকে বহন করে নিয়ে যাওয়া সেই চালক মাঈন উদ্দিন। এরপর সাঈদের পরিচিত সেই চালক হেলালকে মোবাইল ফোনে মাঈন উদ্দিন তার উদ্বেগের কথা জানান। সেই সময় থেকে হেলাল সাঈদের মোবাইলে বার বার ফোন করে মোবাইল বন্ধ পাচ্ছিলেন। পরে হেলাল ফরিদা আক্তারকে জানালে ফরিদা আক্তারও মোবাইলে কল করা শুরু করেন। তিনি মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় বাসার কর্মচারী রুবেল দত্ত ও চালক হেলাল উদ্দিনকে নিয়ে রাত ১২টার দিকে সেই নিউমুরিং ভবনে যান ফরিদা। সেখানে গিয়ে এরফান ও আরমানকে সাঈদের অবস্থান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে প্রথমে তারা বলেন, সাঈদ আসেনি। পরে সিএনজিও চালক মাঈন উদ্দিন ও জসিম বিল্ডিংয়ের কেয়ারটেকার সাঈদ বিল্ডিংয়ে প্রবেশ করতে দেখেছেন তবে বের হতে দেখেননি এমন সাক্ষি দেয়ার পর এরফান ও আরমান কোনো সদুত্তর দিতে পারছিলেন না। পরে তারা বলেন, পাওনা টাকা থেকে দেড় লাখ টাকা দেয়ার পর সাঈদ রাত আটটা বিশ মিনিটের দিকে সেই ভবন থেকে বেড়িয়ে গেছে, তবে বিল্ডিংয়ের নিচে নামার সাথে সাথে ৩ থেকে ৪ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাকে ধাওয়া করে নিয়ে গেছে। তাদের এমন অসংলগ্ন কথাবাত্রায় পর তারা সেখান তেকে বেড়িয়ে যান। পরের দিন ১৮ সেপ্টেম্বর সাঈদ ওই ভবনে পাওনা টাকার জন্য গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি অবহিত করে পতেঙ্গা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। ফরিদা আক্তার আরও জানান, সাধারণ ডায়েরি করার পর পুলিশ এরফান ও আরামানকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন, কিন্তু তারা কোনো ভাবেই সাঈদের অবস্থান স্বীকার করেননি। থানায় সাধারণ ডায়েরি করার কারণে উল্টো ফরিদাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয় তারা দু’ভাই। এ ঘটনার পর ২৫ সেপ্টেম্বর ওই জিডির সূত্রে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন সাঈদের স্ত্রী ফরিদা আক্তার। সেই মামলায় আসামী করা হয়, এরফান উদ্দিন কবির (২৬), আরমান কবির (২৪), সুরাইয়া বেগম হিনা (২৩), নাজমুন নাহার (৪৫), মোহাম্মদ জিকু (২২) ও পিয়া আকতারকে (১৮)। জানাগেছে, মামলার আসামী সুরাইয়া বেগম হিনা ও পিয়া আকতার সম্পর্কে ফরিদা আক্তারের চাচাতো বোন। আর এরফান উদ্দিন কবির সুরাইয়ার স্বামী এবং জিকু প্রিয়া আকতারের স্বামী। নাজমুন নাহার ওই প্রবাসি জসিম ভবনের মালিক জসিমের স্ত্রী এবং এরফান ও আরমানের বড় বোন। তবে ভগ্নিপতি জসিম মাসকটে থাকার কারণে এরফান ও আরমান বড় বোন নাজমুন নাহারের সাথেই থাকেন। আর সেই জসিম ভবনের নিচ তলায় ব্যবসায়ীক অফিস তৈরি করেছেন। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, এরফান সম্পর্কে চাচাতো বোনের স্বামী ও আরমান তার ভাই হওয়ার কারণে এবং আত্মীয়তার সুবাধে পার্টনারশিপের ভিত্তিতে শেয়ার ব্যবসা করার জন্য প্রথমে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছেন। আর ওই টাকা জসিমের স্ত্রী নাজমুন নাহারের ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমেই নিয়েছেন তিনি। পরে ব্যবসা আরো বৃদ্ধি করবে বলে টাকা চাইলে এরফানকে নাজমুন নাহারের একাউন্টের মাধ্যমে আরো ৮ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়। এরপর সাঈদের কাছ থেকে ব্যবহারের কথা বলে আড়াই লক্ষ টাকা নিয়ে একটি মটরবাইক কিনেন এরফান। এদিকে আত্মীয়তার সুবাধে জিকু ও তার স্ত্রী পিয়া আকতার ব্যবসা করার কথা বলে ৮ লক্ষ টাকা ধার নেয় সাঈদের কাছ থেকে। পরে ওই টাকা ফেরত চাইলে তারা টাকা না দিয়ে ছলচাতুরী শুরু করে। এরপর টাকা না দেয়ার জন্য পরিকল্পনা করে ডেকে নিয়ে হত্যা করে বলে ফরিদা আক্তার অভিযোগ করেন। এদিকে ব্যবসায়ী সাঈদের লাশ উদ্ধারের আগেই ওই জসিম ভবনের জসিমের স্ত্রী নাজমুন নাহার, সুরাইয়া বেগম হিনা, জিকু ও প্রিয়া বাড়ি ফেলে আত্মগোপনে চলে গেছে। পরিবর্তন
বাড়ি থেকে ডেকে এনে কুপিয়ে হত্যা
