কুমিল্লায় শিশু আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন বিষয়ে সেমিনার
কুমিল্লায় শিশু আইন-২০১৩ এর কার্যকর বাস্তবায়ন পর্যালোচনা বিষয়ক চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্বিতীয় অংশের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুর ১টায় কুমিল্লা বার্ডে সুপ্রিমকোর্ট স্পেশ্যাল কমিটি অন চাইল্ড রাইটস ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্ট স্পেশাল কমিটি অন চাইল্ড রাইটসের সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিমকোর্ট স্পেশাল কমিটি অনচাইল্ড রাইটস-এর সদস্য হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার, বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ, বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার, বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউনিসেফের চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান মাধুরী ব্যানার্জী। সেমিনারে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলার বিজ্ঞ জেলা জজ, শিশু আদালতের বিজ্ঞ বিচারক, বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারগণ এবং শিশু বিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তারা এবং সমাজসেবা অধিদফতরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
দুই চিকিৎসককে বরখাস্ত করলো ম্যাক্স
অনলাইন ডেস্ক :বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালে সাংবাদিক রুবেল খানের অাড়াই বছরের মেয়ে রাইফা খানের মৃত্যুর পেছনে তিন চিকিৎসকের অবহেলা প্রমাণিত হওয়ার পর দুই চিকিৎসককে ওই হাসপাতাল থেকে বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। তারা হলেন, ডা. দেবাশীষ সেন গুপ্ত ও ডা. শুভ্র দেব। অবহেলায় এই দুজন সরাসরি জড়িত ছিলেন। ডা. বিধান রায় চৌধুরীর নাম সিভিল সার্জনের তদন্তে আসায় ম্যাক্স হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে কল না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ম্যাক্স হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. লিয়াকত আলী খান বলেন, অবহেলায় সাংবাদিক রুবেল খানের মেয়ের মৃত্যুর অভিযোগ আসার পর আমরাও নিজস্ব একটি তদন্ত কমিটি গঠন করি। ওই তদন্তে ডা. দেবাশীষ সেন গুপ্ত ও ডা. শুভ্র দেবের অবহেলার বিষয়ে প্রমাণ পাই। তাই ওই দুজনকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ না (বহিষ্কার ) রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিভিল সার্জনের তদন্ত প্রতিবেদনে ডা.বিধান রায়েরও নাম আসায় তাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কল না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন
সন্দ্বীপ সারিকাইত ৮ নং ওয়ার্ড, শিবেরহাটের ব্যস্ত সড়ক যেন মরণফাঁদ
সন্দ্বীপের শিবেরহাট। সন্দ্বীপের ঐতিহ্যবাহী ও বড় কয়েকটি হাট-বাজারের মধ্যে এটি একটি। বাজারের পশ্চিম মাথায় রয়েছে দক্ষিণ সন্দ্বীপের সর্ব প্রথম প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী সাউথ সন্দ্বীপ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়। উত্তর মাথায় রয়েছে সাউথ সন্দ্বীপ ডিগ্রী কলেজ ও বহু পুরানো একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। মগধরা, মাইটভাঙ্গা ও সারিকাইত ইউনিয়নের চারদিকের অন্তত পাঁচ কিলোমিটারের প্রায় ত্রিশ হাজার বাসিন্দাদের সকাল-সন্ধ্যা আনাগোনা এই শিবেরহাটে। সারিকাইত ৮নং ওয়ার্ড বলিরপুলের এই সড়ক দিয়ে সাতঘরিয়া-সারিকাইত ও মগধরা ইউনিয়নের সকল বাসিন্দাদের শিবেরহাট, স্কুল, কলেজ ও যাবতীয় কাজে যাতায়াত করতে হয়। বর্তমানে পুলটির প্রায় অর্ধেক ভেঙ্গে গেছে। রিক্সা-টেক্সি পারাপার করে কোনভাবে ঝুঁকি নিয়ে। তাও শংকায় থাকে পার হতে ভেঙ্গে খাদে পড়ে যায় কিনা। ভারি ও বড় যানবাহন এখন এই সড়ক দিয়ে চলতে পারেনা। এদিকে দুর্ঘটনা এড়াতে পুলটির সামনেও নেয়া হয়নি কোন প্রকার উদ্যোগ। এতে দিনে দুর্ঘটনার আশংকা কিছুটা কম থাকলেও রাতের আঁধারে যে কোন পথচারি ভুলক্রমে বা না জেনে চলাচল করতে গেলে তার ভাগ্যের নির্মম পরিণতি ঘটতে পারে এখানে। পঙ্গুত্ববরণ কিংবা মারাত্মকভাবে আহত হওয়ার আশংকাও রয়েছে। দিনের পর দিন কিংবা মাসের পর মাস নয় বরং এই অবস্থায় আছে পুলটি প্রায় চার বছর ধরে। এলাকাবাসী বলেন, স্থানীয় সারিকাইত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম পনির, ৮নং ওয়ার্ড মেম্বার সাইফুল ইসলাম এবং ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড (সংরক্ষিত) মহিলা মেম্বার তাছলিমা বেগমকে পুলটি সংস্কারের ব্যাপারে তারা বার বার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু এব্যাপারে এখনো কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এদিকে বিষয়টি নিয়ে উপরোক্ত চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মহিলা মেম্বারের সাথে যোগাযোগ করা হলে মহিলা মেম্বার তাছলিমা বেগম ছাড়া চেয়ারম্যান ও মেম্বার ফোন রিসিভ করেন নি। তাছলিমা বেগম বলেন, বিষয়টি তিনি ইউনিয়ন পরিষদের সভায় বেশ কয়েকবার উত্থাপন করেছেন। আগামী সভায় আবারও বিষয়টি জোরালোভাবে তার আলোচনায় রাখবেন বলে জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ভুল চিকিৎসায় এক নারীর মৃত্যুর অভিযোগ
অনলাইন ডেস্ক :সাভারের আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুত এলাকায় মমতাজ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় এক নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। আশুলিয়ার মমতাজ উদ্দিন জেনারেল হাসপাতালে বৃহস্পতিবার রাত একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।নিহত নারীর নাম লাইলি বেগম (৩২)। তিনি আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকার আবুল কাসেমের স্ত্রী।ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত চিকিৎসক, নার্স ও আয়া পলাতক রয়েছেন।নিহতের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে টনসিলজনিত সমস্যা নিয়ে লাইলি বেগমকে মমতাজ উদ্দিন জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাতে অপারেশন চলাকালে ওই রোগীর মৃত্যু হয়।ঘটনার পর ডাক্তার এবং হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির কাউকেই পাওয়া যায়নি। এসময় নিহতের স্বজনরা আশুলিয়া থানা পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল আউয়াল বলেন, রাতে ভুল চিকিৎসায় রুগীর মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি।নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি গঠন
বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা ইলিয়াস মাহমুদের সভাপতিত্বে চট্টগ্রামস্থ খতিবে আজম গবেষণা পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে আজ সোমবার বিকাল ৩ টায় অনুষ্ঠিত দলীয় সভায় এই কমিটি গঠিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সাবেক ছাত্র নেতা মাওলানা শেখ মুহাম্মাদ ইসমাইল বিন কবিরকে সভাপতি, অধ্যাপক মাওলানা ইলিয়াছ মাহমুদ, মাওলানা সাইদুর রহমান , মাওলানা এইচ . এম . আবু ল কাসেম , মাওলানা আব্দু র রহী ম চৌধুরী, মাওলানা এনামুল হক কুতুবীকে সহসভাপতি , আ. ন .ম . রহিম উল্লাহকে সাধারণ সম্পাদক । এইচ. এম. রহমত উল্লাহকে যুগ্ম সম্পাদক, মাওলানা আনোয়ার হোসেন রাব্বানী ও মাওলানা মোহাম্মদ মুনছুরকে সহকারী সম্পাদক, মাওলানা ফয়েজ উল্লাহকে সাংগঠনিক সম্পাদক , এম . এ. আজম কুতুবীকে অর্থ সম্পাদক , মোহাম্ম দ ইলিয়াছ কুবরাকে প্রচার সম্পাদক, চৌধুরী মোহাম্মদ আবু তৈয়বকে শিক্ষা ও সংস্কৃ তি সম্পাদক , হাফেজ মাওলানা মু. মোস্তাফা নুরীকে সমাজ কল্যাণ সম্পাদক করে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয় উল্লেখ্য ইসলামী ঐক্যজোট ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক। আগামীদিনে ২০ দলীয় জোটের আন্দোলন সংগ্রামে ইসলামী ঐক্যজোটের চট্টগ্রাম মহানগরের প্রত্যেক থানা, ওয়ার্ড, ইউনিটে শক্তিশালী করে কর্মসূচিকে বেগমান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিবাদ সমাবেশ