অনলাইন ডেস্ক: নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুরল ইউনিয়নে রুবেল (২৭) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার মামা তাকে বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সকাল ৯টার দিকে মহিবুল্লাপুর গ্রাম থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রুবেল ওই গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মহিবুল্লাপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত মোবারকের ছেলে জাহাঙ্গীর (৪২) ও নুরুল সেলামের ছেলে মো. মজিব (৪০) এবং রুবেল একই সঙ্গে এলাকায় চলাফেরা করতেন। জাহাঙ্গীর সম্পর্কে রুবেলের মায়ের চাচাতো ভাই। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে রুবেলকে বাড়ি থেকে ডেকে নেন জাহাঙ্গীর। পরে তাদের বাড়ী থেকে কিছুদূর সামনে গিয়ে রুবেলের ওপর হামলা করে জাহাঙ্গীর ও মজিবের লোকজন। এসময় তারা রুবেলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এসময় রুবেলের চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে রুবেলের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা জানায়, রুবেল, জাহাঙ্গীর ও মজিবসহ এলাকার আরও কয়েকজন অস্ত্র ও মাদকের কারবারি করতেন। মাদক কারবারির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আলম মোল্লা জানান, খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে মূল আসামি জাহাঙ্গীর ও মজিব পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সূত্র: ঢাকাটাইমস
প্রেমিকের কাছে ধর্ষিত, সুযোগ নিলেন দুলাভাইও
অনলাইন ডেস্ক: ময়মনসিংহে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরীকে তার প্রেমিক ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রেমিকের নাম রাব্বি। এ ঘটনাটি জেনে তা ফাঁস করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ওই কিশোরীর আপন ভগ্নিপতিও তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এতে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সাত নম্বর চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের সবজিপাড়া এলাকায়। রাব্বির বাড়ি একই গ্রামে আর ভগ্নিপতি রিপন মিয়া পার্শ্ববর্তী চর ঝাউগাড়া গ্রামের কালীবাড়ি গ্রামে মৃত সালাম মিয়ার ছেলে। অন্তঃসত্ত্বা ওই কিশোরী বলেন, রাব্বির সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের প্রেম ছিল। সম্পর্কের একপর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রাব্বি আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। বর্তমানে আমি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পাঁচ মাস আগে আমাকে না জানিয়ে রাব্বি আমারই খালাতো বোনকে বিয়ে করেছে। এক পর্যায়ে ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পারে আমার আপন ভগ্নিপতি রিপন। তিনি বিষয়টি ফাঁস করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিকবার আমার সঙ্গে শারিরীক সম্পর্ক করে। ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর বাবার অভিযোগ, প্রেমের অভিনয় করে মিথ্যা বিয়ের আশ্বাস দিয়ে রাব্বি আমার মেয়েকে ধর্ষণ করায় সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। এদিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার আপন মেয়ে জামাইও তাকে ধর্ষণ করেছে। আমি এই দুই নরপিশাসের বিরুদ্ধে শিগগির আইনের আশ্রয় নেব। অভিযুক্ত রিপনের স্ত্রী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমার স্বামী এত বড় লম্পট তা কল্পনাও করতে পারিনি। ঘটনার শোনার পরপরই আমি বাবার বাড়িতে চলে আসি। আমি লম্পট স্বামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। এদিকে ঘটনার পর থেকে রিপন পলাতক রয়েছেন। তার রাব্বির মা বলছেন তার ছেলেকে ফাঁসাতে এ অভিযোগ আনা হয়েছে। ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি লোকমুখে শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সূত্র: ঢাকাটাইমস

সারা দেশ পাতার আরো খবর