বিএনপির কেন্দ্রীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ঢাকার আলিয়া মাদরাসার ক্যাঙ্গারু কোর্টে সাজানো মামলায় অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে কারাগারে বন্দি করা রাখা হয়েছে বেগম খালেদা জিয়াকে। কুমিল্লার মিথ্যা মামলায় হাইকোর্টের দেয়া জমিন আপিল বিভাগ স্থগিত করেছে তা নজিরবিহীন ঘটনা। ন্যায় বিচার পাওয়ার সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হলো সর্বোচ্চ আদালত। জামিন পাওয়া বেগম খালেদা জিয়ার নাগরিক অধিকার। বেগম জিয়ার হাইকোর্টের জামিন স্থগিত করা সম্পূর্ণ সরকার নির্দেশিত। বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার প্রতিহিংসা ও জিঘাংসার শিকার। তিনি আজ ৫ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকালে কাজীর দেউরী নাসিমনভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত করার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। এতে তিনি আরো বলেন, হাইকোর্ট জামিন দিলে সে জামিন স্থগিত করা হয় এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। শেখ হাসিনা জোর করে ক্ষমতায় আছে বলেই বিচারিক প্রক্রিয়ায় ন্যায় বিচার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দেশনেত্রীর জামিন স্থাগিত করা শেখ হাসিনার হুকুমেরই বাস্তবায়ন। তিনি আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে আইনী প্রক্রিয়ায় আদৌ মুক্ত করা যাবে কিনা তা নিয়ে সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে যে আইনী প্রক্রিয়া চলছে এবং যে ধরনের আদেশ দেয়া হচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে সরকারের ইচ্ছারই প্রতিফলন ঘটছে। কোন রকম ন্যায় বিচার পাবে এ বিশ্বাস দিন দিন ক্ষিণ হয়ে আসছে। বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা না নেয়ায় তার শারীরিক অবস্থা আরো সংকটময় হয়ে ওঠেছে। সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে জেল খানায় তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, সরকার ও দুদক পরিকল্পিতভাবে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানেয়াট নাটক মঞ্চস্থ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে কারান্তরিন করে রেখেছে। অবৈধ সরকার বিভিন্ন অজুহাতে ও কাল্পনিক মামলা দিয়ে বেগম জিয়ার জামিন প্রক্রিয়াকে একের পর এক বাধা সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে সরকার জোর করে অব্যাহতি প্রদানের মাধ্যমে অন্য সব প্রতিষ্ঠানের মত দেশের বিচার বিভাগও আজ পরাধীনতার শৃংখলে বন্দি। শৃংখলিত বিচার বিভাগ থেকে বেগম খালেদা জিয়া কেন? দেশের একজন সাধারণ নাগরিকও ন্যায় বিচার আশা করতে পারেন না। তিনি আরও বলেন, বেগম জিয়ার কারাবাস সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বিচার বিভাগের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে তাই আইনি প্রক্রিয়ায় বেগম খালেদা জিয়াকে আর মুক্ত করা যাবে না। সরকারের রাজনৈতিক সিন্ধান্তে বেগম জিয়াকে সাজা দিয়ে বন্দি করেছে, আমাদেরকেও রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে এর সমাধান করতে হবে। এইজন্য আমাদের সকলকে সর্বোচ্চ ত্যাগের মানসিকতা নিয়ে রাজপথে নামার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, সরকারের নির্দয়-নিষ্ঠুর আচরণে এটি সুস্পষ্ট যে, তারা জোর করে ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়। আর এজন্য গণতন্ত্রকে নি:শেষ করে ফেলছে। তাই মিথ্যা ও সাজানো মামলায় কারাবন্দী সম্পূর্ণ নির্দোষ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে চলমান আন্দোলনকে দমন করার উদ্দেশ্যেই বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম নির্যাতন এবং গ্রেফতার করা হচ্ছে। কিন্তু এসব নিপীড়ন করে সরকার যেমন জনগণের রোষ থেকে রেহাই পাবে না তেমনি দেশনেত্রীর মুক্তি আন্দোলনকেও বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। বালির বাঁধ দিয়ে সমুদ্রের জোয়ার কখনো রুখা যায় না। প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি‘র সহসভাপতি মো: মিয়া ভোলা, হাজী মো: আলী, হারুন জামন, সৈয়দ আহামদ, কামাল উদ্দিন কন্ট্রা:, ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবুল ফয়েজ, উপদেষ্টা জাহিদুল করিম কচি, নবাব খান, সি: যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো: শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, কাউন্সিলর আবুল হাশেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো: সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক, মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, কামরুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক, মো: সালাউদ্দিন, ইব্রাহীম চৌধুরী, সম্পাদকবৃন্দ এম আই চৌধুরী মামুন, হামিদ হোসেন, ডা. এস এম সরওয়ার আলম, এড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, মো: আলী, আবদুল বাতেন, থানা বিএনপির সভাপতিবৃন্দ মনজুর রহমান চৌধুরী, হাজী বাবুল হক, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মোশারফ হোসেন ডেপটি, ছাইফুর রহমান বাবুল, মো: সেকান্দর, হাজী হানিফ সওদাগর, আবদুল্লাহ আল হারুন, সহ সাম্পদকবৃন্দ, আবদুল হালিম স্বপন, মো: সেলিম, রফিকুল ইসলাম, মো: ইদ্রিস আলী, অধ্যক্ষ খোরশেদ আলম, খোরশেদ আলম কুতুবী,্ ইসমাইল বাবুল, ইউনুছ চৌধুরী হাকিম, সাবের আহাম্মদ, আবু মুসা, সফিক আহাম্মদ, আলমগীর নুর, আবদুল মতিন, ফয়েজ আহাম্মদ, আবুল খায়ের মেম্বার, মোস্তাফিজুর রহমান বুলু, আবদুল হাই, আলী আজম, সালাউদ্দিন লাতু, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ, আলহাজ্ব জাকির হোসেন, মনির আহামদ চৌধুরী, মো: সাহাব উদ্দিন, জসিম উদ্দিন জিয়া, আবদুল কাদের জসিম, নূর হোসেন, নগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পদক ডা. মোহাম্মদ সাদেক, মহানগর বিএনপির সদস্য শওকত আজম খাজা, কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, আতিকুর রহমান, সকিনা বেগম, মুন্নি আক্তার, আইয়ুব খান, ইউসুফ সিকদার, মনজুর কাদের মিন্টু, জাকির হোসেন, মো: ইলিয়াছ, মো: ইয়াছিন, মো: তসলিম, ছাত্রদল নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া, শেখ রাসেল, নগর শ্রমিক দল নেত্রী শাহনেওয়াজ চৌধুরী মিনু, নগর তাতী দল সভাপতি জাহাঙ্গির আলম, নগর জিসাস সভাপতি আবুল হাসেম আজাদ, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আকতার খান, এস এম মফিজ উল্লাহ, আলাউদ্দিন আলী নূর, মনজুর আলম মঞ্জু, আলী আব্বাস খান, কাজী সামশুল আলম, মো. আসলাম, জমির আহমদ, এস এম ফরিদ, হুমায়ন কবির সোহেল, মো. আজম উদ্দিন, খন্দকার নুরুল ইসলাম, মো. বেলাল, মো. হারুন, হাজী আবুল বশর, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান চৌধুরী, এম এ হালিম বাবলু, ফয়েজ আহমদ, জাহিদ উল্লাহ রাশেদ, এস এম আজাদ, সৈয়দ আবুল বশর, মনজুর মিয়া, এস এম আবুল কালাম আবু, নূর হোসেন নুরু, হাজী মো. এমরান, মনজুর কাদের, মো. হারুন, হাজী জাহেদ, আশরাফ খান, সিরাজুল ইসলাম মুনসি, হাসান ওসমান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশ
তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপার্সন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে অদ্য বিকাল ৩ ঘটিকার সময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে দোস্ত বিল্ডিংস্থ দলীয় কার্যালয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত করা হবে। বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচন করার দিবাস্বপ্ন বাদ দিয়ে গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরেও নির্জন কারাগারে বন্দী রেখে সরকার ওনাকে (বেগম খালেদা জিয়া) বাদ দিয়ে একতরফা নির্বাচনে পায়তারা করছে। এদেশের জনগণ সরকারের আশা পূরণ হতে দিবে না। অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন। প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ এনামুল হক এনাম, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বাঁশখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার মো: লোকমান, সাতকানিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী মো: রফিকুল আলম, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুদ্দিন সালাম মিঠু, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এড. নাছির উদ্দিন, প্রকাশনা সম্পাদক এড. আবু তাহের, সহ ক্রীড়া সম্পাদক শওকত ওসমান, বিএনপি নেতা আবুল হোসেন, কে এম আনিসুর রহমান, জাহেদুল হক, সুলতানুল আজিম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোজাম্মেল হক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এড. মহিউদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য, সদ্য কারামুক্ত মুহাম্মদ শহীদুল আলম শহীদ, মো: মহসিন, জেলা যুবদল নেতা হামিদুর রহমান পিয়ারু, আবুল মনসুর সিকদার সোহেল, দৌলত আকবর চৌধুরী, আবদুল মান্নান, নূর মোস্তফা সিকদার, মো: শওকত, মো: শফি, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য মো: মহসিন, ওবাইদুল হক রিকু, শাহ আলম, শাহজাহান হোসেন, মো: রাসেল চৌধুরী, তৌহিদুল ইসলাম, মাহমুদুল ইসলাম, মো: আলমগীর, মো: জুয়েল, আবদুস সবুর, মিজানুর রহমান, ফরহাদুল ইসলাম, এরশাদ উল্লাহ, মো: ওয়াহাব, আমান উল্লাহ বাবু, আনিসুর রহমান, ফরহাদুল ইসলাম, রিয়াজ আহমেদ, মো: ফারুক মিয়া, লোকমান উদ্দিন, মো: ইলিয়াছ, মো: ফিরোজ, গাজী রিফাত, বাকি বিল্লাহ সহ প্রমুখ। সভায় সাতকানিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
বিএনপির চেয়ারপার্সন, সাবেক তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও মুক্তির দাবীতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় চত্বরে উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে ও মীরসরাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাইনুদ্দিন মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাথী উদয় কুসুম বড়য়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি নেতা শওকত আলী নূর, শফিউল জামান। বক্তব্য রাখেন মো: ইলিয়াছ চৌধুরী, এম.এ. হালিম, এম. ইলিয়াছ আলী, আবু বকর ছিদ্দিকী সোহেল, এস.এম. মহিউদ্দিন মাসুদ, মোক্তাদের মাওলা, নাজিম উদ্দিন শাহীন, হাজী ইলিয়াছ সিকদার, নুরুল ইসলাম বাবুল, সৈয়দ তাজুল ইসলাম, এম. শাহজান শাহিল, জানে আলম, মাসুদ চৌধুরী, আবুল তালেব শিবলু, খায়রুল ইসলাম, এম. মতিন, মোস্তফা মনোয়ার মুন্না, মো: এহাসান, ফোরকান চৌধুরী, মিয়ান রায়হানুল আনোয়ার রাহী, এস.এম. রাশেদুল আলম, মো: আলমগীর, মাহির আজমল কফিল, শাহাদাত মির্জা, শফিউল আজম চৌধুরী, রায়হান উদ্দিন, শামীম আলমগীর রুবেল, জিয়াউদ্দিন, এম জি কিবরিয়া, আবু মনসুর, রহমত উল্লাহ, একরাম, বিপুল খান, লিমন চৌধুরী বাপ্পা, মো: রহিম উদ্দিন, আলমগীর, ফরিদ উদ্দিন, সোহেল, মামুন, রাসেল, আইয়ুব, কামরুল ইসলাম, নওশাদ, কাজী পিয়াল, মো: রকিব, গাজী রাসেল প্রমুখ। সমাবেশে প্রধান অতিথি সাথী উদয় কুসুম বড়য়া বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক, বেগম জিয়াকে বন্দী রাখা মানে গণতন্ত্রকে বন্দী রাখা। আমরা যখনই কোনো আন্দোলন শুরু করি, আমাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে আওয়ামীলীগ দাঁড়ায় না আমাদের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায় রযাব, পুলিশ, বিজিবি। অর্থাৎ এই সরকার আর জনগণের সরকার নয় পুলিশ প্রশাসনের সরকার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা আবারো ৭২-৭৫ এর মত লালবাহিনী, নীল বাহিনী, রক্ষি বাহিনীর মত প্রশাসনকে ব্যবহার করছেন রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে। সমাবেশে ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদেরকে রক্তাক্ত করে কেউ ক্ষমতার মসনদে টিকে থাকতে পারেনি। এই সরকারও তরুণদের সাথে বেইমানী করে যে আগুন জ্বালিয়েছেন তার খেসারত দিতে হবে। আওয়ামীলীগ এখন ১৬ কোটি মানুষের সাথে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সহ সকল রাজবন্দীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানান।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আইনজীবী ফোরামের প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা, খালেদা জিয়াকে মুক্তি না দিলে যে কোনো পরিস্থিতির জন্য
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম চট্টগ্রামের উদ্যোগে অদ্য ৫ জুলাই ২০১৮ দুপুর ১২ ঘটিকার সময় চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য এড. মো: দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী’র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এড. মো: জহুরুল আলম’র সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বার কাউন্সিলের সাবেক সদস্য চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট আইনজীবী এড. মো: কবির চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এড. মকবুল কাদের চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী এড. এ.এস.এম বদরুল আনোয়ার এবং চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড. নাজিম উদ্দিন চৌধুরী। প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. এস.ইউ.এম নুরুল ইসলাম, এড. মফিজুল হক ভূঁইয়া, এড. আবদুস সাত্তার সরওয়ার, এড. এম. আবদুল মালেক, এড. এনামুল হক, এড. রফিক আহমদ, এড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, এড. রওশন আরা বেগম, এড. কাজী মো: সিরাজ, এড. সেলিমা খানম, গণতান্ত্রিকক আইনজীবী ফোরাম এর সাধারণ সম্পাদক এড. শাহাদাত হোসেন, ইসলামিক ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের রাজনৈতিক সচিব, এড. শামসুল আলম, এড. আবুল হাসান শাহবুদ্দিন, এড. আফাজুর রহমান, এড. ফৌজুল আমিন, এড. আবু তাহের, এড. মো: মাইনুদ্দিন, ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক এড. নাছিমা আক্তার চৌধুরী, এড. হাসান মাহমুদ চৌধুরী, এড. মো: জসিম উদ্দিন, এড. মাহফুজুল হক, এড. শফিউল হক চৌধুরী সেলিম, এড. রাহিম উদ্দিন চৌধুরী, এড. মুর্শিদ আলম, এড. এরশাদুর রহমান রিটু, এড. কবির হোসেন, এড. কানিজ কাউসার চৌধুরী, এড. সেলিম উদ্দিন শাহীল, এড. জসিম উদ্দিন, এড. নুরুল করিম এরফান, এড. আবছার উদ্দীন হেলাল, এড. এস.এম. ইকবাল, এড. নিলুফার ইয়াছমিন লাভলী, এড. সানজিক আকবর, এড. স.ম জসিম, এড. হাসনাহেনা, এড. আশরাফি বিনতে মোতালেব, এড. মশকুরা বেগম মেরী, এড. দেলোয়ার হোসেন, এড. আবুল মনসুর সিকদার, এড. রফিকুল আলম, এড. শাহনাজ সিদ্দিকা রুনা, এড. মাহবুবুল হক, এড. মো: ইয়াছিন, এড. লোকমান শাহ্, এড. মো: আলী ইয়াছিন, এড. জেবুন্নাহার লিনা, এড. ফারুক আহমদ সেলিম, এড. রোমানা শরিফ, এড. শাহাব উদ্দিন খুতুবী এড. সুলতানুল আজম, এড. তৌহিদুল ইসলাম, এড. দিদারুল আলম সুমন, এড. আবু তৈয়ব, এড. মনজুর হোসেন, এড. নাছির উদ্দিন, এড. জয়ফুল জাবেদ, এড. এরশাদুল কাইয়ূম, এড. মোয়াজ্জেম হোসেন প্রমুখ। প্রধান অতিথি এড. মো: কবির চৌধুরী বলেন, দলের সর্বউচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনতাকে সাথে নিয়ে ফ্যাসীবাদী সরকারের বিরুদ্ধে দূর্বার গণআন্দোলন ছাড়া দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মক্তি ও গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধার সম্ভব নয়। সরকার আদালতের ঘাঁড়ে বন্দুক রেখে রাজনৈতিক হীনস্বার্থ চরিতার্থ করা সহ ২০১৪ সালের ন্যায় এক তরফা নির্বাচনের পাঁয়তারা করছে। গণআন্দোলনের মাধ্যমে যে কোনো মূল্যে সরকারের সেই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। প্রধান বক্তা মকবুল কাদের চৌধুরী, বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বিহীন প্রহসনের নির্বাচন জনগণ মেনে নিবে না। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ছাড়া কোনো এক তরফা নির্বাচন দেশে এবং বিদেশে কোথাও গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। এখনিই সময় দূর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে দেশনেত্রীকে মুক্ত করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি নির্দলীয় সহায়ক সরকারের অধীন অনুষ্ঠানের লক্ষে সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে হবে। সভাপতির বক্তব্য দেলোয়ার হোসেন বলেন, সরকার আদালতকে ব্যবহার করছে। যার ফলে দেশের বিচার ব্যবস্থা ধ্বংসের সম্মুখীন। দেশের আদালতের প্রতি মানুষের আস্থাহীনতা দৃঢ় হচ্ছে। গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার চলমান আন্দোলনে আইনজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি অনতিবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর